Loading...

Loading...
বইসমূহ
২০১ হাদিসসমূহ
(…/...) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) উতারিদ পরিবারের এক লোকের কাছে একটি রেশমী কাবা’ (বড় জামা) দেখতে পেয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললেন, আপনি যদি এটি ক্রয় করতেন। সে সময় তিনি বললেন, এটি শুধু সে লোকই পরিধান করবে (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই। অতঃপর লাল রং-এর একটি কুর্তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপঢৌকন প্রেরণ করা হলে তিনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন। তিনি [উমার (রাযিঃ)] বলেন, আমি বললাম, আপনি এটি আমার নিকট পাঠালেন কেন? অথচ এ ধরনের বস্ত্র সম্পর্কে আপনার কথা আমার কর্ণপাত হয়েছে। তিনি বললেনঃ আমি কেবল এজন্য এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এর মাধ্যমে (বিক্রি করে) উপকার হাসিল করতে পারো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، اخبرني ابو بكر بن، حفص عن سالم، عن ابن عمر، ان عمر، راى على رجل من ال عطارد قباء من ديباج او حرير فقال لرسول الله صلى الله عليه وسلم لو اشتريته . فقال " انما يلبس هذا من لا خلاق له " . فاهدي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم حلة سيراء فارسل بها الى . قال قلت ارسلت بها الى وقد سمعتك قلت فيها ما قلت قال " انما بعثت بها اليك لتستمتع بها
(…/...) ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, উমার (রাযিঃ) উতারিদ পরিবারের এক লোকের নিকট (একটি কাবা) লক্ষ্য করলেন। অতঃপর রাবী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বর্ণনা করেছেন, আমি এটি তোমার নিকট পাঠিয়েছি যাতে তুমি এর মাধ্যমে উপকার লাভ করতে পারো। পরিধান করার জন্য এটি তোমার নিকট পাঠাইনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابن نمير، حدثنا روح، حدثنا شعبة، حدثنا ابو بكر بن حفص، عن سالم، بن عبد الله بن عمر عن ابيه، ان عمر بن الخطاب، راى على رجل من ال عطارد . بمثل حديث يحيى بن سعيد غير انه قال " انما بعثت بها اليك لتنتفع بها ولم ابعث بها اليك لتلبسها
(…/...) ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) আমাকে বললেন, ইসতাবরাক কি? আমি বললাম, মোটা ও খসখসে রেশমী বস্ত্র। তিনি বললেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, উমার (রাযিঃ) জনৈক লোকের নিকট ইস্তাব্রাকের প্রস্তুত হুল্লা লক্ষ্য করে সেটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে নিয়ে এলেন। অতঃপর রাবী ইয়াহইয়া (রহঃ) উপরোল্লিখিত রাবীগণের অবিকল বর্ণনা করেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি এটি তোমার নিকট শুধু এজন্য পাঠিয়েছি যে, তুমি এর মাধ্যমে কিছু সম্পদ জোগাড় করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الصمد، قال سمعت ابي يحدث، قال حدثني يحيى بن ابي اسحاق، قال قال لي سالم بن عبد الله في الاستبرق قال قلت ما غلظ من الديباج وخشن منه . فقال سمعت عبد الله بن عمر يقول راى عمر على رجل حلة من استبرق فاتى بها النبي صلى الله عليه وسلم . فذكر نحو حديثهم غير انه قال فقال " انما بعثت بها اليك لتصيب بها مالا
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) এর মুক্ত দাস আবদুল্লাহ (রহঃ) [তিনি আতা (রহঃ)-এর বাচ্চাদের মামাও হতেন] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসমা (রাযিঃ) আমাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) এর কাছে এ বলে প্রেরণ করলেন যে, আমি অবগত হয়েছি তুমি নাকি তিনটি বস্তুকে নিষিদ্ধ মনে করো। কাপড়ে (রেশমের) নকশা, গাঢ় লাল রং-এর মীসারাহ (এক জাতীয় রেশমী বস্ত্র) ও রজবের গোটা মাস সাওম পালন করা। সে সময় আবদুল্লাহ (রাযিঃ) আমায় বললেন, আপনি যে রজব মাসের সাওম হারামের কথা বললেন এটা ঐ লোকের ক্ষেত্রে কিভাবে সম্ভব যিনি সবসময় সাওম পালন করেন? আর আপনি যে বস্ত্রের (রেশমের) ডিজাইনের কথা বললেন, এ সম্পর্কে আমি 'উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, রেশমী কাপড় কেবল সে ব্যক্তিই পরবে (আখিরাতে) যার কোন অংশ নেই। তাই আমার সন্দেহ হলো নকশাও এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। আর গাঢ় লাল রং-এর মীসারাহ সে তো আবদুল্লাহরই মীসারাহ। লক্ষ্য করলাম, আসলেই সেটিই গাঢ় লাল রং-এর। অতঃপর আমি আসমা (রাযিঃ) এর কাছে ফিরে গেলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে সংবাদ দিলাম। তখন তিনি বললেন, এটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জুব্বা। এ বলে তিনি কিসরাওয়ানী (ইরানী সম্রাট কিসরার প্রতি সম্পৰ্কীয়) সবুজ রং-এর একটি জুব্বা বের করলেন যার পকেটটি ছিল খাঁটি রেশমের প্রস্তুত এবং এর (হাতার) ছিদ্রদ্বয় ছিল খাটি রেশমের টুকরা দিয়ে ঢাকা। তিনি বললেন, এটি আয়িশাহর মৃত্যু পর্যন্ত তার নিকটেই ছিল। তার ওফাতের পর আমি এটি নিয়েছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটি ব্যবহার করতেন। তাই আমরা অসুস্থদের আরোগ্য লাভের জন্য এটি ধৌত করি এবং তাদেরকে সে পানি পান করিয়ে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا خالد بن عبد الله، عن عبد الملك، عن عبد الله، مولى اسماء بنت ابي بكر وكان خال ولد عطاء قال ارسلتني اسماء الى عبد الله بن عمر فقالت بلغني انك تحرم اشياء ثلاثة العلم في الثوب وميثرة الارجوان وصوم رجب كله . فقال لي عبد الله اما ما ذكرت من رجب فكيف بمن يصوم الابد واما ما ذكرت من العلم في الثوب فاني سمعت عمر بن الخطاب يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " انما يلبس الحرير من لا خلاق له " . فخفت ان يكون العلم منه واما ميثرة الارجوان فهذه ميثرة عبد الله فاذا هي ارجوان . فرجعت الى اسماء فخبرتها فقالت هذه جبة رسول الله صلى الله عليه وسلم . فاخرجت الى جبة طيالسة كسروانية لها لبنة ديباج وفرجيها مكفوفين بالديباج فقالت هذه كانت عند عايشة حتى قبضت فلما قبضت قبضتها وكان النبي صلى الله عليه وسلم يلبسها فنحن نغسلها للمرضى يستشفى بها
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... খলীফা ইবনু কা'ব আবূ যুবয়্যান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে খুতবায় এ কথা বলতে শুনেছি যে, হুশিয়ার! তোমরা তোমাদের মহিলাদেরকে রেশমী বস্তু পরাবে না। কেননা আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রেশমী কাপড় পরিধান করো না। কারণ পৃথিবীতে যে লোক তা পরিধান করবে, আখিরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبيد بن سعيد، عن شعبة، عن خليفة بن كعب، ابي ذبيان قال سمعت عبد الله بن الزبير، يخطب يقول الا لا تلبسوا نساءكم الحرير فاني سمعت عمر بن الخطاب يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تلبسوا الحرير فانه من لبسه في الدنيا لم يلبسه في الاخرة
আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আজারবাইজান এ ছিলাম। এ সময় উমার (রাযিঃ) আমাদের (দলনেতার) কাছে চিঠি লিখলেন, হে উতবাহ ইবনু ফারকাদ! এ ধন-সম্পদ তোমার কষ্টার্জিত নয়, তোমার বাবা-মায়েরও কষ্টার্জিত নয়। তাই তুমি যেরূপে নিজ বাড়িতে পেটপুরে ভক্ষণ করো, তেমনিভাবে মুসলিমদের বাড়িতে পৌছে দিয়ে তাদেরকেও পেটপুরে ভক্ষণ করাও। আর সাবধান, মুশরিকদের ভোগ-বিলাস বেশভূষণ এবং রেশমী কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকবে। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী কাপড় পরতে বারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, তবে এ পরিমাণ বৈধ রয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুলদ্বয় একসাথে করে আমাদের সম্মুখে তুলে ধরলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا احمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا عاصم الاحول، عن ابي، عثمان قال كتب الينا عمر ونحن باذربيجان يا عتبة بن فرقد انه ليس من كدك ولا من كد ابيك ولا من كد امك فاشبع المسلمين في رحالهم مما تشبع منه في رحلك واياكم والتنعم وزي اهل الشرك ولبوس الحرير فان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لبوس الحرير . قال " الا هكذا " . ورفع لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم اصبعيه الوسطى والسبابة وضمهما قال زهير قال عاصم هذا في الكتاب . قال ورفع زهير اصبعيه
যুহায়র ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আসিম (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রেশমী বস্ত্র সম্পর্কে হুবহু বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير بن عبد الحميد، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا حفص بن غياث، كلاهما عن عاصم، بهذا الاسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم في الحرير بمثله
(…/...) ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমার (রাযিঃ) এর চিঠি আসলো। উক্ত চিঠিতে ছিল যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রেশমী বস্ত্র শুধু সে ব্যক্তিই পরবে, আখিরাতে যার কোন অংশ নেই। তবে এ পরিমাণ বৈধ রয়েছে। আবূ উসমান (রহঃ) তার বৃদ্ধাঙ্গুল সংলগ্ন দুটি আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। আমি সে দুটোতে তায়ালিসার বোতাম লক্ষ্য করলাম। এমন কি আমি তায়ালিসাহও (সবুজ রং এর চাদর) দেখলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي شيبة، - وهو عثمان - واسحاق بن ابراهيم الحنظلي كلاهما عن جرير، - واللفظ لاسحاق - اخبرنا جرير، عن سليمان التيمي، عن ابي عثمان، قال كنا مع عتبة بن فرقد فجاءنا كتاب عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يلبس الحرير الا من ليس له منه شىء في الاخرة الا هكذا " . وقال ابو عثمان باصبعيه اللتين تليان الابهام . فرييتهما ازرار الطيالسة حين رايت الطيالسة
(…) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। রাবী পরের অংশ জারীরের হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى، حدثنا المعتمر، عن ابيه، حدثنا ابو عثمان، قال كنا مع عتبة بن فرقد بمثل حديث جرير
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ উসমান (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উতবাহ ইবনু ফারকাদ (রহঃ) এর সঙ্গে আজারবাইজান কিংবা সিরিয়ায় ছিলাম। তখন আমাদের নিকট উমার (রাযিঃ) এর কাছ থেকে এ মর্মে একটি চিঠি এলো যে, আম্মা বা'দ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে বারণ করেছেন, তবে দু' আঙ্গুল পরিমাণ হলে বৈধ হবে। আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমাদের বুঝতে দেরী হলো না যে, তিনি (এ দ্বারা) নকশী ও নকশার দিকে ইশারা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت ابا عثمان النهدي، قال جاءنا كتاب عمر ونحن باذربيجان مع عتبة بن فرقد او بالشام اما بعد فان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الحرير الا هكذا اصبعين . قال ابو عثمان فما عتمنا انه يعني الاعلام
(…/...) আবূ গাসসান মিসমা’ঈ ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ...... কাতাদাহ (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে অবিকল বর্ণিত আছে। কিন্তু তিনি আবূ উসমান (রহঃ) এর কথাটি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - حدثني ابي، عن قتادة، بهذا الاسناد مثله ولم يذكر قول ابي عثمان
(…) উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল-কাওয়ারীরী আবূ গাসসান আল-মিসমাঈ, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, (একদা) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) জাবিয়াহ্ নামক জায়গায় বক্তব্য প্রদানকালে বললেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী কাপড় পরতে বারণ করেছেন। কিন্তু যদি দু' আঙ্গুল বা তিন আঙ্গুল বা চার আঙ্গুল পরিমাণ হয়। (তাহলে বৈধ হবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، وابو غسان المسمعي وزهير بن حرب واسحاق بن ابراهيم ومحمد بن المثنى وابن بشار - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا - معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن عامر الشعبي، عن سويد بن غفلة، ان عمر، بن الخطاب خطب بالجابية فقال نهى نبي الله صلى الله عليه وسلم عن لبس الحرير الا موضع اصبعين او ثلاث او اربع
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ রুয্যী (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن عبد الله الرزي، اخبرنا عبد الوهاب بن عطاء، عن سعيد، عن قتادة، بهذا الاسناد مثله
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হান্যালী, ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব ও হাজ্জাজ ইবনু শা'ইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাটি রেশমের প্রস্তুতকৃত একটি কাবা গায়ে দিলেন, যা তাকে হাদিয়া (উপঢৌকন) দেয়া হয়েছিল। তারপর তিনি সেটি দ্রুত খুলে ফেললেন। অতঃপর সেটি উমার ইবনুল খাত্তাবের কাছে প্রেরণ করলেন। তাকে বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল! আপনি দ্রুত এটি খুলে ফেললেন যে? তিনি বললেন জিবরীল (আঃ) আমাকে এটি পরিধান করতে বারণ করেছেন। এরপর উমার (রাযিঃ) ক্ৰন্দনরত অবস্থায় তার নিকটে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি যে জিনিস পছন্দ করলেন না তা আমাকে দিলেন, আমার উপায় কি? সে সময় তিনি বললেন, আমি তোমাকে এটি পরিধান করতে দেইনি। আমি শুধু তোমাকে বিক্রয় করার জন্য দিয়েছি। পরে উমর (রাযিঃ) সেটি দু'হাজার দিরহামে বেচে দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، واسحاق بن ابراهيم الحنظلي، ويحيى بن حبيب، وحجاج بن الشاعر - واللفظ لابن حبيب - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول لبس النبي صلى الله عليه وسلم يوما قباء من ديباج اهدي له ثم اوشك ان نزعه فارسل به الى عمر بن الخطاب فقيل له قد اوشك ما نزعته يا رسول الله . فقال " نهاني عنه جبريل " . فجاءه عمر يبكي فقال يا رسول الله كرهت امرا واعطيتنيه فما لي قال " اني لم اعطكه لتلبسه انما اعطيتكه تبيعه " . فباعه بالفى درهم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি লাল রংয়ের হুল্লা উপঢৌকন দেয়া হলো। অতঃপর তিনি তা আমার নিকট প্রেরণ করলেন। আমি সেটি পরিধান করলে তার মুখমণ্ডলে ক্রোধ দর্শন করলাম। তিনি বললেন, আমি এটি পরিধান করার জন্য তোমার নিকট পাঠাইনি। পাঠিয়েছি শুধু এজন্য যে, তুমি এটি কেটে ওড়না হিসেবে (তোমার) স্ত্রীদের মধ্যে ভাগ করে দেবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - حدثنا شعبة، عن ابي عون، قال سمعت ابا صالح، يحدث عن علي، قال اهديت لرسول الله صلى الله عليه وسلم حلة سيراء فبعث بها الى فلبستها فعرفت الغضب في وجهه فقال " اني لم ابعث بها اليك لتلبسها انما بعثت بها اليك لتشققها خمرا بين النساء
(…/...) উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ ‘আওন (রহঃ) হতে উপরোক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত রয়েছে। কিন্তু মু'আয (রহঃ) এর হাদীসে আছে, তারপর তার নির্দেশে আমি তা আমার স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। আর মুহাম্মাদ ইবনু জাফার (রহঃ) এর হাদীসে আছে, পরে আমি আমার মহিলাদের মধ্যে সেটি বণ্টন করে দিলাম’। তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ দেয়ার কথা বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي ح، وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - قالا حدثنا شعبة، عن ابي عون، بهذا الاسناد في حديث معاذ فامرني فاطرتها بين نسايي . وفي حديث محمد بن جعفر فاطرتها بين نسايي . ولم يذكر فامرني
(…) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, দুমাহ নিবাসী উকাইদির নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একটি রেশম বস্ত্র উপহার দিলে তিনি তা আলী (রাযিঃ) কে দিয়ে বললেন, তুমি এটি কেটে ফাতিমাদের মধ্যে বণ্টন করে দাও। আবূ বাকর ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) এর বর্ণনায় 'ফাতিমাদের' স্থলে 'মহিলাদের' কথা উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب وزهير بن حرب - واللفظ لزهير - قال ابو كريب اخبرنا وقال الاخران، حدثنا وكيع، عن مسعر، عن ابي عون الثقفي، عن ابي صالح الحنفي، عن علي، ان اكيدر، دومة اهدى الى النبي صلى الله عليه وسلم ثوب حرير فاعطاه عليا فقال " شققه خمرا بين الفواطم " . وقال ابو بكر وابو كريب " بين النسوة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) .....আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি লাল রংয়ের হুল্লা দিলেন। আমি তা পরিধান করে বের হলে তার চেহারা ভীষণ রাগাম্বিত দেখলাম। তিনি বলেন, পরে আমি তা ছিড়ে আমার স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করে দিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، عن عبد الملك بن ميسرة، عن زيد بن وهب، عن علي بن ابي طالب، قال كساني رسول الله صلى الله عليه وسلم حلة سيراء فخرجت فيها فرايت الغضب في وجهه - قال - فشققتها بين نسايي
শাইবান ইবনু ফাররূখ ও আবূ কামিল (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমার (রাযিঃ) এর কাছে একটি রেশমী আলখাল্লা প্রেরণ করলে উমার (রাযিঃ) বললেন, আপনি এটি আমার নিকটে প্রেরণ করলেন, অথচ আপনি এটি সম্পর্কে কত কিছু না বলেছেন? তিনি বললেনঃ আমি সেটা এজন্য পাঠাইনি যে, তুমি তা ব্যবহার করবে। আমি শুধু এজন্য প্রেরণ করেছি যে, তুমি এর ক্রয়কৃত অর্থ দিয়ে লাভবান হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا شيبان بن فروخ، وابو كامل - واللفظ لابي كامل - قالا حدثنا ابو عوانة عن عبد الرحمن بن الاصم، عن انس بن مالك، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم الى عمر بجبة سندس فقال عمر بعثت بها الى وقد قلت فيها ما قلت قال " اني لم ابعث بها اليك لتلبسها وانما بعثت بها اليك لتنتفع بثمنها
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক ইহকালে রেশম জাতীয় বস্ত্র পরে, আখিরাতে সে তা পরিধান করতে পারবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫২৫১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا اسماعيل، - وهو ابن علية - عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه في الاخرة