Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৪০ হাদিসসমূহ
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো জলন্ত অঙ্গারের উপর বসে থাকা এবং তাতে তার কাপড় পুড়ে গিয়ে শরীরের চামড়া দগ্ধীভূত হওয়া কবরের উপর বসার চেয়ে উত্তম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১১৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لان يجلس احدكم على جمرة فتحرق ثيابه فتخلص الى جلده خير له من ان يجلس على قبر
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... উভয়েই সুহায়ল (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১১৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي ح وحدثنيه عمرو، الناقد حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سفيان، كلاهما عن سهيل، بهذا الاسناد . نحوه
আলী ইবনু হুজুর আস সা’দী (রহঃ) ..... আবূ মারসাদ আল গানবী (রযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কখনো কবরের উপর বসবে না এবং কবরের দিকে মুখ করে সালাতও আদায় করবে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১১৯. ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني علي بن حجر السعدي، حدثنا الوليد بن مسلم، عن ابن جابر، عن بسر، بن عبيد الله عن واثلة، عن ابي مرثد الغنوي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تجلسوا على القبور ولا تصلوا اليها
হাসান ইবনুর রাবী’ আল বাজালী (রহঃ) ..... আবূ মারসাদ আল গানবী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা কবরের দিকে সালাত আদায় করো না এবং কবরের উপর বসো না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا حسن بن الربيع البجلي، حدثنا ابن المبارك، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن بسر بن عبيد الله، عن ابي ادريس الخولاني، عن واثلة بن الاسقع، عن ابي مرثد الغنوي، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تصلوا الى القبور ولا تجلسوا عليها
আলী ইবনু হুজুর আস সা'দী ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হান্যালী (রহঃ) [শব্দাবলী ইসহাক-এর] ..... আব্বাস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস এর লাশ মসজিদে নিয়ে আসতে ও মসজিদের ভিতরে জানাযার সালাত আদায় করতে নির্দেশ দিলেন। উপস্থিত লোকেরা তার আদেশ পালনে অসম্মতি প্রকাশ করল। তিনি বললেন, লোকেরা এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেল! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনু বায়যা এর জানাযার সালাত মসজিদেই আদায় করেছিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني علي بن حجر السعدي، واسحاق بن ابراهيم الحنظلي، - واللفظ لاسحاق - قال علي حدثنا وقال، اسحاق اخبرنا عبد العزيز بن محمد، عن عبد الواحد بن حمزة، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، ان عايشة، امرت ان يمر، بجنازة سعد بن ابي وقاص في المسجد فتصلي عليه فانكر الناس ذلك عليها فقالت ما اسرع ما نسي الناس ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل ابن البيضاء الا في المسجد
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। যখন সা'দ ইবনু আব ওয়াক্কাস (রাযিঃ) ইনতিকাল করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীগণ তার লাশ মসজিদে নিয়ে আসার জন্য বলে পাঠালেন যাতে তারাও তার জানাযাহ আদায় করতে পারেন। উপস্থিত লোকেরা তাই করল। তাকে উম্মাহাতুল মু'মিনীনদের ঘরের সামনে রাখা হল এবং তারা তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তাকে বাবুল জানায়িয (জানাযাহ বের করার দরজা) দিয়ে যা মাকাইদ এর দিকে ছিল, বের করা হল। লোকেরা এ খবর জানতে পেয়ে বলল, কি ব্যাপার! জানাযাহ মসজিদে ঢুকানো হয়েছে? আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট এ সংবাদ পৌছলে তিনি বললেন, লোকেরা কেন এত শীঘ্র সমালোচনায় প্রবৃত্ত হল, যে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই? মসজিদে জানাযাহ নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে লোকেরা সমালোচনা করল, অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুহায়ল ইবনু বায়যা এর সালাতে জানাযাহ মসজিদের ভিতরেই আদায় করেছেন। ইমাম মুসলিম বলেন, সুহায়ল বিন ওয়াদা বায়যা এর পুত্র। তার মায়ের নাম বায়যা। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا موسى بن عقبة، عن عبد الواحد، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، يحدث عن عايشة، انها لما توفي سعد بن ابي وقاص ارسل ازواج النبي صلى الله عليه وسلم ان يمروا بجنازته في المسجد فيصلين عليه ففعلوا فوقف به على حجرهن يصلين عليه اخرج به من باب الجنايز الذي كان الى المقاعد فبلغهن ان الناس عابوا ذلك وقالوا ما كانت الجنايز يدخل بها المسجد . فبلغ ذلك عايشة فقالت ما اسرع الناس الى ان يعيبوا ما لا علم لهم به . عابوا علينا ان يمر بجنازة في المسجد وما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على سهيل ابن بيضاء الا في جوف المسجد
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) [শব্দগুলো রাফি'] ..... আবু সালামাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। যখন সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস ইনতিকাল করলেন আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, তোমরা তার লাশ নিয়ে মসজিদে প্রবেশ কর। আমি তার জানাযাহ পড়ব। তখন লোকেরা অস্বীকৃতি জানালে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বায়যা এর দু' ছেলে সুহায়ল ও তার ভাইয়ের (সাহল এর) জানাযার সালাত মসজিদেই আদায় করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن عبد الله، ومحمد بن رافع، - واللفظ لابن رافع - قالا حدثنا ابن ابي فديك، اخبرنا الضحاك، - يعني ابن عثمان - عن ابي النضر، عن ابي سلمة بن، عبد الرحمن ان عايشة، لما توفي سعد بن ابي وقاص قالت ادخلوا به المسجد حتى اصلي عليه . فانكر ذلك عليها فقالت والله لقد صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم على ابنى بيضاء في المسجد سهيل واخيه . قال مسلم سهيل بن دعد وهو ابن البيضاء امه بيضاء
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামিমী, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব ও কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) .... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অভ্যাস ছিল, যেদিন তার কাছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাত্রি যাপনের পালা আসত, তিনি শেষ রাত্রে উঠে (বাকী কবরস্থানে) চলে যেতেন এবং এভাবে দু'আ করতেনঃ "আসসালা-মু আলায়কুম দা-রা কাওমিন মু'মিনীনা ওয়া আতা-কুম মা ত'আদূনা গদান মুআজজালুনা ওয়া ইন্না- ইনশা-আল্ল-হু বিকুম লা-হিকূন আল্ল-হুমমাগফিরলি আহলি বাকীউল গরকাদ” (অর্থাৎ- তোমাদের ওপর সালাম ও শান্তি বর্ষিত হোক, ওহে ঈমানদার কবরবাসীগণ! তোমাদের কাছে পরকালে নির্ধারিত যেসব বিষয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল তা তোমাদের নিকট এসে গেছে। আল্লাহর ইচ্ছায় আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হব। হে আল্লাহ! বাকী গারকদি কবরবাসীদেরকে ক্ষমা করে দাও।)। কিন্তু কুতায়বাহ-এর বর্ণনায় "তোমাদেরকে দেয়া হয়েছে" কথাটি নেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، ويحيى بن ايوب، وقتيبة بن سعيد، قال يحيى بن يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن شريك، - وهو ابن ابي نمر - عن عطاء بن يسار، عن عايشة، انها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم - كلما كان ليلتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم - يخرج من اخر الليل الى البقيع فيقول " السلام عليكم دار قوم مومنين واتاكم ما توعدون غدا موجلون وانا ان شاء الله بكم لاحقون اللهم اغفر لاهل بقيع الغرقد " . ولم يقم قتيبة قوله " واتاكم
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি- তিনি বলেন, আমি কি তোমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ও আমার তরফ থেকে হাদীস বর্ণনা করে শোনাব না? আমরা বললাম, অবশ্যই! ইমাম মুসলিম (রহঃ) হাজ্জাজ আল আ'ওয়ার (রহঃ) থেকে শুনেছেন ..... জনৈক কুরায়শী আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে মুহাম্মাদ ইবনু কায়স ইবনু মাখরামাহ ইবনুল মুত্ত্বালিব (রহঃ) একদিন আমাকে বলেন, আমি কি তোমাদেরকে আমার পক্ষ থেকে ও আমার আমার আম্মাজান থেকে হাদীস বর্ণনা করে শুনাব? রাবী আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ধারণা করলাম তিনি তার জননী মাকে বুঝাচ্ছেন। এরপর তিনি বললেন, "আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, আমি কি তোমাদের আমার পক্ষ থেকে ও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করে শুনাব? আমরা বললাম, হ্যাঁ অবশ্যই। তিনি বলেন, যখন ঐ রাত আসত যে রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে থাকতেন। তিনি এসে তার চাদর রেখে দিতেন, জুতা খুলে পায়ের কাছে রাখতেন। পরে নিজ তহবন্দের (লুঙ্গি) একদিক বিছানায় বিছিয়ে কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন। অতঃপর মাত্র কিছু সময় যতক্ষণে তিনি ধারণা করতেন যে, আমি ঘুমিয়ে পড়েছি, বিশ্রাম গ্রহণ করতেন। অতঃপর উঠে ধীরে ধীরে নিজ চাদর নিতেন এবং জুতা পরিধান করতেন। পরে আস্তে আস্তে দরজা খুলে বেরিয়ে পড়তেন। অতঃপর কিছু সময় নিজেকে আত্মগোপন করে রাখতেন। একদিন আমি আমার জামা মাথার উপর স্থাপন করে তা দিয়ে মাথাটা ঢেকে লুঙ্গি পরিধান করে, অতঃপর তার পেছনে রওয়ানা হলাম। যেতে যেতে তিনি বাকী’তে" (কবরস্থানে) পৌছলেন। তথায় তিনি দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর তিনি তিনবার হাত উঠিয়ে দু'আ করলেন। এবার গৃহের দিকে ফিরে রওয়ানা করলে আমিও রওয়ানা হলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দ্রুত রওয়ানা করলে আমিও দ্রুত চলতে লাগলাম। তাকে আরও দ্রুত পদক্ষেপে এগিয়ে আসতে দেখে আমি আরও দ্রুত চলতে লাগলাম। এরপর আমরা দৌড়াতে আরম্ভ করলে আমি দৌড়ে তার আগেই ঘরে ঢুকে পড়লাম এবং বিলম্ব না করে শুয়ে পড়লাম। একটু পরে তিনি গৃহে প্রবেশ করে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আয়িশাহ! তোমার কি হল? কেন হাপিয়ে পড়েছ? আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি জবাব দিলাম না, তেমন কিছু না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হয় তুমি নিজে আমাকে ব্যাপারটা খুলে বলবে নতুবা মহান আল্লাহ আমাকে তা জানিয়ে দিবেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনার ওপর আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক। এরপর তাকে ব্যাপারটা জানিয়ে দিলাম। তিনি বললেন, তুমিই সে কালো ছায়াটি যা আমি আমার সামনে দেখছিলাম। আমি বললামঃ জী হ্যাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার বুকে একটা থাপ্পড় মারলেন যাতে আমি ব্যথা পেলাম। অতঃপর বললেন, তুমি কি ধারণা করেছ আল্লাহ ও তার রসূল তোমার ওপর অবিচার করবেন? আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, যখনই মানুষ কোন কিছু গোপন করে, আল্লাহ তা অবশ্যই জানেন। হ্যাঁ অবশ্যই জানেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যখন তুমি আমাকে দেখেছ এ সময় আমার কাছে জিবরীল (আঃ) এসেছিলেন এবং আমাকে ডাকছিলেন। অবশ্য তা তোমার কাছে গোপন রাখা হয়েছে। আর আমিও তা গোপন রাখা বাঞ্ছনীয় মনে করে তোমার নিকট গোপন রেখেছি। যেহেতু তুমি তোমার কাপড় রেখে দিয়েছ, তাই তিনি তোমার কাছে আসেননি। আমি ভেবেছিলাম তুমি ঘুমিয়ে পড়েছ তাই তোমাকে জাগানো সমীচীন মনে করিনি। আর আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, তুমি ভীত বিহ্বল হয়ে পড়বে। এরপর জিবরীল (আঃ) বললেন, আপনার প্রভু আপনার প্রতি আদেশ করছেন, বাকী'র কবরবাসীদের নিকট গিয়ে তাদের জন্য দু'আ ইসতিগফার করতে। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি তাদের জন্য কীভাবে দু'আ করব? তিনি বললেনঃ তুমি বল, "এ বাসস্থানের অধিবাসী ঈমানদার মুসলিমদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক। আমাদের মধ্য থেকে যারা আগে বিদায় গ্রহণ করেছে আর যারা পিছনে বিদায় নিয়েছে সবার প্রতি আল্লাহ দয়া করুন। আল্লাহ চাহে তো আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হব*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন, ২১২৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুবায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু বুরায়দাহ (রহঃ) তার পিতা [বুরায়দাহ ইবনু হুসায়ব ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ)] থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তারা যখন কবরস্থানে যেতেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দু'আ শিখিয়ে দিতেন। অতঃপর তাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি আবূ বাকর এর বর্ণনানুযায়ী বলত "আসসালা-মু আলা- আহলিদ দিয়া-র” (অর্থাৎ- কবরবাসীদের প্রতি আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক।)। আর যুহায়র-এর বর্ণনায় আছেঃ "আসসালা-মু আলায়কুম আহলাদ দিয়া-র মিনাল মুমিনীনা ওয়াল মুসলিমীনা ওয়া ইন্না- ইনশা-আল্ল-হু লালা-হিকূনা আসআলুল্ল-হা লানা- ওয়ালাকুমুল আ-ফিয়াহু" (অর্থাৎ- হে কবরবাসী ঈমানদার মুসলিমগণ! তোমাদের প্রতি সালাম। আল্লাহ চাহে তো আমরাও তোমাদের সাথে মিলিত হব। আমি আমাদের ও তোমাদের জন্য আল্লাহর নিকট নিরাপত্তার আবেদন জানাচ্ছি।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا محمد بن عبد الله، الاسدي عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن ابيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلمهم اذا خرجوا الى المقابر فكان قايلهم يقول - في رواية ابي بكر - السلام على اهل الديار - وفي رواية زهير - السلام عليكم اهل الديار من المومنين والمسلمين وانا ان شاء الله للاحقون اسال الله لنا ولكم العافية
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব ও মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ (রহঃ) [শব্দাবলী ইয়াহইয়া-এর] ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আমার প্রভুর নিকট আমার মায়ের জন্য ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করার অনুমতি চাইলে আমার প্রভু আমাকে অনুমতি দান করেননি। আর তার কবর যিয়ারাত করার অনুমতি চাইলে তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২৭, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، ومحمد بن عباد، - واللفظ ليحيى - قالا حدثنا مروان، بن معاوية عن يزيد، - يعني ابن كيسان - عن ابي حازم، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " استاذنت ربي ان استغفر لامي فلم ياذن لي واستاذنته ان ازور قبرها فاذن لي
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মায়ের কবর যিয়ারাত করতে গেলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাঁদলেন এবং আশেপাশের সবাইকে কাঁদালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি আমার প্রভুর নিকট মায়ের জন্য ইস্তিগফারের অনুমতি চাইলাম। কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হল না। আমি তার কবর যিয়ারাত করার জন্য অনুমতি চাইলে আমাকে অনুমতি দেয়া হ'ল। অতএব তোমরা কবর যিয়ারাত কর। কেননা কবর যিয়ারাত তোমাদেরকে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا محمد بن عبيد، عن يزيد بن كيسان، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، قال زار النبي صلى الله عليه وسلم قبر امه فبكى وابكى من حوله فقال " استاذنت ربي في ان استغفر لها فلم يوذن لي واستاذنته في ان ازور قبرها فاذن لي فزوروا القبور فانها تذكر الموت
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) [শব্দগুলোর আবূ বাকর ও ইবনু নুমায়র এর] ... ইবনু বুরায়দাহ (রহঃ) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বুরায়দাহ ইবনু হুসায়ব ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে কবর বিয়ারাত করতে নিষেধ করতাম। (এখন অনুমতি দিচ্ছি) তোমরা কবর যিয়ারাত করতে পার। আমি ইতোপূর্বে তিনদিনের বেশী কুরবানী গোশত রাখার ব্যাপারে তোমাদেরকে নিষেধ করতাম। এখন তোমাদের যতদিন ইচ্ছা রাখতে পার। এছাড়া আমি তোমাদেরকে পানির পাত্রে নবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা যে কোন পানির পাত্রে তা তৈরি করতে পার। তবে নেশার বস্তু (মাদকদ্রব্য) পান করো না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১২৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، ومحمد بن عبد الله بن نمير، ومحمد بن المثنى، - واللفظ لابي بكر وابن نمير - قالوا حدثنا محمد بن فضيل، عن ابي سنان، - وهو ضرار بن مرة - عن محارب بن دثار، عن ابن بريدة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهيتكم عن زيارة القبور فزوروها ونهيتكم عن لحوم الاضاحي فوق ثلاث فامسكوا ما بدا لكم ونهيتكم عن النبيذ الا في سقاء فاشربوا في الاسقية كلها ولا تشربوا مسكرا " . قال ابن نمير في روايته عن عبد الله بن بريدة عن ابيه
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, ইবনু আবু উমার, মুহাম্মাদ রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু বুরায়দাহ (রহঃ) তার পিতা থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তারা সবাই এ হাদীস আবূ সিনান এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১৩০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو خيثمة، عن زبيد اليامي، عن محارب بن دثار، عن ابن بريدة، اراه عن ابيه، - الشك من ابي خيثمة - عن النبي صلى الله عليه وسلم ح . وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا قبيصة بن عقبة، عن سفيان، عن علقمة، بن مرثد عن سليمان بن بريدة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح . وحدثنا ابن ابي عمر، ومحمد بن رافع، وعبد بن حميد، جميعا عن عبد الرزاق، عن معمر، عن عطاء الخراساني، قال حدثني عبد الله بن بريدة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم كلهم بمعنى حديث ابي سنان
আওন ইবনু সাল্লাম আল কূফী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জনৈক ব্যক্তির লাশ উপস্থিত করা হল। সে চ্যাপ্টা তীরের আঘাতে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযার সালাত আদায় করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ২১৩১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عون بن سلام الكوفي، اخبرنا زهير، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال اتي النبي صلى الله عليه وسلم برجل قتل نفسه بمشاقص فلم يصل عليه
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرنا ابن جريج، عن عبد الله بن كثير بن المطلب، انه سمع محمد بن قيس، يقول سمعت عايشة، تحدث فقالت الا احدثكم عن النبي صلى الله عليه وسلم وعني . قلنا بلى ح. وحدثني من، سمع حجاجا الاعور، - واللفظ له - قال حدثنا حجاج بن محمد، حدثنا ابن جريج، اخبرني عبد الله، - رجل من قريش - عن محمد بن قيس بن مخرمة، بن المطلب انه قال يوما الا احدثكم عني وعن امي قال فظننا انه يريد امه التي ولدته . قال قالت عايشة الا احدثكم عني وعن رسول الله صلى الله عليه وسلم . قلنا بلى . قال قالت لما كانت ليلتي التي كان النبي صلى الله عليه وسلم فيها عندي انقلب فوضع رداءه وخلع نعليه فوضعهما عند رجليه وبسط طرف ازاره على فراشه فاضطجع فلم يلبث الا ريثما ظن ان قد رقدت فاخذ رداءه رويدا وانتعل رويدا وفتح الباب فخرج ثم اجافه رويدا فجعلت درعي في راسي واختمرت وتقنعت ازاري ثم انطلقت على اثره حتى جاء البقيع فقام فاطال القيام ثم رفع يديه ثلاث مرات ثم انحرف فانحرفت فاسرع فاسرعت فهرول فهرولت فاحضر فاحضرت فسبقته فدخلت فليس الا ان اضطجعت فدخل فقال " ما لك يا عايش حشيا رابية " . قالت قلت لا شىء . قال " لتخبريني او ليخبرني اللطيف الخبير " . قالت قلت يا رسول الله بابي انت وامي . فاخبرته قال " فانت السواد الذي رايت امامي " . قلت نعم . فلهدني في صدري لهدة اوجعتني ثم قال " اظننت ان يحيف الله عليك ورسوله " . قالت مهما يكتم الناس يعلمه الله نعم . قال " فان جبريل اتاني حين رايت فناداني فاخفاه منك فاجبته فاخفيته منك ولم يكن يدخل عليك وقد وضعت ثيابك وظننت ان قد رقدت فكرهت ان اوقظك وخشيت ان تستوحشي فقال ان ربك يامرك ان تاتي اهل البقيع فتستغفر لهم " . قالت قلت كيف اقول لهم يا رسول الله قال " قولي السلام على اهل الديار من المومنين والمسلمين ويرحم الله المستقدمين منا والمستاخرين وانا ان شاء الله بكم للاحقون