Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৯ হাদিসসমূহ
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আমির ইবনু রাবী‘আ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, একবার ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) সিরিয়া অভিমুখে রওনা দিলেন। তিনি যখন ‘সারাগ’ নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন তাঁর কাছে এ খবর আসল যে, সিরিয়ায় প্লেগ মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। এ সময় আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) তাঁকে জানালেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন এলাকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়েছে শুনতে পাবে তখন তোমরা সেখানে যেও না। আর যখন কোন এলাকায় মহামারী ছড়িয়ে পড়ে আর তোমরা সেখানে হাজির থাক, তখন সেখান থেকে পালিয়ে বের হয়ে এসো না। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) ‘সারাগ’ থেকে ফিরে গেলেন। [৫৭২৯] ইবনু শিহাব (রহ.).....সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) হতে বর্ণিত, ‘উমার (রাঃ) ‘আবদুর রহমানের হাদীসের কারণে ফিরে এসেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبد الله بن عامر بن ربيعة، ان عمر بن الخطاب رضى الله عنه خرج الى الشام، فلما جاء بسرغ بلغه ان الوباء وقع بالشام فاخبره عبد الرحمن بن عوف ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا سمعتم بارض فلا تقدموا عليه، واذا وقع بارض وانتم بها فلا تخرجوا فرارا منه ". فرجع عمر من سرغ. وعن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله ان عمر انما انصرف من حديث عبد الرحمن
উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি সা‘দ (রাঃ)-কে বলেন- একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহামারী সম্পর্কে আলোচনার সময় বললেনঃ এ একটি শাস্তি, কতক জাতিকে এ দ্বারা শাস্তি দেয়া হয়েছে। তারপর এর কিছু অংশ বাকী রয়ে গেছে। তাই কখনো এ চলে যায় আবার কখনো তা ফিরে আসে। যখন কেউ কোন এলাকায় মহামারীর কথা শুনবে তখন যেন সে সেখানে না যায়। আর যে কেউ এমন এলাকায় থাকে যেখানে এর আক্রমণ ঘটেছে, তখন সে যেন সেখান থেকে পালিয়ে বের হয়ে না আসে। [৩৪৭৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، حدثنا شعيب، عن الزهري، حدثنا عامر بن سعد بن ابي وقاص، انه سمع اسامة بن زيد، يحدث سعدا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر الوجع فقال " رجز او عذاب عذب به بعض الامم، ثم بقي منه بقية، فيذهب المرة وياتي الاخرى، فمن سمع به بارض فلا يقدمن عليه، ومن كان بارض وقع بها فلا يخرج فرارا منه
وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ إِنْ وَهَبَ هِبَةً أَلْفَ دِرْهَمٍ أَوْ أَكْثَرَ حَتَّى مَكَثَ عِنْدَهُ سِنِينَ وَاحْتَالَ فِي ذَلِكَ ثُمَّ رَجَعَ الْوَاهِبُ فِيهَا فَلاَ زَكَاةَ عَلَى وَاحِدٍ مِنْهُمَا فَخَالَفَ الرَّسُولَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْهِبَةِ وَأَسْقَطَ الزَّكَاةَ কোন কোন মনীষী বলেন, কেউ যদি কৌশল করে এক হাজার বা ততোধিক দিরহাম হেবা করে এবং তা কয়েক বছর গ্রহীতার কাছে থেকে যায় এবং এতে সে কৌশল করে এরপর হেবাকারী যদি তা আবার ফেরত নিয়ে আসে, তাহলে তাদের দু’জনের কারো উপর যাকাত ওয়াজিব হবে না। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (বুখারী) বলেনঃ তাহলে সে হেবার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিরুদ্ধাচরণ করল এবং যাকাতে ফাঁকি দিল। ৬৯৭৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হেবা করে আবার তাকে ফেরত নেয়া লোকের তুলনা যেন এমন একটি কুকুর যে বমি করে তা আবার গলাধঃকরণ করে। আমরা যেন এরূপ খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন না করি। [২৫৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن ايوب السختياني، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " العايد في هبته كالكلب يعود في قييه، ليس لنا مثل السوء
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল ঐ সব ভূমিতে শুফ‘আহর অধিকার সাব্যস্ত করেছেন, যেগুলো এখনো বণ্টিত হয়নি। আর যখন সীমানা নির্দিষ্ট হয়ে যায় এবং রাস্তা নির্ধারিত হয়ে যায় তখন আর শুফ‘আহ (অধিকার) থাকে না। কোন কোন লোক বলেন, প্রতিবেশী হবার কারণেও শুফ‘আহর অধিকার সাব্যস্ত হয়। কিন্তু এ সম্পর্কে যা দৃঢ়তার সঙ্গে বললেন তা আবার বাতিল করে দিলেন এবং বললেন, যদি কেউ কোন বাড়ি কেনার পর আশংকা করে যে, প্রতিবেশি শুফ‘আহর অধিকারের ভিত্তিতে নিয়ে যাবে তাই সে শত অংশের এক অংশ প্রথমে ক্রয় করে নেয়, তারপর বাকী অংশ ক্রয় করে। অথচ প্রতিবেশীর জন্য শুফ‘আহর অধিকার কেবল প্রথম অংশে ছিল। তাহলে বাড়ির বাকী অংশে প্রতিবেশীর জন্য শুফ‘আহর অধিকার থাকে না। এক্ষেত্রে সে এ কূটকৌশলের আশ্রয় নিতে পারে। [২২১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا هشام بن يوسف، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن جابر بن عبد الله، قال انما جعل النبي صلى الله عليه وسلم الشفعة في كل ما لم يقسم، فاذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة. وقال بعض الناس الشفعة للجوار. ثم عمد الى ما شدده فابطله، وقال ان اشترى دارا فخاف ان ياخذ الجار بالشفعة، فاشترى سهما من ماية سهم، ثم اشترى الباقي، وكان للجار الشفعة في السهم الاول، ولا شفعة له في باقي الدار، وله ان يحتال في ذلك
‘আমর ইবনু শারীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মিস্ওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) এসে তাঁর হাত আমার কাঁধে রাখলেন। তারপর আমি তাঁর সঙ্গে সা‘দ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন আবূ রাফি‘ (রাঃ) মিস্ওয়ার (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কি ওকে এ কথা বলবেন যে, সে আমার ঐ ঘরটি কিনে নেবে, যে ঘরটি তার বাড়িতে রয়েছে। সা‘দ (রাঃ) বললেন, আমি চারশ’ থেকে অধিক দেব না। তাও আবার কিস্তিতে কিস্তিতে দেব। আবূ রাফি‘ (রাঃ) বললেন, আমাকে নগদ পাঁচশ দেয়া হচ্ছে, অথচ আমি তাকে দিচ্ছি না। আমি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশি তার পার্শ্ববর্তী ভূমি কেনার ব্যাপারে অধিক হকদার, তাহলে আমি তা তোমার কাছে বিক্রি করতাম না। অথবা বলেছেন, তোমাকে আমি তা দিতাম না। আমি সুফ্ইয়ান (রহ.)-কে বললাম যে, মা‘মার তো এমনটি বলেননি। তিনি বললেন, কিন্তু তিনি আমাকে এমনটি বলেছেন। কিছু সংখ্যক লোক বলেন, কেউ যদি কোন ভূমি বিক্রি করে, তাহলে কৌশলের আশ্রয় গ্রহণ করে শুফ‘আহর অধিকার রদ করে দিতে পারে। যেমন বিক্রেতা ক্রেতাকে বাড়িটি দান করে দেবে এবং তার সীমানা বর্ণনা করে ক্রেতার কাছে সোপর্দ করে দেবে। এরপর ক্রেতা বিক্রেতাকে এক হাজার দিরহাম দিয়ে দেবে। এই অবস্থায় শাফী’র জন্য তাতে শুফ‘আহর অধিকার থাকবে না। [২২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن ابراهيم بن ميسرة، سمعت عمرو بن الشريد، قال جاء المسور بن مخرمة فوضع يده على منكبي، فانطلقت معه الى سعد فقال ابو رافع للمسور الا تامر هذا ان يشتري مني بيتي الذي في داري. فقال لا ازيده على اربعماية، اما مقطعة واما منجمة. قال اعطيت خمسماية نقدا، فمنعته، ولولا اني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " الجار احق بصقبه ". ما بعتكه او قال ما اعطيتكه. قلت لسفيان ان معمرا لم يقل هكذا. قال لكنه قال لي هكذا. وقال بعض الناس اذا اراد ان يبيع الشفعة فله ان يحتال حتى يبطل الشفعة فيهب البايع للمشتري الدار، ويحدها ويدفعها اليه، ويعوضه المشتري الف درهم، فلا يكون للشفيع فيها شفعة
আবূ রাফি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সা‘দ (রাঃ) তার নিকট হতে চারশ’ মিসকাল দিয়ে একটা ঘর ক্রয় করার জন্য দর করেন। তখন তিনি বলেন, যদি আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে না শুনতাম যে, ‘‘প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমি কেনার ব্যাপারে অধিক হক্দার’’ তাহলে তোমাকে আমি দিতাম না। কেউ কেউ বলেন, যদি কেউ বাড়ির কোন অংশ কিনে নেয় এবং শুফ্আর অধিকার বাতিল করে দিতে চায়, তাহলে তার ছোট ছেলেকে তা দান করে দেবে। আর তখন তার ওপর কোন কসমও আসবে না। [২২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن ابراهيم بن ميسرة، عن عمرو بن الشريد، عن ابي رافع، ان سعدا، ساومه بيتا باربعماية مثقال فقال لولا اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الجار احق بصقبه ". لما اعطيتك. وقال بعض الناس ان اشترى نصيب دار، فاراد ان يبطل الشفعة، وهب لابنه الصغير ولا يكون عليه يمين
আবূ হুমায়দ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লুতাবিয়্যা নামে এক লোককে বানী সুলায়ম গোত্রের যাকাত আদায়কারী নিয়োগ করলেন। যখন সে ফিরে আসল তখন তিনি তার নিকট হতে হিসাব-নিকাশ নিলেন। সে বলল, এগুলো আপনাদের মাল, আর এগুলো (আমাকে দেয়া) হাদিয়া। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তুমি সত্যবাদী হয়ে থাক তাহলে তোমার মা-বাবার ঘরে বসে থাকলে না কেন? সেখানেই তোমার কাছে হাদিয়া পৌঁছে যেত। এরপর তিনি আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ বর্ণনা করার পর তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের কাউকে এমন কোন কাজে নিয়োগ করি, যার তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে আল্লাহ্ আমাকে মনোনীত করেছেন। কিন্তু সে কাজ করে এসে বলে, এ হল তোমাদের মাল আর এ হলো আমাকে দেয়া হাদিয়া। তাহলে সে কেন তার মা-বাবার ঘরেই বসে থাকল না, সেখানে এমনিতেই তার কাছে তার হাদিয়া পৌঁছে যেত? আল্লাহর কসম! তোমরা যে কেউ অন্যায় পন্থায় কোন কিছু গ্রহণ করবে, সে কিয়ামতের দিন তা বয়ে নিয়ে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। আমি তোমাদের কাউকে ভালভাবেই চিনব যে, সে আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবে উট বহন করে; আর উট আওয়াজ দিতে থাকবে। অথবা গাভী বহন করে, আর সেটা ডাকতে থাকবে। অথবা বক্রী বহন করে, আর সেটা ডাকতে থাকবে। তারপর তিনি আপন হাত দু’টি এতদূর উত্তোলন করলেন যে তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমি কি পৌঁছে দিয়েছি? আমার দু’চোখ সে অবস্থা দেখেছে এবং আমার কান শুনেছে।[1] [৯২৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن ابي حميد الساعدي، قال استعمل رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا على صدقات بني سليم يدعى ابن اللتبية، فلما جاء حاسبه قال هذا مالكم وهذا هدية. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فهلا جلست في بيت ابيك وامك، حتى تاتيك هديتك ان كنت صادقا ". ثم خطبنا فحمد الله واثنى عليه ثم قال " اما بعد، فاني استعمل الرجل منكم على العمل مما ولاني الله، فياتي فيقول هذا مالكم وهذا هدية اهديت لي. افلا جلس في بيت ابيه وامه حتى تاتيه هديته، والله لا ياخذ احد منكم شييا بغير حقه، الا لقي الله يحمله يوم القيامة، فلاعرفن احدا منكم لقي الله يحمل بعيرا له رغاء، او بقرة لها خوار، او شاة تيعر ". ثم رفع يده حتى ريي بياض ابطه يقول " اللهم هل بلغت ". بصر عيني وسمع اذني
আবূ রাফি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার পার্শ্ববর্তী ভূমির ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি হকদার। কেউ কেউ বলেন, কেউ যদি কোন একটি বাড়ি বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করে’ ঐ বিশ হাজার দিরহাম পরিশোধ করার সময় এ কৌশল গ্রহণ করাতে কোন দোষ নেই যে, ক্রেতা বিক্রেতাকে ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও বিশ হাজারের বাকী দিরহামের বদলে এক দ্বীনার নগদ প্রদান করবে। এখন যদি শুফ‘আহর অধিকারী শুফ‘আহর দাবি করে, তাহলে এই বাড়ি বিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে নিতে হবে। এ ব্যতীত তার এ বাড়ি পাওয়ার আর কোন উপায় নেই। আর যদি এ বাড়ির অন্য কোন মালিক বের হয়ে পড়ে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে দেয়া দামই ফেরত দেবে। আর তা হলো ন’হাজার ন’শ নিরানব্বই দিরহাম ও এক দ্বীনার। কেননা, যখন বিক্রিত বস্তুর মূল মালিক বের হয়ে গেছে তখন দ্বীনারের ‘বায়এ-সারফ’ বাতিল হয়ে গেছে। আর যদি ক্রেতা বাড়িতে কোন দোষ পায়, তার কোন মালিক বের না হয়, তাহলে ক্রেতা বাড়ি ফেরত দেবে ও বিক্রেতা ক্রেতাকে বিশ হাজার দিরহাম দেবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেনঃ মূলত এরূপ করা মুসলিমদের মধ্যে ধোঁকাবাজিকে বৈধতা দেয়ার নামান্তর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের কেনা-বেচায় কোন রোগবালাই, অপবিত্রতা ও ধোঁকাবাজি নেই। [২২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن ابراهيم بن ميسرة، عن عمرو بن الشريد، عن ابي رافع، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الجار احق بصقبه ". وقال بعض الناس ان اشترى دارا بعشرين الف درهم، فلا باس ان يحتال حتى يشتري الدار بعشرين الف درهم، وينقده تسعة الاف درهم وتسعماية درهم وتسعة وتسعين، وينقده دينارا بما بقي من العشرين الالف، فان طلب الشفيع اخذها بعشرين الف درهم، والا فلا سبيل له على الدار، فان استحقت الدار، رجع المشتري على البايع بما دفع اليه، وهو تسعة الاف درهم وتسعماية وتسعة وتسعون درهما ودينار، لان البيع حين استحق انتقض الصرف في الدينار، فان وجد بهذه الدار عيبا ولم تستحق، فانه يردها عليه بعشرين الف درهم. قال فاجاز هذا الخداع بين المسلمين وقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا داء ولا خبثة ولا غايلة
‘আমর ইবনু শারীদ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আবূ রাফি‘ (রাঃ) একটি ঘর ক্রয় করার জন্য আ‘দ ইবনু মালিক (রাঃ)-এর সঙ্গে চারশ’ মিসকাল মূল্য ঠিক করেন। আর বলেন, যদি আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, প্রতিবেশি তার পার্শ্ববর্তী ভূমির কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে অধিক হক্দার, তাহলে তোমাকে আমি প্রদান করতাম না। [২২৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني ابراهيم بن ميسرة، عن عمرو بن الشريد، ان ابا رافع، ساوم سعد بن مالك بيتا باربعماية مثقال وقال لولا اني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " الجار احق بصقبه ". ما اعطيتك