Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬০৭ হাদিসসমূহ
আমর আন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে বললাম, কোন ব্যক্তি সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ না করলে এতে আমি দোষের কিছু দেখি না এবং আমি নিজেও এতদুভয়ের মাঝে সাঈ বর্জন করায় কিছু মনে করি না। আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, হে বোনপুত্র! তুমি যা বলেছ তা মন্দ বলেছ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সাফা-মারওয়ার মাঝে) ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) (সাঈ) করেছেন এবং মুসলিমরাও ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছে। অতএব তা সুন্নাত। যে সব লোক (জাহিলী যুগে) 'মুশাল্লাল’ নামক স্থানে অবস্থিত নাফরমান মানাৎ দেবীর নামে ইহরাম বাঁধত, তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে তওয়াফ করত না। ইসলামের আবির্ভাবের পর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছি। তখন আল্লাহ তা’আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেন, “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ কাবাহ ঘরের হাজ্জ কিংবা উমরাহ্ পালন করে, এ দুটির মধ্যে প্রদক্ষিণ করলে এতে তার কোন পাপ নেই ......... "— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৫৮)। তুমি যা বলেছ, ব্যাপারটি যদি তদ্রপ হতো তবে বলা হতো, “এ দু'টির মধ্যে প্রদক্ষিণ না করলে তার কোন পাপ নেই।” ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, এ প্রসঙ্গটি আমি আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশামের কাছে উল্লেখ করলাম। তিনি তাতে বিস্মিত হলেন এবং বললেন, এর নামই জ্ঞান। তিনি আরও বললেন, জ্ঞানবান সমাজের অনেক লোককে বলতে শুনেছি- সাফা-মারওয়ার মাঝে তওয়াফ বর্জনকারী আরবের অধিবাসীরা বলত, এ দুই পাথরের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করা জাহিলী যুগের কাজ। আর আনসার সম্প্রদায়ের লোকেরা বলত, আমাদেরকে বায়তুল্লাহ তওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে তওয়াফের নির্দেশ দেয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে আল্লাহ তা'আলা নাযিল করলেন : “সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম।" আবূ বাকর ইবনু আবদুর রহমান বলেন, আমিও মনে করি যে, উল্লেখিত দুই সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে উপরোক্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، وابن ابي عمر، جميعا عن ابن عيينة، - قال ابن ابي عمر حدثنا سفيان، - قال سمعت الزهري، يحدث عن عروة بن الزبير، قال قلت لعايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ما ارى على احد لم يطف بين الصفا والمروة شييا وما ابالي ان لا اطوف بينهما . قالت بيس ما قلت يا ابن اختي طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم وطاف المسلمون فكانت سنة وانما كان من اهل لمناة الطاغية التي بالمشلل لا يطوفون بين الصفا والمروة فلما كان الاسلام سالنا النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك فانزل الله عز وجل { ان الصفا والمروة من شعاير الله فمن حج البيت او اعتمر فلا جناح عليه ان يطوف بهما} ولو كانت كما تقول لكانت فلا جناح عليه ان لا يطوف بهما . قال الزهري فذكرت ذلك لابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام فاعجبه ذلك . وقال ان هذا العلم . ولقد سمعت رجالا من اهل العلم يقولون انما كان من لا يطوف بين الصفا والمروة من العرب يقولون ان طوافنا بين هذين الحجرين من امر الجاهلية . وقال اخرون من الانصار انما امرنا بالطواف بالبيت ولم نومر به بين الصفا والمروة فانزل الله عز وجل { ان الصفا والمروة من شعاير الله} . قال ابو بكر بن عبد الرحمن فاراها قد نزلت في هولاء وهولاء
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম ..... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে- তারা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করতে গিয়ে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমরা সাফা-মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) কে খারাপ মনে করি। তখন আল্লাহ তা'আলা নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল করেনঃ "সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেউ বায়তুল্লাহর হজ্জ কিংবা উমরাহ পালন করে- এ দুটির মাঝে তওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই।" আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করাকে বিধিবদ্ধ করেছেন। অতএব এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) বর্জন করার কারো অধিকার নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن رافع، حدثنا حجين بن المثنى، حدثنا ليث، عن عقيل، عن ابن، شهاب انه قال اخبرني عروة بن الزبير، قال سالت عايشة . وساق الحديث بنحوه وقال في الحديث فلما سالوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقالوا يا رسول الله انا كنا نتحرج ان نطوف بالصفا والمروة فانزل الله عز وجل { ان الصفا والمروة من شعاير الله فمن حج البيت او اعتمر فلا جناح عليه ان يطوف بهما} قالت عايشة قد سن رسول الله صلى الله عليه وسلم الطواف بينهما فليس لاحد ان يترك الطواف بهما
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে অবহিত করেছেন যে, আনসার সম্প্রদায় ও গাসসান গোত্রের নিয়ম ছিল, তারা ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধত। অতএব তারা সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করাকে পাপ মনে করত। এটা ছিল তাদের পূর্ব-পুরুষদের রীতি যে, তাদের কোন ব্যক্তি মানাৎ দেবীর জন্য ইহরাম বাঁধলে সাফা মারওয়ার মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করত না। তারা ইসলাম গ্রহণের পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। তখন এ প্রসঙ্গে মহামহিম আল্লাহ নাযিল করেনঃ "সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কেউ বায়তুল্লাহর হজ্জ অথবা উমরাহ পালন করে, এতদুভয়ের মাঝে তওয়াফ করলে তার কোন দোষ নেই এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎকাজ করলে আল্লাহ পুরস্কারদাতা ও সর্বজ্ঞ”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৫৮)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، ان عايشة، اخبرته ان الانصار كانوا قبل ان يسلموا هم وغسان يهلون لمناة فتحرجوا ان يطوفوا بين الصفا والمروة وكان ذلك سنة في ابايهم من احرم لمناة لم يطف بين الصفا والمروة وانهم سالوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك حين اسلموا فانزل الله عز وجل في ذلك { ان الصفا والمروة من شعاير الله فمن حج البيت او اعتمر فلا جناح عليه ان يطوف بهما ومن تطوع خيرا فان الله شاكر عليم}
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে তওয়াফকে খারাপ কাজ মনে করত। অতএব এই সঙ্গে নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়ঃ "সাফা-মারওয়াহ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে কোন ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হজ্জ অথবা উমরাহ পালন করে এতদুভয়ের মাঝে ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করলে, তার কোন দোষ নেই ..... ” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو معاوية، عن عاصم، عن انس، قال كانت الانصار يكرهون ان يطوفوا بين الصفا والمروة حتى نزلت { ان الصفا والمروة من شعاير الله فمن حج البيت او اعتمر فلا جناح عليه ان يطوف بهما}
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীগণ সাফা-মারওয়ার মাঝে একবারের অধিক সাঈ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول لم يطف النبي صلى الله عليه وسلم ولا اصحابه بين الصفا والمروة الا طوافا واحدا
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, "একবার মাত্র সাঈ (সাত চক্কর), তা হচ্ছে প্রথমবারের সাঈ।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، اخبرنا محمد بن بكر، اخبرنا ابن جريج، بهذا الاسناد . مثله وقال الا طوافا واحدا طوافه الاول
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আলী ইবনু খাশরম (রহঃ) .... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় ফযলকে বাহনে তাঁর পিছনে বসলেন। রাবী বলেন, এরপর ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) আমাকে অবহিত করলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরাতুল আকাবায় পাথর নিক্ষেপের পূর্ব পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ পাঠ করতে থাকেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، وعلي بن خشرم، كلاهما عن عيسى بن يونس، - قال ابن خشرم اخبرنا عيسى، - عن ابن جريج، اخبرني عطاء، اخبرني ابن عباس، ان النبي صلى الله عليه وسلم اردف الفضل من جمع قال فاخبرني ابن عباس ان الفضل اخبره ان النبي صلى الله عليه وسلم لم يزل يلبي حتى رمى جمرة العقبة
কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ ও ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে তার ভাই ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাহনে তার সফরসঙ্গী ছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে সন্ধ্যাবেলা এবং মুযদালফায় ভোরবেলা লোকদের উদ্দেশে বললেন, যখন তারা অগ্রসর হচ্ছিল- “তোমরা ধীরে-সুস্থে অগ্রসর হও।" তিনিও নিজ উটের গতি ধীর করে অগ্রসর হচ্ছিলেন এবং এভাবে মুহাসসির পৌছলেন- যা মিনার অন্তর্গত। তিনি (এখানে) বললেন, তোমরা নুড়ি পাথর তুলে নাও যা জামরায় নিক্ষেপ করা হয়। রাবী বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ পাঠ করতে থাকলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، ح وحدثنا ابن رمح، اخبرني الليث، عن ابي، الزبير عن ابي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس، عن الفضل بن عباس، وكان، رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال في عشية عرفة وغداة جمع للناس حين دفعوا " عليكم بالسكينة " . وهو كاف ناقته حتى دخل محسرا - وهو من منى - قال " عليكم بحصى الخذف الذي يرمى به الجمرة " . وقال لم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى الجمرة
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবী এ কথাটি উল্লেখ করেননি- "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জামরায় পাথর নিক্ষেপ পর্যন্ত অনবরত তালবিয়াহ্ পাঠ করতে থাকলেন।" কিন্তু এতে উল্লেখ আছেঃ “নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিলেন (নিক্ষেপের জন্য) নুড়ি কিভাবে ধরবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا يحيى بن سعيد، عن ابن جريج، اخبرني ابو الزبير، بهذا الاسناد غير انه لم يذكر في الحديث ولم يزل رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبي حتى رمى الجمرة . وزاد في حديثه والنبي صلى الله عليه وسلم يشير بيده كما يخذف الانسان
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, আমরা মুযদালিফায় (সমবেত) ছিলাম। এ সময় যার উপর সূরা বাকারাহ নাযিল হয়েছে, তাকে এ স্থানে বলতে শুনলামঃ "লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن حصين، عن كثير بن مدرك، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال قال عبد الله ونحن بجمع سمعت الذي انزلت عليه سورة البقرة يقول في هذا المقام " لبيك اللهم لبيك
ইউসুফ ইবনু হাম্মদ আল মা'নী (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, আমরা আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) কে মুযদালিফায় বলতে শুনেছি যে, যার উপর সূরা বাকারাহ নাযিল হয়েছে, তাকে আমি বলতে শুনেছিঃ "লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” এরপর তিনি (ইবনু মাসউদ) তালবিয়াহ পাঠ করলেন এবং আমরাও তার সঙ্গে তালবিয়াহ পাঠ করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه يوسف بن حماد المعني، حدثنا زياد، - يعني البكايي - عن حصين، عن كثير بن مدرك الاشجعي، عن عبد الرحمن بن يزيد، والاسود بن يزيد، قالا سمعنا عبد، الله بن مسعود يقول بجمع سمعت الذي، انزلت عليه سورة البقرة ها هنا يقول " لبيك اللهم لبيك " . ثم لبى ولبينا معه
আহমাদ ইবনু হাম্বাল, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও সাঈদ ইবনু ইয়াহইয়া আল উমাবী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমরা সকালবেলা যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মিনা থেকে আরাফার দিকে রওনা হলাম, তখন আমাদের মধ্যে কতক তালবিয়াহ পাঠকারী এবং কতক তাকবীর পাঠকারী ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا احمد بن حنبل، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الله بن نمير، ح وحدثنا سعيد بن يحيى الاموي، حدثني ابي قالا، جميعا حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبد الله بن، ابي سلمة عن عبد الله بن عبد الله بن عمر، عن ابيه، قال غدونا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم من منى الى عرفات منا الملبي ومنا المكبر
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও ইয়াকুব আদ দাওরাকী (রহঃ) ...... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমরা আরাফাহ দিবসের সকালবেলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। আমাদের মধ্যে কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করছিল, আর কতক তালবিয়াহ পাঠ করেছিল। আমরা তাকবীর ধ্বনি করেছি। অধঃস্তন রাবী (আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সালামাহ) বলেন, আমি (আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহকে) বললাম, কী আশ্চর্য আপনি তাকে (আবদুল্লাহ ইবনু উমার) কেন জিজ্ঞেস করলেন না যে, আপনি এ ক্ষেত্রে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কী করতে দেখেছেন? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، وهارون بن عبد الله، ويعقوب الدورقي، قالوا اخبرنا يزيد بن هارون، اخبرنا عبد العزيز بن ابي سلمة، عن عمر بن حسين، عن عبد الله بن، ابي سلمة عن عبد الله بن عبد الله بن عمر، عن ابيه، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غداة عرفة فمنا المكبر ومنا المهلل فاما نحن فنكبر قال قلت والله لعجبا منكم كيف لم تقولوا له ماذا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আস্ সাক্বাফী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) এর সাথে সকালবেলা মিনা থেকে আরাফায় যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এ দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কিভাবে কী করতেন? তিনি বললেন, আমাদের কতক তালবিয়াহ পাঠ করত কিন্তু তাতে বাঁধা দেয়া হতো না এবং কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করত কিন্তু তাতেও বাঁধা দেয়া হতো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن محمد بن ابي بكر الثقفي، انه سال انس بن مالك وهما غاديان من منى الى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر منا فلا ينكر عليه
সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আরাফাহ দিবসের সকালবেলা আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, এ দিন আপনারা তালবিয়ার ক্ষেত্রে কী বলতেন? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আমি ও তার সাহাবীগণ এ পথ ভ্রমণ করেছি। আমাদের কতক 'আল্লা-হু আকবার ধ্বনি উচ্চারণ করেছে এবং কতক তালবিয়াহ্ (লাব্বায়কা আল্লা-হুম্মা লাব্বায়কা) উচ্চারণ করেছে। এতে আমাদের কেউ কারো দোষ ধরেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني سريج بن يونس، حدثنا عبد الله بن رجاء، عن موسى بن عقبة، حدثني محمد بن ابي بكر، قال قلت لانس بن مالك غداة عرفة ما تقول في التلبية هذا اليوم قال سرت هذا المسير مع النبي صلى الله عليه وسلم واصحابه فمنا المكبر ومنا المهلل ولا يعيب احدنا على صاحبه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব থেকে উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাকে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাহ থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন, পাহাড়ের সরু পথের নিকট পৌছে বাহন থেকে নেমে পেশাব করলেন, এরপর হালকা ওযু করলেন, পূর্ণ ওযু নয়। আমি তাকে বললাম, সালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেছে। তিনি বললেন, সামনে এগিয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করব। এরপর তিনি সওয়ারীতে আরোহণ করলেন, মুযদালিফায় পৌছে পূর্ণাঙ্গ ওযু করলেন। এরপর সালাতের ইকামাত দেয়া হল এবং (এখানে) মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর প্রত্যেকে নিজ নিজ উট বসাল (বিশ্রামের জন্য), এরপর ইশার সালাতের ইকামাত দেয়া হল এবং তিনি ইশার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। এ দুই সালাতের মধ্যে তিনি অন্য কোন সালাত আদায় করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن موسى بن عقبة، عن كريب، مولى ابن عباس عن اسامة بن زيد، انه سمعه يقول دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفة حتى اذا كان بالشعب نزل فبال ثم توضا ولم يسبغ الوضوء فقلت له الصلاة . قال " الصلاة امامك " . فركب فلما جاء المزدلفة نزل فتوضا فاسبغ الوضوء ثم اقيمت الصلاة فصلى المغرب ثم اناخ كل انسان بعيره في منزله ثم اقيمت العشاء فصلاها ولم يصل بينهما شييا
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আরাফাত থেকে প্রত্যাবর্তনের পথে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণের জন্য কোন এক গিরিপথে গেলেন। এরপর আমি তার ওযুর পানি ঢেলে দিলাম, এরপর বললাম, সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করবেন কি? তিনি বললেন, সামনে এগিয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن موسى بن عقبة، مولى الزبير عن كريب، مولى ابن عباس عن اسامة بن زيد، قال انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد الدفعة من عرفات الى بعض تلك الشعاب لحاجته فصببت عليه من الماء فقلت اتصلي فقال " المصلى امامك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছিঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাহ থেকে প্রত্যাবর্তন করলেন। তিনি গিরিপথের নিকটে পৌছে বাহন থেকে নেমে পেশাব করলেন। উসামাহ্ এ কথা বলেননি যে, তিনি পানি ঢেলে দিয়েছেন। বরং বলেছেন, তিনি পানি চাইলেন এবং হালকাভাবে ওযু করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করবেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সালাত তো তোমার সম্মুখে রয়েছে। রাবী বলেন, এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চলতে থাকলেন এবং মুযদালফায় পৌছলেন। এরপর মাগরিব ও ইশার সালাত আদায় করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، قال حدثنا عبد الله بن المبارك، ح وحدثنا ابو كريب - واللفظ له - حدثنا ابن المبارك، عن ابراهيم بن عقبة، عن كريب، مولى ابن عباس قال سمعت اسامة بن زيد، يقول افاض رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفات فلما انتهى الى الشعب نزل فبال - ولم يقل اسامة اراق الماء - قال فدعا بماء فتوضا وضوءا ليس بالبالغ - قال - فقلت يا رسول الله الصلاة . قال " الصلاة امامك " . قال ثم سار حتى بلغ جمعا فصلى المغرب والعشاء
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... কুরায়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) কে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনি যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে তার বাহনে আরোহণ করলেন, তখন 'আরাফাহ দিবসের সন্ধ্যায় আপনারা কী করেছিলেন? তিনি বললেন, যে উপত্যকায় লোকেরা মাগরিবের সময় নিজের উটকে (বিশ্রামের জন্য) বসায়, সেখানে এলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উট বসালেন এবং পেশাব করলেন। উসামাহ্ (রাযিঃ) পানি ঢেলে দেয়ার কথা বলেননি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযুর পানি চেয়ে আনলেন এবং হালকাভাবে ওযু করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করবেন? তিনি বললেন, সালাত তোমার সম্মুখে। এরপর তিনি সওয়ার হয়ে রওনা করলেন। অবশেষে আমরা মুযদালিফায় আসলাম। মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। লোকেরা নিজ নিজ স্থানে উট বসাল কিন্তু মাল-সামান খুলল না, এমনকি ইশার সালাতে দাঁড়ালেন এবং সালাত আদায় করলেন। এরপর লোকেরা মাল-সামান নামাল। আমি (কুরায়ব) বললাম, ভোর হওয়ার পর আপনারা কী করলেন? তিনি (উসামাহ) বললেন, ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) তার বাহনে (তার পিছনে) সওয়ার হলেন এবং আমি কুরায়শদের অগ্রভাগে পদব্রজে রওনা হলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا يحيى بن ادم، حدثنا زهير ابو خيثمة، حدثنا ابراهيم بن عقبة، اخبرني كريب، انه سال اسامة بن زيد كيف صنعتم حين ردفت رسول الله صلى الله عليه وسلم عشية عرفة فقال جينا الشعب الذي ينيخ الناس فيه للمغرب فاناخ رسول الله صلى الله عليه وسلم ناقته وبال - وما قال اهراق الماء - ثم دعا بالوضوء فتوضا وضوءا ليس بالبالغ فقلت يا رسول الله الصلاة . فقال " الصلاة امامك " . فركب حتى جينا المزدلفة فاقام المغرب ثم اناخ الناس في منازلهم ولم يحلوا حتى اقام العشاء الاخرة فصلى ثم حلوا قلت فكيف فعلتم حين اصبحتم قال ردفه الفضل بن عباس وانطلقت انا في سباق قريش على رجلى
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। যে উপত্যকায় মাক্কার (মক্কার) সম্রান্ত লোকেরা অবতরণ করত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে অবতরণ করে পেশাব করলেন। তিনি পানি ঢেলে দেয়ার কথা উল্লেখ করেননি। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযুর পানি চাইলেন এবং হালকা ওযু করলেন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! সালাত (সালাত/নামাজ/নামায)। তিনি বললেন, সালাত সামনে এগিয়ে আদায় করা হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৯৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا وكيع، حدثنا سفيان، عن محمد بن عقبة، عن كريب، عن اسامة بن زيد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما اتى النقب الذي ينزله الامراء نزل فبال - ولم يقل اهراق - ثم دعا بوضوء فتوضا وضوءا خفيفا فقلت يا رسول الله الصلاة . فقال " الصلاة امامك