Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০৯ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ্ আল মুরাদী (রহঃ) ..... আবুয যুবায়র আল মাক্কী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবদুল্লাহ ইবনু ঘুবায়র (রাযিঃ)-কে প্রতি ওয়াক্ত সালাতে সালাম ফিরানোর পর বলতে শুনেছেন হিশাম ও হাজ্জাজ বর্ণিত পূর্বের হাদীসে উল্লেখিত দু'আর অনুরূপ দু'আ করতেন। অবশ্য এ হাদীসের শেষে তিনি এ কথা বলেছেনঃ বিষয়টি 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يحيى بن عبد الله بن سالم، عن موسى بن عقبة، ان ابا الزبير المكي، حدثه انه، سمع عبد الله بن الزبير، وهو يقول في اثر الصلاة اذا سلم . بمثل حديثهما وقال في اخره وكان يذكر ذلك عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
আসিম ইবনু নায্র আত তায়মী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কুতায়বাহও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেছেনঃ একদিন গরীব মুহাজিরগণ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে বললেন, সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কিভাবে? তারা বললেনঃ আমরা সালাত আদায় করি তারাও সালাত আদায় করে। আমরা সিয়াম পালন করি তারাও সিয়াম পালন করে। কিন্তু তারা দান করে আমরা দান করতে পারি না। আর তারা দাস মুক্ত করে আমরা দাস মুক্ত করতে পারি না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু শিখিয়ে দিব না যা করলে তোমরা তোমাদের চেয়ে অগ্রসর লোকদের সমকক্ষ হতে পারবে? আর যারা তোমাদের পিছনে পড়ে আছে তাদের পিছনে রেখে এগিয়ে যেতে পারবে? আর তোমাদের মতো কাজ না করে কেউ তোমাদের মতো উত্তম হতে পারবে না। তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! তা অবশ্যই বলবেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রত্যেক সালাতের পর তোমরা তেত্রিশবার করে তাসবীহ (সুবহানা-ল্ল-হ), তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) ও তাহমীদ (আলহামদু লিল্লা-হ) বলবে। আবূ সালিহ বর্ণনা করেছেন এরপর গরীব মুহাজিরগণ পুনরায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেনঃ আমরা যা করেছি আমাদের সম্পদশালী ভাইয়েরা তা জেনে ফেলেছে। সুতরাং এখন তারাও এ কাজ করতে শুরু করেছে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ তো আল্লাহর মেহেরবানী। যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। কুতায়বাহ ছাড়া আর যারা এ হাদীসটি লায়স ও ইবনু আজলান এর মাধ্যমে সুমাই থেকে বর্ণনা করেছেন তারা এতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, সুমাই (হাদীসটির এক পর্যায়ের বর্ণনাকারী) বলেছেনঃ আমি ভুলে গিয়েছি হাদীসটি বরং এভাবে বলা হয়েছেঃ তেত্রিশবার তাসবীহ বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার হামদ করবে আর তেত্রিশবার তাকবীর বলবে। সুতরাং (এ কথা শুনে) আমি আবূ সালিহ্-এর কাছে গিয়ে এ বিষয়টি বললে, তিনি আমার হাত ধরে বললেনঃ বরং তুমি বলবে "আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হি আল্ল-হু আকবার ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদুলিল্লা-হ” (অর্থাৎ- আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তার। আল্লাহ মহান। তিনি পবিত্র, সব প্রশংসা তার )। এভাবে সবগুলো মোট তেত্রিশবার বলবে। ইবনু আজলান বলেছেনঃ আমি রাজা ইবনু হায়ওয়াহ এর কাছে হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনিও আমাকে আবূ সালিহ ও আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করে শোনালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا المعتمر، حدثنا عبيد الله، ح قال وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، كلاهما عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، - وهذا حديث قتيبة ان فقراء، المهاجرين اتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ذهب اهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم . فقال " وما ذاك " . قالوا يصلون كما نصلي ويصومون كما نصوم ويتصدقون ولا نتصدق ويعتقون ولا نعتق . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افلا اعلمكم شييا تدركون به من سبقكم وتسبقون به من بعدكم ولا يكون احد افضل منكم الا من صنع مثل ما صنعتم " . قالوا بلى يا رسول الله . قال " تسبحون وتكبرون وتحمدون دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين مرة " . قال ابو صالح فرجع فقراء المهاجرين الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا سمع اخواننا اهل الاموال بما فعلنا ففعلوا مثله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذلك فضل الله يوتيه من يشاء " . وزاد غير قتيبة في هذا الحديث عن الليث عن ابن عجلان قال سمى فحدثت بعض اهلي هذا الحديث فقال وهمت انما قال " تسبح الله ثلاثا وثلاثين وتحمد الله ثلاثا وثلاثين وتكبر الله ثلاثا وثلاثين " . فرجعت الى ابي صالح فقلت له ذلك فاخذ بيدي فقال الله اكبر وسبحان الله والحمد لله والله اكبر وسبحان الله والحمد لله حتى تبلغ من جميعهن ثلاثة وثلاثين . قال ابن عجلان فحدثت بهذا الحديث رجاء بن حيوة فحدثني بمثله عن ابي صالح عن ابي هريرة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
উমাইয়্যাহ ইবনু বিসতাম আল আয়শী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন গরীব মুহাজিররা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! সম্পদশালী লোকেরা উচ্চমর্যাদা ও স্থায়ী নি’আমাতসমূহ লুটে নিচ্ছে। অর্থাৎ- এভাবে তিনি লায়স থেকে কুতায়বাহ বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তিনি আবূ হুরায়রাহ বর্ণিত হাদীসে আবূ সালিহ বর্ণিত হাদীসের "অতঃপর গরীব মুহাজিররা ফিরে আসল” কথাটা শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। আর হাদীসটির মধ্যে তিনি এতটুকু কথা অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সুহায়ল বলেন, এগার বার করে সবগুলো মিলিয়ে মোট তেত্রিশবার পড়তে হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني امية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا روح، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انهم قالوا يا رسول الله ذهب اهل الدثور بالدرجات العلى والنعيم المقيم . بمثل حديث قتيبة عن الليث الا انه ادرج في حديث ابي هريرة قول ابي صالح ثم رجع فقراء المهاجرين . الى اخر الحديث وزاد في الحديث يقول سهيل احدى عشرة احدى عشرة فجميع ذلك كله ثلاثة وثلاثون
হাসান ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... ক’ব ইবনু উজরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক ফারয (ফরয) সালাতের পরে কিছু দু'আ আছে, যে ব্যক্তি ঐগুলো পড়ে বা কাজে লাগায় কখনো নিরাশ বা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। তা হলোঃ তেত্রিশবার তাসবীহ (আলহামদু লিল্লা-হ) পড়া, তেত্রিশবার তাহমীদ (সুবহা-নাল্ল-হ) পাঠ করা এবং চৌত্রিশবার তাকবীর (আল্ল-হু আকবার) পাঠ করা। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا الحسن بن عيسى، اخبرنا ابن المبارك، اخبرنا مالك بن مغول، قال سمعت الحكم بن عتيبة، يحدث عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن كعب بن عجرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " معقبات لا يخيب قايلهن - او فاعلهن - دبر كل صلاة مكتوبة ثلاث وثلاثون تسبيحة وثلاث وثلاثون تحميدة واربع وثلاثون تكبيرة
আবদুল হামীদ ইবনু বায়ান আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত সালাতের শেষে তেত্রিশবার আল্লাহর তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা করবে, তেত্রিশবার আল্লাহর তাহমীদ বা আল্লাহর প্রশংসা করবে এবং তেত্রিশবার তাকবীর বা আল্লাহর মহত্ব বর্ণনা করবে আর এভাবে নিরানব্বই বার হওয়ার পর শততম পূর্ণ করতে বলবে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা-লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুওয়া আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর” (অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই। তিনি একক ও তার কোন অংশীদার নেই। সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র তিনিই। সব প্রশংসা তারই প্রাপ্য। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম- তার গুনাহসমূহ সমুদ্রের ফেনারাশির মতো অসংখ্য হলেও ক্ষমা করে দেয়া হয়।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني عبد الحميد بن بيان الواسطي، اخبرنا خالد بن عبد الله، عن سهيل، عن ابي عبيد المذحجي، - قال مسلم ابو عبيد مولى سليمان بن عبد الملك - عن عطاء بن يزيد الليثي، عن ابي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سبح الله في دبر كل صلاة ثلاثا وثلاثين وحمد الله ثلاثا وثلاثين وكبر الله ثلاثا وثلاثين فتلك تسعة وتسعون وقال تمام الماية لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير غفرت خطاياه وان كانت مثل زبد البحر
মুহাম্মাদ ইবনু সব্বাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এরপর উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২২৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن الصباح، حدثنا اسماعيل بن زكرياء، عن سهيل، عن ابي عبيد، عن عطاء، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله
ইমাম মুসলিম বলেছেনঃ ইয়াহইয়া ইবনু হাস্সান এবং ইউনুস আল মুআদ্দিব ও অন্যান্য 'আবদুল ওয়াহিদ ইবনু যিয়াদ ও উমারাহ ইবনু ক্বা-ক্বা এর মাধ্যমে আবূ যুর'আহ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে। আবূ যুর'আহ বলেছেন, আমি আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ সালাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্বিতীয় রাকাআত শেষে উঠে দাঁড়িয়ে “আল হামদুলিল্লা-হি রব্বিল আ-লামীন” বলে শুরু করতেন। চুপ থাকতেন না (অর্থাৎ- দ্বিতীয় রাকাআত থেকে উঠা এবং সূরাহ ফা-তিহাহ পাঠের মাঝখানে কোন বিরতি থাকত না)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩১, ইসলামীক সেন্টার)
قال مسلم وحدثت عن يحيى بن حسان، ويونس المودب، و غيرهما قالوا حدثنا عبد الواحد بن زياد، قال حدثني عمارة بن القعقاع، حدثنا ابو زرعة، قال سمعت ابا هريرة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا نهض من الركعة الثانية استفتح القراءة ب { الحمد لله رب العالمين} ولم يسكت
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি এসে সালাতের কাতারে ঢুকে পড়ল। তখন সে হাঁপাতে ছিল। এ অবস্থায় সে বলে উঠল “আল হামদুলিল্লা-হি হামদান কাসীরান তুইয়্যিবাম মুবা-রকান ফীহ” (অর্থাৎ- সব প্রশংসাই মহান আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট। তার অনেক অনেক প্রশংসা যা পবিত্র কল্যাণময়।)। সালাত শেষ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ কথাগুলো কে বলেছ? তখন সবাই চুপ করে রইল। তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেনঃ ঐ কথাগুলো যে বলেছে সে তো কোন খারাপ কথা বলেনি। তখন জনৈক ব্যক্তি বলে উঠলঃ আমি এসে যখন সালাতে শারীক হই তখন আমি হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। তাই আমি এ কথাগুলো বলেছি। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি দেখলাম, বারোজন মালায়িকাহ ঐ কথাগুলোকে আগে উঠিয়ে নেয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا حماد، اخبرنا قتادة، وثابت، وحميد، عن انس، ان رجلا، جاء فدخل الصف وقد حفزه النفس فقال الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه . فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاته قال " ايكم المتكلم بالكلمات " . فارم القوم فقال " ايكم المتكلم بها فانه لم يقل باسا " . فقال رجل جيت وقد حفزني النفس فقلتها . فقال " لقد رايت اثنى عشر ملكا يبتدرونها ايهم يرفعها
যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত আদায় করেছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বলে উঠলঃ “আল্লহু আকবার কাবীরা- ওয়াল হামদুলিল্লা-হি কাসীরা- ওয়া সুবহা-নাল্ল-হি বুকরাতান ওয়া আসীলা-” (অর্থাৎ- আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, বড়। সব প্রশংসা আল্লাহর। আর সকাল ও সন্ধ্যায় তারই পবিত্রতা বর্ণনা করতে হবে।)। (সালাত শেষে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, এ কথাগুলো কে বলল? সবার মধ্যে থেকে জনৈক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রসূল আমি ঐ কথাগুলো বলেছি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কথাগুলো আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ কথাগুলোর জন্য আসমানের দরজা খুলে দেয়া হয়েছিল। 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথাগুলো বলতে শোনার পর থেকে তার ওপর আমল করা কখনো ছাড়িনি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل ابن علية، اخبرني الحجاج بن ابي عثمان، عن ابي الزبير، عن عون بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عمر، قال بينما نحن نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم اذ قال رجل من القوم الله اكبر كبيرا والحمد لله كثيرا وسبحان الله بكرة واصيلا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من القايل كلمة كذا وكذا " . قال رجل من القوم انا يا رسول الله . قال " عجبت لها فتحت لها ابواب السماء " . قال ابن عمر فما تركتهن منذ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল জাফার ইবনু যিয়াদ, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) [শব্দাবলী তার] ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, সালাত শুরু হয়ে গেলে তোমরা তাতে শারীক হওয়ার জন্য দৌড়াবে না বা তাড়াহুড়া করবে না। বরং ধীরস্থিরভাবে হেঁটে হেঁটে যাও। তোমাদেরকে গাম্ভীর্য বজায় রাখতে হবে। এভাবে ইমামের সাথে সালাতের যে অংশ পাবে তাই আদায় করবে। আর যা পাবে না তা পূর্ণ করে নিবে।” (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن سعيد، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح قال وحدثني محمد بن جعفر بن زياد، اخبرنا ابراهيم، - يعني ابن سعد - عن الزهري، عن سعيد، وابي، سلمة عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح قال وحدثني حرملة بن يحيى، - واللفظ له - اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا اقيمت الصلاة فلا تاتوها تسعون واتوها تمشون وعليكم السكينة فما ادركتم فصلوا وما فاتكم فاتموا
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হয়ে গেলে তোমরা দৌড়াদৌড়ি বা তাড়াহুড়া করে সালাতে এসো না। বরং প্রশান্তিসহ গাম্ভীর্য বজায় রেখে সালাতে শারীক হও। অতঃপর ইমামের সাথে যতটা সালাত পাও তা আদায় করো। আর যতটা না পাবে তা পূরণ করে নাও। কেননা তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সালাত আদায়ের সঙ্কল্প করে তখন সে সালাতরত থাকে বলেই গণ্য হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة بن سعيد، وابن، حجر عن اسماعيل بن جعفر، - قال ابن ايوب حدثنا اسماعيل، - اخبرني العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا ثوب للصلاة فلا تاتوها وانتم تسعون واتوها وعليكم السكينة فما ادركتم فصلوا وما فاتكم فاتموا فان احدكم اذا كان يعمد الى الصلاة فهو في صلاة
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ আমাদের নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কয়েকটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হাদীস তিনি এ বলে বর্ণনা করলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আহবান করা (আযান দেয়া) হয় তখন তোমরা স্বাভাবিকভাবে হেঁটে গিয়ে সালাতে শারীক হও। এ সময় তোমাদের উচিত প্রশান্তভাব ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা। এভাবে যতটুকু জামা'আতের সাথে পাবে আদায় করবে। আর যতটুকু পাবে না তা পূরণ করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا نودي بالصلاة فاتوها وانتم تمشون وعليكم السكينة فما ادركتم فصلوا وما فاتكم فاتموا
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, যুহারর ইবনু হারব [শব্দগুলো তার] (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হয়ে গেলে তোমাদের কেউ যেন দৌড়িয়ে না যায়। বরং প্রশান্তভাবে গাম্ভীর্য বজায় রেখে হেঁটে হেঁটে যেন যায়। জামা'আতে বা ইমামের সাথে যতটুকু পাবে আদায় করবে। আর যা না পাবে তা পূরণ করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الفضيل، - يعني ابن عياض - عن هشام، ح قال وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، حدثنا هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا ثوب بالصلاة فلا يسع اليها احدكم ولكن ليمش وعليه السكينة والوقار صل ما ادركت واقض ما سبقك
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... কতাদাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময়ে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম। ইতোমধ্যে তিনি শোরগোল ও কোলাহল শুনতে পেয়ে (সালাত শেষে) বললেনঃ কি ব্যাপার! তোমরা এরূপ করলে কেন? সবাই বলল, আমরা সালাতের জন্য তাড়াহুড়া করে আসছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, এরূপ করবে না। বরং তোমরা সালাতে আসার সময় শান্তভাবে আসবে এভাবে জামা'আতে সালাতের যে অংশ পাবে তা আদায় করে নিবে আর যে অংশ পাবে না তা পরে পূর্ণ করে নিবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا محمد بن المبارك الصوري، حدثنا معاوية بن سلام، عن يحيى بن ابي كثير، اخبرني عبد الله بن ابي قتادة، ان اباه، اخبره قال بينما نحن نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمع جلبة . فقال " ما شانكم " . قالوا استعجلنا الى الصلاة . قال " فلا تفعلوا اذا اتيتم الصلاة فعليكم السكينة فما ادركتم فصلوا وما سبقكم فاتموا
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... শায়বান (রহঃ)-এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا معاوية بن هشام، حدثنا شيبان، بهذا الاسناد
হারূন ইবনু মা’রূফ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হলো এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে পৌছার আগেই আমরা দাঁড়িয়ে কাতার সোজা করে নিলাম। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে সালাতের স্থানে দাঁড়ালেন। তখনও তাকবীর বলা হয়নি। ইতোমধ্যে তার কিছু স্মরণ হলে তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা নিজ-নিজ স্থানে অপেক্ষা করতে থাক। এ কথা বলে তিনি ফিরে গেলেন। আমরা তার পুনরায় না আসা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম। ইতোমধ্যে তিনি গোসল করে আসলেন। তখনও তার মাথা থেকে পানি ফোঁটা ফোঁটা ঝরে পড়ছিল। এবার তিনি তাকবীরে তাহরীমা বলে আমাদের সালাত আদায় করালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا هارون بن معروف، وحرملة بن يحيى، قالا حدثنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن بن عوف، سمع ابا هريرة، يقول اقيمت الصلاة فقمنا فعدلنا الصفوف قبل ان يخرج الينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاتى رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى اذا قام في مصلاه قبل ان يكبر ذكر فانصرف وقال لنا " مكانكم " . فلم نزل قياما ننتظره حتى خرج الينا وقد اغتسل ينطف راسه ماء فكبر فصلى بنا
যুহায়র ইবন হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সালাতের জন্য ইকামাত দেয়া হলে লোকজন কাতার ঠিক করে দাঁড়াল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জায়গায় দাঁড়িয়ে ইশারা করে তাদের সবাইকে বললেনঃ তোমরা প্রত্যেকে নিজের জায়গায় অপেক্ষা করো। এরপরে তিনি গিয়ে গোসল করে আসলেন। তখন তার মাথার চুল থেকে পানি চুইয়ে পড়ছিল। এবার তিনি সবাইকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ابو عمرو، - يعني الاوزاعي - حدثنا الزهري، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال اقيمت الصلاة وصف الناس صفوفهم وخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام مقامه فاوما اليهم بيده ان " مكانكم " . فخرج وقد اغتسل وراسه ينطف الماء فصلى بهم
ইবরাহীম ইবনু মূসা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উদ্দেশে সালাতের ইকামাত দেয়া হত। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের স্থানে দাঁড়ানোর পূর্বেই লোকজন কাতার বেঁধে দাঁড়িয়ে যেত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابراهيم بن موسى، اخبرنا الوليد بن مسلم، عن الاوزاعي، عن الزهري، قال حدثني ابو سلمة، عن ابي هريرة، ان الصلاة، كانت تقام لرسول الله صلى الله عليه وسلم فياخذ الناس مصافهم قبل ان يقوم النبي صلى الله عليه وسلم مقامه
সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সূর্য ঢলে পড়লেই বিলাল আযান দিতেন। কিন্তু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে না আসা পর্যন্ত এবং তাকে না দেখা পর্যন্ত ইকামাত দিতেন না। বের হয়ে আসার পর তিনি তাকে দেখতেন তখনই কেবল ইকামাত দিতেন*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ১২৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن اعين، حدثنا زهير، حدثنا سماك بن حرب، عن جابر بن سمرة، قال كان بلال يوذن اذا دحضت فلا يقيم حتى يخرج النبي صلى الله عليه وسلم فاذا خرج اقام الصلاة حين يراه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি (জামাআতের সাথে) কোন সালাতের এক রাকাআত পেয়ে যায় সে উক্ত সালাত পেয়ে গেল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ادرك ركعة من الصلاة فقد ادرك الصلاة