Loading...

Loading...
বইসমূহ
৮৭ হাদিসসমূহ
وَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفْضَلُ الْكَلاَمِ أَرْبَعٌ سُبْحَانَ اللهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَاللهُ أَكْبَرُ قَالَ أَبُو سُفْيَانَ كَتَبَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى هِرَقْلَ (تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ سَوَاءٍ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ) وَقَالَ مُجَاهِدٌ كَلِمَةُ التَّقْوَى لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম বাক্য চারটি? সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ্, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এবং ওয়াল্লাহু আকবার। আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদশাহ্ হিরাক্লিয়াসের কাছে লিখেছিলেনঃ ‘‘হে কিতাবীগণ! এসো সে কথার দিকে, যা আমাদের ও তোমাদের মাঝে সমান।’’ (আলে-‘ইমরান : ৬৪) মুজাহিদ (রহ.) বলেন, كَلِمَةُ التَّقْوَى ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’। ৬৬৮১. সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আবূ তালিবের যখন মৃত্যু হাযির হল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এলেন এবং বললেনঃ আপনি لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ কলেমাটি বলুন। আমি আল্লাহর নিকট এর দ্বারা আপনার ব্যাপারে সুপারিশ করব। [১৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني سعيد بن المسيب، عن ابيه، قال لما حضرت ابا طالب الوفاة جاءه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " قل لا اله الا الله كلمة. احاج لك بها عند الله
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু’টি কলেমা যা জবানে অতি হাল্কা, মীযানে ভারী, আর রাহমানের নিকট খুব পছন্দনীয়; তা হচ্ছে ‘সুবহানাল্লাহ্ ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম’। [৬৪০৬] (আধুনিক প্রকাশনী-৫ ৬২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا محمد بن فضيل، حدثنا عمارة بن القعقاع، عن ابي زرعة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كلمتان خفيفتان على اللسان، ثقيلتان في الميزان، حبيبتان الى الرحمن سبحان الله وبحمده، سبحان الله العظيم
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কলেমা বললেন। আর আমি অন্যটি বললাম। তখন তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরীক করে মারা যাবে তাকে জাহান্নামে দাখিল করা হবে। আমি অন্যটি বললাম, যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরীক না করে মারা যাবে তাকে জান্নাতে দাখিল করা হবে। [১২৩৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الاعمش، عن شقيق، عن عبد الله رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلمة وقلت اخرى " من مات يجعل لله ندا ادخل النار ". وقلت اخرى من مات لا يجعل لله ندا ادخل الجنة
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে কসম করলেন। আর তখন তাঁর এক পা মচকে গিয়েছিল। তিনি তখন ঊনত্রিশ দিন কুঠরীতে অবস্থান করলেন। এরপর তিনি নেমে এলেন (স্ত্রীগণের কাছে ফিরে এলেন)। লোকেরা তখন জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো এক মাসের কসম করেছিলেন। তখন তিনি বললেনঃ মাস তো কখনও ঊনত্রিশ দিনেও হয়। [৩৭৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا سليمان بن بلال، عن حميد، عن انس، قال الى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسايه، وكانت انفكت رجله، فاقام في مشربة تسعا وعشرين ليلة، ثم نزل فقالوا يا رسول الله اليت شهرا. فقال {ان الشهر يكون تسعا وعشرين}
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী আবূ উসায়দ (রাঃ) বিবাহ করলেন। তার (ওলীমায়) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দাওয়াত করলেন। আর তখন তাঁর নব বিবাহিতা স্ত্রী তাঁদের খেদমত করছিলেন। সাহল (রাঃ) তার গোত্রের লোকদেরকে বললেন, তোমরা কি জান সে মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কী পান করিয়েছিল? সে রাত্রিবেলা একটি পাত্রে তাঁর জন্য খেজুর ভিজিয়ে রেখেছিল সকাল পর্যন্ত। আর সেগুলিই সে তাঁকে পান করাল।[1] [৫১৭৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني علي، سمع عبد العزيز بن ابي حازم، اخبرني ابي، عن سهل بن سعد، ان ابا اسيد، صاحب النبي صلى الله عليه وسلم اعرس فدعا النبي صلى الله عليه وسلم لعرسه، فكانت العروس خادمهم. فقال سهل للقوم هل تدرون ما سقته قال انقعت له تمرا في تور من الليل، حتى اصبح عليه فسقته اياه
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী সাওদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমাদের একটি বকরী মরে গেল। আমরা এর চামড়া দাবাগাত (পাকা) করে নিলাম। এরপর থেকে তাতে সর্বদাই আমরা নবীয (খুরমা-খেজুর ভিজানো শরবত) প্রস্তুত করতাম। শেষ পর্যন্ত ওটা পুরাতন হয়ে গেল। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا اسماعيل بن ابي خالد، عن الشعبي، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما عن سودة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت ماتت لنا شاة فدبغنا مسكها ثم ما زلنا ننبذ فيه حتى صارت شنا
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবার তরকারী দিয়ে গমের রুটি এক নাগাড়ে তিনদিন পর্যন্ত খেয়ে তৃপ্ত হননি। এভাবে তিনি আল্লাহর সঙ্গে মিলিত হয়েছেন।[1] [৫৪২৩] ইবনু কাসীর (রহ.) আবিস (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি এ হাদীসটি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن عابس، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت ما شبع ال محمد صلى الله عليه وسلم من خبز بر مادوم ثلاثة ايام حتى لحق بالله. وقال ابن كثير اخبرنا سفيان، حدثنا عبد الرحمن، عن ابيه، انه قال لعايشة بهذا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আবূ ত্বলহা (রাঃ) উম্মু সুলায়ম (রাঃ)-কে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুর্বল আওয়াজ শুনতে পেলাম, যার ফলে আমি বুঝলাম তিনি ক্ষুধার্ত। তোমার কাছে কি কিছু আছে? উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তখন তিনি কয়েকটি যবের রুটি বের করলেন। এরপর তাঁর ওড়নাটি নিলেন এবং এর একাংশে রুটিগুলি পেঁচিয়ে নিলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, এরপর তিনি আমাকে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আমি গিয়ে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মসজিদে পেলাম। এবং কতকগুলো লোক তাঁর সঙ্গে ছিল। আমি তাঁদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাকে কি আবূ ত্বলহা পাঠিয়েছে? আমি বললাম, জি হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সঙ্গীদেরকে বললেন, উঠ, (আবূ ত্বলহার কাছে যাও)। তখন তাঁরা আবূ ত্বলহার নিকট গেলেন। আমি তাদের আগে আগে যেতে লাগলাম। শেষে আবূ ত্বলহার কাছে এসে উপস্থিত হলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে জানালাম। তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ) বলল, হে উম্মু সুলায়ম! রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো আমাদের কাছে এসেছেন কিন্তু আমাদের কাছে তো এমন কোন খাবার নেই যা তাদের খেতে দিতে পারি। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) বলল, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশী জানেন। আবূ ত্বলহা (রাঃ) বেরিয়ে এলেন এবং রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ ত্বলহা (রাঃ) উভয়েই সামনাসামনি হলেন এবং দু’জনেই একসঙ্গে ঘরে প্রবেশ করলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম! তোমার কাছে যা আছে তাই নিয়ে এসো। তখন উম্মু সুলায়ম (রাঃ) ঐ রুটিগুলি তাঁর সামনে পেশ করলেন। রাবী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ রুটিগুলি ছিঁড়ার জন্য নির্দেশ করলেন। তখন রুটিগুলো টুকরা টুকরা করা হল। উম্মু সুলায়ম (রাঃ) তার ঘি-এর পাত্র থেকে ঘি বের করলেন এবং তাতে মেশালেন। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী পাঠ করলেন এবং বললেন: দশজন লোককে অনুমতি দাও। তিনি তাদেরকে অনুমতি দিলেন। তখন তারা সবাই আহার করলেন, এমন কি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর তিনি আবার বললেনঃ (আরও) দশজনকে অনুমতি দাও। তখন তাদেরকে অনুমতি দেয়া হলো। এভাবে তারা সবাই আহার করলেন, এমনকি সবাই তৃপ্ত হয়ে সেখান থেকে বের হলেন। এরপর আবারো তিনি বললেন: আরো দশজনকে আসতে দাও। দলের লোকসংখ্যা ছিল সত্তর বা আশি জন।[1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، انه سمع انس بن مالك، قال قال ابو طلحة لام سليم لقد سمعت صوت، رسول الله صلى الله عليه وسلم ضعيفا اعرف فيه الجوع، فهل عندك من شىء فقالت نعم. فاخرجت اقراصا من شعير، ثم اخذت خمارا لها، فلفت الخبز ببعضه، ثم ارسلتني الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذهبت فوجدت رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد ومعه الناس، فقمت عليهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ارسلك ابو طلحة ". فقلت نعم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لمن معه " قوموا ". فانطلقوا، وانطلقت بين ايديهم حتى جيت ابا طلحة فاخبرته. فقال ابو طلحة يا ام سليم قد جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وليس عندنا من الطعام ما نطعمهم. فقالت الله ورسوله اعلم. فانطلق ابو طلحة حتى لقي رسول الله صلى الله عليه وسلم فاقبل رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو طلحة حتى دخلا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هلمي يا ام سليم ما عندك ". فاتت بذلك الخبز قال فامر رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك الخبز ففت، وعصرت ام سليم عكة لها فادمته، ثم قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم ما شاء الله ان يقول، ثم قال " ايذن لعشرة ". فاذن لهم فاكلوا حتى شبعوا، ثم خرجوا، ثم قال " ايذن لعشرة ". فاذن لهم، فاكل القوم كلهم وشبعوا، والقوم سبعون او ثمانون رجلا
‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলের গ্রহণযোগ্যতা তার নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল। কোন ব্যক্তি তা-ই লাভ করবে যা সে নিয়্যাত করে থাকে। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির জন্য হিজরাত করবে তার হিজরাত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের সন্তুষ্টির জন্যই হবে। আর যার হিজরাত দুনিয়া লাভের জন্য হবে অথবা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য হবে তার হিজরাত সে উদ্দেশেই হবে যে জন্য সে হিজরাত করেছে।[1] [১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، يقول اخبرني محمد بن ابراهيم، انه سمع علقمة بن وقاص الليثي، يقول سمعت عمر بن الخطاب رضى الله عنه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " انما الاعمال بالنية، وانما لامري ما نوى، فمن كانت هجرته الى الله ورسوله فهجرته الى الله ورسوله، ومن كانت هجرته الى دنيا يصيبها او امراة يتزوجها، فهجرته الى ما هاجر اليه
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিত। কা’ব (রাঃ) যখন অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর এক পুত্র তাঁকে ধরে নিয়ে চলতেন। ‘আবদুর রাহমান বলেন, আমি (আল্লাহর বাণী) : ‘যে তিনজন তাবূকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত হয়েছে’ সংক্রান্ত ঘটনা বর্ণনা করতে কা‘ব ইবনু মালিককে শুনেছি। তিনি তাঁর বর্ণনার শেষভাগে বলেন, আমার তওবা এটাই যে আমার সমস্ত মাল আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের কাছে দান করে দিয়ে আমি মুক্ত হব। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মালের কিছুটা তোমার নিজের জন্য রাখ, এটাই তোমার জন্য কল্যাণকর।[1] [২৭৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عبد الرحمن، عن عبد الله بن كعب بن مالك، وكان، قايد كعب من بنيه حين عمي قال سمعت كعب بن مالك، في حديثه {على الثلاثة الذين خلفوا} قال في اخر حديثه ان من توبتي اني انخلع من مالي صدقة الى الله ورسوله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " امسك عليك بعض مالك فهو خير لك
وَقَوْلُهُ تَعَالَى:(يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ تَبْتَغِي مَرْضَاةَ أَزْوَاجِكَ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَحِيْمٌ قَدْ فَرَضَ اللهُ لَكُمْ تَحِلَّةَ أَيْمَانِكُمْ) وَقَوْلُهُ (لاَ تُحَرِّمُوْا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكُمْ) এবং আল্লাহর বাণীঃ হে নবী! আল্লাহ যা তোমার জন্য হালাল করেছেন তা তুমি কেন হারাম করছ? (এর দ্বারা) তুমি তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি পেতে চাও, (আল্লাহ তোমার এ ত্রুটি ক্ষমা করে দিলেন কেননা) আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, বড়ই দয়াল। আল্লাহ তোমাদের জন্য নিজেদের কসমের বাধ্যবাধকতা থেকে নিস্কৃতি পাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, আল্লাহ তোমাদের মালিক-মনিব-রক্ষক, আর তিনি সর্বজ্ঞাতা, মহা প্রজ্ঞার অধিকারী- (সূরাহ আত্ তাহরীম ৬৬/১-২)। এবং আল্লাহর বাণীঃ পবিত্র বস্তুরাজি যা আল্লাহ তোমাদের জন্য হালাল করে দিয়েছেন সেগুলোকে হারাম করে নিও না- (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৮৭)। ৬৬৯১. ‘আয়িশাহ সিদ্দীকা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সময় যাইনাব বিন্ত জাহাশ (রাঃ)-এর কাছে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করেছিলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি এবং হাফসাহ (রাঃ) পরস্পরে পরামর্শ করলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দু’জনের মধ্যে যার কাছেই আগে আসবেন আমরা তাঁকে বলব, আপনার মুখ থেকে মাগাফীরের গন্ধ পাচ্ছি। আপনি কি মাগাফীর খেয়েছেন? এরপর তিনি কোন একজনের ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি তাঁকে ঐ কথাটা বললেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জবাব দিলেন, না, আমি তো যাইনাব বিন্ত জাহাশের কাছে মধু পান করেছি। এরপরে আর কক্ষনো এটা করব না। তখনই এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ ‘‘তোমরা উভয়ে যদি আল্লাহর কাছে তওবা কর’’ এখানে সম্বোধন ‘আয়িশাহ ও হাফসাহ (রাঃ)-এর প্রতি। আর وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ নবী যখন তাঁর কোন স্ত্রীর কাছে কথাকে গোপন করেন- এ আয়াতটি রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً বরং আমি মধু পান করেছি-এর সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। ইব্রাহীম ইবনু মূসা (রহ.) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি কসম করেছি কাজটি আমি আর কক্ষনো করব না।’’ তুমি এ বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করো না।[1] [৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا الحسن بن محمد، حدثنا الحجاج، عن ابن جريج، قال زعم عطاء انه سمع عبيد بن عمير، يقول سمعت عايشة، تزعم ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يمكث عند زينب بنت جحش، ويشرب عندها عسلا، فتواصيت انا وحفصة ان ايتنا دخل عليها النبي صلى الله عليه وسلم فلتقل اني اجد منك ريح مغافير، اكلت مغافير فدخل على احداهما فقالت ذلك له. فقال " لا بل شربت عسلا عند زينب بنت جحش، ولن اعود له ". فنزلت {يا ايها النبي لم تحرم ما احل الله لك}، {ان تتوبا الى الله}، لعايشة وحفصة، {واذ اسر النبي الى بعض ازواجه حديثا} لقوله " بل شربت عسلا ". وقال لي ابراهيم بن موسى عن هشام، " ولن اعود له، وقد حلفت، فلا تخبري بذلك احدا
সা‘ঈদ ইবনু হারিস (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তোমাদেরকে কি মানত করতে নিষেধ করা হয়নি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো বলেছেনঃ মানত কোন কিছুকে বিন্দুমাত্র এগিয়ে নিতেও পারে না এবং পিছাতেও পারে না। মানতের মাধ্যমে কৃপণের নিকট হতে (কিছু ধন মাল) বের করে নেয়া হয়। [৬৬০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن صالح، حدثنا فليح بن سليمان، حدثنا سعيد بن الحارث، انه سمع ابن عمر رضى الله عنهما يقول اولم ينهوا عن النذر ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان النذر لا يقدم شييا، ولا يوخر، وانما يستخرج بالنذر من البخيل
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তা কিছুই রদ করতে পারে না, কিন্তু কৃপণ থেকে (কিছু মালধন) বের করা হয়।[1] [৬৬০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، عن منصور، اخبرنا عبد الله بن مرة، عن عبد الله بن عمر، نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن النذر وقال " انه لا يرد شييا، ولكنه يستخرج به من البخيل
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানত আদম সন্তানকে এমন কিছু এনে দিতে পারে না, যা আমি (আল্লাহ) তার তাক্দীরে নির্দিষ্ট করিনি। বরং মানতটি তাক্দীরের মাঝেই ঢেলে দেয়া হয় যা তার জন্য বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আল্লাহ্ কৃপণের নিকট হতে (সম্পদ) বের করে নিয়ে আসেন। অতঃপর তাকে এমন কিছু দেন যা তাকে পূর্বে দেয়া হয়নি। [৬৬০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا ياتي ابن ادم النذر بشىء لم يكن قدر له، ولكن يلقيه النذر الى القدر قد قدر له، فيستخرج الله به من البخيل، فيوتي عليه ما لم يكن يوتي عليه من قبل
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে আমার যুগ সর্বোত্তম, এরপর তাদের পরবর্তী যুগ অতঃপর তাদের পরবর্তী যুগ। ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর যুগ বলার পর দু’বার বলেছেন না কি তিনবার তা আমার জানা নেই। এরপর এমন লোকেরা আসবে যারা মানত করবে কিন্তু তা পূরা করবে না। তারা খিয়ানাত করবে, আমানতদার হবে না। তারা সাক্ষ্য দেবে অথচ তাদের সাক্ষ্য চাওয়া হবে না। আর তাদের মাঝে আরাম বিলাসিতা প্রকাশ পাবে। [২৬৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، عن يحيى، عن شعبة، قال حدثني ابو جمرة، حدثنا زهدم بن مضرب، قال سمعت عمران بن حصين، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خيركم قرني، ثم الذين يلونهم، ثم الذين يلونهم قال عمران لا ادري ذكر ثنتين او ثلاثا بعد قرنه ثم يجيء قوم ينذرون ولا يفون، ويخونون ولا يوتمنون، ويشهدون ولا يستشهدون، ويظهر فيهم السمن
(وَمَآ أَنْفَقْتُمْ مِنْ نَفَقَةٍ أَوْ نَذَرْتُمْ مِنْ نَذْرٍ فَإِنَّ اللهَ يَعْلَمُهُ وَمَا لِلظَّالِـمِيْنَ مِنْ أَنْصَار) (আল্লাহর বাণী) তোমরা যে ব্যয়ই কর কিংবা যে কোন মানৎ কর, আল্লাহ নিশ্চয়ই তা জানেন কিন্তু যালিমদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। (সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/২৭০) ৬৬৯৬. ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এরূপ মানত করে যে, সে আল্লাহর আনুগত্য করবে, সে যেন তাঁর আনুগত্য করে। আর যে মানত করে, সে আল্লাহর না-ফরমানী করবে, সে যেন তাঁর না-ফরমানী না করে। [৬৭০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا مالك، عن طلحة بن عبد الملك، عن القاسم، عن عايشة رضى الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من نذر ان يطيع الله فليطعه، ومن نذر ان يعصيه فلا يعصه
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘উমার (রাঃ) একবার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জাহেলিয়্যাতের যুগে মানত করেছিলাম যে, মসজিদে হারামে এক রাত ইতি’কাফ করব। তিনি বললেনঃ তুমি তোমার মানত পূর্ণ কর। [২০৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن مقاتل ابو الحسن، اخبرنا عبد الله، اخبرنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، ان عمر، قال يا رسول الله اني نذرت في الجاهلية ان اعتكف ليلة في المسجد الحرام. قال " اوف بنذرك
وَأَمَرَ ابْنُ عُمَرَ امْرَأَةً جَعَلَتْ أُمُّهَا عَلَى نَفْسِهَا صَلاَةً بِقُبَاءٍ فَقَالَ صَلِّي عَنْهَا وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ نَحْوَهُ ইবনু ‘উমার (রাঃ) এক মহিলাকে আদেশ করেছিলেন যার মা কুবার মসজিদে সালাত আদায় করবে বলে মানত করেছিল। তিনি তাকে বলেছিলেন, তার পক্ষ থেকে সালাত আদায় করতে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-ও এরকম বর্ণনা করেছেন। ৬৬৯৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‘উবাইদুল্লাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) জানিয়েছেন যে, সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ আনসারী (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে জানতে চেয়েছিলেন তাঁর মায়ের কোন এক মানতের ব্যাপারে, যা আদায় করার আগেই তিনি ইনতিকাল করেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার মায়ের পক্ষ থেকে মানত পূর্ণ করার আদেশ দিলেন। পরবর্তীতে এটাই সুন্নাত হয়ে গেল। [২৭৬১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله، ان عبد الله بن عباس، اخبره ان سعد بن عبادة الانصاري استفتى النبي صلى الله عليه وسلم في نذر كان على امه، فتوفيت قبل ان تقضيه. فافتاه ان يقضيه عنها، فكانت سنة بعد
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এক লোক এসে বলল যে, আমার বোন হাজ্জের মানত করেছিল। কিন্তু সে মারা গেছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাঁর ওপর কোন ঋণ থাকলে তবে কি তুমি তা আদায় করতে না? লোকটি বলল, হাঁ। তিনি বললেনঃ কাজেই আল্লাহর হককে আদায় করে দাও। কেননা, আল্লাহর হক আদায় করা আরো বড় কর্তব্য। [১৮৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، عن ابي بشر، قال سمعت سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال اتى رجل النبي صلى الله عليه وسلم فقال له ان اختي نذرت ان تحج وانها ماتت. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لو كان عليها دين اكنت قاضيه ". قال نعم. قال " فاقض الله، فهو احق بالقضاء
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর আনুগত্য করার মানত করে সে যেন তাঁর আনুগত্য করে। আর যে লোক আল্লাহর অবাধ্যতা করার মানত করে সে যেন তাঁর অবাধ্যতা না করে। [৬৬৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو عاصم، عن مالك، عن طلحة بن عبد الملك، عن القاسم، عن عايشة رضى الله عنها قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " من نذر ان يطيع الله فليطعه، ومن نذر ان يعصيه فلا يعصه