Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০৯ হাদিসসমূহ
ইবনু নুমায়র ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার এসে গিয়েছে সালাতের ইকামাত হয়ে গেছে। এমন অবস্থা হলে সে খাবার দিয়েই শুরু করবে। (অর্থাৎ- প্রথমে খাবার খেয়ে নিবে) আবার খাবার খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত সালাতের জন্য ব্যস্ত হবে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، حدثنا ابي ح، قال وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا ابو اسامة، قالا حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا وضع عشاء احدكم واقيمت الصلاة فابدءوا بالعشاء ولا يعجلن حتى يفرغ منه
মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল মুসাইয়্যাবী, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও আস সালত ইবনু মাসউদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن اسحاق المسيبي، حدثني انس، - يعني ابن عياض - عن موسى بن عقبة، ح وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن ابن جريج، ح قال وحدثنا الصلت بن مسعود، حدثنا سفيان بن موسى، عن ايوب، كلهم عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... ইবনু আবূ আতীক (আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর) (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) আমি এবং কাসিম (ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কাছে একটি হাদীস বর্ণনা করলাম। তবে কাসিম বর্ণনায় অধিক ভুল-ত্রুটি করতেন। তিনি ছিলেন উম্মু ওয়ালাদ বা দাসীর পুত্র। আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে বললেনঃ কি ব্যাপার! আমার এ ভাতিজা আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর যেভাবে বর্ণনা করছে সেভাবে বর্ণনা করছ না কেন? তবে আমি জানি এরূপ কি করে হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদকে শিক্ষা দিয়েছে, তার মা (যিনি স্বাধীন) আর তোমাকে তোমার মা (যিনি ক্রীতদাসী ছিলেন) শিক্ষা দিয়েছে। এ কথা শুনে কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ রাগাম্বিত হয়ে উঠলেন এবং আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর প্রতি তীব্র ঘৃণা বিদ্বেষ প্রকাশ করলেন। এরপর আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর খাবার (দস্তরখানা) আসা (প্রস্তুতি) দেখে উঠে দাঁড়ালেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ কোথায় যাচ্ছ? তিনি (কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ) বললেন, আমি সালাত আদায় করব। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেনঃ বসো, অকৃতজ্ঞ কোথাকার। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি খাবার হাজির হলে কোন সালাত আদায় চলবে না। কিংবা পায়খানা-পেশাবের বেগ নিয়ে সালাত আদায় চলবে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৬. ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - هو ابن اسماعيل - عن يعقوب بن مجاهد، عن ابن ابي عتيق، قال تحدثت انا والقاسم، عند عايشة - رضى الله عنها - حديثا وكان القاسم رجلا لحانة وكان لام ولد فقالت له عايشة ما لك لا تحدث كما يتحدث ابن اخي هذا اما اني قد علمت من اين اتيت . هذا ادبته امه وانت ادبتك امك - قال - فغضب القاسم واضب عليها فلما راى مايدة عايشة قد اتي بها قام . قالت اين قال اصلي . قالت اجلس . قال اني اصلي . قالت اجلس غدر اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا صلاة بحضرة الطعام ولا وهو يدافعه الاخبثان
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ সম্পর্কিত ঘটনাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر قالوا حدثنا اسماعيل، - وهو ابن جعفر - اخبرني ابو حزرة القاص، عن عبد الله بن ابي عتيق، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ولم يذكر في الحديث قصة القاسم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধের সময় বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছের কোন একটি খায় অর্থাৎ- রসুন বা অনুরূপ স্বাদ ও গন্ধের কোন কিছু খায়* সে যেন মসজিদে না আসে। যুহায়র তার বর্ণনাতে "কোন একটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ" করেছেন। তিনি খায়বার যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وزهير بن حرب، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في غزوة خيبر " من اكل من هذه الشجرة - يعني الثوم - فلا ياتين المساجد " . قال زهير في غزوة . ولم يذكر خيبر
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (শব্দগুলো তার) (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ এসব সবজি অর্থাৎ রসুন ইত্যাদি খেলে (মুখ থেকে) তার গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন আমার মসজিদের কাছে না আসে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১২৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابن نمير، ح قال وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا ابي قال، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من اكل من هذه البقلة فلا يقربن مساجدنا حتى يذهب ريحها " . يعني الثوم
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল আযীয ইবনু সুহায়ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুন খাওয়া সম্পর্কে আনাস (ইবনু মালিক) (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে বা যারা এসব সবজি (দুর্গন্ধ জাতীয় গাছ) খায় সে বা তারা যেন আমাদের কাছে না আসে* এবং আমাদের সাথে সালাত আদায় না করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - قال سيل انس عن الثوم، فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اكل من هذه الشجرة فلا يقربنا ولا يصلي معنا
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব গাছ অর্থাৎ- উদ্ভিদ খাবে সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটেও না আসে এবং রসুনের গন্ধ দ্বারা আমাদেরকে কষ্ট না দেয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال عبد اخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اكل من هذه الشجرة فلا يقربن مسجدنا ولا يوذينا بريح الثوم
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে এ রসুন জাতীয় উদ্ভিদ খাবে- কোন কোন সময় আবার তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পিয়াজ, রসুন বা মূলা খাবে সে যেন আমার মসজিদের কাছেও না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায় মালাকগণও সেসব জিনিস দ্বারা কষ্ট পায়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، عن هشام الدستوايي، عن ابي الزبير، عن جابر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اكل البصل والكراث . فغلبتنا الحاجة فاكلنا منها فقال " من اكل من هذه الشجرة المنتنة فلا يقربن مسجدنا فان الملايكة تاذى مما يتاذى منه الانس
আবুত তহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ...... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আবুত তাহির এর বর্ণনায়أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ এবং হারমালা এর বর্ণনায় أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ زَعَمَ উল্লেখিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন ও পিয়াজ খায় তার উচিত আমাদের থেকে দূরে থাকা অথবা আমাদের মসজিদ থেকে সরে থাকা কিংবা বাড়ীতে বসে থাকা। কোন এক সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে শাক-সবজি ভর্তি একটি ডেকচি আনা হলে তিনি তাতে খাবার গন্ধ দেখে তাতে কি আছে জানার জন্য জিজ্ঞেস করলেন। তাতে কি ধরনের সবজি আছে তাকে তা জানানো হলে তিনি তখন তার কোন সাহাবীর কাছে তা নিয়ে যেতে বললেন। এ কথা জেনে সাহাবীও তা খাওয়া পছন্দ করলেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন তুমি খেতে পার। কারণ আমি যার (মালায়িকাহ) সাথে কথা বলি তোমাকে তো তার সাথে কথা বলতে হয় না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو الطاهر، وحرملة، قالا اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني عطاء بن ابي رباح، ان جابر بن عبد الله، قال - وفي رواية حرملة وزعم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من اكل ثوما او بصلا فليعتزلنا او ليعتزل مسجدنا وليقعد في بيته " . وانه اتي بقدر فيه خضرات من بقول فوجد لها ريحا فسال فاخبر بما فيها من البقول فقال " قربوها " . الى بعض اصحابه فلما راه كره اكلها قال " كل فاني اناجي من لا تناجي
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে একই সানাদে বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এসব সবজি জাতীয় গাছ অর্থাৎ- রসুন খাবে সে যেন আমার মসজিদে- আমাদের কাছে না আসে। তবে তিনি (ইবনু জুরায়জ) বর্ণিত হাদীসে পিয়াজ ও গো-রসুনের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا محمد بن بكر، ح قال وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، قالا جميعا اخبرنا ابن جريج، بهذا الاسناد " من اكل من هذه الشجرة - يريد الثوم - فلا يغشنا في مسجدنا " . ولم يذكر البصل والكراث
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার বিজিত হলো। আমরা এখনো ফিরে আসিনি। ইতোমধ্যে আমরা, অর্থাৎ- রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ ঐ সবজি অর্থাৎ— রসুনের উপর ঝাপিয়ে পড়লাম। কারণ লোকজন সবাই ছিল ক্ষুধার্ত। এরপর আমরা মসজিদে গেলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রসুনের গন্ধ পেয়ে বললেনঃ যে ব্যক্তি এ কদৰ্য গাছ তথা সবজি খাবে সে যেন মসজিদে আমাদের নিকটেও না আসে। এ কথা শুনে সবাই বলতে শুরু করল রসুন হারাম হয়ে গিয়েছে। রসুন হারাম হয়ে গিয়েছে। কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ খবর পৌছলে তিনি লোকজনকে সাক্ষ্য করে বললেনঃ হে লোক সকল! আমার জন্য আল্লাহ তা'আলা যা হালাল করে দিয়েছেন তা হারাম করার ক্ষমতা আমার নেই। তবে রসুন এমন একটি সবজি (গাছ) যার গন্ধ আমি অপছন্দ করি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا اسماعيل ابن علية، عن الجريري، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد، قال لم نعد ان فتحت، خيبر فوقعنا اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم في تلك البقلة الثوم والناس جياع فاكلنا منها اكلا شديدا ثم رحنا الى المسجد فوجد رسول الله صلى الله عليه وسلم الريح فقال " من اكل من هذه الشجرة الخبيثة شييا فلا يقربنا في المسجد " . فقال الناس حرمت حرمت . فبلغ ذاك النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ايها الناس انه ليس بي تحريم ما احل الله لي ولكنها شجرة اكره ريحها
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পিয়াজের ক্ষেতে গেলেন। সাথে তার সাহাবীগণও ছিলেন। কিছু সংখ্যক সাহাবী ঐ ক্ষেতের পিয়াজ খেলেন এবং অবশিষ্ট সাহাবীগণ খেলেন না। এরপর আমরা সবাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। কিন্তু যারা পিয়াজ খেয়েছিলেন না তিনি তাদেরকে প্রথমে কাছে ডেকে নিলেন। আর অন্যদেরকে যারা পিয়াজ খেয়েছিল পিয়াজের গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত কাছে ডাকলেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا هارون بن سعيد الايلي، واحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، عن بكير بن الاشج، عن ابن خباب، عن ابي سعيد الخدري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر على زراعة بصل هو واصحابه فنزل ناس منهم فاكلوا منه ولم ياكل اخرون فرحنا اليه فدعا الذين لم ياكلوا البصل واخر الاخرين حتى ذهب ريحها
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মা'দান ইবনু আবূ ত্বলহাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেছেনঃ) কোন এক জুমুআর দিন উমর ইবনুল খাত্ত্বাব খুতবাহ প্রদান করলেন। সে বক্তৃতায় তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকরের কথা উল্লেখ করে বললেনঃ আমি স্বপ্নে দেখলাম যেন একটি মোরগ আমাকে তিনটি ঠোকর দিল। আমি মনে করি এ স্বপ্নের অর্থ আমার মৃত্যু নিকটবর্তী হওয়া ছাড়া অন্য কিছু নয়। কিছু সংখ্যক লোক বলছে আমি যেন পরবর্তী খালীফাহ্ মনোনীত করে যাই (কিন্তু আমি যদি পরবর্তী খালীফাহ্ মনোনীত না করেও যাই তাহলেও কোন ক্ষতি নেই)। কেননা, (আমি বিশ্বাস করি) মহান আল্লাহ এ দীনকে এবং তার খিলাফাত ব্যবস্থাকে বরবাদ করবেন না। কিংবা যা দিয়ে তিনি তার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পাঠিয়েছি তাও ব্যর্থ করে দিবেন না। খুব শীঘ্রই যদি আমার মৃত্যু হয় তাহলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তিকালের সময় পর্যন্ত যাদের প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন তাদের এ ছয়জনের* মধ্যে থেকে পরামর্শের ভিত্তিতে খিলাফাতের ব্যাপারে ফায়সালা হবে। আমি জানি কিছু সংখ্যক লোক এ ব্যাপারে ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে। আমি তাদের এ জন্য আমার নিজের এ হাতে শাস্তি দিয়েছি এরপরে আবারও যদি তারা অনুরূপ কাজ করে (এ ব্যাপারে ইসলামের বদনাম করে) তাহলে তারা আল্লাহর শক্র, কাফির ও গোমরাহ। এছাড়া আরো একটি বিষয় আছে আমার পরে আমার দৃষ্টিতে কালালাহ বা উত্তরাধিকারবিহীন লোকের পরিত্যক্ত সম্পদের বিষয় ছাড়া সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আর কোন বিষয়ই রেখে যাচ্ছি না। (জেনে রেখো!) আমি কালালাহ বা উত্তরাধিকারবিহীন লোকের পরিত্যক্ত সম্পদ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যত বেশি জিজ্ঞেস করেছি অন্য কোন বিষয় সম্পর্কে এত জিজ্ঞেস করিনি আর তিনিও এ বিষয়ে আমাকে যত কঠোরভাবে বলেছেন আর কোন বিষয়েই তত কঠোরভাবে বলেননি। এমনকি তিনি আমার বুকের উপর তার আঙ্গুল ঠেসে ধরে বলেছেনঃ হে উমার! সূরাহ আন নিসার শেষের যে আয়াতটি গ্রীষ্মকালে অবতীর্ণ হয়েছিল (এ ব্যাপারে) সে আয়াতটিই কি তোমার জন্য যথেষ্ট নয়? আমি যদি আরো কিছু দিন বেঁচে থাকতাম তাহলে এ বিষয়ে (কালালাহ) এমন একটি ফায়সালা করতাম যা প্রত্যেকের মনের মতো হত। চাই সে কুরআন মাজীদ পড়ে থাকুন বা না পড়ে থাকুক। তিনি [উমার (রাযিঃ) বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি তোমাকে বিভিন্ন জনপদের উমারাদের (শাসনকর্তা) ব্যাপারে সাক্ষী রেখে বলছি, আমি তাদের উদ্দেশ্য ঐসব এলাকার লোকদের শাসনকর্তা করে পাঠিয়েছি যে তারা তাদের প্রতি ন্যায় বিচার করবে, লোকদের দীন সম্পর্কে শিক্ষাদান করবে, নবীর সুন্নাত সম্পর্কে অবহিত করবে এবং "ফাই" বা যুদ্ধের ময়দানে বিনাযুদ্ধে লব্ধ সম্পদ (সঠিকভাবে) বন্টন করে দিবে। আর তাদের কোন ব্যাপার কঠিন বা সমস্যাপূর্ণ হলে তা আমার কাছে জেনে নিবে। হে লোকজন! আরেকটি কথা হলো, তোমরা দুটি (সবজি জাতীয়) গাছ খেয়ে থাকো; অর্থাৎ- পিয়াজ ও রসুন। আমি এ দুটি জিনিসকে অরুচিকর বলে মনে করি। আমি দেখেছি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের কোন লোকের মুখ থেকে ঐ দু'টি জিনিসের গন্ধ পেলে তাকে বের করে দিতে আদেশ করতেন। আর তাদেরকে বাকীর দিকে বের করে দেয়া হত। তবে কেউ এ দুটি জিনিস (পিয়াজ ও রসুন) খেতে চাইলে যেন রান্না করে গন্ধ দূর করে নেয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... কতাদাহ (রহঃ) থেকে (পূর্ব-বর্ণিত হাদীসের) অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا اسماعيل ابن علية، عن سعيد بن ابي عروبة، ح قال وحدثنا زهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، كلاهما عن شبابة بن سوار، قال حدثنا شعبة، جميعا عن قتادة، في هذا الاسناد مثله
আবুত তহির আহমাদ ইবনু 'আম্র (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ কোন লোককে মসজিদের মধ্যে হারানো কোন জিনিস খোঁজ করতে দেখলে (অর্থাৎ- উচ্চস্বরে) যেন বলেঃ আল্লাহ করুন! তোমার জিনিস যেন তুমি না পাও। কারণ মাসজিদ তো এ উদ্দেশে তৈরি করা হয়নি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৪১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو الطاهر، احمد بن عمرو حدثنا ابن وهب، عن حيوة، عن محمد بن عبد الرحمن، عن ابي عبد الله، مولى شداد بن الهاد انه سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سمع رجلا ينشد ضالة في المسجد فليقل لا ردها الله عليك فان المساجد لم تبن لهذا
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি। পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৪১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا المقري، حدثنا حيوة، قال سمعت ابا الاسود، يقول حدثني ابو عبد الله، مولى شداد انه سمع ابا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول . بمثله
হাজ্জাজ বিন শাইর (রহঃ) ..... বুরায়দাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (বুরায়দাহ) বলেন, জনৈক ব্যক্তি মসজিদে হারানো জিনিস অনুসন্ধান করল। সে বলল, লাল বর্ণের উটের প্রতি কে ঘোষণা জানাল? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যেন তোমার হারানো জিনিস না পাও। কেননা মসজিদ তো মসজিদের কাজের জন্য বানানো হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৪২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا الثوري، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن ابيه، ان رجلا، نشد في المسجد فقال من دعا الى الجمل الاحمر . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا وجدت . انما بنيت المساجد لما بنيت له
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... বুৱায়দাহ (রযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (বুরায়দাহ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত আদায় শেষ হলে জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, লোহিত বর্ণের উটের কথা কে বলল? এ কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যেন তা (তোমার হারানো বস্তুটি) না পাও। কারণ মাসজিদ মসজিদের কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن ابي سنان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم لما صلى قام رجل فقال من دعا الى الجمل الاحمر فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا وجدت انما بنيت المساجد لما بنيت له
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... বুরায়দাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (বুরাইদাহ) বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায়ের পর এক গ্রাম্য আরব এসে মসজিদের দরজায় তার মাথা প্রবেশ করল। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি (মুহাম্মাদ ইবনু শায়বাহ) আবূ মিসান ও সাওর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু সম্বলিত হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, শায়বাহ ইবনু না'আমাহ আবূ না'আমাহ (রহঃ)। তার থেকে মিস'আর, হুশায়ম, জারীর সহ অন্যান্য কূফীগণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن محمد بن شيبة، عن علقمة بن مرثد، عن ابن بريدة، عن ابيه، قال جاء اعرابي بعد ما صلى النبي صلى الله عليه وسلم صلاة الفجر . فادخل راسه من باب المسجد فذكر . بمثل حديثهما . قال مسلم هو شيبة بن نعامة ابو نعامة روى عنه مسعر وهشيم وجرير وغيرهم من الكوفيين
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن سالم بن ابي الجعد، عن معدان بن ابي طلحة، ان عمر بن الخطاب، خطب يوم الجمعة فذكر نبي الله صلى الله عليه وسلم وذكر ابا بكر قال اني رايت كان ديكا نقرني ثلاث نقرات واني لا اراه الا حضور اجلي وان اقواما يامرونني ان استخلف وان الله لم يكن ليضيع دينه ولا خلافته ولا الذي بعث به نبيه صلى الله عليه وسلم فان عجل بي امر فالخلافة شورى بين هولاء الستة الذين توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عنهم راض واني قد علمت ان اقواما يطعنون في هذا الامر انا ضربتهم بيدي هذه على الاسلام فان فعلوا ذلك فاوليك اعداء الله الكفرة الضلال ثم اني لا ادع بعدي شييا اهم عندي من الكلالة ما راجعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في شىء ما راجعته في الكلالة وما اغلظ لي في شىء ما اغلظ لي فيه حتى طعن باصبعه في صدري فقال " يا عمر الا تكفيك اية الصيف التي في اخر سورة النساء " . واني ان اعش اقض فيها بقضية يقضي بها من يقرا القران ومن لا يقرا القران ثم قال اللهم اني اشهدك على امراء الامصار واني انما بعثتهم عليهم ليعدلوا عليهم وليعلموا الناس دينهم وسنة نبيهم صلى الله عليه وسلم ويقسموا فيهم فييهم ويرفعوا الى ما اشكل عليهم من امرهم ثم انكم ايها الناس تاكلون شجرتين لا اراهما الا خبيثتين هذا البصل والثوم لقد رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا وجد ريحهما من الرجل في المسجد امر به فاخرج الى البقيع فمن اكلهما فليمتهما طبخا