Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৪৫ হাদিসসমূহ
কুতাইবাহ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি কয়েকজন লোককে দেখলেন, তারা পাত্র থেকে পানি নিয়ে ওযু করছে। তখন তিনি বললেনঃ পরিপূর্ণরূপে ওযু করো। কারণ, আমি আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ ধ্বংস ঐ গোড়ালিগুলোর জন্যে, যে সব স্থানে পানি পৌছেনি; যেগুলোর ঠিকানা হবে জাহান্নাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة، وابو بكر بن ابي شيبة وابو كريب قالوا حدثنا وكيع، عن شعبة، عن محمد بن زياد، عن ابي هريرة، انه راى قوما يتوضيون من المطهرة فقال اسبغوا الوضوء فاني سمعت ابا القاسم صلى الله عليه وسلم يقول " ويل للعراقيب من النار
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ধ্বংস ঐ গোড়ালিগুলোর জন্যে, যে সব স্থানে পানি পৌছেনি; যেগুলোর ঠিকানা হবে জাহান্নাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ويل للاعقاب من النار
সালামাহ্ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ওযু করতে তার পায়ের ওপর নখ পরিমাণ অংশ ছেড়ে দেয়। তা দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যাও, আবার ভালভাবে ওযু করে আসো। লোকটি ফিরে গেল। তারপর (পুনরায়) ওযু করে সালাত আদায করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني سلمة بن شبيب، حدثنا الحسن بن محمد بن اعين، حدثنا معقل، عن ابي الزبير، عن جابر، اخبرني عمر بن الخطاب، ان رجلا، توضا فترك موضع ظفر على قدمه فابصره النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ارجع فاحسن وضوءك " . فرجع ثم صلى
আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম কিংবা মু'মিন বান্দা (রাবীর সন্দেহ) ওযুর সময় যখন মুখমণ্ডল ধুয়ে ফেলে তখন তার চোখ দিয়ে অর্জিত গুনাহ পানির সাথে অথবা (তিনি বলেছেন) পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায় এবং যখন সে দু'টি হাত ধৌত করে তখন তার দু'হাতের স্পর্শের মাধ্যমে সব গুনাহ পানির অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝরে যায়। অতঃপর যখন সে পা দুটি ধৌত করে, তখন তার দু'পা দিয়ে হাটার মাধ্যমে অর্জিত সব গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝরে যায়, এমনকি সে যাবতীয় গুনাহ থেকে মুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سويد بن سعيد، عن مالك بن انس، ح وحدثنا ابو الطاهر، - واللفظ له - اخبرنا عبد الله بن وهب، عن مالك بن انس، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا توضا العبد المسلم - او المومن - فغسل وجهه خرج من وجهه كل خطيية نظر اليها بعينيه مع الماء - او مع اخر قطر الماء - فاذا غسل يديه خرج من يديه كل خطيية كان بطشتها يداه مع الماء - او مع اخر قطر الماء - فاذا غسل رجليه خرجت كل خطيية مشتها رجلاه مع الماء - او مع اخر قطر الماء - حتى يخرج نقيا من الذنوب
মুহাম্মাদ ইবনু মামার ইবনু রিবাঈ আল কায়সী (রহঃ) ..... উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওযু করে এবং তা উত্তমরূপে করে, তার দেহ থেকে সমস্ত পাপ ঝরে যায়, এমনকি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن معمر بن ربعي القيسي، حدثنا ابو هشام المخزومي، عن عبد الواحد، - وهو ابن زياد - حدثنا عثمان بن حكيم، حدثنا محمد بن المنكدر، عن حمران، عن عثمان بن عفان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من توضا فاحسن الوضوء خرجت خطاياه من جسده حتى تخرج من تحت اظفاره
আবূ কুরায়ব, মুহাম্মাদ বিন 'আলা, কাসিম বিন যাকারিয়্যা ও আবদ বিন হুমায়দ (রহঃ) …. নুআয়ম ইবনু আবদুল্লাহ আল মুজমির (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে ওযু করতে দেখেছি। তিনি খুব ভালভাবে মুখমণ্ডল ধুলেন, এরপর ডান হাত ধুলেন এবং বাহুর কিছু অংশ ধুলেন। পরে বাম হাত ও বাহুর কিছু অংশসহ ধুলেন। এরপর মাথা মাসাহ করলেন। অতঃপর ডান পায়ের নালার কিছু অংশসহ ধুলেন, এরপর বাম পায়ের নালার কিছু অংশসহ একইভাবে ধুলেন। অতঃপর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এভাবে ওযু করতে দেখেছি। তিনি আরো বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্ণাঙ্গরূপে ওযু করার কারণে কিয়ামতের দিন তোমাদের মুখমণ্ডল, হাত ও পায়ের ওযুর স্থান জ্যোতির্ময় হবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা সক্ষম তারা যেন নিজ নিজ মুখমণ্ডল, হাত ও পায়ের জ্যোতি বাড়িয়ে নেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني ابو كريب، محمد بن العلاء والقاسم بن زكرياء بن دينار وعبد بن حميد قالوا حدثنا خالد بن مخلد، عن سليمان بن بلال، حدثني عمارة بن غزية الانصاري، عن نعيم بن عبد الله المجمر، قال رايت ابا هريرة يتوضا فغسل وجهه فاسبغ الوضوء ثم غسل يده اليمنى حتى اشرع في العضد ثم يده اليسرى حتى اشرع في العضد ثم مسح راسه ثم غسل رجله اليمنى حتى اشرع في الساق ثم غسل رجله اليسرى حتى اشرع في الساق ثم قال هكذا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضا . وقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انتم الغر المحجلون يوم القيامة من اسباغ الوضوء فمن استطاع منكم فليطل غرته وتحجيله
হারূন ইবনু সাঈদ আল আইলী (রহঃ) ..... নুআয়ম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে ওযু করতে দেখলেন। ওযু করতে তিনি মুখমণ্ডল ও হাত দুটি এমনভাবে ধুলেন যে, প্রায় কাঁধ পর্যন্ত ধুয়ে ফেললেন। এরপর পা দুটি এমনভাবে ধুলেন যে, পায়ের নালার কিছু অংশ ধুয়ে ফেললেন। এভাবে ওযু করার পর বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমার উম্মত ওযুর প্রভাবে কিয়ামতের দিন দীপ্তিময় মুখমণ্ডল ও হাত-পা নিয়ে উঠবে। কাজেই তোমরা যারা সক্ষম তারা অধিক বিস্তৃত দীপ্তিসহ উঠতে সে যেন চেষ্টা করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثني ابن وهب، اخبرني عمرو بن الحارث، عن سعيد بن ابي هلال، عن نعيم بن عبد الله، انه راى ابا هريرة يتوضا فغسل وجهه ويديه حتى كاد يبلغ المنكبين ثم غسل رجليه حتى رفع الى الساقين ثم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان امتي ياتون يوم القيامة غرا محجلين من اثر الوضوء فمن استطاع منكم ان يطيل غرته فليفعل
সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আমার হাওযে কাওসার হবে আদান (ইয়ামানের বন্দর নগরী) থেকে আইলা (আরবের উত্তরাঞ্চলীয় শহর) এর যত দূরত্ব তার থেকেও বেশি দীর্ঘ। আর তা হবে বরফের থেকেও সাদা এবং দুধ মধু থেকেও মিষ্টি। আর তার পাত্রের সংখ্যা হবে তারকারাজির চেয়েও অধিক। আমি কিছু সংখ্যক লোককে তা থেকে ফিরিয়ে দিতে থাকবো যেমনিভাবে লোকে তার হাওয থেকে অন্যের উট ফিরিয়ে দেয়। সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেদিন কি আপনি আমাদেরকে চিনতে পারবেন? তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তোমাদের এমন চিহ্ন হবে যা অন্য কোন উম্মতের হবে না। ওয়ূর বিনিময়ে তোমাদের মুখমণ্ডল জ্যোতির্ময় ও হাত-পা দীপ্তিমান অবস্থায় তোমরা আমার কাছে আসবে"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سويد بن سعيد، وابن ابي عمر، جميعا عن مروان الفزاري، - قال ابن ابي عمر حدثنا مروان، - عن ابي مالك الاشجعي، سعد بن طارق عن ابي حازم، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان حوضي ابعد من ايلة من عدن لهو اشد بياضا من الثلج واحلى من العسل باللبن ولانيته اكثر من عدد النجوم واني لاصد الناس عنه كما يصد الرجل ابل الناس عن حوضه " . قالوا يا رسول الله اتعرفنا يوميذ قال " نعم لكم سيما ليست لاحد من الامم تردون على غرا محجلين من اثر الوضوء
আবূ কুরায়ব ও ওয়াসিল ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের কিছুলোক কিয়ামতের দিন আমার কাছে হাওযে কাওসারে উপস্থিত হবে। আর আমি তাদেরকে তা থেকে এমনভাবে বিতাড়িত করব, যেভাবে কোন ব্যক্তি তার উটের পাল থেকে অন্যের উটকে বিতাড়িত করে থাকে। (এ কথা শুনে) লোকেরা জিজ্ঞেস করলঃ আল্লাহর নবী! আপনি কি আমাদেরকে চিনতে পারবেন? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ। তোমাদের এমন এক চিহ্ন হবে যা অন্য কারোর হবে না। ওযুর প্রভাবে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত-পায়ের দীপ্তি ও উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে পড়বে। উজ্জ্বল জ্যোতি বিচ্ছুরিত অবস্থায় তোমরা আমার নিকট আসবে। আর তোমাদের একদল লোককে জোর করে আমার থেকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। তাই তারা আমার কাছে পৌছাতে পারবে না। তখন আমি বলব, হে আমার প্রভু! এরাতো আমার লোক। এর জবাবে একজন ফেরেশতা আমাকে বলবে, আপনি জানেন না, আপনার অবর্তমানে (ইনতিকালের পরে) তারা কি কি নতুন কাজ (বিদ'আত) করেছে! (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو كريب، وواصل بن عبد الاعلى، - واللفظ لواصل - قالا حدثنا ابن فضيل، عن ابي مالك الاشجعي، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ترد على امتي الحوض وانا اذود الناس عنه كما يذود الرجل ابل الرجل عن ابله " . قالوا يا نبي الله اتعرفنا قال " نعم لكم سيما ليست لاحد غيركم تردون على غرا محجلين من اثار الوضوء وليصدن عني طايفة منكم فلا يصلون فاقول يا رب هولاء من اصحابي فيجيبني ملك فيقول وهل تدري ما احدثوا بعدك
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... হুযাইফাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার হাওয (হাওযে কাওসার) আইলা থেকে আদান এর দূরত্ব পরিমাণ দীর্ঘ। সে মহান সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি তা থেকে কিছু মানুষকে এমনভাবে তাড়াবো যেমন কোন ব্যক্তি অপরিচিত উটকে তার পানির কূপ থেকে তাড়িয়ে দেয়। লোকেরা জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি সেদিন আমাদেরকে চিনতে পারবেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। ওযুর প্রভাবে তোমাদের চেহারা ও হাত-পা থেকে উজ্জ্বল জ্যোতি ছড়িয়ে পড়া অবস্থায় তোমরা আমার নিকট উপস্থিত হবে। এটা তোমাদের ছাড়া অন্য উম্মতের জন্যে হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن سعد بن طارق، عن ربعي بن حراش، عن حذيفة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان حوضي لابعد من ايلة من عدن والذي نفسي بيده اني لاذود عنه الرجال كما يذود الرجل الابل الغريبة عن حوضه " . قالوا يا رسول الله وتعرفنا قال " نعم تردون على غرا محجلين من اثار الوضوء ليست لاحد غيركم
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, সুরায়জ ইবনু ইউনুস, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আলী ইবনু হজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কবরস্থানে এসে বললেন, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। হে কবরবাসী মু’মিনগণ! ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সাথে এসে মিলব। আমার বড় ইচ্ছা হয় আমাদের ভাইদেরকে দেখি। সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই? তিনি বললেন, তোমরা তো আমার সাহাবা। আর যারা এখনো (পৃথিবীতে) আসেনি তারা আমাদের ভাই। সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনার উম্মতের মধ্যে যারা এখনো (পৃথিবীতে) আসেনি তাদেরকে আপনি কিভাবে চিনবেন? তিনি বললেন, "কেন, যদি কোন ব্যক্তি সাদা রঙের কপাল ও সাদা রঙের হাত-পা বিশিষ্ট ঘোড়া অনেকগুলো কালো ঘোড়ার মধ্যে মিশে যায় তবে সে কি তার ঘোড়াকে চিনে নিতে পারবে না? তারা বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেন, তারা (আমার উম্মত) সেদিন এমন অবস্থা আসবে যে, ওযুর ফলে তাদের মুখমণ্ডল, হাত-পা জ্যোতির্ময় হবে। আর হাওযের পাড়ে আমি হব তাদের অগ্রনায়ক। জেনে রাখ, কিছু সংখ্যক লোককে সেদিন আমার হাওয থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে যেমনিভাবে বেওয়ারিশ উটকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। আমি তাদেরকে ডাকব, এসো এসো। তখন বলা হবে, "এরা আপনার পরে (আপনার দীনকে) পরিবর্তন করে দিয়েছিল"। তখন আমি বলব, “দূর হও, দূর হও”। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن ايوب، وسريج بن يونس، وقتيبة بن سعيد، وعلي بن حجر، جميعا عن اسماعيل بن جعفر، - قال ابن ايوب حدثنا اسماعيل، - اخبرني العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتى المقبرة فقال " السلام عليكم دار قوم مومنين وانا ان شاء الله بكم لاحقون وددت انا قد راينا اخواننا " . قالوا اولسنا اخوانك يا رسول الله قال " انتم اصحابي واخواننا الذين لم ياتوا بعد " . فقالوا كيف تعرف من لم يات بعد من امتك يا رسول الله فقال " ارايت لو ان رجلا له خيل غر محجلة بين ظهرى خيل دهم بهم الا يعرف خيله " . قالوا بلى يا رسول الله . قال " فانهم ياتون غرا محجلين من الوضوء وانا فرطهم على الحوض الا ليذادن رجال عن حوضي كما يذاد البعير الضال اناديهم الا هلم . فيقال انهم قد بدلوا بعدك . فاقول سحقا سحقا
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... ইসহাক ইবনু মূসা আল আনসারী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবরস্থানে গেলেন ও বললেন, মু'মিনদের বাসস্থানে (কবরস্থানে) তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আর আমরা ইনশাআল্লাহ তোমাদের সাথে এসে শামিল হব। অবশিষ্টাংশ ইসমাঈল ইবনু জাফার এর বর্ণিত (পূর্বের) হাদীসের অনুরূপ। তবে মালিক এর হাদীসের এতটুকু বেশি আছে, অবশ্যই কিছু লোককে এ হাওয থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي ح وحدثني اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، جميعا عن العلاء بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج الى المقبرة فقال " السلام عليكم دار قوم مومنين وانا ان شاء الله بكم لاحقون " . بمثل حديث اسماعيل بن جعفر غير ان حديث مالك " فليذادن رجال عن حوضي
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হাযিম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, একদিন আমি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর পেছনে ছিলাম। (দেখলাম) তিনি সালাতের জন্যে ওযু করছেন। তিনি হাতের বগল পর্যন্ত ধুলেন। তখন আমি বললাম, হে আবূ হুরাইরাহ! এটা কেমন ধরনের ওযু? তিনি অবাক হয়ে বললেন, হে বানী ফররূখ যদি আমি জানতাম তোমরা এখানে আছো, তাহলে আমি এ ধরনের ওযু করতাম না। আমি আমার বন্ধু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন যে স্থান পর্যন্ত ওযুর পানি পৌছবে সে স্থান পর্যন্ত মু'মিন ব্যক্তির উজ্জ্বলতা অথবা সৌন্দর্যও পৌছবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا خلف، - يعني ابن خليفة - عن ابي مالك الاشجعي، عن ابي حازم، قال كنت خلف ابي هريرة وهو يتوضا للصلاة فكان يمد يده حتى تبلغ ابطه فقلت له يا ابا هريرة ما هذا الوضوء فقال يا بني فروخ انتم ها هنا لو علمت انكم ها هنا ما توضات هذا الوضوء سمعت خليلي صلى الله عليه وسلم يقول " تبلغ الحلية من المومن حيث يبلغ الوضوء
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতাইবাহ ও ইবনু হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বলুন। তিনি বললেন অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওযু করা, মসজিদে আসার জন্যে বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর আর এক সালাতের জন্যে প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن ايوب، وقتيبة، وابن، حجر جميعا عن اسماعيل بن جعفر، - قال ابن ايوب حدثنا اسماعيل، - اخبرني العلاء، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الا ادلكم على ما يمحو الله به الخطايا ويرفع به الدرجات " . قالوا بلى يا رسول الله . قال " اسباغ الوضوء على المكاره وكثرة الخطا الى المساجد وانتظار الصلاة بعد الصلاة فذلكم الرباط
ইসহাক ইবনু মূসা আল আনসারী (রহঃ) ..... মালিক ও শু'বাহ (রাযিঃ), উভয়েই আলা ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) থেকে একই সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে শু'বাহর হাদীসের ربَاطِ এর উল্লেখ নেই এবং মালিক এর হাদীসে فَذَلِكُمُ الرِّبَاطُ فَذَلِكُمُ الرِّبَاطُ দু'বার উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، جميعا عن العلاء بن عبد الرحمن، بهذا الاسناد وليس في حديث شعبة ذكر الرباط وفي حديث مالك ثنتين " فذلكم الرباط فذلكم الرباط
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আমুর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুমিনদের জন্যে এবং যুহায়র এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, আমার উম্মতের জন্যে যদি কষ্টসাধ্য না হতো, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৮০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، قالوا حدثنا سفيان، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لولا ان اشق على المومنين - وفي حديث زهير على امتي - لامرتهم بالسواك عند كل صلاة
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনুল 'আলা (রহঃ) ..... মিকদাম এর পিতা শুরায়হ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে ঢুকে সর্বপ্রথম কোন কাজটি করতেন? তিনি বললেন, সর্বপ্রথম মিসওয়াক করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৮১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابن بشر، عن مسعر، عن المقدام بن شريح، عن ابيه، قال سالت عايشة قلت باى شىء كان يبدا النبي صلى الله عليه وسلم اذا دخل بيته قالت بالسواك
আবূ বাকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বাইরে থেকে এসে) বাড়িতে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম মিসওয়াক করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৮২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني ابو بكر بن نافع العبدي، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، عن المقدام بن شريح، عن ابيه، عن عايشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا دخل بيته بدا بالسواك
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম তখন মিসওয়াকের এক অংশ তার জিহবার উপর ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا حماد بن زيد، عن غيلان، - وهو ابن جرير المعولي - عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم وطرف السواك على لسانه
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... হুযাইফাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তাহাজ্জুদের জন্যে উঠতেন তখন মিসওয়াক দ্বারা ঘষে মুখ পরিষ্কার করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৮৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا هشيم، عن حصين، عن ابي وايل، عن حذيفة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا قام ليتهجد يشوص فاه بالسواك