Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮২ হাদিসসমূহ
‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন কি? [৩৮৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك، عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن العباس رضى الله عنه انه قال للنبي صلى الله عليه وسلم هل نفعت ابا طالب بشىء
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার কয়েকজন লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের প্রতিপালককে দেখতে পাব? উত্তরে তিনি বললেনঃ সূর্যের নিচে যখন কোন মেঘ না থাকে তখন তা দেখতে কি তোমাদের কোন অসুবিধা হয়? তারা বলল, না, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ পূর্ণিমার চাঁদ যদি মেঘের আড়ালে না থাকে তবে তা দেখতে কি তোমাদের কোন অসুবিধা হয়? তারা বলল, না হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ তোমরা অবশ্যই কিয়ামতের দিন আল্লাহকে ঐরূপ দেখতে পাবে। আল্লাহ্ মানুষকে একত্রিত করে বলবেন, (দুনিয়াতে) তোমরা যে যে জিনিসের ‘ইবাদাত করেছিলে সে তার সঙ্গে চলে যাও। অতএব সূর্যের পূজারী সূর্যের সঙ্গে, চন্দ্রের পূজারী চন্দ্রের সঙ্গে এবং মূর্তি পূজারী মূর্তির সঙ্গে চলে যাবে। অবশিষ্ট থাকবে এ উম্মাতের লোকেরা, যাদের মাঝে মুনাফিক সম্প্রদায়ের লোকও থাকবে। তারা আল্লাহকে যে আকৃতিতে জানত, তার আলাদা আকৃতিতে আল্লাহ্ তাদের কাছে হাযির হবেন এবং বলবেন, আমি তোমাদের প্রতিপালক। তখন তারা বলবে, আমরা তোমার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আমাদের প্রতিপালক না আসা পর্যন্ত আমরা এ স্থানেই থেকে যাব। আমাদের প্রতিপালক যখন আমাদের কাছে আসবেন, আমরা তাকে চিনে নেব। এরপর যে আকৃতিতে তারা আল্লাহকে জানত সে আকৃতিতে তিনি তাদের কাছে হাযির হবেন এবং বলবেন, আমি তোমাদের প্রতিপালক। তখন তারা বলবে (হাঁ) আপনি আমাদের প্রতিপালক। তখন তারা আল্লাহর অনুসরণ করবে। অতঃপর জাহান্নামের পুল স্থাপন করা হবে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, সর্বপ্রথম আমি সেই পুল অতিক্রম করব। আর সেই দিন সমস্ত রাসূলের দু‘আ হবে اللهُمَّ سَلِّمْ سَلِّمْ অর্থাৎ হে আল্লাহ্! রক্ষা কর, রক্ষা কর। সেই পুলের মাঝে সা’দান নামক (এক রকম কাঁটাওয়ালা) গাছের কাঁটার মত কাঁটা থাকবে। তোমরা কি সা’দানের কাঁটা দেখেছ? তারা বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসূরাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ কাঁটাগুলি সা’দানের কাঁটার মতই হবে, তবে তা যে কত বড় হবে সে সম্পর্কে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানে না। সে কাঁটাগুলি মানুষকে তাদের ‘আমল অনুসারে ছিনিয়ে নেবে। তাদের মাঝে কতক লোক এমন হবে যে তাদের ‘আমলের কারণে ধ্বংস হয়ে যাবে। আর কতক লোক এমন হবে যে তাদের ‘আমল হবে সরিষার মত নগণ্য। তবুও তারা নাজাত পাবে। এমন কি আল্লাহ্ বান্দাদের বিচার সমাপ্ত করবেন এবং لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ এর সাক্ষ্যদাতাদের থেকে যাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার ইচ্ছা করবেন আল্লাহ্ তাদেরকে বের করার জন্য ফেরেশতাদেরকে আদেশ করবেন। সিজদার চিহ্ন দেখে ফেরেশতারা তাদেরকে চিনতে পারবে। আর আল্লাহ্ বানী আদমের ঐ সিজদার স্থানগুলোকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন। কাজেই ফেরেশ্তারা তাদেরকে এমন অবস্থায় বের করবে যে, তখন তাদের দেহ থাকবে কয়লার মত। তারপর তাদের দেহে পানি ঢেলে দেয়া হবে। যাকে বলা হয় ‘মাউল হায়াত’ জীবন-বারি। সাগরের ঢেউয়ে ভেসে আসা আবর্জনায় যেমন গাছ জন্মায়, পরে এগুলো যেমন সজীব হয় তারাও সেরকম সজীব হয়ে যাবে। এ সময় জাহান্নামের দিকে মুখ করে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে থাকবে আর বলবে, হে প্রভু! জাহান্নামের লু হাওয়া আমাকে ঝলসে দিয়েছে, এর তেজ আমাকে জ্বালিয়ে দিয়েছে। সুতরাং তুমি আমার চেহারাটা জাহান্নামের দিক থেকে ঘুরিয়ে দাও। এভাবে সে আল্লাহকে ডাকতে থাকবে। তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ আমি যদি তোমাকে এটা দিয়ে দেই তবে তুমি আর অন্যটি চাইবে? লোকটি বলবে, না। আল্লাহ্, তোমার ইয্যতের কসম! আর অন্যটি চাইব না। তখন তার চেহারাটা জাহান্নামের দিক থেকে ঘুরিয়ে দেয়া হবে। এরপর সে বলবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছে দাও। আল্লাহ বললেন, তুমি কি বলনি যে, তুমি আমার কাছে আর অন্য কিছু চাইবে না? আফসোস তোমার জন্য আদম সন্তান! তুমি বড়ই বিশ্বাসঘাতক! সে এরূপই প্রার্থনা করতে থাকবে। তখন আল্লাহ বলবেনঃ সম্ভবত আমি যদি তোমাকে এটা দিয়ে দেই তবে তুমি অন্য আরেকটি আমার কাছে চাইবে। লোকটি বলবে, না, তোমার ইয্যাতের কসম! অন্যটি আর চাইব না। তখন সে আল্লাহর সাথে ওয়াদা করবে যে, সে আর কিছুই চাইবে না। তখন আল্লাহ্ তাকে জান্নাতের দরজার নিকটে নিয়ে দিবেন। সে যখন জান্নাতের ভিতরের নিয়ামতগুলো দেখতে পাবে, তখন আল্লাহ্ যতক্ষণ চাইবেন ততক্ষণ সে চুপ থাকবে। এরপরই সে বলতে থাকবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তুমি কি বল নাই যে তুমি আর কিছু চাইবে না? আফসোস তোমার জন্য হে আদম সন্তান! তুমি কতইনা বিশ্বাসঘাতক। লোকটি বলবে, হে প্রতিপালক! তুমি আমাকে তোমার সৃষ্ট জীবের মাঝে সবচেয়ে হতভাগ্য কর না। এভাবে সে চাইতেই থাকবে। শেষে আল্লাহ্ হেসে দিবেন। আর আল্লাহ্ যখন হেসে দিবেন, তখন তাকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে দেবেন। এরপর সে যখন জান্নাতে প্রবেশ করবে, তখন তাকে বলা হবে, তোমার যা ইচ্ছে হয় আমার কাছে চাও। সে চাইবে, এমনকি তার সব চাহিদা ফুরিয়ে যাবে। তখন আল্লাহ্ বলবেনঃ এগুলো তোমার এবং আরো এতটা তোমার। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ঐ লোকটি হচ্ছে সবশেষে জান্নাতে প্রবেশকারী। রাবী বলেন যে, এ সময় আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলেন। [৮০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، اخبرني سعيد، وعطاء بن يزيد، ان ابا هريرة، اخبرهما عن النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عطاء بن يزيد الليثي، عن ابي هريرة، قال قال اناس يا رسول الله هل نرى ربنا يوم القيامة فقال " هل تضارون في الشمس، ليس دونها سحاب ". قالوا لا يا رسول الله. قال " هل تضارون في القمر ليلة البدر، ليس دونه سحاب ". قالوا لا يا رسول الله. قال " فانكم ترونه يوم القيامة كذلك، يجمع الله الناس فيقول من كان يعبد شييا فليتبعه، فيتبع من كان يعبد الشمس، ويتبع من كان يعبد القمر، ويتبع من كان يعبد الطواغيت، وتبقى هذه الامة فيها منافقوها، فياتيهم الله في غير الصورة التي يعرفون فيقول انا ربكم. فيقولون نعوذ بالله منك، هذا مكاننا حتى ياتينا ربنا، فاذا اتانا ربنا عرفناه فياتيهم الله في الصورة التي يعرفون فيقول انا ربكم. فيقولون انت ربنا، فيتبعونه ويضرب جسر جهنم ". قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فاكون اول من يجيز، ودعاء الرسل يوميذ اللهم سلم سلم، وبه كلاليب مثل شوك السعدان، اما رايتم شوك السعدان ". قالوا بلى يا رسول الله. قال " فانها مثل شوك السعدان، غير انها لا يعلم قدر عظمها الا الله، فتخطف الناس باعمالهم، منهم الموبق، بعمله ومنهم المخردل، ثم ينجو، حتى اذا فرغ الله من القضاء بين عباده، واراد ان يخرج من النار من اراد ان يخرج، ممن كان يشهد ان لا اله الا الله، امر الملايكة ان يخرجوهم، فيعرفونهم بعلامة اثار السجود، وحرم الله على النار ان تاكل من ابن ادم اثر السجود، فيخرجونهم قد امتحشوا، فيصب عليهم ماء يقال له ماء الحياة، فينبتون نبات الحبة في حميل السيل، ويبقى رجل مقبل بوجهه على النار فيقول يا رب قد قشبني ريحها واحرقني ذكاوها، فاصرف وجهي عن النار فلا يزال يدعو الله. فيقول لعلك ان اعطيتك ان تسالني غيره. فيقول لا وعزتك لا اسالك غيره. فيصرف وجهه عن النار، ثم يقول بعد ذلك يا رب قربني الى باب الجنة. فيقول اليس قد زعمت ان لا تسالني غيره، ويلك ابن ادم ما اغدرك. فلا يزال يدعو. فيقول لعلي ان اعطيتك ذلك تسالني غيره. فيقول لا وعزتك لا اسالك غيره. فيعطي الله من عهود ومواثيق ان لا يساله غيره، فيقربه الى باب الجنة، فاذا راى ما فيها سكت ما شاء الله ان يسكت، ثم يقول رب ادخلني الجنة. ثم يقول اوليس قد زعمت ان لا تسالني غيره، ويلك يا ابن ادم ما اغدرك فيقول يا رب لا تجعلني اشقى خلقك. فلا يزال يدعو حتى يضحك، فاذا ضحك منه اذن له بالدخول فيها، فاذا دخل فيها قيل تمن من كذا. فيتمنى، ثم يقال له تمن من كذا. فيتمنى حتى تنقطع به الاماني فيقول له هذا لك ومثله معه ". قال ابو هريرة وذلك الرجل اخر اهل الجنة دخولا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর বর্ণনার মাঝে আবূ সা‘ঈদ খুদরীর নিকট কোন রকম পরিবর্তন ধরা পড়েনি। এমন কি তিনি যখন هَذَا لَكَ وَمِثْلُهُ مَعَهُ পর্যন্ত বর্ণনা করলেন, তখন আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তিনি هَذَا لَكَ وَعَشَرَةُ أَمْثَالِه ‘এটি তোমার এবং এর দশ গুণ’ বলেছেন। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আমি مِثْلُهُ مَعَهُ মনে রেখেছি।[1] [২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قال عطاء وابو سعيد الخدري جالس مع ابي هريرة، لا يغير عليه شييا من حديثه حتى انتهى الى قوله " هذا لك ومثله معه ". قال ابو سعيد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " هذا لك وعشرة امثاله ". قال ابو هريرة حفظت " مثله معه
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ). وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ زَيْدٍ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اصْبِرُوا حَتَّى تَلْقَوْنِي عَلَى الْحَوْضِ আল্লাহর বাণীঃ আমি তোমাকে অশেষ কল্যাণ দান করেছি (যার মধ্যে) ‘কাওসার’ও অন্তর্ভুক্ত। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা হাউযের কাছে আমার সঙ্গে মিলিত হওয়া পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে। ৬৫৭৫. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের আগে হাউয-এর কাছে হাজির হব।[1] [৬৫৭২, ৭০৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني يحيى بن حماد، حدثنا ابو عوانة، عن سليمان، عن شقيق، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم " انا فرطكم، على الحوض
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের আগে হাউয-এর কাছে গিয়ে হাজির হব। আর (ঐ সময়) তোমাদের কতগুলো লোককে অবশ্যই আমার সামনে উঠানো হবে। আবার আমার সামনে থেকে তাদেরকে আলাদা করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রতিপালক! এরা তো আমার উম্মাত। তখন বলা হবে, তোমার পরে এরা কী নতুন কাজ করেছে তাতো তুমি জান না। আসিম আবূ ওয়াইল থেকে তার অনুসরণ করেছেন। এবং হুসাইন হুযাইফাহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। [৬৫৭৫; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৭, আহমাদ ৩৮১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وحدثني عمرو بن علي، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن المغيرة، قال سمعت ابا وايل، عن عبد الله رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال "انا فرطكم، على الحوض، وليرفعن رجال منكم ثم ليختلجن دوني فاقول يا رب اصحابي. فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك". تابعه عاصم عن ابي وايل. وقال حصين عن ابي وايل عن حذيفة عن النبي صلى الله عليه وسلم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমাদের সামনে আমার হাউয এর দূরত্ব হবে যতটা দূরত্ব জারবা ও আযরুহ্ নামক স্থান দু’টির মাঝে রয়েছে। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৯, আহমাদ ৪৭২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، حدثني نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " امامكم حوض كما بين جرباء واذرح
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল-কাউসার হচ্ছে অধিক বা অধিক কল্যাণ, যা আল্লাহ্ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দান করেছেন। রাবী আবূ বিশ্র বলেন, আমি সা‘ঈদকে বললাম যে, লোকেরা তো ধারণা করে সেটি জান্নাতের একটা ঝর্ণা। তখন সা‘ঈদ বললেন, ওটা সেই ঝর্ণা যা জান্নাতের মাঝে রয়েছে। তার ভিতর আছে এমন কল্যাণ যা আল্লাহ্ তাঁকে প্রদান করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني عمرو بن محمد، حدثنا هشيم، اخبرنا ابو بشر، وعطاء بن السايب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنه قال الكوثر الخير الكثير الذي اعطاه الله اياه. قال ابو بشر قلت لسعيد ان اناسا يزعمون انه نهر في الجنة. فقال سعيد النهر الذي في الجنة من الخير الذي اعطاه الله اياه
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার হাউযের প্রশস্ততা এক মাসের পথের সমান। তার পানি দুধের চেয়ে সাদা, তার ঘ্রাণ মিশক-এর চেয়ে বেশি সুগন্ধযুক্ত এবং তার পানপাত্রগুলো হবে আকাশের তারকার মত অধিক। তাত্থেকে যে পান করবে সে আর কক্ষনো পিপাসার্ত হবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، حدثنا نافع بن عمر، عن ابن ابي مليكة، قال قال عبد الله بن عمرو قال النبي صلى الله عليه وسلم " حوضي مسيرة شهر، ماوه ابيض من اللبن، وريحه اطيب من المسك، وكيزانه كنجوم السماء، من شرب منها فلا يظما ابدا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার হাউযের প্রশস্ততা হল আয়লা হতে ইয়ামানের সান‘আ নামক স্থানদ্বয়ের দূরত্বের সমান আর তার পানপাত্রগুলোর সংখ্যা আকাশের নক্ষত্ররাজির ন্যায়। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২৩০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني ابن وهب، عن يونس، قال ابن شهاب حدثني انس بن مالك رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال (ان قدر حوضي كما بين ايلة وصنعاء من اليمن، وان فيه من الاباريق كعدد نجوم السماء)
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমি জান্নাতে ভ্রমণ করছিলাম, এমন সময় এক ঝর্ণার কাছে এলে দেখি যে তার দু’ধারে ফাঁপা মুক্তার গম্বুজ রয়েছে। আমি বললাম, হে জিবরীল! এটা কী? তিনি বললেন, এটা ঐ কাউসার যা আপনার প্রতিপালক আপনাকে দান করেছেন। তার ঘ্রাণে অথবা মাটিতে ছিল উত্তম মানের মিশক এর সুগন্ধি। হুদ্বা (রহ.) সন্দেহ করেছেন। [৩৫৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا همام، عن قتادة، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثنا هدبة بن خالد، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بينما انا اسير في الجنة اذا انا بنهر حافتاه قباب الدر المجوف قلت ما هذا يا جبريل قال هذا الكوثر الذي اعطاك ربك. فاذا طينه او طيبه مسك اذفر ". شك هدبة
আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ আমার সামনে আমার উম্মাতের কতক লোক হাউযের কাছে আসবে। তাদেরকে আমি চিনতে পারব। আমার সামনে থেকে তাদেরকে টেনে নিয়ে যাওয়া হবে। তখন আমি বলব, এরা আমার উম্মাত। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তুমি জান না তোমার পরে এরা কী সব নতুন নতুন মত ও পথ বের করেছিল। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২৩০৪, আহমাদ ১৩৯৯৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا عبد العزيز، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليردن على ناس من اصحابي الحوض، حتى عرفتهم اختلجوا دوني، فاقول اصحابي. فيقول لا تدري ما احدثوا بعدك
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের আগে হাউযের নিকট পৌঁছব। যে আমার নিকট দিয়ে অতিক্রম করবে, সে হাউযের পানি পান করবে। আর যে পান করবে সে আর কখনও পিপাসার্ত হবে না। নিঃসন্দেহে কিছু সম্প্রদায় আমার সামনে (হাউযে) উপস্থিত হবে। আমি তাদেরকে চিনতে পারব আর তারাও আমাকে চিনতে পারবে। এরপর আমার এবং তাদের মাঝে আড়াল করে দেয়া হবে। [৭০৫০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، حدثنا محمد بن مطرف، حدثني ابو حازم، عن سهل بن سعد، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اني فرطكم على الحوض، من مر على شرب، ومن شرب لم يظما ابدا، ليردن على اقوام اعرفهم ويعرفوني، ثم يحال بيني وبينهم
রাবী আবূ হাযিম বলেন, নু‘মান ইবনু আবূ আইয়্যাশ আমার নিকট হতে হাদীস শুনে বললেন, তুমিও কি সাহল থেকে এমন শুনেছ? তখন আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি আবূ সা‘ঈদ খুদরীর (রাঃ) ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তার নিকট হতে এতটুকু বেশি শুনেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তখন বলব যে এরা তো আমারই উম্মাত। তখন বলা হবে, তুমি তো জান না তোমার পরে এরা কি সব নতুন নতুন কথা ও কাজ সৃষ্টি করেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তখন আমি বলব, আমার পরে যারা দ্বীনের ভিতর পরিবর্তন এনেছে তারা আল্লাহর রহমত থেকে দূরে থাকুক। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, سُحْقًا অর্থ দূরত্ব سَحِيقٌ অর্থ দূর, سَحَقَهُ وَأَسْحَقَهُ অর্থ তাকে দূর করে দিয়েছে। [৭০৫১; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯০, ২২৯১, আহমাদ ২২৮৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قال ابو حازم فسمعني النعمان بن ابي عياش، فقال هكذا سمعت من، سهل فقلت نعم. فقال اشهد على ابي سعيد الخدري لسمعته وهو يزيد فيها " فاقول انهم مني. فيقال انك لا تدري ما احدثوا بعدك. فاقول سحقا سحقا لمن غير بعدي ". وقال ابن عباس سحقا بعدا، يقال سحيق بعيد، واسحقه ابعده
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাত হতে একদল লোক কিয়ামতের দিন আমার সামনে (হাউযে কাউসারে) হাজির হবে। এরপর তাদেরকে হাউয থেকে আলাদা করে দেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে প্রভু! এরা আমার উম্মাত। তখন আল্লাহ্ বলবেন, তোমার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কী সব নতুন বিষয় সৃষ্টি করেছে এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিশ্চয় এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। শু‘আইব (রহ.) যুহরী সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে فَيُحَلَّئُونَ বর্ণিত উকায়ল فَيُحَلَّئُونَ বলেছেন। যুবায়দী আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন। [৬৫৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ,নাই ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وقال احمد بن شبيب بن سعيد الحبطي حدثنا ابي، عن يونس، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، انه كان يحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يرد على يوم القيامة رهط من اصحابي فيحليون عن الحوض فاقول يا رب اصحابي. فيقول انك لا علم لك بما احدثوا بعدك، انهم ارتدوا على ادبارهم القهقرى
সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের কিছু লোক আমার সামনে হাউযে কাউসারে হাজির হবে। তারপর তাদেরকে সেখান থেকে আলাদা করে নেয়া হবে। তখন আমি বলব, হে রব! এরা আমার উম্মাত। তিনি বলবেন, তোমার পরে এরা দ্বীনের মধ্যে কী বিষয় সৃষ্টি করেছে সে সম্পর্কে নিশ্চয়ই তোমার জানা নেই। নিঃসন্দেহে এরা দ্বীন থেকে পিছনের দিকে ফিরে গিয়েছিল। [৬৫৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، انه كان يحدث عن اصحاب النبي، صلى الله عليه وسلم ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يرد على الحوض رجال من اصحابي فيحليون عنه فاقول يا رب اصحابي. فيقول انك لا علم لك بما احدثوا بعدك، انهم ارتدوا على ادبارهم القهقرى ". وقال شعيب عن الزهري كان ابو هريرة يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم فيجلون. وقال عقيل فيحليون. وقال الزبيدي عن الزهري عن محمد بن علي عن عبيد الله بن ابي رافع عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় আমি (হাশরের ময়দানে) দাঁড়িয়ে থাকব। হঠাৎ দেখতে পাব একটি দল এবং আমি যখন তাদেরকে চিনে ফেলব, তখন আমার ও তাদের মাঝ থেকে একটি লোক বেরিয়ে আসবে এবং সে বলবে, আপনি আসুন। আমি বলব, কোথায়? সে বলবে, আল্লাহর কসম জাহান্নামের দিকে। আমি বলব, তাদের অবস্থা কী? সে বলবে, নিশ্চয় এরা আপনার মৃত্যুর পর দ্বীন থেকে পেছনে সরে গিয়েছিল। এরপর হঠাৎ আরেকটি দল দেখতে পাব। আমি তাদেরকে চিনে ফেলব। তখন আমার ও তাদের মধ্য হতে একটি লোক বেরিয়ে আসবে। সে বলবে, আসুন! আমি বলব কোথায়? সে বলবে আল্লাহর কসম, জাহান্নামের দিকে। আমি বলব, তাদের অবস্থা কী? সে বলবে, নিশ্চয়ই এরা আপনার মৃত্যুর পর থেকে পেছনে ফিরে গিয়েছিল। অতি নগণ্য সংখ্যক ছাড়া তারা নাযাত পাবে বলে আমার মনে হয় না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني ابراهيم بن المنذر، حدثنا محمد بن فليح، حدثنا ابي قال، حدثني هلال، عن عطاء بن يسار، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بينا انا قايم اذا زمرة، حتى اذا عرفتهم خرج رجل من بيني وبينهم فقال هلم. فقلت اين قال الى النار والله. قلت وما شانهم قال انهم ارتدوا بعدك على ادبارهم القهقرى. ثم اذا زمرة حتى اذا عرفتهم خرج رجل من بيني وبينهم فقال هلم. قلت اين قال الى النار والله. قلت ما شانهم قال انهم ارتدوا بعدك على ادبارهم القهقرى. فلا اراه يخلص منهم الا مثل همل النعم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ঘর ও আমার মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানটি জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান। আর আমার মিম্বর আমার হাউযের ওপরে অবস্থিত। [১১৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني ابراهيم بن المنذر، حدثنا انس بن عياض، عن عبيد الله، عن خبيب، عن حفص بن عاصم، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ما بين بيتي ومنبري روضة من رياض الجنة، ومنبري على حوضي
জুনদব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের পূর্বেই আমি হাউযে পৌঁছব। [মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৮৯, আহমাদ ১৮৮৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبدان، اخبرني ابي، عن شعبة، عن عبد الملك، قال سمعت جندبا، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " انا فرطكم، على الحوض
‘উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন বের হলেন এবং সালাতে জানাযার অনুরূপ ওহুদ যুদ্ধে শহীদদের প্রতি সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মিম্বরে ফিরে এসে বললেনঃ নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য হাউযের ধারে আগে পৌঁছব। নিশ্চয়ই আমি তোমাদের (‘আমলের) সাক্ষী হব। আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি এ মুহূর্তে আমার হাউয দেখতে পাচ্ছি। নিশ্চয়ই আমাকে বিশ্ব ধন ভান্ডারের চাবি দেয়া হয়েছে। অথবা (বলেছেন) বিশ্বের কুঞ্জি। আল্লাহর কসম! আমার ইন্তিকালের পর তোমরা শিরকে লিপ্ত হবে এ ভয় আমি করি না; তবে তোমাদের ব্যাপারে আমার আশঙ্কা হয় যে, দুনিয়া অর্জনের উদ্দেশ্যে তোমরা পরস্পরে প্রতিযোগিতা করবে। [১৩৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمرو بن خالد، حدثنا الليث، عن يزيد، عن ابي الخير، عن عقبة رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج يوما فصلى على اهل احد صلاته على الميت، ثم انصرف على المنبر فقال " اني فرط لكم، وانا شهيد عليكم، واني والله لانظر الى حوضي الان، واني اعطيت مفاتيح خزاين الارض او مفاتيح الارض واني والله ما اخاف عليكم ان تشركوا بعدي، ولكن اخاف عليكم ان تنافسوا فيها
হারিসা ইবনু ওয়াহ্ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হাউযে কাউসার সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। এ বিষয়ে তিনি বলেছেনঃ হাউযে কাউসার মদিনা এবং সান‘আর মধ্যকার দূরত্বের মতো। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا حرمي بن عمارة، حدثنا شعبة، عن معبد بن خالد، انه سمع حارثة بن وهب، يقول سمعت النبي صلى الله عليه وسلم وذكر الحوض فقال " كما بين المدينة وصنعاء