Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬৭ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বারা (রাযিঃ) কে কুরআন মাজীদের আয়াতঃ "মু'মিনদের মধ্যে যারা ঘরে বসে থাকে ও যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে তারা সমান নয়" সম্পর্কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ (রাযিঃ) কে একটি হাড় নিয়ে আসতে আদেশ করলেন এবং তিনি তাতে তা লিখলেন। তখন ইবনু উম্মু মাকতুম (রাযিঃ) তার (অন্ধত্বের) ওযর সম্পর্কে অনুযোগ করলেন। এ বিষয়ে নাযিল হলোঃ "মু'মিনদের মধ্যে যারা অক্ষম নয় অথচ ঘরে বসে থাকে তারা সমান নয়।" শুবাহ (রহঃ) বলেন, আমার কাছে সাদ ইবনু ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন এক ব্যক্তি সূত্রে তিনি যায়দ (রহঃ) হতে এ আয়াত সম্পর্কে “যারা বসে থাকে তারা সমান নয়।” বাকী হাদীস বারা (রাযিঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। ইবনু বাশশার তার বর্ণনায় বলেছেন, সাদ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) তার পিতা থেকে তিনি এক ব্যক্তি থেকে তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রাযিঃ) থেকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، انه سمع البراء، يقول في هذه الاية لا يستوي القاعدون من المومنين والمجاهدون في سبيل الله فامر رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا فجاء بكتف يكتبها فشكا اليه ابن ام مكتوم ضرارته فنزلت { لا يستوي القاعدون من المومنين غير اولي الضرر} قال شعبة واخبرني سعد بن ابراهيم عن رجل عن زيد بن ثابت في هذه الاية لا يستوي القاعدون من المومنين بمثل حديث البراء وقال ابن بشار في روايته سعد بن ابراهيم عن ابيه عن رجل عن زيد بن ثابت
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ...... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন لاَ يَسْتَوِي الْقَاعِدُونَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ আয়াত নাযিল হল তখন উম্মু মাকতুম (রাযিঃ) সে ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আলাপ করলেন। তখন নাযিল হলো غَيْرُ أُولِي الضَّرَرِ অর্থাৎ, যাদের কোন ওযর নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابن بشر، عن مسعر، حدثني ابو اسحاق، عن البراء، قال لما نزلت { لا يستوي القاعدون من المومنين} كلمه ابن ام مكتوم فنزلت { غير اولي الضرر}
সাঈদ ইবনু আমর আশ'আসী ও সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি জাবির (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, এক ব্যক্তি (এসে) বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি যদি (আল্লাহর রাস্তায়) নিহত হই তবে কোথায় থাকবো। উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জান্নাতে। লোকটি তখন তার হাতের খেজুরগুলো ছুড়ে ফেলে দিয়ে যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো, অবশেষে শহীদ হলো। সুওয়াইদ (রহঃ) এর বর্ণনায় আছে, উহুদ যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن عمرو الاشعثي، وسويد بن سعيد، - واللفظ لسعيد - اخبرنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، يقول قال رجل اين انا يا، رسول الله ان قتلت قال " في الجنة " . فالقى تمرات كن في يده ثم قاتل حتى قتل . وفي حديث سويد قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم يوم احد
–(১৪৪/১৯০০) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বানু নবীতের এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলো। তিনি বলেন, আহমাদ ইবনু জানাব মিসসীসী (রহঃ) বারা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারদের অন্তর্ভুক্ত একটি কবীলা বানু নবীতের এক ব্যক্তি আসলো এবং বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই এবং আপনি তার বান্দা ও রসূল। তারপর সে অগ্রসর হলো এবং যুদ্ধে প্রবৃত্ত হলো। এমনকি শেষ পর্যন্ত সে শহীদ হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে খুবই সহজ কাজ করলো তবে তাকে প্রচুর সাওয়াব দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، عن زكرياء، عن ابي اسحاق، عن البراء، قال جاء رجل من بني النبيت الى النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا احمد بن جناب المصيصي حدثنا عيسى - يعني ابن يونس - عن زكرياء عن ابي اسحاق عن البراء قال جاء رجل من بني النبيت - قبيل من الانصار - فقال اشهد ان لا اله الا الله وانك عبده ورسوله . ثم تقدم فقاتل حتى قتل فقال النبي صلى الله عليه وسلم " عمل هذا يسيرا واجر كثيرا
আবূ বাকর ইবনু নাযর ইবনু আবূ নাযর, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বুসায়সা (রাযিঃ) কে আবূ সুফইয়ানের বাণিজ্যিক কাফিলার গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্যে পাঠান। তারপর তিনি ফিরে আসলেন। তখন আমি ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছাড়া ঘরে আর কেউই ছিল না। রাবী বলেন, আমি স্মরণ করতে পারছি না, তিনি (আনাস) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন সহধর্মিণীর কথাও বলেছেন কি-না। এরপর তিনি সমুদয় ঘটনা বর্ণনা করলেন। অতঃপর বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং (লোকজনকে লক্ষ্য করে) তিনি বললেন, আমি দুশমনের খোজে বের হচ্ছি। যার সওয়ারী মওজুদ আছে সে যেন আমাদের সঙ্গে সওয়ার হয়ে যায়। তখন কিছুলোক মাদীনার উপরাঞ্চল থেকে তাদের সওয়ারী নিয়ে আসার অনুমতি চাইলেন। তখন তিনি বললেন, না; কেবল যাদের সওয়ারী প্রস্তুত আছে তারাই যাবে। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীগণ রওনা করলেন এবং মুশরিকদের পূর্বেই বদরে গিয়ে পৌছলেন। এর পরপরই মুশরিকরা এসে পৌছলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কেউ যেন কোন ব্যাপারে আমার অগ্রবর্তী না হয়, যতক্ষণ না আমি তার সামনে থাকি। এরপর মুশরিকরা নিকটবর্তী হলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা জান্নাতের দিকে অগ্রসর হও যার প্রশস্ততা আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার মত। রাবী বলেন, উমায়র ইবনু হুমাম আনসারী (রাযিঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! জান্নাতের প্রশস্ততা কি আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার ন্যায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ। উমায়র বলে উঠলেন, বাহ, বাহ, কী চমৎকার! তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বাহ, বাহ্, বলতে তোমাকে কিসে উদ্বুদ্ধ করলো হে! তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! বরং আল্লাহর কসম! আমি তার অধিবাসী হওয়ার আশায়ই এরূপ বলেছি। তখন তিনি বললেন, তুমি নিশ্চয়ই তার অধিবাসী (হবে)। রাবী বলেন, তারপর তিনি তার তৃণ থেকে কয়েকটি খেজুর বের করলেন এবং তা খেতে লাগলেন। তারপর বললেন, আমি যদি এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকি তবে তাও হবে এক দীর্ঘ জীবন। রাবী বলেন, তারপর তিনি তার কাছে রক্ষিত খেজুরগুলো ছুড়ে ফেলে দিলেন তারপর জিহাদে প্রবৃত্ত হলেন এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن النضر بن ابي النضر، وهارون بن عبد الله، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد - والفاظهم متقاربة - قالوا حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، - وهو ابن المغيرة - عن ثابت، عن انس بن مالك، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم بسيسة عينا ينظر ما صنعت عير ابي سفيان فجاء وما في البيت احد غيري وغير رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا ادري ما استثنى بعض نسايه قال فحدثه الحديث قال فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم فقال " ان لنا طلبة فمن كان ظهره حاضرا فليركب معنا " . فجعل رجال يستاذنونه في ظهرانهم في علو المدينة فقال " لا الا من كان ظهره حاضرا " . فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم واصحابه حتى سبقوا المشركين الى بدر وجاء المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يقدمن احد منكم الى شىء حتى اكون انا دونه " . فدنا المشركون فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قوموا الى جنة عرضها السموات والارض " . قال يقول عمير بن الحمام الانصاري يا رسول الله جنة عرضها السموات والارض قال " نعم " . قال بخ بخ . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما يحملك على قولك بخ بخ " . قال لا والله يا رسول الله الا رجاءة ان اكون من اهلها . قال " فانك من اهلها " . فاخرج تمرات من قرنه فجعل ياكل منهن ثم قال لين انا حييت حتى اكل تمراتي هذه انها لحياة طويلة - قال - فرمى بما كان معه من التمر . ثم قاتلهم حتى قتل
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী ও কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (রহঃ) বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি- আর তিনি ছিলেন তখন শত্রুর মুখোমুখি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চয়ই জান্নাতের দরজাসমূহ রয়েছে তরবারির ছায়ার নীচে। তখন আলুথালু এক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ালো এবং বলল, হে আবূ মূসা! আপনি কি নিজে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন সে ব্যক্তি তার সাথীবর্গের কাছে ফিরে গেলো। তারপর বলল, আমি তোমাদেরকে (বিদায়ী) সালাম জানাচ্ছি। এরপর সে তার তরবারির কোষ ভেঙ্গে ফেলে তা দূরে নিক্ষেপ করলো। তারপর নিজ তরবারিসহ শক্ৰদের কাছে গিয়ে তা দিয়ে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وقتيبة بن سعيد، - واللفظ ليحيى - قال قتيبة حدثنا وقال، يحيى اخبرنا جعفر بن سليمان، عن ابي عمران الجوني، عن ابي بكر بن، عبد الله بن قيس عن ابيه، قال سمعت ابي وهو، بحضرة العدو يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان ابواب الجنة تحت ظلال السيوف " . فقام رجل رث الهيية فقال يا ابا موسى انت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول هذا قال نعم . قال فرجع الى اصحابه فقال اقرا عليكم السلام . ثم كسر جفن سيفه فالقاه ثم مشى بسيفه الى العدو فضرب به حتى قتل
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কতিপয় লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, আমাদের সঙ্গে এমন কিছু লোক দিন যারা আমাদেরকে কুরআন এবং সুন্নাহ্ শিক্ষা দেবেন। তখন তিনি আনসারদের সত্তর ব্যক্তিকে তাদের সাথে পাঠালেন। তাদেরকে কুররা (কারী সমাজ) বলা হতো। এদের মধ্যে আমার মামা হারামও ছিলেন। তারা কুরআন তিলওয়াত করতেন এবং রাত্রে এর অর্থ অনুধাবন ও শিক্ষায় নিমগ্ন থাকতেন, আর দিনের বেলায় জলাশয়ে গিয়ে পানি এনে মসজিদে রাখতেন এবং কাঠ সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে বিক্রি লব্ধ অর্থে সুফফাবাসীগণ এবং নিঃস্ব ফকীরদের জন্যে আহার্য সামগ্ৰী ক্রয় করতেন। এদেরকেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সঙ্গে পাঠিয়েছিলেন। ওরা তাদের উপর আক্রমণ করলো এবং তারা গন্ত ব্যস্থলে পৌছার পূর্বেই তাদেরকে হত্যা করলো। তখন তারা বললেন, হে আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে আমাদের নবীর নিকট সংবাদ পৌছিয়ে দিন যে, আমরা আপনার সন্নিধানে পৌছে গিয়েছি এবং আপনার প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছি। আর আপনিও আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট রয়েছেন। রাবী বলেন, এক লোক আনাস (রাযিঃ) এর মামা হারাম (রাযিঃ) এর পিছন দিক দিয়ে এসে বর্শা দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা (শহীদ) করে দিল। হারাম (রাযিঃ) বলে উঠলেন, কা'বার প্রভুর কসম! আমি সাফল্যমণ্ডিত হয়েছি। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমাদের ভাইগণ নিহত হয়েছেন। আর (অন্তিম মুহূর্তে) তারা বলেছেন, হে আল্লাহ আমাদের নবীকে সংবাদ পৌছিয়ে দিন যে, আমরা আপনার সন্নিধানে পৌছে গেছি এ অবস্থায় যে, আমরা আপনার প্রতি সন্তুষ্ট আর আপনিও আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا عفان، حدثنا حماد، اخبرنا ثابت، عن انس بن مالك، قال جاء ناس الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا ان ابعث معنا رجالا يعلمونا القران والسنة . فبعث اليهم سبعين رجلا من الانصار يقال لهم القراء فيهم خالي حرام يقرءون القران ويتدارسون بالليل يتعلمون وكانوا بالنهار يجييون بالماء فيضعونه في المسجد ويحتطبون فيبيعونه ويشترون به الطعام لاهل الصفة وللفقراء فبعثهم النبي صلى الله عليه وسلم اليهم فعرضوا لهم فقتلوهم قبل ان يبلغوا المكان . فقالوا اللهم بلغ عنا نبينا انا قد لقيناك فرضينا عنك ورضيت عنا - قال - واتى رجل حراما خال انس من خلفه فطعنه برمح حتى انفذه . فقال حرام فزت ورب الكعبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لاصحابه " ان اخوانكم قد قتلوا وانهم قالوا اللهم بلغ عنا نبينا انا قد لقيناك فرضينا عنك ورضيت عنا
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার যে চাচার নামানুসারে আমার নামকরণ করা হয়েছে সে আনাস (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে শরীক হতে পারেননি। রাবী বলেন, এটা ছিল তার জন্যে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি (প্রায়ই) বলতেন, রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম যে যুদ্ধটি করেছিলেন, তাতে আমি শরীক হতে পারলাম না। এরপর যদি আল্লাহ তা'আলা আমাকে তার কোন যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দান করেন তাহলে আমি কী করি তা আল্লাহ দেখবেন। রাবী বলেন, এর বেশী কিছু বলতে তিনি ভয় পেতেন। তারপর উহুদ যুদ্ধের দিন তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। রাবী বলেন, সাদ ইবনু মু'আয (রাযিঃ) যখন অগ্রসর হলেন তখন আনাস (রাযিঃ) তাকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ আমর কোথায় (যাচ্ছে)? আহা! জান্নাতের ঘ্রাণ আমি উহুদ প্রান্ত থেকে পাচ্ছি। রাবী বলেন, তারপর তিনি কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন এমন কি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়ে গেলেন। রাবী বলেন, তারপর তার মৃত লাশে আশিটিরও অধিক তরবারি, বর্শা ও তীরের চিহ্ন পাওয়া যায়। রাবী আনাস (রাযিঃ) বলেন, তার বোন এবং আমার ফুফু রুবাইয়্যি' বিনতু নাযর (রাযিঃ) বলেন, (শহীদের ক্ষত-বিক্ষত দেহের) কেবল তার আঙ্গুলের জোড়া দেখেই তাকে আমি সনাক্ত করেছি। (অন্য কোন পরিচয়ই অবশিষ্ট ছিল না।) তখন আয়াত নাযিল হলোঃ “এরা হচ্ছে সেসব ব্যক্তি, যারা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণ করে দেখিয়েছে। তাদের কেউ অঙ্গীকার ইতোমধ্যেই পূরণ করে ফেলেছে, আর কেউ তার প্রতীক্ষায় রয়েছে। তারা মোটেই পরিবর্তিত হয়নি”— (সূরা আহযাব ৩৩ঃ ২৩)। রাবী বলেন, সাহাবীগণ মনে করতেন যে এ আয়াতটি তার এবং তার সঙ্গী-সাথীদের সম্পর্কেই নাযিল হয়েছিল।
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، قال قال انس عمي الذي سميت به لم يشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بدرا - قال - فشق عليه قال اول مشهد شهده رسول الله صلى الله عليه وسلم غيبت عنه وان اراني الله مشهدا فيما بعد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليراني الله ما اصنع - قال - فهاب ان يقول غيرها - قال - فشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم احد - قال - فاستقبل سعد بن معاذ فقال له انس يا ابا عمرو اين فقال واها لريح الجنة اجده دون احد - قال - فقاتلهم حتى قتل - قال - فوجد في جسده بضع وثمانون من بين ضربة وطعنة ورمية - قال - فقالت اخته عمتي الربيع بنت النضر فما عرفت اخي الا ببنانه . ونزلت هذه الاية { رجال صدقوا ما عاهدوا الله عليه فمنهم من قضى نحبه ومنهم من ينتظر وما بدلوا تبديلا} قال فكانوا يرون انها نزلت فيه وفي اصحابه
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মূসা আশ'আরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, জনৈক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাতে উপস্থিত হয়ে আরয করলো, হে আল্লাহর রসূল! এক ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে, অন্য এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে স্মরণীয় হওয়ার জন্যে, আর এক ব্যক্তি যুদ্ধ করে নিজের উচ্চমর্যাদা প্রদর্শনের জন্যে। এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর পথে বলে গণ্য হবে? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কালিমা সমুন্নত করার উদ্দেশে যুদ্ধ করে সে ব্যক্তিই আল্লাহর পথে (যুদ্ধ করে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت ابا وايل، قال حدثنا ابو موسى، الاشعري ان رجلا، اعرابيا اتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله الرجل يقاتل للمغنم والرجل يقاتل ليذكر والرجل يقاتل ليرى مكانه فمن في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قاتل لتكون كلمة الله اعلى فهو في سبيل الله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রাযিঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রশ্ন করা হলো, যে ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি গোত্রের স্বার্থ রক্ষার জন্য যুদ্ধ করে, যে ব্যক্তি লোক দেখানোর উদ্দেশে যুদ্ধ করে এগুলোর মধ্যে কোনটি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ (বলে গণ্য হবে)? তখন (জবাবে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে ব্যক্তি এ উদ্দেশে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, (কেবল) সে আল্লাহর রাস্তায় (বলে গণ্য হবে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابن، نمير واسحاق بن ابراهيم ومحمد بن العلاء قال اسحاق اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن شقيق، عن ابي، موسى قال سيل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل يقاتل شجاعة ويقاتل حمية ويقاتل رياء اى ذلك في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম এবং আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য লড়াই করে। তারপর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الاعمش، عن شقيق، عن ابي موسى، قال اتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله الرجل يقاتل منا شجاعة . فذكر مثله
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ মূসা আশ'আর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আল্লাহর পথে যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তখন সে ব্যক্তি বলল, এক ব্যক্তি ক্রোধের বশে যুদ্ধ করে এবং গোত্রের টানে যুদ্ধ করে। তখন তিনি তার দিকে মাথা তুলে তাকালেন। তার এ মাথা তোলা শুধু এজন্যেই ছিল যে সে লোকটি দণ্ডায়মান অবস্থায় ছিল। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি এজন্যে যুদ্ধ করে যে, আল্লাহর বাণী সমুন্নত হবে, কেবল সে আল্লাহর রাহে (যুদ্ধ করে)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن ابي، موسى الاشعري ان رجلا، سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القتال في سبيل الله عز وجل فقال الرجل يقاتل غضبا ويقاتل حمية قال فرفع راسه اليه - وما رفع راسه اليه الا انه كان قايما - فقال " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا فهو في سبيل الله
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল-হারিসী (রহঃ) ..... সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা লোকজন যখন আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর নিকট থেকে বিদায় নিচ্ছিল, তখন সিরিয়াবাসী নাতিল (রহঃ) বললেন, হে শায়খ! আপনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে শুনেছেন এমন একখানা হাদীস আমাদেরকে শুনান। তিনি বলেন, হ্যাঁ! (শুনাবো)। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম যার বিচার করা হবে, সে হচ্ছে এমন একজন যে শহীদ হয়েছিল। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং আল্লাহ তার নিয়ামাতরাশির কথা তাকে বলবেন এবং সে তার সবটাই চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে।) তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, এর বিনিময়ে কী আমল করেছিলে? সে বলবে, আমি তোমারই পথে যুদ্ধ করেছি এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়েছি। তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছো। তুমি বরং এ জন্যেই যুদ্ধ করেছিলে যাতে লোকে তোমাকে বলে, তুমি বীর। তা বলা হয়েছে, এরপর নির্দেশ দেয়া হবে। সে মতে তাকে উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার করা হবে যে জ্ঞান অর্জন ও বিতরণ করেছে এবং কুরআন মাজীদ অধ্যয়ন করেছে। তখন তাকে হাযির করা হবে। আল্লাহ তা'আলা তার প্রদত্ত নি’আমাতের কথা তাকে বলবেন এবং সে তা চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে) তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, এত বড় নি’আমাত পেয়ে বিনিময়ে তুমি কী করলে? জবাবে সে বলবে, আমি জ্ঞান অর্জন করেছি এবং তা শিক্ষা দিয়েছি এবং তোমারই সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে কুরআন অধ্যয়ন করেছি। জবাবে আল্লাহ তা'আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলেছো। তুমি তো জ্ঞান অর্জন করেছিলে এজন্যে যাতে লোকে তোমাকে জ্ঞানী বলে। কুরআন তিলাওয়াত করেছিলে এ জন্যে যাতে লোকে বলে, তুমি একজন কারী। তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে, সে মতে তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার হবে যাকে আল্লাহ তা’আলা সচ্ছলতা এবং সর্ববিধ বিত্ত-বৈভব দান করেছেন। তাকে উপস্থিত করা হবে এবং তাকে প্রদত্ত নিআমাতসমূহের কথা তাকে বলবেন। সে তা চিনতে পারবে (এবং স্বীকারোক্তিও করবে)। তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, এসব নি’আমাতের বিনিময়ে তুমি কী আমল করেছো? জবাবে সে বলবে, সম্পদ ব্যয়ের এমন কোন খাত নেই যাতে সম্পদ ব্যয় করা তুমি পছন্দ কর, আমি সে খাতে তোমার সন্তুষ্টির জন্যে ব্যয় করেছি। তখন আল্লাহ তা'আলা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছে। তুমি বরং এ জন্যে তা করেছিলে যাতে লোকে তোমাকে 'দানবীর’ বলে অভিহিত করে। তা বলা হয়েছে। তারপর নির্দেশ দেয়া হবে। সে মতে তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا ابن جريج، حدثني يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال تفرق الناس عن ابي هريرة، فقال له ناتل اهل الشام ايها الشيخ حدثنا حديثا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان اول الناس يقضى يوم القيامة عليه رجل استشهد فاتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال قاتلت فيك حتى استشهدت . قال كذبت ولكنك قاتلت لان يقال جريء . فقد قيل . ثم امر به فسحب على وجهه حتى القي في النار ورجل تعلم العلم وعلمه وقرا القران فاتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال تعلمت العلم وعلمته وقرات فيك القران . قال كذبت ولكنك تعلمت العلم ليقال عالم . وقرات القران ليقال هو قاري . فقد قيل ثم امر به فسحب على وجهه حتى القي في النار . ورجل وسع الله عليه واعطاه من اصناف المال كله فاتي به فعرفه نعمه فعرفها قال فما عملت فيها قال ما تركت من سبيل تحب ان ينفق فيها الا انفقت فيها لك قال كذبت ولكنك فعلت ليقال هو جواد . فقد قيل ثم امر به فسحب على وجهه ثم القي في النار
আলী ইবনু খাশরাম (রহঃ) ...... সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তিনি তার বর্ণনায় 'তাফাররাজা' এর স্থলে 'তাফাররাজা' এবং 'নাতিল আহলিশ শাম' এর স্থলে 'নাতিলুশ শাম' বলে উল্লেখ করেছেন। অবশিষ্ট হাদীস খালিদ ইবনু হারিস (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه علي بن خشرم، اخبرنا الحجاج، - يعني ابن محمد - عن ابن جريج، حدثني يونس بن يوسف، عن سليمان بن يسار، قال تفرج الناس عن ابي هريرة، فقال له ناتل الشام واقتص الحديث بمثل حديث خالد بن الحارث
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে বাহিনী আল্লাহর পথে জিহাদ করলো এবং তাতে গনীমাত লাভ করলো তারা এ দুনিয়াতেই আখিরাতের দুই-তৃতীয়াংশ বিনিময় নগদ পেয়ে গেল। তাদের জন্য কেবল এক-তৃতীয়াংশ বিনিময় অবশিষ্ট রইলো। আর যে বাহিনী কোন গনীমাত লাভ করলো না, তাদের পূর্ণ বিনিময়ই পাওনা রয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبد الله بن يزيد ابو عبد الرحمن، حدثنا حيوة بن، شريح عن ابي هاني، عن ابي عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما من غازية تغزو في سبيل الله فيصيبون الغنيمة الا تعجلوا ثلثى اجرهم من الاخرة ويبقى لهم الثلث وان لم يصيبوا غنيمة تم لهم اجرهم
মুহাম্মাদ ইবনু সাহল তামীমী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বাহিনী মাত্রই যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করলো এবং গনীমাত লাভ করলো, তারপর নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করলো তারা আখিরাতের দুই-তৃতীয়াংশ বিনিময়ই নগদ পেয়ে গেল। আর যারা খালি হাতে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরে আসলো, তাদের পুরো বিনিময়ই পাওনা রয়ে গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن سهل التميمي، حدثنا ابن ابي مريم، اخبرنا نافع بن يزيد، حدثني ابو هاني، حدثني ابو عبد الرحمن الحبلي، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما من غازية او سرية تغزو فتغنم وتسلم الا كانوا قد تعجلوا ثلثى اجورهم وما من غازية او سرية تخفق وتصاب الا تم اجورهم
আবদুল্লাহ ইবনু মসলামাহ্ (রহঃ) ..... উমার ইবনু খাত্তাব (রযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক আমলের ফলাফল নিয়াতের উপর নির্ভরশীল এবং কোন ব্যক্তি কেবল তাই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে। যার হিজরাত আল্লাহ ও তার রসূলের উদ্দেশে, তার হিজরাত আল্লাহ ও রসূলের উদ্দেশ্য হিজরাত বলে গণ্য হবে, আর যার হিজরাত পার্থিব কোন লাভ বা কোন মহিলাকে বিবাহের গ্রহণের উদ্দেশে হবে তার হিজরাত সে উদেশের হিজরাত বলেই গণ্য হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد، بن ابراهيم عن علقمة بن وقاص، عن عمر بن الخطاب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انما الاعمال بالنية وانما لامري ما نوى فمن كانت هجرته الى الله ورسوله فهجرته الى الله ورسوله ومن كانت هجرته لدنيا يصيبها او امراة يتزوجها فهجرته الى ما هاجر اليه
মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ, আবূ রাবী' আতাকী, মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা হামদানী ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ... সুফইয়ান (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আমি 'উমার ইবনু খাত্তাব (রাযিঃ) কে মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বরাতে বলতে শুনেছি .....। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، اخبرنا الليث، ح وحدثنا ابو الربيع العتكي، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب يعني الثقفي، ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا ابو خالد الاحمر، سليمان بن حيان ح وحدثنا محمد بن عبد، الله بن نمير حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - ويزيد بن هارون ح وحدثنا محمد بن، العلاء الهمداني حدثنا ابن المبارك، ح وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، كلهم عن يحيى، بن سعيد باسناد مالك ومعنى حديثه وفي حديث سفيان سمعت عمر بن الخطاب على المنبر يخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিষ্ঠার সাথে শাহাদাতের আকাঙ্ক্ষা করে আল্লাহ তাকে তা (অর্থাৎ, তার সাওয়াব) দিয়ে থাকেন যদিও সে শাহাদাত লাভের সুযোগ না পায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من طلب الشهادة صادقا اعطيها ولو لم تصبه
আবূ তাহির ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর নিকট শাহাদাত প্রার্থনা করে আল্লাহ তা'আলা তাকে শহীদের মর্যাদায় অভিষিক্ত করবেন যদিও সে আপন শয্যায় ইন্তিকাল করে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، وحرملة بن يحيى، - واللفظ لحرملة - قال ابو الطاهر اخبرنا وقال، حرملة حدثنا عبد الله بن وهب، حدثني ابو شريح، ان سهل بن ابي امامة بن سهل، بن حنيف حدثه عن ابيه، عن جده، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من سال الله الشهادة بصدق بلغه الله منازل الشهداء وان مات على فراشه " . ولم يذكر ابو الطاهر في حديثه " بصدق