Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩,১৮০ হাদিসসমূহ
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পূর্ব বিবাহিতা তার নিজের (বিবাহের) ব্যাপারে তার অভিভাবকের তুলনায় অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন এবং পিতা কুমারী কন্যার নিজের ব্যাপারে তার সম্মতি নিবে। নীরবতাই তার সম্মতি। কখনও তিনি বলেছেন, তার নীরবতাই তার স্বীকৃতি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، بهذا الاسناد وقال " الثيب احق بنفسها من وليها والبكر يستاذنها ابوها في نفسها واذنها صماتها " . وربما قال " وصمتها اقرارها
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহু (রহিমাছমাল্লাহ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিয়ে করেছেন, আমার বয়স তখন ছয় বছর। তিনি আমাকে নিয়ে বাসর ঘরে যান, তখন আমার বয়স নয় বছর। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা হিজরাত করে মাদীনায় পৌছার পর আমি একমাস যাবৎ জ্বরে আক্রান্ত ছিলাম এবং আমার মাথার চুল পড়ে গিয়ে কানের কাছে (কিছু) থাকে। (আমার মা) উম্মু রূমান আমার নিকট এলেন, আমি তখন একটি দোলনার উপরে ছিলাম এবং আমার কাছে আমার খেলার সাখীরাও ছিল। তিনি আমাকে উচ্চস্বরে ডাকলেন, আমি তার নিকট গেলাম। আমি বুঝতে পারিনি যে, তিনি আমাকে নিয়ে কী করবেন। তিনি আমার হাত ধরে আমাকে দরজায় নিয়ে দাঁড় করালেন। আমি তখন বলছিলাম, আহ, আহ। অবশেষে আমার উদ্বেগ দূরীভূত হল। তিনি আমাকে একটি ঘরে নিয়ে গেলেন। সেখানে আনসার মহিলাগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা সকলে আমার কল্যাণ ও রহমতের জন্য দুআ করলেন এবং আমার সৌভাগ্য কামনা করলেন। তিনি (মা) আমাকে তাদের নিকট সমর্পণ করলেন। তারা আমার মাথা ধুয়ে দিলেন এবং আমাকে সুসজ্জিত করলেন। আমি কোন কিছুতে ভীত শংকিত হইনি। চাশতের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং তারা আমাকে তার নিকট সমর্পণ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي، شيبة قال وجدت في كتابي عن ابي اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم لست سنين وبنى بي وانا بنت تسع سنين . قالت فقدمنا المدينة فوعكت شهرا فوفى شعري جميمة فاتتني ام رومان وانا على ارجوحة ومعي صواحبي فصرخت بي فاتيتها وما ادري ما تريد بي فاخذت بيدي فاوقفتني على الباب . فقلت هه هه . حتى ذهب نفسي فادخلتني بيتا فاذا نسوة من الانصار فقلن على الخير والبركة وعلى خير طاير . فاسلمتني اليهن فغسلن راسي واصلحنني فلم يرعني الا ورسول الله صلى الله عليه وسلم ضحى فاسلمنني اليه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বিবাহ করেন এবং আমার নয় বছর বয়সে তিনি আমার সঙ্গে বাসর যাপন করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو معاوية، عن هشام بن عروة، ح وحدثنا ابن نمير، - واللفظ له - حدثنا عبدة، - هو ابن سليمان - عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت تزوجني النبي صلى الله عليه وسلم وانا بنت ست سنين وبنى بي وانا بنت تسع سنين
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তার সাত বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিবাহ করেন। তাকে নয় বছর* বয়সে তার ঘরে বধুবেশে নেয়া হয় এবং তার সঙ্গে তার খেলার পুতুলগুলোও ছিল। তাঁর আঠারো বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم تزوجها وهى بنت سبع سنين وزفت اليه وهي بنت تسع سنين ولعبها معها ومات عنها وهي بنت ثمان عشرة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহিমাহুমুল্লাহ) ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, তার ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিবাহ করেন, তার নয় বছর বয়সে তিনি তাকে নিয়ে বাসর যাপন করেন এবং আঠারো বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، واسحاق بن ابراهيم، وابو بكر بن ابي شيبة وابو كريب قال يحيى واسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة، قالت تزوجها رسول الله صلى الله عليه وسلم وهى بنت ست وبنى بها وهى بنت تسع ومات عنها وهى بنت ثمان عشرة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমাল্লাহ) .... আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে শাওয়াল মাসে বিবাহ করেন এবং শাওয়াল মাসে আমার সাথে প্রথম মিলিত হন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন স্ত্রী তার নিকট আমার চাইতে অধিক সম্ভোগ্য ছিলেন? আয়িশাহ্ (রাযিঃ) তার বংশের মেয়েদের শাওয়াল মাসে বাসর ঘরে পাঠানো উত্তম মনে করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، - واللفظ لزهير - قالا حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن اسماعيل بن امية، عن عبد الله بن عروة، عن عروة، عن عايشة، قالت تزوجني رسول الله صلى الله عليه وسلم في شوال وبنى بي في شوال فاى نساء رسول الله صلى الله عليه وسلم كان احظى عنده مني . قال وكانت عايشة تستحب ان تدخل نساءها في شوال
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) এর কর্মপন্থা উল্লেখিত হয়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا سفيان، بهذا الاسناد ولم يذكر فعل عايشة
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তার নিকট এসে তাকে বলল যে, সে আনসার সম্প্রদায়ের এক মেয়েকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কি তাকে একবার দেখেছে? সে বলল, না। তিনি বললেন, যাও! তুমি তাকে এক নযর দেখে নাও। কারণ আনসারদের চোখে কিছুটা ক্রটি আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن يزيد بن كيسان، عن ابي حازم، عن ابي، هريرة قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم فاتاه رجل فاخبره انه تزوج امراة من الانصار فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " انظرت اليها " . قال لا . قال " فاذهب فانظر اليها فان في اعين الانصار شييا
ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, আমি জনৈকা আনসারী মহিলা বিবাহ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কি দেখে নিয়েছিলে? কেননা আনসারদের চোখে ক্রটি থাকে। লোকটি বললো, আমি তাকে দেখে নিয়েছি। তিনি বললেন, কী পরিমাণ বিনিময়ে তুমি তাকে বিবাহ করেছো? লোকটি বললো, চার উকিয়ার বিনিময়ে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, চার উকিয়ার বিনিময়ে? মনে হয় তোমরা পাহাড়ের পার্শ্বদেশ থেকে রৌপ্য খুঁড়ে এনে থাক। আমাদের নিকট এমন কিছু নেই যা দিয়ে তোমাকে দান করতে পারি। তবে আমি তোমাকে শীঘ্রই একটি যুদ্ধাভিযানে পাঠিয়ে দিচ্ছি যার লব্ধ গনীমাত থেকে তুমি একাংশ লাভ করতে পারবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বানু আব্স-এর বিরুদ্ধে একটি অভিযান দল প্রেরণ করেন যার সাথে তিনি ঐ লোকটিকে পাঠিয়ে দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني يحيى بن معين، حدثنا مروان بن معاوية الفزاري، حدثنا يزيد بن كيسان، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال اني تزوجت امراة من الانصار . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " هل نظرت اليها فان في عيون الانصار شييا " . قال قد نظرت اليها . قال " على كم تزوجتها " . قال على اربع اواق . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " على اربع اواق كانما تنحتون الفضة من عرض هذا الجبل ما عندنا ما نعطيك ولكن عسى ان نبعثك في بعث تصيب منه " . قال فبعث بعثا الى بني عبس بعث ذلك الرجل فيهم
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ আস্ সাকাফী ও কুতায়বাহ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... সাহল ইবনু সাদ আস্ সাইদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি নিজেকে আপনার জন্য হিবা করছি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে লক্ষ্য করলেন এবং দৃষ্টি উপরের দিকে উঠিয়ে নিচে নামালেন। অতঃপর তিনি তার শির মুবারক নত করলেন। মহিলা যখন বুঝতে পারল যে, তার সম্বন্ধে কোন সিদ্ধান্তে পৌছেননি, তখন সে বসে পড়ল। অতঃপর জনৈক সাহাবী দাঁড়িয়ে আরয করল, হে আল্লাহর রসূল! যদি আপনার প্রয়োজন না হয় তাহলে তাকে আমার সাথে বিবাহ দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সাহাবী বললেন, না, আল্লাহর কসম হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন, তুমি বাড়ী যাও দেখ, কোন কিছু পাও কিনা। সাহাবী বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, আমি বাড়িতে কোন কিছুই পাইনি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দেখ, লোহার আংটি হলেও (পাও কিনা)। সাহাবী আবার গেল এবং ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম, আমি লোহার একটি আংটিও পাইনি। তবে আমার এ লুঙ্গিটি আছে। (বর্ণনাকারী) সাহল (রাযিঃ) বলেন, তার চাঁদরও ছিল না- যাতে অর্ধেক মহিলাটির জন্য হয়। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তোমার লুঙ্গি দ্বারা কী করবে? তা যদি তুমি পর তাহলে স্ত্রীর জন্য সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। আর যদি সে তা পরিধান করে তাহলে (তোমার জন্য) সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। এরপর সে ব্যক্তি বসে রইল। অনেক ক্ষণ বসার পর উঠে গেল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ফিরে যেতে দেখে ডেকে পাঠালেন। যখন সে এল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কুরআনের কোন অংশ তোমার জানা আছে? উত্তরে সে বললঃ অমুক সূরা, অমুক সূরা আমার জানা আছে। এভাবে সে সূরাগুলোর সংখ্যা বলে দিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কি এগুলো মুখস্থ পাঠ করতে পার? সাহাবী বলল, হাঁ। তিনি বললেন, যাও, তোমাকে এসব সূরার কারণে এ মহিলাকে তোমার অধিকারে দিয়ে দিলাম। এ হল ইবনু আবূ হাযিম এর বর্ণনা। আর ইয়াকুব এর বর্ণনা শব্দের দিকে দিয়ে এর কাছাকাছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن القاري - عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، ح وحدثناه قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن ابي حازم، عن ابيه، عن سهل بن سعد، الساعدي قال جاءت امراة الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله جيت اهب لك نفسي . فنظر اليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فصعد النظر فيها وصوبه ثم طاطا رسول الله صلى الله عليه وسلم راسه فلما رات المراة انه لم يقض فيها شييا جلست فقام رجل من اصحابه فقال يا رسول الله ان لم يكن لك بها حاجة فزوجنيها . فقال " فهل عندك من شىء " . فقال لا والله يا رسول الله . فقال " اذهب الى اهلك فانظر هل تجد شييا " . فذهب ثم رجع فقال لا والله ما وجدت شييا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انظر ولو خاتما من حديد " . فذهب ثم رجع . فقال لا والله يا رسول الله ولا خاتما من حديد . ولكن هذا ازاري - قال سهل ما له رداء - فلها نصفه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تصنع بازارك ان لبسته لم يكن عليها منه شىء وان لبسته لم يكن عليك منه شىء " . فجلس الرجل حتى اذا طال مجلسه قام فراه رسول الله صلى الله عليه وسلم موليا فامر به فدعي فلما جاء قال " ماذا معك من القران " . قال معي سورة كذا وسورة كذا - عددها . فقال " تقروهن عن ظهر قلبك " . قال نعم . قال " اذهب فقد ملكتكها بما معك من القران " . هذا حديث ابن ابي حازم وحديث يعقوب يقاربه في اللفظ
খালাফ ইবনু হিশাম, যুহায়র ইবনু হারব, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হাযিম (রহঃ) এর সূত্রে সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন। অবশ্য কেউ কেউ একে অপর থেকে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন। তবে যায়িদাহ এর হাদীসে রয়েছে, “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি যাও, আমি তোমার সাথে একে বিবাহ দিলাম। তুমি তাকে কুরআন শিক্ষা দাও।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، عن الدراوردي، ح وحدثنا ابو بكر بن، ابي شيبة حدثنا حسين بن علي، عن زايدة، كلهم عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، بهذا الحديث يزيد بعضهم على بعض غير ان في حديث زايدة قال " انطلق فقد زوجتكها فعلمها من القران
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমার আল মাক্কী (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিবাহে মাহর কী পরিমাণ ছিল? তিনি বললেন, তার বিবিগণের মাহরের পরিমাণ ছিল বারো উকিয়্যাহ্ ও এক নাশ। তিনি বললেন, তুমি কি জান এক নাশ এর পরিমাণ কতটুকু? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, এক নাশ এর পরিমাণ হল আধা উকিয়্যাহ। সুতরাং মোট হল পাঁচশত দিরহাম। এ ছিল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীগণের মাহর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عبد العزيز بن محمد، حدثني يزيد بن عبد، الله بن اسامة بن الهاد ح وحدثني محمد بن ابي عمر المكي، - واللفظ له - حدثنا عبد، العزيز عن يزيد، عن محمد بن ابراهيم، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، انه قال سالت عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كم كان صداق رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت كان صداقه لازواجه ثنتى عشرة اوقية ونشا . قالت اتدري ما النش قال قلت لا . قالت نصف اوقية . فتلك خمسماية درهم فهذا صداق رسول الله صلى الله عليه وسلم لازواجه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামিমী, আবূ রাবী’, সুলায়মান ইবনু দাউদ আল আতাকী ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) এর কাপড়ে হলদে রং দেখে বললেন, একি? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ সোনার বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন, তুমি ওয়ালীমাহ কর, যদিও একটি বকরী দ্বারা হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وابو الربيع، سليمان بن داود العتكي وقتيبة بن سعيد واللفظ ليحيى قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم راى على عبد الرحمن بن عوف اثر صفرة فقال " ما هذا " . قال يا رسول الله اني تزوجت امراة على وزن نواة من ذهب . قال " فبارك الله لك اولم ولو بشاة
মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দ গুবারী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মুহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن عبيد الغبري، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن انس بن مالك، ان عبد الرحمن بن عوف، تزوج على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم على وزن نواة من ذهب . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " اولم ولو بشاة
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার (মুহরানার) বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমাহ কর, যদি একটি বকরী দিয়েও হয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا وكيع، حدثنا شعبة، عن قتادة، وحميد، عن انس، ان عبد الرحمن بن عوف، تزوج امراة على وزن نواة من ذهب وان النبي صلى الله عليه وسلم قال له " اولم ولو بشاة
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও আহমাদ ইবনু খিরাশ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... শু'বাহ সূত্রে হুমায়দ থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে ওয়াহব-এর হাদীসের রয়েছে, ‘আবদুর রহমান (রাযিঃ) বললেনঃ আমি এক মহিলাকে বিবাহ করেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا ابو داود، ح وحدثنا محمد بن رافع، وهارون، بن عبد الله قالا حدثنا وهب بن جرير، ح وحدثنا احمد بن خراش، حدثنا شبابة، كلهم عن شعبة، عن حميد، بهذا الاسناد غير ان في، حديث وهب قال قال عبد الرحمن تزوجت امراة
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু কুদামাহ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার চেহারায় বাসর যাপনের প্রফুল্লতা দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি এক আনসার মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি বললেন, তুমি তাকে কী পরিমাণ মাহর দিয়েছো? আমি বললাম, এক নাওয়াত (এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণ)। ইসহাক্ক (রহঃ)-এর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেনঃ ‘এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণের’। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن قدامة، قالا اخبرنا النضر بن شميل، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت انسا، يقول قال عبد الرحمن بن عوف راني رسول الله صلى الله عليه وسلم وعلى بشاشة العرس فقلت تزوجت امراة من الانصار . فقال " كم اصدقتها " . فقلت نواة . وفي حديث اسحاق من ذهب
ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবদুর রহমান (রাযিঃ) খেজুরের একটি আঁটি পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে (মহরানা দিয়ে) এক মহিলাকে বিবাহ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابو داود، حدثنا شعبة، عن ابي حمزة، - قال شعبة واسمه عبد الرحمن بن ابي عبد الله - عن انس بن مالك، ان عبد الرحمن، تزوج امراة على وزن نواة من ذهب
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... শুবাহ্ (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে এতে রয়েছে, তিনি বললেনঃ আবদুর রহমান ইবনু আওফ এর কোন এক সন্তান مِنْ ذَهَبٍ (স্বর্ণের) শব্দও বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه محمد بن رافع، حدثنا وهب، اخبرنا شعبة، بهذا الاسناد غير انه قال فقال رجل من ولد عبد الرحمن بن عوف من ذهب
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের যুদ্ধে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বারের কাছে অন্ধকার থাকতেই ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবূ তলহাহ্ (রাযিঃ) সওয়ার হলেন। আমি ছিলাম আবূ তলহাহ (রাযিঃ) এর রাদীফ (তার বাহনে তার পশ্চাতে উপবিষ্ট) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারের গলি দিয়ে রওনা দিলেন। এ সময় আমার হাঁটু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উরুদেশ স্পর্শ করছিল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উরু থেকে লুঙ্গী সরে যাচ্ছিল। আর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উরুর শুভ্রতা দেখছিলাম। যখন তিনি বস্তিতে প্রবেশ করলেন তখন বললেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। বস্তুত আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ। এ কথা তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় লোকজন তাদের কাজে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগলো, মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এসেছেন)। বর্ণনাকারী আবদুল আযীয বলেন, আমাদের কোন কোন উস্তায বলেছেন, "পুরো বাহিনী সহ"। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বার জয় করলাম এবং বন্দীদের একত্রিত করা হল। তখন দিহইয়া (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কয়েদীদের মধ্যে থেকে আমাকে একজন দাসী প্রদান করুন। তিনি বললেনঃ যাও, একজন দাসী নিয়ে নাও। তিনি সফিয়্যাহ বিনত হুয়াইকে নিয়ে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর নবী! আপনি বানু কুরায়যাহ ও বানু নাযার এর সর্দার হুয়াইয়ের কন্যা সফিয়্যাকে দিহইয়াকে দিয়ে দিয়েছেন। ইনি একমাত্র আপনারই উপযুক্ত হতে পারে। তিনি বললেন, তাকে সফিয়্যাহসহ ডাক। তারপর দিহ্ইয়া (রাযিঃ) সফিয়্যাহসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি দিহইয়া (রাযিঃ) কে বললেন, তুমি সফিয়াহ ব্যতীত কয়েদীদের মধ্য থেকে অন্য কোন দাসী নিয়ে নাও। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সফিয়াকে আযাদ করলেন এবং তাকে বিবাহ করলেন। আনাসকে লক্ষ্য করে সাবিত (রাযিঃ) বললেন, হে আবূ হামযাহ! তিনি তাকে কী মাহর দিলেন? তিনি বললেন, তিনি তার সত্তাকে মুক্তি দান করেন এবং এর বিনিময়ে তাকে বিবাহ করেন। তারপর তিনি যখন (ফেরার) পথে ছিলেন তখন উম্মু সুলায়ম (রাযিঃ) সফিয়্যাহ (রাযিঃ) কে তার জন্য প্রস্তুত করেন এবং রাতে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সঙ্গে বাসর উদযাপনের পর ভোর হলে তিনি ঘোষণা করলেন, যার নিকট যা কিছু আছে তা নিয়ে যেন উপস্থিত হয়। আর তিনি চামড়ার বড় দস্তরখান বিছালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে কেউ পানীয়, কেউ খেজুর ও কেউ ঘি নিয়ে হাযির হল। তারপর এসব মিলিয়ে তারা হায়স তৈরি করেন। আর তাই ছিল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওয়ালীমাহ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৬২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر قال فصلينا عندها صلاة الغداة بغلس فركب نبي الله صلى الله عليه وسلم وركب ابو طلحة وانا رديف ابي طلحة فاجرى نبي الله صلى الله عليه وسلم في زقاق خيبر وان ركبتي لتمس فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم وانحسر الازار عن فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فاني لارى بياض فخذ نبي الله صلى الله عليه وسلم فلما دخل القرية قال " الله اكبر خربت خيبر انا اذا نزلنا بساحة قوم فساء صباح المنذرين " . قالها ثلاث مرات قال وقد خرج القوم الى اعمالهم فقالوا محمد والله . قال عبد العزيز وقال بعض اصحابنا محمد والخميس . قال واصبناها عنوة وجمع السبى فجاءه دحية فقال يا رسول الله اعطني جارية من السبى . فقال " اذهب فخذ جارية " . فاخذ صفية بنت حيى فجاء رجل الى نبي الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله اعطيت دحية صفية بنت حيى سيد قريظة والنضير ما تصلح الا لك . قال " ادعوه بها " . قال فجاء بها فلما نظر اليها النبي صلى الله عليه وسلم قال " خذ جارية من السبى غيرها " . قال واعتقها وتزوجها . فقال له ثابت يا ابا حمزة ما اصدقها قال نفسها اعتقها وتزوجها حتى اذا كان بالطريق جهزتها له ام سليم فاهدتها له من الليل فاصبح النبي صلى الله عليه وسلم عروسا فقال " من كان عنده شىء فليجي به " قال وبسط نطعا قال فجعل الرجل يجيء بالاقط وجعل الرجل يجيء بالتمر وجعل الرجل يجيء بالسمن فحاسوا حيسا . فكانت وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم