Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫,৭৮৫ হাদিসসমূহ
(…) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আ’মাশ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি আমার সহচর, আমার সঙ্গী-উক্তিটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه عثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، عن جرير، عن الاعمش، بهذا الاسناد . ولم يذكر " اصحابي اصحابي
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম এবং ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) হতে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ..... পূর্বোল্লিখিত আ'মাশ (রহঃ) এর হাদীসের হুবহু রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু শু'বাহ্ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে মুগীরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে রয়েছে ... আমি আবূ ওয়ায়িল (রহঃ) কে বলতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، كلاهما عن جرير، ح وحدثنا ابن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، جميعا عن مغيرة، عن ابي وايل، عن عبد، الله عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحو حديث الاعمش وفي حديث شعبة عن مغيرة، سمعت ابا وايل،
(…/...) সাঈদ ইবনু আমর আশ'আসী ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ... হুযাইফাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মুগীরাহ ও আ’মাশ (রাযিঃ) এর বর্ণিত হাদীসের হুবহু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه سعيد بن عمرو الاشعثي، اخبرنا عبثر، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي، شيبة حدثنا ابن فضيل، كلاهما عن حصين، عن ابي وايل، عن حذيفة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث الاعمش ومغيرة
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু বাযী’ (রহঃ) ..... হারিসাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেন যে, তার হাওয মাদীনাহ এবং সান’আর মাঝামাঝি ব্যবধানের সমান। অতঃপর মুসতাওরিদ (রহঃ) তাকে বললেন, আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে পাত্রের ব্যাপারে আলোচনা শুনেছেন কি? হারিসাহ (রাযিঃ) উত্তর দিলেন, না। তখন মুসতাওরিদ (রহঃ) বললেন, সেখানে তারকার মতো পাত্রসমূহ লক্ষ্য করা যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن عبد الله بن بزيع، حدثنا ابن ابي عدي، عن شعبة، عن معبد، بن خالد عن حارثة، انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم قال " حوضه ما بين صنعاء والمدينة " . فقال له المستورد الم تسمعه قال " الاواني " . قال لا . فقال المستورد " ترى فيه الانية مثل الكواكب
ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু 'আর'আরাহ (রহঃ) ..... হারিসাহ ইবনু ওয়াহব খুযা'ঈ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি এবং তিনি অবিকলরূপে হাওযের বিবরণ দিলেন। কিন্তু তিনি মুসতাওরিদ ও তার উক্তির বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابراهيم بن محمد بن عرعرة، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا شعبة، عن معبد بن خالد، انه سمع حارثة بن وهب الخزاعي، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول . وذكر الحوض بمثله ولم يذكر قول المستورد وقوله
আবূ রাবী যাহরানী এবং আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের সম্মুখে একটি হাওয থাকবে যার উভয় দিকের ব্যবধান হবে জারবা ও আযরুহার মাঝামাঝি জায়গার সমান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو الربيع الزهراني، وابو كامل الجحدري قالا حدثنا حماد، - وهو ابن زيد - حدثنا ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان امامكم حوضا ما بين ناحيتيه كما بين جربا واذرح
(…/...) যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের সম্মুখে এমন একটি হাওয থাকবে যার প্রশস্ততা জারবা এবং আযরূহার মাঝামাঝি ব্যবধানের সমান। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনা মতে, ‘আমার 'হাওয' বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالوا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، اخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان امامكم حوضا كما بين جربا واذرح " . وفي رواية ابن المثنى " حوضي
(…/...) ইবনু নুমায়র ও আবূ বাকর (রহঃ) উভয়ে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত হাদীসের হুবহু হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে উবাইদুল্লাহ (রহঃ) বর্ধিত রিওয়ায়াত করেন। উবাইদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি তাকে [নাফি' (রহঃ)-কে] (জারবা ও আযরূহা সম্বন্ধে) জিজ্ঞেস করলাম, তখন তিনি বললেন, শাম (সিরিয়া) দেশের সন্নিকটে দুটি গ্রামের নাম, উভয়ের মধ্যবর্তী ব্যবধান তিন রাতের রাস্তার সমান দূরত্ব। আর ইবনু বিশরের বর্ণনাতে তিন দিনের রাস্তা'। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي ح، وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن، بشر قالا حدثنا عبيد الله، بهذا الاسناد . مثله وزاد قال عبيد الله فسالته فقال قريتين بالشام بينهما مسيرة ثلاث ليال . وفي حديث ابن بشر . ثلاثة ايام
সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদ (রহঃ) ..... এর বর্ণনা মতে, ইবনু উমার (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উবাইদুল্লাহর বর্ণিত হাদীসের হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني سويد بن سعيد، حدثنا حفص بن ميسرة، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثل حديث عبيد الله
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... আবদুল্লাহ (রাযি) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের সম্মুখে একটা হাওয হবে যার প্রশস্ততা জারবা ও আযরূহার মাঝামাঝি ব্যবধানের সমান। সেখানে আকাশে তারকার ন্যায় অনেক পাত্র থাকবে। যে লোক এখানে এসে ঐ হাওযের পানি পান করবে, পরবর্তীতে সে কক্ষনো তৃষ্ণার্ত হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني عمر بن محمد، عن نافع، عن عبد الله، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان امامكم حوضا كما بين جربا واذرح فيه اباريق كنجوم السماء من ورده فشرب منه لم يظما بعدها ابدا
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ যার গিফারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রশ্ন করেছি, হে আল্লাহর রসূল! হাওযের পাত্র কত হবে? তিনি বললেন, যার কবজায় আমার জীবন তার শপথ! সে হাওযের পাত্র মেঘবিহীন আঁধার রাতের আকাশের নক্ষত্র ও তারকারাজির চাইতেও বেশী। সে সব পাত্র জান্নাতেরই পাত্র। যে ঐ পাত্র হতে পান করবে শেষ পর্যন্ত আর তৃষ্ণার্ত হবে না। ঐ হাওযের মধ্যে জান্নাত হতে প্রবাহিত দু’টো নালার সংমিশ্রণ রয়েছে। যে লোক ঐ হাওয হতে পান করবে সে আর তৃষ্ণার্ত হবে না, সে হাওযের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান হবে। সে হাওযের প্রশস্থতা আম্মান থেকে আয়লার মাঝামাঝি ব্যবধানের সমতুল্য। তার পানি দুধের চেয়েও সাদা এবং মধুর চেয়েও বেশি মিষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، وابن ابي عمر المكي، - واللفظ لابن ابي شيبة - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا عبد العزيز بن عبد، الصمد العمي عن ابي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قلت يا رسول الله ما انية الحوض قال " والذي نفس محمد بيده لانيته اكثر من عدد نجوم السماء وكواكبها الا في الليلة المظلمة المصحية انية الجنة من شرب منها لم يظما اخر ما عليه يشخب فيه ميزابان من الجنة من شرب منه لم يظما عرضه مثل طوله ما بين عمان الى ايلة ماوه اشد بياضا من اللبن واحلى من العسل
(…) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) বর্ণনা করেন ..... সাওবান (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাওযের হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তারপর তিনি ইয়াহইয়া ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) কে বললেন, আমি আবূ আওয়ানাহ্ (রাযিঃ) হতেও এ হাদীস শুনেছি। ইয়াহইয়া ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) বললেন, আমি শু'বাহ্ (রাযিঃ) হতে এ হাদীস শুনেছি। তারপর আমি বললাম যে, আপনি এ হাদীস সম্বন্ধে আমাকে একটু সময় দিন, তিনি আমাকে সময় দিলেন এবং আমাকে হাদীসটি শুনালেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن حماد، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن سالم، بن ابي الجعد عن معدان، عن ثوبان، عن النبي صلى الله عليه وسلم حديث الحوض فقلت ليحيى بن حماد هذا حديث سمعته من ابي عوانة فقال وسمعته ايضا من شعبة فقلت انظر لي فيه فنظر لي فيه فحدثني به
আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম জুমাহী (রহঃ) .... আবূ হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি আমার হাওয থেকে কতক সংখ্যক ব্যক্তিকে সরিয়ে দেব, যেরূপে অচেনা উটকে সরিয়ে দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الرحمن بن سلام الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد بن زياد، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لاذودن عن حوضي رجالا كما تذاد الغريبة من الابل
(…/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বেকার হাদীসের হুবহু হাদীস বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنيه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن محمد بن زياد، سمع ابا هريرة، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ উসামাহ্ (রহঃ) ..... সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উহুদ যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ডানে এবং বামে দু’ লোককে দেখতে পাই তাদের গায়ে সাদা পোশাক ছিল। এর আগে বা পরে আমি তাদেরকে আর কক্ষনো দেখিনি। আসলে তারা ছিলেন জিবরীল ও মীকাঈল (আঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৭৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، وابو اسامة عن مسعر، عن سعد بن ابراهيم، عن ابيه، عن سعد، قال رايت عن يمين، رسول الله صلى الله عليه وسلم وعن شماله يوم احد رجلين عليهما ثياب بياض ما رايتهما قبل ولا بعد . يعني جبريل وميكاييل عليهما السلام
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ডানে ও বামে দু’ লোককে দেখতে পাই, যাদের গায়ে ছিল সাদা বস্ত্র। তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষে কঠিনভাবে যুদ্ধ করছিলেন। এর আগে ও পরে আমি তাদের দেখিনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا ابراهيم، بن سعد حدثنا سعد، عن ابيه، عن سعد بن ابي وقاص، قال لقد رايت يوم احد عن يمين، رسول الله صلى الله عليه وسلم وعن يساره رجلين عليهما ثياب بيض يقاتلان عنه كاشد القتال ما رايتهما قبل ولا بعد
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী, সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ রাবী' আতাকী ও আবূ কামিল (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব লোকের মাঝে অতি সুন্দর, অতি দানশীল এবং শ্রেষ্ঠ বীর ছিলেন। কোন এক রাত্রে মাদীনাবাসীরা ভীত হয়ে পড়েছিল। অতঃপর যেদিক থেকে শব্দ আসছিল, লোকেরা সেদিকে ছুটে চলল। রাস্তায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তাদের দেখা হয়, তখন তিনি ফিরে আসছিলেন। কারণ শব্দের দিকে প্রথম তিনিই দৌড়ে গিয়েছিলেন। তখন তিনি আবূ তালহাহ (রাযিঃ) এর গদিবিহীন ঘোড়ায় চড়ে ছিলেন। তার কাঁধে তলোয়ার ছিল। তিনি বলছিলেন, তোমরা শঙ্কিত হয়ো না, তোমরা শঙ্কিত হয়ে না। তিনি আরো বললেনঃ আমি এ ঘোড়াকে পেয়েছি সমুদ্রের মতো। কিংবা বললেন, এ তো সমুদ্র। ইতোপূর্বে এ ঘোড়ার গতি ছিল ক্ষীণ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وسعيد بن منصور، وابو الربيع العتكي، وابو كامل - واللفظ ليحيى - قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا - حماد بن زيد، عن ثابت، عن انس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم احسن الناس وكان اجود الناس وكان اشجع الناس ولقد فزع اهل المدينة ذات ليلة فانطلق ناس قبل الصوت فتلقاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم راجعا وقد سبقهم الى الصوت وهو على فرس لابي طلحة عرى في عنقه السيف وهو يقول " لم تراعوا لم تراعوا " . قال " وجدناه بحرا او انه لبحر " . قال وكان فرسا يبطا
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সময় মদীনায় ভয়ের কারণ সৃষ্টি হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) এর একটি ঘোড়া চেয়ে নিলেন। এটিকে 'মানদূব' বলা হত। তিনি তার উপর সওয়ার হলেন। অতঃপর বললেন, আমি ঘাবড়ানোর কোন কারণ দেখতে পাইনি। আর এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মতো পেয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن قتادة، عن انس، قال كان بالمدينة فزع فاستعار النبي صلى الله عليه وسلم فرسا لابي طلحة يقال له مندوب فركبه فقال " ما راينا من فزع وان وجدناه لبحرا
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) থেকে উপরোক্ত সূত্রে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেন। ইবনু জাফারের হাদীসে আমাদের ঘোড়ার কথা বলা হয়েছে, আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) এর কথা বলা হয়নি। কাতাদাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে খালিদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে বলা হয়েছে, আমি আনাস (রাযিঃ) হতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنيه يحيى بن حبيب، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - قالا حدثنا شعبة، بهذا الاسناد وفي حديث ابن جعفر قال فرسا لنا . ولم يقل لابي طلحة . وفي حديث خالد عن قتادة سمعت انسا
মানসূর ইবনু আবূ মুযাহিম ও আবূ ইমরান মুহাম্মাদ ইবনু জাফার ইবনু যিয়াদ (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মাঝে দানশীলতায় সবচেয়ে বেশী অগ্রগামী ছিলেন। তবে রমযান মাসে তিনি আরো অধিক দানশীল হতেন। কারণ জিবরীল (আঃ) প্রতি বছর রমযান মাসে তার সাথে দেখা করতেন। রমযান শেষ হওয়া পর্যন্ত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্মুখে কুরআন পাঠ করে শোনাতেন। যখন জিবরীল (আঃ) তার সাথে দেখা করতেন তখন তিনি বিক্ষিপ্ত বাতাসের চাইতেও বেশি দানশীল হতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৮০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا منصور بن ابي مزاحم، حدثنا ابراهيم، - يعني ابن سعد - عن الزهري، ح وحدثني ابو عمران، محمد بن جعفر بن زياد - واللفظ له - اخبرنا ابراهيم، عن ابن، شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن ابن عباس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اجود الناس بالخير وكان اجود ما يكون في شهر رمضان ان جبريل عليه السلام كان يلقاه في كل سنة في رمضان حتى ينسلخ فيعرض عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم القران فاذا لقيه جبريل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اجود بالخير من الريح المرسلة