Loading...

Loading...
বইসমূহ
২১৬ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক লোক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদরাময় হচ্ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধুপান করালো। তারপর এসে বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু তার পীড়া আরও বেড়ে গেছে। তিনি এভাবে তাকে তিনবার বললেন। অতঃপর লোকটি চতুর্থবার এসে বললে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে মধু পান করাও। লোকটি বলল, মধুপান করিয়েছি কিন্তু উদরাময় ক্রমশই বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহই সত্য বলেছেন, তোমার ভাইয়ের পেটের যন্ত্রণাটি মিথ্যা। অতঃপর পুনরায় তাকে পান করালে সুস্থ হয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن ابي المتوكل، عن ابي سعيد الخدري، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ان اخي استطلق بطنه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسقه عسلا " . فسقاه ثم جاءه فقال اني سقيت��ه عسلا فلم يزده الا استطلاقا . فقال له ثلاث مرات ثم جاء الرابعة فقال " اسقه عسلا " . فقال لقد سقيته فلم يزده الا استطلاقا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدق الله وكذب بطن اخيك " . فسقاه فبرا
(…/...) আমর ইবনু যুররাহ্ (রহঃ) ….. আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, জনৈক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, আমার ভাইয়ের উদরাময় হয়েছে। তিনি বললেন, তাকে মধু পান করাও। ... হাদীসের বাকী অংশটুকু শু’বাহ বর্ণিত হাদীসের অর্থেই বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنيه عمرو بن زرارة، اخبرنا عبد الوهاب، - يعني ابن عطاء - عن سعيد، عن قتادة، عن ابي المتوكل الناجي، عن ابي سعيد الخدري، ان رجلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ان اخي عرب بطنه . فقال له " اسقه عسلا " . بمعنى حديث شعبة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি তার আব্বা সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) কে এ মর্মে প্রশ্ন করতে শুনেছেন যে, আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্লেগ সম্বন্ধে কি শুনেছেন? তখন উসামাহ্ (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্লেগ একটি আযাব যা বনী ইসরাঈল অথবা (বর্ণনা সংশয়) যারা তোমাদের আগে ছিল তাদের উপরে প্রেরণ করা হয়েছিল। অতএব তোমরা কোন মহল্লায় প্লেগের ব্যাপারে শুনলে সেখানে যেও না। আর কোন এলাকায় প্লেগ চোখে পড়লে এবং তোমরা সেখানে অবস্থানরত থাকলে সেখান হতে বের হয়ে যাবে না। বর্ণনাকারী আবূ নাযর (রহঃ) বলেছেন, শুধু পলায়নের লক্ষ্যে সে জায়গা ছেড়ে যেও না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن محمد بن المنكدر، وابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن ابي وقاص، عن ابيه، انه سمعه يسال، اسامة بن زيد ماذا سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم في الطاعون فقال اسامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الطاعون رجز او عذاب ارسل على بني اسراييل او على من كان قبلكم فاذا سمعتم به بارض فلا تقدموا عليه واذا وقع بارض وانتم بها فلا تخرجوا فرارا منه " . وقال ابو النضر " لا يخرجكم الا فرار منه
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্লেগ শাস্তির প্রতীক। মহীয়ান গরীয়ান আল্লাহ তা'আলা তা দ্বারা তার বান্দাদের কতিপয় ব্যক্তিকে পরীক্ষায় ফেলেছেন। তাই কোন অঞ্চলে এর প্রভাবের খবর পেলে তোমরা সেথায় যেও না এবং তোমরা কোন অঞ্চলে অবস্থানকালে সেখানে প্লেগ লক্ষ্য করলে সেখান থেকে পালিয়ে যাবে না। এ বর্ণনা কা'নাব (রহঃ) এর। আর কুতাইবাহ্ (রহঃ) এর বর্ণনাও সে রকম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، وقتيبة بن سعيد، قالا اخبرنا المغيرة، - ونسبه ابن قعنب فقال ابن عبد الرحمن القرشي - عن ابي النضر، عن عامر بن سعد، بن ابي وقاص عن اسامة بن زيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الطاعون اية الرجز ابتلى الله عز وجل به ناسا من عباده فاذا سمعتم به فلا تدخلوا عليه واذا وقع بارض وانتم بها فلا تفروا منه " . هذا حديث القعنبي وقتيبة نحوه
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উসামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ প্লেগ একটি গযব, যা তোমাদের পূর্বেকার লোকদের উপরে অথবা বনী ইসরাঈলের উপরে চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। সুতরাং কোন অঞ্চলে তা লক্ষ্য করলে তা থেকে পালানোর জন্য সে অঞ্চল ছেড়ে যেও না এবং কোন অঞ্চলে প্লেগ লক্ষ্য করলে সেথায় অনুপ্রবেশও করো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، عن عامر بن سعد، عن اسامة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان هذا الطاعون رجز سلط على من كان قبلكم او على بني اسراييل فاذا كان بارض فلا تخرجوا منها فرارا منه واذا كان بارض فلا تدخلوها
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আমির ইবনু সা'দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। জনৈক লোক সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) কে প্লেগ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলে উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) বললেন, আমি সে ব্যাপারে তোমাকে সংবাদ দিচ্ছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তা একটি গযব অথবা একটি মহামারী যা আল্লাহ তা'আলা বনী ইসরাঈলের একটি উপদল কিংবা তোমাদের পূর্বেকার কোন একদল ব্যক্তির উপরে প্রেরণ করেছিলেন। অতএব কোন অঞ্চলে তার কথা তোমরা জানলে সেথায় তোমরা প্রবেশ করো না; তদ্রুপ কোন অঞ্চলে তোমাদের উপর তা এসে পড়লে সেখান থেকে পালিয়ে যেও না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا محمد بن بكر، اخبرنا ابن جريج، اخبرني عمرو، بن دينار ان عامر بن سعد، اخبره ان رجلا سال سعد بن ابي وقاص عن الطاعون، فقال اسامة بن زيد انا اخبرك عنه، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هو عذاب او رجز ارسله الله على طايفة من بني اسراييل او ناس كانوا قبلكم فاذا سمعتم به بارض فلا تدخلوها عليه واذا دخلها عليكم فلا تخرجوا منها فرارا
(…/...) আবূ রাবী' সুলাইমান ইবনু দাউদ, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রাযিঃ) আমর ইবনু দীনার (রহঃ) হতে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এর সূত্রে তার বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو الربيع، سليمان بن داود وقتيبة بن سعيد قالا حدثنا حماد، وهو ابن زيد ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا سفيان بن عيينة، كلاهما عن عمرو بن، دينار باسناد ابن جريج نحو حديثه
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে রিওয়ায়াত করেন যে, তিনি বলেছেন, এ রোগ একটি মহামারী যা দ্বারা তোমাদের পূর্ববর্তী অনেক উম্মাতকে শাস্তি দেয়া হয়েছে। অতঃপর তা জমিনেই রয়ে গেছে, তাই এক সময় তা চলে যায় ও আরেক সময় তা ফিরে আসে। অতএব যে লোক কোন অঞ্চলে এ রোগের কথা শুনতে পায় সে যেন কোনক্রমেই সেখানে না যায়, আর যে লোক কোথাও থাকা অবস্থায় সেথায় তা এসে পড়ে সেখান হতে যেন সে পালিয়ে না যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، احمد بن عمرو وحرملة بن يحيى قالا اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عامر بن سعد، عن اسامة بن زيد، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " ان هذا الوجع او السقم رجز عذب به بعض الامم قبلكم ثم بقي بعد بالارض فيذهب المرة وياتي الاخرى فمن سمع به بارض فلا يقدمن عليه ومن وقع بارض وهو بها فلا يخرجنه الفرار منه
আবূ কামিল জাহদারী (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে ইউনুস (রহঃ) এর সূত্রে তার বর্ণিত হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - حدثنا معمر، عن الزهري، باسناد يونس نحو حديثه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হাবীব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাদীনায় ছিলাম। তখন আমার নিকট সংবাদ আসলো যে, কুফায় প্লেগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে। তখন 'আতা ইবনু ইয়াসার (রাযিঃ) প্রমুখ সহাবাগণ আমাকে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তুমি কোন অঞ্চলে অবস্থান করবে সেখানে তা প্রকাশ পেলে সেখান থেকে বের হয়ো না। আর যদি তোমার নিকট খবর পৌছে যে, তা কোন অঞ্চলে রয়েছে, তাহলে সেখানে গমন করো না। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম-এ বর্ণনা কার পক্ষ হতে? তারা বললেন, 'আমির ইবনু সা'দ (রহঃ) হতে তিনি তা বর্ণনা করে থাকেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি তার নিকট গেলাম। তারা বলল, তিনি গৃহে নেই। তখন আমি তার ভাই ইবরাহীম ইবনু সা'দ (রহঃ) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, উসামাহ (রাযিঃ) যখন সা'দকে হাদীস শুনাচ্ছিলেন, তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, এ রোগ একটি মহামারী অথবা একটি আযাব কিংবা 'আযাবের অবশিষ্টাংশ' যা দ্বারা তোমাদের পূর্বেকার কতিপয় লোককে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। অতএব কোন অঞ্চলে তোমাদের অবস্থানকালে যদি তা থাকে সে সময় সেখান থেকে তোমরা বের হয়ো না। আর যদি তোমাদের নিকট খবর আসে যে, তা কোন অঞ্চলে দেখা দিয়েছে, তবে সেখানে গমন করো না। হাবীব (রহঃ) বলেন, তখন আমি ইবরাহীম (রহঃ) কে বললাম, আপনি কি শুনেছেন যখন উসামাহ্ (রাযিঃ) সা'দ (রাযিঃ) এর নিকট হাদীস বর্ণনা করছিলেন, আর তিনি তা অস্বীকার করেননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن شعبة، عن حبيب، قال كنا بالمدينة فبلغني ان الطاعون قد وقع بالكوفة فقال لي عطاء بن يسار وغيره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا كنت بارض فوقع بها فلا تخرج منها واذا بلغك انه بارض فلا تدخلها " . قال قلت عمن قالوا عن عامر بن سعد يحدث به . قال فاتيته فقالوا غايب - قال - فلقيت اخاه ابراهيم بن سعد فسالته فقال شهدت اسامة يحدث سعدا قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان هذا الوجع رجز او عذاب او بقية عذاب عذب به اناس من قبلكم فاذا كان بارض وانتم بها فلا تخرجوا منها واذا بلغكم انه بارض فلا تدخلوها " . قال حبيب فقلت لابراهيم انت سمعت اسامة يحدث سعدا وهو لا ينكر قال نعم
(…/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... শু'বাহ্ (রহঃ) এর সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি হাদীসের শুরুতে 'আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) সম্পর্কিত ঘটনা পেশ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، بهذا الاسناد غير انه لم يذكر قصة عطاء بن يسار في اول الحديث
(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) খুযাইমাহ্ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) ও উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তারা বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতঃপর শু'বাহ্ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن حبيب، عن ابراهيم، بن سعد عن سعد بن مالك، وخزيمة بن ثابت، واسامة بن زيد، قالوا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعنى حديث شعبة
(…/...) উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবরাহীম ইবনু সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) ও সা'দ (রাযিঃ) বসে বসে আলাপ করছিলেন। তারা উভয়ে বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (পূর্বোল্লেখিত) বর্ণনাকারীদের হাদীসের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا عثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، كلاهما عن جرير، عن الاعمش، عن حبيب، عن ابراهيم بن سعد بن ابي وقاص، قال كان اسامة بن زيد وسعد جالسين يتحدثان فقالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بنحو حديثهم
ওয়াহব ইবনু বাকিয়্যাহ (রহঃ) ..... ইবরাহীম ইবনু সা'দ ইবনু মালিক (রাযিঃ) তাঁর পিতা (সা’দ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোল্লিখিত বর্ণনাকারীদের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنيه وهب بن بقية، اخبرنا خالد، - يعني الطحان - عن الشيباني، عن حبيب، بن ابي ثابت عن ابراهيم بن سعد بن مالك، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحو حديثهم
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেন যে, উমার (রাযিঃ) শামের (সিরিয়ার) দিকে রওয়ানা হলেন। 'সারগ' নামক স্থান পর্যন্ত পৌছলে 'আজনাদ' অধিবাসীদের (প্রতিনিধি ও অধিনায়ক) আবূ উবাইদাহ ইবনু জাররাহ ও তার সহকর্মীগণ তার সাথে দেখা করলেন। তখন তারা সংবাদ দিলেন যে, শামে মহামারী আরম্ভ হয়েছে। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, তখন উমার (রাযিঃ) বললেন- প্রাথমিক যুগের মুহাজিরদের আমার নিকট ডেকে আন। আমি তাদের ডেকে নিয়ে আসলে তিনি তাদেরকে সংবাদ দিলেন যে, শামে মহামারী আরম্ভ হয়ে গেছে। এ বিষয়ে তাদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইলেন। অতঃপর তারা দ্বন্দ্বে পড়ে গেল। তাদের কেউ কেউ বলল, আপনি একটা বিশেষ কাজের উদ্দেশে বের হয়েছেন, তাই আমরা আপনার ফিরে যাওয়া যথাযথ মনে করি না। আর কেউ কেউ বললেন, আপনার সঙ্গে অনেক প্রবীণ লোক এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ রয়েছেন। তাই আমরা তাদেরকে এ মহামারীর সম্মুখে ছেড়ে দেয়া যুক্তিসঙ্গত মনে করি না। তিনি বললেন, আপনারা উঠুন! তারপর বললেন, আনসারীদের আমার নিকট ডেকে আনো। আমি তাদেরকে তার নিকট ডেকে নিয়ে আসলে তিনি তাদের কাছেও পরামর্শ চাইলেন। তারা মুহাজিরদের পন্থা অনুকরণ করলেন এবং মুহাজিরগণের মতো তাদের মধ্যেও দ্বিমত সৃষ্টি হলো। তিনি বললেন, আপনারা উঠুন। তারপর তিনি বললেন, (মাক্কাহ) বিজয়ের পূর্বে হিজরতকারী কুরায়শের মুরুব্বীদের যারা এখানে আছেন, তাদের আমার নিকট পাঠাও। আমি তাদেরকে ডেকে আনলাম। তাদের দুজনও কিন্তু ভিন্নমত পোষণ করলেন না। তারা (সকলেই) বললেন, আমরা যুক্তিযুক্ত মনে করি যে, আপনি লোকদের নিয়ে ফিরে যান এবং তাদেরকে এ মহামারীর দিকে ঠেলে দিবেন না। তখন উমার (রাযিঃ) লোকদের মাঝে ঘোষণা দিলেন, আমি ভোরে সওয়ারীর উপর থাকবো, তোমরাও ভোরে সওয়ারীর উপর আরোহণ করবে। তখন আবূ উবাইদাহ ইবনু জাররাহ (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহর তাকদীর হতে ভেগে যাওয়া? তখন উমার (রাযিঃ) বললেন, হে আবূ উবাইদাহ! তুমি ছাড়া অন্য কেউ এমন বললে, (রাবী বলেন) উমার (রাযিঃ) তার বিরুদ্ধাচরণ অপছন্দ করতেন। (তিনি বললেন) হ্যাঁ! আমরা আল্লাহর তাকদীর হতে আল্লাহরই তাকদীরের দিকে পলায়ন করছি। তোমার যদি একপাল উট থাকে আর তুমি একটি উপত্যকায় অবতীর্ণ হও যার দুটি প্রান্তর রয়েছে, যার একটু সবুজ শ্যামল, অপরটি তৃণশূন্য; সে ক্ষেত্রে তুমি যদি সবুজ শ্যামল প্রান্তরে (উট) চরাও, তাহলে আল্লাহর তাকদীরেই সেখানে চরাবে আর যদি তৃণশূন্য প্রান্তরে চরাও, তাহলেও আল্লাহর তাকদীরেই সেখানে চরাবে। রাবী বলেন, এ সময় 'আব্দুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) এলেন, তিনি (এতক্ষণ) তার কোন প্রয়োজনে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, এ বিষয়ে আমার নিকট (হাদীসের) ইলম রয়েছে। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা কোন এলাকায় সেটার খবর শুনতে পাও, তখন তার উপরে (দুঃসাহস দেখিয়ে) এগিয়ে যেয়ো না। আর যখন কোন দেশে তোমাদের সেখানে থাকা অবস্থায় তা দেখা দেয়, তখন তা হতে পলায়ন করে বেরিয়ে পড়ো না। বর্ণনাকারী বলেন, তখন উমর (রাযিঃ) আল্লাহর প্রশংসা করলেন। অতঃপর চলে গেলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯১, ইসলামিক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ), মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) মা'মার (রহঃ) উপরোক্ত সূত্রে মালিক (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেছেন। মা'মার (রহঃ) এর হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন [উমার (রাযিঃ)] আবূ উবাইদাহকে আরো বললেন, বলো তো, সে যদি তৃণশূন্য উপত্যকায় চড়ায় আর সবুজ শ্যামল উপত্যকা পরিত্যাগ করে তাহলে তুমি কি তাকে ব্যর্থ সাব্যস্ত করবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ! তিনি বললেন, তাহলে এবার চলো। বর্ণনাকারী বলেন, পরবর্তীতে সফর করে তিনি মাদীনায় এসে বললেন, এটি অবস্থান স্থল অথবা তিনি বললেন, ইনশাআল্লাহ, এটি অবতরণ স্থল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، قال ابن رافع حدثنا وقال الاخران، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، بهذا الاسناد . نحو حديث مالك وزاد في حديث معمر قال وقال له ايضا ارايت انه لو رعى الجدبة وترك الخصبة اكنت معجزه قال نعم . قال فسر اذا . قال فسار حتى اتى المدينة فقال هذا المحل . او قال هذا المنزل ان شاء الله
(…/...) আবূ তাহির (রহঃ) ও হারমালাহ্ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সানাদে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস এটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেননি যে, আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنيه ابو الطاهر، وحرملة بن يحيى، قالا اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، بهذا الاسناد غير انه قال ان عبد الله بن الحارث حدثه . ولم يقل عبد الله بن عبد الله
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রাবী'আহ হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) শামের দিকে সফরে বের হলেন, 'সারগ' পর্যন্ত গমন করলে তার নিকটে (খবর) আসল যে, শামে মহামারী লক্ষ্য করা গেছে। তখন আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) তাকে সংবাদ দিলেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন কোন অঞ্চলে মহামারীর (সংবাদ) শুনবে, তখন তার দিকে অগ্রসর হবে না। আর যখন কোন অঞ্চলে সেটা দেখা দিবে, আর তোমরা সেখানে রয়েছো, তাহলে সেখান থেকে পালিয়ে বের হয়ে যেও না। অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) সার্গ হতে প্রত্যাবর্তন করলেন। সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (ইবনু উমার) (রাযিঃ) হতে ইবনু শিহাব (রহঃ) এর বর্ণনাতে রয়েছে যে, আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাযিঃ) এর হাদীসের অনুসরণে উমার (রাযিঃ) লোকদের নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، عن عبد الله بن، عامر بن ربيعة ان عمر، خرج الى الشام فلما جاء سرغ بلغه ان الوباء قد وقع بالشام . فاخبره عبد الرحمن بن عوف ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا سمعتم به بارض فلا تقدموا عليه . واذا وقع بارض وانتم بها فلا تخرجوا فرارا منه " . فرجع عمر بن الخطاب من سرغ . وعن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله ان عمر انما انصرف بالناس من حديث عبد الرحمن بن عوف
আবূ তাহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। (এ হাদীস সে সময়ের) যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সংক্রামক ব্যাধি, ক্ষুধায় পেট কামড়ানো পোকা (বা সফর মাসের অগ্রপশ্চাৎকরণ) ও মৃত মানুষের আত্মা হতে পেচার জন্ম বলতে কিছু নেই। সে সময় জনৈক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রসূল! তাহলে সে উট পালের কি অবস্থা, যা কোন বালুকাময় ভূমিতে থাকে যা ব্যাধমুক্ত, বলবান। অতঃপর সেখানে খোচ-পাঁচড়া আক্রান্ত (কোন) উট এসে তাদের মধ্যে প্রবেশ করে তাদের সবগুলোকে পাঁচড়ায় আক্রান্ত করে দেয়? তিনি বললেন, তাহলে প্রথম (উট)টিকে কে সংক্রমিত করেছিল? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لابي الطاهر - قالا اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، قال ابن شهاب فحدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، عن ابي، هريرة حين قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا عدوى ولا صفر ولا هامة " . فقال اعرابي يا رسول الله فما بال الابل تكون في الرمل كانها الظباء فيجيء البعير الاجرب فيدخل فيها فيجربها كلها قال " فمن اعدى الاول
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও হাসান আল হুলওয়ানী (রহঃ) আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সংক্রামক ব্যাধি, কুলক্ষণ, অনাহারে পেট কামড়ানো পোকা ও হামাহ- এসবের কোন অস্তিত্ব নেই। সে সময় জনৈক বেদুঈন আরব বলল, হে আল্লাহর রসূল! বর্ণনাকার ইউনুস (রহঃ) কর্তৃক রিওয়ায়াতকৃত হাদীসের অবিকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৫৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، وحسن الحلواني، قالا حدثنا يعقوب، - وهو ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، وغيره، ان ابا هريرة، قال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا عدوى ولا طيرة ولا صفر ولا هامة " . فقال اعرابي يا رسول الله . بمثل حديث يونس
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، عن عبد، الحميد بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب عن عبد الله بن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن عبد الله بن عباس، ان عمر بن الخطاب، خرج الى الشام حتى اذا كان بسرغ لقيه اهل الاجناد ابو عبيدة بن الجراح واصحابه فاخبروه ان الوباء قد وقع بالشام . قال ابن عباس فقال عمر ادع لي المهاجرين الاولين . فدعوتهم فاستشارهم واخبرهم ان الوباء قد وقع بالشام فاختلفوا فقال بعضهم قد خرجت لامر ولا نرى ان ترجع عنه . وقال بعضهم معك بقية الناس واصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا نرى ان تقدمهم على هذا الوباء . فقال ارتفعوا عني . ثم قال ادع لي الانصار فدعوتهم له فاستشارهم فسلكوا سبيل المهاجرين واختلفوا كاختلافهم . فقال ارتفعوا عني . ثم قال ادع لي من كان ها هنا من مشيخة قريش من مهاجرة الفتح . فدعوتهم فلم يختلف عليه رجلان فقالوا نرى ان ترجع بالناس ولا تقدمهم على هذا الوباء . فنادى عمر في الناس اني مصبح على ظهر فاصبحوا عليه . فقال ابو عبيدة بن الجراح افرارا من قدر الله فقال عمر لو غيرك قالها يا ابا عبيدة - وكان عمر يكره خلافه - نعم نفر من قدر الله الى قدر الله ارايت لو كانت لك ابل فهبطت واديا له عدوتان احداهما خصبة والاخرى جدبة اليس ان رعيت الخصبة رعيتها بقدر الله وان رعيت الجدبة رعيتها بقدر الله قال فجاء عبد الرحمن بن عوف وكان متغيبا في بعض حاجته فقال ان عندي من هذا علما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا سمعتم به بارض فلا تقدموا عليه واذا وقع بارض وانتم بها فلا تخرجوا فرارا منه " . قال فحمد الله عمر بن الخطاب ثم انصرف