Loading...

Loading...
বইসমূহ
৯৩ হাদিসসমূহ
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কা'নব ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ‘আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ..... সাহল (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জুমুআর সালাত আদায়ের পরই বিশ্রাম গ্রহণ করতাম এবং দুপুরের আহার করতাম। ইবনু হুজর (রহঃ) এর বর্ণনায় আরো আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، ويحيى بن يحيى، وعلي بن حجر، قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا عبد العزيز بن ابي حازم، عن ابيه، عن سهل، قال ما كنا نقيل ولا نتغدى الا بعد الجمعة - زاد ابن حجر - في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য ঢলে যাওয়ার পর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমুআর সালাত আদায় করতাম, অতঃপর ছায়া অনুসরণ করতে করতে ফিরে আসতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، واسحاق بن ابراهيم، قالا اخبرنا وكيع، عن يعلى بن، الحارث المحاربي عن اياس بن سلمة بن الاكوع، عن ابيه، قال كنا نجمع مع رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا زالت الشمس ثم نرجع نتتبع الفىء
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে জুমুআর সালাত আদায়ের পর যখন ফিরে আসতাম তখন আমাদের ছায়া গ্রহণের উপযোগী প্রাচীরের কোন ছায়া পড়ত না (অর্থাৎ সূর্য ঢলে যাওয়ার পরপরই সালাত আদায় করা হত)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا هشام بن عبد الملك، حدثنا يعلى بن الحارث، عن اياس بن سلمة بن الاكوع، عن ابيه، قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الجمعة فنرجع وما نجد للحيطان فييا نستظل به
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন দাঁড়িয়ে খুতবাহ দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়াতেন, যেমন আজকাল তোমরা করে থাক। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، وابو كامل الجحدري جميعا عن خالد، - قال ابو كامل حدثنا خالد بن الحارث، - حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب يوم الجمعة قايما ثم يجلس ثم يقوم . قال كما يفعلون اليوم
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, হাসান ইবনুর রাবী' ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) .... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি খুতবাহ দিতেন, উভয় খুতবার মাঝখানে বসতেন এবং (খুতবায়) কুরআন পড়তেন এবং জনগণকে উপদেশ দিতেন*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، وحسن بن الربيع، وابو بكر بن ابي شيبة قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال كانت للنبي صلى الله عليه وسلم خطبتان يجلس بينهما يقرا القران ويذكر الناس
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবাহ দিতেন, অতঃপর বসতেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে আবার (দ্বিতীয়) খুতবাহ দিতেন। যে ব্যক্তি তোমাকে অবহিত করেছে যে, তিনি বসা অবস্থায় খুতবাহ দিতেন, সে মিথ্যা বলেছে। আল্লাহর শপথ! আমি নিশ্চয়ই তার সাথে দু'হাজারেরও অধিকবার সালাত আদায় করেছি (জুমু'আর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو خيثمة، عن سماك، قال انباني جابر بن، سمرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يخطب قايما ثم يجلس ثم يقوم فيخطب قايما فمن نباك انه كان يخطب جالسا فقد كذب فقد والله صليت معه اكثر من الفى صلاة
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় জুমুআর দিন খুতবাহ দিতেন। একদা জুমুআর সালাতের খুতবাহ চলাকালে সিরিয়ার একটি বণিক এসে পৌছলে বারোজন লোক ব্যতীত সকলে তাদের নিকট ছুটে চলে গেল। তখন সূরাহ জুমুআর এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ (অর্থ) "যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল"- (সূরাহ আল জুমুআহ ৬২ঃ ১১)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، كلاهما عن جرير، - قال عثمان حدثنا جرير، - عن حصين بن عبد الرحمن، عن سالم بن ابي الجعد، عن جابر، بن عبد الله ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يخطب قايما يوم الجمعة فجاءت عير من الشام فانفتل الناس اليها حتى لم يبق الا اثنا عشر رجلا فانزلت هذه الاية التي في الجمعة { واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها وتركوك قايما}
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ... হুসায়ন (রহঃ) থেকে একই সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ দিতেন এবং তিনি "দাঁড়ানো অবস্থায়" কথাটুকু উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن حصين، بهذا الاسناد قال ورسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب . ولم يقل قايما
রিফা'আহ ইবনু হায়সাম আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জুমুআর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। এমতাবস্থায় কিছু ছাতুর চালান এসে পৌছল। বর্ণনাকারী বলেন, লোকজন সেদিকে চলে গেল এবং বারোজন ব্যতীত আর কেউ ছিল না। আমি এদের সাথে ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করেন (অনুবাদঃ) "যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল ....."- (সূরাহ আল জুমুআহ ৬২ঃ ১১) আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا رفاعة بن الهيثم الواسطي، حدثنا خالد، - يعني الطحان - عن حصين، عن سالم، وابي، سفيان عن جابر بن عبد الله، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة فقدمت سويقة قال فخرج الناس اليها فلم يبق الا اثنا عشر رجلا انا فيهم - قال - فانزل الله { واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها وتركوك قايما} الى اخر الاية
ইসমাঈল ইবনু সালিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক জুমুআর দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলেন (জুমুআর খুতবাহ দিচ্ছিলেন)। এমতাবস্থায় একটি বণিক দল মাদীনায় এসে পৌছল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ সেদিকে ছুটে গেলেন। এমনকি বারোজন ব্যতীত আর কেউ অবশিষ্ট ছিলেন না। আবূ বাকর ও উমর (রাযিঃ)-ও এদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ "যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয় তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল- (সূরাহ জুমুআহ ৬২ঃ ১১)" (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسماعيل بن سالم، اخبرنا هشيم، اخبرنا حصين، عن ابي سفيان، وسالم، بن ابي الجعد عن جابر بن عبد الله، قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم قايم يوم الجمعة اذ قدمت عير الى المدينة فابتدرها اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى لم يبق معه الا اثنا عشر رجلا فيهم ابو بكر وعمر - قال - ونزلت هذه الاية { واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها}
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কা'ব ইবনু উজরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং তখন আবদুর রহমান ইবনুল হাকাম বসা অবস্থায় খুতবাহ দিচ্ছিলেন। কা'ব (রাযিঃ) বলেন, তোমরা এ নরাধমের প্রতি লক্ষ্য কর, সে বসে বসে খুতবাহ দিচ্ছে*। অথচ আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ "এবং যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুকের বিষয়, তখন তারা তোমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল- (সূরাহ আল জুমুআহ ৬২ঃ ১১)।" (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، عن عمرو بن مرة، عن ابي عبيدة، عن كعب بن عجرة، قال دخل المسجد وعبد الرحمن بن ام الحكم يخطب قاعدا فقال انظروا الى هذا الخبيث يخطب قاعدا وقال الله تعالى { واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها وتركوك قايما}
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার ও আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা উভয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার মিম্বারের সিড়িতে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছেনঃ যারা জুমুআর সালাত ত্যাগ করে তাদেরকে এ অভ্যাস বর্জন করতে হবে। নতুবা আল্লাহ তাদের অন্তরে সীল মেরে দিবেন, অতঃপর তারা গাফিলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني الحسن بن علي الحلواني، حدثنا ابو توبة، حدثنا معاوية، - وهو ابن سلام - عن زيد، - يعني اخاه - انه سمع ابا سلام، قال حدثني الحكم بن ميناء، انحدثاه انهما، سمعا رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على اعواد منبره " لينتهين اقوام عن ودعهم الجمعات او ليختمن الله على قلوبهم ثم ليكونن من الغافلين
হাসান ইবনুর রাবী’ ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করতাম। তার সালাত ও খুতবাহ ছিল মধ্যম (দীর্ঘও নয় অতি সংক্ষিপ্তও নয়)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا حسن بن الربيع، وابو بكر بن ابي شيبة قالا حدثنا ابو الاحوص، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال كنت اصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فكانت صلاته قصدا وخطبته قصدا
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বহু ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছি। তার সালাতও ছিল সংক্ষিপ্ত এবং তার খুতবাহও ছিল মধ্যম। অধস্তন বর্ণনাকারী আবূ বাকর যাকারিয়্যা-এর বর্ণনায় আছেঃ সিমাক থেকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا محمد بن بشر، حدثنا زكرياء، حدثني سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال كنت اصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم الصلوات فكانت صلاته قصدا وخطبته قصدا . وفي رواية ابي بكر زكرياء عن سماك
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খুতবাহ (ভাষণ) দিতেন যখন তার চক্ষুদ্বয় রক্তিম বর্ণ ধারণ করত, কণ্ঠস্বর জোরালো হ'ত এবং তার রাগ বেড়ে যেত, এমনকি মনে হ’ত, তিনি যেন শত্রুবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন আর বলছেনঃ তোমরা ভোরেই আক্রান্ত হবে, তোমরা সন্ধ্যায়ই আক্রান্ত হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলতেনঃ আমি ও কিয়ামত এ দুটির ন্যায় (স্বল্প ব্যবধান) প্রেরিত হয়েছি, তিনি মধ্যম ও তর্জনী আঙ্গুল মিলিয়ে দেখাতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বলতেনঃ অতঃপর উত্তম বাণী হ'ল- আল্লাহর কিতাব এবং উত্তম পথ হ’ল মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রদর্শিত পথ। অতীব নিকৃষ্ট বিষয় হ’ল (ধর্মের মধ্যে) নতুন উদ্ভাবন (বিদ'আত)। প্রতিটি বিদ'আদ ভ্রষ্ট। তিনি আরো বলতেনঃ আমি প্রত্যেক মু'মিন ব্যক্তির জন্য তার নিজের থেকে অধিক উত্তম (কল্যাণকামী)। কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে গেলে তা তার পরিবার-পরিজনের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে গেলে সেগুলোর দায়িত্ব আমার। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب بن عبد المجيد، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن جابر بن عبد الله، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا خطب احمرت عيناه وعلا صوته واشتد غضبه حتى كانه منذر جيش يقول " صبحكم ومساكم " . ويقول " بعثت انا والساعة كهاتين " . ويقرن بين اصبعيه السبابة والوسطى ويقول " اما بعد فان خير الحديث كتاب الله وخير الهدى هدى محمد وشر الامور محدثاتها وكل بدعة ضلالة " . ثم يقول " انا اولى بكل مومن من نفسه من ترك مالا فلاهله ومن ترك دينا او ضياعا فالى وعلى
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমুআর দিন আল্লাহর প্রশংসা ও তার গুণগান করে তার খুতবাহ (ভাষণ) শুরু করতেন, অতঃপর প্রয়োজনীয় কথা বলতেন। (ভাষণে) তাঁর কণ্ঠস্বর জোরালো হ’ত ..... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্ববৎ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، حدثنا خالد بن مخلد، حدثني سليمان بن بلال، حدثني جعفر، بن محمد عن ابيه، قال سمعت جابر بن عبد الله، يقول كانت خطبة النبي صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة يحمد الله ويثني عليه ثم يقول على اثر ذلك وقد علا صوته . ثم ساق الحديث بمثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের উদ্দেশে প্রদত্ত খুতবায় আল্লাহর যথোপযুক্ত প্রশংসা ও গুণগান করতেন, অতঃপর বলতেনঃ আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন তাকে কেউ বিপথগামী করতে পারে না এবং তিনি যাকে বিপথগামী করেন তাকে কেউ হিদায়াত করতে পারে না। সর্বোত্তম বাণী হ’ল আল্লাহর কিতাব, ... অতঃপর হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা সাকাফী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن جعفر، عن ابيه، عن جابر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب الناس يحمد الله ويثني عليه بما هو اهله ثم يقول " من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له وخير الحديث كتاب الله " . ثم ساق الحديث بمثل حديث الثقفي
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। যিমাদ মাক্কায় আগমন করেন। তিনি আযদ শানুয়াহ গোত্রের সদস্য। তিনি বাতাস লাগার ঝাড়ফুঁক করতেন। তিনি মাক্কার কতক নির্বোধকে বলতে শুনলেন, মুহাম্মাদ নিশ্চয়ই উম্মাদ। যিমাদ বলেন, আমি যদি লোকটিকে দেখতাম তাহলে আল্লাহ হয়ত আমার হাতে তাকে আরোগ্য দান করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তার সাথে সাক্ষাত করে বলেন, হে মুহাম্মাদ! আমি এসব বাতাস লাগার ঝাড়ফুঁক করি। আল্লাহ যাকে চান তাকে আমার হাতে আরোগ্য দান করেন। আপনি কি ঝাড়ফুক করাতে চান? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমি তার প্রশংসা করি, তার সাহায্য প্রার্থনা করি। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দান করেন, কেউ তাকে বিপথগামী করতে পারে না এবং তিনি যাকে বিপথগামী করেন, কেউ তাকে হিদায়াত দান করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোন শারীক নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ তার বান্দা ও রসূল। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন, যিমাদ বললেন, আপনি এ কথাগুলো আমাকে পুনরায় শুনান। অতএব, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে কথাগুলো তাকে তিনবার পুনরাবৃত্তি করে শুনান। বর্ণনাকারী বলেন, যিমাদ বলল, আমি অনেক গণক, যাদুকর ও কবির কথা শুনেছি, কিন্তু আপনার এ কথাগুলোর অনুরূপ কথা আমি শুনিনি। এ কথাগুলো সমুদ্রের গভীরে পৌছে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, যিমাদ বলেন, আপনার হাত প্রসারিত করুন, আমি আপনার নিকট ইসলামের বায়’আত গ্রহণ করব। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে বায়’আত করালেন (ইসলাম গ্রহণ করালেন)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও কি (বায়’আত প্রযোজ্য)? যিমাদ বলেন, আমার সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রেও। বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ক্ষুদ্র সামরিক বাহিনী (সারিয়্যা) প্রেরণ করলে তারা তার সম্প্রদায়ের এলাকা দিয়ে অতিক্রম করে। তখন বাহিনী প্রধান সৈন্যবাহিনীকে বলেন, তোমরা কি এদের থেকে কিছু গ্রহণ করেছ? দলের একজন বলল, আমি তাদের থেকে একটি পানি পাত্র নিয়েছি। সেনা নায়ক বলেন, তোমরা সেটি ফেরত দাও। কারণ তারা যিমাদ-এর সম্প্রদায় (তাদের কিছুই গ্রহণ করা বৈধ হবে না। কেননা যিমাদ নিজে এবং নিজের সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বায়’আত গ্রহণ করেছেন)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن المثنى، كلاهما عن عبد الاعلى، - قال ابن المثنى حدثني عبد الاعلى، وهو ابو همام - حدثنا داود، عن عمرو بن سعيد، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، ان ضمادا، قدم مكة وكان من ازد شنوءة وكان يرقي من هذه الريح فسمع سفهاء من اهل مكة يقولون ان محمدا مجنون . فقال لو اني رايت هذا الرجل لعل الله يشفيه على يدى - قال - فلقيه فقال يا محمد اني ارقي من هذه الريح وان الله يشفي على يدي من شاء فهل لك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الحمد لله نحمده ونستعينه من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له واشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له وان محمدا عبده ورسوله اما بعد " . قال فقال اعد على كلماتك هولاء . فاعادهن عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات - قال - فقال لقد سمعت قول الكهنة وقول السحرة وقول الشعراء فما سمعت مثل كلماتك هولاء ولقد بلغن ناعوس البحر - قال - فقال هات يدك ابايعك على الاسلام - قال - فبايعه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وعلى قومك " . قال وعلى قومي - قال - فبعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية فمروا بقومه فقال صاحب السرية للجيش هل اصبتم من هولاء شييا فقال رجل من القوم اصبت منهم مطهرة . فقال ردوها فان هولاء قوم ضماد
সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আম্মার (রাযিঃ) আমাদের উদ্দেশে সংক্ষেপে একটি সারগর্ভ ভাষণ দিলেন। তিনি মিম্বার থেকে নামলে আমরা বললাম, হে আবূল ইয়াকযান। আপনি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ ভাষণ দিয়েছেন, তবে যদি তা কিছুটা দীর্ঘ করতেন। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তির দীর্ঘ সালাত ও সংক্ষিপ্ত ভাষণ তার প্রজ্ঞার পরিচায়ক। অতএব, তোমরা সালাতকে দীর্ঘ এবং ভাষণকে সংক্ষিপ্ত কর। অবশ্যই কোন কোন ভাষণে যাদুকরি প্রভাব থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني سريج بن يونس، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الملك بن ابجر، عن ابيه، عن واصل بن حيان، قال قال ابو وايل خطبنا عمار فاوجز وابلغ فلما نزل قلنا يا ابا اليقظان لقد ابلغت واوجزت فلو كنت تنفست . فقال اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان طول صلاة الرجل وقصر خطبته مينة من فقهه فاطيلوا الصلاة واقصروا الخطبة وان من البيان سحرا
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে ভাষণ দিল। সে বলল, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তার রসূলের আনুগত্য করে সে সঠিক পথ পেল। আর যে ব্যক্তি তাদের অবাধ্যচরণ করল, সে পথভ্রষ্ট হ'ল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি নিকৃষ্ট বক্তা, তুমি এভাবে বল, "যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতা করল ও রসূলের অবাধ্যতা করল।" ইবনু নুমায়র বলেন, "পথভ্রষ্ট হ'ল"। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৮৮০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد العزيز بن رفيع، عن تميم بن طرفة، عن عدي بن حاتم، ان رجلا، خطب عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال من يطع الله ورسوله فقد رشد ومن يعصهما فقد غوى . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بيس الخطيب انت . قل ومن يعص الله ورسوله " . قال ابن نمير فقد غوي