Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০৯ হাদিসসমূহ
ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আর'আরাহ আস সামী (রহঃ) ..... বুরায়দাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে সালাতের সময় সম্পর্কে এসে জিজ্ঞেস করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি আমাদের সাথে সালাত আদায় করো (জানতে পারবে)। অতঃপর ফজরের সালাতের জন্য বিলালকে আযান দিতে আদেশ করলে তিনি (বিলাল) বেশ কিছু অন্ধকার থাকতে আযান দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উষার আলো প্রকাশ পাওয়ার সাথে সাথে ফজরের সালাত আদায় করলেন। পরে সূর্য আকাশের মধ্যভাগ থেকে হেলে পড়লে তিনি বিলালকে যুহরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং যুহরের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর সূর্য কিছু উপরে থাকতেই তিনি বিলালকে আসরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং আসরের সালাত আদায় করলেন)। তারপর সান্ধ্যকালীন গোধূলি (বা সূর্যাস্তের পর পশ্চিম দিগন্তে দৃশ্যমান রক্তিম আভা) অন্তৰ্হিত হওয়ার সাথে সাথে বিলালকে ইশার আযান দিতে বললেন (এবং ইশার সালাত আদায় করলেন)। পরদিন প্রত্যুষে বেশ ফর্সা হয়ে গেলে তিনি বিলালকে ফজরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং ফজরের সালাত আদায় করলেন)। তারপর যুহরের সালাতের আযান দিতে বললেন এবং বেশ দেরী করে (সূর্যের উত্তাপ কমলে) যুহরের সালাত আদায় করলেন। এরপর সূর্য তাম্রবর্ণ ধারণ করার পূর্বেই এর আলো পরিষ্কার এবং ঝলমলে থাকতেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আসরের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং আসরের সালাত আদায় করলেন) এরপর সন্ধ্যা-গোধূলি অদৃশ্য হওয়ার পূর্বক্ষণে মাগরিবের সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং মাগরিবের সালাত আদায় করলেন)। অতঃপর রাতের এক তৃতীয়াংশ অথবা কিছু অংশ (বর্ণনাকার হারামী ইবনু উমারাহ সন্দেহ করেছেন) অতিবাহিত হওয়ার পর ইশার সালাতের আযান দিতে বললেন (এবং ইশার সালাত আদায় করলেন)। পরদিন সকালে তিনি জিজ্ঞেস করলেন (সালাতের সময় সম্পর্কে) প্রশ্নকারী কোথায়? (দু'দিন সালাত আদায়ের) সময়ের মধ্যে তুমি যে ব্যবধান দেখলে তার মাঝখানেই হলো সালাতের সময়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১২৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابراهيم بن محمد بن عرعرة السامي، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن ابيه، ان رجلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فساله عن مواقيت الصلاة فقال " اشهد معنا الصلاة " . فامر بلالا فاذن بغلس فصلى الصبح حين طلع الفجر ثم امره بالظهر حين زالت الشمس عن بطن السماء ثم امره بالعصر والشمس مرتفعة ثم امره بالمغرب حين وجبت الشمس ثم امره بالعشاء حين وقع الشفق ثم امره الغد فنور بالصبح ثم امره بالظهر فابرد ثم امره بالعصر والشمس بيضاء نقية لم تخالطها صفرة ثم امره بالمغرب قبل ان يقع الشفق ثم امره بالعشاء عند ذهاب ثلث الليل او بعضه - شك حرمي - فلما اصبح قال " اين السايل ما بين ما رايت وقت
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে সালাতের সময় সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জবাব দিলেন না তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাজের মাধ্যমে তাকে দেখিয়ে দিতে চাচ্ছিলেন। বর্ণনাকার সাহাবী আবূ মূসা বলেন, উষার আগমনের সাথে সাথেই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করলেন। তখনও অন্ধকার এতটা ছিল যে লোকজন একে অপরকে দেখে চিনতে পারছিল না। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আযান দিতে আদেশ করলেন এবং লোকজন বলাবলি করছিল যে, দুপুর হয়েছে। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এ বিষয়ে তাদের চেয়ে বেশী অবহিত। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসরের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় আসরের সালাত আদায় করলেন যখন সূর্য আকাশের বেশ উপরের দিকে ছিল। অতঃপর তিনি মাগরিবের সালাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় সালাত আদায় করলেন যখন সবেমাত্র সূর্যাস্ত হয়েছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইশার সালাতের আযান দিতে আদেশ করলেন এবং এমন সময় ইশার সালাত আদায় করলেন যখন সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। এর পরদিন সকালে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফজরের সালাত দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, যখন সালাত শেষ করলেন তখন লোকজন বলাবলি করছিল- সূর্যোদয় ঘটেছে বা সূর্যোদয়ের উপক্রম হয়েছে। এরপর যুহরের সালাত এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, গত দিনের আসরের সালাত যে সময় আদায় করেছিলেন প্রায় সে সময় এসে গেল। অতঃপর আসরের সালাতটাও এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে, সালাত শেষ করলে লোকজন বলাবলি করতে লাগল- সূর্য রক্তিন বর্ণ ধারণ করেছে। তারপর মাগরিবের সালাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করলেন যে সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা তখন অন্তর্নিহিত হয়ে যাচ্ছিল। এরপর ইশার সালাতও দেরী করে আদায় করলেন। এতটা দেরী করে আদায় করলেন যে রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিক্রান্ত হয়ে গেল এবং অতিক্রান্ত হওয়ার উপক্রম হলো। অতঃপর সকাল বেলা প্রশ্নকারীকে ডেকে বললেনঃ এ দু'টি সময়ের মধ্যবর্তী সময়টুকুই সালাতসমূহের সময় (অর্থাৎ- দু' দিনে আমি একই সময়ে সালাত আদায় না করে একই সালাতের সময়ের মধ্যে কিছু তারতম্য করে আদায় করলাম। এ উভয় সময়ের মধ্যকার সময়টুকুই প্রত্যেক ওয়াক্তের প্রকৃত সময়)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا بدر بن عثمان، حدثنا ابو بكر بن ابي موسى، عن ابيه، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه اتاه سايل يساله عن مواقيت الصلاة فلم يرد عليه شييا - قال - فاقام الفجر حين انشق الفجر والناس لا يكاد يعرف بعضهم بعضا ثم امره فاقام بالظهر حين زالت الشمس والقايل يقول قد انتصف النهار وهو كان اعلم منهم ثم امره فاقام بالعصر والشمس مرتفعة ثم امره فاقام بالمغرب حين وقعت الشمس ثم امره فاقام العشاء حين غاب الشفق ثم اخر الفجر من الغد حتى انصرف منها والقايل يقول قد طلعت الشمس او كادت ثم اخر الظهر حتى كان قريبا من وقت العصر بالامس ثم اخر العصر حتى انصرف منها والقايل يقول قد احمرت الشمس ثم اخر المغرب حتى كان عند سقوط الشفق ثم اخر العشاء حتى كان ثلث الليل الاول ثم اصبح فدعا السايل فقال " الوقت بين هذين
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ... আবূ মূসা আল আশ'আরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে তাকে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। তবে এ হাদীসের বর্ণনাকারী বলেছেন যে, দ্বিতীয় দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সান্ধ্যকালীন দিগন্ত লালিমা অন্তৰ্হিত হওয়ার পূর্বে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن بدر بن عثمان، عن ابي بكر بن ابي موسى، سمعه منه، عن ابيه، ان سايلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فساله عن مواقيت الصلاة . بمثل حديث ابن نمير غير انه قال فصلى المغرب قبل ان يغيب الشفق في اليوم الثاني
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গরমের প্রচণ্ডতা দেখা দিলে (যুহরের) সালাত দেরী করে গরমের প্রচণ্ডতা কমলে আদায় করো। গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই হয়ে থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، اخ برنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، وابي، سلمة بن عبد الرحمن عن ابي هريرة، انه قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا اشتد الحر فابردوا بالصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ..... পরবর্তী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মতো। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، ان ابن شهاب، اخبره قال اخبرني ابو سلمة، وسعيد بن المسيب، انهما سمعا ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله سواء
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী, 'আমর ইবনু সাওওয়াদ ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গরমের দিনে (যুহরের) সালাত (গরমের প্রচণ্ডতা হ্রাস পেয়ে ঠাণ্ডা হলে) আদায় করো। কারণ গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। আমর বলেছেনঃ আবূ ইউনুস আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা উত্তাপ ঠাণ্ডা হলে যুহরের সালাত আদায় কর, কেননা গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়ানো থেকেই হয়ে থাকে। ইবনু শিহাব, ইবনু মুসাইয়্যিব এবং আবূ সালামাহ ও আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে আমর (রহঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، وعمرو بن سواد، واحمد بن عيسى، قال عمرو اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني عمرو، ان بكيرا، حدثه عن بسر بن سعيد، وسلمان الاغر، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا كان اليوم الحار فابردوا بالصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم " . قال عمرو وحدثني ابو يونس عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ابردوا عن الصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم " . قال عمرو وحدثني ابن شهاب عن ابن المسيب وابي سلمة عن ابي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو ذلك
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ (প্রচণ্ডতা) গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়া থেকেই উৎপন্ন হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা (যুহরের) সালাত দেরী করে (গরম কমে গেলে) আদায় কর। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان هذا الحر من فيح جهنم فابردوا بالصلاة
ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) আমার কাছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তীব্র গরমের সময় সালাত আদায় না করে পরে (গরম কমলে) সালাত আদায় কর। কেননা প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণেই সৃষ্টি হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابردوا عن الحر في الصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুয়াযযিন যুহরের সালাতের আযান দিলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেনঃ আরে একটু ঠাণ্ডা হতে দাও না। অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) বললেনঃ কিছু সময় অপেক্ষা কর। তিনি আরো বললেন যে, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ার কারণে হয়ে থাকে। সুতরাং গরম প্রচণ্ডতা ধারণ করলে সালাত দেরী করে একটু ঠাণ্ডা হলে আদায় কর। আবূ যার (হাদীস বর্ণনাকারীর সাহাবী) বলেনঃ (প্রচণ্ড গরমের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময় সালাত আদায় করতেন যে সময়) আমরা টিলার ছায়া দেখতে পেতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت مهاجرا ابا الحسن، يحدث انه سمع زيد بن وهب، يحدث عن ابي ذر، قال اذن موذن رسول الله صلى الله عليه وسلم بالظهر فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ابرد ابرد " . او قال " انتظر انتظر " . وقال " ان شدة الحر من فيح جهنم فاذا اشتد الحر فابردوا عن الصلاة " . قال ابو ذر حتى راينا فىء التلول
আমর ইবনু সাওওয়াদ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে এ বলে ফরিয়াদ করল যে, তার এক অংশ আরেক অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আল্লাহ তা'আলা জাহান্নামকে দু'বার শ্বাস প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। একবার শীতকালে এবং আরেকবার গ্রীষ্মকালে। তোমরা যে প্রচণ্ড গরমের অনুভব করে থাকো তা এ কারণেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عمرو بن سواد، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، انه سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشتكت النار الى ربها فقالت يا رب اكل بعضي بعضا . فاذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فهو اشد ما تجدون من الحر واشد ما تجدون من الزمهرير
ইসহাক ইবনু মূসা আল আনসারী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গরমের সময় যুহরের সালাত দেরী করে (গরমের প্রচণ্ডতা কমলে) আদায় কর। কেননা গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়াতেই হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ জাহান্নাম তার প্রভু আল্লাহর কাছে অভিযোগ করলে মহান আল্লাহ তা'আলা তাকে প্রতি বছর দু'বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দিলেন। শীতকালে একবার এবং গ্রীষ্মকালে একবার। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن عبد الله بن يزيد، مولى الاسود بن سفيان عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، ومحمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا كان الحر فابردوا عن الصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم " . وذكر " ان النار اشتكت الى ربها فاذن لها في كل عام بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নাম অভিযোগ করে আল্লাহর কাছে বলল, হে আমার প্রভু! আমার এক অংশ অন্য অংশকে খেয়ে ফেলছে। সুতরাং আমাকে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণের অনুমতি দিন। তাই আল্লাহ তা'আলা তাকে দু'বার শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুমতি দান করলেন। একবার শীত মৌসুমে আরেকবার গ্রীষ্ম মৌসুমে। তোমরা শীতকালে যে ঠাণ্ডা অনুভব করে থাকো তা জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে। আবার যে গরমে বা প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করে থাকো তাও জাহান্নামের শ্বাস-প্রশ্বাসের কারণে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرنا حيوة، قال حدثني يزيد بن عبد الله بن اسامة بن الهاد، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قالت النار رب اكل بعضي بعضا فاذن لي اتنفس . فاذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف فما وجدتم من برد او زمهرير فمن نفس جهنم وما وجدتم من حر او حرور فمن نفس جهنم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য (মাথার উপর থেকে) হেলে পড়লেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، كلاهما عن يحيى القطان، وابن، مهدي - قال ابن المثنى حدثني يحيى بن سعيد، - عن شعبة، قال حدثنا سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال ابن المثنى وحدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن شعبة، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر اذا دحضت الشمس
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... খাব্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা গরমের সময় সালাত আদায় করা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে অভিযোগ করলে তিনি আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو الاحوص، سلام بن سليم عن ابي اسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال شكونا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة في الرمضاء فلم يشكنا
আহমাদ ইবনু ইউনুস শব্দাবলী তার ও ‘আওন ইবনু সাল্লাম (রহঃ) ..... খাব্বাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে প্রচণ্ড গরমের (সালাত আদায়ের ব্যাপারে) অভিযোগ করলাম। কিন্তু তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের অভিযোগ গ্রহণ করলেন না। রর্ণনাকারী যুহায়র বললেন, আমি আবূ ইসহাককে জিজ্ঞেস করলামঃ তারা (খাব্বাব ও অন্য সাহাবীগণ) কি যুহরের সালাত (প্রচণ্ড গরমের মধ্যে) আদায় করা সম্পর্কে অভিযোগ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি (যুহায়র) আবারও জিজ্ঞেস করলাম (যুহরের সালাত) আগে ভাগে অর্থাৎ- ওয়াক্তের প্রথম দিকে আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলেন? তিনি এবারও বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا احمد بن يونس، وعون بن سلام، - قال عون اخبرنا وقال ابن يونس، واللفظ، له حدثنا زهير، - قال حدثنا ابو اسحاق، عن سعيد بن وهب، عن خباب، قال اتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فشكونا اليه حر الرمضاء فلم يشكنا . قال زهير قلت لابي اسحاق افي الظهر قال نعم . قلت افي تعجيلها قال نعم
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমের সময়ও আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে (যুহরের) সালাত আদায় করতাম। আমাদের কেউ যখন (গরমের প্রচণ্ডতার কারণে সাজদার সময়) কপাল মাটিতে স্থাপন করতে পারত না তখন সে কাপড় বিছিয়ে তার উপর সিজদা করত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا بشر بن المفضل، عن غالب القطان، عن بكر بن عبد الله، عن انس بن مالك، قال كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شدة الحر فاذا لم يستطع احدنا ان يمكن جبهته من الارض بسط ثوبه فسجد عليه
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সময় সালাত আদায় করতেন সূর্য তখনও আকাশের অনেক উপরে অবস্থান করত এবং তখনও তার তেজ বিদ্যমান থাকত। (অর্থাৎ- তেজ কমে বর্ণ পরিবর্তন হত না) সালাত শেষে যার দরকার পড়ত সে মাদীনার আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত এবং সেখানে পৌছার পরেও সূর্য আকাশের বেশ উপরে থাকত(১)। তবে বর্ণনাকারী কুতায়বাহ তার বর্ণনায় "তারা ‘আওয়ালী বা শহরতলীর দিকে চলে যেত" কথাটা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح قال وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن انس بن مالك، انه اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر والشمس مرتفعة حية فيذهب الذاهب الى العوالي فياتي العوالي والشمس مرتفعة . ولم يذكر قتيبة فياتي العوالي
হারূন ইবনু সাঈদ আল লায়লী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের সালাত আদায় করতেন যখন ছায়া প্রতিটি বস্তুর সমান হত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، عن ابن شهاب، عن انس، . ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي العصر بمثله سواء
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতাম যে সালাতের পর আমাদের মধ্যে থেকে কেউ চাইলে (মাদীনার শহরতলীর) কুবা নামক স্থানে যেয়ে পৌছত। অথচ সূর্য তখনও অনেক উপরে অবস্থান করত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، عن انس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يذهب الذاهب الى قباء فياتيهم والشمس مرتفعة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতাম যে তারপর লোকজন বানী আমর ইবনু আওফ গোত্রের এলাকায় গিয়ে দেখতে পেত যে, তারা তখন মাত্র আসরের সালাত আদায় করছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن انس بن مالك، قال كنا نصلي العصر ثم يخرج الانسان الى بني عمرو بن عوف فيجدهم يصلون العصر