Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৮১ হাদিসসমূহ
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ‘আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। একটি হ’ল- এমন ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ কুরআনের জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী রাত-দিন আমল করে। আরেক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তা'আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন। সে রাত-দিন তা (আল্লাহর পথে) খরচে করে। (এ দু' ব্যক্তির সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায়। অর্থাৎ এদের সাথে আমল ও দানের ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুকূল ইলম ও মালের আকাঙ্ক্ষা করা যায়। তবে ঐ ব্যক্তির ইলম বিলুপ্ত হয়ে যাক কিংবা ঐ মালদারের মাল ধ্বংস হয়ে যাক- এরূপ কামনা করা যাবে না)*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، كلهم عن ابن عيينة، - قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، - حدثنا الزهري، عن سالم، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا حسد الا في اثنتين رجل اتاه الله القران فهو يقوم به اناء الليل واناء النهار ورجل اتاه الله مالا فهو ينفقه اناء الليل واناء النهار
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুটি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ জায়িয নয়। একটি হ’ল- যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা এ কিতাবের (কুরআন) জ্ঞান দিয়েছেন এবং সে তদনুযায়ী দিন-রাত আমল করে; এ ক্ষেত্রে ঈর্ষা পোষণ করার অর্থ তার চেয়ে বেশী করার (জ্ঞান আহরণের) চেষ্টা করা। আর অপরটি হ'ল- যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন আর সে রাত-দিন তা থেকে সদাকাহ করে (এ ব্যক্তির সাথে এ অর্থে ঈর্ষা পোষণ করা যে, তার চেয়ে বেশী দান করবে)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني سالم بن عبد الله بن عمر، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا حسد الا على اثنتين رجل اتاه الله هذا الكتاب فقام به اناء الليل واناء النهار ورجل اتاه الله مالا فتصدق به اناء الليل واناء النهار
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু' প্রকারের লোক ছাড়া কারো সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। এক প্রকারের লোক হল- যাকে আল্লাহ অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন এবং হাক্ব পথে তা ব্যয় করার তাওফীক তাকে দিয়েছেন। আর অন্য ব্যক্তি হ’ল যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমাহ বা সঠিক জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী কাজ করে এবং তা অন্যদের শিক্ষা দেয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن اسماعيل، عن قيس، قال قال عبد الله بن مسعود ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي ومحمد بن بشر، قالا حدثنا اسماعيل، عن قيس، قال سمعت عبد الله بن مسعود، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا حسد الا في اثنتين رجل اتاه الله مالا فسلطه على هلكته في الحق ورجل اتاه الله حكمة فهو يقضي بها ويعلمها
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আমির ইবনু ওয়াসিলাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নাফি' ইবনু আবদুল হারিস (রাযিঃ) উসফান নামক স্থানে উমর (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। উমর (রাযিঃ) তাকে মাক্কায় (রাজস্ব আদায়কারী) নিয়োগ করলেন। অতঃপর তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তুমি প্রাস্তরবাসীদের জন্য কাকে কাজে নিয়োগ করেছ? সে বলল- ইবনু আবযা-কে। উমর (রাযিঃ) বললেন, ইবনু আবযা কে? সে (নাফি') বলল, আমাদের আযাদকৃত ক্রীতদাসের একজন। উমর (রাযিঃ) বললেন, তুমি একজন ক্রীতদাসকে তাদের জন্য তোমার স্থলাভিষিক্ত নিয়োগ করেছ? নাফি বললেন- সে (ক্রীতদাসটি) মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর কিতাবের একজন ভাল কারী বা আলিম। আর সে ফারায়িয শাস্ত্রেও অভিজ্ঞ। তখন উমর (রাযিঃ) বললেনঃ তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা এ কিতাব দ্বারা অনেক জাতিকে মর্যাদায় উন্নীত করেন আর অন্যদের অবনত করেন। অর্থাৎ যারা এ কিতাবের অনুসারী হবে তারা দুনিয়ায় মর্যাদাবান এবং আখিরাতে জান্নাত লাভ করবে। আর যারা একে অস্বীকার করবে তারা দুনিয়ায় লাঞ্ছিত পরকালে জাহান্নামে পতিত হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثني ابي، عن ابن شهاب، عن عامر بن واثلة، ان نافع بن عبد الحارث، لقي عمر بعسفان وكان عمر يستعمله على مكة فقال من استعملت على اهل الوادي فقال ابن ابزى . قال ومن ابن ابزى قال مولى من موالينا . قال فاستخلفت عليهم مولى قال انه قاري لكتاب الله عز وجل وانه عالم بالفرايض . قال عمر اما ان نبيكم صلى الله عليه وسلم قد قال " ان الله يرفع بهذا الكتاب اقواما ويضع به اخرين
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ-দারিমী ও আবূ বাকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আমির ইবনু ওয়াসিলাহ আল লায়সী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নাফি ইবনু আবদুল হারিস আল খুযাঈ (রাযিঃ) উসফান নামক স্থানে উমার ইবনুল খাত্তাবের সাথে সাক্ষাৎ করলেন ..... এভাবে তিনি যুহরী থেকে ইবরাহীম ইবনু সা'দ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، وابو بكر بن اسحاق قالا اخبرنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني عامر بن واثلة الليثي، ان نافع بن، عبد الحارث الخزاعي لقي عمر بن الخطاب بعسفان . بمثل حديث ابراهيم بن سعد عن الزهري،
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুর রহমান ইবনু আবদুল কারী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি 'উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, আমি যেভাবে সূরাহ আল ফুরকান তিলাওয়াত করি হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রাযিঃ)-কে অন্যভাবে তিলাওয়াত করতে শুনলাম অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সূরাটি আমাকে এভাবে পড়িয়েছিলেন। তৎক্ষণাৎ আমি তাকে বাঁধা দিতে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পরক্ষণেই আবার তাকে পড়ে শেষ করার অবকাশ দিলাম। তারপর তাকে গলায় চাদর জড়িয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে গিয়ে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাকে যেভাবে সূরাহ আল ফুরকান পড়তে শিখিয়েছিলেন এ লোকটিকে তার থেকে ভিন্ন রকম করে সূরাটি পড়তে শুনেছি। এ কথা শুনে তিনি বললেনঃ তাকে ছেড়ে দাও। তারপর তাকে লক্ষ্য করে বললেন- তুমি পড়। তখন সে আবার সেভাবে পড়ল যেভাবে আমি তাকে পড়তে শুনেছিলাম। তারপর পড়ার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি এভাবেই অবতীর্ণ হয়েছে। অতঃপর তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, তুমি পড়। সুতরাং আমি পড়লেও তিনি বললেনঃ এভাবেই এটি অবতীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে যতটুকু যেভাবে তোমাদের কাছে সহজ সেভাবেই পড়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عبد الرحمن بن عبد القاري، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول سمعت هشام بن، حكيم بن حزام يقرا سورة الفرقان على غير ما اقروها وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرانيها فكدت ان اعجل عليه ثم امهلته حتى انصرف ثم لببته بردايه فجيت به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله اني سمعت هذا يقرا سورة الفرقان على غير ما اقراتنيها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ارسله اقرا " . فقرا القراءة التي سمعته يقرا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هكذا انزلت " . ثم قال لي " اقرا " . فقرات فقال " هكذا انزلت ان هذا القران انزل على سبعة احرف فاقرءوا ما تيسر منه
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় হিশাম ইবনু হাকীম (ইবনু হিযাম) কে সূরাহ আল ফুরকান পড়তে শুনেছি। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি পরের অংশটুকু পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। তবে এতে এতটুকু কথা অতিরিক্ত আছে, আমি তাকে সালাতের মধ্যেই বাঁধা দিতে যাচ্ছিলাম। অবশেষে সালাম ফিরানো পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عروة بن الزبير، ان المسور بن مخرمة، وعبد الرحمن بن عبد القاري، اخبراه انهما، سمعا عمر بن الخطاب، يقول سمعت هشام بن حكيم، يقرا سورة الفرقان في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث بمثله وزاد فكدت اساوره في الصلاة فتصبرت حتى سلم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) ইউনুস (রহঃ) থেকে সানাদসহ হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، وعبد بن حميد، قالا اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، كرواية يونس باسناده
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জিবরীল (আঃ) আমাকে একটি রীতিতে কুরআন মাজীদ পড়ালে আমি তা পড়ে নিলাম। আমি তার কাছে অতিরিক্ত চাইলে তিনি অতিরিক্ত বা অন্য রীতিতে পড়ে শুনতাম। এভাবে তিনি সাত সাতটি রীতি বা আঞ্চলিক নিয়মে আমাকে কুরআন মাজীদ পড়ে শুনিয়েছেন। ইবনু শিহাব বলেছেনঃ আমি এ মর্মে অবহিত হয়েছি যে, এ সাতটি পদ্ধতি, রীতি বা নিয়মে কুরআন মাজীদ পড়ার কারণে হালাল হারামের ব্যাপারে কোন পার্থক্য সৃষ্টি হয় না বরং তা একই থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان ابن عباس، حدثه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اقراني جبريل - عليه السلام - على حرف فراجعته فلم ازل استزيده فيزيدني حتى انتهى الى سبعة احرف " . قال ابن شهاب بلغني ان تلك السبعة الاحرف انما هي في الامر الذي يكون واحدا لا يختلف في حلال ولا حرام
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الاسناد
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) .... উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মসজিদে থাকা অবস্থায় জনৈক ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করে সালাত শুরু করল। সে এমন পদ্ধতিতে কিরআত পড়ল যা আমার নিকট অভিনব মনে হ'ল। অতঃপর আরেক ব্যক্তি প্রবেশ করে আগের ব্যক্তি থেকে ভিন্নতর (পদ্ধতিতে) কিরআত পড়ল। আমরা সালাত শেষ করে সকলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রবেশ করলাম। আমি বললাম, এ ব্যক্তি এমন (পদ্ধতিতে) কিরআত পড়েছে যে, আমার নিকট অভিনব মনে হয়েছে অতঃপর আরেকজন প্রবেশ করে তার পূর্ববর্তী জনের থেকে ভিন্নতর (পদ্ধতিতে) কিরআত পড়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের কিরাআত সম্পর্কে উত্তম মন্তব্য করলেন। এতে আমার মনে মিথ্যা অবিশ্বাসের উদ্ৰেক হ’ল, এমনকি জাহিলী যুগেও এমন তীব্র অবিশ্বাসের উদ্রেক হয়নি। আমাকে যে চিন্তা আচ্ছন্ন করেছিল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করে আমার বক্ষস্থলে আঘাত করলেন। এতে আমি ঘৰ্মাক্ত হয়ে পড়লাম। যেন আমি ভীতবিহবল হয়ে মহামহিম আল্লাহর দিকে তাকিয়ে আছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে উবাই! আমার নিকট বার্তা পাঠানো হয়েছে যে, আমি যেন এক হরফে (উচ্চারণ পদ্ধতিতে) কুরআন পড়ি। আমি অনুরোধ করে বললাম, আমার উম্মাতের প্রতি সহজসাধ্য করুন। আমাকে প্রত্যুত্তরে বলা হ’ল, তা দু' হরফে (পদ্ধতিতে) পড়ুন। আমি তাকে পুনরায় অনুরোধ করলাম যে, আমার উম্মাতের প্রতি সহজসাধ্য করুন। তৃতীয়বারে আমাকে বলা হ’ল, তা সাত হরফে (পদ্ধতিতে) পাঠ করুন এবং আমার এ সাতবারের প্রতিবার প্রত্যুত্তরের পরিবর্তে আপনার জন্য একটি করে কিছু আমার নিকট প্রার্থনা করতে পারেন (যা আমি কবুল করব)। আমি বললাম, হে আল্লাহ! আমার উম্মাতকে ক্ষমা করুন, হে আল্লাহ আমার উম্মতকে ক্ষমা করুন। আর তৃতীয় প্রার্থনাটি আমি সেদিনের জন্য স্থগিত করে রেখেছি, যেদিন সমগ্র সৃষ্টি, এমনকি ইবরাহীম (আঃ) পর্যন্ত আমার প্রতি আগ্রহান্বিত হবেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا اسماعيل بن ابي خالد، عن عبد الله بن عيسى بن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن جده، عن ابى بن كعب، قال كنت في المسجد فدخل رجل يصلي فقرا قراءة انكرتها عليه ثم دخل اخر فقرا قراءة سوى قراءة صاحبه فلما قضينا الصلاة دخلنا جميعا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت ان هذا قرا قراءة انكرتها عليه ودخل اخر فقرا سوى قراءة صاحبه فامرهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرءا فحسن النبي صلى الله عليه وسلم شانهما فسقط في نفسي من التكذيب ولا اذ كنت في الجاهلية فلما راى رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قد غشيني ضرب في صدري ففضت عرقا وكانما انظر الى الله عز وجل فرقا فقال لي " يا ابى ارسل الى ان اقرا القران على حرف فرددت اليه ان هون على امتي
আবূ বাকর ইবনু আবূ শয়বাহ (রহঃ) ...... আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে উবাই ইবনু কা'ব (রাযিঃ) অবহিত করেছেন যে, তিনি মসজিদে উপবিষ্ট থাকাবস্থায় জনৈক ব্যক্তি প্রবেশ করে সালাত আদায় করল। তিনি এমন এক পদ্ধতিতে কিরআত পড়লেন ... বর্ণনাকারী সংক্ষেপে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، حدثني اسماعيل بن ابي، خالد حدثني عبد الله بن عيسى، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، اخبرني ابى بن كعب، انه كان جالسا في المسجد اذ دخل رجل فصلى فقرا قراءة واقتص الحديث بمثل حديث ابن نمير
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... উবাই ইবনু কাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গিফার গোত্রের জলাশয়ের (কুপের) নিকট ছিলেন। তখন জিবরীল (আঃ) তার নিকট এসে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, আপনি যেন আপনার উম্মাতকে এক হারফে (পদ্ধতিতে) কুরআন পড়ান। তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর নিকট তার মার্জনা ও ক্ষমা প্রার্থনা করি। নিশ্চয়ই আমার উম্মত এতে সমর্থ হবে না। জিবরীল (আঃ) তৃতীয়বার এসে বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ আপনাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, আপনি যেন আমার উন্মাতকে তিন হরফে (পদ্ধতিতে) কুরআন পড়ান। তিনি বলেনঃ নিশ্চয়ই আমার উম্মাত এতে সমর্থ হবে না। আমি আল্লাহর নিকট তার মার্জনা ও ক্ষমা প্রার্থনা করি। জিবরীল (আঃ) চতুর্থবার তার নিকট এসে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন যে, আপনি যেন আপনার উম্মাতকে সাত হারফে (পদ্ধতিতে) কুরআন শিক্ষা দেন। তারা এর যে কোন পদ্ধতিতে পাঠ করলে তা যথার্থ হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثناه ابن المثنى، وابن بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن ابي ليلى، عن ابى بن كعب، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان عند اضاة بني غفار - قال - فاتاه جبريل عليه السلام فقال ان الله يامرك ان تقرا امتك القران على حرف . فقال " اسال الله معافاته ومغفرته وان امتي لا تطيق ذلك " . ثم اتاه الثانية فقال ان الله يامرك ان تقرا امتك القران على حرفين فقال " اسال الله معافاته ومغفرته وان امتي لا تطيق ذلك " . ثم جاءه الثالثة فقال ان الله يامرك ان تقرا امتك القران على ثلاثة احرف . فقال " اسال الله معافاته ومغفرته وان امتي لا تطيق ذلك " . ثم جاءه الرابعة فقال ان الله يامرك ان تقرا امتك القران على سبعة احرف فايما حرف قرءوا عليه فقد اصابوا
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন. ১৭৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، بهذا الاسناد مثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাহীক ইবনু সিনান নামে কথিত জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট এসে বলেন, হে আবদুর রহমানের পিতা। নিম্নোক্ত শব্দটি আপনি কীভাবে পড়েন, ‘আলিফ সহযোগে না ইয়া' সহযোগে অর্থাৎمِنْ مَاءٍ غَيْرِ آسِنٍ অথবাمِنْ مَاءٍ غَيْرِ يَاسِنٍ বর্ণনাকারী আবু ওয়াইল (রহ) বলেন, 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, এ শব্দটি ছাড়া তুমি কি কুরআনের সবটুকু আয়ত্ত করে ফেলেছ? সে বলল, আমি তো মুফাস্সাল (সূরাহসমূহ) এক রাকাআতেই পড়ি। ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, দ্রুত গতিতে অর্থাৎ কবিতা পড়ার ন্যায় দ্রুত গতিতে? কোন কোন লোক কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। বরং (সুষ্ঠুভাবে পড়লে) তা যখন অন্তরে প্রবেশ করে তখন তা হৃদয়ে বদ্ধমূল হয় এবং উপকারে আসে। সালাতের মধ্যে রুকু’-সিজদা হ’ল সর্বাধিক ফযীলাতপূর্ণ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা আমি অবশ্যই জানি। তিনি প্রতি রাকাআতে দু'টি সূরাহ মিলিয়ে পড়তেন। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাযিঃ) উঠে দাঁড়ান, আলকামাহ্ (রহঃ)ও তার পিছনে পিছনে প্রবেশ করেন। অতঃপর তিনি বের হয়ে এসে বলেন, 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এ সম্পর্কে আমাকে অবহিত করেছেন। ইবনু নুমায়র-এর রিওয়ায়াতে আছেঃ বাজীলাহ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাযিঃ)-এর নিকট এলো। তার এ বর্ণনায় "নাহীক ইবনু সিনান" নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن، نمير جميعا عن وكيع، - قال ابو بكر حدثنا وكيع، - عن الاعمش، عن ابي وايل، قال جاء رجل يقال له نهيك بن سنان الى عبد الله فقال يا ابا عبد الرحمن كيف تقرا هذا الحرف الفا تجده ام ياء من ماء غير اسن او من ماء غير ياسن قال فقال عبد الله وكل القران قد احصيت غير هذا قال اني لاقرا المفصل في ركعة . فقال عبد الله هذا كهذ الشعر ان اقواما يقرءون القران لا يجاوز تراقيهم ولكن اذا وقع في القلب فرسخ فيه نفع ان افضل الصلاة الركوع والسجود اني لاعلم النظاير التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرن بينهن سورتين في كل ركعة . ثم قام عبد الله فدخل علقمة في اثره ثم خرج فقال قد اخبرني بها . قال ابن نمير في روايته جاء رجل من بني بجيلة الى عبد الله ولم يقل نهيك بن سنان
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাহীক ইবনু সিনান নামে কথিত জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাযিঃ)-এর নিকট এলো ...... (পূর্ববর্তী সানাদের) ওয়াকী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছেঃ "আলকামাহ্ (রহঃ) তার নিকট প্রবেশের জন্য এলেন। আমরা তাকে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাকাআতে যে সূরাহ পড়তেন তার দৃষ্টান্ত সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করুন। তিনি তার নিকট প্রবেশ করে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, অতঃপর আমাদের নিকট বের হয়ে এসে বলেন, আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর কুরআন সংকলনের বিশটি মুফাস্সাল সূরাহ (সূরাহ কাফ থেকে পরবর্তী সূরাহ সমূহ)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي وايل، قال جاء رجل الى عبد الله يقال له نهيك بن سنان . بمثل حديث وكيع غير انه قال فجاء علقمة ليدخل عليه فقلنا له سله عن النظاير التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا بها في ركعة فدخل عليه فساله ثم خرج علينا فقال عشرون سورة من المفصل في تاليف عبد الله
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) একই সানাদে পূর্বোক্ত দু'জনের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আরো আছে, আমি অবশ্যই সে দৃষ্টান্তগুলো জানি যা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করতেন। প্রতি রাকাআতে দু'টি করে সূরাহ, এভাবে দশ রাকাআতে বিশটি সূরাহ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৮০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الاعمش، في هذا الاسناد . بنحو حديثهما وقال اني لاعرف النظاير التي كان يقرا بهن رسول الله صلى الله عليه وسلم اثنتين في ركعة . عشرين سورة في عشر ركعات
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা ফজরের সালাত আদায় করার পর আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট গেলাম। আমরা দরজার নিকট এসে সালাম করলে তিনি আমাদেরকে (ভিতরে প্রবেশের) অনুমতি দিলেন। আমরা কিছুক্ষণ দরজায় থেমে থাকলাম। তখন বাদী বের হয়ে এসে বলল, আপনারা প্রবেশ করছেন না কেন? আমরা ভিতরে প্রবেশ করে দেখলাম তিনি তাসবীহ পড়ছেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, অনুমতি দেয়ার পরও তোমাদের প্রবেশে কী বাঁধা ছিল? আমরা বললাম না, তেমন কোন বাঁধা ছিল না, তবে আমরা ভাবলাম, হয়ত ঘরের মধ্যে কে ঘুমিয়ে আছে। তিনি বললেন, তুমি উম্মু 'আবদের পুত্রের পরিবার সম্পর্কে অলসতার ধারণা করলে। বর্ণনাকারী বললেন, অতঃপর তিনি তাসবীহ পাঠে রত হলেন, শেষে যখন ভাবলেন যে, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী দেখ, সূর্য উদিত হ’ল কি না? বর্ণনাকারী বলেন, সে তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে রত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী। দেখ তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? বর্ণনাকারী বলেন, সে তাকিয়ে দেখল সূর্য উদিত হয়নি। তিনি আবার তাসবীহ পাঠে রত হলেন। শেষে তিনি যখন ভাবলেন, সূর্য উদিত হয়েছে তখন বললেন, হে বাদী। দেখো তো সূর্য উদিত হয়েছে কি না? সে তাকিয়ে দেখল যে, সূর্য উদিত হয়েছে। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি এ দিনটি আমাদের ফেরত দিয়েছেন। অধস্তন বর্ণনাকারী মাহদী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এও বলেছেনঃ “এবং আমাদের অপরাধের কারণে আমাদের ধ্বংস করেননি।" বর্ণনাকারী বলেন, উপস্থিত লোকদের একজন বলল, গত রাতে আমি (সালাতে) মুফাস্সাল সূরাহ সম্পূর্ণটা পড়েছি। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, কবিতা পাঠের মতো দ্রুত আমরা অবশ্যই কুরআনের সূরাহসমূহের পাঠ শুনেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব সূরাহ্ (সালাতে) পড়তেন আমি সেসব সূরাহ মুখস্থ করে রেখেছিঃ মুফাসসাল সূরাহসমূহ থেকে আঠারো সূরাহ এবং হা-মীম গ্রুপের দুটি সূরাহ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৮১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا مهدي بن ميمون، حدثنا واصل الاحدب، عن ابي، وايل قال غدونا على عبد الله بن مسعود يوما بعد ما صلينا الغداة فسلمنا بالباب فاذن لنا - قال - فمكثنا بالباب هنية - قال - فخرجت الجارية فقالت الا تدخلون فدخلنا فاذا هو جالس يسبح فقال ما منعكم ان تدخلوا وقد اذن لكم فقلنا لا الا انا ظننا ان بعض اهل البيت نايم . قال ظننتم بال ابن ام عبد غفلة قال ثم اقبل يسبح حتى ظن ان الشمس قد طلعت فقال يا جارية انظري هل طلعت قال فنظرت فاذا هي لم تطلع فاقبل يسبح حتى اذا ظن ان الشمس قد طلعت قال يا جارية انظري هل طلعت فنظرت فاذا هي قد طلعت . فقال الحمد لله الذي اقالنا يومنا هذا - فقال مهدي واحسبه قال - ولم يهلكنا بذنوبنا - قال - فقال رجل من القوم قرات المفصل البارحة كله - قال - فقال عبد الله هذا كهذ الشعر انا لقد سمعنا القراين واني لاحفظ القراين التي كان يقروهن رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية عشر من المفصل وسورتين من ال حم
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... শাকীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাজীলাহ গোত্রের নাহীক ইবনু সিনান নামীয় জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট এসে বলল, আমি এক রাকাআতেই মুফাসসাল সূরাহ পড়ে থাকি। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, কবিতা আবৃত্তির মতো দ্রুত গতিতে সালাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব সূরাহ পড়তেন তার দৃষ্টান্তসমূহ আমার জানা আছে। তিনি প্রতি রাকাআতে দুটি সূরাহ পড়তেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৮২ ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين بن علي الجعفي، عن زايدة، عن منصور، عن شقيق، قال جاء رجل من بني بجيلة يقال له نهيك بن سنان الى عبد الله فقال اني اقرا المفصل في ركعة . فقال عبد الله هذا كهذ الشعر لقد علمت النظاير التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا بهن سورتين في ركعة
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... 'আমর ইবনু মুররাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) কে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট এসে বলল, আমি আজ রাতে সমস্ত মুফাসসাল সূরাহ সালাতের এক রাকাআতেই পড়েছি। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, কবিতা আবৃত্তির ন্যায় দ্রুত গতিতে। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আরো বলেন, আমি অবশ্যই সেসব দৃষ্টান্ত অবহিত আছি, যেসব সূরাহ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একত্রে মিলিয়ে পড়তেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মুফাসসাল সূরাহগুলো থেকে বিশটি সূরার উল্লেখ করলেন, যার দু'টি করে সূরাহ প্রতি রাকাআতে পড়া হত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৭৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، انه سمع ابا وايل، يحدث ان رجلا، جاء الى ابن مسعود فقال اني قرات المفصل الليلة كله في ركعة . فقال عبد الله هذا كهذ الشعر فقال عبد الله لقد عرفت النظاير التي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرن بينهن - قال - فذكر عشرين سورة من المفصل سورتين سورتين في كل ركعة