Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৫ হাদিসসমূহ
আমর আন্ নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘বাহীরাহ বলা হয় এমন উষ্ট্রীকে, যা কোন দেবতার নামে মানৎ করে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দেয়া হয়। তাকে আর কেউ দোহন করে না। আর ‘সায়িবাহ বলা হয় এমন উটকে, মুশরিকগণ তাদের দেবতার নামে ছেড়ে দিত। এভাবে ছেড়ে দেয়ার পর এর পিঠে কোন বোঝা বহন করা হত না। ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) আরো বলেন, আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি জাহান্নামের মাঝে আমির আল খুযাঈকে দেখেছি, সে তার নাড়ী-ভুড়ি টেনে বের করছে। কেননা সে-ই সর্বপ্রথম দেব-দেবীর নামে সায়িবাহ (উটের) জন্তুর প্রথা চালু করেছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯২৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عمرو الناقد، وحسن الحلواني، وعبد بن حميد، قال عبد اخبرني وقال، الاخران حدثنا يعقوب، - وهو ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن، شهاب قال سمعت سعيد بن المسيب، يقول ان البحيرة التي يمنع درها للطواغيت فلا يحلبها احد من الناس واما السايبة التي كانوا يسيبونها لالهتهم فلا يحمل عليها شىء . وقال ابن المسيب قال ابو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رايت عمرو بن عامر الخزاعي يجر قصبه في النار وكان اول من سيب السيوب
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দু প্রকার লোক জাহান্নামী হবে। আমি তাদেরকে দেখিনি। এক প্রকার ঐ সব লোক যাদের কাছে গরুর লেজের ন্যায় ছড়ি থাকবে। তারা এর দ্বারা লোকেদের পিটাবে। দ্বিতীয় প্রকার ঐ শ্রেণীর মহিলা, যারা কাপড় পরিহিতা কিন্তু উলঙ্গ প্রায়, মানুষকে আকৃষ্টকারিণী ও স্বয়ং বিচ্যুত। যাদের মাথার খোপা বুখতী উটের পিঠের উঁচু কুজোর ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং জান্নাতের গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধি অনেক দূর থেকে পাওয়া যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صنفان من اهل النار لم ارهما قوم معهم سياط كاذناب البقر يضربون بها الناس ونساء كاسيات عاريات مميلات مايلات رءوسهن كاسنمة البخت المايلة لا يدخلن الجنة ولا يجدن ريحها وان ريحها لتوجد من مسيرة كذا وكذا
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উম্মু সালামার মুক্তদাস ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাফি (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সেদিন আর খুব বেশি দূরে নয়, অচিরেই তোমরা এক সম্প্রদায় দেখতে পাবে, যাদের হাতে থাকবে গরুর লেজের মতো চাবুক। সকাল অতিবাহিত হবে তাদের আল্লাহর গযবের মধ্যে এবং সন্ধ্যা যাপন হবে আল্লাহর অভিশাপের মধ্যে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، حدثنا زيد، - يعني ابن حباب - حدثنا افلح بن سعيد، حدثنا عبد الله بن رافع، مولى ام سلمة قال سمعت ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوشك ان طالت بك مدة ان ترى قوما في ايديهم مثل اذناب البقر يغدون في غضب الله ويروحون في سخط الله
উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ, আবু বাকর ইবনু নাফি’ ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি বলতে শুনেছি, তুমি যদি দীর্ঘজীবি হও তাহলে অচিরেই তোমরা এমন এক সম্প্রদায় দেখতে পাবে, যাদের সকাল হবে আল্লাহর অসম্ভষ্টির ভিতর এবং সন্ধ্যা হবে আল্লাহর অভিসম্পাতের মাঝে। তাদের হাতে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن سعيد، وابو بكر بن نافع وعبد بن حميد قالوا حدثنا ابو عامر العقدي حدثنا افلح بن سعيد، حدثني عبد الله بن رافع، مولى ام سلمة قال سمعت ابا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان طالت بك مدة اوشكت ان ترى قوما يغدون في سخط الله ويروحون في لعنته في ايديهم مثل اذناب البقر
আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... বানু ফিহর এর ভাই মুসতাওরিদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহর শপথ! ইহকাল-পরকালের তুলনায় অতটুকুই, যেমন তোমাদের কেউ তার এ আঙ্গুলটি সমুদ্রে পানিতে ভিজিয়ে দেখল যে, কতটুকু পরিমাণ এতে পানি লেগেছে। বর্ণনাকারী ইয়াহইয়া এ সময় শাহাদাত আঙ্গুলের দ্বারা ইঙ্গিত করেছেন। ইয়াহইয়া ছাড়া সকলের বর্ণনার মাঝেই আছে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি। আর আবূ উসামার বর্ণনাতেও أَخِي بَنِي فِهْرٍ শব্দ উল্লেখ রয়েছে। তাতে এ কথাও উল্লেখ আছে যে, ইসমাঈল বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা ইঙ্গিত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي ومحمد بن بشر، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا موسى بن اعين، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا ابو اسامة، كلهم عن اسماعيل بن ابي خالد، ح وحدثني محمد بن، حاتم - واللفظ له - حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا اسماعيل، حدثنا قيس، قال سمعت مستوردا، اخا بني فهر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والله ما الدنيا في الاخرة الا مثل ما يجعل احدكم اصبعه هذه - واشار يحيى بالسبابة - في اليم فلينظر بم يرجع " . وفي حديثهم جميعا غير يحيى سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك . وفي حديث ابي اسامة عن المستورد بن شداد اخي بني فهر وفي حديثه ايضا قال واشار اسماعيل بالابهام
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ সিদ্দীকা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের মাঠে সকল মানুষকে একত্রিত করা হবে খালি পা, উলঙ্গ দেহ এবং খাতনাবিহীন অবস্থায়। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! পুরুষ এবং মহিলা এক সঙ্গেই উত্থিত হবে আর তারা পরস্পর একে অপরের প্রতি তাকাবে? তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! তখনকার প্রেক্ষাপট এতো কঠিন ও ভয়ঙ্ককর হবে যে, একে অপরের প্রতি তাকানোর কল্পনারও উদ্রেক হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، عن حاتم بن ابي صغيرة، حدثني ابن ابي مليكة، عن القاسم بن محمد، عن عايشة، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يحشر الناس يوم القيامة حفاة عراة غرلا " . قلت يا رسول الله النساء والرجال جميعا ينظر بعضهم الى بعض قال صلى الله عليه وسلم " يا عايشة الامر اشد من ان ينظر بعضهم الى بعض
(…/...) আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... হাতিম ইবনু আবূ সাগীরাহ (রাযিঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এতে غُرْلاً খাতনাবিহীন শব্দটি বর্ণনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا ابو خالد الاحمر، عن حاتم، بن ابي صغيرة بهذا الاسناد ولم يذكر في حديثه " غرلا
আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে খুতবারত অবস্থায় এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অবশ্যই তোমরা খালি পায়ে হেঁটে হেঁটে, উলঙ্গদেহ ও খাতনাবিহীন অবস্থায় আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে। তবে যুহায়র (রহঃ) তার হাদীসে খুতবাহ প্রদানের শব্দটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، وابن ابي، عمر قال اسحاق اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن سعيد، بن جبير عن ابن عباس، سمع النبي صلى الله عليه وسلم يخطب وهو يقول " انكم ملاقو الله مشاة حفاة عراة غرلا " . ولم يذكر زهير في حديثه يخطب
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উপদেশ সম্বলিত ভাষণ প্রদানের উদ্দেশে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর সামনে খালি পা এবং উলঙ্গদেহে এবং খাতনাবিহীন অবস্থায় উপস্থিত হবে। (আল্লাহর বাণী) "যেমন আমি প্রথম দিন সৃষ্টি শুরু করেছিলাম, তেমনি তার পুনরাবৃত্তি করব। এটা আমার একটা ওয়াদা, তা পালন করা আমার দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। আমি তা পালনে বদ্ধপরিকর।" সাবধান! কিয়ামতের দিন সৃষ্টির মাঝে সর্বপ্রথম ইবরাহীম (আঃ) কে পোশাক পরিধান করানো হবে, সেদিন আমার উম্মাতের মধ্য থেকে কিছু মানুষকে হাযির করা হবে, এদের মধ্যে যারা বাম হাতে আমলনামা প্রাপ্ত তাদের পাকড়াও করা হবে। তখন আমি বলব, হে আমার রব! এরা তো আমার উম্মাত। উত্তরে আমাকে বলা হবে, তুমি জানো না তোমার পরে এরা কি কার্যকলাপে জড়িত ছিল। আমি তখন আল্লাহর সৎ বান্দা ঈসা (আঃ) এর ন্যায় বলব, "যতদিন আমি তাদের মাঝে ছিলাম ততদিন আমি ছিলাম তাদের কার্যকলাপের সাক্ষী; কিন্তু যখন তুমি আমাকে তুলে নিলে তখন তুমিই তো ছিলে তাদের কার্যকলাপের পর্যবেক্ষণকারী এবং তুমিই সর্ব বিষয়ে সাক্ষী, তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে মাফ করো তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।” তখন আমাকে বলা হবে, তুমি তাদের থেকে বিদায় গ্রহণের পর থেকে তারা সবসময় মুখ ফিরিয়ে কুফুরীর আশ্রয় নিয়েছিল। ওয়াকী এবং মুআয এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে فَيُقَالُ إِنَّكَ لاَ تَدْرِي مَا أَحْدَثُوا بَعْدَكَ অতঃপর বলা হবে, আপনি অবশ্য জানেন না আপনার পরে তারা কোন নতুন ধর্মমত আবিষ্কার করেছে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي كلاهما، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم خطيبا بموعظة فقال " يا ايها الناس انكم تحشرون الى الله حفاة عراة غرلا { كما بدانا اول خلق نعيده وعدا علينا انا كنا فاعلين} الا وان اول الخلايق يكسى يوم القيامة ابراهيم عليه السلام الا وانه سيجاء برجال من امتي فيوخذ بهم ذات الشمال فاقول يا رب اصحابي . فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك . فاقول كما قال العبد الصالح { وكنت عليهم شهيدا ما دمت فيهم فلما توفيتني كنت انت الرقيب عليهم وانت على كل شىء شهيد * ان تعذبهم فانهم عبادك وان تغفر لهم فانك انت العزيز الحكيم} قال فيقال لي انهم لم يزالوا مرتدين على اعقابهم منذ فارقتهم " . وفي حديث وكيع ومعاذ " فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেদেরকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করে সমবেত করা হবে। প্রথম দল আশা পোষণকারী এবং ভীত-সন্ত্রস্ত লোকেদের দল। দ্বিতীয় দলে সেসব লোক যাদের দু’জন থাকবে এক উটের উপর, কোন উটের উপর তিনজন, কোনটির উপর চারজন, আর কোনটির উপরে আরোহিত হবে দশজন। অবিশিষ্টরা হবে সে সকল লোক যাদেরকে আগুন তাড়িয়ে নিয়ে যাবে। তারা যেখানে রাত্রিযাপন করবে আগুনও তাদের সঙ্গে রাত কাটাবে। তারা যেখানে বিশ্রাম নিবে আগুনও সেখানে বিশ্রাম নিবে। তাদের যেখানে সকাল হবে আগুনও তাদের সঙ্গে থাকবে। আর যেখানে তাদের সন্ধ্যা হবে একই সঙ্গে আগুনও তাদের সাথে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا احمد بن اسحاق، ح وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، قالا جميعا حدثنا وهيب، حدثنا عبد الله بن طاوس، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يحشر الناس على ثلاث طرايق راغبين راهبين واثنان على بعير وثلاثة على بعير واربعة على بعير وعشرة على بعير وتحشر بقيتهم النار تبيت معهم حيث باتوا وتقيل معهم حيث قالوا وتصبح معهم حيث اصبحوا وتمسي معهم حيث امسوا
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। يَوْمَ يَقُومُ النَّاسُ لِرَبِّ الْعَالَمِينَ এর ব্যাখ্যায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সেদিন মানুষ অর্ধ কর্ণ পর্যন্ত ঘামে ডুবে দাড়িয়ে থাকবে। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনাতে তিনিঃ يوم “যেখানে" শব্দটি উল্লেখ করা ছাড়া শুধু يَقُومُ النَّاسُ "লোকজন দাঁড়িয়ে থাকবে" উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا حدثنا يحيى، - يعنون ابن سعيد - عن عبيد الله، اخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم { يوم يقوم الناس لرب العالمين} قال " يقوم احدهم في رشحه الى انصاف اذنيه " . وفي رواية ابن المثنى قال " يقوم الناس " . لم يذكر يوم
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল মুসাইয়্যাবী, সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ, আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আবদুল্লাহ ইবনু জাফার ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ নাসর তাম্মার, হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উবাইদুল্লাহর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে মূসা ইবনু উকাহ ও সালিহ (রহঃ) এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে যে, حَتَّى يَغِيبَ أَحَدُهُمْ فِي رَشْحِهِ إِلَى أَنْصَافِ أُذُنَيْهِঅর্থাৎ তাদের মধ্যে কোন কোন ব্যক্তি স্বীয় ঘামে দুই কানের অর্ধেক অবধি ডুবে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن اسحاق المسيبي، حدثنا انس يعني ابن عياض، ح وحدثني سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، كلاهما عن موسى بن عقبة، ح وحدثنا ابو بكر، بن ابي شيبة حدثنا ابو خالد الاحمر، وعيسى بن يونس، عن ابن عون، ح وحدثني عبد، الله بن جعفر بن يحيى حدثنا معن، حدثنا مالك، ح وحدثني ابو نصر التمار، حدثنا حماد، بن سلمة عن ايوب، ح وحدثنا الحلواني، وعبد بن حميد، عن يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثنا ابي، عن صالح، كل هولاء عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمعنى حديث عبيد الله عن نافع . غير ان في حديث موسى بن عقبة وصالح " حتى يغيب احدهم في رشحه الى انصاف اذنيه
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কিয়ামতের দিন ঘাম জমিনের উপর দিয়ে একশ’ চল্লিশ হাত পর্যন্ত উঁচু হয়ে বয়ে যাবে। আর তা মানুষের মুখমণ্ডল পর্যন্ত বা কান পর্যন্ত পৌছবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'য়ের মধ্যে কোনটির কথা বলেছেন, বর্ণনাকারী সাওর এ বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن ثور، عن ابي الغيث، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان العرق يوم القيامة ليذهب في الارض سبعين باعا وانه ليبلغ الى افواه الناس او الى اذانهم " . يشك ثور ايهما قال
হাকাম ইবনু মূসা আবূ সালিহ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন সূর্যকে মানুষের সন্নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। অবশেষে তা মানুষের এক মাইলের দূরত্বের মাঝে চলে আসবে। বর্ণনাকারী সুলায়ম ইবনু আমির (রহঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি জানি না, مِيلٍ শব্দ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, জমিনের দূরত্ব, না ঐ শলাকা যা চোখে সুরমা দেয়া কাজে ব্যবহৃত হয়। মানুষ তাদের আমল অনুসারে ঘর্মের মাঝে ডুবে থাকবে। তাদের কারো ঘাম পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত হবে, কেউ হাঁটু পর্যন্ত ঘামের মধ্যে থাকবে, কেউ কোমর পর্যন্ত আর কারো মুখ পর্যন্ত ঘামে ডুবে থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا الحكم بن موسى ابو صالح، حدثنا يحيى بن حمزة، عن عبد الرحمن بن، جابر حدثني سليم بن عامر، حدثني المقداد بن الاسود، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " تدنى الشمس يوم القيامة من الخلق حتى تكون منهم كمقدار ميل " . قال سليم بن عامر فوالله ما ادري ما يعني بالميل امسافة الارض ام الميل الذي تكتحل به العين . قال " فيكون الناس على قدر اعمالهم في العرق فمنهم من يكون الى كعبيه ومنهم من يكون الى ركبتيه ومنهم من يكون الى حقويه ومنهم من يلجمه العرق الجاما " . قال واشار رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده الى فيه
আবূ গাসসান আল মিসমাঈ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ইবনু উসমান (রহঃ) ..... ইয়ায ইবনু হিমার আল মুজাশি'ঈ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ প্রদানকালে বললেনঃ সাবধান! আমার প্রতিপালক আজ আমাকে যা শিক্ষা প্রদান করেছেন, এ থেকে তোমাদেরকে এমন বিষয়ের শিক্ষা দেয়ার জন্য তিনি আমাকে আদেশ দিয়েছেন, যে বিষয়ে তোমরা সম্পূর্ণরূপে অজ্ঞাত। তা হলো এই যে, আমি আমার বান্দাদেরকে যে প্রাচুর্য দিয়েছি তা সম্পূর্ণরূপে বৈধ। আমি আমার সকল বান্দাদেরকে একনিষ্ঠ (মুসলিম) হিসেবে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাদের নিকট শইতান এসে তাদেরকে দীন হতে সরিয়ে দেয়। আমি যে সমস্ত জিনিস তাদের জন্য বৈধ করেছিলাম সে তা হারাম করে দেয়। অধিকন্তু সে তাদেরকে আমার সাথে এমন বিষয়ে অংশীদার করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে, যে বিষয়ে আমি কোন প্রমাণ পাঠাইনি। আল্লাহ তা’আলা পৃথিবীবাসীদের প্রতি দৃষ্টি দিয়ে কিতাবীদের কিছু লোক ছাড়া আরব-আজম সকলকে অপছন্দ করেছেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাকে পরীক্ষা করার উদ্দেশে এবং তোমার দ্বারা অন্যদেরকে পরীক্ষা করার উদ্দেশে আমি তোমাকে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছি এবং তোমার প্রতি আমি এমন কিতাব অবতীর্ণ করেছি যা পানি কখনো ধুয়ে-মুছে ফেলতে পারবে না। ঘুমন্ত ও জাগ্রত অবস্থায় তুমি সেটা পাঠ করবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কুরায়শ সম্প্রদায়ের লোকেদেরকে জ্বালিয়ে দেয়ার জন্য আল্লাহ আমাকে নির্দেশ করেছেন। আমি তখন বললাম, হে আমার প্রতিপালক! আমি যদি এ কাজ করি তবে তারা তো আমার মাথা ভেঙ্গে রুটির মতো টুকরা টুকরা করে ফেলবে। আল্লাহ তা’আলা বললেন, তারা যেমনিভাবে তোমাকে বহিষ্কার করেছে ঠিক তেমনিভাবে তুমিও তাদেরকে বহিষ্কার করে দাও। তুমি তাদের সাথে যুদ্ধ করো। আমি তোমাকে সাহায্য করব। ব্যয় করো আল্লাহর পথে, তোমার জন্যও ব্যয় করা হবে। তুমি একটি সেনাদল প্রেরণ করো, আমি অনুরূপ পাঁচটি বাহিনী প্রেরণ করব। যারা তোমার আনুগত্য করে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে যারা তোমার বিরুদ্ধাচরণ করে তাদের সাথে যুদ্ধ করো। তিন শ্রেণীর মানুষ জান্নাতী হবে। এক প্রকার মানুষ তারা, যারা রাষ্ট্রীয় কর্ণধার, ন্যায়পরায়ণ, সত্যবাদী এবং নেক কাজের তাওফীক লাভে ধন্য লোক। দ্বিতীয় ঐ সকল মানুষ, যারা দয়ালু এবং আত্মীয়-স্বজন ও মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি কোমলচিত্ত। তৃতীয় ঐ শ্রেণীর মানুষ, যারা পূত-পবিত্র চরিত্রের অধিকারী, যাঞ্চাকারী নয় এবং সন্তানাদি সম্পন্ন লোক। অতঃপর তিনি বললেন, পাঁচ ধরনের মানুষ জাহান্নামী হবে। এক- এমন দুর্বল মানুষ, যাদের মধ্যে পার্থক্য ক্ষমতা নেই, যারা তোমাদের এমন তাবেদার যে, না তারা পরিবার-পরিজন চায়, না ধনৈশ্বর্য। দুই- এমন খিয়ানাতকারী মানুষ, সাধারণ বিষয়েও যে খিয়ানাত করে যার লালসা কারো নিকটই লুক্কায়িত নেই। তিন- ঐ ব্যক্তি, যে তোমার পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদের বিষয়ে তোমার সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা প্রতারণা করে। অবশেষে তিনি কৃপণতা, মিথ্যা বলা এবং গালমন্দ করার কথাও বর্ণনা করেছেন। তবে আবূ গাস্সান (রহঃ) তার হাদীসের মাঝে وَأَنْفِقْ فَسَنُنْفِقَ عَلَيْكَ অর্থাৎ "তুমি আল্লাহর পথে ব্যয় কর, আমিও তোমার জন্য ব্যয় করব" বাক্যটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
(…/…) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসন্ন আল আনায়ী (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তিনিكُلُّ مَالٍ نَحَلْتُهُ عَبْدًا حَلاَلٌ অর্থাৎ "আমি বান্দাকে যে সম্পদ দিয়েছি তা সম্পূর্ণরূপে বৈধ" কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن المثنى العنزي، حدثنا محمد بن ابي عدي، عن سعيد، عن قتادة، بهذا الاسناد . ولم يذكر في حديثه " كل مال نحلته عبدا حلال
(…/...) আবদুর রহমান ইবনু বিশর আল আবদী (রহঃ) ..... ইয়ায ইবনু হিমার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিলেন। তারপর তিনি পুরো হাদীসটি বর্ণনা করলেন এবং শেষ ভাগে বলেছেন, কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি মুতারিফকে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد الرحمن بن بشر العبدي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن هشام، - صاحب الدستوايي - حدثنا قتادة، عن مطرف، عن عياض بن حمار، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب ذات يوم . وساق الحديث وقال في اخره قال يحيى قال شعبة عن قتادة قال سمعت مطرفا في هذا الحديث
আবু আম্মার হুসায়ন ইবনু হুরায়স (রহঃ) ..... বানী মুজাশি’ এর ভাই ইয়ায ইবনু হিমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ প্রদানকালে আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা আমাকে আদেশ দিয়েছেন। তারপর তিনি কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে হিশাম এর সানাদে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তা’আলা আমার প্রতি ওয়াহী নাযিল করেছেন যে, তোমরা বিনয়ী হও, কারো উপর কেউ যেন গর্ব না করে এবং কারো প্রতি যেন কেউ যুলম না করে। এ হাদীসে এটাও রয়েছে যে, তারা তোমাদের এমন অনুগামী যে, পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ সন্ধান করে না। কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম, হে আবু আবদুল্লাহ! এমনটি কি হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। জাহিলিয়াতের যুগে আমি তাদেরকে পেয়েছি। আর এরূপ এক গোত্রে কোন এক লোক ছিল। সে বকর চরাতো। দাসী ছাড়া সেখানে তার কাছে কেউ যেত না। তার সাথেই সে সহবাস করত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابو عمار، حسين بن حريث حدثنا الفضل بن موسى، عن الحسين، عن مطر، حدثني قتادة، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عياض بن حمار، اخي بني مجاشع قال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم خطيبا فقال " ان الله امرني " . وساق الحديث بمثل حديث هشام عن قتادة وزاد فيه " وان الله اوحى الى ان تواضعوا حتى لا يفخر احد على احد ولا يبغي احد على احد " . وقال في حديثه " وهم فيكم تبعا لا يبغون اهلا ولا مالا " . فقلت فيكون ذلك يا ابا عبد الله قال نعم والله لقد ادركتهم في الجاهلية وان الرجل ليرعى على الحى ما به الا وليدتهم يطوها
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কোন লোকের মৃত্যুর পর সকাল-সন্ধ্যা তার সম্মুখে তার (পরকালীন) ঠিকানা পেশ করা হয়। যদি সে জান্নাতবাসী হয় তবে জান্নাতবাসীদের থেকে আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নামীদের থেকে। আর তাকে বলা হয়, এটাই তোমার বাসস্থান। কিয়ামতে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত এ অবস্থা অব্যাহত থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان احدكم اذا مات عرض عليه مقعده بالغداة والعشي ان كان من اهل الجنة فمن اهل الجنة وان كان من اهل النار فمن اهل النار يقال هذا مقعدك حتى يبعثك الله اليه يوم القيامة
(…) আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তখন সকাল-সন্ধ্যা তার কাছে তার (পরকালীন) ঠিকানা পেশ করা হয়। যদি সে জান্নাতবাসী হয় তবে জান্নাত আর যদি জাহান্নামী হয় তবে জাহান্নাম। তারপর তাকে বলা হয়, এটাই তোমার ঐ বাসস্থান যেখানে তোমাকে কিয়ামতের দিন পাঠানো হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا مات الرجل عرض عليه مقعده بالغداة والعشي ان كان من اهل الجنة فالجنة وان كان من اهل النار فالنار " . قال " ثم يقال هذا مقعدك الذي تبعث اليه يوم القيامة
حدثني ابو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار بن عثمان، - واللفظ لابي غسان وابن المثنى - قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عياض بن حمار المجاشعي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ذات يوم في خطبته " الا ان ربي امرني ان اعلمكم ما جهلتم مما علمني يومي هذا كل مال نحلته عبدا حلال واني خلقت عبادي حنفاء كلهم وانهم اتتهم الشياطين فاجتالتهم عن دينهم وحرمت عليهم ما احللت لهم وامرتهم ان يشركوا بي ما لم انزل به سلطانا وان الله نظر الى اهل الارض فمقتهم عربهم وعجمهم الا بقايا من اهل الكتاب وقال انما بعثتك لابتليك وابتلي بك وانزلت عليك كتابا لا يغسله الماء تقروه نايما ويقظان وان الله امرني ان احرق قريشا فقلت رب اذا يثلغوا راسي فيدعوه خبزة قال استخرجهم كما استخرجوك واغزهم نغزك وانفق فسننفق عليك وابعث جيشا نبعث خمسة مثله وقاتل بمن اطاعك من عصاك . قال واهل الجنة ثلاثة ذو سلطان مقسط متصدق موفق ورجل رحيم رقيق القلب لكل ذي قربى ومسلم وعفيف متعفف ذو عيال - قال - واهل النار خمسة الضعيف الذي لا زبر له الذين هم فيكم تبعا لا يتبعون اهلا ولا مالا والخاين الذي لا يخفى له طمع وان دق الا خانه ورجل لا يصبح ولا يمسي الا وهو يخادعك عن اهلك ومالك " . وذكر البخل او الكذب " والشنظير الفحاش " . ولم يذكر ابو غسان في حديثه " وانفق فسننفق عليك