Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩২৪ হাদিসসমূহ
খালাফ ইবনু হিশাম (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদেরকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে সালাত আদায় করেছেন- আমি তোমাদের নিয়ে অনুরূপভাবে সালাত আদায় করতে মোটেই ত্রুটি করব না। অধস্তন রাবী বলেন, আনাস (রাযিঃ) একটি কাজ করতেন যা আমি তোমাদেরকে করতে দেখি না। তিনি রুকু থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। এমনকি কেউ (মনে মনে) বলত, তিনি (সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। তিনি সিজদা্ থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে বসে যেতেন, এমনকি কেউ (মনে মনে) বলত, তিনি (দ্বিতীয় সিজদা করতে) ভুলে গেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن انس، قال اني لا الو ان اصلي بكم كما رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بنا . قال فكان انس يصنع شييا لا اراكم تصنعونه كان اذا رفع راسه من الركوع انتصب قايما حتى يقول القايل قد نسي . واذا رفع راسه من السجدة مكث حتى يقول القايل قد نسي
আবূ বকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পিছনে যেরূপ সংক্ষিপ্ত ও পূর্ণাঙ্গ সালাত আদায় করেছি অনুরূপ আর কারো পিছনে আদায় করিনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সালাতের (রুকনগুলোর সময়ের) পরিমাণ প্রায় কাছাকাছি ছিল। আবূ বাকর (রাযিঃ) এর সালাতের (রুকনগুলোও) পরস্পর কাছাকাছি ছিল। উমার ইবনুল খাত্তাব তার সময়ে ফজরের সালাত দীর্ঘ করে দেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলে দাঁড়িয়ে যেতেন- এমনকি আমরা (মনে মনে) বলতাম, তিনি (সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। অতঃপর তিনি সাজদায় যেতেন। দু'সাজদার মাঝখানে তিনি এতক্ষণ বসতেন যে, আমরা (মনে মনে) বলতাম, তিনি (পরবর্তী সাজদায় যেতে) ভুলে গেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني ابو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز، حدثنا حماد، اخبرنا ثابت، عن انس، قال ما صليت خلف احد اوجز صلاة من صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمام كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم متقاربة وكانت صلاة ابي بكر متقاربة فلما كان عمر بن الخطاب مد في صلاة الفجر وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قال " سمع الله لمن حمده " . قام حتى نقول قد اوهم . ثم يسجد ويقعد بين السجدتين حتى نقول قد اوهم
আহমাদ ইবনু ইউনুস, ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে বারা (রাযিঃ) এ হাদীস বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী নন। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পিছনে সালাত আদায় করতেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ থেকে মাথা তোলার পর আমি কাউকে (সাজদায় যাওয়ার জন্য) পিঠ বাকা করতে দেখিনি, যে পর্যন্ত না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের কপাল মাটিতে রাখতেন। অতঃপর সবাই সাজদায় লুটিয়ে পড়ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، ح قال وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو خيثمة، عن ابي اسحاق، عن عبد الله بن يزيد، قال حدثني البراء، وهو غير كذوب انهم كانوا يصلون خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذا رفع راسه من الركوع لم ار احدا يحني ظهره حتى يضع رسول الله صلى الله عليه وسلم جبهته على الارض ثم يخر من وراءه سجدا
আবূ বাকর ইবনু খাল্লাদ আল বাহিলী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে বারা (রাযিঃ) এ হাদীস বলেছেন। তিনি মিথ্যাবাদী নন। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলতেন- আমাদের কেউই (সাজদায় যাওয়ার জন্য) পিঠ বাঁকা করত না যতক্ষণ পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাজদায় না যেতেন। তার পরে আমরা সাজদায় যেতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني ابو بكر بن خلاد الباهلي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - حدثنا سفيان، حدثني ابو اسحاق، حدثني عبد الله بن يزيد، حدثني البراء، - وهو غير كذوب - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قال " سمع الله لمن حمده " . لم يحن احد منا ظهره حتى يقع رسول الله صلى الله عليه وسلم ساجدا ثم نقع سجودا بعده
মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু সাহম আল আন্তাকী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ মিম্বারে দাঁড়িয়ে বললেন, আমাদেরকে বারা (রাযিঃ) বলেছেন, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করতেন। তিনি যখন রুকু’তে যেতেন, তারাও রুকু’তে যেতেন। তিনি রুকূ’ থেকে মাথা তোলার সময় "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলতেন। আমরা দাঁড়িয়ে থাকতাম, এমনকি যখন দেখতাম তিনি তার কপাল মাটিতে রেখেছেন তখন আমরা তার অনুসরণ করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن عبد الرحمن بن سهم الانطاكي، حدثنا ابراهيم بن محمد ابو اسحاق الفزاري، عن ابي اسحاق الشيباني، عن محارب بن دثار، قال سمعت عبد الله بن يزيد، يقول على المنبر حدثنا البراء، انهم كانوا يصلون مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذا ركع ركعوا واذا رفع راسه من الركوع فقال " سمع الله لمن حمده " . لم نزل قياما حتى نراه قد وضع وجهه في الارض ثم نتبعه
যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করতাম। আমরা যতক্ষণ তাকে সাজদায় পৌছতে না দেখতাম, ততক্ষণ আমাদের কেউ নিজের পিঠ বাকা করতাম না। যুহায়র বলেন, আমাদেরকে সুফইয়ান বলেছেন, এমনকি যখন আমরা তাকে সাজদারত অবস্থায় দেখতাম' (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا زهير بن حرب، وابن، نمير قالا حدثنا سفيان بن عيينة، حدثنا ابان، وغيره، عن الحكم، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن البراء، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم لا يحنو احد منا ظهره حتى نراه قد سجد . فقال زهير حدثنا سفيان قال حدثنا الكوفيون ابان وغيره قال حتى نراه يسجد
মুহরিয ইবনু ‘আওন ইবনু আবূ আওন (রহঃ) ..... 'আমর ইবনু হুৱায়স (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পিছনে ফজরের সালাত আদায় করলাম। আমি তাকে فَلاَ أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ * الْجَوَارِ الْكُنَّسِ আমি শপথ করি পশ্চাদপসরণকারী নক্ষত্রের, যা প্রত্যাগমন করে ও দৃশ্য হয়"- (সুরাহ আত-তাকবীরঃ ১৫-১৬) পাঠ করতে শুনলাম। তিনি সম্পূর্ণভাবে সাজদায় না যাওয়া পর্যন্ত আমাদের কেউ নিজের পিঠ বাকা করত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محرز بن عون بن ابي عون، حدثنا خلف بن خليفة الاشجعي ابو احمد، عن الوليد بن سريع، مولى ال عمرو بن حريث عن عمرو بن حريث، قال صليت خلف النبي صلى الله عليه وسلم الفجر فسمعته يقرا { فلا اقسم بالخنس * الجوار الكنس} وكان لا يحني رجل منا ظهره حتى يستتم ساجدا
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকু থেকে পিঠ উঠানোর সময় বলতেনঃ "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ, আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিলআ মা- শিতা মিন্ শাইয়িন বাদু।" অর্থাৎ “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য- যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৪৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو معاوية، ووكيع، عن الاعمش، عن عبيد بن الحسن، عن ابن ابي اوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا رفع ظهره من الركوع قال " سمع الله لمن حمده اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الارض وملء ما شيت من شىء بعد
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (রুকু থেকে উঠে) এ দু'আ পড়তেন। "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ, আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হাম্দু মিল্আস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিলআ মা- শি'ত মিন শাইয়িন বাদু।" অর্থাৎ “প্রশংসাকারীর প্রশংসা আল্লাহ শুনেন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা আপনারই জন্য- যা আসমান ও জমিন পরিপূর্ণ এবং পরিপূর্ণতা ছাড়াও যতটুকু আপনি ইচ্ছা পোষণ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبيد بن الحسن، قال سمعت عبد الله بن ابي اوفى، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بهذا الدعاء " اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الارض وملء ما شيت من شىء بعد
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেনঃ "আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু মিলআস সামা-য়ি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিলুআ মা- শিতা মিন শাইয়িন বাদু, আল্লাহুম্মা তাহহিরনী বিস্সালজি ওয়াল বারাদ ওয়াল মা-য়িল বা-রিদি, আল্লাহুম্মা তাহহিরনী মিনায্ যুনুবি ওয়াল খাতা-য়া- কামা- ইউনাক্কাস সাওবুল আব্ইয়াযু মিনাল ওয়াসাখ।" অর্থাৎ "হে আল্লাহ! তোমার জন্য ঐ পরিমাণ প্রশংসা- যা আসমান ও জমিনকে পরিপূর্ণ করে দেয়। অতঃপর তুমি যা চাও তা দিয়ে পরিপূর্ণ করো। হে আল্লাহ! আমাকে বরফ, কুয়াশা এবং ঠাণ্ডা পানি দিয়ে পাকপবিত্র করে দাও। হে আল্লাহ! সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে ধবধবে সাদা হয়ে যায়, আমাকেও তদ্রুপ যাবতীয় গুনাহ থেকে পবিত্র করে দাও।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن مجزاة بن زاهر، قال سمعت عبد الله بن ابي اوفى، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم انه كان يقول " اللهم لك الحمد ملء السماء وملء الارض وملء ما شيت من شىء بعد اللهم طهرني بالثلج والبرد والماء البارد اللهم طهرني من الذنوب والخطايا كما ينقى الثوب الابيض من الوسخ
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) এর সূত্রে মুআয (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মুআয-এর বর্ণনায় বলা হয়েছেঃ "সাদা কাপড় যেভাবে ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়।” ইয়াযীদের বর্ণনায় الدَّرَنِ শব্দের পরিবর্তেالدَّنَسِ শব্দের উল্লেখ রয়েছে (অর্থ একই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي ح، قال وحدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، كلاهما عن شعبة، بهذا الاسناد في رواية معاذ " كما ينقى الثوب الابيض من الدرن " . وفي رواية يزيد " من الدنس
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান আদ দারিমী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ “রব্বানা- লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়া-তি ওয়ামিলআ মা- শিতা মিন্ শাইয়িন বাদু আহলাস সান-য়ি ওয়াল মাজদি আহাক্কু মা-কা-লাল আবদু ওয়া কুল্লুনা- লাকা ‘আবদুন, আল্লাহুম্মা লা- মা-নি’আ লিমা- আতাইতা ওয়ালা- মুতিয়া লিমামানা'তা ওয়ালা- ইয়ানফাউ যাল জাদি মিন্কাল জাদ।" অর্থাৎ "আমাদের প্রতিপালক তুমি আসমান-জমিন সম পরিপূর্ণ প্রশংসার অধিকারী, অতঃপর তুমি যা চাও তাও পূর্ণ করে প্রশংসা। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। তোমার প্রশংসায় বান্দা যা কিছু বলে তুমি তার চাইতে বেশি হকদার। আমরা সবাই তোমার বান্দা; হে আল্লাহ! তুমি যা দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যা দেয়া বন্ধ করো, তা দান করার শক্তি কারো নেই। ধনবানের ধন তোমার সামনে কোন কাজে আসে না।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، اخبرنا مروان بن محمد الدمشقي، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن عطية بن قيس، عن قزعة، عن ابي سعيد الخدري، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا رفع راسه من الركوع قال " ربنا لك الحمد ملء السموات والارض وملء ما شيت من شىء بعد اهل الثناء والمجد احق ما قال العبد وكلنا لك عبد اللهم لا مانع لما اعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রুকূ’ থেকে মাথা উঠাতেন তখন বলতেনঃ "আল্লাহুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদু মিল্আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামা- বাইনাহুমা ওয়ামিলআ মা- শিতা মিন শাইয়িন বাদু আহলাস সান-য়ি ওয়াল মাজদি লা- মা-নিআ লিমা- আতাইতা ওয়ালা- মুতিয়া লিমা- মানাতা ওয়ালা- ইয়ানফাউ যাল জাদি মিনকাল জাদ।" অর্থাৎ "আমাদের প্রতিপালক তুমি আসমান-জমিন সম পরিপূর্ণ প্রশংসার অধিকারী, অতপর তুমি যা চাও তাও পূর্ণ করে প্রশংসার অধিকার। তুমি প্রশংসা ও সম্মানের অধিকারী। (হে আল্লাহ!) তুমি যাকে দান করো তা প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কারো নেই এবং তুমি যাকে দেয়া বন্ধ করো, তাকে দান করার শক্তি কারো নেই। চেষ্টা সাধনাকারীর প্রচেষ্টা তোমার সামনে কোন কাজে আসে না"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا هشيم بن بشير، اخبرنا هشام بن حسان، عن قيس بن سعد، عن عطاء، عن ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا رفع راسه من الركوع قال " اللهم ربنا لك الحمد ملء السموات وملء الارض وما بينهما وملء ما شيت من شىء بعد اهل الثناء والمجد لا مانع لما اعطيت ولا معطي لما منعت ولا ينفع ذا الجد منك الجد
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ হাদীস وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ পর্যন্ত বর্ণিত হয়েছে। হাদীসের পরবর্তী অংশ এ সুত্রে বর্ণিত হয়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابن نمير، حدثنا حفص، حدثنا هشام بن حسان، حدثنا قيس بن سعد، عن عطاء، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم الى قوله " وملء ما شيت من شىء بعد " . ولم يذكر ما بعده
সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মৃত্যুশয্যায় থাকাকালীন সময়ে) হুজরার পর্দা তুলে দিলেন। লোকেরা এ সময় আবূ বাকরের পিছনে সালাতের কাতারে দাঁড়ানো ছিল। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! আর নুবুওয়াতের ধারা অবশিষ্ট থাকবে না। তবে মুসলিমরা সত্যস্বপ্ন দেখবে অথবা তাদের দেখানো হবে। সাবধান! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকু বা সাজদারত অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি। তোমরা রুকু অবস্থায় মহান প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত বর্ণনা করবে এবং সাজদারত অবস্থায় অধিক দু’আ পড়ার চেষ্টা করবে, কেননা তোমাদের দু'আ কবুল হওয়ার উপযোগী। হাদীসটি আবূ বকর (রহঃ) حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ বলে রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سعيد بن منصور، وابو بكر بن ابي شيبة وزهير بن حرب قالوا حدثنا سفيان بن عيينة، اخبرني سليمان بن سحيم، عن ابراهيم بن عبد الله بن معبد، عن ابيه، عن ابن عباس، قال كشف رسول الله صلى الله عليه وسلم الستارة والناس صفوف خلف ابي بكر فقال " ايها الناس انه لم يبق من مبشرات النبوة الا الرويا الصالحة يراها المسلم او ترى له الا واني نهيت ان اقرا القران راكعا او ساجدا فاما الركوع فعظموا فيه الرب عز وجل واما السجود فاجتهدوا في الدعاء فقمن ان يستجاب لكم
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ কক্ষের পর্দা সরিয়ে দিলেন এ সময় তিনি মৃত্যু শয্যায় ছিলেন। তার মাথা (কাপড় দিয়ে) বাধা ছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌছে দিয়েছি? এ কথা তিনি তিনবার বললেন। নুবুওয়াতের সুসংবাদ (ধারা) আর অবশিষ্ট থাকবে না। তবে ভাল স্বপ্ন অবশিষ্ট থাকবে। নেক বান্দারা তা দেখবে অথবা তাদেরকে দেখানো হবে। হাদীসের পরবর্তী বর্ণনা সুফইয়ানের বর্ণনার অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
قال ابو بكر حدثنا سفيان، عن سليمان، حدثنا يحيى بن ايوب، حدثنا اسماعيل بن جعفر، اخبرني سليمان بن سحيم، عن ابراهيم بن عبد الله بن معبد بن عباس، عن ابيه، عن عبد الله بن عباس، قال كشف رسول الله صلى الله عليه وسلم الستر وراسه معصوب في مرضه الذي مات فيه فقال " اللهم هل بلغت " . ثلاث مرات " انه لم يبق من مبشرات النبوة الا الرويا يراها العبد الصالح او ترى له " . ثم ذكر بمثل حديث سفيان
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... 'আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকূ’ বা সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني ابو الطاهر، وحرملة، قالا اخبرنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني ابراهيم بن عبد الله بن حنين، ان اباه، حدثه انه، سمع علي بن ابي طالب، قال نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم ان اقرا راكعا او ساجدا
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকূ’ এবং সাজদারত অবস্থায় কুরআনের আয়াত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة، عن الوليد، - يعني ابن كثير - حدثني ابراهيم بن عبد الله بن حنين، عن ابيه، انه سمع علي بن ابي طالب، يقول نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم عن قراءة القران وانا راكع او ساجد
আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু’-সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। আমি বলছি না "তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني ابو بكر بن اسحاق، اخبرنا ابن ابي مريم، اخبرنا محمد بن جعفر، اخبرني زيد بن اسلم، عن ابراهيم بن عبد الله بن حنين، عن ابيه، عن علي بن ابي طالب، انه قال نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القراءة في الركوع والسجود ولا اقول نهاكم
যুহারর ইবনু হারব ও ইসহাক (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয়তম (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রুকু’-সাজদার কিরাআত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا زهير بن حرب، واسحاق، قالا اخبرنا ابو عامر العقدي، حدثنا داود بن قيس، حدثني ابراهيم بن عبد الله بن حنين، عن ابيه، عن ابن عباس، عن علي، قال نهاني حبي صلى الله عليه وسلم ان اقرا راكعا او ساجدا