Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩২৪ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, যে ব্যক্তি সালাত আদায় করল অথচ তাতে সূরাহ ফা-তিহাহ্ পাঠ করল না … সুফইয়ানের হাদীসের অনুরূপ। তাদের উভয়ের হাদীসে রয়েছে, মহান আল্লাহ বলেনঃ আমি সালাতকে আমার ও আমার বান্দার মধ্যে দুই ভাগে ভাগ করে নিয়েছি, এর অর্ধেক আমার এবং আর অর্ধেক আমার বান্দার। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، عن مالك بن انس، عن العلاء بن عبد الرحمن، انه سمع ابا السايب، مولى هشام بن زهرة يقول سمعت ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، ان ابا السايب، مولى بني عبد الله بن هشام بن زهرة اخبره انه، سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة فلم يقرا فيها بام القران " . بمثل حديث سفيان وفي حديثهما " قال الله تعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي
আহমাদ ইবনু জা'ফার আল মাফিরী (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন সালাত আদায় করল, কিন্তু তাতে ফাতিহাতুল কিতাব (সূরাহ ফা-তিহাহ্) পাঠ করল না- তার এ সালাত ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ। এ কথাটি তিনি তিনবার বলেছেন। তাদের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني احمد بن جعفر المعقري، حدثنا النضر بن محمد، حدثنا ابو اويس، اخبرني العلاء، قال سمعت من ابي ومن ابي السايب، وكانا، جليسى ابي هريرة قالا قال ابو هريرة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة لم يقرا فيها بفاتحة الكتاب فهى خداج " . يقولها ثلاثا بمثل حديثهم
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কুরআন পাঠ ছাড়া সালাতই হয় না। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সালাতে কিরাআত উচ্চস্বরে পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্য উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সালাতে চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করেছেন আমরাও তাতে তোমাদের জন্য চুপে চুপে কিরাআত পাঠ করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابو اسامة، عن حبيب بن الشهيد، قال سمعت عطاء، يحدث عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا صلاة الا بقراءة " . قال ابو هريرة فما اعلن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعلناه لكم وما اخفاه اخفيناه لكم
আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন, সালাতের প্রতি রাকাআতে কুরআন থেকে পাঠ হবে (আমরা পাঠ করি)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সালাতে উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন, আমরাও সে সালাতে তোমাদের শুনিয়ে কুরআন পাঠ করি এবং যে সালাতে চুপিসারে কুরআন পাঠ করেছেন সে সালাতে আমরাও চুপিসারে কুরআন পাঠ করি। একজন লোক তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি যদি সূরাহ ফা-তিহার বেশি না পড়ি তবে কি আমার সালাত যথেষ্ট হবে? তিনি বললেন, তুমি যদি সূরাহ ফাতিহার পর আরো আয়াত পাঠ কর তবে এটা তোমার জন্য কল্যাণকর আর যদি তুমি সূরাহ ফা-তিহাহ্ পাঠ করেই থেমে যাও তবে সেটাও তোমার জন্য যথেষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عمرو الناقد، وزهير بن حرب، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، اخبرنا ابن جريج، عن عطاء، قال قال ابو هريرة في كل الصلاة يقرا فما اسمعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم اسمعناكم وما اخفى منا اخفينا منكم . فقال له رجل ان لم ازد على ام القران فقال ان زدت عليها فهو خير وان انتهيت اليها اجزات عنك
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেছেন, প্রত্যেক সালাতেই কিরাআত পাঠ করতে হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সালাতে আমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের শুনিয়ে কিরাআত পাঠ করি। তিনি যে সালাতে আওয়াজ না করে চুপিসারে কিরাআত পাঠ করেছেন, আমরাও তাতে তোমাদের না শুনিয়ে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করি। যে ব্যক্তি সূরাহ ফাতিহাহ পাঠ করল তা তার জন্য যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি আরো সূরাহ পাঠ করল, এটা তার জন্য বেশি ভাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا يزيد، - يعني ابن زريع - عن حبيب المعلم، عن عطاء، قال قال ابو هريرة في كل صلاة قراءة فما اسمعنا النبي صلى الله عليه وسلم اسمعناكم وما اخفى منا اخفيناه منكم ومن قرا بام الكتاب فقد اجزات عنه ومن زاد فهو افضل
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন, অতঃপর এক লোক মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করল। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকটে এসে তাকে সালাম দিলে তিনি তার সালামের উত্তর দিয়ে বললেনঃ যাও পুনরায় সালাত আদায় কর, কেননা তুমি সালাত আদায় করনি। লোকটি ফিরে গিয়ে আগের মতোই সালাত আদায় করল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে তাকে সালাম করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ওয়া 'আলাইকাস সালাম। অতঃপর তিনি বললেনঃ যাও তুমি পুনরায় সালাত আদায় কর, কেননা তোমার সালাত আদায় হয়নি। তিনি পরপর তিনবার তাকে এ রকম নির্দেশ দিলেন। অতঃপর লোকটি বলল, সে সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্য দীন সহকারে পাঠিয়েছেন; আমি এর চেয়ে সুন্দর করে সালাত আদায় করতে পারি না। আমাকে শিখিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তুমি যখন সালাতে দাঁড়াও, তাকবীর বল, অতঃপর কুরআনের যে অংশ তোমার কাজে সহজ মনে হয় তা থেকে পাঠ কর। অতঃপর রুকূ’তে যাও এবং শান্তভাবে রুকু’তে থাক। অতঃপর রুকূ’ থেকে সোজা মনে দাঁড়াও, অতঃপর সাজদায় যাও এবং সাজদার মধ্যে শান্তভাবে থাক, অতঃপর সিজদা থেকে উঠে আরামে বস। সমস্ত সালাত তুমি এভাবে আদায় কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال حدثني سعيد بن ابي سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل المسجد فدخل رجل فصلى ثم جاء فسلم على رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد رسول الله صلى الله عليه وسلم السلام قال " ارجع فصل فانك لم تصل " . فرجع الرجل فصلى كما كان صلى ثم جاء الى النبي صلى الله عليه وسلم فسلم عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وعليك السلام " . ثم قال " ارجع فصل فانك لم تصل " . حتى فعل ذلك ثلاث مرات فقال الرجل والذي بعثك بالحق ما احسن غير هذا علمني . قال " اذا قمت الى الصلاة فكبر ثم اقرا ما تيسر معك من القران ثم اركع حتى تطمين راكعا ثم ارفع حتى تعتدل قايما ثم اسجد حتى تطمين ساجدا ثم ارفع حتى تطمين جالسا ثم افعل ذلك في صلاتك كلها
আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে। এক লোক মসজিদে প্রবেশ করে সালাত আদায় করল। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মসজিদের) এক প্রান্তে বসা ছিলেন, হাদীসের পরবর্তী অংশ পূর্বের হাদীসের মতোই। কিন্তু এ বর্ণনায় আরো আছেঃ তুমি যখন সালাত আদায় করার ইচ্ছা পোষণ কর তখন ভাল করে ওযু করে নাও। অতঃপর কিবলামুখী হও, অতঃপর ‘আল্লাহু আকবার বল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৬৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، وعبد الله بن نمير، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي قالا، حدثنا عبيد الله، عن سعيد بن ابي سعيد، عن ابي هريرة، ان رجلا، دخل المسجد فصلى ورسول الله صلى الله عليه وسلم في ناحية وساقا الحديث بمثل هذه القصة وزادا فيه " اذا قمت الى الصلاة فاسبغ الوضوء ثم استقبل القبلة فكبر
সাঈদ ইবনু মানসূর ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে যুহর অথবা আসর এর সালাত আদায় করালেন। সালাত শেষে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যে কে আমার পিছনে سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلَى (সুরাহ আলা) পাঠ করেছ? এক ব্যক্তি বলল, আমি। এর মাধ্যমে কল্যাণই কামনা করেছিলাম। তিনি বললেন, আমি জানতে পেরেছি তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার কাছ থেকে কুরআন ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، كلاهما عن ابي عوانة، قال سعيد حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن عمران بن حصين، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الظهر - او العصر - فقال " ايكم قرا خلفي بسبح اسم ربك الاعلى " . فقال رجل انا ولم ارد بها الا الخير . قال " قد علمت ان بعضكم خالجنيها
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করলেন। এক লোক তার পিছনে সূরাহ “সাব্বিহিসমা রাবিকাল আ'লা" পাঠ করল। সালাত শেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ কে সূরাহ পাঠ করেছে? লোকটি বলল, আমি। তিনি বললেনঃ আমি অনুসন্ধান করেছি তোমাদের কেউ কেউ আমার কাছ থেকে (কুরআন) পাঠ ছিনিয়ে নিচ্ছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت زرارة بن اوفى، يحدث عن عمران بن حصين، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر فجعل رجل يقرا خلفه بسبح اسم ربك الاعلى فلما انصرف قال " ايكم قرا " او " ايكم القاري " فقال رجل انا . فقال " قد ظننت ان بعضكم خالجنيها
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করলেন এবং বললেনঃ আমি জানতে পেরেছি তোমাদের কেউ কেউ আমার কাছ থেকে (কুরআন) ছিনিয়ে নিচ্ছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا اسماعيل ابن علية، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، كلاهما عن ابن ابي عروبة، عن قتادة، بهذا الاسناد ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الظهر وقال " قد علمت ان بعضكم خالجنيها
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বকর (রাযিঃ), 'উমার (রাযিঃ) ও উসমান (রাযিঃ) এর সাথে সালাত আদায় করেছি। আমি তাদের কাউকে “বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম" (সশব্দে) পড়তে শুনিনি (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار كلاهما عن غندر، قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن انس، قال صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وابي بكر وعمر وعثمان فلم اسمع احدا منهم يقرا { بسم الله الرحمن الرحيم}
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি উপরের হাদীসটি আনাস (রাযিঃ) এর কাছে সরাসরি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাদের এ হাদীস শুনান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، في هذا الاسناد . وزاد قال شعبة فقلت لقتادة اسمعته من انس قال نعم نحن سالناه عنه
মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান আর রায়ী ..... 'আবদাহ থেকে বর্ণিত আছে, উমার ইবনু খাত্তাব এ কথাগুলি উচ্চস্বরে পড়েতেন অর্থাৎ "হে আল্লাহ! তোমারই পবিত্রতা বর্ণনা করি এবং তোমারই শুকর আদায় করি, তোমার নাম বড়ই বারাকাতপূর্ণ, তোমার মর্যাদা সর্বোচ্চ, তুমি ছাড়া আর কেউ মা'বূদ নেই।" কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে, আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) তাকে বলেছেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আবূ বাকর (রাযিঃ), 'উমার (রাযিঃ), উসমান (রাযিঃ) এর পিছনে সালাত আদায় করেছি। তারা সকলে সালাতে الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ দিয়ে শুরু করতেন। তারা কিরাআতের শুরুতেও بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ পড়তেন না, শেষেও না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن مهران الرازي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الاوزاعي، عن عبدة، ان عمر بن الخطاب، كان يجهر بهولاء الكلمات يقول سبحانك اللهم وبحمدك تبارك اسمك وتعالى جدك ولا اله غيرك . وعن قتادة انه كتب اليه يخبره عن انس بن مالك انه حدثه قال صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم وابي بكر وعمر وعثمان فكانوا يستفتحون ب { الحمد لله رب العالمين} لا يذكرون بسم الله الرحمن الرحيم في اول قراءة ولا في اخرها
মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান (রহঃ) ..... ইসহাক ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবূ তালহাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن مهران، حدثنا الوليد بن مسلم، عن الاوزاعي، اخبرني اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، انه سمع انس بن مالك، يذكر ذلك
‘আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। হঠাৎ তার উপর অচৈতন্য ভাব চেপে বসল। অতঃপর তিনি মুচকি হেসে মাথা তুললেন। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার হাসির কারণ কি? তিনি বললেনঃ এ মাত্র আমার উপর একটি সূরাহ অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি পাঠ করলেনঃ বিসমিল্লা-হির রহমা-নির রহীম'৷ নিশ্চয়ই আমরা তোমাকে কাওসার দান করেছি। অতএব তুমি তোমার প্রতিপালকের জন্য সালাত আদায় কর এবং কুরবানী দাও। তোমার কুৎসা রটনাকারীরাই মূলত শিকড়কাটা, নির্মূল। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা কি জান কাওসার কি? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তার রাসূলই বেশি ভালো জানেন। তিনি বললেনঃ এটা একটা ঝর্ণা। আমার মহান প্রতিপালক আমাকে তা দেয়ার জন্য ওয়া'দা করেছেন। এর মধ্যে অশেষ কল্যাণ রয়েছে, আমার উম্মতের লোকেরা কিয়ামতের দিন এ হাওযের পানি পান করতে আসবে। এ হাওযে রয়েছে তারকার মত অসংখ্য পানপাত্র (গ্লাস)। এক ব্যক্তিকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। আমি তখন বলবঃ প্রভু! সে আমার উম্মতেরই লোক। আমাকে তখন বলা হবে, তুমি জান না, তোমার মৃত্যুর পর এরা কী অভিনব কাজ (বিদ'আত) করেছে। ইবনু হুজরের বর্ণনায় আরো আছেঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মসজিদে আমাদের কাছে এসেছেন এবং আল্লাহ বলবেন, এ ব্যক্তি আপনার পরে বিদ'আত চালু করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا علي بن حجر السعدي، حدثنا علي بن مسهر، اخبرنا المختار بن فلفل، عن انس بن مالك، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، عن المختار، عن انس، قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم بين اظهرنا اذ اغفى اغفاءة ثم رفع راسه متبسما فقلنا ما اضحكك يا رسول الله قال " انزلت على انفا سورة " . فقرا " بسم الله الرحمن الرحيم { انا اعطيناك الكوثر * فصل لربك وانحر * ان شانيك هو الابتر} " . ثم قال " اتدرون ما الكوثر " . فقلنا الله ورسوله اعلم . قال " فانه نهر وعدنيه ربي عز وجل عليه خير كثير هو حوض ترد عليه امتي يوم القيامة انيته عدد النجوم فيختلج العبد منهم فاقول رب انه من امتي . فيقول ما تدري ما احدثت بعدك " . زاد ابن حجر في حديثه بين اظهرنا في المسجد . وقال " ما احدث بعدك
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ইবনু মুসহির বর্ণিত (উপরোল্লিখিত) হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর অচেতন ভাব দেখা গেল। ..... ইবনু মুসহির এর হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, কাওসার একটি সুন্দর ঝর্ণার নাম। আমার প্রতিপালক জান্নাতের এ ঝর্ণাধারা আমাকে দেয়ার ওয়াদা করেছেন। এ বর্ণনায় "তারকার মতো অসংখ্য পানপাত্রের' কথা উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء اخبرنا ابن فضيل، عن مختار بن فلفل، قال سمعت انس بن مالك، يقول اغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم اغفاءة . بنحو حديث ابن مسهر غير انه قال " نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة عليه حوض " . ولم يذكر " انيته عدد النجوم
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখলেন, তিনি সালাত শুরু করার সময় দুই হাত তুললেন এবং তাকবীর বললেন। হাম্মামের বর্ণনায় আছে, তিনি দুই হাত কান পর্যন্ত উঠালেন; অতঃপর চাঁদরে ঢেকে নিলেন এবং ডান হাত বা হাতের উপর রাখলেন। তিনি যখন রুকু’তে যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, উভয় হাত কাপড়ের ভিতর থেকে বের করলেন, অতঃপর উভয় হাত উত্তোলন করলেন, অতঃপর তাকবীর বলে রুকু’তে গেলেন, তিনি যখন "সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ" বললেন দু'হাত উঠালেন। তিনি যখন সাজদায় গেলেন, দু' হাতের মাঝখানে সিজদা করলেন (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৭৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا همام، حدثنا محمد بن جحادة، حدثني عبد الجبار بن وايل، عن علقمة بن وايل، ومولى، لهم انهما حدثاه عن ابيه، وايل بن حجر، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم رفع يديه حين دخل في الصلاة كبر - وصف همام حيال اذنيه - ثم التحف بثوبه ثم وضع يده اليمنى على اليسرى فلما اراد ان يركع اخرج يديه من الثوب ثم رفعهما ثم كبر فركع فلما قال " سمع الله لمن حمده " . رفع يديه فلما سجد سجد بين كفيه
যুহারর ইবনু হারব, উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পিছনে সালাত আদায় করার সময় (বৈঠকে) বলতাম, আল্লাহর উপর সালাম হোক, অমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের বললেনঃ বস্তুত আল্লাহ নিজেই সালাম (শান্তিদাতা)। অতএব তোমাদের কেউ যখন সালাতে বসে সে যেন বলে, "আত্তাহিয়াতু লিল্লা-হি ওয়াস্ সলাওয়া-তু ওয়াত তাইয়িবা-তু আসসালা-মু 'আলাইকা আইয়ুহান নাবিইয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকুহু আসসালা-মু 'আলাইনা- ওয়া'আলা- ইবা-দিল্লা-হিস্ স-লিহীন" অর্থাৎ "যাবতীয় মান-মর্যাদা, প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বারাকাত অবতীর্ণ হোক। আমাদের এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি নেমে আসুক।” যখন সে এ কথাগুলো বলে, তখন তা আল্লাহর প্রতিটি নেক বান্দার কাছে পৌছে যায়, সে আসমানে বা জমিনেই থাক। (অতঃপর বলবে) "আশ্বহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারসূলুহু" অর্থাৎ “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তার বান্দা ও রাসূল।" অতঃপর সালাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু'আ পড়তে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৮০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن عبد الله، قال كنا نقول في الصلاة خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم السلام على الله السلام على فلان . فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم " ان الله هو السلام فاذا قعد احدكم في الصلاة فليقل التحيات لله والصلوات والطيبات السلام عليك ايها النبي ورحمة الله وبركاته السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين فاذا قالها اصابت كل عبد لله صالح في السماء والارض اشهد ان لا اله الا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله ثم يتخير من المسالة ما شاء
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মানসূর (রহঃ) হতে উল্লেখিত সূত্রে একই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় "অতঃপর সালাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু'আ পড়তে পারে" এ কথাটুকু উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৮১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، بهذا الاسناد مثله ولم يذكر " ثم يتخير من المسالة ما شاء
আবদ ইবনু হুমায়দ এর সনদে মানসূর হতে একই হাদীস অবিকল বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় শেষ অংশ হচ্ছেঃ অতঃপর সালাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী অথবা নিজের পছন্দমত যে কোন দু’আ পড়তে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৮২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حسين الجعفي، عن زايدة، عن منصور، بهذا الاسناد مثل حديثهما وذكر في الحديث " ثم ليتخير بعد من المسالة ما شاء او ما احب