Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩২৪ হাদিসসমূহ
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ….. আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কারী (ইমাম) যখন সালাতে غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ বলে তখন তার পিছনের লোকেরাও (মুক্তাদীগণ) آمِينَ (আ-মীন) বলবে। তাদের এ কথা আকাশমণ্ডলীর অধিবাসী মালায়িকাদের কথার সাথে একত্রে উচ্চারিত হলে, তাদের (মুক্তাদী) পিছনের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا قال القاري غير المغضوب عليهم ولا الضالين . فقال من خلفه امين . فوافق قوله قول اهل السماء غفر له ما تقدم من ذنبه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তার শরীরের ডানপাশ আহত হল। আমরা তাকে দেখতে গেলাম। ইতিমধ্যে সালাতের সময় হয়ে গেল। তিনি আমাদের নিয়ে বসে বসে সালাত আদায় করলেন। আমরাও তার পিছনে বসে বসে সালাত আদায় করলাম। তিনি সালাত শেষ করে বললেনঃ ইমাম এজন্যই বানানো হয় যে, তার অনুসরণ করা হবে। অতএব সে যখন আল্লাহু আকবার বলে তোমরাও "আল্লাহু আকবার" বল। সে যখন সিজদা করে, তোমরাও সিজদা কর। সে যখন হাত উচু করে দাঁড়ায় তোমরাও হাত উঁচু করে দাঁড়াও। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলে, তোমরা তখন "রব্বানা- ওয়ালাকাল হামদ" বল। সে যখন বসে সালাত আদায় করে (ইমামতি করে), তোমরাও সবাই মিলে বসে সালাত আদায় কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وابو بكر بن ابي شيبة وعمرو الناقد وزهير بن حرب وابو كريب جميعا عن سفيان، - قال ابو بكر حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، قال سمعت انس بن مالك، يقول سقط النبي صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش شقه الايمن فدخلنا عليه نعوده فحضرت الصلاة فصلى بنا قاعدا فصلينا وراءه قعودا فلما قضى الصلاة قال " انما جعل الامام ليوتم به فاذا كبر فكبروا واذا سجد فاسجدوا واذا رفع فارفعوا واذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا ربنا ولك الحمد . واذا صلى قاعدا فصلوا قعودا اجمعون
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গিয়ে আহত হলেন। তিনি বসে বসে আমাদের সালাত আদায় করালেন। ...... অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن انس بن مالك، قال خر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن فرس فجحش فصلى لنا قاعدا . ثم ذكر نحوه
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে গেলেন। ফলে তার শরীরের ডানপাশ আহত হল। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছে, ইমাম যখন দাঁড়িয়ে পড়ে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صرع عن فرس فجحش شقه الايمن بنحو حديثهما وزاد " فاذا صلى قايما فصلوا قياما
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়ায় সওয়ার হলেন। তিনি এর পিঠ থেকে নিচে পড়ে গেলেন। ফলে তার শরীরের ডানপাশ আঘাতপ্রাপ্ত হল। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো আছেঃ সে (ইমাম) যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا معن بن عيسى، عن مالك بن انس، عن الزهري، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ركب فرسا فصرع عنه فجحش شقه الايمن . بنحو حديثهم وفيه " اذا صلى قايما فصلوا قياما
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন। এতে তার শরীরের ডানপাশে আঘাত পেলেন। উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় ইউনুস ও মালিকের বর্ধিত বর্ণনাটুকু নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، اخبرني انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم سقط من فرسه فجحش شقه الايمن . وساق الحديث وليس فيه زيادة يونس ومالك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থ হলেন। সাহাবাদের কিছু সংখ্যক লোক তাকে দেখতে আসলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসে বসে সালাত আদায় করলেন। তারা তার সাথে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলে তিনি তাদেরকে ইশারায় বললেনঃ তোমরা বসে যাও। তারা বসে গেলেন। সালাত শেষ করে তিনি বললেনঃ অনুসরণ করার জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হয়। সে যখন রুকু’তে যাবে তোমরাও তখন রুকু’তে যাবে। সে যখন মাথা উঠাবে তোমরাও তখন মাথা উঠাবে। সে যখন বসে বসে সালাত আদায় করবে তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮০৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فدخل عليه ناس من اصحابه يعودونه فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا فصلوا بصلاته قياما فاشار اليهم ان اجلسوا . فجلسوا فلما انصرف قال " انما جعل الامام ليوتم به فاذا ركع فاركعوا واذا رفع فارفعوا واذا صلى جالسا فصلوا جلوسا
আবূ রাবী' আয যাহরানী, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (রহঃ) হতে উপরোল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو الربيع الزهراني، حدثنا حماد يعني ابن زيد، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، قال حدثنا ابي جميعا، عن هشام بن عروة، بهذا الاسناد نحوه
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমরা তার পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি বসে বসে সালাত আদায় করছিলেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) লোকদেরকে তার তাকবীর জোরে শুনিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি আমাদের দিকে খেয়াল করে আমাদেরকে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখতে পেলেন। তিনি আমাদের ইশারা করলেন। সেজন্য আমরা বসে গেলাম। আমরা তার সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। সালাম ফিরানোর পর তিনি বললেনঃ তোমরা পারস্য ও রোমের (সাম্রাজ্যের) লোকেদের মতোই করতে যাচ্ছিলে। তাদের বাদশারা বসে থাকে আর তারা দাঁড়িয়ে থাকে। তোমরা কখনো এমন করো না। সবসময় তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করবে। সে যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে, তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করবে। সে যদি বসে সালাত আদায় করে তোমরাও বসে সালাত আদায় করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن ابي الزبير، عن جابر، قال اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلينا وراءه وهو قاعد وابو بكر يسمع الناس تكبيره فالتفت الينا فرانا قياما فاشار الينا فقعدنا فصلينا بصلاته قعودا فلما سلم قال " ان كدتم انفا لتفعلون فعل فارس والروم يقومون على ملوكهم وهم قعود فلا تفعلوا ايتموا بايمتكم ان صلى قايما فصلوا قياما وان صلى قاعدا فصلوا قعودا
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সালাত আদায় করালেন। আবূ বকর (রাযিঃ) তার পিছনেই ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাকবীর বললেন, আবূ বাকর আমাদেরকে শুনিয়ে জোরে তাকবীর বললেন। ..... হাদীসের অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا حميد بن عبد الرحمن الرواسي، عن ابيه، عن ابي الزبير، عن جابر، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر خلفه فاذا كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم كبر ابو بكر ليسمعنا . ثم ذكر نحو حديث الليث
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ ইমাম এজন্য নিযুক্ত করা হয় যে, তার অনুসরণ করা হবে, তোমরা কখনো তার উল্টো করো না। সে যখন আল্লাহু আকবার বলে, তোমরাও "আল্লাহু আকবার বলো। সে যখন রুকু করে, তোমরাও তখন রুকূ’ করো। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলে তোমরাও তখন আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। সে যখন সাজদায় যায়, তোমরাও তখন সাজদায় যাও। সে যখন বসে সালাত আদায় করে, তোমরাও সবাই মিলে বসে সালাত আদায় করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة، - يعني الحزامي - عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انما الامام ليوتم به فلا تختلفوا عليه فاذا كبر فكبروا واذا ركع فاركعوا واذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . واذا سجد فاسجدوا واذا صلى جالسا فصلوا جلوسا اجمعون
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছ থেকে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে (সালাতের) শিক্ষা দিয়ে বলতেনঃ ইমামের আগে কোন কাজ করে না। সে যখন ‘আল্লাহু আকবার বলে, তোমরা আল্লাহু আকবার বলো। সে যখন, “ওয়ালায যোয়া-ল্লীন বলে, তোমরাও তখন আ-মীন বলো। সে যখন রুকু’তে যায়, তোমরাও তখন রুকু’তে যাও। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে তোমরা তখন 'আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، وابن، خشرم قالا اخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمنا يقول " لا تبادروا الامام اذا كبر فكبروا واذا قال ولا الضالين . فقولوا امين . واذا ركع فاركعوا واذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد
কুতাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছ থেকে (উপরের হাদীসের) অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এ বর্ণনায় ইমামের ‘ওয়ালায যোয়া-ল্লীন' বলার পর "আ-মীন' বলার কথা উল্লেখ নেই। তবে এতে আরো আছে, তোমরা ইমামের আগে হাত উঠাবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه الا قوله " ولا الضالين . فقولوا امين " . وزاد " ولا ترفعوا قبله
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম ঢাল স্বরূপ। সে যখন বসে বসে সালাত আদায় করে তোমরাও বসে বসে সালাত আদায় করো। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলে তোমরা তখন 'আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। জমিনবাসীর কথা আকাশমণ্ডলীর (ফেরেশতার) কথার সঙ্গে একত্রে উচ্চারিত হলে আল্লাহ তার (বান্দার) পিছনের গুনাহ মাফ করে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن يعلى، - وهو ابن عطاء - سمع ابا علقمة، سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انما الامام جنة فاذا صلى قاعدا فصلوا قعودا واذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . فاذا وافق قول اهل الارض قول اهل السماء غفر له ما تقدم من ذنبه
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ইমাম এজন্য নিয়োগ করা হয় যে, তার অনুসরণ করা হবে। সে যখন তাকবীর বলে- তোমরাও তাকবীর বলো। সে যখন সিজদা করে, তোমরাও সিজদা করো। সে যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলে- তোমরা তখন “আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ" বলো। সে যখন দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো। সে যখন বসে সালাত আদায় করে তোমরাও সবাই মিলে বসে সালাত আদায় করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني ابو الطاهر، حدثنا ابن وهب، عن حيوة، ان ابا يونس، مولى ابي هريرة حدثه قال سمعت ابا هريرة، يقول عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " انما جعل الامام ليوتم به فاذا كبر فكبروا واذا ركع فاركعوا واذا قال سمع الله لمن حمده . فقولوا اللهم ربنا لك الحمد . واذا صلى قايما فصلوا قياما واذا صلى قاعدا فصلوا قعودا اجمعون
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে তাকে বললাম, আপনি আমার কাছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (মৃত্যুকালীন) রোগের অবস্থা বর্ণনা করবেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসুস্থতা বেড়ে গেল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকেরা সালাত আদায় করেছে কি? আমরা বললাম, না, আল্লাহর রাসুল! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন, আমার জন্য পাত্রে পানি রাখো। আমরা তাই করলাম। তিনি ওযু করলেন, অতঃপর উঠতে গিয়ে বেহুশ হয়ে পড়লেন। জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি বললেন, লোকেরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, না তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমার জন্য পাত্রে পানি রাখো। আমরা তাই করলাম। তিনি ওযু করলেন। অতঃপর তিনি উঠতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন। জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ লোকেরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তারা আপনার অপেক্ষা করছে। তিনি বললেনঃ আমার জন্য পাত্রে করে পানি রাখো। আমরা তাই করলাম। তিনি ওযু করে উঠতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পরলেন। অতঃপর জ্ঞান ফিরে আসলে তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ লোকেরা কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তারা আপনার অপেক্ষায় আছে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, লোকেরা ইশার সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অপেক্ষায় বসেছিল। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ বকরের কাছে লোক পাঠালেন। সংবাদ বাহক (আবূ বকরের কাছে) এসে বলল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) ছিলেন খুবই কোমল হৃদয়ের লোক। তিনি বললেন, হে উমার! লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করো। উমর (রাযিঃ) বললেন, এজন্য আপনিই অধিক উপযুক্ত। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, এ কয়দিন আবূ বকর (রাযিঃ) সালাত আদায় করালেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছুটা সুস্থ হলেন। তিনি দু'জন লোকের কাঁধে ভর দিয়ে যুহরের সালাত আদায় করতে বের হলেন। তাদের একজন ছিলেন আব্বাস (রাযিঃ)। ইতিমধ্যে আবূ বকর (রাযিঃ) লোকদের নিয়ে সালাত শুরু করে দিয়েছিলেন, আবূ বাকর (রাযিঃ) তাঁকে আসতে দেখে পিছে সরে আসতে উদ্যত হলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে ইশারায় বললেনঃ পিছনে হটে এসো না। তিনি তাদের উভয়কে বললেন, আমাকে তার পাশে বসিয়ে দাও। তারা তাকে আবূ বকর (রাযিঃ)-এর পাশে বসিয়ে দিলেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অনুকরণে সালাত আদায় করলেন এবং লোকেরা আবূ বাকর (রাযিঃ) এর অনুকরণে সালাত আদায় করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসেই সালাত আদায় করলেন। উবাইদুল্লাহ বলেন, অতঃপর আমি 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর কাছে গিয়ে তাকে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসুখ সম্পর্কে আয়িশাহ (রাযিঃ) যা বলেছেন, আমি কি তা আপনার সামনে পেশ করব না? তিনি বললেন, হ্যাঁ, বলো। আমি তার কাছে আয়িশাহ (রাযিঃ) এর দেয়া বিবরণ তুলে ধরলাম। তিনি সামান্যতমও দ্বিমত করলেন না। শুধু বললেন, "আব্বাস (রাযিঃ) এর সাথে যে অপর ব্যক্তি ছিল, তিনি কি তোমাকে তার নাম বলেছেন? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তিনি হচ্ছেন আলী। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম মাইমূনাহ (রাযিঃ)-এর ঘরে রোগাক্রান্ত হন। তিনি সেবা-শুশ্ৰুষার জন্য তার [আয়িশাহ (রাযিঃ)-এর] ঘরে যাওয়ার ব্যাপারে নিজের স্ত্রীদের অনুমতি চাইলেন। তারা তাকে অনুমতি দিলেন। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তিনি এক হাত ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাঁধের উপর রেখে এবং অপর হাত অন্য এক ব্যক্তির কাঁধের উপর রেখে সামনে পা হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে (সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে) গেলেন। উবাইদুল্লাহ বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর কাছে এ কথা বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, তুমি কি জানো, আয়িশাহ (রাযিঃ) যার নাম বলেননি তিনি কে? তিনি হলেন ‘আলী (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮২০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، - واللفظ لابن رافع - قالا حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، قال قال الزهري واخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عايشة، اخبرته قالت، اول ما اشتكى رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت ميمونة فاستاذن ازواجه ان يمرض في بيتها واذن له - قالت - فخرج ويد له على الفضل بن عباس ويد له على رجل اخر وهو يخط برجليه في الارض . فقال عبيد الله فحدثت به ابن عباس فقال اتدري من الرجل الذي لم تسم عايشة هو علي
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন এবং উত্তরোত্তর তা বাড়তে থাকল, তিনি তার স্ত্রীদের কাছে সেবা শুশ্ৰুষার জন্য আমার ঘরে আসার এবং থাকার অনুমতি চইলেন। তারা তাকে অনুমতি দিলেন। তিনি আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাযিঃ) এবং অপর এক ব্যক্তির কাঁধে ভর দিয়ে মাটিতে পা হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে (মসজিদে সালাত আদায় করতে) গেলেন। উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) এর বর্ণনা ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর নিকট পেশ করলাম। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) আমাকে বললেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) যে (দ্বিতীয়) ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি তুমি তাকে চিনতে পেরেছ কি? উবাইদুল্লাহ বলেন, আমি বললাম, না। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, তিনি হলেন ‘আলী (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني ابي، عن جدي، قال حدثني عقيل بن خالد، قال ابن شهاب اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم واشتد به وجعه استاذن ازواجه ان يمرض في بيتي فاذن له فخرج بين رجلين تخط رجلاه في الارض بين عباس بن عبد المطلب وبين رجل اخر . قال عبيد الله فاخبرت عبد الله بالذي قالت عايشة فقال لي عبد الله بن عباس هل تدري من الرجل الاخر الذي لم تسم عايشة قال قلت لا . قال ابن عباس هو علي
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর অসুস্থকালীন অনুপস্থিতিতে আবূ বকর (রাযিঃ)-কে ইমাম নিযুক্ত করার ব্যাপারে] আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে বারবার কথা কাটাকাটি করেছি। কোন লোক অধিকাংশ সময় তার স্থলাভিষিক্ত হোক এ উদ্দেশে আমি কথা কাটাকাটি করিনি। আমার ধারণা ছিল যে, যে ব্যক্তি তার স্থলাভিষিক্ত হবে তাকে লোকেরা ভালবাসবে না এবং তাকে তারা অশুভ কুলক্ষণ বলে মনে করবে। সুতরাং আমি চেয়েছিলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবূ বকর (রাযিঃ)-কে তার স্থলাভিষিক্ত করা থেকে যেন বিরত থাকেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني ابي، عن جدي، حدثني عقيل بن خالد، قال قال ابن شهاب اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لقد راجعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في ذلك وما حملني على كثرة مراجعته الا انه لم يقع في قلبي ان يحب الناس بعده رجلا قام مقامه ابدا والا اني كنت ارى انه لن يقوم مقامه احد الا تشاءم الناس به فاردت ان يعدل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ابي بكر
حدثنا احمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زايدة، حدثنا موسى بن ابي عايشة، عن عبيد الله بن عبد الله، قال دخلت على عايشة فقلت لها الا تحدثيني عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت بلى ثقل النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اصلى الناس " . قلنا لا وهم ينتظرونك يا رسول الله . قال " ضعوا لي ماء في المخضب " . ففعلنا فاغتسل ثم ذهب لينوء فاغمي عليه ثم افاق فقال " اصلى الناس " . قلنا لا وهم ينتظرونك يا رسول الله . فقال " ضعوا لي ماء في المخضب " . ففعلنا فاغتسل ثم ذهب لينوء فاغمي عليه ثم افاق فقال " اصلى الناس " . قلنا لا وهم ينتظرونك يا رسول الله . فقال " ضعوا لي ماء في المخضب " . ففعلنا فاغتسل ثم ذهب لينوء فاغمي عليه ثم افاق فقال " اصلى الناس " . فقلنا لا وهم ينتظرونك يا رسول الله . قالت والناس عكوف في المسجد ينتظرون رسول الله صلى الله عليه وسلم لصلاة العشاء الاخرة - قالت - فارسل رسول الله صلى الله عليه وسلم الى ابي بكر ان يصلي بالناس فاتاه الرسول فقال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم يامرك ان تصلي بالناس . فقال ابو بكر وكان رجلا رقيقا يا عمر صل بالناس . قال فقال عمر انت احق بذلك . قالت فصلى بهم ابو بكر تلك الايام ثم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم وجد من نفسه خفة فخرج بين رجلين احدهما العباس لصلاة الظهر وابو بكر يصلي بالناس فلما راه ابو بكر ذهب ليتاخر فاوما اليه النبي صلى الله عليه وسلم ان لا يتاخر وقال لهما " اجلساني الى جنبه " . فاجلساه الى جنب ابي بكر وكان ابو بكر يصلي وهو قايم بصلاة النبي صلى الله عليه وسلم والناس يصلون بصلاة ابي بكر والنبي صلى الله عليه وسلم قاعد . قال عبيد الله فدخلت على عبد الله بن عباس فقلت له الا اعرض عليك ما حدثتني عايشة عن مرض رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هات . فعرضت حديثها عليه فما انكر منه شييا غير انه قال اسمت لك الرجل الذي كان مع العباس قلت لا . قال هو علي