Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৩১ হাদিসসমূহ
আবূ কামিল জাহদারী ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীরা সবাই তার নিকট ছিলেন, তাদের মধ্যে কেউ বাদ ছিলেন না। এমন সময় ফাতিমাহ্ (রাযিঃ) আসলেন। তার চলার ভঙ্গি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চলার ধরণ থেকে একটুও আলাদা ছিল না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাকে দেখলেন তখন তিনি এ বলে খোশ-আমদেদ জানালেন, মারহাবা, হে আমার আদরের মেয়ে! তারপর তাকে তার ডানদিকে অথবা বামদিকে বসালেন এবং তার সঙ্গে চুপিসারে কিছু বললেন। এতে তিনি খুব কান্নাকাটি করলেন। যখন তিনি তার অস্থিরতা দেখলেন, তিনি আবার তার সাথে চুপেচুপে কিছু বললেন, তখন তিনি হেসে দিলেন। আমি তাকে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহধর্মিণীগণের উপস্থিতিতেই তোমার সাথে বিশেষভাবে কোন গোপন কথা বলেছেন। আবার তুমি কাঁদছ? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে গেলেন। আমি তাকে প্রশ্ন করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমার নিকট কি বলেছেন? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা প্রচার করবো না। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তিকাল হয়ে গেল তখন আমি তার উপর আমার অধিকারের কসম দিয়ে বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বলেছেন, আমাকে অবশ্যই বলতে হবে। তিনি বললেন, আচ্ছা, এখন তবে হ্যাঁ। প্রথমবার তিনি আমাকে গোপনে বললেন, জিবরীল (আঃ) প্রতি বছর একবার কি দু’বার আমাকে কুরআন তিলাওয়াত করান। এ বছর তিনি দু’বার পুনরাবৃত্তি করালেন, আমার ধারণা হয় আমার সময় সন্নিকটে এসে গেছে। তুমি আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্যধারণ করো। কারণ, আমি তোমার জন্য কত উত্তম পূর্বসুরী। তখন আমি কাঁদলাম, যা আপনি দেখেছেন। তারপর আমার অস্থিরতা দেখে তিনি দ্বিতীয়বার চুপিসারে বললেন, হে ফাতিমাহ! মু’মিন রমণীদের প্রধান ও এ উম্মাতের সকল মহিলাদের নেত্রী হওয়া কি তুমি অপছন্দ করো? ফাতিমাহ (রাযিঃ) বললেন, তখন আমি হাসলাম, আমার যে হাসি আপনি তা প্রত্যক্ষ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كامل الجحدري، فضيل بن حسين حدثنا ابو عوانة، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عايشة، قالت كن ازواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده لم يغادر منهن واحدة فاقبلت فاطمة تمشي ما تخطي مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم شييا فلما راها رحب بها فقال " مرحبا بابنتي " . ثم اجلسها عن يمينه او عن شماله ثم سارها فبكت بكاء شديدا فلما راى جزعها سارها الثانية فضحكت . فقلت لها خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين نسايه بالسرار ثم انت تبكين فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم سالتها ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت ما كنت افشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره . قالت فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم قلت عزمت عليك بما لي عليك من الحق لما حدثتني ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت اما الان فنعم اما حين سارني في المرة الاولى فاخبرني " ان جبريل كان يعارضه القران في كل سنة مرة او مرتين وانه عارضه الان مرتين واني لا ارى الاجل الا قد اقترب فاتقي الله واصبري فانه نعم السلف انا لك " . قالت فبكيت بكايي الذي رايت فلما راى جزعي سارني الثانية فقال " يا فاطمة اما ترضى ان تكوني سيدة نساء المومنين او سيدة نساء هذه الامة " . قالت فضحكت ضحكي الذي رايت
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সকল স্ত্রীগণ একত্রিত হলেন। তাদের মাঝে একজনও বাকী রইলেন না। তখন ফাতিমাহ্ (রাযিঃ) হেঁটে আসলেন। তার হাঁটার ধরণ যেন একেবারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চলার ন্যায়। তিনি বললেন, হে কন্যা! তোমাকে স্বাগতম। অতঃপর তিনি তাকে তার ডান পাশে অথবা বাম পাশে বসালেন এবং চুপিসারে কিছু কথা বললেন। এতে ফাতিমাহ্ (রাযিঃ) কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। এরপর তিনি তাকে চুপিসারে আবার কিছু বললেন, এতে তিনি হাসলেন। আমি তাকে বললাম, কিসে তোমাকে কাঁদাল? তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা প্রকাশ করতে পারি না। আমি বললাম, আমি আজকের ন্যায় কোন আনন্দকে বেদনার এতো কাছাকাছি দেখিনি। আমি বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাদ দিয়ে তোমাকে তার কথা বলার জন্য বিশেষত্ব দান করলেন। আর তুমি কাঁদছ? পুনরায় তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী বলেছেন, তা প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা ফাস করতে পারি না। পরিশেষে যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওফাত হলেন তখন আমি তাকে প্রশ্ন করলাম। তখন তিনি বললেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছিলেন, “জিবরীল (আঃ) প্রতি বছর একবার তার সাথে কুরআন তিলাওয়াত করতেন। আর এ বছর তিনি তাঁর সাথে দু'বার পুনরাবৃত্তি করেছেন। এতে আমার ধারণা হয় নিশ্চয় মৃত্যু আমার সন্নিকটে। আর তুমিই আমার পরিবার পরিজনদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমার সাথে মিলিত হবে। তোমার জন্য আমি কতই না উত্তম অগ্রগামী। তখন আমি কেঁদেছি। তারপর তিনি আমাকে চুপিসারে বললেন, তুমি মুমিনা নারীদের প্রধান কিংবা এ উম্মাতের নারীদের নেত্রী হবে তা কি পছন্দ করো না? এ কথা শুনে আমি হেসেছি।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وحدثنا عبد الله بن نمير، عن زكرياء، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا زكرياء، عن فراس، عن عامر، عن مسروق، عن عايشة، قالت اجتمع نساء النبي صلى الله عليه وسلم فلم يغادر منهن امراة فجاءت فاطمة تمشي كان مشيتها مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مرحبا بابنتي " . فاجلسها عن يمينه او عن شماله ثم انه اسر اليها حديثا فبكت فاطمة ثم انه سارها فضحكت ايضا فقلت لها ما يبكيك فقالت ما كنت لافشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقلت ما رايت كاليوم فرحا اقرب من حزن . فقلت لها حين بكت اخصك رسول الله صلى الله عليه وسلم بحديثه دوننا ثم تبكين وسالتها عما قال فقالت ما كنت لافشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم . حتى اذا قبض سالتها فقالت انه كان حدثني " ان جبريل كان يعارضه بالقران كل عام مرة وانه عارضه به في العام مرتين ولا اراني الا قد حضر اجلي وانك اول اهلي لحوقا بي ونعم السلف انا لك " . فبكيت لذلك ثم انه سارني فقال " الا ترضين ان تكوني سيدة نساء المومنين او سيدة نساء هذه الامة " . فضحكت لذلك
আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা কাইসী (রহঃ) ..... সালমান (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন। তিনি বলেন, তোমার পক্ষে যদি সম্ভব হয় তবে বাজারে প্রবেশকারীদের মাঝে তুমি প্রথম হয়ো না এবং সেখান থেকে বহির্গমনকারীদের মাঝে তুমি শেষ লোক হয়ো না। কেননা বাজার হলো শাইতানের আড্ডাখানা। আর সেখানেই সে তার ঝাণ্ডা উচু করে রাখে। সালমান (রাযিঃ) বলেন, আমাকে এ সংবাদও দেয়া হয়েছে যে, জিবরীল (আঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলেন। তখন তার পাশে উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) ছিলেন। জিবরীল (আঃ) কথা বলতে লাগলেন এবং পরে চলে গেলেন। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু সালামাহকে প্রশ্ন করলেন, ইনি কে ছিলেন? বা এমন কথা বললেন। উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) জবাব দিলেন, ইনি দিহয়াহ কালবী (রাযিঃ)। উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি তো তাকে দিহয়াহ কালবী বলেই মনে করেছিলাম। যে পর্যন্ত না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তৃতা শুনলাম। তিনি আমাদের কথা বলছিলেন, কিংবা এমন বলেছিলেন। অর্থাৎ- জিবরীল প্রবেশের বিবরণ দিচ্ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি রাবী আবূ উসামাহকে প্রশ্ন করলাম যে, আপনি এ হাদীস কার থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) হতে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد الاعلى بن حماد، ومحمد بن عبد الاعلى القيسي، كلاهما عن المعتمر، - قال ابن حماد حدثنا معتمر بن سليمان، - قال سمعت ابي، حدثنا ابو عثمان، عن سلمان، قال لا تكونن ان استطعت اول من يدخل السوق ولا اخر من يخرج منها فانها معركة الشيطان وبها ينصب رايته . قال وانبيت ان جبريل عليه السلام اتى نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده ام سلمة - قال - فجعل يتحدث ثم قام فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم لام سلمة " من هذا " . او كما قال قالت هذا دحية - قال - فقالت ام سلمة ايم الله ما حسبته الا اياه حتى سمعت خطبة نبي الله صلى الله عليه وسلم يخبر خبرنا او كما قال قال فقلت لابي عثمان ممن سمعت هذا قال من اسامة بن زيد
মাহমুদ ইবনু গাইলান আবূ আহমাদ (রহঃ) ..... উম্মুল মু'মিনীন আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে সর্বপ্রথম সে-ই আমার সঙ্গে দেখা হবে যার হাত অধিক লম্বা। অতএব সব স্ত্রীরা নিজ নিজ হাত মেপে দেখতে লাগলেন কার হাত অধিক লম্বা ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, পরিশেষে আমাদের মাঝে যাইনাবের হাতই সবচেয়ে লম্বা বলে ঠিক হলো। কেননা, তিনি হাত দ্বারা কাজ করতেন এবং দান করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمود بن غيلان ابو احمد، حدثنا الفضل بن موسى السيناني، اخبرنا طلحة بن يحيى بن طلحة، عن عايشة بنت طلحة، عن عايشة ام المومنين، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسرعكن لحاقا بي اطولكن يدا " . قالت فكن يتطاولن ايتهن اطول يدا . قالت فكانت اطولنا يدا زينب لانها كانت تعمل بيدها وتصدق
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু আইমানের নিকট গেলেন। আমিও তার সাথে গেলাম। তিনি তার দিকে একটি শরবতের পাত্র এগিয়ে দিলেন। আমি জানি না যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম পালন করছিলেন, না এমনিতেই তা ফিরিয়ে দিলেন। উম্মু আইমান (রাযিঃ) এতে চীৎকার শুরু করে উঠলেন এবং তার (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) উপর (শরবত পানে) চাপ দিতে লাগলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة، عن سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن انس، قال انطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم الى ام ايمن فانطلقت معه فناولته اناء فيه شراب - قال - فلا ادري اصادفته صايما او لم يرده فجعلت تصخب عليه وتذمر عليه
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তিকালের পর আবূ বকর (রাযিঃ) উমর (রাযিঃ)-কে বললেন, চলো উম্মু আইমানের নিকট যাই, তার সাথে দেখা করতে যাবো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাথে দেখা করতেন। যখন আমরা তার নিকট গেলাম, তখন তিনি কাঁদতে লাগলেন। তারা উভয়ে বললেন, তুমি কাঁদছ কেন? আল্লাহ তা'আলার নিকট যা কিছু আছে তা তার রসূলের জন্য সর্বাধিক উত্তম। উম্মু আইমান (রাযিঃ) বললেন, এজন্য আমি কাঁদছি না যে, আমি জানি না আল্লাহর কাছে যা কিছু আছে, তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য উত্তম বরং এজন্য আমি কাঁদছি যে, আকাশ হতে ওয়াহী আসা বন্ধ হয়ে গেল। উম্মু আইমানের এ কথা তাদেরকে কান্নাপ্লুত করে তুলল। অতএব তারাও তার সঙ্গে কাঁদতে শুরু করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، اخبرني عمرو بن عاصم الكلابي، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن انس، قال قال ابو بكر رضى الله عنه بعد وفاة رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمر انطلق بنا الى ام ايمن نزورها كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يزورها . فلما انتهينا اليها بكت فقالا لها ما يبكيك ما عند الله خير لرسوله صلى الله عليه وسلم . فقالت ما ابكي ان لا اكون اعلم ان ما عند الله خير لرسوله صلى الله عليه وسلم ولكن ابكي ان الوحى قد انقطع من السماء . فهيجتهما على البكاء فجعلا يبكيان معها
হাসান হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন স্ত্রীদের ব্যতীত অন্য কোন নারীর গৃহে ঢুকতেন না। কিন্তু উম্মু সুলায়মের নিকট যেতেন। লোকেরা এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বললেন, এর উপর আমার বড় মায়া হয়। আমার সাথে থেকে তার ভাই নিহত (শাহীদ) হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا حسن الحلواني، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا همام، عن اسحاق بن عبد، الله عن انس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم لا يدخل على احد من النساء الا على ازواجه الا ام سليم فانه كان يدخل عليها فقيل له في ذلك فقال " اني ارحمها قتل اخوها معي
ইবনু আবূ 'উমার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, সেখানে আমি কারও চলার আওয়াজ পেলাম। আমি প্রশ্ন করলাম, কে? লোকেরা বলল, তিনি আনাস ইবনু মালিকের মাতা গুমাইসা বিনতু মিলহান (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا بشر، - يعني ابن السري - حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " دخلت الجنة فسمعت خشفة فقلت من هذا قالوا هذه الغميصاء بنت ملحان ام انس بن مالك
আবূ জাফার মুহাম্মাদ ইবনু ফারাজ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে রিওয়ায়াত করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাকে জান্নাত দেখানো হয়েছে যে, আমি আবূ তালহার সহধর্মিণীকে দেখলাম। তারপর আমার সম্মুখে পদধ্বনি শুনতে পেলাম, লক্ষ্য করে দেখি তিনি বিলাল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو جعفر، محمد بن الفرج حدثنا زيد بن الحباب، اخبرني عبد العزيز، بن ابي سلمة اخبرنا محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اريت الجنة فرايت امراة ابي طلحة ثم سمعت خشخشة امامي فاذا بلال
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমুন (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তালহার ঔরসজাত উম্মু সুলায়মের একটি ছেলে মৃত্যুবরণ করল। তখন উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) তার পরিবার-পরিজনের ব্যক্তিদের বলল, আবূ তালহাকে তাঁর পুত্রের সংবাদ দিও না, যতক্ষণ আমি না বলি। আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) আসলেন। উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) রাতের খানা সম্মুখে নিয়ে আসলে তিনি খাবার খেলেন। এরপর উম্মু সুলায়ম আগের চাইতে ভাল মতো সাজগোজ করলেন। আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) তাঁর সঙ্গে মিলিত হলেন। যখন উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) দেখলেন যে, তিনি মিলনে পরিতৃপ্ত। তখন তাকে বললেন, হে আবূ তালহাহ! কেউ যদি কারো কোন জিনিস রাখতে দেয়, তারপর তা নিয়ে নেয় তবে কি সে তা ফিরাতে পারে? আবূ তালহাহ (রাযিঃ) বললেন, না। উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) বললেন, তাহলে তোমার ছেলের ব্যাপারে মনে কর (আল্লাহ তাকে নিয়ে নিয়েছেন)। আবূ তালুহাহ (রাযিঃ) রেগে গিয়ে বললেন, তুমি আমাকে আগে বলেনি, এখন আমি অপবিত্র, এখন ছেলের সংবাদটা দিলে। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে ছেলের যা ঘটেছে সব জানালেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের গত রাতটিতে আল্লাহ তা'আলা বারাকাত দিন। উম্মু সুলায়ম গর্ভবতী হলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে ছিলেন, উম্মু সুলায়মও এ সফরে তার সাথে ছিলেন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সফর হতে প্রত্যাবর্তন করতেন তখন রাতের বেলা মাদীনায় ঢুকতেন না। যখন লোকেরা মাদীনার কাছাকাছি পৌছলো তখন উম্মু সুলায়মের প্রসব বেদনা আরম্ভ হলো। আবূ তালহাহ (রাযিঃ) তার নিকট থেকে গেলেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে প্রতিপালক! তুমি তো জানো যে, আমার ভাল লাগে তোমার রসূলের সঙ্গে বের হতে যখন তিনি বের হন এবং তার সাথে প্রবেশ করত তখন তিনি প্রবেশ করেন। কিন্তু তুমি জানো, কেন আমি থেমে গেছি। উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) বললেন, হে আবূ তালহাহ! আগের মতো যাতনা আমার নেই। চলুন আমরা চলে যাই। স্বামী-স্ত্রী মাদীনায় পৌছলে উম্মু সুলায়মের ব্যথা আবার আরম্ভ হলো। আর তিনি একটি শিশু ছেলে প্রসব করলেন। আমার মা বললেন, হে আনাস! শিশুটিকে যেন কেউ দুধ না খাওয়ায়, যতক্ষণ তুমি তাকে ভোরবেলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে না যাও। সকাল হলে আমি সন্তানটিকে নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, তার হাতে উট দাগানোর যন্ত্র। আমাকে যখন তিনি দেখলেন, বললেন, হয়তো উম্মু সুলায়ম এ পুত্রটি প্রসব করেছে। আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি সে যন্ত্রটি হাত থেকে রেখে দিলেন। আমি শিশুটিকে নিয়ে তার কোলে রাখলাম। তিনি মাদীনার আজওয়া খেজুর আনালেন এবং নিজের মুখে দিয়ে চিবুলেন। যখন খেজুর গলে গেল, তখন শিশুটির মুখে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগল। আনাস (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দেখো আনসারদের খেজুর-প্রীতি। অবশেষে তিনি শিশুর মুখে হাত বুলিয়ে তার নাম 'আবদুল্লাহ' রাখলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০০, ইসলামিক সেন্টার)
আহমাদ ইবনু হাসান ইবনু খিরাশ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তালহার একটি পুত্র মৃত্যুবরণ করল ..... এর পরের অংশ উপরোল্লিখিত হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا احمد بن الحسن بن خراش، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا سليمان بن، المغيرة حدثنا ثابت، حدثني انس بن مالك، قال مات ابن لابي طلحة . واقتص الحديث بمثله
উবায়দ ইবনু ইয়াঈশ, মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল হামদানী ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভোরের সালাতের সময় বিলাল (রাযিঃ) কে বললেন, হে বিলাল! তুমি আমাকে বলো, ইসলামের মধ্যে তুমি এমন কোন আমল করেছো যার উপকারের বিষয়ে তোমার অধিক প্রত্যাশা। কারণ, আজ রাতে আমি জান্নাতে আমার সম্মুখে তোমার জুতার শব্দ শুনেছি। রাবী বলেন, বিলাল বললেন, ইসলামের মাঝে এর চেয়ে অধিক লাভের প্রত্যাশা আমি অন্য কোন আমলে করতে পারি না যে, আমি দিনে বা রাতে যখনই পূর্ণ ওযু করি তখনই আল্লাহ তা'আলা আমার ভাগ্যে যতক্ষণ লিখেছেন ততক্ষণ ঐ ওযু দিয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد بن يعيش، ومحمد بن العلاء الهمداني، قالا حدثنا ابو اسامة، عن ابي حيان، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا ابو حيان التيمي يحيى بن سعيد عن ابي زرعة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لبلال عند صلاة الغداة " يا بلال حدثني بارجى عمل عملته عندك في الاسلام منفعة فاني سمعت الليلة خشف نعليك بين يدى في الجنة " . قال بلال ما عملت عملا في الاسلام ارجى عندي منفعة من اني لا اتطهر طهورا تاما في ساعة من ليل ولا نهار الا صليت بذلك الطهور ما كتب الله لي ان اصلي
মিনজাব ইবনু হারিস আত তামীমী, সাহল ইবনু উসমান, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু যুরারাহ হাযরামী, সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ ও ওয়ালীদ ইবনু শুজা (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন, যখন এ আয়াত নাযিল হলো: "যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তাদের খাদ্য বস্তুর মধ্যে কোন অসুবিধা নেই, যখন তারা আল্লাহকে ভয় করে এবং মু'মিন হয়" ..... (সূরাহ্ আল মায়িদাহ ৫ঃ ৯৩) শেষ পর্যন্ত, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, "আমাকে বলা হয়েছে যে, তুমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا منجاب بن الحارث التميمي، وسهل بن عثمان، وعبد الله بن عامر بن، زرارة الحضرمي وسويد بن سعيد والوليد بن شجاع قال سهل ومنجاب اخبرنا وقال، الاخرون حدثنا علي بن مسهر، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال لما نزلت هذه الاية { ليس على الذين امنوا وعملوا الصالحات جناح فيما طعموا اذا ما اتقوا وامنوا} الى اخر الاية قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " قيل لي انت منهم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হান্যালী ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান হতে আসলাম। আমরা অনেকদিন পর্যন্ত 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) ও তার মাকে রসূল-পরিবারেরই লোক বলে ভেবেছি। কারণ তারা রসূলের নিকট ঘন ঘন যাতায়াত করতেন এবং তার কাছে অবস্থান করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم الحنظلي، ومحمد بن رافع، - واللفظ لابن رافع - قال اسحاق اخبرنا وقال ابن رافع، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا ابن ابي زايدة، عن ابيه، عن ابي اسحاق، عن الاسود بن يزيد، عن ابي موسى، قال قدمت انا واخي، من اليمن فكنا حينا وما نرى ابن مسعود وامه الا من اهل بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم من كثرة دخولهم ولزومهم له
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান হতে পদার্পণ করি ..... অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদীসে অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا اسحاق بن منصور، حدثنا ابراهيم بن يوسف، عن ابيه، عن ابي اسحاق، انه سمع الاسود، يقول سمعت ابا موسى، يقول لقد قدمت انا واخي، من اليمن . فذكر بمثله
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসলাম, আমার মনে হচ্ছিল যে, আবদুল্লাহ তারই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, কিংবা তিনি অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار قالوا حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن ابي اسحاق، عن الاسود، عن ابي موسى، قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا ارى ان عبد الله من اهل البيت . او ما ذكر من نحو هذا
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূল আহওয়াস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু মাসউদের ইন্তিকালের সময় আমি আবূ মাসউদ ও আবূ মূসার কাছে ছিলাম। তারা একজন অপরজনকে বললেন, কি মনে হয়, তার মতো আর কাউকে কি ছেড়ে গেছেন? অন্যজন বললেন, তুমি এ কথা বলছো, তার অবস্থায়ই এমন ছিল যে, যখন আমাদের বাধা দেয়া হতো তখনও তাকে অনুমতি দেয়া হতো; আমরা উপস্থিত থাকতাম না আর সে উপস্থিত থাকতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت ابا الاحوص، قال شهدت ابا موسى وابا مسعود حين مات ابن مسعود فقال احدهما لصاحبه اتراه ترك بعده مثله فقال ان قلت ذاك ان كان ليوذن له اذا حجبنا ويشهد اذا غبنا
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ..... আবূল আহওয়াস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদের সাথীদের একটি দলের সঙ্গে আবূ মূসার গৃহে ছিলাম। 'আবদুল্লাহ কতিপয় সাহাবীর সাথে তারা একটি কুরআন মাজীদ দেখছিলেন। আবদুল্লাহ উঠে দাঁড়ালেন। তখন আবূ মাসউদ বললেন, আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাব সম্বন্ধে দণ্ডায়মান লোকের চেয়ে অধিক পরিজ্ঞাত কোন লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেখে গেছেন বলে আমি জানি না। আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, যদি আপনি এ কথা বলেন তবে তার কারণ, তার অবস্থা এই ছিল যে, আমরা যখন উপস্থিত থাকতাম না তখন সে থাকতো উপস্থিত, আর যখন আমাদের বাধা দেয়া হতো, তখন তাকে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا قطبة، هو ابن عبد العزيز عن الاعمش، عن مالك بن الحارث، عن ابي الاحوص، قال كنا في دار ابي موسى مع نفر من اصحاب عبد الله وهم ينظرون في مصحف فقام عبد الله فقال ابو مسعود ما اعلم رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك بعده اعلم بما انزل الله من هذا القايم . فقال ابو موسى اما لين قلت ذاك لقد كان يشهد اذا غبنا ويوذن له اذا حجبنا
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... আবূল আহওয়াস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ মূসার কাছে আসলাম। তখন আবদুল্লাহ ও আবূ মূসাকে পেলাম ..... আবূ কুরায়ব সানাদে যায়দ ইবনু ওয়াহব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হুযাইফাহ্ ও আবূ মূসার সাথে উপবিষ্ট ছিলাম। তারপর হাদীসের অবশিষ্টাংশ রিওয়ায়াত করেছেন এবং কুতাইবাহ বর্ণিত হাদীস পরিপূর্ণ ও বেশি আস্থাশীল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني القاسم بن زكرياء، حدثنا عبيد الله، - هو ابن موسى - عن شيبان، عن الاعمش، عن مالك بن الحارث، عن ابي الاحوص، قال اتيت ابا موسى فوجدت عبد الله وابا موسى ح وحدثنا ابو كريب، حدثنا محمد بن ابي عبيدة، حدثنا ابي، عن الاعمش، عن زيد بن وهب، قال كنت جالسا مع حذيفة وابي موسى وساق الحديث وحديث قطبة اتم واكثر
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হান্যালী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, “আর যে লোক কোন কিছু আত্মসাৎ করবে কিয়ামতের দিন তা নিয়ে সে উপস্থিত হবে”— (সূরাহ আ-লি ইমরান ৩ঃ ১৬১)। তারপর বললেন, তোমরা আমাকে কার মতো তিলাওয়াতের কথা বলো? আমি তো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে সত্তরের উর্ধ্বে সূরা তিলাওয়াত করেছি। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবাগণ জানেন যে, আমি তাদের মাঝে কুরআন সম্বন্ধে সর্বাধিক জানি। যদি আমি জানতাম যে, আর কেউ আমার তুলনায় অধিক কুরআন জানে তবে আমি তার দিকে উটে সওয়ার হয়ে তার কাছে যেতাম। শাকীক (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের একাধিক বৈঠকে বসেছি। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদের এ কথাকে বাতিল করতে কাউকে শুনিনি এবং তার উপর দোষারোপ করতেও শুনিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬১০৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم الحنظلي، اخبرنا عبدة بن سليمان، حدثنا الاعمش، عن شقيق، عن عبد الله، انه قال { ومن يغلل يات بما غل يوم القيامة} ثم قال على قراءة من تامروني ان اقرا فلقد قرات على رسول الله صلى الله عليه وسلم بضعا وسبعين سورة ولقد علم اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم اني اعلمهم بكتاب الله ولو اعلم ان احدا اعلم مني لرحلت اليه . قال شقيق فجلست في حلق اصحاب محمد صلى الله عليه وسلم فما سمعت احدا يرد ذلك عليه ولا يعيبه
حدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا بهز، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن انس، قال مات ابن لابي طلحة من ام سليم فقالت لاهلها لا تحدثوا ابا طلحة بابنه حتى اكون انا احدثه - قال - فجاء فقربت اليه عشاء فاكل وشرب - فقال - ثم تصنعت له احسن ما كان تصنع قبل ذلك فوقع بها فلما رات انه قد شبع واصاب منها قالت يا ابا طلحة ارايت لو ان قوما اعاروا عاريتهم اهل بيت فطلبوا عاريتهم الهم ان يمنعوهم قال لا . قالت فاحتسب ابنك . قال فغضب وقال تركتني حتى تلطخت ثم اخبرتني بابني . فانطلق حتى اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره بما كان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بارك الله لكما في غابر ليلتكما " . قال فحملت - قال - فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر وهي معه وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اتى المدينة من سفر لا يطرقها طروقا فدنوا من المدينة فضربها المخاض فاحتبس عليها ابو طلحة وانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - يقول ابو طلحة انك لتعلم يا رب انه يعجبني ان اخرج مع رسولك اذا خرج وادخل معه اذا دخل وقد احتبست بما ترى - قال - تقول ام سليم يا ابا طلحة ما اجد الذي كنت اجد انطلق . فانطلقنا - قال - وضربها المخاض حين قدما فولدت غلاما فقالت لي امي يا انس لا يرضعه احد حتى تغدو به على رسول الله صلى الله عليه وسلم . فلما اصبح احتملته فانطلقت به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - فصادفته ومعه ميسم فلما راني قال " لعل ام سليم ولدت " . قلت نعم . فوضع الميسم - قال - وجيت به فوضعته في حجره ودعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعجوة من عجوة المدينة فلاكها في فيه حتى ذابت ثم قذفها في في الصبي فجعل الصبي يتلمظها - قال - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انظروا الى حب الانصار التمر " . قال فمسح وجهه وسماه عبد الله