Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩০ হাদিসসমূহ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’টি সাদা-কালো রং এর শিং ওয়ালা ভেড়া কুরবানী করেন। তিনি ভেড়া দু’টির পার্শ্বে তাঁর পা রেখে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে স্বহস্তেসেই দু’টিকে যবহ্ করেন। [৫৫৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن انس، قال ضحى النبي صلى الله عليه وسلم بكبشين املحين اقرنين، ذبحهما بيده، وسمى وكبر ووضع رجله على صفاحهما
মাসরূক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে উম্মুল মু’মিনীন! কোন ব্যক্তি যদি কা‘বার উদ্দেশে হাদী কুরবানীর পশু) পাঠিয়ে দেয় এবং নিজে আপন শহরে অবস্থান করে নির্দেশ দেয় যে, তার হাদীকে যেন মালা পরিয়ে নেয়া হয়, তাহলে সেদিন থেকে লোকদের হালাল হওয়া পর্যন্ত কি সে ব্যক্তির ইহরামের হালাতে থাকতে হবে? মাসরূক বলেনঃ তখন আমি পর্দার আড়াল থেকে তাঁর [‘আয়িশাহ (রাঃ)] হাতের উপর হাত মারার শব্দ শুনলাম। তিনি বললেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীর কুরবানীর পশু) গলায় রশি পাকিয়ে পরিয়ে দিতাম। এরপর তিনি হাদীকে কা‘বার উদ্দেশে প্রেরণ করতেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর বৈধ কাজ, লোকেরা ফিরে আসা পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর হারাম হত না। [১৬৯৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا اسماعيل، عن الشعبي، عن مسروق، انه اتى عايشة، فقال لها يا ام المومنين ان رجلا يبعث بالهدى الى الكعبة، ويجلس في المصر، فيوصي ان تقلد بدنته، فلا يزال من ذلك اليوم محرما حتى يحل الناس. قال فسمعت تصفيقها من وراء الحجاب فقالت لقد كنت افتل قلايد هدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فيبعث هديه الى الكعبة، فما يحرم عليه مما حل للرجال من اهله، حتى يرجع الناس
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা মদিনায় ফিরে আসা পর্যন্ত কুরবানীর গোশত সঞ্চয় করে রাখতাম। রাবী সুফ্ইয়ান ইবনু ‘উইয়াইনাহ একাধিকবার لُحُومَ الأَضَاحِيِّ এর জায়গায় لُحُومُ الْهَدْيِ বলেছেন। [১৭১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو اخبرني عطاء، سمع جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال كنا نتزود لحوم الاضاحي على عهد النبي صلى الله عليه وسلم الى المدينة، وقال غير مرة لحوم الهدى
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি (দীর্ঘদিন) বাইরে ছিলেন। পরে ফিরে আসলে তাঁর সম্মুখে গোশত পেশ করা হল। তিনি বললেনঃ এটি কি আমাদের কুরবানীর গোশত? এরপর তিনি বললেনঃ এটি সরিয়ে দাও, আমি তা খাব না। তিনি বলেন, এরপর আমি উঠে গেলাম এবং বেরিয়ে গিয়ে আমার ভাই আবূ ক্বাতাদাহ ইবনু নু‘মান-এর নিকট এলাম। আবূ ক্বাতাদাহ ছিলেন তার বৈপিত্রেয় ভাই এবং তিনি ছিলেন বাদরী সাহাবী। (তিনি বলেন) অতঃপর বিষয়টি আমি তাকে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার অনুপস্থিতির সময় এরূপ বিধান চালু হয়েছে। [৩৯৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم، ان ابن خباب، اخبره انه، سمع ابا سعيد، يحدث انه كان غايبا، فقدم فقدم اليه لحم. قال وهذا من لحم ضحايانا. فقال اخروه لا اذوقه. قال ثم قمت فخرجت حتى اتي اخي قتادة وكان اخاه لامه، وكان بدريا فذكرت ذلك له فقال انه قد حدث بعدك امر
সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের যে লোক কুরবানী করেছে, সে যেন তৃতীয় দিনে এমন অবস্থায় সকাল অতিবাহিত না করে যে, তার ঘরে কুরবানীর গোশ্ত কিছু থেকে যায়। পরবর্তী বছর আসলে, সাহাবীগণ বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তেমন করব, যেমন গত বছর করেছিলাম? তখন তিনি বললেনঃ তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং সঞ্চয় করে রাখ, কারণ গত বছর মানুষের মধ্যে ছিল অনটন। তাই আমি চেয়েছিলাম, তোমরা তাতে সহযোগিতা কর। [মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو عاصم، عن يزيد بن ابي عبيد، عن سلمة بن الاكوع، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من ضحى منكم فلا يصبحن بعد ثالثة وفي بيته منه شىء ". فلما كان العام المقبل قالوا يا رسول الله نفعل كما فعلنا عام الماضي قال " كلوا واطعموا وادخروا فان ذلك العام كان بالناس جهد فاردت ان تعينوا فيها
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদিনা্য় অবস্থান কালে আমরা কুরবানীর গোশতের মধ্যে লবণ মিশিয়ে রেখে দিতাম। এরপর তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখে পেশ করতাম। তিনি বলতেনঃ তোমরা তিন দিনের বেশি খাবে না। তবে এটি বড় ব্যাপার নয়। বরং তিনি তাত্থেকে অন্যদেরকেও খাওয়াতে চেয়েছেন। আল্লাহই বেশি জানেন। [৫৪২৩; মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭১, আহমাদ ২৪৩০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، قال حدثني اخي، عن سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عايشة رضى الله عنها قالت الضحية كنا نملح منه، فنقدم به الى النبي صلى الله عليه وسلم بالمدينة فقال " لا تاكلوا الا ثلاثة ايام ". وليست بعزيمة، ولكن اراد ان يطعم منه والله اعلم
ইবনু আযহাবের আযাদকৃত দাস আবূ ‘উবায়দ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি ‘উমার ইবনু খত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে কুরবানীর ঈদের দিন ঈদগাহে হাযির ছিলেন। ‘উমার (রাঃ) খুতবার পূর্বে সালাত আদায় করেন। এরপর উপস্থিত জনতার সামনে খুতবা দেন। তখন তিনি বলেনঃ হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’ ঈদের দিনে সিয়াম পালন করতে নিষেধ করেছেন। তার মধ্যে একটি হল, তোমাদের সিয়াম ভঙ্গ করার দিন (অর্থাৎ ঈদুল ফিতর)। আর অন্যটি হল, এমন দিন যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত খাবে। [১৯৯০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حبان بن موسى، اخبرنا عبد الله، قال اخبرني يونس، عن الزهري، قال حدثني ابو عبيد، مولى ابن ازهر انه شهد العيد يوم الاضحى مع عمر بن الخطاب رضى الله عنه فصلى قبل الخطبة، ثم خطب الناس فقال يا ايها الناس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد نهاكم عن صيام هذين العيدين، اما احدهما فيوم فطركم من صيامكم واما الاخر فيوم تاكلون نسككم
আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর আমি ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ) এর সময়ও হাযির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমু‘আহর দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবাহ্ দিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোক সকল! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দু’টি ঈদ একত্র হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী মদিনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমু‘আর সালাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قال ابو عبيد ثم شهدت مع عثمان بن عفان فكان ذلك يوم الجمعة، فصلى قبل الخطبة ثم خطب فقال يا ايها الناس ان هذا يوم قد اجتمع لكم فيه عيدان، فمن احب ان ينتظر الجمعة من اهل العوالي فلينتظر، ومن احب ان يرجع فقد اذنت له
আবূ ‘উবায়দ বলেনঃ এরপর ঈদগাহে উপস্থিত হয়েছি ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর সময়ে। তিনি খুতবার আগে সালাত আদায় করেন। এরপর লোকজনের উদ্দেশে খুতবাহ দেন। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত তিন দিনের বেশি সময় খেতে নিষেধ করেছেন। মা‘মার, যুহরী, আবূ ‘উবায়দ (রহ.) থেকে এরকমই বর্ণিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قال ابو عبيد ثم شهدته مع علي بن ابي طالب، فصلى قبل الخطبة، ثم خطب الناس فقال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهاكم ان تاكلوا لحوم نسككم فوق ثلاث. وعن معمر عن الزهري عن ابي عبيد نحوه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরবানীর গোশত থেকে তোমরা তিন দিন পর্যন্ত খাও। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) মিনা থেকে প্রত্যাবর্তন কালে কুরবানীর গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকার কারণে যায়তুন খাদ্য গ্রহণ করতেন। [মুসলিম ৩৫/৫, হাঃ ১৯৭০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن عبد الرحيم، اخبرنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، عن ابن اخي ابن شهاب، عن عمه ابن شهاب، عن سالم، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كلوا من الاضاحي ثلاثا ". وكان عبد الله ياكل بالزيت حين ينفر من منى، من اجل لحوم الهدى