Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৫ হাদিসসমূহ
(…/...) আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) থেকে এ সানাদে كَرَشْحِ الْمِسْكِ (মিশকের সুঘ্ৰাণের ন্যায়) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، بهذا الاسناد الى قوله " كرشح المسك
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী ও হাজ্জাজ ইবনু আশ শাইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতবাসীগণ তথায় পানাহার করবে। তবে তারা সেখানে প্রস্রাব-পায়খানা করবে না এবং নকও ঝাড়বে না। তাদের এ ভক্ষিত খাদ্য ঢেকুরের মাধ্যমে নিঃশেষ হয়ে যাবে। তাদের শরীরের ঘাম মিশকের ন্যায় সুঘ্ৰাণ বিচ্ছুরিত করবে। তাসবীহ ও তাহমীদের যোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে। তবে হাজ্জাজ এর হাদীসে এ কথা বর্ধিত আছে যে, طَعَامُهُمْ ذَلِكَ (এটাই তাদের খাদ্য)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني الحسن بن علي الحلواني، وحجاج بن الشاعر، كلاهما عن ابي عاصم، - قال حسن حدثنا ابو عاصم، - عن ابن جريج، اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن، عبد الله يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ياكل اهل الجنة فيها ويشربون ولا يتغوطون ولا يمتخطون ولا يبولون ولكن طعامهم ذاك جشاء كرشح المسك يلهمون التسبيح والحمد كما يلهمون النفس " . قال وفي حديث حجاج " طعامهم ذلك
সাঈদ ইবনু ইয়াহইয়া আল উমাবী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) এর সনদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অবিকল হাদীস বর্ণিত আছে। তবে এতে এ কথা বর্ণিত বর্ণিত আছে যে, يُلْهَمُونَ التَّسْبِيحَ وَالتَّكْبِيرَ كَمَا يُلْهَمُونَ النَّفَسَ (তাসবীহ ও তাকবীরের যোগ্যতা তাদের অন্তঃকরণে এভাবে দেয়া হবে যেমনিভাবে মানুষ শ্বাস প্রশ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করে থাকে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني سعيد بن يحيى الاموي، حدثني ابي، حدثنا ابن جريج، اخبرني ابو الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثله غير انه قال " ويلهمون التسبيح والتكبير كما يلهمون النفس
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে সে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে কখনো দুর্দশাগ্রস্ত হবে না। তার পরিধেয় বস্ত্র কখনো পুরনো হবে না এবং তার যৌবন কক্ষনো শেষ হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن ابي رافع، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من يدخل الجنة ينعم لا يباس لا تبلى ثيابه ولا يفنى شبابه
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু সাঈদ আল খুদরী ও আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন আহবানকারী জান্নাতী লোকেদেরকে আহ্বান করে বলবে, এখানে সর্বদা তোমরা সুস্থ থাকবে, কক্ষনো অসুস্থ হবে না। তোমরা স্থায়ী জীবন লাভ করবে, কখনো তোমরা মরবে না। তোমরা যুবক থাকবে, কক্ষনে তোমরা বৃদ্ধ হবে না। তোমরা সর্বদা সুখস্বাচ্ছন্দ্যে থাকবে, কক্ষনে আর তোমরা কষ্ট-ক্লেশে পতিত হবে না। এটাই মহা মহিম আল্লাহর বাণীঃ "আর তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, তোমরা যে ‘আমল করতে তারই বিনিময়ে তোমাদেরকে এ জান্নাতের উত্তরাধিকারী করা হয়েছে"- (সূরা আল আ’রাফ ৭ঃ ৪৩) এর ব্যাখ্যা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، وعبد بن حميد، - واللفظ لاسحاق - قالا اخبرنا عبد الرزاق، قال قال الثوري فحدثني ابو اسحاق، ان الاغر، حدثه عن ابي سعيد الخدري، وابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ينادي مناد ان لكم ان تصحوا فلا تسقموا ابدا وان لكم ان تحيوا فلا تموتوا ابدا وان لكم ان تشبوا فلا تهرموا ابدا وان لكم ان تنعموا فلا تبتيسوا ابدا " . فذلك قوله عز وجل { ونودوا ان تلكم الجنة اورثتموها بما كنتم تعملون}
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুমিনদের জন্য জান্নাতে মধ্যস্থলে ফাঁকা এমন একটি মুক্তার তাবু নির্মাণ করা হবে যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। মু’মিনদের সহধর্মিণীগণও এতে থাকবে। তারা তাদের সকলের নিকট গমন করবে। তবে স্ত্রীগণ পরস্পর একে অন্যকে দেখতে পাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن منصور، عن ابي قدامة، - وهو الحارث بن عبيد - عن ابي، عمران الجوني عن ابي بكر بن عبد الله بن قيس، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان للمومن في الجنة لخيمة من لولوة واحدة مجوفة طولها ستون ميلا للمومن فيها اهلون يطوف عليهم المومن فلا يرى بعضهم بعضا
আবূ গাসসান আল মিসমা’ঈ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে (মুমিনদের জন্য) মাঝে ফাঁকা এরূপ মুক্তার একটি বিশাল তাবু থাকবে, যার বিস্তৃতি হবে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক প্রান্তেই স্ত্রীগণ থাকবে। তারা পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। মুমিনেরা ঘুরে ঘুরে সকল রমণীর নিকট যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابو غسان المسمعي، حدثنا ابو عبد الصمد، حدثنا ابو عمران الجوني، عن ابي بكر بن عبد الله بن قيس، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " في الجنة خيمة من لولوة مجوفة عرضها ستون ميلا في كل زاوية منها اهل ما يرون الاخرين يطوف عليهم المومن
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জান্নাতের তাবুগুলো মণি-মুক্তার তৈরি হবে। এর দৈর্ঘ্য হবে উর্ধাকাশের দিকে ষাট মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মুমিনদের সহধর্মিণীগণ থাকবে। তবে পরস্পর একে অপরকে দেখতে পাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا همام، عن ابي، عمران الجوني عن ابي بكر بن ابي موسى بن قيس، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الخيمة درة طولها في السماء ستون ميلا في كل زاوية منها اهل للمومن لا يراهم الاخرون
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাইহান, জাইহান (দু'টি নদ) এবং ফুরাত ও নীল (দু’টি নদ) এসবের প্রত্যেকটিই জান্নাতের নহরসমূহেরই অন্তর্ভুক্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، وعبد الله بن نمير، وعلي بن مسهر، عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا عبيد الله، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سيحان وجيحان والفرات والنيل كل من انهار الجنة
হাজ্জাজ ইবনু আশ শাইর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কিছু লোক জান্নাতে যাবে, যাদের অন্তর পাখীর অন্তরের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৮৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا حجاج بن الشاعر، حدثنا ابو النضر، هاشم بن القاسم الليثي حدثنا ابراهيم، - يعني ابن سعد - حدثنا ابي، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يدخل الجنة اقوام افيدتهم مثل افيدة الطير
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কিছু হাদীস বর্ণনা করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো এ-ই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ) কে তার নিজ আকৃতিতে সৃষ্টি করেছেন। তার দৈর্ঘ্য হলো ষাট হাত। সৃষ্টির পর তিনি তাকে বললেন, যাও এদেরকে সালাম করো। সেখানে একদল ফেরেশতারা বসা ছিলেন। সালামের জবাবে তারা কি বলে তা খুব মনোযোগ সহকারে শুনো। কেননা তোমার এবং তোমার বংশধরদের অভিবাদন হবে এ-ই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এগিয়ে গেলেন ও বললেন, "আসসালামু আলাইকুম"। জবাবে তারা বললেন, "আসসালামু ‘আলাইকা ওয়ারহমাতুল্লাহ"। তারা ওয়ারহমাতুল্লাহ বাড়িয়ে বলেছেন। অবশেষে তিনি বললেন, যে লোক জান্নাতে যাবে সে আদম (আঃ) এর আকৃতি বিশিষ্ট হবে। তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট হাত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তারপর আদম (আঃ) এর পর থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ ক্রমশই খাটো হয়ে আসছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا به ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم . فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلق الله عز وجل ادم على صورته طوله ستون ذراعا فلما خلقه قال اذهب فسلم على اوليك النفر وهم نفر من الملايكة جلوس فاستمع ما يجيبونك فانها تحيتك وتحية ذريتك قال فذهب فقال السلام عليكم فقالوا السلام عليك ورحمة الله - قال - فزادوه ورحمة الله - قال - فكل من يدخل الجنة على صورة ادم وطوله ستون ذراعا فلم يزل الخلق ينقص بعده حتى الان
উমর ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নামকে এভাবে উপস্থিত করা হবে। সেদিন তাতে সত্তর হাজার লাগাম লাগানো থাকবে। প্রতিটি লাগামের সাথে সত্তর হাজার ফেরেশতা থাকবে তারা তাকে টেনে নিয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا ابي، عن العلاء بن خالد الكاهلي، عن شقيق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوتى بجهنم يوميذ لها سبعون الف زمام مع كل زمام سبعون الف ملك يجرونها
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের এ অগ্নি যা আদম সন্তানগণ জ্বলিয়ে থাকে তা জাহান্নামের অগ্নির উত্তাপের সত্তর ভাগের একভাগ। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! এ আগুনই তো যথেষ্ট ছিল? তিনি বললেন, সে আগুন তো এ আগুনের তুলনায় উনসত্তর গুণ অধিক তাপমাত্রা সম্পন্ন। এ উনসত্তরের প্রতিটি তাপমাত্রাই দুনিয়ার আগুনের তাপমাত্রার সমতুল্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০২ ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني ابن عبد الرحمن الحزامي - عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ناركم هذه التي يوقد ابن ادم جزء من سبعين جزءا من حر جهنم " . قالوا والله ان كانت لكافية يا رسول الله . قال " فانها فضلت عليها بتسعة وستين جزءا كلها مثل حرها
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ যিনাদ এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে হাম্মাম (রহঃ)كُلُّهَا (প্রতিটি) এর স্থলে كُلُّهُنَّ مِثْلُ حَرِّهَا (সবগুলোই তার তাপমাত্রার সমতুল্য) বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابي الزناد غير انه قال " كلهن مثل حرها
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তিনি হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা কি জান, এটা কিসের আওয়াজ? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, আল্লাহ ও তার রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, এ একটি পাথর যা সত্তর বছর আগে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তারপর তা কেবল নিম্নে পতিত হতে হতে এখন সেটা তার তলদেশে গিয়ে পৌছেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، حدثنا خلف بن خليفة، حدثنا يزيد بن كيسان، عن ابي، حازم عن ابي هريرة، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم اذ سمع وجبة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " تدرون ما هذا " . قال قلنا الله ورسوله اعلم . قال " هذا حجر رمي به في النار منذ سبعين خريفا فهو يهوي في النار الان حتى انتهى الى قعرها
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এ কথা বর্ধিত বর্ণিত রয়েছে যে, এ পাথরটি এখন জাহান্নামের অতল গভীরে গিয়ে পৌছেছে, তাই তোমরা বিকট আওয়াজ শুনতে পেয়েছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن عباد، وابن ابي عمر، قالا حدثنا مروان، عن يزيد بن كيسان، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، بهذا الاسناد وقال " هذا وقع في اسفلها فسمعتم وجبتها
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তো তার উভয় গোড়ালি পর্যন্ত স্পর্শ করবে; আবার কাউকে তার কোমর পর্যন্ত এবং কাউকে তার গর্দান পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا شيبان بن عبد الرحمن، قال قال قتادة سمعت ابا نضرة، يحدث عن سمرة، انه سمع نبي الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان منهم من تاخذه النار الى كعبيه ومنهم من تاخذه الى حجزته ومنهم من تاخذه الى عنقه
‘আমর ইবনু যুরারাহ্ (রহঃ) ..... সামুরাহ ইবনু জুনদাব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অগ্নি জাহান্নামীদের কাউকে তার উভয় টাখনু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার উভয় হাঁটু পর্যন্ত স্পর্শ করবে, কাউকে তার কোমর পর্যন্ত, আবার কাউকে তার গলা পর্যন্ত স্পর্শ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عمرو بن زرارة، اخبرنا عبد الوهاب، - يعني ابن عطاء - عن سعيد، عن قتادة، قال سمعت ابا نضرة، يحدث عن سمرة بن جندب، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " منهم من تاخذه النار الى كعبيه ومنهم من تاخذه النار الى ركبتيه ومنهم من تاخذه النار الى حجزته ومنهم من تاخذه النار الى ترقوته
(…/…) মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সাঈদ (রাযিঃ) থেকে এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে حُجْزَتِهِ পরিবের্ত حَقْوَيْهِ (উভয় শব্দের অর্থ একই, অর্থাৎ কোমর) শব্দটি বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا روح، حدثنا سعيد، بهذا الاسناد وجعل مكان حجزته حقويه
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহান্নাম ও জান্নাত পরস্পর বাক-বিতণ্ডা করল। অতঃপর জাহান্নাম বলল, প্রতিপত্তি সম্পন্ন অহংকারী লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। জান্নাত বলল, দুর্বল ও নিঃস্ব লোকেরা আমার মাঝে প্রবেশ করবে। অতঃপর আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাব, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা ‘আযাব দিব। কোন কোন সময় তিনি বলেছেন, যাকে ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা বিপদে ফেলব। তারপর তিনি জান্নাতকে বললেন, তুমি আমার রহমত, আমি যাকে ইচ্ছা তোমার দ্বারা রহমত করব। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই পেট ভর্তির ব্যবস্থা থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯০৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " احتجت النار والجنة فقالت هذه يدخلني الجبارون والمتكبرون . وقالت هذه يدخلني الضعفاء والمساكين فقال الله عز وجل لهذه انت عذابي اعذب بك من اشاء - وربما قال اصيب بك من اشاء - وقال لهذه انت رحمتي ارحم بك من اشاء ولكل واحدة منكما ملوها