Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭২ হাদিসসমূহ
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ...... বারা ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখ দিয়ে একজন ইয়াহুদীকে কালি মাখা এবং বেত্ৰাঘাতকৃত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তখন তিনি বলেন, তোমরা কি তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারের শাস্তি এরূপই পেয়েছ? তারা বলল, হ্যাঁ। এরপর তিনি তাদের মধ্য হতে একজন আলিম (পাদরী) ব্যক্তিকে ডাকালেন এবং বললেন, তোমাকে সে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি, যিনি মূসা (আঃ) এর প্রতি তাওরাত কিতাব অবতীর্ণ করেছিলেন, এরূপই কি তোমরা তোমাদের কিতাবে ব্যভিচারীর শাস্তি পেয়েছ? তখন ইয়াহুদী আলিম ব্যক্তি বললেন, না। তিনি আরো বললেন, আপনি যদি আমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে এভাবে না বলতেন তবে আমি আপনাকে জানাতাম না যে, এর প্রকৃত শাস্তি রজম (পাথর নিক্ষেপ করা)। কিন্তু আমাদের সমাজের সম্ভান্ত ব্যক্তিদের মাঝে এর ব্যাপক প্রচলন হয়ে গেছে। অতএব, আমরা যখন এতে কোন সম্ভান্ত লোককে পেতাম, তখন তাকে ছেড়ে দিতাম এবং যখন কোন নিঃস্ব ব্যক্তিকে পাকড়াও করতাম তখন তার উপর শারীআতের প্রকৃত শাস্তিحَد বাস্তবায়িত করতাম। পরিশেষে আমরা বললাম, তোমরা সকলেই এসো, আমরা সবাই মিলে এ ব্যাপারে একটি শাস্তি নির্ধারিত করে নেই, যা ভদ্র ও অভদ্র সকলের উপরই প্রযোজ্য হবে। সুতরাং আমরা ব্যভিচারের শাস্তি কালি লাগানো এবং বেত্ৰাঘাত করাকেই স্থির করে নিলাম, পাথর নিক্ষেপের পরিবর্তে। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যক্তি, যে তোমার নির্দেশ رجم বাস্তবায়িত (পুনর্জীবিত) করলাম, যা তারা বাতিল করে ফেলেছিল। সুতরাং তিনি তা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিলেন। অবশেষে ঐ ইয়াহুদীকে পাথর মারা হল। এরপর মহান আল্লাহ এ আয়াতঃ “হে রসূল! যারা কুফরী কাজে দ্রুতগামী তাদের কার্যকলাপ যেন আপনাকে চিন্তিত না করে। ... অতঃপর সেই বাণী পর্যন্ত যদি তোমরা তা প্রদত্ত হও, তবে তা ধারণ কর"- (সূরা ময়িদাহ ৫ঃ ৪১) পর্যন্ত অবতীর্ণ করেন। তারা (ইয়াহুদীরা) বলতো যে, তোমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গমন করো, যদি তিনি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে- কালি লাগানো এবং বেত্ৰাঘাতের নির্দেশ প্রদান করেন, তবে তোমরা তা কার্যকর করবে; আর যদি তিনি রজমের নির্দেশ দেন তবে তা প্রত্যাখ্যান করবে। আল্লাহ তা'আলা (এ মর্মে) আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত মুতাবিক বিচারকার্য পরিচালনা করে না তারাই হলো কাফির (অস্বীকারকারী) সম্প্রদায়"- (সূরা ময়িদাহ ৫ঃ ৪৪)। "আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুসারে বিচার করে না তারাই হলো অত্যাচারী দল"- (সূরা ময়িদাহ ৫ঃ ৪৫)। "আর যারা আল্লাহর নাযিলকৃত আয়াত অনুযায়ী বিচার করে না তারাই হলো সীমালঙ্ঘনকারী দল" (সূরা ময়িদাহ ৫ঃ ৪৭)। এ সবগুলো আয়াত কাফিরদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وابو بكر بن ابي شيبة كلاهما عن ابي معاوية، قال يحيى اخبرنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر على النبي صلى الله عليه وسلم بيهودي محمما مجلودا فدعاهم صلى الله عليه وسلم فقال " هكذا تجدون حد الزاني في كتابكم " . قالوا نعم . فدعا رجلا من علمايهم فقال " انشدك بالله الذي انزل التوراة على موسى اهكذا تجدون حد الزاني في كتابكم " . قال لا ولولا انك نشدتني بهذا لم اخبرك نجده الرجم ولكنه كثر في اشرافنا فكنا اذا اخذنا الشريف تركناه واذا اخذنا الضعيف اقمنا عليه الحد قلنا تعالوا فلنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فجعلنا التحميم والجلد مكان الرجم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اني اول من احيا امرك اذ اماتوه " . فامر به فرجم فانزل الله عز وجل { يا ايها الرسول لا يحزنك الذين يسارعون في الكفر} الى قوله { ان اوتيتم هذا فخذوه} يقول ايتوا محمدا صلى الله عليه وسلم فان امركم بالتحميم والجلد فخذوه وان افتاكم بالرجم فاحذروا . فانزل الله تعالى { ومن لم يحكم بما انزل الله فاوليك هم الكافرون} { ومن لم يحكم بما انزل الله فاوليك هم الظالمون} { ومن لم يحكم بما انزل الله فاوليك هم الفاسقون} في الكفار كلها
ইবনু নুমায়র ও আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ...... আ'মাশ (রহঃ) হতে একই সূত্রে فَأَمَرَ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم "তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (রজম করার) নির্দেশ প্রদান করলেন, এরপর (ঐ ইয়াহুদীকে) পাথর মারা হল" পর্যন্ত অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। কিন্তু এরপরে বর্ণিত আয়াতসমূহ তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، وابو سعيد الاشج قالا حدثنا وكيع، حدثنا الاعمش، بهذا الاسناد . نحوه الى قوله فامر به النبي صلى الله عليه وسلم فرجم . ولم يذكر ما بعده من نزول الاية
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলাম গোত্রের একজন পুরুষ এবং একজন ইয়াহুদী পুরুষ ও মহিলার প্রতি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর নিক্ষেপ করার শাস্তি বলবৎ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني هارون بن عبد الله، حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول رجم النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من اسلم ورجلا من اليهود وامراته
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রাযিঃ) থেকে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি "এবং একজন মহিলা" এ শব্দটি উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، بهذا الاسناد مثله . غير انه قال وامراة
আবূল কামিল জাহদারী, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ ইসহাক শাইবানী (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি (ব্যভিচারের জন্য) পাথর মেরেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, সূরা নুর অবতীর্ণ হওয়ার আগে, না পরে? তখন তিনি বললেন, আমি তা জানি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، حدثنا سليمان الشيباني، قال سالت عبد الله بن ابي اوفى ح. وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا علي بن مسهر، عن ابي، اسحاق الشيباني قال سالت عبد الله بن ابي اوفى هل رجم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم . قال قلت بعد ما انزلت سورة النور ام قبلها قال لا ادري
ঈসা ইবনু হাম্মাদ মিসরী (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যদি তোমাদের কোন দাসী ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার কার্য প্রকাশিত হয়ে পড়ে তবে তাকে শারীআত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি حد অনুযায়ী বেত্ৰাঘাত করবে এবং তাকে কোন প্রকার তিরস্কার করবে না। এরপর যদি দ্বিতীয়বার সে ব্যভিচার করে, তবে তাকে শারীআত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি বেত্ৰাঘাত করবে এবং তাকে কোন প্রকার ধমকি দিবে না। এরপর যদি তৃতীয়বার ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার কার্য প্রকাশ পায় তবে তাকে বিক্রি করে দেবে, চুলের দড়ি পরিমাণ মূল্যে হলেও। (অর্থাৎ- অতি কম মূল্য হলেও) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني عيسى بن حماد المصري، اخبرنا الليث، عن سعيد بن ابي سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة، انه سمعه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا زنت امة احدكم فتبين زناها فليجلدها الحد ولا يثرب عليها ثم ان زنت فليجلدها الحد ولا يثرب عليها ثم ان زنت الثالثة فتبين زناها فليبعها ولو بحبل من شعر
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আবদ ইবনু হুমায়দ, হারূন ইবনু সাঈদ আয়লী, হান্নাদ ইবনু সারিয়্যি ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দাসীর বেত্ৰাঘাত সম্পর্কে, "যখন সে তিন তিনবার ব্যভিচার করে, এরপর চতুর্থবারে তাকে বিক্রি করে দেবে"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، جميعا عن ابن عيينة، ح وحدثنا عبد بن حميد، اخبرنا محمد بن بكر البرساني، اخبرنا هشام بن حسان، كلاهما عن ايوب بن موسى، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، وابن، نمير عن عبيد الله بن عمر، ح وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، حدثني اسامة، بن زيد ح وحدثنا هناد بن السري، وابو كريب واسحاق بن ابراهيم عن عبدة بن سليمان، عن محمد بن اسحاق، كل هولاء عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم الا ان ابن اسحاق قال في حديثه عن سعيد عن ابيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم في جلد الامة اذا زنت ثلاثا " ثم ليبعها في الرابعة
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ কা'নবী ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হলো- যখন কোন অবিবাহিত দাসী ব্যভিচার করে এর হুকুম সম্পর্কে। তখন তিনি বললেন, যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্ৰাঘাত করবে। আবার যদি সে ব্যভিচার করে তবে আবারও বেত্ৰাঘাত করবে। এরপরও যদি সে ব্যভিচার করে তবে তাকে বেত্ৰাঘাত করবে এবং পরিশেষে তাকে বিক্রি করে দেবে, একটি দড়ির মূল্য পরিমাণ মূল্যে হলেও। ইবনু শিহাব (সন্দেহসূচক) বর্ণনা করেছেন যে, আমি জানি নাأَبَعْدَ الثَّالِثَةِ أَوِ الرَّابِعَةِ (বিক্রি করার নির্দেশটি কি তৃতীয় বারের পরে, না চতুর্থ বারের পরে)। কা'নবী (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন যে, ইবনু শিহাব (রহঃ) الضَّفِيرُ শব্দের অর্থ الْحَبْلُ (দড়ি) বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا مالك، ح وحدثنا يحيى بن يحيى، - واللفظ له - قال قرات على مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله عن ابي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سيل عن الامة اذا زنت ولم تحصن قال " ان زنت فاجلدوها ثم ان زنت فاجلدوها ثم ان زنت فاجلدوها ثم بيعوها ولو بضفير " . قال ابن شهاب لا ادري ابعد الثالثة او الرابعة . وقال القعنبي في روايته قال ابن شهاب والضفير الحبل
আবূ তাহির (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ ও যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলেন, ..... এ হাদীসটি 'আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ এবং ইয়াহইয়া বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর তিনি (ইবনু ওয়াহব) ইবনু শিহাবের কথা الضَّفِيرُ অর্থ الْحَبْلُ (দড়ি) এ কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪২৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو الطاهر، اخبرنا ابن وهب، قال سمعت مالكا، يقول حدثني ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سيل عن الامة . بمثل حديثهما ولم يذكر قول ابن شهاب والضفير الحبل
আমর আন নাকিদ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। সালিহ এবং মা'মার তারা উভয়ে মালিকের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর তারা তাদের হাদীসে দাসী বিক্রি সম্পর্কে فِي الثَّالِثَةِ أَوِ الرَّابِعَةِ (তৃতীয়বারে অথবা চতুর্থবারে) এ কথা সন্দেহসূচক বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثني ابي، عن صالح، ح وحدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، كلاهما عن الزهري، عن عبيد، الله عن ابي هريرة، وزيد بن خالد الجهني، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بمثل حديث مالك والشك في حديثهما جميعا في بيعها في الثالثة او الرابعة
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকাদ্দামী (রহঃ) ..... আবূ আবদুর রহমান (রহঃ) হতে তিনি বলেন, একদা আলী (রাযিঃ) এক ভাষণে বললেন, হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের (ব্যভিচারী) দাসদাসীদের উপর শরীআতের হুকুম "হদ্দ কার্যকর কর, তারা বিবাহিত হোক অথবা অবিবাহিত হোক। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এক দাসী ব্যভিচার করেছিল। তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন আমি যেন তাকে (দাসীটিকে) বেত্ৰাঘাত করি। সে তখন (নিফাস) সদ্য প্রসূতি অবস্থায় ছিল। আমি তখন ভয় করলাম যে, এমতাবস্থায় যদি আমি তাকে বেত্ৰাঘাত করি তবে হয়ত তাকে মেরেই ফেলবো। এ ঘটনা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট পেশ করলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، حدثنا سليمان ابو داود، حدثنا زايدة، عن السدي، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن، قال خطب علي فقال يا ايها الناس اقيموا على ارقايكم الحد من احصن منهم ومن لم يحصن فان امة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت فامرني ان اجلدها فاذا هي حديث عهد بنفاس فخشيت ان انا جلدتها ان اقتلها فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " احسنت
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... সুদ্দী (রহঃ) থেকে একই সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি “তাদের মধ্যকার বিবাহিত এবং অবিবাহিত" এ কথার উল্লেখ করেননি। তার বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, "তুমি তাকে ছেড়ে দাও, যতক্ষণ না সে নিফাস থেকে পবিত্র হয়"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا يحيى بن ادم، حدثنا اسراييل، عن السدي، بهذا الاسناد ولم يذكر من احصن منهم ومن لم يحصن . وزاد في الحديث " اتركها حتى تماثل
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট একদিন একজন মদপানকারী ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হলো। তখন তিনি দু'টি খেজুরের ডাল দিয়ে চল্লিশ বারের মত তাকে বেত্ৰাঘাত করলেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, আবূ বাকর (রাযিঃ)-ও (তার খিলাফত আমলে) তাই করেন। পরে যখন উমার (রাযিঃ) খালীফা হলেন, তিনি এ ব্যাপারে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ চাইলেন। তখন আবদুর রহমান (রাযীঃ) বললেন, অপরাধের শাস্তি কমপক্ষে আশি বেত্ৰাঘাত হওয়া প্রয়োজন। তাই উমার (রাযিঃ) এরই নির্দেশ দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت قتادة، يحدث عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتي برجل قد شرب الخمر فجلده بجريدتين نحو اربعين . قال وفعله ابو بكر فلما كان عمر استشار الناس فقال عبد الرحمن اخف الحدود ثمانين . فامر به عمر
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীবুল হারিসী (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, আমি আনাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক ব্যক্তিকে আনা হল..... অতঃপর রাবী আনাস উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا شعبة، حدثنا قتادة، قال سمعت انسا، يقول اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم برجل . فذكر نحوه
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ্যপানে খেজুরের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আবূ বাকর (রাযিঃ) তার আমলে চল্লিশটি বেত্ৰাঘাত করেছেন। উমার (রাযিঃ) এর খিলাফতকালে মানুষের সমৃদ্ধি এলে তারা প্রচুর পানি ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বসবাস আরম্ভ করলো। তিনি তাদেরকে বললেন, মদ্যপানের বেত্ৰাঘাত বিষয়ে আপনাদের মতামত কী? আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) বললেন, এ ব্যাপারে আমি মনে করি যে, আপনি সর্বনিম্ন দণ্ড নির্ধারণ করুন। তারপর উমর (রাযিঃ) মদ্যপানের শাস্তি হিসেবে আশিটি বেত্ৰাঘাত নির্ধারণ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن انس، بن مالك ان نبي الله صلى الله عليه وسلم جلد في الخمر بالجريد والنعال ثم جلد ابو بكر اربعين . فلما كان عمر ودنا الناس من الريف والقرى قال ما ترون في جلد الخمر فقال عبد الرحمن بن عوف ارى ان تجعلها كاخف الحدود . قال فجلد عمر ثمانين
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا هشام، بهذا الاسناد مثله
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ্যপানের অপরাধে জুতো এবং খেজুরের ডাল দ্বারা চল্লিশটি আঘাত করতেন। অতঃপর ওয়াকী' উল্লিখিত হাদীস বর্ণনাকারীদ্বয়ের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আর তিনি..... "পানি ও বসতি" কথাটির উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن هشام، عن قتادة، عن انس، انوسلم كان يضرب في الخمر بالنعال والجريد اربعين . ثم ذكر نحو حديثهما ولم يذكر الريف والقرى
আবূ বাকর ইবনু আবূ শইবাহ, যুহায়র ইবনু হারব, আলী ইবনু হুজুর ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম হানযালী (রহঃ) হাদীসের শব্দগুলো তারই (বর্ণনা করা), হুসায়ন ইবনু মুনযির আবূ সাসান (রহঃ) ..... হতে তিনি বলেন, আমি উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ) এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন ওয়ালীদকে তার কাছে আনা হল। সে ফজরের দু'রাকাআত সালাত আদায় করে বলেছিল, আমি তোমাদের উদ্দেশে আরো অধিক রাকাআত পড়ব। তখন দু’ব্যক্তি ওয়ালীদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দিল। তন্মধ্যে একজনের নাম ছিল হুমরান। সে বলল, সে মদ খেয়েছে। দ্বিতীয় ব্যক্তি সাক্ষ্য দিল যে, সে তাকে বমি করতে দেখেছে (মদ্যপানের কারণে)। তখন উসমান (রাযিঃ) বললেন, সে মদ খাওয়ার পরই বমি করেছে। অতএব তিনি বললেন, হে ‘আলী (রাযিঃ) আপনি উঠুন এবং তাকে বেত্ৰাঘাত করুন। তখন আলী (রাযিঃ) হাসান (রাযিঃ) কে বললেন, হে হাসান! তুমি উঠ এবং তাকে বেত্ৰাঘাত কর। হাসান (রাযিঃ) বললেন, যে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করেছে সে তার তিক্ততা ভোগ করুক। এতে যেন আলী (রাযিঃ) তার প্রতি মৰ্মাহত হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু জাফর! তুমি উঠ এবং তাকে দুররা (বেত্ৰাঘাত) মার। তিনি তাকে দুররা মারলেন। আর আলী (রাযিঃ) তা গণনা করলেন। যখন চল্লিশটি দুররা মেরেছেন তখন আলী (রাযিঃ) বলেন, তুমি বিরত হও। এরপর তিনি বললেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চল্লিশটি বেত্ৰাঘাত করেছেন এবং আবূ বাকর (রাযিঃ)-ও তার খিলাফতকালে চল্লিশটি দুররা মেরেছেন। আর উমার (রাযিঃ) (তার খিলাফাত কালে) আশিটি দুররা মেরেছেন। আর এতদুভয় সংখ্যার প্রতিটিই সুন্নাত। তবে এটি (শেষোক্তটি) আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়। আলী ইবনু হুজুর (রহঃ) তার বর্ণনায় কিছু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। ইসমাঈল (রহঃ) বলেন যে, আমি তা দানাজ থেকে শুনেছিলাম, কিন্তু এখন তা আমার মনে নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৩০৯)।
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، وعلي بن حجر، قالوا حدثنا اسماعيل، - وهو ابن علية - عن ابن ابي عروبة، عن عبد الله الداناج، ح وحدثنا اسحاق، بن ابراهيم الحنظلي - واللفظ له - اخبرنا يحيى بن حماد، حدثنا عبد العزيز بن المختار، حدثنا عبد الله بن فيروز، مولى ابن عامر الداناج حدثنا حضين بن المنذر ابو ساسان، قال شهدت عثمان بن عفان واتي بالوليد قد صلى الصبح ركعتين ثم قال ازيدكم فشهد عليه رجلان احدهما حمران انه شرب الخمر وشهد اخر انه راه يتقيا فقال عثمان انه لم يتقيا حتى شربها فقال يا علي قم فاجلده . فقال علي قم يا حسن فاجلده . فقال الحسن ول حارها من تولى قارها - فكانه وجد عليه - فقال يا عبد الله بن جعفر قم فاجلده . فجلده وعلي يعد حتى بلغ اربعين فقال امسك . ثم قال جلد النبي صلى الله عليه وسلم اربعين وجلد ابو بكر اربعين وعمر ثمانين وكل سنة وهذا احب الى . زاد علي بن حجر في روايته قال اسماعيل وقد سمعت حديث الداناج منه فلم احفظه
মুহাম্মাদ ইবনু মিনহালুয যারীর (রহঃ) ..... ‘আলী (রাযিঃ) থেকে তিনি বলেন, কোন অপরাধীর উপর 'হদ্দ' (শারীআতের শাস্তি) প্রয়োগে যদি সে মারা যায় তাতে আমি ব্যথিত হয়নি। কিন্তু মদ্যপায়ীর শাস্তি প্রদানে আমি ভীত। কেননা, এতে যদি সে মারা যায় তবে আমি তার দিয়াত (ক্ষতিপূরণ) প্রদান করবো। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ব্যাপারে শাস্তির কোন পরিমাণ নির্ধারিত করে যাননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩০৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن منهال الضرير، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سفيان الثوري، عن ابي حصين، عن عمير بن سعيد، عن علي، قال ما كنت اقيم على احد حدا فيموت فيه فاجد منه في نفسي الا صاحب الخمر لانه ان مات وديته لان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) হতে একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩১০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، بهذا الاسناد مثله