Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৩১ হাদিসসমূহ
মানসুর ইবনু আবূ মুযাহিম (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রলেন, সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) ব্যতীত আর কারো জন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের মাতা-পিতা দুজনের উৎসর্গের কথা একত্রে বর্ণনা করেননি। উহুদ যুদ্ধের দিবসে তিনি সাদকে বলেছিলেন, তীর মারো, সা'দ। আমার পিতা-মাতা তোমার উপর উৎসর্গ হোন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০১৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا منصور بن ابي مزاحم، حدثنا ابراهيم، - يعني ابن سعد - عن ابيه، عن عبد الله بن شداد، قال سمعت عليا، يقول ما جمع رسول الله صلى الله عليه وسلم ابويه لاحد غير سعد بن مالك فانه جعل يقول له يوم احد " ارم فداك ابي وامي
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ কুরায়ব, ইসহাক হানযালী ও ইবনু আবূ উমর (রাযিঃ) আলী (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০১৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، ح حدثنا وكيع، ح وحدثنا ابو كريب، واسحاق الحنظلي، عن محمد بن بشر، عن مسعر، ح وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن مسعر، كلهم عن سعد بن ابراهيم، عن عبد الله بن شداد، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্, ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... সাদ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার জন্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পিতা ও মাতাকে একসাথে উৎসর্গ করেছেন উহুদ যুদ্ধের দিনে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০১৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن يحيى، - وهو ابن سعيد - عن سعيد، عن سعد بن ابي وقاص، قال لقد جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ابويه يوم احد
কুতাইবাহ ইবনু সা’ঈদ ইবনু রুমহ ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) …. ইহাইয়া ইবনু সা’ঈদ (রাযিঃ) এর সূত্রে এ সানাদেই রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০১৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وابن، رمح عن الليث بن سعد، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، كلاهما عن يحيى بن سعيد، بهذا الاسناد
(…/…) মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহুদ যুদ্ধের দিবসে তার জন্য নিজের পিতা ও মাতাকে একসাথে উৎসর্গ করেছিলেন। সা'দ (রাযিঃ) বলেন, মুশরিকদের এক ব্যক্তি মুসলিমদের উপর অগ্নিমূর্তি ধারণ করছিল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে সাদ! তীর নিক্ষেপ করো। আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গ হোক। আমি তাকে কেন্দ্র করে একটা তীর বের করলাম, যাতে ধারালো অংশটি ছিল না। ওটা তার পাজরে লাগতেই সে পড়ে গেল, এতে তার গুপ্তাঙ্গ উন্মোচিত হয়ে গেল। ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন; আমি তার মাড়ির দাঁত পর্যন্ত দেখতে পেলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০১৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن اسماعيل - عن بكير بن مسمار، عن عامر بن سعد، عن ابيه، ان النبي صلى الله عليه وسلم جمع له ابويه يوم احد . قال كان رجل من المشركين قد احرق المسلمين فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ارم فداك ابي وامي " . قال فنزعت له بسهم ليس فيه نصل فاصبت جنبه فسقط فانكشفت عورته فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى نظرت الى نواجذه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা'দ (রাযিঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণিত যে, তার সম্বন্ধে কুরআনের কতক আয়াত নাযিল হলো। তার মা কসম করে ফেলেছে যে, তিনি ইসলামকে যতক্ষণ অস্বীকার না করবেন ততক্ষণ তাঁর সঙ্গে কথা বলবে না, খাবেও না, পানও করবে না। সে বলল, আল্লাহ তা'আলা তোকে নির্দেশ করেছেন, পিতা-মাতার কথা মেনে চলতে। আর আমি তোর মা। আমি তোকে এ আদেশ করছি। মা তিন দিন পর্যন্ত কোন খাদ্য গ্রহণ করল না। যাতনায় সে অজ্ঞান হয়ে গেলে 'উমারাহ নামক তার এক পুত্র তাকে পানি পান করাল। মা সা'দের উপর বদদুআ করতে লাগল। তখন আল্লাহ তা’আলা কুরআন মাজীদে এ আয়াত নাযিল করলেনঃ “আমি মানুষকে আদেশ করেছি তার পিতামাতার প্রতি উত্তম আচরণ করতে। তবে ওরা যদি তোমার উপর শক্তি প্রয়োগ করে আমার সঙ্গে এমন কিছু শারীক করতে যার সম্বন্ধে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তুমি তাদের আনুগত্য করো না”— (সূরাহ্ আল আনকাবূত ২৯ঃ ৮)। “আর পৃথিবীতে তাদের সঙ্গে সম্ভাবে বসবাস করবে”- (সূরা আল লুকমান ৩১ঃ ১৫)। সা'দ বলেন, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বিপুল সংখ্যক যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আসলো। এতে একটি তরবারিও ছিল। আমি সেটা নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললাম, এ তরবারিটি আমাকে দিন। আর আমার অবস্থা কি তা আপনি জানেনই। তিনি বললেন, এটা যেখান থেকে নিয়েছো সেখানেই রেখে দাও। আমি গেলাম এবং ইচ্ছে করলাম যে, এটাকে ভাণ্ডারে রেখে দেই; কিন্তু আমার মন আমাকে বঞ্চনা করল। অমনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ফিরে আসলাম। বললাম, আমায় এটা দান করুন। তিনি উচ্চস্বরে বললেন, এটা যেখান থেকে এনেছো সেখানে রেখে দাও। তখন আল্লাহ তা'আলা নাযিল করলেনঃ “তারা আপনাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে"- (সূরা আল আনফাল ৮ঃ ১)। তিনি বলেন, আমি অসুস্থ বিধায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আসতে বললাম, তিনি আসলেন। আমি বললাম, আমাকে অনুমতি দান করুন, আমি যাকে ইচ্ছা তাকে আমার ধন-সম্পদ ভাগ করে দিয়ে দেই। তিনি অস্বীকার করলেন। আমি বললাম, তবে অর্ধেক ধন-সম্পদ দিয়ে দেই। তিনি তাও স্বীকৃতি দিলেন না। আমি বললাম, তবে তবে এক তৃতীয়াংশ সম্পদই দিয়ে দেই। তিনি চুপ হয়ে রইলেন। পরবর্তীতে এক তৃতীয়াংশ ধন-সম্পদ দান করাই অনুমোদিত হলো। সা'দ বলেন, একবার আমি আনসার ও মুহাজিরদের কতিপয় ব্যক্তির নিকট গেলাম। তারা আমাকে বলল, এসো তোমায় আমরা আহার করাব এবং মদ পান করাব। এ ঘটনা মদ হারাম হওয়ার পূর্বের। আমি তাদের নিকট একটি বাগিচায় গেলাম। সেখানে উটের মাথার গোশত ভুনা হয়েছিল আর মদের একটা মশক ছিল। আমি তাদের সাথে গোশত খেলাম এবং মদ পান করলাম। সেখানে মুহাজির ও আনসারগন আলোচনা কালে আমি বললাম, মুহাজিররা আনসারদের তুলনায় উত্তম। এক ব্যক্তি মাথার একটি হাড় দিয়ে আমাকে আঘাত করল। আমার নাকে যখম হয়ে গেল। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তা উল্লেখ করলাম। তখন আল্লাহ তা'আলা আমার সম্বন্ধে আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ "মদ, জুয়া, মূর্তিপূজার বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক তীর ঘৃণ্য বস্তু যা শাইতানের কাজ"- (সূরা আল-ময়িদাহ ৫ঃ ৯০)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২০, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমার সম্পর্কে চারটি আয়াত নাযিল হয়েছে। অতঃপর পূর্বোল্লিখিত হাদীসের অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করলেন। শু'বাহ কেবল এটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেন- “সা'দ (রাযিঃ) বলেন, মানুষেরা আমার মাকে খাবার খাওয়ানোর সময় একটি কাঠি দিয়ে তাঁর মুখ খুলত, পরে তার মুখে খাদ্য দিত।” এ বর্ণনায় এরূপ রয়েছে, "সাদের নাকে আঘাত হানল তাতে তার নাক ভেঙ্গে গেল। আর সাদের নাক ভাঙ্গাই ছিল"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن مصعب بن سعد، عن ابيه، انه قال انزلت في اربع ايات . وساق الحديث بمعنى حديث زهير عن سماك وزاد في حديث شعبة قال فكانوا اذا ارادوا ان يطعموها شجروا فاها بعصا ثم اوجروها . وفي حديثه ايضا فضرب به انف سعد ففزره وكان انف سعد مفزورا
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। "যারা তাদের প্রতিপালককে সকালে ও সন্ধ্যায় তার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আহ্বান করে তাদের আপনি বিতাড়িত করবেন না"- (সূরা আল আন’আম ৬ঃ ৫২)। এ আয়াতটি ছয় লোক সম্বন্ধে নাযিল হয়। তন্মধ্যে আমিও একজন ছিলাম এবং আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদও ছিলেন। মুশরিকরা বলত, এ ধরনের লোককে আপনি সঙ্গে রাখবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن المقدام بن شريح، عن ابيه، عن سعد، في نزلت { ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي} قال نزلت في ستة انا وابن مسعود منهم وكان المشركون قالوا له تدني هولاء
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। আমরা ছয় লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। মুশরিকরা বলল, আপনি এসব লোকদেরকে আপনার নিকট হতে বিতাড়িত করুন। যাতে তারা আমাদের মাঝে আগমনের সাহস না পায়। সা'দ (রাযিঃ) বলেন, তন্মধ্যে আমি, ইবনু মাসউদ, বানু হুযায়লের এক লোক, বিলাল এবং আরও দু’জন লোক ছিলাম, যাদের নাম আমি নিচ্ছি না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মনে আল্লাহ যা চাইলেন তা জাগল। তিনি মনে মনেই কথা বললেন। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ “যারা তাদের প্রতিপালককে সকালে ও সন্ধ্যায় তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আহবান করে তাদের আপনি বিতাড়িত করবেন না”— (সূরাহ আল আন’আম ৬ঃ ৫২)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن عبد الله الاسدي، عن اسراييل، عن المقدام بن شريح، عن ابيه، عن سعد، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ستة نفر فقال المشركون للنبي صلى الله عليه وسلم اطرد هولاء لا يجتريون علينا . قال وكنت انا وابن مسعود ورجل من هذيل وبلال ورجلان لست اسميهما فوقع في نفس رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله ان يقع فحدث نفسه فانزل الله عز وجل { ولا تطرد الذين يدعون ربهم بالغداة والعشي يريدون وجهه}
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকাদ্দামী, হামিদ ইবনু আমর বাবরাবী ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল আ'লা (রহঃ) .... আবূ উসমান (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরদের সঙ্গে যুদ্ধ করছিলেন, তখন কোন কোন দিন তালহাহ এবং সা'দ (রাযিঃ) ছাড়া আর কেউই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিল না। এটি তাদের দু'জনের বর্ণিত হাদীস। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، وحامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن عبد الاعلى، قالوا حدثنا المعتمر، - وهو ابن سليمان - قال سمعت ابي، عن ابي عثمان، قال لم يبق مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض تلك الايام التي قاتل فيهن رسول الله صلى الله عليه وسلم غير طلحة وسعد . عن حديثهما
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিবসে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের জিহাদের অনুপ্রেরণা দিলেন। যুবায়র (রাযিঃ) এর আহবানে সাড়া দিলেন। আবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডাকলেন। তখনও যুবায়রই সাড়া দিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় ডাকলেন। যুবায়রই সাড়া দিলেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রত্যেক নবীরই একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী থাকে, আর আমার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হলো যুবায়র। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، بن عبد الله قال سمعته يقول ندب رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس يوم الخندق فانتدب الزبير ثم ندبهم فانتدب الزبير ثم ندبهم فانتدب الزبير فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكل نبي حواري وحواري الزبير
আবূ কুরায়ব ও ইসহাক (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। হাদীসটি তিনি ইবনু উয়াইনার হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن هشام بن عروة، ح وحدثنا ابو كريب، واسحاق بن ابراهيم جميعا عن وكيع، حدثنا سفيان، كلاهما عن محمد بن المنكدر، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث ابن عيينة
ইসমাঈল ইবনু খলীল ও সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের দিবসে আমি এবং উমার ইবনু আবূ সালামাহ, হাসসান (ইবনু সাবিত) এর কিল্লায় নারীদের সঙ্গে ছিলাম। আমি দেখতাম কক্ষনো তিনি আমার দিকে ঝুঁকে পড়তেন আর কোন সময় আমি ঝুঁকে পড়তাম তিনি দেখতেন। আমার বাবাকে আমি চিনে ফেলতাম, যখন তিনি যুদ্ধাস্ত্রে সজ্জিত অবস্থায় ঘোড়ায় চড়ে বানু কুরাইযার দিকে যেতেন। অপর সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) বলেন, তারপর আমি বাবাকে এ কথা বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, পুত্র! তুমি আমায় দেখেছিলে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম সেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য তার পিতা-মাতা উভয়কে একত্রে উৎসর্গ করেছেন এবং বলেছেনঃ তোমার উপর আমার বাবা-মা কুরবান হোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسماعيل بن الخليل، وسويد بن سعيد، كلاهما عن ابن مسهر، قال اسماعيل اخبرنا علي بن مسهر، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عبد الله بن الزبير، قال كنت انا وعمر بن ابي سلمة، يوم الخندق مع النسوة في اطم حسان فكان يطاطي لي مرة فانظر واطاطي له مرة فينظر فكنت اعرف ابي اذا مر على فرسه في السلاح الى بني قريظة . قال واخبرني عبد الله بن عروة عن عبد الله بن الزبير قال فذكرت ذلك لابي فقال ورايتني يا بنى قلت نعم . قال اما والله لقد جمع لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يوميذ ابويه فقال " فداك ابي وامي
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খন্দকের দিবসে আমি এবং উমার ইবনু আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) ঐ কিল্লায় ছিলাম, যেখানে মহিলারা ছিলেন অর্থাৎ— নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহধর্মিণীগণ। এ সূত্রেই ইবনু মুসহির এর হাদীসের হুবহু হাদীস রিওয়ায়াত করেন। তবে আবদুল্লাহ ইবনু উরওয়াহর বর্ণনা হাদীসে হয়নি। কিন্তু হিশাম তার বাবার সূত্রে ইবনু যুবায়র হতে বর্ণিত হাদীসে এ কাহিনীটি উল্লেখ করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عبد الله بن الزبير، قال لما كان يوم الخندق كنت انا وعمر بن ابي سلمة في الاطم الذي فيه النسوة يعني نسوة النبي صلى الله عليه وسلم وساق الحديث بمعنى حديث ابن مسهر في هذا الاسناد ولم يذكر عبد الله بن عروة في الحديث ولكن ادرج القصة في حديث هشام عن ابيه عن ابن الزبير
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেরা পাহাড়ের উপর ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন আবূ বাকর, উমার, আলী, উসমান, তালহাহ ও যুবায়র (রাযিঃ)। সে সময় পাথরটি কেঁপে উঠল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ থাম! তোর উপর নবী, সিদ্দিক বা শহীদ ব্যতীত আর কেউ নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০২৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان على حراء هو وابو بكر وعمر وعثمان وعلي وطلحة والزبير فتحركت الصخرة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اهدا فما عليك الا نبي او صديق او شهيد
(…/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ ইবনু খুনায়স ও আহমাদ ইবনু ইউসুফ আযদী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেরা পাহাড়ের উপর ছিলেন, পাহাড় নড়ে উঠলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ শান্ত হও, হেরা! তোমার উপর নবী, সিদ্দীক বা শাহীদ ব্যতীত আর কেউ নয়। তখন এর উপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বাকর, উমার, উসমান, আলী, তালহাহ, যুবায়র ও সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৩০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن محمد بن يزيد بن خنيس، واحمد بن يوسف الازدي، قالا حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، حدثني سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن سهيل، بن ابي صالح عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان على جبل حراء فتحرك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسكن حراء فما عليك الا نبي او صديق او شهيد " . وعليه النبي صلى الله عليه وسلم وابو بكر وعمر وعثمان وعلي وطلحة والزبير وسعد بن ابي وقاص رضى الله عنهم
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রাযিঃ) ... হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে তাঁর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আয়িশাহ্ (রাযিঃ) আমাকে বললেন, আল্লাহর কসম! তোমার পিতা-মাতা ঐ সকল ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যাদের কথা এ আয়াতে বর্ণিত রয়েছে- "আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পর যারা আল্লাহ ও রসূলের আহবানে সাড়া দিয়েছেন"- (সূরা আ-লি ইমরান ৩ঃ ১৭২)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৩১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابن نمير، وعبدة، قالا حدثنا هشام، عن ابيه، قال قالت لي عايشة ابواك والله من الذين استجابوا لله والرسول من بعد ما اصابهم القرح
(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... হিশাম (রাযিঃ) থেকে একই সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি "অর্থাৎ- আবূ বাকর এবং যুবায়র" কথাটি অতিরিক্ত বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৩২, ইসলামিক সেন্টার, নেই)
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، بهذا الاسناد وزاد تعني ابا بكر والزبير
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ...... উরওয়াহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেন, “আল্লাহ ও রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আহানে যারা সাড়া দিয়েছেন আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও” তোমার দুই পূর্ব পুরুষ তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، حدثنا اسماعيل، عن البهي، عن عروة، قال قالت لي عايشة كان ابواك من الذين استجابوا لله والرسول من بعد ما اصابهم القرح
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সকল উম্মাতের একজন আমীন (বিশ্বস্ত) থাকে। আর হে উম্মাত! আমাদের আমীন হলেন আবূ উবাইদাহ ইবনু জাররাহ্ (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬০৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا اسماعيل ابن علية، عن خالد، ح وحدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل ابن علية، اخبرنا خالد، عن ابي قلابة، قال قال انس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان لكل امة امينا وان اميننا ايتها الامة ابو عبيدة بن الجراح
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا الحسن بن موسى، حدثنا زهير، حدثنا سماك بن حرب، حدثني مصعب بن سعد، عن ابيه، انه نزلت فيه ايات من القران - قال - حلفت ام سعد ان لا تكلمه ابدا حتى يكفر بدينه ولا تاكل ولا تشرب . قالت زعمت ان الله وصاك بوالديك وانا امك وانا امرك بهذا . قال مكثت ثلاثا حتى غشي عليها من الجهد فقام ابن لها يقال له عمارة فسقاها فجعلت تدعو على سعد فانزل الله عز وجل في القران هذه الاية { ووصينا الانسان بوالديه حسنا} { وان جاهداك على ان تشرك بي} وفيها { وصاحبهما في الدنيا معروفا} قال واصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم غنيمة عظيمة فاذا فيها سيف فاخذته فاتيت به الرسول صلى الله عليه وسلم فقلت نفلني هذا السيف فانا من قد علمت حاله . فقال " رده من حيث اخذته " . فانطلقت حتى اذا اردت ان القيه في القبض لامتني نفسي فرجعت اليه فقلت اعطنيه . قال فشد لي صوته " رده من حيث اخذته " . قال فانزل الله عز وجل { يسالونك عن الانفال} قال ومرضت فارسلت الى النبي صلى الله عليه وسلم فاتاني فقلت دعني اقسم مالي حيث شيت . قال فابى . قلت فالنصف . قال فابى . قلت فالثلث . قال فسكت فكان بعد الثلث جايزا . قال واتيت على نفر من الانصار والمهاجرين فقالوا تعال نطعمك ونسقيك خمرا . وذلك قبل ان تحرم الخمر - قال - فاتيتهم في حش - والحش البستان - فاذا راس جزور مشوي عندهم وزق من خمر - قال - فاكلت وشربت معهم - قال - فذكرت الانصار والمهاجرون عندهم فقلت المهاجرون خير من الانصار - قال - فاخذ رجل احد لحيى الراس فضربني به فجرح بانفي فاتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبرته فانزل الله عز وجل في - يعني نفسه - شان الخمر { انما الخمر والميسر والانصاب والازلام رجس من عمل الشيطان}