Loading...
Loading...
বইসমূহ
56 হাদিসসমূহ
। জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পশুকে যবাহ করাই তার পেটের বাচ্চার যবাহের জন্য যথেষ্ট।
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! জাহিলী যুগের কাছাকাছি একটি (নও মুসলিম) দল আমাদের নিকট গোশত নিয়ে আসে। ‘আমরা জানি না তারা আল্লাহর নাম নিয়ে তা যবাহ করেছে কি না। ‘আমরা কি এ গোশত খাবো? রাস...
। আবুল মালীহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উচ্চস্বরে বললো, ‘আমরা জাহিলী যুগে রজব মাসে ‘আতীরাহ করতাম। এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি নির্দেশ দেন?...
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ইসলামে কোনো ফারা‘আ নেই এবং ‘আতীরাহও নেই।
। সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফারা‘আ হলো পশুর ঐ প্রথম বাচ্চা, যা তারা দেবতার উদ্দেশ্যে যবাহ করতো।
। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে প্রতি পঞ্চাশটি বকরীতে একটি বকরী ‘আতীরাহ করতে আদেশ করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কতিপয় লোকের উক্তি হচ্ছে, ‘ফারা‘আ হলো উটের প্রথম...
। উম্মু কুরয আল-কা‘বিয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ পুত্রের জন্য একই ধরণের দু’টি এবং কন্যার জন্য একটি বকরী ‘আক্বীকাহ করতে হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি...
। উম্মু কুরয (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা পাখিকে তার বাসায় নিরাপদে থাকতে দিবে। আমি তাঁকে এও বলতে শুনেছিঃ ‘আক্বীকাহ্ ছেলের পক্ষ থেকে দু’টি এবং মেয়ের পক্ষ থেক...
। উম্মু কুরয (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ (আক্বীকাহ্) ছেলের পক্ষ থেকে সমবয়স্ক দু’টি বকরী এবং মেয়ের পক্ষ থেকে একট বকরী। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটিই আসল হাদীস। আর সুফিয়ানের হাদীস সন্দ...
। সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রত্যেক শিশু তার আক্বীকাহর সাথে বন্ধক থাকে। সপ্তম দিনে তার পক্ষ থেকে আক্বীকাহ করতে হয়, মাথা মুড়াতে হয় এবং (মাথায়) রক্ত মাখাতে হয়। কাতাদাহকে...
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রত্যেক শিশু তার আক্বীকাহর বিনিময়ে বন্ধক থাকে। তার জন্মের সপ্তম দিনে আক্বীকাহ করতে হয়, মাথার চুল ফেলতে হয় এবং নাম রাখতে হয়। আবূ...
। সালমান ইবনু ‘আমির আদ-দাব্বী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রতিটি সন্তানের সাথে আক্বীকাহ রয়েছে। সুতরাং তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহিত করো এবং তার থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করো।
। হাসান বাসরী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলতেন, কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা দ্বারা মাথা মুন্ডানোকে বুঝানো হয়েছে।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর পক্ষ থেকে একটি করে দুম্বা আক্বীকাহ করেছেন।
। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতার ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আক্বীকাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ আল্লাহ কষ্ট পছন্দ করেন না। হয় তো সে...
। বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, ‘আমরা বকরী যবাহ করতাম, শিশুর মাথা...