Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৫৭ হাদিসসমূহ
একদিন আমি অভিযোগ করে বললামঃ আমি ঘোড়ার পিঠে চেপে বসে আঁকড়ে ধরে থাকতে পারি না। তখন তিনি আমার বুকে হাত রেখে দু‘আ করলেন। হে আল্লাহ! তাকে দৃঢ়চিত্ত করুন এবং তাকে সঠিক পথের সন্ধানদাতা ও সৎপথপ্রাপ্ত বানিয়ে দিন। [৩০৩৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابن نمير، حدثنا ابن ادريس، عن اسماعيل، عن قيس، عن جرير، قال ما حجبني النبي صلى الله عليه وسلم منذ اسلمت، ولا راني الا تبسم في وجهي. ولقد شكوت اليه اني لا اثبت على الخيل، فضرب بيده في صدري وقال " اللهم ثبته واجعله هاديا مهديا
যাইনাব বিনত উম্মু সালামাহ ... উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার উম্মু সুলায়ম বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তো সত্য কথা বলতে লজ্জা করেন না। মেয়ে লোকের স্বপ্নদোষ হলে তাদেরও কি গোসল করতে হবে? তিনি বললেনঃ হাঁ। যদি সে পানি (বীর্য) দেখতে পায়। তখন উম্মু সালামাহ হেসে দিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেনঃ মেয়ে লোকেরও কি স্বপ্নদোষ হয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা না হলে, সন্তানের সঙ্গে সাদৃশ্য হয় কীভাবে? [১৩০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن هشام، قال اخبرني ابي، عن زينب بنت ام سلمة، عن ام سلمة، ان ام سليم، قالت يا رسول الله ان الله لا يستحي من الحق، هل على المراة غسل اذا احتلمت قال " نعم اذا رات الماء ". فضحكت ام سلمة فقالت اتحتلم المراة فقال النبي صلى الله عليه وسلم " فبم شبه الولد
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এমনভাবে হাঁ করে দেখিনি যে, তাঁর আলা জিহ্বা দেখা যেত। তিনি কেবল মুচকি হাসতেন। [৪৮২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، اخبرنا عمرو، ان ابا النضر، حدثه عن سليمان بن يسار، عن عايشة رضى الله عنها قالت ما رايت النبي صلى الله عليه وسلم مستجمعا قط ضاحكا حتى ارى منه لهواته، انما كان يتبسم
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জুমু‘আহর দিন মদিনায় এল, যখন তিনি খুতবাহ দিচ্ছিলেন। সে বললঃ বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেছে, আপনি বৃষ্টির জন্য আপনার প্রতিপালকের নিকট দু‘আ করুন। তখন তিনি আকাশের দিকে তাকালেন তখন আমরা আকাশে কোন মেঘ দেখলাম না। তখন তিনি বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন। এ সময় মেঘ এসে মিলিত হতে লাগলো। তারপর এমন বৃষ্টি হলো যে, মদিনার খাল-নালাগুলো প্রবাহিত হতে লাগল এবং ক্রমাগত পরবর্তী জুমু‘আহ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে থাকল, মাঝে আর বিরতি হয়নি। পরবর্তী জুমু‘আহয় যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুতবাহ দিচ্ছিলেন, তখন ঐ ব্যক্তি অথবা অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, আমরা তো ডুবে গেছি। আপনি আপনার প্রতিপালকের নিকট দু‘আ করুন, যেন তিনি আমাদের উপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। তখন তিনি হেসে দিলেন এবং দু’বার অথবা তিনবার দু‘আ করলেন। হে আল্লাহ! (বৃষ্টি) আশে-পাশে নিয়ে যান, আমাদের উপর নয়। তখন মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে মদিনার আশে-পাশে বর্ষণ করতে লাগল। আমাদের উপর আর বর্ষিত হলো না। এতে আল্লাহ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কারামাত ও তাঁর দু‘আ কবূল হবার দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করেন। [৯৩২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن محبوب، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن انس،. وقال لي خليفة حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه ان رجلا، جاء الى النبي صلى الله عليه وسلم يوم الجمعة وهو يخطب بالمدينة فقال قحط المطر فاستسق ربك، فنظر الى السماء وما نرى من سحاب، فاستسقى فنشا السحاب بعضه الى بعض، ثم مطروا حتى سالت مثاعب المدينة، فما زالت الى الجمعة المقبلة ما تقلع، ثم قام ذلك الرجل او غيره والنبي صلى الله عليه وسلم يخطب فقال غرقنا فادع ربك يحبسها عنا. فضحك ثم قال " اللهم حوالينا ولا علينا ". مرتين او ثلاثا. فجعل السحاب يتصدع عن المدينة يمينا وشمالا، يمطر ما حوالينا، ولا يمطر منها شىء، يريهم الله كرامة نبيه صلى الله عليه وسلم واجابة دعوته
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সত্য নেকীর দিকে পরিচালিত করে আর নেকী জান্নাতে পৌঁছায়। আর মানুষ সত্যের উপর কায়িম থেকে অবশেষে সিদ্দীক-এর দরজা লাভ করে। আর মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামে নিয়ে যায়। আর মানুষ মিথ্যা কথা বলতে বলতে অবশেষে আল্লাহর কাছে মহামিথ্যাচারী প্রতিপন্ন হয়ে যায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن عبد الله رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الصدق يهدي الى البر، وان البر يهدي الى الجنة، وان الرجل ليصدق حتى يكون صديقا، وان الكذب يهدي الى الفجور، وان الفجور يهدي الى النار، وان الرجل ليكذب، حتى يكتب عند الله كذابا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটিঃ যখন সে কথা বলে, তখন মিথ্যা বলে, যখন সে ওয়াদা করে, তখন তা ভঙ্গ করে, আর যখন তার কাছে আমানত রাখা হয় সে তাতে খিয়ানাত করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابن سلام، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن ابي سهيل، نافع بن مالك بن ابي عامر عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اية المنافق ثلاث اذا حدث كذب، واذا وعد اخلف، واذا اوتمن خان
সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি আজ রাতে (স্বপ্নে), দু’জন লোককে দেখলাম। তারা বললঃ আপনি যে লোকটির গাল চিরে ফেলতে দেখলেন, সে বড়ই মিথ্যাচারী। সে এমন মিথ্যা বলত যে, দুনিয়ার সর্বত্র তা ছড়িয়ে দিত। ফলে, ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত তার সাথে এ রকম ব্যবহার চলতে থাকবে। [৮৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا جرير، حدثنا ابو رجاء، عن سمرة بن جندب رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " رايت رجلين اتياني قالا الذي رايته يشق شدقه فكذاب يكذب بالكذبة تحمل عنه حتى تبلغ الافاق فيصنع به الى يوم القيامة
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, মানুষের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে চাল-চলনে, নীতিতে ও চরিত্রে, যার সবচেয়ে অধিক মিল ছিল, তিনি হলেন ইবনু উম্মু আব্দ। যখন তিনি নিজ ঘর থেকে বের হন, তখন থেকে ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত এ মিল দেখা যায়। তবে তিনি একা নিজ গৃহে কেমন ব্যবহার করেন, তা আমরা জানি না। [৩৭৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، قال قلت لابي اسامة حدثكم الاعمش، سمعت شقيقا، قال سمعت حذيفة، يقول ان اشبه الناس دلا وسمتا وهديا برسول الله صلى الله عليه وسلم لابن ام عبد، من حين يخرج من بيته الى ان يرجع اليه، لا ندري ما يصنع في اهله اذا خلا
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উত্তম বাণী হলো আল্লাহর কিতাব। আর সবচেয়ে উত্তম পথ প্রদর্শন হলো, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পথ প্রদর্শন। [৭২৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن مخارق، سمعت طارقا، قال قال عبد الله ان احسن الحديث كتاب الله، واحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কষ্টদায়ক কথা শোনার পর আল্লাহ তা‘আলার চেয়ে বেশি ধৈর্যধারণকারী কেউ বা কোন কিছুই নেই। লোকেরা তাঁর জন্য সন্তান সাব্যস্ত করে, এরপরও তিনি তাদের বিপদ মুক্ত রাখেন এবং রিয্ক দান করেন। [৭৩৭৮; মুসলিম ৫০/৯, হাঃ ২৮০৪, আহমাদ ১৯৫৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني الاعمش، عن سعيد بن جبير، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن ابي موسى رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس احد او ليس شىء اصبر على اذى سمعه من الله، انهم ليدعون له ولدا، وانه ليعافيهم ويرزقهم
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গানীমাতের মাল বণ্টন করলেন। তখন এক আনসারী ব্যক্তি বললঃ আল্লাহর কসম! এ বণ্টনে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করা হয়নি। তখন আমি বললামঃ জেনে রেখো, আমি নিশ্চয়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ কথা বলব। সুতরাং আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আসলাম। তখন তিনি তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে ছিলেন। এজন্য তাঁর কাছে কথাটা চুপে চুপে বললাম। এ কথাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে খুবই কষ্টদায়ক ঠেকল, তাঁর চেহারার রং বদলে গেল এবং তিনি এতই রাগান্বিত হলেন যে, আমি ভাবলাম, হায়! যদি আমি তাঁর কাছে এ খবর না দিতাম, তবে কতই না ভাল হত! এরপর তিনি বললেনঃ মূসা (আ.)-কে এর চেয়েও অধিক কষ্ট দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি ধৈর্যধারণ করেছেন। [৩১৫০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، قال سمعت شقيقا، يقول قال عبد الله قسم النبي صلى الله عليه وسلم قسمة كبعض ما كان يقسم، فقال رجل من الانصار والله انها لقسمة ما اريد بها وجه الله. قلت اما انا لاقولن للنبي صلى الله عليه وسلم فاتيته وهو في اصحابه فساررته فشق ذلك على النبي صلى الله عليه وسلم وتغير وجهه وغضب، حتى وددت اني لم اكن اخبرته ثم قال " قد اوذي موسى باكثر من ذلك فصبر
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে কোন কাজ করলেন এবং অন্যদের সেটা করার অনুমতি দিলেন। তা সত্ত্বেও একদল লোক তাত্থেকে বিরত রইল। এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌঁছলে তিনি ভাষণ দিলেন এবং আল্লাহর প্রশংসার পর বললেনঃ কিছু লোকের কী হয়েছে, তারা এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে চায়, যা আমি নিজে করছি। আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহর সম্পর্কে তাদের থেকে বেশি জানি এবং আমি তাদের চেয়ে অনেক অধিক তাঁকে ভয় করি। [৭৩০১; মুসলিম ৪৩/৩৫, হাঃ ২৩৫৬, আহমাদ ২৫৫৩৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثنا مسلم، عن مسروق، قالت عايشة صنع النبي صلى الله عليه وسلم شييا فرخص فيه فتنزه عنه قوم فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فخطب فحمد الله ثم قال " ما بال اقوام يتنزهون عن الشىء اصنعه، فوالله اني لاعلمهم بالله واشدهم له خشية
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ পর্দার অন্তরালের কুমারীদের চেয়েও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি তাঁর কাছে অপছন্দনীয় কিছু দেখতেন, তখন আমরা তাঁর চেহারা দেখেই তা বুঝতে পারতাম। [৩৫৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا شعبة، عن قتادة، سمعت عبد الله هو ابن ابي عتبة مولى انس عن ابي سعيد الخدري، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اشد حياء من العذراء في خدرها، فاذا راى شييا يكرهه عرفناه في وجهه
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন কেউ তার মুসলিম ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে ডাকে, তখন তা তাদের দু’জনের কোন একজনের উপর বর্তায়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد، واحمد بن سعيد، قالا حدثنا عثمان بن عمر، اخبرنا علي بن المبارك، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا قال الرجل لاخيه يا كافر فقد باء به احدهما ". وقال عكرمة بن عمار عن يحيى، عن عبد الله بن يزيد، سمع ابا سلمة، سمع ابا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ তার ভাইকে কাফির বললে, তাদের দু’জনের একজনের উপর তা বর্তাবে। [মুসলিম১/২৬, হাঃ ৬০, আহমাদ ৫২৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ايما رجل قال لاخيه يا كافر. فقد باء بها احدهما
সাবিত ইবনু যাহহাক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কেউ ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্মের মিথ্যা শপথ করে, সে যা বলে তা-ই হবে। আর যে বস্তু দিয়ে কেউ আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনে তাকে সেই বস্তু দিয়েই শাস্তি দেয়া হবে। ঈমানদারকে লা‘নাত করা, তাকে হত্যা করার সমতুল্য। আর কেউ কোন ঈমানদারকে কুফরীর অপবাদ দিলে, তাও তাকে হত্যা করার সমতুল্য হবে। [১৩৬৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا ايوب، عن ابي قلابة، عن ثابت بن الضحاك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حلف بملة غير الاسلام كاذبا فهو كما قال، ومن قتل نفسه بشىء عذب به في نار جهنم، ولعن المومن كقتله، ومن رمى مومنا بكفر فهو كقتله
وَقَالَ عُمَرُ لِحَاطِبِ بْنِ أَبِي بَلْتَعَةَ إِنَّه مُنَافِقٌ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ اللهَ قَدْ اطَّلَعَ إِلٰى أَهْلِ بَدْرٍ فَقَالَ قَدْ غَفَرْتُ لَكُمْ ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হাতিব ইবনু বালতা‘আ (রাঃ)-কে বলেছিলেন, ইনি মুনাফিক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা তুমি কী করে জানলে? অথচ আল্লাহ বদর যুদ্ধে যোগদানকারীদের প্রতি লক্ষ্য করে বলেছেনঃ আমি তোমাদের গুনাহ মাফ করে দিলাম। ৬১০৬. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মু‘আয ইবনু জাবাল(রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করতেন। অতঃপর আবার তিনি নিজ কাওমের নিকট এসে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করতেন। একবার তিনি তাদের নিয়ে সালাতে সূরা আল-বাক্বারাহ পড়লেন। তখন এক ব্যক্তি সালাত সংক্ষেপ করতে চাইল। কাজেই সে আলাদা হয়ে) সংক্ষেপে সালাত আদায় করলো। এ খবর মু‘আয -এর কাছ পৌঁছলে তিনি বললেনঃ সে মুনাফিক। লোকটির কাছে এ সংবাদ পৌঁছলে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এমন এক কাওমের লোক, যারা নিজের হাতে কাজ করি, আর নিজের উট দিয়ে সেচের কাজ করি। মু‘আয গত রাতে সূরা আল-বাকারাহ দিয়ে সালাত আদায় করতে শুরু করলেন, তখন আমি সংক্ষেপে সালাত আদায় করে নিলাম। এতে মু‘আয বললেন যে, আমি মুনাফিক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মু‘আয! তুমি কি (লোকেদের) দ্বীনের ব্যাপারে অনাগ্রহী করতে চাও? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। পরে তিনি তাকে বললেনঃ وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا এবং سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الأَعْلٰى তুমি এবং এর মত ছোট সূরা পড়বে। [৭০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن عبادة، اخبرنا يزيد، اخبرنا سليم، حدثنا عمرو بن دينار، حدثنا جابر بن عبد الله، ان معاذ بن جبل رضى الله عنه كان يصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم ياتي قومه فيصلي بهم الصلاة، فقرا بهم البقرة قال فتجوز رجل فصلى صلاة خفيفة، فبلغ ذلك معاذا فقال انه منافق. فبلغ ذلك الرجل، فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله انا قوم نعمل بايدينا، ونسقي بنواضحنا، وان معاذا صلى بنا البارحة، فقرا البقرة فتجوزت، فزعم اني منافق. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا معاذ افتان انت ثلاثا اقرا {والشمس وضحاها} و{سبح اسم ربك الاعلى} ونحوها
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি কসম করে এবং লাত্ ও উযযার কসম করে, তবে সে যেন لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ বলে। আর যদি কেউ তার সঙ্গীকে বলে, এসো আমরা জুয়া খেলি, তবে সে যেন সদাকাহ করে। [৪৮৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني اسحاق، اخبرنا ابو المغيرة، حدثنا الاوزاعي، حدثنا الزهري، عن حميد، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من حلف منكم فقال في حلفه باللات والعزى. فليقل لا اله الا الله. ومن قال لصاحبه تعال اقامرك، فليتصدق
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-কে একদিন আরোহীর মাঝে এমন সময় পেলেন, যখন তিনি তাঁর পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চস্বরে তাদের বললেনঃ জেনে রাখ! আল্লাহ তোমাদের নিজের পিতার নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। যদি কাউকে শপথ করতেই হয়, তবে সে যেন আল্লাহর নামেই শপথ করে, তা না হলে সে যেন চুপ থাকে। [২৬৭৮; মুসলিম ১/২৭, হাঃ ১৬৪৬, আহমাদ ৬২৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما انه ادرك عمر بن الخطاب في ركب وهو يحلف بابيه، فناداهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا ان الله ينهاكم ان تحلفوا بابايكم، فمن كان حالفا فليحلف بالله، والا فليصمت
وَقَالَ اللَّهُ: (جَاهِدِ الْكُفَّارَ وَالْمُنَافِقِينَ وَاغْلُظْ عَلَيْهِمْ) আল্লাহ বলেছেনঃ কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন কর। (সূরাহ আত-তওবা ৯: ৭৩) ৬১০৯. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট আসলেন। তখন ঘরে একখানা পর্দা ঝুলানো ছিল। যাতে ছবি ছিল। তা দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারার রং পরিবর্তিত হয়ে গেল। এরপর তিনি পর্দাখানা হাতে নিয়ে ছিঁড়ে ফেললেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের মধ্যে বললেনঃ কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে ঐসব লোকের যারা এ সব ছবি অঙ্কণ করে। [২৪৭৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يسرة بن صفوان، حدثنا ابراهيم، عن الزهري، عن القاسم، عن عايشة رضى الله عنها قالت دخل على النبي صلى الله عليه وسلم وفي البيت قرام فيه صور، فتلون وجهه، ثم تناول الستر فهتكه، وقالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " من اشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يصورون هذه الصور