Loading...
Loading...
বইসমূহ
164 হাদিসসমূহ
। মানসুর আল-কালবী (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। একদা রমাযান মাসে দিহয়া ইবনু খালীফাহ (রাযি.) দামিশকের এক অঞ্চল থেকে ‘আকাবাহ ও ফুসতাতের মধ্যবর্তী দূরত্বের সম-পরিমাণ অর্থাৎ তিন মাইল দূরত্ব পর্যন্ত সফর করেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করলেন এ...
। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি আল-গাবা বনভূমিতে যেতেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করতেন না এবং সালাত কসর করতেন না।[1] সহীহ মাওকুফ।
। আবূ বাকরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমি পুরো রমাযান মাস সওম রেখে এবং এর পূর্ণ রাত (সালাতে) দাঁড়িয়ে কাটিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সা...
। আবূ ‘উবাইদ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমার (রাযি.)-এর সাথে আমি এক ঈদের সালাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুত্ববাহর পূর্বে সালাত পড়লেন। অতঃপর বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু‘দিন সওম রাখতে নিষেধ...
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা- এ দু‘দিন সওম পালন করতে এবং দুই ধরনের পোশাক পরতে (সাম্মা) এক কাপড়ে সমগ্র শরীর পেঁচিয়ে ন...
। উম্মু হানী (রাযি.)-এর মুক্তদাস আবূ মুররাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আমরের সাথে তার পিতা আমর ইবনুল আস (রাযি.)-এর নিকট যান। তিনি তাদের উভয়ের সামনে খাবার এনে তা খেতে বললেন। আব্দুল্লাহ (রাযি.) বললেন, আ...
। ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আরাফাহর দিন, কুরবানীর দিন এবং তাশরীকের দিনগুলো হচ্ছে আমাদের মুসলিমদের ঈদের দিন, এগুলো পানাহারের দিন।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন কেবল জুমু‘আহর দিন সওম না রাখে। (রাখতে চাইলে) জুমু‘আহর আগে অথবা পরের দিনও যেন সওম রাখে।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু বুসর আস-সুলামী (রহ.) থেকে তার বোন আস-সাম্মা‘ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা শুধু শনিবারে সওম রেখো না। তবে ঐ দিন তোমাদের উফর ফরযকৃত সওম রাখতে পারো। তোমাদের কেউ যদ...
। জুয়াইরিয়াহ বিনতু হারিস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন তাঁর কাছে আসলেন তখন তিনি সওম পালন অবস্থাল ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি গতকাল সওম রেখেছিলে? তিনি বললেন, না। তিনি পুনরায়...
। ইবনু শিহাব (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তার নিকট শুধু শনিবার সওম রাখা নিষেধ সম্পর্কিত হাদীস আলোচনা করা হলে তিনি বলেন, এটা তো হিমসী বর্ণিত হাদীস।[1] মাকতূ‘ মারফূয।
। আল-আওযাঈ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, শনিবারের সওম সম্পর্কিত ইবনু বুসর বর্ণিত হাদীসটি আমি গোপন রেখেছিলাম। কিন্তু আমি দেখলাম যে, তা ব্যাপকভাবে প্রসার পেয়েছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, ইমাম মালিক (রহ.) বলেছেন, এ হাদীস...
। আবূ কাতাদাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কিভাবে সওম রাখেন? এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসন্তুষ্ট হলেন। উমার (রাযি...
। আবূ কাতাদাহ (রহ.) থেকে এই সনদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণিত। তাতে অতিরিক্ত রয়েছেঃ তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সোমবার ও বৃহস্পতিবার সওম পালনের ব্যাপারে আপনার কি অভিমত? তিনি বললেনঃ ঐ দিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং ঐ দিন...
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল ‘আস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেনঃ আমাকে কি জানানো হয়নি যে, তুমি বলেছো, আল্লাহর শপথ! আমি সারা দিন সওম রাখবো এবং সারা...
। বাহিলিয়্যাহ গোত্রীয় ‘মুজীবা’ নাম্নী নামক জনৈক মহিলা থেকে তার পিতা অথবা চাচার সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি (পিতা অথবা চাচা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে দেখা করে চলে যান। অতঃপর এক বছর পরে তিনি আসেন। তখ...
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাযান মাসের পর আল্লাহর মাস মুহাররম-এর সওম হচ্ছে সর্বোত্তম এবং ফরয সালাতের পর রাতের সালাতই সর্বোত্তম।[1] সহীহ।
। উসমান ইবনু হাকিম (রহ.) বলেন, আমি সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.)-কে রজব মাসের সওম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) আমাকে জানিয়েছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনবরত সওম পালন করতেন, এমনকি আমর...
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সকল মাসের মধ্যে শা‘বান মাসে অধিক সওম রাখা অধিক পছন্দনীয় ছিলো। তিনি এ মাসে সওম অব্যাহত রেখে তা রমাযানের সাথে যুক্ত করতেন।[1] সহীহ।
। ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু মুসলিম আল-কারাশী (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেছি (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) অথবা তাঁকে সারা বছর সওম পালন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো।...