Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৩১ হাদিসসমূহ
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অবিকল বর্ণিত। আর তাদের অর্থাৎ- ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ, বাহয ও শাবাবাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেনঃ “আমার স্মরণে নেই যে, তিনি কি তার যুগের পরে দু' যুগ কিংবা তিন যুগের কথা বর্ণনা করেছেন কি না?” শাবাবাহ বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, আমি যাহদাম ইবনু মুদরাব হতে শুনেছি। তিনি আমার নিকটে ঘোড়ার পৃষ্ঠে সওয়ার হয়ে এক বিশেষ দরকারে এসেছিলেন। তারপর তিনি আমাকে হাদীস শুনান যে, তিনি ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) হতে শুনেছেন। আর ইয়াহইয়া ও বাহয বর্ণিত হাদীতে বর্ণনা রয়েছে- يَنْذُرُونَ وَلاَ يَفُونَ "তারা মানৎ করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে না।" আর বাহয বর্ণিত হাদীসে ইবনু জাফার এর বর্ণনানুযায়ী يُوفُونَ শব্দটির বর্ণনা রয়েছে। (শাব্দিক পার্থক্য থাকলেও হাদীসের মূল কথা একই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، ح وحدثنا عبد الرحمن بن بشر، العبدي حدثنا بهز، ح وحدثني محمد بن رافع، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، بهذا الاسناد . وفي حديثهم قال لا ادري اذكر بعد قرنه قرنين او ثلاثة . وفي حديث شبابة قال سمعت زهدم بن مضرب وجاءني في حاجة على فرس فحدثني انه سمع عمران بن حصين . وفي حديث يحيى وشبابة " ينذرون ولا يفون " . وفي حديث بهز " يوفون " . كما قال ابن جعفر
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক উমাবী (রহঃ) ... ইমরান ইবনু হুসায়নের সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীসটি বর্ণিত। এ বর্ণনায় রয়েছে, এ উম্মাতের সর্বোত্তম হলো তারাই, যাদের মাঝে আমি আদিষ্ট হয়েছি (অর্থাৎ- সহাবাগণ)। আবূ আওয়ানাহ্ বর্ণিত হাদীসে বর্ধিত রয়েছে যে, তিনি বলেন, আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত, তিনি তৃতীয়টি বর্ণনা করেছেন কিনা? ইমরান থেকে যাহদাম বর্ণিত হাদীসের অর্থানুসারে। কাতাদাহ্ (রহঃ) এর সানদে হিশাম বর্ণিত হাদীসে এতটুকু অতিরিক্ত রয়েছে যে, يَحْلِفُونَ وَلاَ يُسْتَحْلَفُونَ অর্থাৎ- “তারা শপথ করতে থাকবে কিন্তু তাদের নিকট শপথ চাওয়া হবে না।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، ومحمد بن عبد الملك الاموي، قالا حدثنا ابو عوانة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا معاذ بن هشام، حدثنا ابي كلاهما، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث " خير هذه الامة القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم " . زاد في حديث ابي عوانة قال والله اعلم اذكر الثالث ام لا . بمثل حديث زهدم عن عمران وزاد في حديث هشام عن قتادة " ويحلفون ولا يستحلفون
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও শুজা ইবনু মুখলাদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রশ্ন করল, সর্বোত্তম লোক কে? তিনি বললেনঃ সে যুগ, যাতে আমি আদিষ্ট হয়েছি। এরপর দ্বিতীয় যুগ, তারপর তৃতীয় যুগ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وشجاع بن مخلد، - واللفظ لابي بكر - قالا حدثنا حسين، - وهو ابن علي الجعفي - عن زايدة، عن السدي، عن عبد الله البهي، عن عايشة، قالت سال رجل النبي صلى الله عليه وسلم اى الناس خير قال " القرن الذي انا فيه ثم الثاني ثم الثالث
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জীবনের শেষ প্রান্তে একরাত্রে আমাদের সাথে ইশার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। তিনি সালাম ফিরে দাড়িয়ে বললেনঃ এ রাত্র সম্বন্ধে তোমরা কি ধারণা পোষণ করো? কারণ এর একশ’ বছরের মাথায় যারা আজ পৃথিবীর পৃষ্ঠে বিদ্যমান রয়েছে তাদের কেউ জীবিত থাকবে না। ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, তখন লোকেরা একশ' বছর সংশ্লিষ্ট এসব হাদীসের বর্ণনায় দ্বিধায় পড়ে গেল। অবশ্য রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "আজ যারা পৃথিবী পৃষ্ঠে বর্তমান আছে তাদের কেউ অবশিষ্ট থাকবে না" দ্বারা এ কথা বুঝাতে চেয়েছেন যে, যুগের পরিসমাপ্তি হয়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال محمد بن رافع حدثنا وقال عبد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، اخبرني سالم بن عبد الله، وابو بكر بن سليمان ان عبد الله بن عمر، قال صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات ليلة صلاة العشاء في اخر حياته فلما سلم قام فقال " ارايتكم ليلتكم هذه فان على راس ماية سنة منها لا يبقى ممن هو على ظهر الارض احد " . قال ابن عمر فوهل الناس في مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك فيما يتحدثون من هذه الاحاديث عن ماية سنة وانما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبقى ممن هو اليوم على ظهر الارض . احد يريد بذلك ان ينخرم ذلك القرن
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রাযিঃ) ..... মা'মার (রহঃ) হতে যুহরী (রহঃ) সূত্রে তার হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، اخبرنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، ورواه، الليث عن عبد الرحمن بن خالد بن مسافر، كلاهما عن الزهري، باسناد معمر كمثل حديثه
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও হাজ্জাজ রইবনু শাইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে তার ওফাতের এক মাস আগে বলতে শুনেছি যে, আমাকে তোমরা কিয়ামত সম্বন্ধে প্রশ্ন করছ, কিন্তু তার ইলম তো আল্লাহরই নিকট। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি যে, পৃথিবীতে এমন কোন ব্যক্তি নেই, যার উপর একশ' বছর পূরণ হবে। (অর্থাৎ আজ থেকে একশ' বছরের মাথায় বর্তমানে জীবিত ব্যক্তিরা বাকী থাকবে না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني هارون بن عبد الله، وحجاج بن الشاعر، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول قبل ان يموت بشهر " تسالوني عن الساعة وانما علمها عند الله واقسم بالله ما على الارض من نفس منفوسة تاتي عليها ماية سنة
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জের সূত্রে এ সানাদে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তিনি 'তার ইন্তিকালের এক মাস আগে' উক্তিটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، اخبرنا ابن جريج، بهذا الاسناد ولم يذكر قبل موته بشهر
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি তার ইন্তিকালের একমাস আগে বা অনুরূপ সময়ে বলেছেন যে, যেসব প্রাণী বর্তমান জীবিত আছে, তাদের উপর একশ’ বছর শেষ হতেই তারা আর অবশিষ্ট থাকবে না। ‘আস্ সিকায়াহ্ গ্রন্থকার আব্দুর রহমান (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অবিকল বর্ণিত হয়েছে। আবদুর রহমান (রহঃ) "আয়ুষ্কাল ক্ষীণ হয়ে গেছে" বলে উক্ত হাদীসের ব্যাখ্যা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني يحيى بن حبيب، ومحمد بن عبد الاعلى، كلاهما عن المعتمر، قال ابن حبيب حدثنا معتمر بن سليمان، قال سمعت ابي، حدثنا ابو نضرة، عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال ذلك قبل موته بشهر او نحو ذلك " ما من نفس منفوسة اليوم تاتي عليها ماية سنة وهى حية يوميذ " . وعن عبد الرحمن، صاحب السقاية عن جابر بن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ذلك وفسرها عبد الرحمن قال نقص العمر
(…) আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও সুলাইমান তাইমী (রহঃ) সবাই তার অবিকল রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا سليمان التيمي، بالاسنادين جميعا . مثله
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... অপর সানাদে আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুক যুদ্ধ হতে প্রত্যাবর্তন শেষে লোকেরা তাকে কিয়ামত সম্বন্ধে প্রশ্ন করল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ একশ’ বছর পরিসমাপ্তি হলে এখনকার কোন লোক আর অবশিষ্ট থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، حدثنا ابو خالد، عن داود، واللفظ، له ح وحدثنا ابو بكر بن ابي، شيبة حدثنا سليمان بن حيان، عن داود، عن ابي نضرة، عن ابي سعيد، قال لما رجع النبي صلى الله عليه وسلم من تبوك سالوه عن الساعة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تاتي ماية سنة وعلى الارض نفس منفوسة اليوم
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন প্রাণ (লোক) একশ' বছর পর্যন্ত পৌছবে না। তখন সালিম (রহঃ) বললেন, আমরা এ বিষয়টি তার (জাবির) নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেন, এ কথা দ্বারা আজ পর্যন্ত যে সকল নবজাতক পয়দা হয়েছে- সকলকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا ابو الوليد، اخبرنا ابو عوانة، عن حصين، عن سالم، عن جابر بن عبد الله، قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم " ما من نفس منفوسة تبلغ ماية سنة " . فقال سالم تذاكرنا ذلك عنده انما هي كل نفس مخلوقة يوميذ
ইয়াহইয়া ইবনু ইযাহ্ইয়া তামিমী, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীগণকে কুৎসা করো না। তোমরা আমার সাহাবীদের কুৎসা করবে না। সে সত্তার শপথ! যার হাতে আমার জীবন, তোমাদের মাঝে কেউ যদি উহুদ পর্বতের ন্যায় স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাদের কারোর এক মুদ কিংবা অর্ধ মুদের সমতুল্য হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وابو بكر بن ابي شيبة ومحمد بن العلاء قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي، هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تسبوا اصحابي لا تسبوا اصحابي فوالذي نفسي بيده لو ان احدكم انفق مثل احد ذهبا ما ادرك مد احدهم ولا نصيفه
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ও আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাযিঃ) এর মাঝে (অপ্রীতিকর) একটা কিছু ঘটেছিল। তখন খালিদ (রাযিঃ) তাকে গাল-মন্দ করেন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদের কাউকে গাল-মন্দ করবে না। কারণ, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পর্বতের সমতুল্য স্বর্ণ খরচ করে তবুও তাদের এক মুদ অথবা অর্ধ মুদের ন্যায় হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي، سعيد قال كان بين خالد بن الوليد وبين عبد الرحمن بن عوف شىء فسبه خالد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تسبوا احدا من اصحابي فان احدكم لو انفق مثل احد ذهبا ما ادرك مد احدهم ولا نصيفه
আবূ সাঈদ আশাজ্জ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... অপর সূত্রে উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... অন্য সূত্রে ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে জারীর ও আবূ মুআবিয়ার সানাদে তাদের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে শুবাহ্ ও ওয়াকী' এর হাদীসে 'আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) ও খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাযিঃ) এর বর্ণনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو سعيد الاشج، وابو كريب قالا حدثنا وكيع، عن الاعمش، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي ح، وحدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا ابن ابي عدي، جميعا عن شعبة، عن الاعمش، باسناد جرير وابي معاوية . بمثل حديثهما وليس في حديث شعبة ووكيع ذكر عبد الرحمن بن عوف وخالد بن الوليد
যুহায়র ইবনু হারব (রাযিঃ) ..... উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, কুফার একটি প্রতিনিধি দল উমর (রাযিঃ) এর কাছে আগমন করলো। তাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তিও ছিল, যে উওয়াইস (রহঃ) কে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত। তখন উমার (রাযিঃ) বললেন, এখানে কারানী গোষ্ঠীর কোন ব্যক্তি আছে কি? তখন সে লোকটি আসলো। এরপর উমর (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামান থেকে এক ব্যক্তি আগমন করবে, যে উওয়াইস নামে খ্যাত। ইয়ামানে তার মা ছাড়া আর কেউ থাকবে না। তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। সে আল্লাহর নিকট দু'আ করার পরিবর্তে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ দূর করে দেন। কিন্তু কেবল মাত্র এক দীনার কিংবা এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা অবশিষ্ট থাকে। তোমাদের মাঝখান থেকে কেউ যদি তার দেখা পায় সে যেন নিজের জন্য তার নিকট মাগফিরাতের দু'আ প্রার্থনা করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان بن المغيرة، حدثني سعيد الجريري، عن ابي نضرة، عن اسير بن جابر، ان اهل الكوفة، وفدوا، الى عمر وفيهم رجل ممن كان يسخر باويس فقال عمر هل ها هنا احد من القرنيين فجاء ذلك الرجل فقال عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قال " ان رجلا ياتيكم من اليمن يقال له اويس لا يدع باليمن غير ام له قد كان به بياض فدعا الله فاذهبه عنه الا موضع الدينار او الدرهم فمن لقيه منكم فليستغفر لكم
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, অবশ্যই তাবিঈনদের মধ্যে সে লোক শ্রেষ্ঠ যে উওয়াইস নামে খ্যাত। তার একমাত্র মা আছেন এবং তার কুষ্ঠরোগ হয়েছিল। তোমরা তার নিকট অনুরোধ করবে যেন সে তোমাদের মাগফিরাতের জন্য দু'আ কামনা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا حماد، - وهو ابن سلمة - عن سعيد الجريري، بهذا الاسناد عن عمر بن الخطاب، قال اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان خير التابعين رجل يقال له اويس وله والدة وكان به بياض فمروه فليستغفر لكم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... উসায়র ইবনু জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) এর অভ্যাস ছিল, যখন ইয়ামানের কোন সাহায্যকারী ফৌজ তার নিকট আসত তখন তিনি তাদের প্রশ্ন করতেন, তোমাদের মাঝে কি উওয়াইস ইবনু আমির রয়েছে? পরিশেষে তিনি উওয়াইসকে পান। তখন তিনি বললেন, তুমি কি উওয়াইস ইবনু আমির? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেন, মুরাদ গোষ্ঠীর কারান কাওমের? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জানতে চাইলেন, তোমার কি কুষ্ঠরোগ হয়েছিল এবং তা নিরাময় হয়েছে, শুধুমাত্র এক দিরহাম জায়গা ছাড়া? তিনি বললেন, হ্যাঁ। প্রশ্ন করলেন, তোমার মা আছেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন উমর (রাযিঃ) বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ “তোমাদের নিকট মুরাদ গোষ্ঠীর কারান বংশের উওয়াইস ইবনু আমির ইয়ামানের সাহায্যকারী দলের সাথে আসবে। তার কুষ্ঠরোগ ছিল। পরে তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। কেবলমাত্র এক দিরহাম ব্যতীত। তার মা রয়েছেন। সে তার প্রতি অতি সেবাপরায়ণ। এমন লোক আল্লাহর উপর শপথ করে নিলে আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। সুতরাং তুমি যদি তোমার জন্য তার নিকট মাগফিরাতের দু'আ প্রার্থনার সুযোগ পাও তাহলে তা করবে।” কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দুআ কামনা করুন। তখন উওয়াইস (রহঃ) তার মাগফিরাতের জন্য দু'আ প্রার্থনা করলেন। তারপর উমর (রাযিঃ) তাকে বললেন, তুমি কোথায় যেতে চাও? তিনি বললেন, কুফাহ অঞ্চলে। উমার (রাযিঃ) বললেন, আমি কি তোমার জন্য কুফার প্রশাসকের নিকট চিঠি লিখে দিব? তিনি বললেন, আমি বিনীত ও দারিদ্র্য-পীড়িত লোকদের মধ্যে অবস্থান করাই পছন্দ করি। রাবী বলেন, পরবর্তী বছরে তাদের অভিজাত লোকেদের মাঝে এক লোক হাজ্জ করতে আসলো এবং উমর (রাযিঃ) এর সাথে তার দেখা হলো। তখন তিনি তাকে উওয়াইস কারানী (রহঃ) এর অবস্থা সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। সে বলল, আমি তাকে নিঃস দরিদ্র অবস্থায় রেখে এসেছি। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের নিকট কারান বংশের মুরাদ গোত্রের উওয়াইস ইবনু আমির (রাযিঃ) ইয়ামানের একদল সাহায্যকারীর সাথে আসবে। তার ছিল কুষ্ঠরাগ। সে তা থেকে নিরাময় লাভ করে, এক দিরহাম পরিমাণ জায়গা ছাড়া। তার মা আছেন, সে তার অতি সেবাপরায়ণ। সে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে তাহলে আল্লাহ তা'আলা তা পূরণ করে দেন। তোমরা নিজের জন্য তার নিকট মাগফিরাতের দুআ কামনার সুযোগ পেলে তা করবে। সে লোক উওয়াইসের নিকট এসে বলল, আমার জন্য মাগফিরাত এর দুআ কামনা করুন। তিনি বললেন, আপনি তো নেক সফর থেকে সবেমাত্র এসেছেন। কাজেই আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দুআ প্রার্থনা করুন। সে লোক বলল, আপনি আমার জন্য মাগফিরাতের দু'আ কামনা করুন। উওয়াইস (রহঃ) বললেন, আপনি সদ্য নেক সফর করে এসেছেন, আপনি আমার মাগফিরাতের জন্য দুআ করুন। অতঃপর তিনি প্রশ্ন করলেন, আপনি কি উমার (রাযিঃ) এর দেখা পেয়েছেন? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি তার জন্য মাগফিরাতের দু'আ কামনা করলেন। তখন লোকেরা তার মর্যাদা সম্বন্ধে অবগত হলেন। এরপর তিনি তার সামনে চললেন। উসায়র বলেন, আমি তাকে একটি ডোরাদার চাদর পরিয়ে দিলাম। অতঃপর কোন লোক যখন তাকে দেখতো তখন জানতে চাইতো, উওয়াইসের নিকট এ চাদরটি কোথেকে আসলো? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬১, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ তাহির ও হারূন ইবনু সাঈদ আইলী (রহঃ) ..... আবূ যার গিফারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা এমন একটি ভূখণ্ড বিজয় লাভ করবে, সেখানে কীরাতের (দিরহাম বা দীনারের অংশবিশেষ) প্রচলন আছে। তোমর সেখানকার অধিবাসীদের সঙ্গে, সদাচরণ করবে। কেননা তোমাদের উপর তাদের প্রতি আছে যিম্মাদারী এবং আত্মীয়তা। তোমরা যদি সেখানে দু’ লোককে একটি ইটের জায়গার ব্যাপারে বিবাদ করতে দেখো তাহলে সেখান থেকে চলে এসো। রাবী বলেন, তারপর সুরাহবীল ইবনু হাসানার পুত্রদ্বয় রাবী'আহ ও আবদুর রহমানের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখলেন। তিনি তখন সেখান থেকে চলে আসলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، اخبرنا ابن وهب، اخبرني حرملة، ح وحدثني هارون بن، سعيد الايلي حدثنا ابن وهب، حدثني حرملة، - وهو ابن عمران التجيبي - عن عبد الرحمن، بن شماسة المهري قال سمعت ابا ذر، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انكم ستفتحون ارضا يذكر فيها القيراط فاستوصوا باهلها خيرا فان لهم ذمة ورحما فاذا رايتم رجلين يقتتلان في موضع لبنة فاخرج منها " . قال فمر بربيعة وعبد الرحمن ابنى شرحبيل بن حسنة يتنازعان في موضع لبنة فخرج منها
যুহায়র ইবনু হারব ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ যার গিফারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শীঘ্রই তোমরা মিশর বিজয় লাভ করবে। সেটা এমন একটি দেশ, যেখানে ‘কীরাত' নামে মুদ্রা খ্যাত। তোমরা যখন সে দেশ বিজয় লাভ করবে তখন সেখানকার অধিবাসীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে। কারণ তাদের জন্য দায়িত্ব ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। কিংবা তিনি বলেছেনঃ যিম্মাদারী ও বৈবাহিক সম্পর্ক রয়েছে। তোমরা যখন সেখানে দু’লোককে একটি ইটের স্থান নিয়ে বিবাদ করতে দেখবে তখন সেখান থেকে চলে আসবে। আবূ যার (রাযিঃ) বলেন, তারপর আমি যখন আবদুর রহমান ইবনু শুরাহবীল ইবনু হাসান ও তার ভাই রাবী’আকে একটি ইটের স্থান নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ করতে দেখলাম তখন আমি সেখান থেকে চলে আসলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي، سمعت حرملة المصري، يحدث عن عبد الرحمن بن شماسة، عن ابي بصرة، عن ابي، ذر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انكم ستفتحون مصر وهي ارض يسمى فيها القيراط فاذا فتحتموها فاحسنوا الى اهلها فان لهم ذمة ورحما " . او قال " ذمة وصهرا فاذا رايت رجلين يختصمان فيها في موضع لبنة فاخرج منها " . قال فرايت عبد الرحمن بن شرحبيل بن حسنة واخاه ربيعة يختصمان في موضع لبنة فخرجت منها
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ বারযাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোন এক আরব গোত্রের নিকট প্রেরণ করলেন। তারা তাকে গালি-গালাজ ও মারধর করল। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাকে কাহিনী বর্ণনা করল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বংশধরগণের নিকট যেতে তাহলে তারা তোমাকে গালিও দিত না এবং মারধরও করত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬২৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا مهدي بن ميمون، عن ابي الوازع، جابر بن عمرو الراسبي سمعت ابا برزة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا الى حى من احياء العرب فسبوه وضربوه فجاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو ان اهل عمان اتيت ما سبوك ولا ضربوك
حدثنا اسحاق بن ابراهيم الحنظلي، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا - واللفظ، لابن المثنى - حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن زرارة بن اوفى، عن اسير بن جابر، قال كان عمر بن الخطاب اذا اتى عليه امداد اهل اليمن سالهم افيكم اويس بن عامر حتى اتى على اويس فقال انت اويس بن عامر قال نعم . قال من مراد ثم من قرن قال نعم . قال فكان بك برص فبرات منه الا موضع درهم قال نعم . قال لك والدة قال نعم . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ياتي عليكم اويس بن عامر مع امداد اهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرا منه الا موضع درهم له والدة هو بها بر لو اقسم على الله لابره فان استطعت ان يستغفر لك فافعل " . فاستغفر لي . فاستغفر له . فقال له عمر اين تريد قال الكوفة . قال الا اكتب لك الى عاملها قال اكون في غبراء الناس احب الى . قال فلما كان من العام المقبل حج رجل من اشرافهم فوافق عمر فساله عن اويس قال تركته رث البيت قليل المتاع . قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ياتي عليكم اويس بن عامر مع امداد اهل اليمن من مراد ثم من قرن كان به برص فبرا منه الا موضع درهم له والدة هو بها بر لو اقسم على الله لابره فان استطعت ان يستغفر لك فافعل " . فاتى اويسا فقال استغفر لي . قال انت احدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي . قال استغفر لي . قال انت احدث عهدا بسفر صالح فاستغفر لي . قال لقيت عمر قال نعم . فاستغفر له . ففطن له الناس فانطلق على وجهه . قال اسير وكسوته بردة فكان كلما راه انسان قال من اين لاويس هذه البردة