Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬৫ হাদিসসমূহ
নাযযাল (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কূফা মসজিদের ফটকে ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট পানি আনা হলে তিনি দাঁড়িয়ে তা পান করলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লোকজনের মধ্যে কেউ কেউ দাঁড়িয়ে পান করাকে মাকরূহ মনে করে, অথচ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখেছি, তোমরা আমাকে যেমনভাবে পান করতে দেখলে তিনিও তেমনি করেছেন। [৫৬১৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا مسعر، عن عبد الملك بن ميسرة، عن النزال، قال اتى علي رضى الله عنه على باب الرحبة، فشرب قايما فقال ان ناسا يكره احدهم ان يشرب وهو قايم، واني رايت النبي صلى الله عليه وسلم فعل كما رايتموني فعلت
নাযযাল ইবনু সাবরা হতে বর্ণিত। তিনি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি যুহরের সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি মানুষের নানান প্রয়োজনে কূফা মসজিদের চত্বরে বসে পড়লেন। অবশেষে ‘আসরের সালাত আদায়ের সময় হয়ে গেল। তখন পানি আনা হল। তিনি পানি পান করলেন এবং নিজের মুখমন্ডল ও উভয় হাত ধৌত করলেন। বর্ণনাকারী আদম এখানে তাঁর মাথা ও দু’ পায়ের কথা উল্লেখ করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন এরপর ‘আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় অযূর উদ্বৃত্ত পানি পান করে নিলেন। এরপর তিনি বললেনঃ লোকজন দাঁড়িয়ে পান করাকে ঘৃণা করে, অথচ আমি যেমন করেছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তেমন করেছেন। [৫৬১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الملك بن ميسرة، سمعت النزال بن سبرة، يحدث عن علي رضى الله عنه انه صلى الظهر ثم قعد في حوايج الناس في رحبة الكوفة حتى حضرت صلاة العصر، ثم اتي بماء فشرب وغسل وجهه ويديه وذكر راسه ورجليه، ثم قام فشرب فضله وهو قايم ثم قال ان ناسا يكرهون الشرب قايما وان النبي صلى الله عليه وسلم صنع مثل ما صنعت
আবূ নু‘আইম (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করেছেন। [১৬৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن عاصم الاحول، عن الشعبي، عن ابن عباس، قال شرب النبي صلى الله عليه وسلم قايما من زمزم
উম্মুল ফাযল বিনতু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এক পেয়ালা দুধ পাঠিয়ে ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাফাতে বিকালে অবস্থান করছিলেন। তিনি তাঁর হাত দিয়ে পেয়ালাটি নিলেন এবং তা পান করলেন। [১৬৫৮] আবুন নাযর থেকে মালিক عَلٰى بَعِيرِه (তাঁর উটের উপর ছিলেন) কথাটি বৃদ্ধি করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مالك بن اسماعيل، حدثنا عبد العزيز بن ابي سلمة، اخبرنا ابو النضر، عن عمير، مولى ابن عباس عن ام الفضل بنت الحارث، انها ارسلت الى النبي صلى الله عليه وسلم بقدح لبن، وهو واقف عشية عرفة، فاخذ بيده فشربه. زاد مالك عن ابي النضر على بعيره
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে পানি মেশানো দুধ পেশ করা হল। তাঁর ডান পার্শ্বে ছিল এক বেদুঈন ও বাম পার্শ্বে ছিলেন আবূ বাকর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধ পান করলেন। তারপর বেদুঈন লোকটিকে তা দিয়ে বললেনঃ ডানের লোকের অধিকার আগে। এরপর তার ডানের লোকের। [২৩৫২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن انس بن مالك رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بلبن قد شيب بماء، وعن يمينه اعرابي وعن شماله ابو بكر، فشرب، ثم اعطى الاعرابي، وقال " الايمن الايمن
সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে শরবত পেশ করা হল, তিনি তা থেকে পান করলেন। তাঁর ডানে ছিল একটি বালক, আর বামে ছিলেন কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বালকটিকে বললেনঃ তুমি কি আমাকে অনুমতি দেবে যে, আমি ঐ বয়স্ক লোকদের আগে পান করতে দেই? বালকটি বললঃ আল্লাহর কসম! হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট হতে আমার ভাগ পাওয়ার ব্যাপারে আমি কাউকে আমার উপর অগ্রাধিকার দেব না। রাবী বললেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন পেয়ালাটি তার হাতে তুলে দিলেন। [২৩৫১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بشراب فشرب منه، وعن يمينه غلام وعن يساره الاشياخ. فقال للغلام " اتاذن لي ان اعطي هولاء ". فقال الغلام والله يا رسول الله لا اوثر بنصيبي منك احدا. قال فتله رسول الله صلى الله عليه وسلم في يده
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক লোকের নিকট গেলেন। তাঁর সাথে ছিল তাঁর এক সাহাবী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবী সালাম দিলে লোকটি সালামের জবাব দিল। এরপর সে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনার জন্য আমার পিতা ও মাতা কুরবান! এটি ছিল প্রচন্ড গরমের সময়। এ সময় লোকটি তার বাগানে পানি দিচ্ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি তোমার কাছে গতরাতের মশ্কে রাখা পানি থাকে তাহলে আমাদের পান করাতে পার। তা নাহলে আমরা আমাদের সামনের পানি থেকে পান করে নেব। তখন লোকটি বাগানে পানি দিচ্ছিল। এরপর লোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে গতরাতে মশ্কে রাখা পানি আছে। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কুটীরে নিয়ে গেল। একটি পাত্রে কিছু পানি ঢেলে তাতে ঘরে পোষা বকরীর দুধ দোহন করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পান করলেন। এরপর সে আবার দোহন করল। তখন তাঁর সঙ্গে যিনি এসেছিলেন তিনি তা পান করলেন। [৫৬১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن صالح، حدثنا فليح بن سليمان، عن سعيد بن الحارث، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل على رجل من الانصار ومعه صاحب له، فسلم النبي صلى الله عليه وسلم وصاحبه، فرد الرجل فقال يا رسول الله بابي انت وامي. وهى ساعة حارة، وهو يحول في حايط له يعني الماء فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان كان عندك ماء بات في شنة والا كرعنا ". والرجل يحول الماء في حايط فقال الرجل يا رسول الله عندي ماء بات في شنة. فانطلق الى العريش فسكب في قدح ماء، ثم حلب عليه من داجن له، فشرب النبي صلى الله عليه وسلم ثم اعاد، فشرب الرجل الذي جاء معه
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার বংশের লোকদের মধ্যে দাঁড়িয়ে তাদেরকে অর্থাৎ আমার চাচাদেরকে ‘ফাযীখ’ নামক শরাব পান করাচ্ছিলাম। আমি ছিলাম তাঁদের মাঝে সবার চেয়ে ছোট। এমন সময় বলা হলঃ শরাব হারাম হয়ে গেছে। তাঁরা বললেনঃ এ শরাবগুলো ঢেলে দাও। আমি তা ঢেলে দিলাম। বর্ণনাকারী (সুলাইমান তাইমী) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ তাদের শরাব কী দিয়ে তৈরী ছিল? তিনি বললেনঃ কাঁচা ও পাকা খেজুরের তৈরী। আনাস (রাঃ)-এর পুত্র আবূ বাকর বললেন, এটিই ছিল তাঁদের যুগের শরাব। তাতে আনাস (রাঃ) কোন অসম্মতি ব্যক্ত করেননি। [২৪৬৪] সুলাইমান বলেন, আমার কতক বন্ধু আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আনাস (রাঃ) থেকে শুনেছেনঃ সে যুগে এটিই ছিল তাঁদের শরাব। আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، عن ابيه، قال سمعت انسا رضى الله عنه قال كنت قايما على الحى اسقيهم عمومتي وانا اصغرهم الفضيخ، فقيل حرمت الخمر. فقال اكفيها. فكفانا. قلت لانس ما شرابهم قال رطب وبسر. فقال ابو بكر بن انس وكانت خمرهم. فلم ينكر انس. وحدثني بعض اصحابي انه سمع انسا يقول كانت خمرهم يوميذ
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সন্ধ্যা হয়, তখন তোমাদের সন্তানদের ঘরে আটকে রাখ। কেননা এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাতের কিছু অংশ অতিক্রম করলে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার। আর ঘরের দরজা বন্ধ করবে। কেননা, শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। আর তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাদের মশকের মুখ বন্ধ করবে এবং আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাদের পাত্রগুলোকে ঢেকে রাখবে, কমপক্ষে পাত্রগুলোর উপর কোন বস্ত্ত আড়াআড়ি করে রেখেও। আর (শয্যা গ্রহণের সময়) তোমরা তোমাদের প্রদীপগুগুলো নিভিয়ে দেবে। [৩২৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا روح بن عبادة، اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني عطاء، انه سمع جابر بن عبد الله رضى الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا كان جنح الليل او امسيتم فكفوا صبيانكم، فان الشياطين تنتشر حينيذ، فاذا ذهب ساعة من الليل فحلوهم، فاغلقوا الابواب واذكروا اسم الله، فان الشيطان لا يفتح بابا مغلقا، واوكوا قربكم واذكروا اسم الله، وخمروا انيتكم واذكروا اسم الله، ولو ان تعرضوا عليها شييا واطفيوا، مصابيحكم
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা যখন ঘুমাবে তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজাগুলো বন্ধ করবে, মশকের মুখ বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি আরো বলেছেন, কমপক্ষে একটি কাঠ আড়াআড়ি করে পাত্রের উপর রেখে দেবে। [৩২৮০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا همام، عن عطاء، عن جابر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اطفيوا المصابيح اذا رقدتم، وغلقوا الابواب، واوكوا الاسقية، وخمروا الطعام والشراب واحسبه قال ولو بعود تعرضه عليه
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ খুলে, তাতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। [৫৬২৬; মুসলিম ৩৬/১৩, হাঃ ২০২৩, আহমাদ ১১৬৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا ابن ابي ذيب، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي سعيد الخدري رضى الله عنه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اختناث الاسقية. يعني ان تكسر افواهها فيشرب منها
(আবূ সাইদ খুদরী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ‘ইখ্তিনাসিল আসকিয়া’ মশ্কের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, মা‘মার কিংবা অন্য কেউ বলেছেন, ‘ইখ্তিনাস’ হল মশ্কের মুখে মুখ লাগিয়ে তাত্থেকে পানি পান করা। [৫৬২৫; মুসলিম ৩৬/১৪, হাঃ ২০২৩, আহমাদ ১১৬৬২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا محمد بن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، قال حدثني عبيد الله بن عبد الله، انه سمع ابا سعيد الخدري، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن اختناث الاسقية. قال عبد الله قال معمر او غيره هو الشرب من افواهها
আইউব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইকরামাহ (রহঃ) আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতকগুলো কথা জানাব কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন? (তা হল) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বড় কিংবা ছোট মশকের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের উপর খুঁটি গাড়ার ব্যাপারে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। [1] [২৪৬৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا ايوب، قال لنا عكرمة الا اخبركم باشياء، قصار حدثنا بها ابو هريرة، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الشرب من فم القربة او السقاء، وان يمنع جاره ان يغرز خشبه في داره
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। [২৪৬৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا اسماعيل، اخبرنا ايوب، عن عكرمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان يشرب من في السقاء
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الشرب من في السقاء
‘আবদুল্লাহর পিতা আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কার্য করে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে। [1] [১৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن عبد الله بن ابي قتادة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا شرب احدكم فلا يتنفس في الاناء، واذا بال احدكم فلا يمسح ذكره بيمينه، واذا تمسح احدكم فلا يتمسح بيمينه
সুমামাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্র হতে পানি পান করতেন। তিনি মনে করতেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন।[1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو عاصم، وابو نعيم قالا حدثنا عزرة بن ثابت، قال اخبرني ثمامة بن عبد الله، قال كان انس يتنفس في الاناء مرتين او ثلاثا، وزعم ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يتنفس ثلاثا
ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফা (রাঃ) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন এক গ্রামবাসী একটি রূপার পাত্রে পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনিবললেনঃ আমি এটি ছুঁড়ে ফেলতাম না, কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করার পরও সে তাত্থেকে বিরত হয়নি। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরতে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত বস্ত্তগুলো হ’ল দুনিয়াতে কাফির সম্প্রদায়ের জন্য; আর আখিরাতে তোমাদের জন্য। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابن ابي ليلى، قال كان حذيفة بالمداين فاستسقى، فاتاه دهقان بقدح فضة، فرماه به فقال اني لم ارمه الا اني نهيته فلم ينته، وان النبي صلى الله عليه وسلم نهانا عن الحرير والديباج والشرب في انية الذهب والفضة وقال " هن لهم في الدنيا وهى لكم في الاخرة
ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হুযাইফা (রাঃ)-এর সঙ্গে বাইরে বের হলাম। এ সময় তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা আলোচনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশম বস্ত্র পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অর্থাৎ অমুসলিমদের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের জন্য হল আখিরাতের ভোগ্য বস্ত্ত। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن ابن عون، عن مجاهد، عن ابن ابي ليلى، قال خرجنا مع حذيفة وذكر النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تشربوا في انية الذهب والفضة، ولا تلبسوا الحرير والديباج، فانها لهم في الدنيا ولكم في الاخرة
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রৌপ্য পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের অগ্নি প্রবিষ্ট করায়। [মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৫, আহমাদ ২৬৬৪৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك بن انس، عن نافع، عن زيد بن عبد الله بن عمر، عن عبد الله بن عبد الرحمن بن ابي بكر الصديق، عن ام سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الذي يشرب في اناء الفضة انما يجرجر في بطنه نار جهنم