Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭০ হাদিসসমূহ
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাতটি কিংবা ছয়টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। আমরা তাঁর সঙ্গে ফড়িংও খাই। সুফ্ইয়ান, আবূ আওয়ানা ও ইসরাঈল এরা আবূ ইয়াফূর ইবনু আওফার সূত্রে বর্ণনা করেছেন সাতটি যুদ্ধে। [মুসলিম ৩৪/৮, হাঃ ১৯৫২, আহমাদ ১৯১৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن ابي يعفور، قال سمعت ابن ابي اوفى رضى الله عنهما قال غزونا مع النبي صلى الله عليه وسلم سبع غزوات او ستا، كنا ناكل معه الجراد. قال سفيان وابو عوانة واسراييل عن ابي يعفور عن ابن ابي اوفى سبع غزوات
আবূ সা‘লাবা খুশানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আহলে কিতাবের এলাকায় বাস করি, তাদের পাত্রে খাই এবং আমরা শিকারের এলাকায় বাস করি, তীর-ধনুকের সাহায্যে শিকার করি এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর ও প্রশিক্ষণবিহীন কুকুরের সাহায্যে শিকার করি। নবী বললেনঃ তুমি যে বললে তোমরা আহলে কিতাবের ভূখন্ডে থাক, অপারগ না হলে তাদের বাসনপত্রে খেও না, যদি কোন উপায় না পাও তাহলে সেগুলো ধুয়ে তাতে খেয়ো। আর তুমি যে বললে, তোমরা শিকারের এলাকায় বাস কর, যদি তোমার তীরের দ্বারা যা শিকার করতে চাও, সেখানে আল্লাহর নাম নাও এবং খাও। আর তুমি যা তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের দ্বারা শিকার কর, সেখানে আল্লাহর নাম নাও এবং খাও। আর তুমি যা শিকার কর তোমার প্রশিক্ষণবিহীন কুকুরের দ্বারা এবং তা যবহ করতে পার তবে তা যবহ্ করে খাও। [৫৪৭৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو عاصم، عن حيوة بن شريح، قال حدثني ربيعة بن يزيد الدمشقي، قال حدثني ابو ادريس الخولاني، قال حدثني ابو ثعلبة الخشني، قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله انا بارض اهل الكتاب، فناكل في انيتهم، وبارض صيد، اصيد بقوسي، واصيد بكلبي المعلم، وبكلبي الذي ليس بمعلم. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اما ما ذكرت انك بارض اهل كتاب فلا تاكلوا في انيتهم، الا ان لا تجدوا بدا، فان لم تجدوا بدا فاغسلوها وكلوا، واما ما ذكرت انكم بارض صيد، فما صدت بقوسك، فاذكر اسم الله وكل، وما صدت بكلبك المعلم، فاذكر اسم الله وكل، وما صدت بكلبك الذي ليس بمعلم، فادركت ذكاته، فكله
সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খাইবার বিজয়ের দিন সন্ধ্যায় মুসলিমগণ আগুন জ্বালালেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা কি জন্য এ সব আগুন জ্বালিয়েছ? তারা বললঃ গৃহপালিত গাধার গোশ্ত। তিনি বললেনঃ হাঁড়ির সব কিছু ফেলে দাও এবং হাঁড়িগুলো ভেঙ্গে ফেল। দলের একজন দাঁড়িয়ে বললঃ হাঁড়ির সব কিছু ফেলে দেই এবং হাঁড়িগুলো ধুয়ে নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাও করতে পার। [২৪৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا المكي بن ابراهيم، قال حدثني يزيد بن ابي عبيد، عن سلمة بن الاكوع، قال لما امسوا يوم فتحوا خيبر اوقدوا النيران، قال النبي صلى الله عليه وسلم " على ما اوقدتم هذه النيران ". قالوا لحوم الحمر الانسية. قال " اهريقوا ما فيها، واكسروا قدورها ". فقام رجل من القوم فقال نهريق ما فيها ونغسلها. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " او ذاك
قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَنْ نَسِيَ فَلاَ بَأْسَ. وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى: (وَلاَ تَأْكُلُوا مِمَّا لَمْ يُذْكَرِ اسْمُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَإِنَّهُ لَفِسْقٌ) وَالنَّاسِي لاَ يُسَمَّى فَاسِقًا، وَقَوْلُهُ: (وَإِنَّ الشَّيَاطِينَ لَيُوحُونَ إِلَى أَوْلِيَائِهِمْ لِيُجَادِلُوكُمْ وَإِنْ أَطَعْتُمُوهُمْ إِنَّكُمْ لَمُشْرِكُونَ). ইবনু ‘আব্বাস বলেছেনঃ কেউ বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে গেলে তাতে কোন দোষ নেই। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেনঃ ‘‘যাতে (যবহ করার সময়) আল্লাহর নাম নেয়া হয়নি তা তোমরা মোটেই খাবে না, তা হচ্ছে পাপাচার’’- সূরাহ আল-আন‘আম ৬/১২১)। আর যে ব্যক্তি বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে যায়, তাকে ফাসিক্ব (গুনাহগার) বলা যায় না। আল্লাহ আরো ইরশাদ করেনঃ শায়ত্বনেরা তাদেরবন্ধুদেরকে তোমাদের সঙ্গে তর্ক-ঝগড়া করার জন্য প্ররোচিত করে..... (সূরাহ আল-আন‘আম ৬/১২১) শেষ পর্যন্ত)। ৫৪৯৮. রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ‘যুল হুলাইফা’য় ছিলাম। লোকজন ক্ষুধার্ত হয়ে যায়। তখন আমরা কিছু সংখ্যক উট ও বকরী গনীমত হিসেবে) লাভ করি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সকলের পেছনে। সবাই তাড়াতাড়ি করল এবং হাঁড়ি চড়িয়ে দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাছে এসে পৌঁছলেন। তখন তিনি হাঁড়িগুলো ঢেকে দিতে নির্দেশ দিলেন। হাঁড়িগুলো ঢেকে দেয়া হল। তারপর তিনি (প্রাপ্ত গানীমাত) বণ্টন করলেন। দশটি বকরী একটি উটের সমান গণ্য করলেন। এ সময়ে একটি উট পালিয়ে গেল। দলে অশ্বারোহীর সংখ্যা ছিল খুব কম। তারা উটটির পেছনে ছুটল কিন্তু তারা সেটি কাবু করতে অসমর্থ হল। অবশেষে একজন উটটির প্রতি তীর ছুঁড়লে আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সকল চতুষ্পদ প্রাণীর মধ্যে বন্য জন্তুর মত পালিয়ে যাবার স্বভাব আছে। কাজেই যখন কোন প্রাণী তোমাদের থেকে পালিয়ে যায়, তখন তার সঙ্গে তোমরা তেমনই ব্যবহার করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার দাদা বলেছেন, আমরা আশা করছিলাম কিংবা তিনি বলেছেন, আমরা আশঙ্কা করছিলাম যে, আগামীকাল আমরা শত্রুদের সম্মুখীন হতে পারি। অথচ আমাদের নিকট কোন ছুরি নেই। তাহলে আমরা কি বাঁশের (বাখারী) দিয়ে যবহ করব? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে দেয় এবং তাতে বিসমিল্লাহ বলা হয় তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। এ সম্পর্কে আমি তোমাদের জ্ঞাত করছি যে, দাঁত হল হাড় বিশেষ, আর নখ হল হাবশী সম্প্রদায়ের ছুরি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني موسى بن اسماعيل، حدثنا ابو عوانة، عن سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة بن رافع، عن جده، رافع بن خديج قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم بذي الحليفة، فاصاب الناس جوع، فاصبنا ابلا وغنما، وكان النبي صلى الله عليه وسلم في اخريات الناس، فعجلوا فنصبوا القدور، فدفع اليهم النبي صلى الله عليه وسلم فامر بالقدور فاكفيت، ثم قسم فعدل عشرة من الغنم ببعير، فند منها بعير، وكان في القوم خيل يسيرة فطلبوه فاعياهم، فاهوى اليه رجل بسهم فحبسه الله فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان لهذه البهايم اوابد كاوابد الوحش، فما ند عليكم فاصنعوا به هكذا ". قال وقال جدي انا لنرجو او نخاف ان نلقى العدو غدا، وليس معنا مدى، افنذبح بالقصب فقال " ما انهر الدم وذكر اسم الله عليه فكل، ليس السن والظفر، وساخبركم عنه، اما السن عظم واما الظفر فمدى الحبشة
‘‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘বালদাহ’র নিম্নাঞ্চলে যায়দ ইবনু ‘আমর ইবনু নবীাইলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটি ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর অহী অবতীর্ণ হবার পূর্বের ঘটনা। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দস্তরখান বিছানো হল। তাতে গোশত ছিল। তখন যায়দ ইবনু ‘আমর তা থেকে খেতে অস্বীকার করলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের দেব-দেবীর নামে যা যবহ কর, তা থেকে আমি খাই না। আমি কেবল খাই যা আল্লাহর নামে যবহ করা হয়েছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا عبد العزيز يعني ابن المختار اخبرنا موسى بن عقبة، قال اخبرني سالم، انه سمع عبد الله، يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه لقي زيد بن عمرو بن نفيل باسفل بلدح، وذاك قبل ان ينزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم الوحى، فقدم اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم سفرة فيها لحم، فابى ان ياكل منها، ثم قال اني لا اكل مما تذبحون على انصابكم، ولا اكل الا مما ذكر اسم الله عليه
জুনদুব ইবনু সুফ্ইয়ান বাজালী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে কুরবানী পালন করলাম। তখন কতক লোক সালাতের পূর্বেই তাদের কুরবানীর পশুগুলো যবহ্ করে নিয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত থেকে ফিরে যখন দেখলেন, তখন সালাতের পূর্বেই যবহ্ করে ফেলেছে, তখন তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি সালাতের পূর্বে যবহ্ করেছে, সে যেন তার বদলে আরেকটি যবহ্ করে নেয়। আর যে ব্যক্তি আমাদের সালাত আদায় করা পর্যন্ত যবহ্ করেনি, সে যেন এখন আল্লাহর নাম নিয়ে যবহ্ করে। [৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا ابو عوانة، عن الاسود بن قيس، عن جندب بن سفيان البجلي، قال ضحينا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم اضحية ذات يوم فاذا اناس قد ذبحوا ضحاياهم قبل الصلاة فلما انصرف راهم النبي صلى الله عليه وسلم انهم قد ذبحوا قبل الصلاة فقال " من ذبح قبل الصلاة فليذبح مكانها اخرى، ومن كان لم يذبح حتى صلينا فليذبح على اسم الله
ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জানিয়েছেন যে, তাঁর পিতা (কা‘ব) তাকে বলেছেনঃ তাদের একটি দাসী ‘সালা’ নামক স্থানে বক্রী চরাত। সে দেখতে পেল, পালের একটি বক্রী মারা যাচ্ছে। সে একটি পাথর ভেঙ্গে তা দিয়ে সেটি যবহ্ করল। তখন তিনি কা‘ব) পরিবারের লোকজনকে বললেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসার পূর্বে তোমরা তা খেয়ো না। অথবা তিনি বলেছেনঃ আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করার জন্য কাউকে পাঠিয়ে জেনে নেয়ার আগে তোমরা তা খেয়ো না। এরপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন অথবা তিনি কাউকে তাঁর নিকট পাঠালেন তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটি খেতে আদেশ দিলেন। [২৩০৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن ابي بكر، حدثنا معتمر، عن عبيد الله، عن نافع، سمع ابن كعب بن مالك، يخبر ابن عمر ان اباه، اخبره ان جارية لهم كانت ترعى غنما بسلع، فابصرت بشاة من غنمها موتا، فكسرت حجرا فذبحتها، فقال لاهله لا تاكلوا حتى اتي النبي صلى الله عليه وسلم فاساله، او حتى ارسل اليه من يساله. فاتى النبي صلى الله عليه وسلم او بعث اليه فامر النبي صلى الله عليه وسلم باكلها
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, কা‘ব ইবনু মালিকের একটি দাসী বাজারের কাছে অবস্থিত ‘সালা’ নামক ছোট পর্বতের উপর তার বক্রী চরাত। তাত্থেকে একটি বকরী মরার উপক্রম হল। সে এটিকে ধরল এবং পাথর ভেঙ্গে তা দিয়ে সেটিকে যবহ্ করে। তখন লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ঘটনাবলী উল্লেখ করলে তিনি তাদের তা খাওয়ার অনুমতি দিলেন। [২৩০৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى، حدثنا جويرية، عن نافع، عن رجل، من بني سلمة اخبر عبد الله، ان جارية، لكعب بن مالك ترعى غنما له بالجبيل الذي بالسوق وهو بسلع، فاصيبت شاة، فكسرت حجرا فذبحتها، فذكروا للنبي صلى الله عليه وسلم فامرهم باكلها
রাফি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেনঃ যে জিনিস রক্ত প্রবাহিত করে এবং যার উপর আল্লাহরনাম নেয়া হয়, তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। নখ হল হাবশীদের ছুরি আর দাঁত হল হাড়। তখন একটি উট পালিয়ে গেল। তীর নিক্ষেপ করে সেটিকে আটকানো হল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সকল উটের মধ্যে বুনো জানোয়ারের মত পালিয়ে যাবার অভ্যাস আছে। কাজেই তাত্থেকে কোনটি যদি তোমাদের আয়ত্বের বাইরে চলে যায়, তাহলে তার সঙ্গে তেমন ব্যবহার কর। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبدان، قال اخبرني ابي، عن شعبة، عن سعيد بن مسروق، عن عباية بن رافع، عن جده، انه قال يا رسول الله ليس لنا مدى. فقال " ما انهر الدم وذكر اسم الله فكل، ليس الظفر والسن، اما الظفر فمدى الحبشة، واما السن فعظم ". وند بعير فحبسه فقال " ان لهذه الابل اوابد كاوابد الوحش فما غلبكم منها فاصنعوا هكذا
কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক নারী পাথরের সাহায্যে একটি বক্রী যবহ্ করেছিল। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি সেটি খাওয়ার নির্দেশ দেন। লায়স (রহ.) নাফি‘ (রহ.) সূত্রে বলেনঃ তিনি এক আনসারকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে ‘আবদুল্লাহ সম্পর্কে বলতে শুনেছেন যে, কা‘ব -এর একটি দাসী.......। পরবর্তী অংশ উক্ত হাদীসের মতই। [২৩০৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا صدقة، اخبرنا عبدة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن لكعب بن مالك، عن ابيه، ان امراة، ذبحت شاة بحجر، فسيل النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فامر باكلها. وقال الليث حدثنا نافع انه سمع رجلا من الانصار يخبر عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم ان جارية لكعب بهذا
এক আনসারী থেকে তিনি মু‘আয ইবনু সা‘দ কিংবা সা‘দা ইবনু মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)-এর একটি দাসী ‘সালা’ পর্বতে বকরী চরাত। বকরীগুলোর মধ্যে একটিকে মরার উপক্রম দেখে সে একটি পাথর দ্বারা সেটিকে যবহ্ করল। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেনঃ সেটি খাও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن رجل، من الانصار عن معاذ بن سعد او سعد بن معاذ اخبره ان جارية لكعب بن مالك كانت ترعى غنما بسلع، فاصيبت شاة منها، فادركتها فذبحتها بحجر، فسيل النبي صلى الله عليه وسلم فقال " كلوها
রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাও অর্থাৎ যা রক্ত প্রবাহিত করে (তা দিয়ে যবেহ্ করে) তবে দাঁত ও নখ দিয়ে নয়। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن ابيه، عن عباية بن رفاعة، عن رافع بن خديج، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " كل يعني ما انهر الدم الا السن والظفر
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদল লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল কতক লোক আমাদের নিকট গোশত নিয়ে আসে। আমরা জানি না যে, পশু যবহের সময় বিসমিল্লাহ বলা হয়েছিল কিনা। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরাই এর উপর বিসমিল্লাহ পড় এবং তা খাও। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেনঃ প্রশ্নকারী দলটি ছিল কুফর থেকে নতুন ইসলাম গ্রহণকারী। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেনঃ দারাওয়ারদী (রহ.) ‘আলী থেকে একই রকম বর্ণনা করেছেন। আবূ খালিদ ও তুফাবী (রহ.) এরকমই বর্ণনা করেছেন। [২০৫৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن عبيد الله، حدثنا اسامة بن حفص المدني، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان قوما، قالوا للنبي صلى الله عليه وسلم ان قوما ياتونا باللحم لا ندري اذكر اسم الله عليه ام لا فقال " سموا عليه انتم وكلوه ". قالت وكانوا حديثي عهد بالكفر. تابعه علي عن الدراوردي. وتابعه ابو خالد والطفاوي
وَقَوْلِهِ تَعَالَى: (الْيَوْمَ أُحِلَّ لَكُمُ الطَّيِّبَاتُ وَطَعَامُ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ حِلٌّ لَكُمْ وَطَعَامُكُمْ حِلٌّ لَهُمْ). মহান আল্লাহর ইরশাদঃ আজ তোমাদের জন্য যাবতীয় ভাল ও পবিত্র বস্তু হালাল করা হল আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল, আর তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল- আল-মায়িদাহ ৫ /৫)। وَقَالَ الزُّهْرِيُّ لاَ بَأْسَ بِذَبِيحَةِ نَصَارَى الْعَرَبِ وَإِنْ سَمِعْتَه“ يُسَمِّي لِغَيْرِ اللهِ فَلاَ تَأْكُلْ وَإِنْ لَمْ تَسْمَعْه“ فَقَدْ أَحَلَّهُ اللهُ لَكَ وَعَلِمَ كُفْرَهُمْ وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ نَحْوُه“ وَقَالَ الْحَسَنُ وَإِبْرَاهِيمُ لاَ بَأْسَ بِذَبِيحَةِ الأَقْلَفِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ طَعَامُهُمْ ذَبَائِحُهُمْ. যুহরী (রহ.) বলেছেনঃ আরব অঞ্চলের খৃস্টানদের যবহকৃত পশুতে কোন দোষ নেই। তবে তুমি যদি তাকে গায়রুল্লাহর নাম পড়তে শোন, তাহলে খেয়ো না। আর যদি না শুনে থাক, তাহলে মনে রেখ যে, আল্লাহ তাদের কুফুরীকে জেনে নেয়ার পরেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। হাসান ও ইবরাহীম বলেছেনঃ খাত্নাবিহীন লোকের যবাহকৃত পশুতে কোন দোষ নেই।ইবনু ‘আব্বাস বলেছেন, ‘তাদের খাবার’ অর্থ ‘তাদের যবহ্কৃত’। ৫৫০৮. ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা খায়বরের একটি কিল্লা অবরোধ করে রেখেছিলাম। এমন সময়ে এক লোক চর্বি ভর্তি একটি থলে ছুঁড়ে মারল। আমি সেটি উঠিয়ে নেয়ার জন্য ছুটে গেলাম। ঘুরে তাকিয়ে দেখি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাঁকে দেখে আমি লজ্জিত হলাম। [৩১৫৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، عن عبد الله بن مغفل رضى الله عنه قال كنا محاصرين قصر خيبر، فرمى انسان بجراب فيه شحم، فنزوت لاخذه، فالتفت فاذا النبي صلى الله عليه وسلم فاستحييت منه
وَأَجَازَهُ ابْنُ مَسْعُودٍ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَا أَعْجَزَكَ مِنَ الْبَهَائِمِ مِمَّا فِي يَدَيْكَ فَهُوَ كَالصَّيْدِ وَفِي بَعِيرٍ تَرَد‘ى فِي بِئْرٍ مِنْ حَيْثُ قَدَرْتَ عَلَيْهِ فَذَكِّه„ وَرَأٰى ذ‘لِكَ عَلِيٌّ وَابْنُ عُمَرَ وَعَائِشَةُ. ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-ও এ ফতোয়া দিয়েছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ তোমার অধীনস্থ যে জন্তু তোমাকে অপারগ করে দেয়, সে শিকারের ন্যায়। যে উট কুয়ার মধ্যে পড়ে যায় তার যে জায়গায় তোমার পক্ষে সম্ভব হয়, আঘাত যবহ্ কর। ‘আলী ইবনু ‘উমার এবং ‘আয়িশাহ (রাঃ) এরও এটাই মত। ৫৫০৯. ‘আমর ইবনু ‘আলী (রহ.) রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আগামী দিন শত্রুর সম্মুখীন হব, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি ত্বরান্বিত করবে কিংবা তিনি বলেছেনঃ জলদি (যবহ্) করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে এবং আল্লাহর নাম নেয়া হয়, তা খাও। তবে দাঁত ও নখ দ্বারা নয়। তোমাকে বলছিঃ দাঁত হল হাড় আর নখ হল হাবশীদের ছুরি। আমরা কিছু উট ও বকরী গনীমত হিসাবে পেলাম। সেগুলো থেকে একটি উট পালিয়ে যায়। একজন সেটির উপর তীর নিক্ষেপ করলে আল্লাহ উটটি আটকিয়ে দেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সব গৃহপালিত উটের মধ্য বন্যপশুর স্বভাব আছে। কাজেই তা থেকে কোনটি যদি তোমদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা হলে তার সঙ্গে এরকমই ব্যবহার করবে। [২৪৮৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا يحيى، حدثنا سفيان، حدثنا ابي، عن عباية بن رفاعة بن رافع بن خديج، عن رافع بن خديج، قال قلت يا رسول الله انا لاقو العدو غدا، وليست معنا مدى فقال " اعجل او ارن ما انهر الدم وذكر اسم الله فكل، ليس السن والظفر، وساحدثك، اما السن فعظم، واما الظفر فمدى الحبشة ". واصبنا نهب ابل وغنم فند منها بعير، فرماه رجل بسهم فحبسه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان لهذه الابل اوابد كاوابد الوحش، فاذا غلبكم منها شىء، فافعلوا به هكذا
وَقَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ لاَ ذَبْحَ وَلاَ مَنْحَرَ إِلاَّ فِي الْمَذْبَحِ وَالْمَنْحَرِ. قُلْتُ أَيَجْزِي مَا يُذْبَحُ أَنْ أَنْحَرَهُ قَالَ نَعَمْ، ذَكَرَ اللَّهُ ذَبْحَ الْبَقَرَةِ، فَإِنْ ذَبَحْتَ شَيْئًا يُنْحَرُ جَازَ، وَالنَّحْرُ أَحَبُّ إِلَيَّ، وَالذَّبْحُ قَطْعُ الأَوْدَاجِ. قُلْتُ فَيُخَلِّفُ الأَوْدَاجَ حَتَّى يَقْطَعَ النِّخَاعَ قَالَ لاَ إِخَالُ. وَأَخْبَرَنِي نَافِعٌ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ نَهَى عَنِ النَّخْعِ يَقُولُ يَقْطَعُ مَا دُونَ الْعَظْمِ، ثُمَّ يَدَعُ حَتَّى تَمُوتَ. وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى: (وَإِذْ قَالَ مُوسَى لِقَوْمِهِ إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكُمْ أَنْ تَذْبَحُوا بَقَرَةً) وَقَالَ: (فَذَبَحُوهَا وَمَا كَادُوا يَفْعَلُونَ). وَقَالَ سَعِيدٌ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ الذَّكَاةُ فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ. وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَأَنَسٌ إِذَا قَطَعَ الرَّأْسَ فَلاَ بَأْسَ. ‘আত্বা (রহ.) এর উদ্ধৃতি দিয়ে ইবনু জুরাইজ বলেছেনঃ গলা বা সিনা ব্যতীত যবহ্ কিংবা নহর করা যায় না। [‘আত্বা (রহ.) বলেন] আমি বললামঃ যে জন্তুকে যবহ্ করা হয় সেটিকে আমি যদি নহর করি, তাহলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ। কেননা, আল্লাহ তা‘আলা গরুকে যবহ্ করার কথা উল্লেখ করেছেন। কাজেই যে জন্তুকে নহর করা হয়, তা যদি তুমি যবহ্ কর, তবে তা জায়িয। অবশ্য আমার নিকট নহর করাই অধিক পছন্দনীয়। যবহ্ অর্থ হল রগগুলোকে কেটে দেয়া। আমি বললামঃ তাহলে কিছু রগকে অবশিষ্ট রাখতে হবে যেন হাতের ভিতরের সাদা রগ কাটা না যায়। তিনি বললেনঃ আমি তা মনে করি না। তিনি বললেনঃ নাফি‘ রহ) আমাকে জানিয়েছেন, ইবনু ‘উমার ‘নাখ’ থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেনঃ ‘নাখ’ হল হাড়ের ভিতরের সাদা রগ কেটে দেয়া এবং তারপর ছেড়ে দেয়া, যাতে জন্তুটি মারা যায়। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেনঃ ‘‘স্মরণ কর, যখন মূসা ‘আ.) স্বীয় সম্প্রদায়কে বলেছিল, ‘আল্লাহ তোমাদেরকে একটি গরু যবহ করার আদেশ দিচ্ছেন’....... তারা তাকে যবহ করল যদিও তাদের জন্য সেটা প্রায় অসম্ভব ছিল।’’- সূরাহ আল-বাকারাহ ২/৬৭-৭১)। সা‘ঈদ (রহ.) ইবনু ‘আব্বাস থেকে বর্ণনা করেনঃ গলা ও সিনার মধ্যে যবহ্ করাকে যবহ্ বলে। ইবনু ‘উমার ইবনু ‘আব্বাস ও আনাস বলেনঃ যদি মাথা কেটে ফেলে তাতে দোষ নেই। ৫৫১০. আসমা বিনত আবূ বাকর হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করে সেটি খেয়েছি। [৫৫১১, ৫৫১২, ৫৫১৯; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا خلاد بن يحيى، حدثنا سفيان، عن هشام بن عروة، قال اخبرتني فاطمة بنت المنذر، امراتي عن اسماء بنت ابي بكر رضى الله عنهما قالت نحرنا على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فرسا فاكلناه
আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমলে আমরা একটি ঘোড়া যবহ্ করেছি। তখন আমরা মদিনায় থাকতাম। পরে আমরা সেটি খেয়েছি। [৫৫১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسحاق، سمع عبدة، عن هشام، عن فاطمة، عن اسماء، قالت ذبحنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا ونحن بالمدينة فاكلناه
আসমা বিনত আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ‘আমলে আমরা একটি ঘোড়া নহর করেছি। এরপর তা খেয়েছি। ‘নহর’ কথাটির বর্ণনা এ সঙ্গে হিশামের সূত্র দিয়ে ওয়াকী‘ ও ইবনু ‘উয়াইনাহ এ রকমই বর্ণনা করেছেন। [৫৫১০; মুসলিম ৩৪/৬, হাঃ ১৯৪২, আহমাদ ২৬৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن هشام، عن فاطمة بنت المنذر، ان اسماء بنت ابي بكر، قالت نحرنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا فاكلناه. تابعه وكيع وابن عيينة عن هشام في النحر
হিশাম ইবনু যায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আনাস-এর সঙ্গে হাকাম ইবনু আইয়ূবের কাছে গেলাম। তখন আনাস (রাঃ) দেখলেন, কয়েকটি বালক কিংবা বর্ণনাকারী বলেছেন, কয়েকজন তরুণ একটি মুরগী বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছে। আনাস (রাঃ) বললেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবজন্তুকে বেঁধে এভাবে তীর ছুঁড়তে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৬, আহমাদ ১২১৬২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، قال دخلت مع انس على الحكم بن ايوب، فراى غلمانا او فتيانا نصبوا دجاجة يرمونها. فقال انس نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان تصبر البهايم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদের কাছে গিয়েছিলেন। এ সময় ইয়াহ্ইয়া পরিবারের একটি বালক একটি মুরগীকে বেঁধে তার দিকে তীর ছুঁড়ছিল। ইবনু ‘উমার(রাঃ) মুরগীটির দিকে এগিয়ে গিয়ে সেটি মুক্ত করে দিলেন। তারপর মুরগী ও বালকটিকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে গিয়ে বললেন, হত্যার উদ্দেশে এভাবে বেঁধে পাখি মারতে তোমরা তোমাদের বালকদের বাধা দিও। কেননা, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছিঃ তিনি হত্যার উদ্দেশে জন্তু জানোয়ার বেঁধে তীর নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন। [মুসলিম ৩৪/১২, হাঃ ১৯৫৭, ১৯৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫১০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن يعقوب، اخبرنا اسحاق بن سعيد بن عمرو، عن ابيه، انه سمعه يحدث، عن ابن عمر رضى الله عنهما انه دخل على يحيى بن سعيد وغلام من بني يحيى رابط دجاجة يرميها، فمشى اليها ابن عمر حتى حلها، ثم اقبل بها وبالغلام معه فقال ازجروا غلامكم عن ان يصبر هذا الطير للقتل، فاني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم نهى ان تصبر بهيمة او غيرها للقتل