Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫,৭৮৫ হাদিসসমূহ
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কাজকে জায়িয করলেন, অন্য কিছু লোক তো খারাপ মনে করল। এ কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পৌছলে তিনি রেগে গেলেন; এমনকি তার মুখায়বে রাগ প্রকাশ পেল। তখন তিনি বললেনঃ লোকদের কী হলো যে, আমার জন্য বৈধ একটা কাজে তারা আগ্রহ প্রকাশ করছে না। আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই আল্লাহ সম্পর্কে তাদের চেয়ে অধিক জানি এবং তাকে অধিক ভয় করি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عايشة، قالت رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم في امر فتنزه عنه ناس من الناس فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فغضب حتى بان الغضب في وجهه ثم قال " ما بال اقوام يرغبون عما رخص لي فيه فوالله لانا اعلمهم بالله واشدهم له خشية
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, আনসারদের জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে যুবায়র (রাযিঃ) এর সাথে পানি সেচের নালা নিয়ে বিতর্ক করল যা থেকে তারা খেজুর গাছে পানি দিত। আনসার ব্যক্তিটি বললেন, পানি ছেড়ে দাও, তা প্রবাহিত হতে থাকুক। যুবায়র (রাযিঃ) তা মানলেন না। শেষ অবধি সকলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে তর্ক করলে তিনি যুবায়রকে বললেন, হে যুবায়র! তোমার পানি নেয়া হলে তোমার প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও। সে সময় আনসার ব্যক্তিটি রাগাম্বিত স্বরে বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ! যুবায়র তো আপনার ফুফাতো ভাই। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারার রং পাল্টে গেলো। তিনি বললেন, হে যুবায়রা নিজের বৃক্ষগুলোকে পানি দাও এবং পানি আটকিয়ে রাখো, যে পর্যন্ত না পানি বাধ পর্যন্ত পৌছে যায়। যুবায়র (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমার ধারণা হয় এ আয়াত সে ব্যাপারেই নাযিল হয়ঃ "তোমার প্রতিপালকের কসম! ততক্ষণ পর্যন্ত তারা মু'মিন হতে পারবে না ....."— (সুরাহ আন নিসা ৪ঃ ৭৫)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، ان عبد الله بن الزبير، حدثه ان رجلا من الانصار خاصم الزبير عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في شراج الحرة التي يسقون بها النخل فقال الانصاري سرح الماء . يمر فابى عليهم فاختصموا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير " اسق يا زبير ثم ارسل الماء الى جارك " . فغضب الانصاري فقال يا رسول الله ان كان ابن عمتك فتلون وجه نبي الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " يا زبير اسق ثم احبس الماء حتى يرجع الى الجدر " . فقال الزبير والله اني لاحسب هذه الاية نزلت في ذلك { فلا وربك لا يومنون حتى يحكموك فيما شجر بينهم ثم لا يجدوا في انفسهم حرجا}
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া তুজীবী (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ও সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত। তারা দু’জনে বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলতেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন, আমি তোমাদের যা বারণ করেছি তা হতে বিরত থাকো এবং যা তোমাদের নির্দেশ করেছি তা যা সম্ভব পালন করো। কেননা, অধিক জিজ্ঞাসা ও স্বীয় নবীগণের সঙ্গে মতবিরোধ তোমাদের পূর্ববর্তীদের ধ্বংস করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، قالا كان ابو هريرة يحدث انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ما نهيتكم عنه فاجتنبوه وما امرتكم به فافعلوا منه ما استطعتم فانما اهلك الذين من قبلكم كثرة مسايلهم واختلافهم على انبيايهم
(…/…) মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن احمد بن ابي خلف، حدثنا ابو سلمة، - وهو منصور بن سلمة الخزاعي - اخبرنا ليث، عن يزيد بن الهاد، عن ابن شهاب، بهذا الاسناد مثله سواء
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তারা সবাই বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আমি তোমাদের জন্য যা ছেড়ে দিয়েছি তোমরাও আমাকে সে বিষয়ে ছেড়ে দাও” (অর্থাৎ সে বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করো না)। হাম্মাম (রহঃ) এর হাদীসে আছে, “যে বিষয়ে তোমাদের ছাড় দেয়া হয়েছে।” কারণ তোমাদের পূর্ববর্তীরা ধ্বংস হয়েছে, এরপর তারা আবূ হুরাইরাহ হতে যুহরী এবং আবূ সালামাহ্ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، ح وحدثنا ابن، نمير حدثنا ابي كلاهما، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا المغيرة يعني الحزامي، ح وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، كلاهما عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ح وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، سمع ابا هريرة، ح وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن ابي هريرة، كلهم قال عن النبي صلى الله عليه وسلم " ذروني ما تركتكم " . وفي حديث همام " ما تركتم فانما هلك من كان قبلكم " . ثم ذكروا نحو حديث الزهري عن سعيد وابي سلمة عن ابي هريرة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের মাঝে সর্বাধিক দোষী ঐসব লোক, যে এমন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে, যা মুসলিমদের জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ ছিল না। আর তার জিজ্ঞেস করার কারণে সে ব্যাপারটি মুসলিমদের উপর হারাম করে দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عامر بن، سعد عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اعظم المسلمين في المسلمين جرما من سال عن شىء لم يحرم على المسلمين فحرم عليهم من اجل مسالته
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু আবূ উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের মধ্যে সর্বাধিক অপরাধী মুসলিম সে-ই, যে মুসলিমদের জন্য যা অবৈধ নয়, এমন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে, আর সে ব্যাপারটি তার জিজ্ঞেস করার কারণে লোকদের উপর অবৈধ ঘোষণা দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، وابن ابي عمر، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، ح وحدثنا محمد بن عباد، حدثنا سفيان، قال - احفظه كما احفظ بسم الله الرحمن الرحيم - الزهري عن عامر بن سعد عن ابيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعظم المسلمين في المسلمين جرما من سال عن امر لم يحرم فحرم على الناس من اجل مسالته
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ইউনুস থেকে এবং আবদ ইবনু হুমায়দ মা'মার থেকে, উভয়ে উক্ত সানাদে যুহরী (রহঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন। তবে মা'মার এর হাদীসে যুহরীর রিওয়ায়াতে বর্ধিত আছে- “কোন লোক কোন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে এবং তৎসম্পর্কে অধিক জিজ্ঞেস করে”। ইবনু সা'দ (রহঃ) থেকে বর্ণিত ইউনুসের হাদীসে আছে যে, যুহরী (রহঃ) বলেছেন, তিনি আমির ইবনু সাদ হতে শুনেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنيه حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، ح وحدثنا عبد بن، حميد اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، بهذا الاسناد . وزاد في حديث معمر " رجل سال عن شىء ونقر عنه " . وقال في حديث يونس عامر بن سعد انه سمع سعدا
মাহমুদ ইবনু গাইলান, মুহাম্মাদ ইবনু কুদামাহ সুলামী এবং ইয়াহইয়া ইবনু মুহাম্মাদ লু'লুঈ (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার সাহাবীদের কোন কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পৌছল। তখন তিনি এক বক্তৃতা দিলেন এবং বললেনঃ আমার সামনে জান্নাত ও জাহান্নাম উপস্থিত করা হয়। আজকের মতো ভাল এবং মন্দ আমি আর কখনো দেখিনি। আমি যা জানতে পেরেছি, তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অবশ্যই খুবই কম হাসতে এবং বেশী কাঁদতে। আনাস (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের উপর এর চাইতে বিভীষিকাময় কোন দিন আর আসেনি। তারা নিজেদের মাথা আবৃত করল এবং তাদের ভেতর হতে কান্নার আওয়াজ আসতে লাগল। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তারপর উমার (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমরা সন্তুষ্টচিত্তে আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নবী হিসেবে মেনে নিলাম। অতঃপর এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা অমুক। তখন এ আয়াত নাযিল হলোঃ “হে মু’মিনগণ! তোমরা সেসব ব্যাপারে জিজ্ঞেস করো না, যা উন্মোচিত হলে তোমরা বেদনার্ত হবে”— (সূরাহ্ আল মায়িদাহ ৫ঃ ১০১)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمود بن غيلان، ومحمد بن قدامة السلمي، ويحيى بن محمد اللولوي، - والفاظهم متقاربة قال محمود حدثنا النضر بن شميل، وقال الاخران، اخبرنا النضر، - اخبرنا شعبة، حدثنا موسى بن انس، عن انس بن مالك، قال بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اصحابه شىء فخطب فقال " عرضت على الجنة والنار فلم ار كاليوم في الخير والشر ولو تعلمون ما اعلم لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا " . قال فما اتى على اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم اشد منه - قال - غطوا رءوسهم ولهم خنين - قال - فقام عمر فقال رضينا بالله ربا وبالاسلام دينا وبمحمد نبيا - قال - فقام ذاك الرجل فقال من ابي قال " ابوك فلان " . فنزلت { يا ايها الذين امنوا لا تسالوا عن اشياء ان تبد لكم تسوكم}
মুহাম্মাদ ইবনু মা'মার ইবনু রিব'বঈ কায়সী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা অমুক। আর তখনই নাযিল হয়ঃ হে মুমিনগণ! তোমরা সেসব ব্যাপারে জিজ্ঞেস করো না যা উন্মোচিত হলে তোমরা বেদনার্ত হবে”..... আয়াতের শেষাংশ পর্যন্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن معمر بن ربعي القيسي، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، اخبرني موسى بن انس، قال سمعت انس بن مالك، يقول قال رجل يا رسول الله من ابي قال " ابوك فلان " . ونزلت { يا ايها الذين امنوا لا تسالوا عن اشياء ان تبد لكم تسوكم} تمام الاية
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু হারমালাহ্ ইবনু ‘ইমরান তুজীবী (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য ঢলে যাওয়ার পর বের হলেন এবং লোকদের নিয়ে যুহরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। যখন সালাম ফিরালেন তখন মিম্বারে দাঁড়িয়ে কিয়ামতের আলোচনা করে বর্ণনা করলেন যে, এর পূর্বে বহু বড় বড় বিষয় ঘটবে। তারপর বললেনঃ তোমাদের মাঝে যে লোক আমাকে কোন ব্যাপারে জিজ্ঞেস করতে চায় সে যেন ঐ সম্বন্ধে আমাকে জিজ্ঞেস করে। আল্লাহর শপথ! যতক্ষণ পর্যন্ত আমি এ স্থানে রয়েছি ততক্ষণ তোমরা আমাকে যে বিষয়েই জিজ্ঞেস করবে আমি তা বলে দিব। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, এ কথা শুনে লোকেরা অনেক চিৎকার আরম্ভ করে দিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারবার বলতে থাকলেন, আমাকে জিজ্ঞেস করো। তখন আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহ (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমার পিতা কে? হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন; তোমার পিতা হুযাফাহ। তারপর যখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারবার বলতে থাকলেন, আমাকে জিজ্ঞেস করো। তখন উমার (রাযিঃ) হাঁটু গেড়ে বসে বললেন, সন্তুষ্টচিত্তে আমরা আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রসূল হিসেবে মেনে নিয়েছি। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, যখন উমার (রাযিঃ) এ কথা বললেন, তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেমে গেলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ বিপদ সন্নিকটবর্তী। মুহাম্মাদের জীবন যার হাতে তার শপথ! এ দেয়ালটির পাশে এখনই আমার সামনে জান্নাত ও জাহান্নাম দেখানো হয়েছে। অতএব, আজকের মতো ভাল এবং খারাবী আমি আর দেখিনি। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহ আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফার মা আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহকে বলেছেন, তোর চাইতে অধিক অবাধ্য কোন সন্তানের ব্যাপারে আমি শুনিনি। তুই কি এ কথা হতে নিশ্চিন্ত ছিলি যে, তোর মাও হয়ত এমন কোন পাপ করে বসেছে যা জাহিলী যুগের নারীরা করত, আর তুই তোর মাকে লোকদের সম্মুখে অপমান করতিস? আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফাহ (রাযিঃ) জবাবে বললেন, আল্লাহর শপথ আমাকে যদি একটা কালো হাবশীর সঙ্গেও সম্পর্কিত করতেন তাহলে আমি তা মেনে নিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯০৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى بن عبد الله بن حرملة بن عمران التجيبي، اخبرنا ابن، وهب اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج حين زاغت الشمس فصلى لهم صلاة الظهر فلما سلم قام على المنبر فذكر الساعة وذكر ان قبلها امورا عظاما ثم قال " من احب ان يسالني عن شىء فليسالني عنه فوالله لا تسالونني عن شىء الا اخبرتكم به ما دمت في مقامي هذا " . قال انس بن مالك فاكثر الناس البكاء حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم واكثر رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يقول " سلوني " . فقام عبد الله بن حذافة فقال من ابي يا رسول الله قال " ابوك حذافة " . فلما اكثر رسول الله صلى الله عليه وسلم من ان يقول " سلوني " . برك عمر فقال رضينا بالله ربا وبالاسلام دينا وبمحمد رسولا - قال - فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قال عمر ذلك ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اولى والذي نفس محمد بيده لقد عرضت على الجنة والنار انفا في عرض هذا الحايط فلم ار كاليوم في الخير والشر " . قال ابن شهاب اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة قال قالت ام عبد الله بن حذافة لعبد الله بن حذافة ما سمعت بابن قط اعق منك اامنت ان تكون امك قد قارفت بعض ما تقارف نساء اهل الجاهلية فتفضحها على اعين الناس قال عبد الله بن حذافة والله لو الحقني بعبد اسود للحقته
আবদ ইবনু হুমায়দ ও আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। উবাইদুল্লাহর হাদীসটিও এর সাথে রয়েছে, তবে শু'আয়ব যুহরীর সূত্রে তিনি আবদুল্লাহ থেকে, তিনি জনৈক আহলে ইলম থেকে শুনেছেন— ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফার মা ইউনুসের হাদীসের অনুরূপ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، ح وحدثنا عبد الله بن، عبد الرحمن الدارمي اخبرنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، كلاهما عن الزهري، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث وحديث عبيد الله معه غير ان شعيبا قال عن الزهري قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله قال حدثني رجل من اهل العلم ان ام عبد الله بن حذافة قالت بمثل حديث يونس
ইউসুফ ইবনু হাম্মাদ মা’নী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, লোকেরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করতে লাগল। এমনকি তারা তাকে প্রশ্ন করে জর্জরিত করে ফেলল, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এসে মিম্বারে দাড়িয়ে বললেনঃ আমাকে প্রশ্ন করো, যে কোন ব্যাপারে তোমরা আমাকে প্রশ্ন করবে, আমি অবশ্যই তোমাদের নিকট তা বর্ণনা করে দিব। লোকেরা এ কথা শুনে তাকে জিজ্ঞেস করা হতে মুখ বন্ধ রাখল এবং ঘাবড়িয়ে গেল, না জানি সামনে কোন ঘটনা সামনে এসে পড়ে। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি ডানে বামে দেখতে লাগলাম। সকল লোক স্ব স্ব মাথা আবৃত করে কান্নাকাটি করছিল। তখন মসজিদ হতে জনৈক ব্যক্তি উঠল যার সাথে ঝগড়া লাগলে তার পিতা ছাড়া অন্যের দিকে তাকে সম্পর্কিত করা হতো। সে বলল, হে আল্লাহর নবী! কে আমার পিতা? তিনি বললেন, তোমার পিতা হুযাফাহ। তারপর উমার (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, (আমরা আন্তরিকতার সাথে) আল্লাহকে রব, ইসলামকে দীন এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে রসূল হিসেবে মেনে নিলাম। আর আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি ফিতনার অকল্যাণ থেকে। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আজকের মতো ভাল এবং খারাপ আমি কক্ষনো দেখিনি। আমার সামনে জান্নাত ও জাহান্নামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তাই আমি উভয়টিকে এ দেয়ালের পাশে দেখতে পাই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يوسف بن حماد المعني، حدثنا عبد الاعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن انس بن مالك، ان الناس، سالوا نبي الله صلى الله عليه وسلم حتى احفوه بالمسالة فخرج ذات يوم فصعد المنبر فقال " سلوني لا تسالوني عن شىء الا بينته لكم " . فلما سمع ذلك القوم ارموا ورهبوا ان يكون بين يدى امر قد حضر . قال انس فجعلت التفت يمينا وشمالا فاذا كل رجل لاف راسه في ثوبه يبكي فانشا رجل من المسجد كان يلاحى فيدعى لغير ابيه فقال يا نبي الله من ابي قال " ابوك حذافة " . ثم انشا عمر بن الخطاب رضى الله عنه فقال رضينا بالله ربا وبالاسلام دينا وبمحمد رسولا عايذا بالله من سوء الفتن . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لم ار كاليوم قط في الخير والشر اني صورت لي الجنة والنار فرايتهما دون هذا الحايط
(…) ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব, মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আসিম ইবনু নাযর তাইমী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে এ বিবরণই রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد يعني ابن الحارث، ح وحدثنا محمد، بن بشار حدثنا محمد بن ابي عدي، كلاهما عن هشام، ح وحدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا معتمر، قال سمعت ابي قالا، جميعا حدثنا قتادة، عن انس، بهذه القصة
আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও মুহাম্মাদ ইবনু আলী হামদানী (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এমন কতক ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলো যা তিনি অপছন্দ করেন। যখন এ রকম প্রশ্ন বারবার করা হলো, তিনি রাগাম্বিত হয়ে লোকদেরকে বললেনঃ যা ইচ্ছে তোমরা আমাকে প্রশ্ন করো। জনৈক লোক বলল, আমার পিতা কে? তিনি বললেন, তোমার পিতা হুযাফাহ। আরেক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা কে? তিনি বললেন; তোমার পিতা শাইবার গোলাম সালিম। উমার (রাযিঃ) যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখমণ্ডলে রাগের লক্ষণ দেখতে পেলেন, তখন বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আল্লাহর নিকট তওবা করছি। আবূ কুরায়ব (রহঃ) এর বর্ণনায় (কেবল এটুকু) আছে, বলল, কে আমার পিতা, হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, তোমার পিতা শাইবার দাস সালিম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن براد الاشعري، ومحمد بن العلاء الهمداني، قالا حدثنا ابو اسامة عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال سيل النبي صلى الله عليه وسلم عن اشياء كرهها فلما اكثر عليه غضب ثم قال للناس " سلوني عم شيتم " . فقال رجل من ابي قال " ابوك حذافة " . فقام اخر فقال من ابي يا رسول الله قال " ابوك سالم مولى شيبة " . فلما راى عمر ما في وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم من الغضب قال يا رسول الله انا نتوب الى الله . وفي رواية ابي كريب قال من ابي يا رسول الله قال " ابوك سالم مولى شيبة
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ সাকাকী ও আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... তালহাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে খর্জুর (খেজুর) বৃক্ষের মাথায় দাঁড়ানো একদল লোকের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরা কি করছে? মানুষেরা বলল, এরা খেজুর গাছের পরাগায়ণ করছে। নরকে মাদীর (কেশর) সংমিশ্রণ করে, ফলে তা গর্ভ ধারণ করে। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার মনে হয় না এতে কোন লাভ হয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ বক্তব্য সহাবাদের নিকট পৌছলে তারা প্রজনন কর্ম থেকে বিরত থাকেন। তারপর এ সংবাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেয়া হলো। তিনি বললেন, এতে যদি তাদের লাভ হয়ে থাকে তবে তারা করুক। আমি তো ধারণাপ্রসূত এ কথা বলেছি। তাই তোমরা আমার অনুমানকে ধরে রেখো না। কিন্তু আমি যদি আল্লাহর তরফ হতে কোন কথা বলি, তবে সেটার উপর আমল করো। কারণ আমি আল্লাহর উপর কখনই মিথ্যা অপবাদ দেই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، وابو كامل الجحدري - وتقاربا في اللفظ وهذا حديث قتيبة - قالا حدثنا ابو عوانة عن سماك عن موسى بن طلحة عن ابيه قال مررت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بقوم على رءوس النخل فقال " ما يصنع هولاء " . فقالوا يلقحونه يجعلون الذكر في الانثى فيلقح . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما اظن يغني ذلك شييا " . قال فاخبروا بذلك فتركوه فاخبر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك فقال " ان كان ينفعهم ذلك فليصنعوه فاني انما ظننت ظنا فلا تواخذوني بالظن ولكن اذا حدثتكم عن الله شييا فخذوا به فاني لن اكذب على الله عز وجل
আবদুল্লাহ ইবনু রূমী ইয়ামামী, ‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল আযম আম্বারী ও আহমাদ ইবনু জাফার মাকিরী (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় আসলেন। সে সময় লোকেরা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ- খেজুর বৃক্ষকে পরাগায়ন করাত। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা কি করছ? তারা বলল, আমরা তো এমন করে আসছি। তিনি বললেন, (আমার মনে হয়) তোমরা এমন না করলেই ভাল হয়। তাই তারা তা ছেড়ে দিল। আর এতে করে খেজুর ঝরে পড়ল কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, তার উৎপাদন হ্রাস পেল। বর্ণনাকারী বলেন, মানুষেরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ ঘটনা ব্যক্ত করল। তখন তিনি বললেন, আমি তো একজন মানুষ মাত্র এতে কোন সন্দেহ নেই। দীনের ব্যাপারে যখন তোমাদের আমি কোন নির্দেশ দেই তোমরা তখন তা পালন করবে, আর যখন কোন কথা আমি আমার ধ্যান-ধারণা থেকে বলি, তখন (বুঝতে হবে) আমি একজন মানুষ মাত্র। বর্ণনাকারী ইকরামাহ্ (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ বলেছেন। আর মা'কিরী (রহঃ) নিঃসন্দেহে শুধু নাফাযাত’ (ঝরে পড়ল) বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن الرومي اليمامي، وعباس بن عبد العظيم العنبري، واحمد بن، جعفر المعقري قالوا حدثنا النضر بن محمد، حدثنا عكرمة، - وهو ابن عمار - حدثنا ابو النجاشي، حدثني رافع بن خديج، قال قدم نبي الله صلى الله عليه وسلم المدينة وهم يابرون النخل يقولون يلقحون النخل فقال " ما تصنعون " . قالوا كنا نصنعه قال " لعلكم لو لم تفعلوا كان خيرا " . فتركوه فنفضت او فنقصت - قال - فذكروا ذلك له فقال " انما انا بشر اذا امرتكم بشىء من دينكم فخذوا به واذا امرتكم بشىء من راى فانما انا بشر " . قال عكرمة او نحو هذا . قال المعقري فنفضت . ولم يشك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বিভিন্ন সানাদে আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যারা খেজুর বৃক্ষ তাবীর করত এদের কতক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, এটি যদি না করতে তাহলে তোমাদের ভাল হতো। লোকেরা বিরত থাকল। এতে চিটা খেজুর উৎপন্ন হলো। তারপরে কোন এক সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের খেজুর বৃক্ষের কি হলো? ব্যক্তিরা বলল, আপনি এরূপ এরূপ বলেছিলেন (সেটি করায় এমন হয়েছে)। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের দুনিয়াবী ব্যাপারে তোমরাই ভাল জানো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، كلاهما عن الاسود بن عامر، - قال ابو بكر حدثنا اسود بن عامر، - حدثنا حماد بن سلمة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، وعن ثابت، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم مر بقوم يلقحون فقال " لو لم تفعلوا لصلح " . قال فخرج شيصا فمر بهم فقال " ما لنخلكم " . قالوا قلت كذا وكذا قال " انتم اعلم بامر دنياكم
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আমাদের নিকট রিওয়ায়াত করেছেন, তার মাঝ হতে একটি হাদীস হলো এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন তার শপথ! তোমাদের উপর এমন এক মুহূর্ত আসবে যখন তোমরা আমার সাক্ষাৎ পাবে না; আর আমার সাক্ষাৎ লাভ তোমাদের নিকট তখন তোমাদের ধন-সম্পদ ও পরিবার-পরিজনের চেয়েও অধিক আকাক্ষার বস্তু হবে। আবূ ইসহাক বলেন, হাদীসের শব্দের মধ্যে কিছু তাকদীম ও তাখীর হয়েছে। আমার মতে, হাদীসের অর্থ হল "আমাকে তাদের সাথে দেখতে পাওয়াটা তাদের নিকট তাদের পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের চেয়ে অধিক প্রিয় হবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم . فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفس محمد في يده لياتين على احدكم يوم ولا يراني ثم لان يراني احب اليه من اهله وماله معهم " . قال ابو اسحاق المعنى فيه عندي لان يراني معهم احب اليه من اهله وماله وهو عندي مقدم وموخر
হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, আমি মারইয়ামের পুত্রের সর্বাধিক কাছাকাছি। নবীগণ একে অপরের ভাইয়ের মতো এবং আমার ও তার মাঝে কোন নবী নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৯১৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اناخبره ان ابا هريرة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " انا اولى الناس بابن مريم الانبياء اولاد علات وليس بيني وبينه نبي