Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯৩ হাদিসসমূহ
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ইয়াহূদী বিদ্বান রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আল্লাহ্ কিয়ামতের দিন আসমানকে একে আঙ্গুলের ওপর, পৃথিবীকে এক আঙ্গুলের ওপর, পর্বতরাজিকে এক আঙ্গুলের ওপর, বৃক্ষলতা ও নদী-নালাকে এক আঙ্গুলের ওপর এবং সকল সৃষ্টিকে এক আঙ্গুলের ওপর রেখে দেবেন। এবং নিজ হাতে ইশারা দিয়ে বলবেন, সম্রাট একমাত্র আমিই। এতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং বললেনঃ তারা আল্লাহর যথাযোগ্য মর্যাদা উপলব্ধি করেনি- (সূরাহ আন‘আম ৬/৯১)। [৪৮১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى، حدثنا ابو عوانة، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال جاء حبر الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد ان الله يضع السماء على اصبع، والارض على اصبع، والجبال على اصبع، والشجر والانهار على اصبع، وساير الخلق على اصبع، ثم يقول بيده انا الملك فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " {وما قدروا الله حق قدره}
وَهُوَ فِعْلُ الرَّبِّ تَبَارَكَ وَتَعَالَى وَأَمْرُهُ فَالرَّبُّ بِصِفَاتِهِ وَفِعْلِهِ وَأَمْرِهِ وَكَلاَمِهِ وَهُوَ الْخَالِقُ الْمُكَوِّنُ غَيْرُ مَخْلُوقٍ وَمَا كَانَ بِفِعْلِهِ وَأَمْرِهِ وَتَخْلِيقِهِ وَتَكْوِينِهِ فَهُوَ مَفْعُولٌ مَخْلُوقٌ مُكَوَّنٌ অতএব রব্ব তাঁর গুণাবলী, কাজ, আদেশ ও কালামসহ তিনি স্রষ্টা ও অস্তিত্বদানকারী। তিনি সৃষ্ট নন। তাঁর কাজ, আদেশ ও সৃষ্টি এবং অস্তিত্ব দানে যা হয়, তা হলো কর্ম, সৃষ্ট ও অস্তিত্ব লাভকারী বস্তু। ৭৪৫২. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একবার মাইমূনাহ (রাঃ)-এর ঘরে রাত কাটালাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে ছিলেন। রাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত কেমন হয় তা দেখার জন্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের সঙ্গে কিছু সময় কথা বললেন এবং ঘুমিয়ে পড়লেন। এরপর যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ কিংবা শেষের কিছু অংশ বাকী থাকল, তিনি উঠে বসলেন এবং আসমানের দিকে তাকিয়ে তিলাওয়াত করলেনঃ আকাশসমূহ ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে.....বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্য- (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/১৯০)। তারপর তিনি উঠে গিয়ে ওযূ ও মিস্ওয়াক করলেন। অতঃপর এগার রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। বিলাল (রাঃ) (ফজরের) সালাতের আযান দিলে তিনি দু’রাক‘আত সালাত পড়ে নিলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে সহাবাদেরকে ফজরের (দু’রাক‘আত) সালাত পড়িয়ে দিলেন। [১১৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، اخبرنا محمد بن جعفر، اخبرني شريك بن عبد الله بن ابي نمر، عن كريب، عن ابن عباس، قال بت في بيت ميمونة ليلة والنبي صلى الله عليه وسلم عندها لانظر كيف صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم بالليل، فتحدث رسول الله صلى الله عليه وسلم مع اهله ساعة ثم رقد، فلما كان ثلث الليل الاخر او بعضه قعد فنظر الى السماء فقرا {ان في خلق السموات والارض} الى قوله {لاولي الالباب} ثم قام فتوضا واستن، ثم صلى احدى عشرة ركعة، ثم اذن بلال بالصلاة فصلى ركعتين، ثم خرج فصلى للناس الصبح
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা‘আলা যখন (সৃষ্টির) কাজ সম্পন্ন করলেন, তখন তাঁর নিকট তাঁর আরশের ওপর লিখে দিলেন, ‘‘আমার রহমত আমার ক্রোধকে ছাড়িয়ে গেছে।’’ [৩১৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، حدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لما قضى الله الخلق كتب عنده فوق عرشه، ان رحمتي سبقت غضبي
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যিনি ‘সত্যবাদী’ এবং ‘সত্যবাদী বলে স্বীকৃত’ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তোমাদের প্রত্যেকের সৃষ্টি হলো এমন বীর্য থেকে যাকে মায়ের পেটে চল্লিশ দিন কিংবা চল্লিশ রাত একত্রিত রাখা হয়। তারপর তেমনি সময়ে আলাক হয়, তারপর তেমনি সময়ে গোশতপিন্ডে পরিণত হয়। তারপর আল্লাহ্ তার কাছে ফেরেশতা প্রেরণ করেন। এই ফেরেশতাকে চারটি বিষয় সম্পর্কে লেখার করার জন্য হুকুম দেয়া হয়। যার ফলে ফেরেশেতা তার রিযক, ‘আমল, আয়ু এবং দুর্ভাগা কিংবা ভাগ্যবান হওয়া সম্পর্কে লিখে দেয়। তারপর তার মধ্যে প্রাণ ফুঁকে দেয়া হয়। এজন্যই তোমাদের কেউ জান্নাতীদের ‘আমল করে এতটুকু এগিয়ে যায় যে, তার ও জান্নাতের মাঝে কেবল এক গজের দূরত্ব থাকতেই তার ওপর লিখিত তাক্দীর প্রবল হয়ে যায়। তখন সে জাহান্নামীদের ‘আমল করে। শেষে সে জাহান্নামে প্রবেশ করে। আবার তোমাদের কেউ জাহান্নামীদের মত ‘আমল করে এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, তার ও জাহান্নামের মাঝে মাত্র এক গজের দূরত্ব থাকতে তার উপর তাকদীরের লেখা প্রবল হয়, ফলে সে জান্নাতীদের মত ‘আমল করে, শেষে জান্নাতেই প্রবেশ করে। [৩২০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا الاعمش، سمعت زيد بن وهب، سمعت عبد الله بن مسعود رضى الله عنه حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الصادق المصدوق " ان خلق احدكم يجمع في بطن امه اربعين يوما واربعين ليلة، ثم يكون علقة مثله، ثم يكون مضغة مثله، ثم يبعث اليه الملك فيوذن باربع كلمات، فيكتب رزقه واجله وعمله وشقي ام سعيد ثم ينفخ فيه الروح، فان احدكم ليعمل بعمل اهل الجنة، حتى لا يكون بينها وبينه الا ذراع، فيسبق عليه الكتاب، فيعمل بعمل اهل النار فيدخل النار، وان احدكم ليعمل بعمل اهل النار، حتى ما يكون بينها وبينه الا ذراع فيسبق عليه الكتاب، فيعمل عمل اهل الجنة فيدخلها
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিবরাঈলকে জিজ্ঞেস করলেন, হে জিব্রীল! আপনি আমাদের সঙ্গে যে পরিমাণ সাক্ষাত করেন, তার চেয়ে বেশি সাক্ষাত করতে কিসে বাধা দেয়? এরই প্রেক্ষাপটে কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয়: (ফেরেশতাগণ বলেন) ‘আমরা আপনার প্রতিপালকের হুকুম ছাড়া অবতরণ করি না, যা আমাদের সামনে আছে, আর যা আমাদের পেছনে আছে আর এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তা তাঁরই, আপনার প্রতিপালক কক্ষনো ভুলে যান না। (সূরাহ মারইয়াম ১৯/৬৪)। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রশ্নের উত্তর। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا عمر بن ذر، سمعت ابي يحدث، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يا جبريل ما يمنعك ان تزورنا اكثر مما تزورنا ". فنزلت {وما نتنزل الا بامر ربك له ما بين ايدينا وما خلفنا} الى اخر الاية. قال هذا كان الجواب لمحمد صلى الله عليه وسلم
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মাদ্বীনাহ্য় একটি কৃষিক্ষেত দিয়ে চলছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন একটি খেজুরের ডালের উপর ভর দিয়ে চলছিলেন। তারপর তিনি যখন ইয়াহূদীদের এক কাওমের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তারা একে অপরকে বলতে লাগল, তাঁকে রূহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর। আবার কেউ কেউ বলল, তাঁকে কিছু জিজ্ঞেস করো না। শেষে তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে রূহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। তারপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুরের শাখার ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আমি তাঁর পেছনেই ছিলাম। আমি ভাবছিলাম, তাঁর ওপর ওয়াহী অবতীর্ণ হচ্ছে। পরে তিনি বললেনঃ ‘‘তোমাকে তারা রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ হচ্ছে আমার প্রতিপালকের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত (একটি হুকুম)। এ সম্পর্কে তোমাকে অতি সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে।’’- (সূরাহ ইসরা ১৭/৮৫)। তখন তাদের একজন আরেকজনকে বলতে লাগল, বলেছিলাম তোমাদেরকে তাঁকে কোন প্রশ্ন করো না। [১২৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى، حدثنا وكيع، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال كنت امشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حرث بالمدينة وهو متكي على عسيب، فمر بقوم من اليهود فقال بعضهم لبعض سلوه عن الروح. وقال بعضهم لا تسالوه عن الروح. فسالوه فقام متوكيا على العسيب وانا خلفه، فظننت انه يوحى اليه فقال {ويسالونك عن الروح قل الروح من امر ربي وما اوتيتم من العلم الا قليلا} فقال بعضهم لبعض قد قلنا لكم لا تسالوه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের নিয়্যতে যে লোক বের হয়, আর আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ এবং তাঁর কলেমার বিশ্বাসই যদি তাকে বের করে থাকে, এমন লোকের জন্য আল্লাহ্ স্বয়ং যিম্মাদার হয়ে যান। হয়তো তাকে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, নচেৎ যে জায়গা থেকে সে বের হয়েছিল সওয়াব কিংবা গনীমতসহ তাকে সে জায়গায় ফিরিয়ে আনবেন। [৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، حدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تكفل الله لمن جاهد في سبيله، لا يخرجه الا الجهاد في سبيله، وتصديق كلماته، بان يدخله الجنة، او يرجعه الى مسكنه الذي خرج منه، مع ما نال من اجر او غنيمة
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, কেউ যুদ্ধ করে মর্যাদার জন্য, কেউ বীরত্বের জন্য, কেউ লোক দেখানোর জন্য। এদের কার যুদ্ধটা আল্লাহর পথে হচ্ছে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে লোক আল্লাহর বাণীকে উর্দ্ধে তুলে ধরার জন্য যুদ্ধ করে, সেটাই আল্লাহর পথে। [১২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن ابي موسى، قال جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال الرجل يقاتل حمية ويقاتل شجاعة ويقاتل رياء، فاى ذلك في سبيل الله قال " من قاتل لتكون كلمة الله هي العليا، فهو في سبيل الله
মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মাতের মধ্যে সব সময় এমন একটি দল থাকবে, যারা আল্লাহর হুকুম আসা পর্যন্ত অন্যান্য লোকের বিরুদ্ধে জয়ী থাকবে। [৩৬৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا شهاب بن عباد، حدثنا ابراهيم بن حميد، عن اسماعيل، عن قيس، عن المغيرة بن شعبة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يزال من امتي قوم ظاهرين على الناس، حتى ياتيهم امر الله
মু‘আবীয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মাত হতে একটি দল সব সময় আল্লাহর হুকুমের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। যারা তাদেরকে মিথ্যুক সাব্যস্ত করতে চাইবে কিংবা বিরোধিতা করবে, তারা এদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) আসা পর্যন্ত তারা এ অবস্থায় থাকবে। মালিক ইবনু ইয়ুখামির (রহ.) বলেন, আমি মু‘আয (রহ.)-কে বলতে শুনেছি, তাঁরা হবে সিরিয়ার লোক। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) বলেন, মালিক ইবনু ইয়ুখামির (রাঃ) বলেন, তিনি মু‘আয (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তাঁরা হবে সিরিয়ার। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا الحميدي، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ابن جابر، حدثني عمير بن هاني، انه سمع معاوية، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يزال من امتي امة قايمة بامر الله، ما يضرهم من كذبهم، ولا من خالفهم، حتى ياتي امر الله وهم على ذلك ". فقال مالك بن يخامر سمعت معاذا يقول وهم بالشام. فقال معاوية هذا مالك يزعم انه سمع معاذا يقول وهم بالشام
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার মুসায়লামার কাছে একটু অবস্থান করলেন। তখন সে তার সঙ্গীদের মধ্যে ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে লক্ষ্য করে বললেনঃ তুমি যদি আমার কাছে এ টুকরাটিও চাও, তা হলে আমি তোমাকে তাও তো দিচ্ছি না। তোমার সম্পর্কে আল্লাহ্ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা তুমি এড়াতে পারবে না। আর যদি তুমি ফিরে যাও, তা হলে আল্লাহ্ স্বয়ং তোমাকে ধ্বংস করে দেবেন। [৩৬২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن عبد الله بن ابي حسين، حدثنا نافع بن جبير، عن ابن عباس، قال وقف النبي صلى الله عليه وسلم على مسيلمة في اصحابه فقال " لو سالتني هذه القطعة ما اعطيتكها، ولن تعدو امر الله فيك، ولين ادبرت ليعقرنك الله
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মাদ্বীনাহ্য় এক কৃষিক্ষেত কিংবা অনাবাদী জায়গা দিয়ে যাচ্ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের সঙ্গে রাখা একটা খেজুরের শাখার উপর ভর দিয়ে চলছিলেন। তারপর আমরা একদল ইয়াহূদীকে অতিক্রম করছিলাম। তাদের একে অন্যকে বলতে লাগল, তাঁকে রূহ্ সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর। আবার তাদের কেউ কেউ বলল, তাঁকে জিজ্ঞেস করো না। হয়তো তিনি এমন বিষয় উপস্থাপন করবেন, যা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয় লাগবে। তা সত্ত্বেও তাদের কেউ বলে উঠল, আমরা অবশ্যই তাঁকে জিজ্ঞেস করব। অতঃপর তাদের একজন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে এগিয়ে প্রশ্ন করল, হে আবুল কাসিম! রূহ্ কী? এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ থাকলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তখন বুঝতে পেরেছিলাম, তাঁর প্রতি ওয়াহী নাযিল হচ্ছে, এরপর তিনি পড়লেনঃ ‘‘তোমাকে তারা রূহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বল, ‘রূহ হচ্ছে আমার প্রতিপালকের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত (একটি হুকুম)। এ সম্পর্কে তোমাকে অতি সামান্য জ্ঞানই দেয়া হয়েছে।’’- (সূরাহ ইসরা ১৭/৮৫)। আ‘মাশ বললেন, আয়াতে وَمَا أُوتُوا আমাদের কিরাআতে এমনটাই আছে। [১২৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، عن عبد الواحد، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن ابن مسعود، قال بينا انا امشي، مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض حرث المدينة وهو يتوكا على عسيب معه، فمررنا على نفر من اليهود فقال بعضهم لبعض سلوه عن الروح. فقال بعضهم لا تسالوه ان يجيء فيه بشىء تكرهونه. فقال بعضهم لنسالنه. فقام اليه رجل منهم فقال يا ابا القاسم ما الروح فسكت عنه النبي صلى الله عليه وسلم فعلمت انه يوحى اليه فقال {ويسالونك عن الروح قل الروح من امر ربي وما اوتوا من العلم الا قليلا}. قال الاعمش هكذا في قراءتنا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পথে জিহাদের নিয়্যত নিয়ে যে লোক বের হবে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ এবং তাঁর কলেমার প্রতি বিশ্বাস ব্যতীত অন্য কিছু তাকে তার ঘর থেকে বের করেনি, তবে এমন লোকের জন্য আল্লাহ্ যামিন হয়ে যান। হয়তো তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবেন, নইলে সে যে সওয়াব ও গনীমাত হাসিল করেছে, তা সহ তাকে তার বাসস্থানে ফিরিয়ে আনবেন। [৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " تكفل الله لمن جاهد في سبيله، لا يخرجه من بيته الا الجهاد في سبيله، وتصديق كلمته ان يدخله الجنة، او يرده الى مسكنه بما نال من اجر او غنيمة
(وَمَا تَشَاءُونَ إِلاَّ أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ) وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (تُؤْتِي الْمُلْكَ مَنْ تَشَاءُ). (وَلاَ تَقُولَنَّ لِشَيْءٍ إِنِّي فَاعِلٌ ذَلِكَ غَدًا إِلاَّ أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ). (إِنَّكَ لاَ تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَكِنَّ اللَّهَ يَهْدِي مَنْ يَشَاءُ). قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِيهِ نَزَلَتْ فِي أَبِي طَالِبٍ. (يُرِيدُ اللَّهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلاَ يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ). আল্লাহর বাণীঃ তোমরা ইচ্ছা করবে না যদি না আল্লাহ্ ইচ্ছা করেন- (সূরাহ আদ দাহর ৭৬/৩০)। আল্লাহর বাণীঃ তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান কর- (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/২৬)। কোন বিষয় সম্পর্কে কক্ষনো বল না যে, ‘ওটা আমি আগামীকাল করব ‘আল্লাহ ইচ্ছে করলে’ বলা ছাড়া- (সূরাহ কাহাফ ১৮/২৩-২৪)। আল্লাহর বাণীঃ তুমি যাকে ভালবাস তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে না, বরং আল্লাহ্ই যাকে চান সৎ পথে পরিচালিত করেন- (সূরাহ আল-ক্বাসাস ২৮/৫৬)। সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাঃ) তাঁর পিতা মুসাইয়্যাব থেকে বলেন, উক্ত আয়াত আবূ তালিব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ্ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান এবং যা তোমাদের জন্য কষ্টকর তা চান না- (সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/১৮৫)। ৭৪৬৪. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা আল্লাহর কাছে দু‘আ করবে, তখন দু‘আয় দৃঢ়সংকল্প থাকবে। তোমাদের কেউই এমন কথা বলবে না, তুমি যদি চাও, তাহলে আমাকে দাও। কারণ, আল্লাহকে বাধ্যকারী কেউ নেই। [৬৩৩৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز، عن انس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا دعوتم الله فاعزموا في الدعاء، ولا يقولن احدكم ان شيت فاعطني، فان الله لا مستكره له
‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ও রাসূল-কন্যা ফাতিমার কাছে রাতে আসলেন। তিনি তাদেরকে বললেনঃ তোমরা সালাত আদায় করছ না? ‘আলী বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের জীবন তো আল্লাহর হাতে। তিনি যখন আমাদেরকে ঘুম থেকে জাগাতে চান জাগিয়ে দেন। আমি এ কথা বলার পর, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে গেলেন। কথার কোন উত্তর দিলেন না। যাওয়ার সময় তাঁকে উরুর ওপর হাত মেরে বলতে শুনেছি, মানুষ অধিকাংশ বিষয়েই বিতর্ক প্রিয়। [১১২৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري،. وحدثنا اسماعيل، حدثني اخي عبد الحميد، عن سليمان، عن محمد بن ابي عتيق، عن ابن شهاب، عن علي بن حسين، ان حسين بن علي عليهما السلام اخبره ان علي بن ابي طالب اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم طرقه وفاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فقال لهم " الا تصلون ". قال علي فقلت يا رسول الله انما انفسنا بيد الله، فاذا شاء ان يبعثنا بعثنا، فانصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قلت ذلك، ولم يرجع الى شييا، ثم سمعته وهو مدبر يضرب فخذه ويقول " {وكان الانسان اكثر شىء جدلا}
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানদার শস্যক্ষেতের নরম ডগার মত। জোরে বাতাস বইলেই তার পাতা ঝুঁকে পড়ে। বাতাস শান্ত হলে, আবার সোজা হয়ে যায়। ঈমানদারদেরকে বালা-মুসিবত দিয়ে এভাবেই ঝুঁকিয়ে রাখা হয়। আর কাফেরের দৃষ্টান্ত দেবদারু গাছ, যা একেবারেই কঠিন ও সোজা হয়। ফলে আল্লাহ্ যখন চান সেটিকে মূলসহ উপড়ে ফেলেন। [৫৬৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح، حدثنا هلال بن علي، عن عطاء بن يسار، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل المومن كمثل خامة الزرع، يفيء ورقه من حيث اتتها الريح تكفيها، فاذا سكنت اعتدلت، وكذلك المومن يكفا بالبلاء، ومثل الكافر كمثل الارزة صماء معتدلة حتى يقصمها الله اذا شاء
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যখন তিনি মিম্বরে উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি বললেনঃ তোমাদের আগের উম্মাতদের তুলনায় তোমাদের অবস্থানের সময়কাল ‘আসরের সালাত ও সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়। তাওরাতের ধারকদেরকে তাওরাত দেয়া হলে তারা সে মোতাবেক ‘আমল করল, তবে দুপুর হলে তারা অপারগ হয়ে গেল। এ জন্য তাদেরকে এক এক কীরাত করে পারিশ্রমিক দেয়া হলো। অতঃপর ইঞ্জিলের ধারকদেরকে ইঞ্জিল দেয়া হলো, তারা সে মোতাবেক ‘আমল করল ‘আসরের সালাত পর্যন্ত, তারপর তারা অক্ষম হয়ে পড়লে তাদেরকে দেয়া হলো এক কীরাত এক কীরাত করে। অতঃপর তোমাদেরকে কুরআন দেয়া হলো। ফলে এ কুরআন মোতাবেক তোমরা আসর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ‘আমল করেছ। এ জন্য তোমাদেরকে দু’কীরাত দু’কীরাত করে পারিশ্রমিক দেয়া হয়েছে। তাওরাতের ধারকরা বললো, হে আমাদের প্রতিপালক! তারাতো আমলে সবচেয়ে কম আবার পারিশ্রমিকে সবচেয়ে অধিক। আল্লাহ্ তখন বললেনঃ তোমাদের পারিশ্রমিকে তোমাদের উপর কোন যুলুম করা হয়েছে কি? তারা বলল, না। তখন আল্লাহ্ বললেন, সেটি হচ্ছে আমার অনুগ্রহ, আমি যাকে চাই তাকে দিই। [৫৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا الحكم بن نافع، اخبرنا شعيب، عن الزهري، اخبرني سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو قايم على المنبر " انما بقاوكم فيما سلف قبلكم من الامم، كما بين صلاة العصر الى غروب الشمس، اعطي اهل التوراة التوراة، فعملوا بها حتى انتصف النهار، ثم عجزوا، فاعطوا قيراطا قيراطا، ثم اعطي اهل الانجيل الانجيل، فعملوا به حتى صلاة العصر، ثم عجزوا، فاعطوا قيراطا قيراطا، ثم اعطيتم القران فعملتم به حتى غروب الشمس، فاعطيتم قيراطين قيراطين، قال اهل التوراة ربنا هولاء اقل عملا واكثر اجرا. قال هل ظلمتكم من اجركم من شىء قالوا لا. فقال فذلك فضلي اوتيه من اشاء
‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদল লোকের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বায়‘আত করেছি। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের বায়‘আত এ শর্তে কবূল করছি যে, তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছুকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, তোমাদের হাত ও পায়ের মধ্যবর্তী লজ্জাস্থানের ব্যাপারে কোন অপবাদ রটনা করবে না, কোন ন্যায়সঙ্গত কাজে আমার অবাধ্য হবে না। তোমাদের যারা এ সব পূর্ণ করবে, আল্লাহর কাছে তার প্রতিদান আছে। আর কেউ এ সব জিনিসের কোনটায় জড়িয়ে পড়লে তাকে যদি সে জন্য দুনিয়ায় শাস্তি দেয়া হয়, তাহলে তা হবে তার জন্য কাফ্ফারা এবং পবিত্রতা। আর যাদের দোষ আল্লাহ্ ঢেকে রাখেন সেটি আল্লাহর ইচ্ছাধীন। ইচ্ছা করলে শাস্তি দিবেন, ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবেন। [১৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله المسندي، حدثنا هشام، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي ادريس، عن عبادة بن الصامت، قال بايعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في رهط فقال " ابايعكم على ان لا تشركوا بالله شييا، ولا تسرقوا، ولا تزنوا، ولا تقتلوا اولادكم، ولا تاتوا ببهتان تفترونه بين ايديكم وارجلكم ولا تعصوني في معروف، فمن وفى منكم فاجره على الله، ومن اصاب من ذلك شييا فاخذ به في الدنيا فهو له كفارة وطهور، ومن ستره الله فذلك الى الله ان شاء عذبه وان شاء غفر له
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সুলাইমানের ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা সুলাইমান (আঃ) বললেন, আজ রাতে আমি অবশ্য অবশ্যই আমার সব স্ত্রীর কাছে যাব। যার ফলে স্ত্রীরা সবাই অবশ্যই গর্ভবতী হয়ে এক একজন অশ্বারোহী প্রসব করবে যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। অতএব সুলাইমান (রাঃ) তাঁর সব স্ত্রীর কাছে গেলেন, তবে তাদের একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউ গর্ভবতী হলো না। সেও প্রসব করলো একটি অপূর্ণাঙ্গ সন্তান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি সুলাইমান (আঃ) ইনশা-আল্লাহ্ বলতেন, তাহলে অবশ্যই স্ত্রীরা সবাই গর্ভবতী হত এবং এমন সন্তান প্রসব করতো যারা অশ্বারোহী হয়ে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করত। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا وهيب، عن ايوب، عن محمد، عن ابي هريرة، ان نبي الله سليمان عليه السلام كان له ستون امراة فقال لاطوفن الليلة على نسايي، فلتحملن كل امراة ولتلدن فارسا يقاتل في سبيل الله، فطاف على نسايه، فما ولدت منهن الا امراة ولدت شق غلام. قال نبي الله صلى الله عليه وسلم " لو كان سليمان استثنى لحملت كل امراة منهن، فولدت فارسا يقاتل في سبيل الله
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বেদুঈনের কাছে প্রবেশ করলেন তার রোগের খোঁজখবর নিতে। তিনি বললেনঃ তোমার চিন্তার কোন কারণ নেই। ইনশা আল্লাহ্ তুমি সুস্থ হয়ে যাবে। বেদুঈন করল সুস্থতা? না, বরং এটি এমন জ্বর যা একজন বেশি বুড়োকে সিদ্ধ করছে, ফলে তাকে কবরে নিয়ে ছাড়বে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ, তবে তাই। [৩৬১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، حدثنا خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على اعرابي يعوده فقال " لا باس عليك طهور، ان شاء الله ". قال قال الاعرابي طهور، بل هي حمى تفور على شيخ كبير، تزيره القبور. قال النبي صلى الله عليه وسلم " فنعم اذا