Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮২ হাদিসসমূহ
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, উহুদ যুদ্ধের দিন যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে কতিপয় লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আড়াল করে রেখেছিলেন। আর আবূ তালহাহ (রাযিঃ) ছিলেন একজন অতি দক্ষ তীরন্দাজ। সেদিন (যুদ্ধে) তিনি দু' বা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ফেলেন। রাবী বলেন, যখনই কোন ব্যক্তি তীর নিয়ে তার পাশ দিয়ে গমন করতো, তখনই তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, এগুলো আবূ তালহার জন্য রেখে যাও। রাবী বলেন, যখনই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা তুলে লোকজনের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ তালহাহ্ (রাযিঃ) বলে উঠতেন, হে আল্লাহর নবী! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান। আপনি মাথা উঠাবেন না; এমন না হয় শত্রুপক্ষের তীর এসে আপনার গায়ে লাগে। আপনার বক্ষ রক্ষার্থে আমার বক্ষ নিবেদিত। আবূ তালহাহ বলেন, আমি (সেদিন) আবূ বাকর কন্যা আয়িশাহ ও উম্মু সুলায়মকে এমন অবস্থায় দেখেছি, তারা তাদের পিঠে পানির মশক বয়ে আনছিলেন। তখন তারা এমনভাবে কাপড় গুছিয়ে চলছিলেন যে, আমি তাদের পায়ে পরিহিত অলংকার দেখতে পাচ্ছিলাম। তারা আহতদের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। তারা আবার গিয়ে মশক ভরে পানি এনে আহতদের মুখে পানি দিচ্ছিলেন। আবূ তালহার হাত থেকে সেদিন তন্দ্রার ঘোরে দু'বার বা তিনবার তলোয়ার পড়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن الدارمي، حدثنا عبد الله بن عمرو، - وهو ابو معمر المنقري - حدثنا عبد الوارث، حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - عن انس، بن مالك قال لما كان يوم احد انهزم ناس من الناس عن النبي صلى الله عليه وسلم وابو طلحة بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم مجوب عليه بحجفة - قال - وكان ابو طلحة رجلا راميا شديد النزع وكسر يوميذ قوسين او ثلاثا - قال - فكان الرجل يمر معه الجعبة من النبل فيقول انثرها لابي طلحة . قال ويشرف نبي الله صلى الله عليه وسلم ينظر الى القوم فيقول ابو طلحة يا نبي الله بابي انت وامي لا تشرف لا يصبك سهم من سهام القوم نحري دون نحرك قال ولقد رايت عايشة بنت ابي بكر وام سليم وانهما لمشمرتان ارى خدم سوقهما تنقلان القرب على متونهما ثم تفرغانه في افواههم ثم ترجعان فتملانها ثم تجييان تفرغانه في افواه القوم ولقد وقع السيف من يدى ابي طلحة اما مرتين واما ثلاثا من النعاس
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে পাঁচটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখলেন। তখন ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, যদি আমি ইলম গোপনকারী হওয়ার আশংকা না করতাম তাহলে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। নাজদাহ সে পত্রে তাকে লিখেছিলেন, হামদ ও সালাতের পর আমাকে অবহিত করুন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? তিনি তাদেরকে কি গনীমাতের ভাগ দিতেন? তিনি কি শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করতেন? আর কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়? আর গনীমাতের এক পঞ্চমাংশের হকদার কারা? জবাবে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) লিখলেন, তুমি আমাকে লিখিত প্রশ্ন করেছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? হ্যাঁ, তিনি তাদেরকে নিয়ে যুদ্ধ যাত্রা করতেন এবং তারা আহতদের সেবা-শুশ্রুষা করতেন এবং গনীমাতের মাল থেকে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হতো, কিন্তু গনীমাতের ভাগ তাদের জন্য বরাদ্দ করা হতো না। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও শিশুদেরকে হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও শিশুদেরকে হত্যা করবে না। আর তোমার চিঠিতে আমাকে এও প্রশ্ন করেছ যে, কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থা সমাপ্ত হয়? আমার জীবনের শপথ অনেক সময় কোন ব্যক্তির দাড়ি গজিয়ে যায়; অথচ সে তার নিজের হক গ্রহণে দুর্বল থাকে এবং অন্য কারো হক প্রদানের বেলায়ও দুর্বল থাকে। সুতরাং যখন সে লোকদের মতো নিজের অধিকার বুঝে নিতে পারে তখনই তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়। আর তুমি লিখেছ, গনীমাতের এক পঞ্চমাংশ কাদের প্রাপ্য? আমরা বলি, তা আমাদের (আহলে বায়তদের) জন্যই, কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা (বানু উমাইয়াহ্) তা অস্বীকার করছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن يزيد بن هرمز، ان نجدة، كتب الى ابن عباس يساله عن خمس، خلال . فقال ابن عباس لولا ان اكتم، علما ما كتبت اليه . كتب اليه نجدة اما بعد فاخبرني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وهل كان يضرب لهن بسهم وهل كان يقتل الصبيان ومتى ينقضي يتم اليتيم وعن الخمس لمن هو فكتب اليه ابن عباس كتبت تسالني هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغزو بالنساء وقد كان يغزو بهن فيداوين الجرحى ويحذين من الغنيمة واما بسهم فلم يضرب لهن وان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان فلا تقتل الصبيان وكتبت تسالني متى ينقضي يتم اليتيم فلعمري ان الرجل لتنبت لحيته وانه لضعيف الاخذ لنفسه ضعيف العطاء منها فاذا اخذ لنفسه من صالح ما ياخذ الناس فقد ذهب عنه اليتم وكتبت تسالني عن الخمس لمن هو وانا كنا نقول هو لنا . فابى علينا قومنا ذاك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে কয়েকটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখেন। পরবর্তী অংশ সুলাইমান ইবনু বিলালের হাদীসের অনুরূপ। তবে হাতিমের এ হাদীসে রয়েছে যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিশুদেরকে হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও বালকদেরকে হত্যা করবে না। তবে যদি তুমি তা জানতে পারো, যা খিযির সেই বালক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন, যাকে তিনি হত্যা করেছিলেন, তবে স্বতন্ত্র কথা। এ হাদীসের একজন রাবী ইসহাক (রহঃ) তার বর্ণনায় হাদীসের সূত্রে এতটুকু বাড়িয়েছেন- আর যদি তুমি বেছে বের করতে পারো মু'মিনকে, তবে তুমি কাফিরকে হত্যা করবে এবং মুমিনকে ছেড়ে দেবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، كلاهما عن حاتم بن اسماعيل، عن جعفر بن محمد، عن ابيه، عن يزيد بن هرمز، ان نجدة، كتب الى ابن عباس يساله عن خلال، . بمثل حديث سليمان بن بلال غير ان في، حديث حاتم وان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل الصبيان فلا تقتل الصبيان الا ان تكون تعلم ما علم الخضر من الصبي الذي قتل . وزاد اسحاق في حديثه عن حاتم وتميز المومن فتقتل الكافر وتدع المومن
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নাজদাহ্ ইবনু আমর হারূরী ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট পত্র লিখে জানতে চাইলেন, জিহাদে উপস্থিত গোলাম ও মহিলাদের গনীমাতের অংশ দেয়া হবে কি? আর (শত্রুপক্ষের) শিশুদের হত্যা সম্পর্কে এবং ইয়াতীম সম্পর্কে যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? এবং ‘যাবিল কুরবা বা নিকটাত্মীয় কারা? তখন তিনি ইয়াযীদকে বললেন, তুমি তাকে লিখ, তার নির্বুদ্ধিতায় পতিত হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাকে পত্র লিখাতাম না। লিখ, তুমি আমাকে লিখেছে এ প্রশ্ন করে যে, যারা জিহাদে যোগ দিয়েছে এমন নারী এবং গোলামকে কি গনীমাতের কিছু দেয়া হবে? তাদের (নির্ধারিত) কিছুই দেয়া হবে না। তবে সবার কাছ থেকে কিছু কিছু নিয়ে (বখশিশরূপে) দেয়া হবে। তুমি আমাকে প্রশ্ন করে লিখেছ শিশুদের হত্যা সম্পর্কে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও তাদেরকে হত্যা করেননি এবং তুমিও তাদেরকে হত্যা করবে না। তবে (তা স্বতন্ত্র কথা) যদি তুমি তাদের ব্যাপারে তা জানতে পারো যা মূসা (আঃ) এর সঙ্গী খিযির (আঃ) জানতে পেরেছিলেন, যে ছেলেটিকে তিনি হত্যা করেছিলেন তার সম্পর্কে। তার ইয়াতীম নাম ঘুচবে না যতক্ষণ না সে বালিগ হবে এবং তার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা পরিলক্ষিত হবে। আর তুমি আমাকে যাবিল কুরবা সম্বন্ধে প্রশ্ন করে লিখেছ যে, তারা কারা? আমরা মনে করি আমরাই তার। কিন্তু আমাদের লোকেরা তা অস্বীকার করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن اسماعيل بن امية، عن سعيد المقبري، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة بن عامر الحروري الى ابن عباس يساله عن العبد، والمراة يحضران المغنم هل يقسم لهما وعن قتل الولدان وعن اليتيم متى ينقطع عنه اليتم وعن ذوي القربى من هم فقال ليزيد اكتب اليه فلولا ان يقع في احموقة ما كتبت اليه اكتب انك كتبت تسالني عن المراة والعبد يحضران المغنم هل يقسم لهما شىء وانه ليس لهما شىء الا ان يحذيا وكتبت تسالني عن قتل الولدان وان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يقتلهم وانت فلا تقتلهم الا ان تعلم منهم ما علم صاحب موسى من الغلام الذي قتله وكتبت تسالني عن اليتيم متى ينقطع عنه اسم اليتم وانه لا ينقطع عنه اسم اليتم حتى يبلغ ويونس منه رشد وكتبت تسالني عن ذوي القربى من هم وانا زعمنا انا هم فابى ذلك علينا قومنا
আবদুর রহমান ইবনু বাশশার আবদী (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে পত্র লিখেন এবং অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আবূ ইসহাক বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) অনুরূপ হাদীস বিস্তারিত বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه عبد الرحمن بن بشر العبدي، حدثنا سفيان، حدثنا اسماعيل بن امية، عن سعيد بن ابي سعيد، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة الى ابن عباس . وساق الحديث بمثله . قال ابو اسحاق حدثني عبد الرحمن بن بشر، حدثنا سفيان، بهذا الحديث بطوله
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... কায়স (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু হুরমুযকে আমি এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু আমির ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে পত্র লিখেন। রাবী বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) যখন তার পত্ৰখানি পাঠ করেন এবং যখন তিনি তার জবাব লিখেন তখন আমি তার (ইবনু আব্বাস) সামনেই উপস্থিত ছিলাম। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, যদি সে নাপাকীতে (অজ্ঞানতা প্রসূত কথাবার্তায়) পতিত হবে বলে আশংকা না করতাম তবে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। তার চোখ কোন দিন না জুড়াক (অর্থাৎ আল্লাহ তাকে খুশী না রাখুক, তার বাতিল আকীদার দরুন এ বদদু'আ করলেন)। রাবী (ইয়াযীদ) বলেন, তারপর তিনি তাকে লিখলেন, তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ, আল্লাহ (গনীমাতের অংশ সংক্রান্ত আয়াতে) যাদের সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সে ঘনিষ্ঠজন কারা? আমরা মনে করি, আমরাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সে ঘনিষ্ঠজন। কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা তা অস্বীকার করে। আর তুমি ইয়াতীম সম্পর্কে প্রশ্ন করেছ যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? যখন সে বিবাহযোগ্য হয়, তার মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনা পরিলক্ষিত হয় এবং তার সম্পদ তার কাছে প্রত্যপণ করা হয়, তখন তার ইয়াতীম অবস্থার অবসান ঘটে। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মুশরিকদের কোন শিশুকে হত্যা করতেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনদিন তাদের শিশুদের কাউকে হত্যা করেননি। সুতরাং তুমিও তাদের কাউকে হত্যা করবে না। অবশ্য যদি তুমি অবগত হও, যা অবগত হয়েছিলেন খিযির (আঃ) সে বালকটির সম্পর্কে যখন তিনি তাকে হত্যা করেন। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, নারী ও গোলাম সম্পর্কে, যখন তারা যুদ্ধে উপস্থিত থাকে, তাদের জন্য নির্ধারিত অংশ নেই। তবে লোকদের গনীমাতের মাল থেকে তারা উপটৌকন হিসেবে পায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا وهب بن جرير بن حازم، حدثني ابي قال، سمعت قيسا، يحدث عن يزيد بن هرمز، ح وحدثني محمد بن حاتم، - واللفظ له - قال حدثنا بهز، حدثنا جرير بن حازم، حدثني قيس بن سعد، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة بن عامر الى ابن عباس قال فشهدت ابن عباس حين قرا كتابه وحين كتب جوابه وقال ابن عباس والله لولا ان ارده عن نتن يقع فيه ما كتبت اليه ولا نعمة عين قال فكتب اليه انك سالت عن سهم ذي القربى الذي ذكر الله من هم وانا كنا نرى ان قرابة رسول الله صلى الله عليه وسلم هم نحن فابى ذلك علينا قومنا وسالت عن اليتيم متى ينقضي يتمه وانه اذا بلغ النكاح واونس منه رشد ودفع اليه ماله فقد انقضى يتمه وسالت هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقتل من صبيان المشركين احدا فان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يقتل منهم احدا وانت فلا تقتل منهم احدا الا ان تكون تعلم منهم ما علم الخضر من الغلام حين قتله وسالت عن المراة والعبد هل كان لهما سهم معلوم اذا حضروا الباس فانهم لم يكن لهم سهم معلوم الا ان يحذيا من غنايم القوم
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে লিখেছিলেন, বর্ণনাকারী এ হাদীসের কিয়দংশ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাদের হাদীসসমূহের মতো তিনি ঘটনা হুবহু বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، حدثنا زايدة، حدثنا سليمان الاعمش، عن المختار بن صيفي، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة الى ابن عباس . فذكر بعض الحديث ولم يتم القصة كاتمام من ذكرنا حديثهم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়্যাহ্ আনসারীয়াহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাদের শিবিরের পশ্চাতে অবস্থান করতাম, তাদের খাবার তৈরী করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম এবং রোগীদের সেবা-শুশ্রুষা করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الرحيم بن سليمان، عن هشام، عن حفصة، بنت سيرين عن ام عطية الانصارية، قالت غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات اخلفهم في رحالهم فاصنع لهم الطعام واداوي الجرحى واقوم على المرضى
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ)-ও এ সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا هشام بن حسان، بهذا الاسناد نحوه
মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) লোকজনকে নিয়ে ইসতিস্কার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সালাত আদায়ের উদ্দেশে বের হলেন। তিনি দুরাকাআত সালাত আদায় করলেন, এরপর বৃষ্টির জন্যে দুআ করলেন। রাবী বলেন, সেদিন আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বলেন, আমার এবং তার মাঝে একজন ছাড়া কোন লোক ছিল না। অথবা তিনি বলেছেন, আমার এবং তার মাঝে কেবল একজন লোক ছিল, আমি তখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতগুলো যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, উনিশটি। তখন আমি বললাম, আপনি তার সঙ্গে কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরটি যুদ্ধে। রাবী বলেন, তখন আমি প্রশ্ন করলাম, সর্বপ্রথম তিনি কোন যুদ্ধটি করেছেন? তিনি বললেন, যাতুল-উসায়র বা যাতুল-উশায়র। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد، بن جعفر حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، ان عبد الله بن يزيد، خرج يستسقي بالناس فصلى ركعتين ثم استسقى قال فلقيت يوميذ زيد بن ارقم - وقال - ليس بيني وبينه غير رجل او بيني وبينه رجل - قال - فقلت له كم غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تسع عشرة فقلت كم غزوت انت معه قال سبع عشرة غزوة - قال - فقلت فما اول غزوة غزاها قال ذات العسير او العشير
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনিশটি যুদ্ধ করেছেন। হিজরাতের পর একবার মাত্র হাজ্জ করেছিলেন, যেটি ছাড়া আর কোন হাজ্জ করেননি- তা হল বিদায় হাজ্জ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا زهير، عن ابي اسحاق، عن زيد بن ارقم، سمعه منه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا تسع عشرة غزوة وحج بعد ما هاجر حجة لم يحج غيرها حجة الوداع
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে উনিশটি যুদ্ধ করেছি। জাবির (রাযিঃ) বলেন, আমি বদর ও উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার পিতা আমাকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলেন। তারপর যখন উহুদ যুদ্ধে (আমার পিতা) আবদুল্লাহ নিহত হলেন, তারপর থেকে আমি আর কখনো কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পশ্চাৎপদ হইনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا زكرياء، اخبرنا ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع عشرة غزوة - قال جابر - لم اشهد بدرا ولا احدا منعني ابي فلما قتل عبد الله يوم احد لم اتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة قط
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ জারমী (রহঃ) ..... বুরাইদাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনিশটি যুদ্ধে শরীক হন। তন্মধ্যে আটটিতে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন। রাবী আবূ বাকর 'তন্মধ্যে' শব্দটি বলেননি বরং তিনি তার বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا زيد بن الحباب، ح وحدثنا سعيد بن محمد، الجرمي حدثنا ابو تميلة، قالا جميعا حدثنا حسين بن واقد، عن عبد الله بن بريدة، عن ابيه، . قال غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم تسع عشرة غزوة قاتل في ثمان منهن . ولم يقل ابو بكر منهن . وقال في حديثه حدثني عبد الله بن بريدة
আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) ..... বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ষোলটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني احمد بن حنبل، حدثنا معتمر بن سليمان، عن كهمس، عن ابن بريدة، عن ابيه، انه قال غزا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ست عشرة غزوة
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাস (রহঃ) ..... সালামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি যতগুলো অভিযানে সৈন্য প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে নয়টিতে আমি অংশগ্রহণ করি। একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ বাকর (রাযিঃ) আর একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عباد، حدثنا حاتم، - يعني ابن اسماعيل - عن يزيد، - وهو ابن ابي عبيد قال سمعت سلمة، يقول غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم سبع غزوات وخرجت فيما يبعث من البعوث تسع غزوات مرة علينا ابو بكر ومرة علينا اسامة بن زيد
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... হাতিম (রহঃ) এ হাদীসটি উল্লেখিত সূত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় উভয় ধরনের সাতটি অভিযানের সংখ্যা বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، بهذا الاسناد . غير انه قال في كلتيهما سبع غزوات
আবূ আমির আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল-হামদানী (রহঃ) ...... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একটি যুদ্ধাভিযানে বের হলাম। আমাদের প্রতি ছয়জনের মধ্যে ছিল একটি উট, যার উপর আমরা পর্যায়ক্রমে সওয়ার হতাম। তিনি বলেন, এতে আমাদের পা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। আমার দু’পা এতই বিক্ষত হয়েছিল যে, পায়ের নখগুলো উপড়ে পড়ে যায়। তাই আমরা আমাদের পায়ে পট্টি বেঁধেছিলাম। এ কারণে এ অভিযান যাতুর-রিকা বা পট্টি যুদ্ধ নামে অভিহিত হয়। কেননা আমরা আমাদের পায়ে পট্টি বেঁধেছিলাম। আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) বলেন, আবূ মূসা (রাযিঃ) এ হাদীসটি একবার বর্ণনা করার পর পুনরায় বর্ণনা করা পছন্দ করেননি। রাবী বলেন, এ দ্বারা তার আমলের প্রকাশ পায় বলে তিনি তা উল্লেখ করা পছন্দ করেননি। আবূ উসামাহ্ বলেন, বুরায়দ (রাযিঃ) ছাড়া এ হাদীসের অন্য রাবী এ কথা অতিরিক্ত বলেছেন, “আল্লাহ তার প্রতিদান দিবেন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو عامر عبد الله بن براد الاشعري، ومحمد بن العلاء الهمداني، - واللفظ لابي عامر - قالا حدثنا ابو اسامة، عن بريد بن ابي بردة، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة ونحن ستة نفر بيننا بعير نعتقبه - قال - فنقبت اقدامنا فنقبت قدماى وسقطت اظفاري فكنا نلف على ارجلنا الخرق فسميت غزوة ذات الرقاع لما كنا نعصب على ارجلنا من الخرق . قال ابو بردة فحدث ابو موسى بهذا الحديث ثم كره ذلك . قال كانه كره ان يكون شييا من عمله افشاه . قال ابو اسامة وزادني غير بريد والله يجزي به
যুহায়র ইবনু হারব, আবূ তাহির (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদর অভিমুখে রওয়ানা হলেন। যখন তিনি ওয়াবারাহ প্রান্তরে পৌছলেন, তখন এমন এক ব্যক্তি এসে তার সাথে সাক্ষাৎ করলো, যে পূর্ব থেকে তার শৌর্য-বীর্য ও সাহসিকতার জন্য প্রসিদ্ধ ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ তাকে দেখতে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল, আমি আপনার সঙ্গে যেতে এবং আপনার সঙ্গে (গনীমাত) পেতে এসেছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি কি আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি ঈমান রাখ? সে বলল, না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তুমি ফিরে যাও, আমি কোন মুশরিকের সাহায্য গ্রহণ করব না। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, তখন লোকটি চলে গেল। যখন আমরা শাজারায় উপনীত হলাম, তখন সে ব্যক্তি তার সঙ্গে দেখা করলো এবং তার পূর্বের কথাই পুনরায় বললো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তার পূর্বের কথা পুনরায় বললেন, আরও বললেন, তুমি ফিরে যাও, আমি কোন মুশরিকের সাহায্য গ্রহণ করব না। এবারও সে চলে গেল। তারপর সে আবার বায়দা'তে তার (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথমবারের মত জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি আল্লাহ ও তার রসূলের প্রতি ঈমান রাখ? সে বলল, জী-হ্যাঁ। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, এখন (আমাদের সাথে) চল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن مالك، ح وحدثنيه ابو الطاهر - واللفظ له - حدثني عبد الله بن وهب، عن مالك بن انس، عن الفضيل بن ابي، عبد الله عن عبد الله بن نيار الاسلمي، عن عروة بن الزبير، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل بدر فلما كان بحرة الوبرة ادركه رجل قد كان يذكر منه جراة ونجدة ففرح اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم حين راوه فلما ادركه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم جيت لاتبعك واصيب معك قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " تومن بالله ورسوله " . قال لا قال " فارجع فلن استعين بمشرك " . قالت ثم مضى حتى اذا كنا بالشجرة ادركه الرجل فقال له كما قال اول مرة فقال له النبي صلى الله عليه وسلم كما قال اول مرة قال " فارجع فلن استعين بمشرك " . قال ثم رجع فادركه بالبيداء فقال له كما قال اول مرة " تومن بالله ورسوله " . قال نعم . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " فانطلق