Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৮১ হাদিসসমূহ
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن زياد بن سعد، عن ابن ابي عتاب، عن ابي سلمة، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা সালাত আদায় করতেন। তার বিতর পড়া হয়ে গেলে তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ)-কে লক্ষ্য করে বলতেনঃ হে ‘আয়িশাহ! ওঠে এবং বিতর পড়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن تميم بن سلمة، عن عروة بن الزبير، عن عايشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل فاذا اوتر قال " قومي فاوتري يا عايشة
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতের বেলা সালাত আদায় করতেন তখন আয়িশাহ (রাযিঃ) তার সামনে আড়াআড়ি শুয়ে থাকতেন। সালাত শেষে যখন তার শুধুমাত্র বিতর পড়া বাকি থাকত তখন তিনি আয়িশাহকে জাগিয়ে দিতেন। আর তিনি [আয়িশাহ্ (রাযিঃ)] তখন উঠে বিতর আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني سليمان بن بلال، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن القاسم بن محمد، عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي صلاته بالليل وهي معترضة بين يديه فاذا بقي الوتر ايقظها فاوترت
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সারা রাতের যে কোন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর আদায় করেছেন। এমন কি কোন কোন সময় রাতের শেষভাগেও তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিতর সালাত আদায় করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا سفيان بن عيينة، عن ابي يعفور، - واسمه واقد ولقبه وقدان - ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، و ابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، كلاهما عن مسلم، عن مسروق، عن عايشة، قالت من كل الليل قد اوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم فانتهى وتره الى السحر
আবূ বকর ইবনু আবৃ শায়বাহ্ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সারা রাতের যে কোন অংশে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর সালাত আদায় করেছেন। তিনি রাতের প্রথমভাগে, মধ্যভাগে, শেষভাগে এবং এমনি ভোরে বিতর আদায় করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، عن ابي حصين، عن يحيى بن وثاب، عن مسروق، عن عايشة، قالت من كل الليل قد اوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم من اول الليل واوسطه واخره فانتهى وتره الى السحر
আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সারা রাতের মধ্যে যে কোন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের সালাত আদায় করেছেন। এমনকি তিনি শেষ রাতেও বিতর আদায় করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني علي بن حجر، حدثنا حسان، - قاضي كرمان - عن سعيد بن مسروق، عن ابي الضحى، عن مسروق، عن عايشة، قالت كل الليل قد اوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم فانتهى وتره الى اخر الليل
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না আল আনাযী (রহঃ) ..... যুরারাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। সা'দ ইবনু হিশাম ইবনু আমির (রহঃ) আল্লাহর পথে (আজীবন) লড়াই করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন। তাই তিনি মাদীনায় আগমন করলেন। তিনি চাচ্ছিলেন এ উদ্দেশে তিনি তার জমি-জমা বিক্রি করে তা দ্বারা অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধের ঘোড়া কিনবেন এবং রোমান অর্থাৎ খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে আমৃত্যু জিহাদ করবেন। তাই মদীনায় এসে তিনি মাদীনাহবাসী কিছু লোকের সাথে সাক্ষাৎ করলে তারা তাকে ঐরুপ করতে নিষেধ করলেন। তারা তাকে এ কথাও জানালেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় ছয়জন লোকের একটি দল এ একই কাজ করতে চাইলে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করতে নিষেধ করেছিলেন; আমার জীবন ও কর্মে কি তোমাদের জন্য অনুসরণীয় আদর্শ নেই? তারা (মাদীনাহবাসী) যখন তাকে এ কথাটি শুনালেন তখন তিনি তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিলেন (রুজ’আত করলেন) এবং কিছু লোককে এ ব্যাপারে সাক্ষী রাখলেন। কেননা এ কাজের (জিহাদের) জন্য তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। এরপর তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস এর কাছে এসে তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সালাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস তাকে বললেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সালাত সম্পর্কে পৃথিবীর অধিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী জানে আমি এমন একজন লোকের সন্ধান কি তোমাকে দিব না? তিনি (সাদ ইবনু হিশাম ইবনু আমির) বললেনঃ তিনি কে? আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বললেনঃ তিনি হলেন আয়িশাহ (রাযিঃ)। তার কাছে গিয়ে তুমি জিজ্ঞেস করবে, তারপর তোমাকে দেয়া তার জবাব আমাকে এসে জানাবে। আমি তখন তার কাছে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হলাম। প্রথমে আমি হাকীম ইবনু আফলাহ-র কাছে গেলাম। আমি তাকে আমার সাথে তার (আয়িশাহ) এ দু' দলের ব্যাপারে কোন কিছু বলতে নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি তা না শুনে বরং একটি পক্ষাবলম্বন করেছিলেন। সা'দ ইবনু হিশাম ইবনু আমির বলেনঃ তখন আমি তাকে কসম দিয়ে যেতে বললাম। তাই তিনি যেতে রাজি হলেন। আমরা আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে তাকে অবহিত করলে তিনি আমাদেরকে অনুমতি দান করলেন। আমরা তার কাছে গেলে তিনি হাকীম আফলাহকে চিনতে পারলেন। তাই বললেনঃ আরে, এ যে হাকীম? তিনি (হাকীম ইবনু আফলাহ) বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার সাথে কে আছে? তিনি বললেনঃ সা'দ ইবনু হিশাম (ইবনু আমির)। তিনি প্রশ্ন করলেন। কোন হিশাম? হাকীম ইবনু আফলাহ বললেনঃ ‘আমিরের পুত্র হিশাম। এ কথা শুনে তিনি তার প্রতি খুব স্নেহপ্রবণ হলেন এবং তার ব্যাপারে ভাল মন্তব্য করলেন। কাতাদাহ্ বর্ণনা করলেনঃ আফলাহ উহুদের যুদ্ধে শাহীদ হয়েছিলেন। এরপর আমি বললামঃ হে উন্মুল মুমিনীন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আখলাক সম্পর্কে আমাকে কিছু অবহিত করুন। এ কথা শুনে তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি কুরআন পড় না? আমি বললাম- হ্যাঁ, পড়ি। তিনি বললেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আখলাক তো ছিল কুরআন। সা'দ ইবনু হিশাম ইবনু আমির বলেছেন : আমি তখন মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম উঠে চলে আসি এবং মৃত্যু পর্যন্ত এ ব্যাপারে আর কাউকে কিছু জিজ্ঞেস না করি। কিন্তু আমার মনে আবার একটি নতুন ধারণা জাগল। তাই আমি বললামঃ আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাতের ইবাদাত (কিয়ামুল লায়ল) সম্পর্কে কিছু অবহিত করুন। তিনি এবার আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি কি সূরাহ "ইয়া আইইয়্যুহাল মুয্যাম্মিল" পড় না? আমি বললাম- হ্যাঁ পড়ি। তিনি বললেনঃ মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ এ সূরার প্রথমভাগে “কিয়ামুল লাইল" বা রাতের ইবাদাত বন্দেগী ফারয (ফরয) করে দিয়েছেন। তাই এক বছর পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ রাতের বেলা ইবাদাত করেছেন। মহান আল্লাহ বারো মাস পর্যন্ত এ সূরার শেষাংশ আসমানে ঠেকিয়ে রেখেছিলেন (অর্থাৎ বারো মাস পর্যন্ত এ সূরার শেষাংশ অবতীর্ণ করেননি)। অবশেষে (বারো মাস পরে) এ সূরার শেষে আল্লাহ তা'আলা রাতের ইবাদাতের হুকুম লঘু করে আয়াত অবতীর্ণ করলেন। আর এ কারণে রাত জেগে ইবাদাত যেখানে ফারয (ফরয) ছিল সেখানে তা নাফল বা ঐচ্ছিক হয়ে গেল। সা'দ ইবনু হিশাম বলেনঃ আমি বললাম, হে উন্মুল মু'মিনীন! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সালাত সম্পর্কে আমাকে কিছু অবহিত করুন। তিনি বললেনঃ আমরা তার জন্য মিসওয়াক এবং ওযুর পানি প্রস্তুত করে রাখতাম। অতঃপর রাতের বেলা মহান আল্লাহ যখন চাইতেন তখন তাকে জাগিয়ে দিতেন। তিনি উঠে মিসওয়াক করতেন। ওযু করতেন এবং নয় রাকাআত (বিতর) সালাত আদায় করতেন। এতে অষ্টম রাকাআত ছাড়া বসতেন না। এ বৈঠকে তিনি আল্লাহকে স্মরণ করতেন, তার প্রশংসা করতেন এবং তার কাছে প্রার্থনা করতেন। অতঃপর এমনভাবে সালাম ফিরাতেন যে আমরা তা শুনতে পেতাম। এবার সালাম ফিরানোর পর ঘরে বসেই তিনি দু' রাকাআত সালাত আদায় করতেন। তারপর বললেনঃ হে বৎস! এ এগার রাকাআত সালাত তিনি রাতে আদায় করতেন। পরবর্তী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বয়স বেড়ে গিয়েছিল এবং শরীরও কিছুটা ভারী হয়ে গিয়েছিল তখন তিনি সাত রাকাআত বিতর আদায় করতেন। এক্ষেত্রেও তিনি শেষের দু রাকাআত সালাত পূর্বের মতো করেই আদায় করতেন। হে বৎস! এভাবে তিনি নয় রাকাআত সালাত আদায় করতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন সালাত আদায় করলে তা সর্বদা নিয়মিত আদায় করা পছন্দ করতেন। যখন ঘুমের প্রাবল্য বা ব্যথা-বেদনার কারণে তিনি রাতে ইবাদাত (সালাত আদায়) করতে পারতেন না, তখন দিনের বেলা বারো রাকাআত সালাত আদায় করতেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাতে পুরো কুরআন মাজীদ তিলাওয়াত করেছেন বা সকাল পর্যন্ত সারা রাত আদায় করেছেন কিংবা রমযান মাস ছাড়া সারা মাস সিয়াম (রোযা) পালন করেছেন এমনটি আমি কখনো দেখিনি। সা'দ ইবনু হিশাম ইবনু আমির বর্ণনা করেছেন পরে আমি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে এসে আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তিনি সঠিক বলেছেন। আমি যদি তার কাছে থাকতাম বা তার কাছে যেতাম তাহলে নিজে তার মুখ থেকে হাদীসটি শুনতে পেতাম। সা'দ ইবনু হিশাম বললেনঃ আমার যদি জানা থাকত যে, আপনি তার কাছে যান না, তাহলে আপনাকে আমি তার কথা বলতাম না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬০৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু হিশাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নিজের জমিজমা বিক্রি করার জন্য মাদীনায় আসলেন ...... পূর্বোক্ত হাদীসের মতো বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن سعد بن هشام، انه طلق امراته ثم انطلق الى المدينة ليبيع عقاره . فذكر نحوه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু হিশাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে গিয়ে তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। এ পর্যন্ত বর্ণনা করার পর তিনি হাদীসটি হুবহু পূর্বে বর্ণিত হাদীসের মতো বর্ণনা করলেন। তবে এতে তিনি এ কথাও বর্ণনা করেছেন যে, আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেনঃ কোন হিশাম? তখন আমি বললাম ‘আমির এর পুত্র হিশাম। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ ‘আমির কত উত্তম মানুষ ছিলেন। তিনি উহুদ যুদ্ধে শাহাদাত লাভ করেছিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا سعيد بن ابي عروبة، حدثنا قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن سعد بن هشام، انه قال انطلقت الى عبد الله بن عباس فسالته عن الوتر . وساق الحديث بقصته وقال فيه قالت من هشام قلت ابن عامر . قالت نعم المرء كان عامر اصيب يوم احد
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... যুরারাহ ইবনু আওফা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। সা'দ ইবনু হিশাম (রহঃ) ছিলেন তার প্রতিবেশী। তিনি যুরারাহকে স্বীয় স্ত্রীকে তালাক দেয়ার কথা জানালেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি সাঈদ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করলেন যাতে এ কথাও বর্ণিত হয়েছে যে, আয়িশাহ (রাযিঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ কোন হিশাম এর কথা বলছ? তখন হাকীম ইবনু আফলাহ বললেনঃ ‘আমিরের পুত্র হিশামের কথা বলছি। এ কথা শুনে 'আয়িশাহ বলে উঠলেন- 'আমির কত ভাল লোক ছিলেন। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উহুদ যুদ্ধে শারীক হয়ে শাহাদাত বরণ করেছেন। এ হাদীসে এ কথাও বর্ণিত হয়েছে যে, হাকীম ইবনু আফলাহ বললেনঃ যদি আমার জানা থাকত যে, আপনি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে যান না তাহলে আমি আপনাকে তার সম্পর্কে বলতাম না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن رافع، كلاهما عن عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، ان سعد بن هشام، كان جارا له فاخبره انه، طلق امراته . واقتص الحديث بمعنى حديث سعيد وفيه قالت من هشام قال ابن عامر . قالت نعم المرء كان اصيب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم احد . وفيه فقال حكيم بن افلح اما اني لو علمت انك لا تدخل عليها ما انباتك بحديثها
সাঈদ ইবনু মানসূর ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। ব্যথা-বেদনা বা অন্য কোন কারণে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাত্রিকালীন কোন সালাত কাযা হয়ে গেলে দিনের বেলা তিনি বারো রাকাআত সালাত আদায় করে নিতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، جميعا عن ابي عوانة، قال سعيد حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن سعد بن هشام، عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا فاتته الصلاة من الليل من وجع او غيره صلى من النهار ثنتى عشرة ركعة
‘আলী ইবনু খশরাম (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন আমল বা কাজ করলে তা সর্বদা অর্থাৎ নিয়মিতভাবে করতেন। আর রাতের বেলা ঘুমিয়ে পড়লে বা অসুস্থ হলে পরিবর্তে দিনের বেলা বারো রাকাআত সালাত আদায় করে নিতেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কখনো ভোর পর্যন্ত সারারাত জেগে ইবাদাত করতে এবং রমযান মাস ছাড়া এক নাগাড়ে পুরো মাস সিয়াম পালন করতে দেখিনি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا علي بن خشرم، اخبرنا عيسى، - وهو ابن يونس - عن شعبة، عن قتادة، عن زرارة، عن سعد بن هشام الانصاري، عن عايشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا عمل عملا اثبته وكان اذا نام من الليل او مرض صلى من النهار ثنتى عشرة ركعة . قالت وما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم قام ليلة حتى الصباح وما صام شهرا متتابعا الا رمضان
হারূন ইবনু মা’রূফ এবং আবূত তহির ও হারমালাহ (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ তার (রাতের বেলার) অযীফাহ্ বা করণীয় কাজ কিংবা তার কিছু অংশ করতে ভুলে গেলে তা যদি সে ফাজর ও যুহরের সালাতের মধ্যবর্তী কোন এক সময়ে আদায় করে নেয় তাহলে তা এমনভাবে তার জন্য লিখে নেয়া হবে যেন সে তা রাতের বেলায়ই সম্পন্ন করেছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا هارون بن معروف، حدثنا عبد الله بن وهب، ح وحدثني ابو الطاهر، وحرملة، قالا اخبرنا ابن وهب، عن يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، عن السايب بن يزيد، وعبيد الله بن عبد الله، اخبراه عن عبد الرحمن بن عبد القاري، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نام عن حزبه او عن شىء منه فقراه فيما بين صلاة الفجر وصلاة الظهر كتب له كانما قراه من الليل
যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... কাসিম আশ শায়বানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) একদল লোককে 'যুহা’ বা চাশতের সালাত আদায় করতে দেখে বললেনঃ এখন তো লোকজন জেনে নিয়েছে যে, এ সময় ব্যতীত অন্য সময় সালাত আদায় করা উত্তম বা সর্বাধিক মর্যাদার। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ 'সালাতুল আওয়াবীন’ বা আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী বান্দাদের সালাতের সময় হ’ল তখন সূর্যতাপে উটের বাচ্চাদের পা গরম হয়ে যায়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا زهير بن حرب، وابن، نمير قالا حدثنا اسماعيل، - وهو ابن علية - عن ايوب، عن القاسم الشيباني، ان زيد بن ارقم، راى قوما يصلون من الضحى فقال اما لقد علموا ان الصلاة في غير هذه الساعة افضل . ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الاوابين حين ترمض الفصال
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুবাবাসীদের এলাকায় গেলেন। সে সময় তারা সালাত আদায় করছিলেন। এ দেখে তিনি বললেনঃ 'সালাতুল আওওয়াবীন’ বা চাশতের সালাতের উত্তম সময় হ'ল যখন সূৰ্যতাপে বালু গরম হাওয়ার কারণে উটের বাচ্চাগুলো পা উত্তপ্ত হতে শুরু করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، عن هشام بن ابي عبد الله، قال حدثنا القاسم الشيباني، عن زيد بن ارقم، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم على اهل قباء وهم يصلون فقال " صلاة الاوابين اذا رمضت الفصال
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রাতের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ রাতের সালাত দু' দু' রাকাআত করে আদায় করবে। যখন তোর হওয়ার সম্ভাবনা দেখবে তখন এক রাক’আত সালাত আদায় করে নিবে। যে সালাত সে আদায় করেছে এভাবে তা বিতরে পরিণত হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، وعبد الله بن دينار، عن ابن عمر، ان رجلا، سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة الليل مثنى مثنى فاذا خشي احدكم الصبح صلى ركعة واحدة توتر له ما قد صلى
আবূ বাকর ইবনু আবূ শয়বাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব এবং মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (হাদীসের শব্দগুলো তার) এবং যুহরী (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রাতের (নাফল) সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন- রাতের সালাত দু' দু' রাকাআত করে আদায় করবে। তবে ভোর হয়ে আসছে দেখলে এক রাকাআত বিতর আদায় করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬১৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سالم، عن ابيه، سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول ح وحدثنا محمد بن عباد، - واللفظ له - حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، عن طاوس، عن ابن عمر، ح وحدثنا الزهري، عن سالم، عن ابيه، ان رجلا، سال النبي صلى الله عليه وسلم عن صلاة الليل فقال " مثنى مثنى فاذا خشيت الصبح فاوتر بركعة
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) জনৈক ব্যক্তি দাড়িয়ে বলল- হে আল্লাহর রসূল! রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে হবে? জবাবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রাতের সালাত দু' দু' রাকাআত করে আদায় করবে। অতঃপর যখন ভোর হয়ে আসছে বলে মনে করবে তখন এক রাকাআত বিতর আদায় করবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬২০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرني عمرو، ان ابن شهاب، حدثه ان سالم بن عبد الله بن عمر وحميد بن عبد الرحمن بن عوف حدثاه عن عبد الله بن عمر بن الخطاب، انه قال قام رجل فقال يا رسول الله كيف صلاة الليل قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة الليل مثنى مثنى فاذا خفت الصبح فاوتر بواحدة
আবূর রাবী' আয যাহরানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর রসূল! রাতের সালাত কিভাবে আদায় করতে হবে? আমি সে সময় প্রশ্নকারী ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাঝে (দাঁড়িয়ে) ছিলাম। জবাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দু' রাকাআত দু' রাকাআত সালাত আদায় করবে। আর বিতর পড়ে তোমার সালাত শেষ করবে। (আবদুল্লাহ ইবনু উমার বলেন) এক বছর পর জনৈক ব্যক্তি তাকে একই প্রশ্ন করল। আমি জানি না এ ব্যক্তি পূর্বের প্রশ্নকারী সে ব্যক্তি না অন্য আরেক ব্যক্তি। এবারও আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশে একই স্থানে ছিলাম। তিনি তাকে পূর্বের মতই জবাব দিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬২১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، حدثنا ايوب، وبديل، عن عبد الله بن شقيق، عن عبد الله بن عمر، ان رجلا، سال النبي صلى الله عليه وسلم وانا بينه وبين السايل فقال يا رسول الله كيف صلاة الليل قال " مثنى مثنى فاذا خشيت الصبح فصل ركعة واجعل اخر صلاتك وترا " . ثم ساله رجل على راس الحول وانا بذلك المكان من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا ادري هو ذلك الرجل او رجل اخر فقال له مثل ذلك
আবূ কামিল এবং মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করল। এতটুকু বর্ণনা করার পর উভয়ে (আবূ কামিল ও মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ আল গুবারী) পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তাদের বর্ণিত হাদীসে 'অতঃপর এক বছর পরে তাকে জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল' এবং এর পরের কথাগুলোর উল্লেখ নেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬২২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو كامل، حدثنا حماد، حدثنا ايوب، وبديل، وعمران بن حدير، عن عبد الله بن شقيق، عن ابن عمر، ح وحدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا حماد، حدثنا ايوب، والزبير بن الخريت، عن عبد الله بن شقيق، عن ابن عمر، قال سال رجل النبي صلى الله عليه وسلم . فذكرا بمثله وليس في حديثهما ثم ساله رجل على راس الحول وما بعده
حدثنا محمد بن المثنى العنزي، حدثنا محمد بن ابي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة، ان سعد بن هشام بن عامر، اراد ان يغزو، في سبيل الله فقدم المدينة فاراد ان يبيع عقارا له بها فيجعله في السلاح والكراع ويجاهد الروم حتى يموت فلما قدم المدينة لقي اناسا من اهل المدينة فنهوه عن ذلك واخبروه ان رهطا ستة ارادوا ذلك في حياة نبي الله صلى الله عليه وسلم فنهاهم نبي الله صلى الله عليه وسلم وقال " اليس لكم في اسوة " . فلما حدثوه بذلك راجع امراته وقد كان طلقها واشهد على رجعتها فاتى ابن عباس فساله عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ابن عباس الا ادلك على اعلم اهل الارض بوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قال عايشة . فاتها فاسالها ثم ايتني فاخبرني بردها عليك فانطلقت اليها فاتيت على حكيم بن افلح فاستلحقته اليها فقال ما انا بقاربها لاني نهيتها ان تقول في هاتين الشيعتين شييا فابت فيهما الا مضيا . - قال - فاقسمت عليه فجاء فانطلقنا الى عايشة فاستاذنا عليها فاذنت لنا فدخلنا عليها . فقالت احكيم فعرفته . فقال نعم . فقالت من معك قال سعد بن هشام . قالت من هشام قال ابن عامر فترحمت عليه وقالت خيرا - قال قتادة وكان اصيب يوم احد . فقلت يا ام المومنين انبييني عن خلق رسول الله صلى الله عليه وسلم . قالت الست تقرا القران قلت بلى . قالت فان خلق نبي الله صلى الله عليه وسلم كان القران . - قال - فهممت ان اقوم ولا اسال احدا عن شىء حتى اموت ثم بدا لي فقلت انبييني عن قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقالت الست تقرا { يا ايها المزمل} قلت بلى . قالت فان الله عز وجل افترض قيام الليل في اول هذه السورة فقام نبي الله صلى الله عليه وسلم واصحابه حولا وامسك الله خاتمتها اثنى عشر شهرا في السماء حتى انزل الله في اخر هذه السورة التخفيف فصار قيام الليل تطوعا بعد فريضة . - قال - قلت يا ام المومنين انبييني عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقالت كنا نعد له سواكه وطهوره فيبعثه الله ما شاء ان يبعثه من الليل فيتسوك ويتوضا ويصلي تسع ركعات لا يجلس فيها الا في الثامنة فيذكر الله ويحمده ويدعوه ثم ينهض ولا يسلم ثم يقوم فيصلي التاسعة ثم يقعد فيذكر الله ويحمده ويدعوه ثم يسلم تسليما يسمعنا ثم يصلي ركعتين بعد ما يسلم وهو قاعد فتلك احدى عشرة ركعة يا بنى فلما اسن نبي الله صلى الله عليه وسلم واخذ اللحم اوتر بسبع وصنع في الركعتين مثل صنيعه الاول فتلك تسع يا بنى وكان نبي الله صلى الله عليه وسلم اذا صلى صلاة احب ان يداوم عليها وكان اذا غلبه نوم او وجع عن قيام الليل صلى من النهار ثنتى عشرة ركعة ولا اعلم نبي الله صلى الله عليه وسلم قرا القران كله في ليلة ولا صلى ليلة الى الصبح ولا صام شهرا كاملا غير رمضان . - قال - فانطلقت الى ابن عباس فحدثته بحديثها فقال صدقت لو كنت اقربها او ادخل عليها لاتيتها حتى تشافهني به . - قال - قلت لو علمت انك لا تدخل عليها ما حدثتك حديثها