Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬৭ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সেনাবাহিনী পাঠান এবং এক ব্যক্তিকে তার আমীর নিযুক্ত করে দেন। সে একটি অগ্নিকুণ্ড প্রজ্জ্বলিত করলো এবং তাদেরকে তাতে ঝাপ দিতে নির্দেশ দিল। একদল লোক তাতে ঝাপ দিতে প্রস্তুতি নিলো এবং অপর একদল বলল, আমরা (ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে তো) আগুন থেকেই পালিয়ে এসেছি। (সুতরাং আগুনে ঝাপ দেয়ার প্রশ্নই উঠে না) যথাসময়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে সে ব্যাপারটি উথাপিত হলো। তখন তিনি যারা আগুনে ঝাপ দিতে প্রস্তুত হয়েছিল তাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, যদি তোমরা তাতে প্রবেশ করতে তাহলে কিয়ামত পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করতেন। পক্ষান্তরে অপরদলকে লক্ষ্য করে তিনি ভাল কথা বললেন। তিনি আরো বললেন, আল্লাহর অবাধ্যতা হয় এমন কাজে আনুগত্য নেই। আনুগত্য কেবলই ভাল কাজে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن زبيد، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن علي، انعليه وسلم بعث جيشا وامر عليهم رجلا فاوقد نارا وقال ادخلوها . فاراد ناس ان يدخلوها وقال الاخرون انا قد فررنا منها . فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال للذين ارادوا ان يدخلوها " لو دخلتموها لم تزالوا فيها الى يوم القيامة " . وقال للاخرين قولا حسنا وقال " لا طاعة في معصية الله انما الطاعة في المعروف
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, যুহায়র ইবনু হারব এবং আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক অভিযানে একটি বাহিনী প্রেরণ করলেন এবং জনৈক আনসারীকে তাদের আমীর নিযুক্ত করে দিলেন। তাদেরকে তার কথা শুনতে ও আনুগত্য করতে আদেশ করলেন। তারপর কোন বিষয়ে তারা তাকে রাগান্বিত করে তুলল। সে তখন বলল, আমার জন্য কাঠ কুড়িয়ে এনে একত্রিত করো। তারা তা করলো। এরপর সে বলল, আগুন প্রজ্জ্বলিত কর। তখন তারা আগুন প্রজ্জ্বলিত করল। তারপর সে বলল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তোমাদেরকে আমার কথা শুনার এবং আমার আনুগত্য করার নির্দেশ দেননি? তারা বলল, জী-হ্যাঁ। তখন সে বলল, তাহলে তোমরা এবার এ আগুনে ঝাপ দাও। তখন তারা পরস্পরে পরস্পরের দিকে তাকাতে শুরু করলো। তারপর তারা জবাব দিলো- আমরা তো এ আগুন থেকে বাচার জন্যই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শরণাপন্ন হয়েছি। তারা আগুনে ঝাঁপ দিলেন না। তার ক্রোধ প্রশমিত হলো এবং আগুন নিভিয়ে দেয়া হলো। তারপর যখন তারা ফিরে এলো এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বিষয়টি উত্থাপন করলো তখন তিনি বললেন, যদি তারা তখন আগুনে ঝাপ দিতো, তাহলে আর বেরোতে পারতো না। আনুগত্য কেবল সৎ কাজে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، وابو سعيد الاشج - وتقاربوا في اللفظ - قالوا حدثنا وكيع، حدثنا الاعمش، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، عن علي، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم سرية واستعمل عليهم رجلا من الانصار وامرهم ان يسمعوا له ويطيعوا فاغضبوه في شىء فقال اجمعوا لي حطبا . فجمعوا له ثم قال اوقدوا نارا . فاوقدوا ثم قال الم يامركم رسول الله صلى الله عليه وسلم ان تسمعوا لي وتطيعوا قالوا بلى . قال فادخلوها . قال فنظر بعضهم الى بعض فقالوا انما فررنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم من النار . فكانوا كذلك وسكن غضبه وطفيت النار فلما رجعوا ذكروا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " لو دخلوها ما خرجوا منها انما الطاعة في المعروف
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৬১৬/(ক)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، وابو معاوية عن الاعمش، بهذا الاسناد نحوه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... উবাদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বাই’আত হলাম এ মর্মে যে, আমরা শুনবো ও মানবো, সংকটের সময় ও স্বাচ্ছন্দ্যের সময়, খুশীর অবস্থায় ও অপছন্দের অবস্থায় এবং আমাদের উপর অন্যদেরকে প্রাধান্য দিলেও। আর এ মর্মে যে, আমরা যোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্ব বরণ করে নিতে কোনরূপ কোন্দল করবো না। আর এ মর্মে যে, আমরা যেখানেই থাকবো হক কথা বলব। আল্লাহর ব্যাপারে কোন ভৎসনাকারীর ভৎসনাকে ভয় করবো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن يحيى بن سعيد، وعبيد الله بن عمر عن عبادة بن الوليد بن عبادة، عن ابيه، عن جده، قال بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على السمع والطاعة في العسر واليسر والمنشط والمكره وعلى اثرة علينا وعلى ان لا ننازع الامر اهله وعلى ان نقول بالحق اينما كنا لا نخاف في الله لومة لايم
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... উবাদাহ্ ইবনু ওয়ালীদের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا عبد الله، - يعني ابن ادريس - حدثنا ابن عجلان، وعبيد الله بن عمر ويحيى بن سعيد عن عبادة بن الوليد، في هذا الاسناد مثله
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বাই’আত হই। এরপর ইবনু ইদ্রীস এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن يزيد، - وهو ابن الهاد - عن عبادة بن الوليد بن عبادة بن الصامت، عن ابيه، حدثني ابي قال، بايعنا رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابن ادريس
আহমাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু ওয়াহব ইবনু মুসলিম (রহঃ) ..... যুনাদাহ ইবনু আবূ উমাইয়াহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, আমরা উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) এর খিদমাতে গেলাম। তখন তিনি রোগগ্রস্ত। আমরা আরয করলাম, আল্লাহ আপনাকে আরোগ্য করুন। আমাদেরকে এমন কোন হাদীস বলুন- যা দ্বারা আল্লাহ আমাদেরকে উপকৃত করবেন, যা আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে শুনেছেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ডাকলেন এবং আমরা বাই’আত হলাম। তিনি তখন আমাদেরকে যে শপথ গ্রহণ করান তার মধ্যে ছিল- আমরা শুনবো ও মেনে চলব, আমাদের খুশী অবস্থায় ও বিরক্ত অবস্থায়, আমাদের সংকটে ও স্বাচ্ছন্দ্যে এবং আমাদের উপর অন্যকে প্রাধান্য দিলেও সুযোগ্য ব্যক্তির সাথে আমরা নেতৃত্ব নিয়ে কোন্দল করবো না। তিনি বলেন- যাবৎ না তোমরা তার মধ্যে প্রকাশ্য কুফর দেখতে পাবে এবং তোমাদের কাছে এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে আল্লাহর সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬১৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا احمد بن عبد الرحمن بن وهب بن مسلم، حدثنا عمي عبد الله بن وهب، حدثنا عمرو بن الحارث، حدثني بكير، عن بسر بن سعيد، عن جنادة بن ابي امية، قال دخلنا على عبادة بن الصامت وهو مريض فقلنا حدثنا اصلحك الله، بحديث ينفع الله به سمعته من، رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال دعانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعناه فكان فيما اخذ علينا ان بايعنا على السمع والطاعة في منشطنا ومكرهنا وعسرنا ويسرنا واثرة علينا وان لا ننازع الامر اهله قال " الا ان تروا كفرا بواحا عندكم من الله فيه برهان
ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমাম বা শাসক ঢাল স্বরূপ। তার নেতৃত্বে যুদ্ধ করা হয় এবং শত্রুর ক্ষতি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। সে যদি তাকওয়া বা আল্লাহভীতি ও ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করে, তবে তার জন্য সে পুরস্কৃত হবে। আর যদি ন্যায় ব্যতীত অন্য কিছু আদেশ করে তবে সে পাপের জন্য দায়ী হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابراهيم، عن مسلم، حدثني زهير بن حرب، حدثنا شبابة، حدثني ورقاء، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انما الامام جنة يقاتل من ورايه ويتقى به فان امر بتقوى الله عز وجل وعدل كان له بذلك اجر وان يامر بغيره كان عليه منه
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হাযিম (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সাথে পাঁচ বছর থেকেছি। আমি তার কাছে শুনেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বনী ইসরাঈলদের পরিচালনা করতেন নবীগণ। তাদের মধ্যকার একজন নবী মৃত্যুবরণ করলে অপর একজন নবী তার স্থলাভিষিক্ত হতেন। আমার পরে আর কোন নবী নেই বরং খলীফাগণ হবেন এবং তারা সংখ্যায় প্রচুর হবেন। তখন সাহাবীগণ বললেনঃ তাহলে আপনি (এ ব্যাপারে) আমাদেরকে কী আদেশ করেন? তিনি বললেনঃ যার হাতে প্রথম বাই’আত বা আনুগত্যের শপথ করবে, তারই আনুগত্য করবে এবং তাদেরকে তাদের হক প্রদান করবে, আল্লাহই তাদেরকে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন তারা কতটুকু দায়িত্ব পালন করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن فرات القزاز، عن ابي حازم، قال قاعدت ابا هريرة خمس سنين فسمعته يحدث، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كانت بنو اسراييل تسوسهم الانبياء كلما هلك نبي خلفه نبي وانه لا نبي بعدي وستكون خلفاء فتكثر " . قالوا فما تامرنا قال " فوا ببيعة الاول فالاول واعطوهم حقهم فان الله سايلهم عما استرعاهم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ এবং আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী (রহঃ) ..... হাসান ইবনু ফুরাত (রহঃ) সূত্রে উপরোক্ত বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعبد الله بن براد الاشعري، قالا حدثنا عبد الله، بن ادريس عن الحسن بن فرات، عن ابيه، بهذا الاسناد مثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবূ সাঈদ আশাজ্জ, আবূ কুরায়ব, ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম, আলী ইবনু খাশরাম ও উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) .... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার পরে স্বজনপ্রীতি ও তোমাদের অপছন্দনীয় অনেক কিছু ঘটবে। তখন সাহাবাগণ বললেন, আমাদের মধ্যকার যারা তা পাবে তাদের ব্যাপারে আপনার নির্দেশ কী হে আল্লাহর রসূল? তিনি বললেন, তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব তোমরা পালন করে যাবে, আর তোমাদের প্রাপ্য হক তোমরা আল্লাহর কাছে চাইবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو الاحوص، ووكيع، ح وحدثني ابو سعيد، الاشج حدثنا وكيع، ح وحدثنا ابو كريب، وابن، نمير قالا حدثنا ابو معاوية، ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، وعلي بن خشرم، قالا اخبرنا عيسى بن يونس، كلهم عن الاعمش، ح وحدثنا عثمان بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا جرير، عن الاعمش، عن زيد بن، وهب عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انها ستكون بعدي اثرة وامور تنكرونها " . قالوا يا رسول الله كيف تامر من ادرك منا ذلك قال " تودون الحق الذي عليكم وتسالون الله الذي لكم
যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... 'আবদুর রহমান ইবনু আবদ রাব্বিল কা'বা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদা মসজিদে প্রবেশ করলাম। তখন 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাযিঃ) কাবার ছায়ায় বসেছিলেন। লোকজন তাকে চারপাশ থেকে ঘিরেছিল। আমি তাদের নিকট গেলাম এবং তার পাশেই বসে পড়লাম। তখন তিনি বললেন, কোন সফরে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমরা একটি অবস্থান গ্রহণ করলাম। আমাদের মধ্যকার কেউ তখন তার তাবু ঠিকঠাক করছিল, কেউ তীর ছুড়ছিল, কেউ তার পশুপাল দেখাশুনা করছিল। এমন সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নকীব হাঁক দিল নামাযের ব্যবস্থা প্রস্তুত! তখন আমরা গিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পাশে মিলিত হলাম। তিনি বললেনঃ আমার পূর্বে এমন কোন নবী অতিবাহিত হননি যার উপর এ দায়িত্ব বর্তায়নি যে, তিনি তাদের জন্য যে মঙ্গলজনক ব্যাপার জানতে পেরেছেন তা উম্মাতদেরকে নির্দেশনা দেননি এবং তিনি তার জন্য যে অনিষ্টকর ব্যাপার জানতে পেরেছেন, সে বিষয়ে তাদেরকে সাবধান করেননি। আর তোমাদের এ উম্মাত (উম্মাতে মুহাম্মাদ)-এর প্রথম অংশে তার কল্যাণ নিহিত এবং এর শেষ অংশ অচিরেই নানাবিধ পরীক্ষা ও বিপর্যয়ের এবং এমন সব ব্যাপারের সম্মুখীন হবে, যা তোমাদের নিকট অপছন্দনীয় হবে। এমন সব বিপর্যয় একাদিক্রমে আসতে থাকবে যে, একটি অপরটিকে ছোট প্রতিপন্ন করবে। একটি বিপর্যয় আসবে তখন মু'মিন ব্যক্তি বলবে- এটা আমার জন্য ধ্বংসাত্মক, তারপর যখন তা দূর হয়ে অপর বিপর্যয়টি আসবে তখন মুমিন ব্যক্তি বলবে, আমি তো শেষ হয়ে যাচ্ছি ইত্যাদি। সুতরাং, যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে দূরে থাকতে চায় এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায় তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় আসে যে, সে আল্লাহ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি ঈমান রাখে এবং সে যেন মানুষের সাথে এমনি আচরণ করে যে আচরণ সে তার নিজের জন্য পছন্দ করে। আর যে ব্যক্তি কোন ইমাম (বা নেতা) এর হাতে বাই’আত হয়— আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করে তার হাতে হাত দিয়ে এবং অন্তরে সে ইচ্ছা পোষণ করে, তবে সে যেন সাধ্যানুসারে তার আনুগত্য করে যায়। তারপর যদি অপর কেউ তার সাথে (নেতৃত্ব লাভের অভিলাষে) ঝগড়ায় প্রবৃত্ত হয় তবে ঐ পরবর্তী জনের গর্দান উড়িয়ে দেবে। (রাবী বলেন) তখন আমি তার নিকটে ঘেষলাম এবং তাকে বললাম, আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি সত্যিই আপনি (নিজ কানে) কি তা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে শুনেছেন? তখন তিনি তার দু’কান ও অন্তঃকরণের দিকে দু'হাত দিয়ে ইশারা করে বললেন, আমার দু’কান তা শুনেছে এবং আমার অন্তঃকরণ তা সংরক্ষণ করেছে। তখন আমি তাকে লক্ষ্য করে বললাম, ঐ যে আপনার চাচাতো ভাই মু'আবিয়্যাহ্ (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হন) তিনি আমাদেরকে আদেশ দেন যেন আমরা আমাদের পরস্পরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করি আর নিজেদের মধ্যে পরস্পরে হানাহানি করি অথচ আল্লাহ বলেছেন, "হে মু’মিনগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না, ব্যবসার মাধ্যমে পারস্পরিক সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যতীত এবং তোমরা পরস্পরে হানাহানি করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি অত্যন্ত মেহেরবান"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ২৯)। রাবী বলেন, তখন তিনি কিছুক্ষণের জন্য চুপ থাকলেন। তারপর বললেন, আল্লাহর আনুগত্যের ব্যাপারসমূহে তুমি তার আনুগত্য করবে এবং আল্লাহর অবাধ্যতার বিষয়গুলোতে তার অবাধ্যতা করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৪, ইসলামিক সেন্টার)
(…/…) আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, আবূ সাঈদ আশাজ্জ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... আ'মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن، نمير وابو سعيد الاشج قالوا حدثنا وكيع، ح وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، كلاهما عن الاعمش، بهذا الاسناد نحوه
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ..... আবদুর রহমান ইবনু আবদ রাব্বিল কা'বাহ সায়িদী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদল লোককে কা'বার নিকট দেখলাম। অতঃপর আ'মাশ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا ابو المنذر، اسماعيل بن عمر حدثنا يونس بن، ابي اسحاق الهمداني حدثنا عبد الله بن ابي السفر، عن عامر، عن عبد الرحمن بن عبد، رب الكعبة الصايدي قال رايت جماعة عند الكعبة . فذكر نحو حديث الاعمش
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) .... উসায়দ ইবনু হুযায়র (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, জনৈক আনসার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো আপনি ওমুককে যেভাবে কর্মচারী নিযুক্ত করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয (কাওসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن انس بن مالك، عن اسيد بن حضير، ان رجلا، من الانصار خلا برسول الله صلى الله عليه وسلم فقال الا تستعملني كما استعملت فلانا فقال " انكم ستلقون بعدي اثرة فاصبروا حتى تلقوني على الحوض
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... ওয়ায়িল হাযরামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সালামাহ্ ইবনু ইয়াযীদ আল জু'ফী (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ মর্মে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর নবী! যদি আমাদের উপর এমন শাসকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তারা তাদের হক তো আমাদের কাছে দাবী করে কিন্তু আমাদের হক তারা দেয়না। এমতাবস্থায় আপনি আমাদেরকে কী করতে বলেন? তিনি তার উত্তর এড়িয়ে গেলেন। তিনি আবার তাকে প্রশ্ন করলেন। আবার তিনি এড়িয়ে গেলেন। এভাবে প্রশ্নকারী দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন আশ'আস ইবনু কায়স (রাযিঃ) তাকে (সালামাকে) টেনে নিলেন এবং বললেন, তোমরা শুনবে এবং মানবে। কেননা তাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর বর্তাবে আর তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬২৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وايل الحضرمي، عن ابيه، قال سال سلمة بن يزيد الجعفي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله ارايت ان قامت علينا امراء يسالونا حقهم ويمنعونا حقنا فما تامرنا فاعرض عنه ثم ساله فاعرض عنه ثم ساله في الثانية او في الثالثة فجذبه الاشعث بن قيس وقال " اسمعوا واطيعوا فانما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... সিমাক (রহঃ) হতে উক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ বর্ণনাতে আছে, আশ'আস ইবনু কায়স তাকে টেনে নিলেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা শুনবে ও মানবে। কেননা তাদের দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর এবং তোমাদের দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৩০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، عن سماك، بهذا الاسناد مثله وقال فجذبه الاشعث بن قيس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسمعوا واطيعوا فانما عليهم ما حملوا وعليكم ما حملتم
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ..... আবূ ইদরীস খাওলানী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি যে, লোকজন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কল্যাণের বিষয়ে প্রশ্ন করতো আর আমি তার নিকট প্রশ্ন করতাম অকল্যাণ সম্পর্কে এ ভয়ে যে, পরে না তা আমাকে পেয়ে বসে। তাই আমি (কোন এক সময়) প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা ছিলাম অজ্ঞতা ও অমঙ্গলের মধ্যে। তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য এ কল্যাণ প্রদান করলেন। এ কল্যাণের পরও কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারপর আমি বললাম, ঐ অকল্যাণের পর কি আবার কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে তাতে ধুম্ৰতা আছে। আমি বললাম, কী সে ধুম্ৰতা? তিনি বললেন, তখন এমন একদল লোকের উদ্ভব হবে যারা আমার প্রবর্তিত পদ্ধতি ছাড়া অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করবে, আমার প্রদর্শিত হিদায়াতের পথ ছেড়ে অন্যত্র হিদায়াত তুমি খুঁজবে। দেখবে তাদের মধ্যে ভাল মন্দ উভয়টাই। তখন আমি আরয করলাম, এ কল্যাণের পর কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জাহান্নামের দরজার দিকে আহ্বানকারীদের উদ্ভব হবে। যারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে তারা তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করবে। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহর রসূল! তাদের পরিচয় ব্যক্ত করুন। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাদের বর্ণ হবে আমাদেরই মতো এবং তারা আমাদেরই ভাষায় কথা বলবে। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! যদি আমরা সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তবে আমাদেরকে আপনি কী করতে বলেন? তিনি বললেন, তোমরা মুসলিমদের জামাআত ও ইমামের সাথে আঁকড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তাদের কোন জামা'আত বা ইমাম না থাকে? তিনি বললেন, তা হলে সে সব বিচ্ছিন্নতাবাদ থেকে তুমি আলাদা থাকবে- যদিও তুমি একটি বৃক্ষমূল দাত দিয়ে আঁকড়ে থাক এবং এ অবস্থায়ই মৃত্যু তোমার নাগাল পায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৩১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا عبد الرحمن بن يزيد بن، جابر حدثني بسر بن عبيد الله الحضرمي، انه سمع ابا ادريس الخولاني، يقول سمعت حذيفة بن اليمان، يقول كان الناس يسالون رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الخير وكنت اساله عن الشر مخافة ان يدركني فقلت يا رسول الله انا كنا في جاهلية وشر فجاءنا الله بهذا الخير فهل بعد هذا الخير شر قال " نعم " فقلت هل بعد ذلك الشر من خير قال " نعم وفيه دخن " . قلت وما دخنه قال " قوم يستنون بغير سنتي ويهدون بغير هديي تعرف منهم وتنكر " . فقلت هل بعد ذلك الخير من شر قال " نعم دعاة على ابواب جهنم من اجابهم اليها قذفوه فيها " . فقلت يا رسول الله صفهم لنا . قال " نعم قوم من جلدتنا ويتكلمون بالسنتنا " . قلت يا رسول الله فما ترى ان ادركني ذلك قال " تلزم جماعة المسلمين وامامهم " . فقلت فان لم تكن لهم جماعة ولا امام قال " فاعتزل تلك الفرق كلها ولو ان تعض على اصل شجرة حتى يدركك الموت وانت على ذلك
মুহাম্মাদ ইবনু সাহল ইবনু আসকার তামীমী ও আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... হুযাইফাহ ইবনু ইয়ামান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন- আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমরা ছিলাম অকল্যাণের মধ্যে; তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য কল্যাণ নিয়ে আসলেন। আমরা তাতে অবস্থান করছি। এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি বললাম, তা কিভাবে? তিনি বললেন, আমার পরে এমন সব নেতার উদ্ভব হবে, যারা আমার হিদায়াতে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে না এবং আমার সুন্নাতও তারা অবলম্বন করবে না। অচিরেই তাদের মধ্যে এমন সব ব্যক্তির উদ্ভব হবে, যাদের আত্মা হবে মানব দেহে শাইতানের আত্মা। রাবী বলেন, তখন আমি বললাম, তখন আমরা কী করবো হে আল্লাহর রসূল! যদি আমরা সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই? বললেন, তুমি আমীরের কথা শুনবে এবং মানবে যদি তোমার পিঠে বেত্ৰাঘাত করা হয় বা তোমার ধন-সম্পদ কেড়েও নেয়া হয়, তবুও তুমি শুনবে এবং মানবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৩২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن سهل بن عسكر التميمي، حدثنا يحيى بن حسان، ح وحدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، اخبرنا يحيى، - وهو ابن حسان - حدثنا معاوية، - يعني ابن سلام - حدثنا زيد بن سلام، عن ابي سلام، قال قال حذيفة بن اليمان قلت يا رسول الله انا كنا بشر فجاء الله بخير فنحن فيه فهل من وراء هذا الخير شر قال نعم . قلت هل وراء ذلك الشر خير قال " نعم " . قلت فهل وراء ذلك الخير شر قال " نعم " . قلت كيف قال " يكون بعدي ايمة لا يهتدون بهداى ولا يستنون بسنتي وسيقوم فيهم رجال قلوبهم قلوب الشياطين في جثمان انس " . قال قلت كيف اصنع يا رسول الله ان ادركت ذلك قال " تسمع وتطيع للامير وان ضرب ظهرك واخذ مالك فاسمع واطع
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, যে ব্যক্তি (আমীরের) আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং জামা'আত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল সে জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করল। আর যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্ৰপ্রীতির জন্য ক্রুদ্ধ হয় অথবা গোত্র প্রীতির দিকে আহবান করে অথবা গোত্রের সাহায্যার্থে যুদ্ধ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির কোন ব্যাপার থাকে না) আর তাতে নিহত হয়, সে জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করে। আর যে ব্যক্তি আমার উন্মাতের উপর আক্রমণ করে, আমার উম্মাতের ভালমন্দ সকলকেই নির্বিচারে হত্যা করে। মু'মিনকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে সে ওয়াদাবদ্ধ হয় তার ওয়াদাও রক্ষা করে না, সে আমার কেউ নয়, আমিও তার কেউ নই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا جرير، - يعني ابن حازم - حدثنا غيلان بن، جرير عن ابي قيس بن رياح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " من خرج من الطاعة وفارق الجماعة فمات مات ميتة جاهلية ومن قاتل تحت راية عمية يغضب لعصبة او يدعو الى عصبة او ينصر عصبة فقتل فقتلة جاهلية ومن خرج على امتي يضرب برها وفاجرها ولا يتحاش من مومنها ولا يفي لذي عهد عهده فليس مني ولست منه
حدثنا زهير بن حرب، واسحاق بن ابراهيم، قال اسحاق اخبرنا وقال، زهير حدثنا جرير، عن الاعمش، عن زيد بن وهب، عن عبد الرحمن بن عبد رب الكعبة، قال دخلت المسجد فاذا عبد الله بن عمرو بن العاص جالس في ظل الكعبة والناس مجتمعون عليه فاتيتهم فجلست اليه فقال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فنزلنا منزلا فمنا من يصلح خباءه ومنا من ينتضل ومنا من هو في جشره اذ نادى منادي رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جامعة . فاجتمعنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " انه لم يكن نبي قبلي الا كان حقا عليه ان يدل امته على خير ما يعلمه لهم وينذرهم شر ما يعلمه لهم وان امتكم هذه جعل عافيتها في اولها وسيصيب اخرها بلاء وامور تنكرونها وتجيء فتنة فيرقق بعضها بعضا وتجيء الفتنة فيقول المومن هذه مهلكتي . ثم تنكشف وتجيء الفتنة فيقول المومن هذه هذه . فمن احب ان يزحزح عن النار ويدخل الجنة فلتاته منيته وهو يومن بالله واليوم الاخر وليات الى الناس الذي يحب ان يوتى اليه ومن بايع اماما فاعطاه صفقة يده وثمرة قلبه فليطعه ان استطاع فان جاء اخر ينازعه فاضربوا عنق الاخر " . فدنوت منه فقلت له انشدك الله انت سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فاهوى الى اذنيه وقلبه بيديه وقال سمعته اذناى ووعاه قلبي . فقلت له هذا ابن عمك معاوية يامرنا ان ناكل اموالنا بيننا بالباطل ونقتل انفسنا والله يقول { يا ايها الذين امنوا لا تاكلوا اموالكم بينكم بالباطل الا ان تكون تجارة عن تراض منكم ولا تقتلوا انفسكم ان الله كان بكم رحيما} قال فسكت ساعة ثم قال اطعه في طاعة الله واعصه في معصية الله