Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬০ হাদিসসমূহ
‘আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (উম্মুল মু'মিনীন) জুওয়াইরিয়াহ্ (রাযিঃ) এর আসল নাম ছিল বাররাহ্ (পুণ্যবতী) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নাম পরিবর্তন করে রাখলেন জুওয়াইরিয়াহ্ (স্নেহময়ী কিশোরী)। কেননা বাররাহ (পুণ্যবতী) এর নিকট হতে বের হয়ে এসেছেন- এমন বাক্য তিনি পছন্দ করতেন না। ইবনু আবূ উমার (রাযিঃ) এর হাদিসে কুরায়ব (রহঃ) সূত্রেعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ এর স্থানে سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، وابن ابي عمر، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا سفيان، عن محمد بن عبد الرحمن، مولى ال طلحة عن كريب، عن ابن عباس، قال كانت جويرية اسمها برة فحول رسول الله صلى الله عليه وسلم اسمها جويرية وكان يكره ان يقال خرج من عند برة . وفي حديث ابن ابي عمر عن كريب قال سمعت ابن عباس
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, যাইনাব (রাযিঃ) এর আসল নাম ছিল বাররাহ্’। তাই বলা হলো, তিনি আত্মশুদ্ধি করেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নামকরণ করলেন যাইনাব। ইবনু বাশশার ছাড়া উপরোল্লিখিত রাবীদের বর্ণিত হাদীসের হুবহু শব্দ বর্ণিত হয়েছে। তবে ইবনু আবী শাইবাহحَدَّثَنَا شُعْبَةُ এর স্থলেعَنْ شُعْبَةَ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، ومحمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالوا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عطاء بن ابي ميمونة، سمعت ابا رافع، يحدث عن ابي، هريرة ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن عطاء بن ابي ميمونة، عن ابي رافع، عن ابي هريرة، ان زينب، كان اسمها برة فقيل تزكي نفسها . فسماها رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب . ولفظ الحديث لهولاء دون ابن بشار . وقال ابن ابي شيبة حدثنا محمد بن جعفر عن شعبة
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... যাইনাব বিনতু উম্মু সালামাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পূর্বে আমার নাম বাররাহ ছিল। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নাম রাখলেন ‘যাইনাব’। তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) তার (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর) নিকট আসলো। তার (ও) নাম ছিল বাররাহ তার নামও তিনি 'যাইনাব' রেখে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، قالا حدثنا الوليد بن كثير، حدثني محمد بن عمرو بن عطاء، حدثتني زينب، بنت ام سلمة قالت كان اسمي برة فسماني رسول الله صلى الله عليه وسلم زينب . قالت ودخلت عليه زينب بنت جحش واسمها برة فسماها زينب
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কন্যার নাম রাখলাম বাররাহ। সে সময় যাইনাব বিনতু আবূ সালামাহ্ (রাযিঃ) আমাকে বললেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ নাম রাখতে বারণ করেছেন। আমার নাম বাররাহ্- (পুণ্যবতী) রাখা হয়েছিল। তাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা স্বয়ং আত্মা পরিশুদ্ধ বলে দাবি করো না। আল্লাহ তা'আলাই অধিকতর জানেন তোমাদের মাঝে পুণ্যবানদের সম্পর্কে। অতঃপর তারা বলল, তবে আমরা তার কি নামকরণ করবো? তিনি বললেন, তার নাম রাখো যাইনাব’। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن محمد بن عمرو بن عطاء، قال سميت ابنتي برة فقالت لي زينب بنت ابي سلمة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن هذا الاسم وسميت برة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تزكوا انفسكم الله اعلم باهل البر منكم " . فقالوا بم نسميها قال " سموها زينب
সাঈদ ইবনু আমর আশ'আসী, আহমাদ ইবনু হাম্বাল ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর তা'আলার নিকট অধিকতর ঘৃণিত নাম ঐ লোকের, যার নাম 'মালিকুল আমলাক'- (বাদশার বাদশাহ) রাখা হয়। ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে বেশি বর্ণনা করেছেন- "আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে অন্য কোন মালিকা অধিপতি" নেই"। আশ'আসী (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী সুফইয়ান (রহঃ) বলেছেন, এ শব্দ (ফারসী ভাষায়) শাহান শাহ-এর অবিকল। আর আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) বলেন, আমি আবূ আমর (রহঃ) কেأَخْنَعَ এর অর্থ জানতে চাইলে তিনি বলেন,أَوْضَعَ চরম নিকৃষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن عمرو الاشعثي، واحمد بن حنبل، وابو بكر بن ابي شيبة - واللفظ لاحمد - قال الاشعثي اخبرنا وقال الاخران، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان اخنع اسم عند الله رجل تسمى ملك الاملاك " . زاد ابن ابي شيبة في روايته " لا مالك الا الله عز وجل " . قال الاشعثي قال سفيان مثل شاهان شاه . وقال احمد بن حنبل سالت ابا عمرو عن اخنع فقال اوضع
(…) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এগুলো আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তারপর তিনি কিছু হাদীস বর্ণনা করলেন। তন্মধ্যে অন্যতম একটি হলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলার নিকটে সবচেয়ে রাগের কারণ, সবচেয়ে ঘৃণিত, অধিকতর ক্ষিপ্রতার সম্মুখীন হবে সে লোক যার নাম রাখা হয়েছে 'মালিকুল আমলাক' (রাজাধিরাজ সম্রাট), আল্লাহ ছাড়া অন্য আর কেউ মালিক (সম্রাট) নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اغيظ رجل على الله يوم القيامة واخبثه واغيظه عليه رجل كان يسمى ملك الاملاك لا ملك الا الله
আবদুল আ'লা ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ তালহাহ্ আনসারী এর জন্মকালে আমি তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে নিয়ে গেলাম। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় গায়ে একটি আলখাল্লা জড়িয়ে তার উটের গায়ে তৈল মালিশ করছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমার সাথে খেজুর আছে কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর আমি তার হাতে কয়েকটি খেজুর দিলাম। তিনি তার মুখে জড়িয়ে দিয়ে চিবালেন। তারপর শিশুটির মুখ ফাঁক করে তার মুখের ভিতরে দিলেন। শিশুটি তা চুষতে লাগল। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ 'আনসারীদের খেজুরের প্রতি ভালবাসা' এবং তিনি তার নাম রাখলেন, ‘আবদুল্লাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الاعلى بن حماد، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت البناني، عن انس، بن مالك قال ذهبت بعبد الله بن ابي طلحة الانصاري الى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولد ورسول الله صلى الله عليه وسلم في عباءة يهنا بعيرا له فقال " هل معك تمر " . فقلت نعم . فناولته تمرات فالقاهن في فيه فلاكهن ثم فغر فا الصبي فمجه في فيه فجعل الصبي يتلمظه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " حب الانصار التمر " . وسماه عبد الله
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) এর এক পুত্র সন্তান রোগগ্রস্ত ছিল। (একদিন) আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) (তার কর্মে) বের হলো এদিকে তার বাচ্চাটি মারা যায়। যখন আবূ তালহাহ (রাযিঃ) ফিরে আসলেন, তিনি (স্ত্রীকে) প্রশ্ন করলেন, আমার সন্তান কী করছে? (স্ত্রী) উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) বললেন, সে পূর্বের চেয়ে অধিকতর শান্ত। তারপর তিনি তাকে রাতের খাদ্য দিলেন, তিনি তা খেলেন, তারপর তার সাথে মিলিত হলেন। তারপর তিনি অবসর হলে উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) বললেন, শিশুটিকে দাফন করে এসো। যখন সকাল হলো আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এসে তাকে (সব) ঘটনা অবহিত করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি গতরাতে মিলিত হয়েছো? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি (দু’আ করে) বললেন, হে আল্লাহ তাদের দু'জনের জন্যে বারাকাত দিন। তারপর তার স্ত্রী একটি সন্তান প্রসব করলেন। সে সময় আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) আমাকে বললেন, তাকে (কোলে) তুলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে নিয়ে যাও। তাকে নিয়ে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলেন। উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) তার সঙ্গে কতক খেজুরও দিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (শিশুটিকে) কোলে নেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তার সাথে কিছু আছে কি? তারা বললো, হ্যাঁ, কয়েকটি খেজুর। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেগুলো বের করলেন ও চিবালেন। তারপর তা তার মুখ হতে নিলেন এবং বাচ্চাটির মুখের মধ্যে দিলেন। এরপর তাকে তাহনীক করে তার জন্যে দু'আ করলেন এবং তার নাম রাখলেন ‘আবদুল্লাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا ابن عون، عن ابن، سيرين عن انس بن مالك، قال كان ابن لابي طلحة يشتكي فخرج ابو طلحة فقبض الصبي فلما رجع ابو طلحة قال ما فعل ابني قالت ام سليم هو اسكن مما كان . فقربت اليه العشاء فتعشى ثم اصاب منها فلما فرغ قالت واروا الصبي . فلما اصبح ابو طلحة اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره فقال " اعرستم الليلة " . قال نعم قال " اللهم بارك لهما " . فولدت غلاما فقال لي ابو طلحة احمله حتى تاتي به النبي صلى الله عليه وسلم . فاتى به النبي صلى الله عليه وسلم وبعثت معه بتمرات فاخذه النبي صلى الله عليه وسلم فقال " امعه شىء " . قالوا نعم تمرات . فاخذها النبي صلى الله عليه وسلم فمضغها ثم اخذها من فيه فجعلها في في الصبي ثم حنكه وسماه عبد الله
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে এ ঘটনা সহকারে রাবী ইয়াযীদ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪২৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا حماد بن مسعدة، حدثنا ابن عون، عن محمد، عن انس، بهذه القصة نحو حديث يزيد
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ‘আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার একটি পুত্র সস্তান ভূমিষ্ঠ হলে আমি তাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে উপস্থিত হলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহীম এবং একটি খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعبد الله بن براد الاشعري، وابو كريب قالوا حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال ولد لي غلام فاتيت به النبي صلى الله عليه وسلم فسماه ابراهيم وحنكه بتمرة
হাকাম ইবনু মূসা আবূ সালিহ্ (রহঃ) ..... উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র ও ফাতিমাহ বিনতু মুনযির ইবনু যুবায়র (রহঃ) হতে বর্ণিত। তারা বলেন, আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) যে সময় হিজরাত করলেন, সে সময় তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে পেটে ধারণ করছিলেন। কুবায় পৌছলে তিনি 'আবদুল্লাহকে প্রসব করলেন। তারপর প্রসবের পর তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে গেলেন যাতে তিনি তাকে (নবজাতককে) খেজুর চিবিয়ে বারাকাত দেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাচ্চাটিকে তার নিকট হতে নিয়ে নিজের কোলে রাখলেন। এরপর একটি খেজুর নিয়ে আসলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, তা পাওয়ার আগ পর্যন্ত খুঁজে যোগাড় করতে আমাদের কিছু সময় দেরী হলো। তারপর তিনি তা চিবিয়ে নিজ মুখে থেকে তার মুখের ভিতরে দিলেন। অতএব তার পেটে প্রথম যা ঢুকল তা ছিল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর লালা। আসমা (রাযিঃ) আরও বলেছেন, তারপর তিনি তাকে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং তার জন্য দু'আ করলেন, আর তার নাম রাখলেন আবদুল্লাহ। তারপর সাত কিংবা আট বছর বয়সে সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে বাই’আত হওয়ার জন্য এলো। (পিতা) যুবায়র (রাযিঃ) তাকে তা করার উপদেশ দিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এগিয়ে আসতে দেখে মুচকি হাসলেন। এরপর তাকে বাই’আত করে নিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا الحكم بن موسى ابو صالح، حدثنا شعيب، - يعني ابن اسحاق - اخبرني هشام بن عروة، حدثني عروة بن الزبير، وفاطمة بنت المنذر بن الزبير، انهما قالا خرجت اسماء بنت ابي بكر حين هاجرت وهي حبلى بعبد الله بن الزبير فقدمت قباء فنفست بعبد الله بقباء ثم خرجت حين نفست الى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليحنكه فاخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم منها فوضعه في حجره ثم دعا بتمرة قال قالت عايشة فمكثنا ساعة نلتمسها قبل ان نجدها فمضغها ثم بصقها في فيه فان اول شىء دخل بطنه لريق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قالت اسماء ثم مسحه وصلى عليه وسماه عبد الله ثم جاء وهو ابن سبع سنين او ثمان ليبايع رسول الله صلى الله عليه وسلم وامره بذلك الزبير فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم حين راه مقبلا اليه ثم بايعه
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি মাক্কায় (থাকাকালে) আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে গর্ভে ধারণ করেন। তিনি বলেন, আমি (মাক্কাহ থেকে মাদীনায় (হিজরাতের উদ্দেশে) বের হলাম। সে সময় আমার গর্ভকাল পূর্ণ হয়ে আসছে। আমি মদীনায় এসে কুবায় গমন করলাম এবং কুবায় তাকে প্রসব করলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে গেলাম। তিনি তাকে (নবজাতককে) তার কোলে রাখলেন, এরপর একটি খেজুর আনিয়ে তা চিবালেন, অতঃপর তার মুখ থেকে লালাসহ তার (বাচ্চাটির) মুখে দিলেন। অতএব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর লালাই ছিল প্রথম খাদ্য, যা তার পেটে ঢুকলো। অতঃপর খেজুর চিবিয়ে তার মুখে দেয়ার পর তার জন্য দু'আ করলেন এবং তাকে বারাকাত (এর দু'আ) দিলেন। এ সন্তানই ছিল (মাদীনায়) হিজরাতের পর ইসলামের প্রথম নবজাতক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن اسماء، انها حملت بعبد الله بن الزبير بمكة قالت فخرجت وانا متم، فاتيت المدينة فنزلت بقباء فولدته بقباء ثم اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فوضعه في حجره ثم دعا بتمرة فمضغها ثم تفل في فيه فكان اول شىء دخل جوفه ريق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم حنكه بالتمرة ثم دعا له وبرك عليه وكان اول مولود ولد في الاسلام
(…/…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর সিদ্দীক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে গর্ভে ধারণ করে হিজরাত করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে পৌছলেন। অতঃপর উসামাহ্ (রাযিঃ) এর হাদীসের অবিকল উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن علي بن مسهر، عن هشام، بن عروة عن ابيه، عن اسماء بنت ابي بكر، انها هاجرت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي حبلى بعبد الله بن الزبير . فذكر نحو حديث ابي اسامة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে (নবজাতক) সন্তানদের নিয়ে আসা হত। তাদের জন্য তিনি বারাকাতের দু'আ করতেন এবং খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا هشام، - يعني ابن عروة - عن ابيه، عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يوتى بالصبيان فيبرك عليهم ويحنكهم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে (নবজাতক) নিয়ে আসলাম তাকে তাহনীক করার জন্য। অতঃপর আমরা একটি খেজুর চাইলাম। তবে তা সংগ্রহ করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়লো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو خالد الاحمر، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت جينا بعبد الله بن الزبير الى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه فطلبنا تمرة فعز علينا طلبها
মুহাম্মাদ ইবনু সাহল তামীমী ও আবূ বাকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুনযির ইবনু আবূ উসায়দ (রাযিঃ) কে তার জন্মের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আনা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রানের উপরে তাকে রাখলেন। আবূ উসায়দ (রাযিঃ) (পাশে) উপবিষ্ট। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সামনে কোন বিষয় মনোযোগ দিলেন। আবূ উসায়দ (রাযিঃ) তার সন্তানের ব্যাপারে (কাউকে) আদেশ করলেন। তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রানের উপর থেকে উঠিয়ে নিয়ে তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিলো। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সজাগ হলেন এবং বললেন, বাচ্চাটি কোথায়? আবূ উসায়দ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা তাকে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি প্রশ্ন করলেন, তার নাম কী? তারা বলল, 'অমুক' হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, না; বরং তার নাম মুনযির। এভাবে সেদিন থেকে তিনি তার নাম মুনযির রেখে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن سهل التميمي، وابو بكر بن اسحاق قالا حدثنا ابن ابي مريم، حدثنا محمد، - وهو ابن مطرف ابو غسان - حدثني ابو حازم، عن سهل بن سعد، قال اتي بالمنذر بن ابي اسيد الى رسول الله صلى الله عليه وسلم حين ولد فوضعه النبي صلى الله عليه وسلم على فخذه وابو اسيد جالس فلهي النبي صلى الله عليه وسلم بشىء بين يديه فامر ابو اسيد بابنه فاحتمل من على فخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقلبوه فاستفاق رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " اين الصبي " . فقال ابو اسيد اقلبناه يا رسول الله . فقال " ما اسمه " . قال فلان يا رسول الله . قال " لا ولكن اسمه المنذر " . فسماه يوميذ المنذر
আবূ রাবী' সুলাইমান ইবনু দাউদ আতাকী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের মাঝে চরিত্রগুণে সর্বোত্তম ছিলেন। আমার এক ভাই ছিল, যাকে আবূ উমায়র বলে সম্বোধন করা হতো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অনুমান করি তিনি বলেছিলেন যে, সে দুধ ছাড়ানো বয়সের ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই (আমাদের ঘরে) আসতেন, তখন তাকে দেখে বলতেন, হে আবূ উমায়রা! কি করেছো নুগায়র (চড়ুইছানা)? এ কথা বলে তিনি তার সঙ্গে খেলা করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو الربيع، سليمان بن داود العتكي حدثنا عبد الوارث، حدثنا ابو التياح، حدثنا انس بن مالك، ح وحدثنا شيبان بن فروخ، - واللفظ له - حدثنا عبد الوارث، عن ابي التياح، عن انس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم احسن الناس خلقا وكان لي اخ يقال له ابو عمير - قال احسبه قال - كان فطيما - قال - فكان اذا جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فراه قال " ابا عمير ما فعل النغير " . قال فكان يلعب به
মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ গুবারী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, হে বৎস! (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا ابو عوانة، عن ابي عثمان، عن انس بن، مالك قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا بنى
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আল-মুগীরাহ ইবনু শু'বাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট 'দাজ্জাল' সম্বন্ধে আমার চেয়ে বেশি কেউ প্রশ্ন করেনি যত প্রশ্ন আমি করেছি। তিনি আমাকে বললেন, হে বৎস! তার কোন বিষয় তোমাকে অস্থির করেছে? সে কিছুতেই তোমার অনিষ্ট করতে পারবে না। মুগীরাহ বলেন, আমি বললাম, তারা তো ধারণা করে থাকে যে, তার সাথে পানির নহরসমূহ এবং রুটির পাহাড়সমূহ থাকবে। তিনি বললেন, তা আল্লাহর নিকট তার থেকে সহজতর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن ابي عمر، - واللفظ لابن ابي عمر - قالا حدثنا يزيد بن هارون، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن قيس بن ابي حازم، عن المغيرة، بن شعبة قال ما سال رسول الله صلى الله عليه وسلم احد عن الدجال اكثر مما سالته عنه فقال لي " اى بنى وما ينصبك منه انه لن يضرك " . قال قلت انهم يزعمون ان معه انهار الماء وجبال الخبز . قال " هو اهون على الله من ذلك
(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইবনু নুমায়র, সুরায়জ ইবনু ইউনুস, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইসমাঈল (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। কিন্তু তাদের মাঝে ইয়াযীদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীস ছাড়া কারো হাদীসে মুগীরাহ (রাযিঃ) এর প্রতি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উক্তিটি "হে বৎস" শব্দের উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫৪৪০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن، نمير قالا حدثنا وكيع، ح وحدثنا سريج بن، يونس حدثنا هشيم، ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا جرير، ح وحدثني محمد بن، رافع حدثنا ابو اسامة، كلهم عن اسماعيل، بهذا الاسناد . وليس في حديث احد منهم قول النبي صلى الله عليه وسلم للمغيرة " اى بنى " . الا في حديث يزيد وحده