Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০ হাদিসসমূহ
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ এক মহিলা আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হায়েযের গোসল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি তাকে গোসলের নিয়ম বলে দিলেন যে, এক টুকরা কস্তুরী লাগানো নেকড়া নিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা বললেনঃ কীভাবে পবিত্রতা হাসিল করব? আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা দিয়ে পবিত্রতা হাসিল কর। মহিলা (তৃতীয়বার) বললেনঃ কীভাবে? আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা দিয়ে তুমি পবিত্রতা হাসিল কর। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি তাকে টেনে আমার নিকট নিয়ে আসলাম এবং বললামঃ তা দিয়ে রক্তের চিহ্ন বিশেষভাবে মুছে ফেল। (৩১৫, ৭৩৫৭; মুসলিম ৩/১৩, হাঃ ৩৩২) (আ.প্র. ৩০৩, ই.ফা)
حدثنا يحيى، قال حدثنا ابن عيينة، عن منصور ابن صفية، عن امه، عن عايشة، ان امراة، سالت النبي صلى الله عليه وسلم عن غسلها من المحيض، فامرها كيف تغتسل قال " خذي فرصة من مسك فتطهري بها ". قالت كيف اتطهر قال " تطهري بها ". قالت كيف قال " سبحان الله تطهري ". فاجتبذتها الى فقلت تتبعي بها اثر الدم
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ একজন আনসারী মহিলা আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমি কীভাবে হায়েযের গোসল করবো? আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এক টুকরো কস্তুরীযুক্ত নেকড়া লও এবং তিনবার ধুয়ে নাও। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অতঃপর লজ্জাবশত অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন এবং বললেনঃ তা দিয়ে তুমি পবিত্র হও। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাকে নিজের দিকে টেনে নিলাম। তারপর তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথার মর্ম বুঝিয়ে দিলাম। (৩১৪) (আ.প্র. ৩০৪, ই.ফা)
حدثنا مسلم، قال حدثنا وهيب، حدثنا منصور، عن امه، عن عايشة، ان امراة، من الانصار قالت للنبي صلى الله عليه وسلم كيف اغتسل من المحيض قال " خذي فرصة ممسكة، فتوضيي ثلاثا ". ثم ان النبي صلى الله عليه وسلم استحيا فاعرض بوجهه او قال " توضيي بها " فاخذتها فجذبتها فاخبرتها بما يريد النبي صلى الله عليه وسلم
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলাম। আমিও তাদেরই একজন ছিলাম যারা তামাত্তুর নিয়্যত করেছিল এবং সঙ্গে কুরবানীর পশু নেয়নি। তিনি বলেনঃ তার হায়েয শুরু হয় আর আরাফা এর রাত পর্যন্ত তিনি পাক হননি। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আজ তো আরাফার রাত, আর আমি হজ্জের সঙ্গে উমরারও নিয়্যত করেছি। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ মাথার বেণী খুলে ফেল, চুল আঁচড়াও আর উমরা হতে বিরত থাক। আমি তাই করলাম। হজ্জ সমাধা করার পর আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবদুর (রহঃ) কে ‘হাসবায়’ অবস্থানের রাতে (আমাকে উমরা করানোর) নির্দেশ দিলেন। তিনি তানঈম হতে আমাকে ‘উমরা করালেন, যেখান হতে আমি ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। (২৯৪) (আ.প্র. ৩০৫, ই.ফা)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابراهيم، حدثنا ابن شهاب، عن عروة، ان عايشة، قالت اهللت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع، فكنت ممن تمتع، ولم يسق الهدى، فزعمت انها حاضت، ولم تطهر حتى دخلت ليلة عرفة فقالت يا رسول الله، هذه ليلة عرفة، وانما كنت تمتعت بعمرة. فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " انقضي راسك، وامتشطي، وامسكي عن عمرتك ". ففعلت، فلما قضيت الحج امر عبد الرحمن ليلة الحصبة فاعمرني من التنعيم مكان عمرتي التي نسكت
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার সময় নিকটবর্তী হলে বেরিয়ে পড়লাম। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে উমরার ইহরাম বাঁধতে চায় সে তা করতে পারে। কারণ, আমি সাথে কুরবানীর পশু না আনলে উমরার ইহরামই বাঁধতাম। তারপর কেউ উমরার ইহরাম বাঁধলেন, আর কেউ হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। আমি ছিলাম উমরার ইহরামকারীদের মধ্যে। আরাফার দিনে আমি ঋতুবতী ছিলাম। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর নিকট আমার অসুবিধার কথা বললাম। তিনি বললেনঃ তোমার উমরা ছেড়ে দাও, মাথার বেণী খুলে চুল আঁচড়াও, আর হজ্জের ইহরাম বাঁধ। আমি তাই করলাম। ‘হাসবা’ নামক স্থানে অবস্থানের রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার সাথে আমার ভাই আবদুর রহমান ইব্নু আবূ বক্র (রাঃ) কে পাঠালেন। আমি তানঈমের দিকে বের হলাম। সেখানে পূর্বের উমরার পরিবর্তে ইহরাম বাঁধলাম। হিশাম (রহঃ) বলেনঃ এসব কারণে কোন দম (কুরবানী), সওম বা সদকা দিতে হয়নি। (২৯৪) (আ.প্র. ৩০৬, ই.ফা)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، قال حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت خرجنا موافين لهلال ذي الحجة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من احب ان يهل بعمرة فليهلل، فاني لولا اني اهديت لاهللت بعمرة ". فاهل بعضهم بعمرة، واهل بعضهم بحج، وكنت انا ممن اهل بعمرة، فادركني يوم عرفة وانا حايض، فشكوت الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " دعي عمرتك، وانقضي راسك وامتشطي، واهلي بحج ". ففعلت حتى اذا كان ليلة الحصبة ارسل معي اخي عبد الرحمن بن ابي بكر، فخرجت الى التنعيم، فاهللت بعمرة مكان عمرتي. قال هشام ولم يكن في شىء من ذلك هدى ولا صوم ولا صدقة
। আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা মাতৃগর্ভের জন্য একজন মালাইকা নির্ধারণ করেছেন। তিনি (পর্যায়ক্রমে) বলতে থাকেন, হে রব! এখন বীর্য-আকৃতিতে আছে। হে রব! এখন জমাট রক্তে পরিণত হয়েছে। হে রব! এখন গোশতপিণ্ডে পরিণত হয়েছে। অতঃপর আল্লাহ্ তা’আলা যখন তার সৃষ্টি পূর্ণ করতে চান, তখন জিজ্ঞেস করেনঃ পুরুষ, না স্ত্রী? সৌভাগ্যবান, না দুর্ভাগা? রিয্ক ও বয়স কত? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তার মাতৃগর্ভে থাকতেই তা লিখে দেয়া হয়। (৩৩৩৩, ৬৫৯৫; মুসলিম ৪৬/১, হাঃ ২৬৪৬) (আ.প্র. ৩০৭, ই.ফা)
حدثنا مسدد، قال حدثنا حماد، عن عبيد الله بن ابي بكر، عن انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان الله عز وجل وكل بالرحم ملكا يقول يا رب نطفة، يا رب علقة، يا رب مضغة. فاذا اراد ان يقضي خلقه قال اذكر ام انثى شقي ام سعيد فما الرزق والاجل فيكتب في بطن امه
। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বিদায় হজ্জের সময় বের হয়েছিলাম। আমাদের কেউ ইহরাম বেঁধেছিল ‘উমরার আর কেউ বেঁধেছিল হজ্জের। আমরা মক্কায় এসে পৌঁছলে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যারা ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছে কিন্তু কুরবানীর পশু সাথে আনেনি, তারা যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছে ও কুরবানীর পশু সাথে এনেছে, তারা যেন কুরবানী করা পর্যন্ত ইহরাম না খোলে। আর যারা হজ্জের ইহরাম বেঁধেছে তারা যেন হজ্জ পূর্ণ করে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ অতঃপর আমার হায়েয শুরু হয় এবং আরাফার দিনেও তা বহাল থাকে। আমি শুধু ‘উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে মাথার বেণী খোলার, চুল আঁচড়ে নেয়ার এবং ‘উমরার ইহরাম ছেড়ে হজ্জের ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিলেন। আমি তাই করলাম। পরে হজ্জ সমাধা করলাম। অতঃপর ‘আবদুর রহমান ইব্নু আবূ বক্র (রাঃ) কে আমার সাথে পাঠালেন। তিনি আমাকে তান’ঈম হতে পূর্বের পরিত্যক্ত উমরার পরিবর্তে ‘উমরা পালনের আদেশ করলেন। (১৯৪) (আ.প্র. ৩০৮, ই.ফা)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة، قالت خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع، فمنا من اهل بعمرة، ومنا من اهل بحج، فقدمنا مكة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من احرم بعمرة ولم يهد فليحلل، ومن احرم بعمرة واهدى فلا يحل حتى يحل بنحر هديه، ومن اهل بحج فليتم حجه ". قالت فحضت فلم ازل حايضا حتى كان يوم عرفة، ولم اهلل الا بعمرة، فامرني النبي صلى الله عليه وسلم ان انقض راسي وامتشط، واهل بحج، واترك العمرة، ففعلت ذلك حتى قضيت حجي، فبعث معي عبد الرحمن بن ابي بكر، وامرني ان اعتمر مكان عمرتي من التنعيم
وَكُنَّ نِسَاءٌ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ بِالدُّرَجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ فَتَقُولُ لاَ تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنَ الْحَيْضَةِ وَبَلَغَ بِنْتَ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّ نِسَاءً يَدْعُونَ بِالْمَصَابِيحِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ يَنْظُرْنَ إِلَى الطُّهْرِ فَقَالَتْ مَا كَانَ النِّسَاءُ يَصْنَعْنَ هَذَا وَعَابَتْ عَلَيْهِنَّ. মহিলারা ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর নিকট কৌটায় করে তুলা প্রেরণ করতো। তাতে হলুদ রং দেখলে ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলতেনঃ তাড়াহুড়া করো না, সাদা পরিষ্কার দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। এ দ্বারা তিনি হায়য হতে পাক হওয়া বোঝাতেন। যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.)-এর কন্যার নিকট সংবাদ এলো যে, স্ত্রীলোকেরা রাতের অন্ধকারে প্রদীপ চেয়ে নিয়ে হায়য হতে পবিত্র হলো কিনা তা দেখতেন। তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোকেরা (পূর্বে) এমনটি করতেন না। তিনি তাদের দোষারোপ করেন। ৩২০। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) এর ইস্তিহাযা হতো। তিনি এ বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ হচ্ছে রগের রক্ত, হায়েযের রক্ত নয়। সুতরাং হায়েয শুরু হলে সালাত ছেড়ে দেবে। আর হায়েয শেষ হলে গোসল করে সালাত আদায় করবে। (২২৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، قال حدثنا سفيان، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، ان فاطمة بنت ابي حبيش، كانت تستحاض فسالت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ذلك عرق، وليست بالحيضة، فاذا اقبلت الحيضة فدعي الصلاة، واذا ادبرت فاغتسلي وصلي
وَقَالَ جَابِرٌ وَأَبُو سَعِيدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَدَعُ الصَّلاَةَ. জাবির ইব্ন ‘আবদুল্লাহ্ ও আবূ সা’ঈদ খুদরী (রা.) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, (স্ত্রীলোক হায়েযকালীন সময়ে) সালাত ছেড়ে দেবে। ৩২১। মু’আযাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ জনৈকা মহিলা ‘আয়িশা (রাঃ) কে বললেনঃ হায়েযকালীন কাযা সালাত পবিত্র হওয়ার পর আদায় করলে আমাদের জন্য চলবে কি-না? ‘আয়িশা (রাঃ) বললেনঃ তুমি কি হারূরিয়্যাহ? (খারিজীদের একদল) [১] আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সময়ে ঋতুবতী হতাম কিন্তু তিনি আমাদের সালাত কাযার নির্দেশ দিতেন না। অথবা তিনি [‘আয়িশা (রাঃ) বলেনঃ আমরা তা কাযা করতাম না। (মুসলিম ৩/১৫, হাঃ ৩৩৫, আহমাদ ২৪৭১৪) (আ.প্র. ৩১০, ই.ফা)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال حدثنا همام، قال حدثنا قتادة، قال حدثتني معاذة، ان امراة، قالت لعايشة اتجزي احدانا صلاتها اذا طهرت فقالت احرورية انت كنا نحيض مع النبي صلى الله عليه وسلم فلا يامرنا به. او قالت فلا نفعله
। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে একই চাদরের নীচে শায়িত অবস্থায় আমার হায়েয দেখা দিল। তখন আমি চুপিসারে বেরিয়ে এসে হায়েযের কাপড় পরে নিলাম। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে নিয়ে তাঁর চাদরের নীচে স্থান দিলেন। বর্ণনাকারী যায়নাব (রহঃ) বলেনঃ আমাকে উম্মু সালামা (রাঃ) এও বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোযা রাখা অবস্থায় তাকে চুমু খেতেন। [উম্মে সালামা (রাঃ) আরও বলেন] আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই পাত্র হতে পানি নিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম। (২৯৮) (আ.প্র. ৩১১, ই.ফা)
حدثنا سعد بن حفص، قال حدثنا شيبان، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن زينب ابنة ابي سلمة، حدثته ان ام سلمة قالت حضت وانا مع النبي، صلى الله عليه وسلم في الخميلة، فانسللت فخرجت منها، فاخذت ثياب حيضتي فلبستها، فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " انفست ". قلت نعم، فدعاني فادخلني معه في الخميلة. قالت وحدثتني ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يقبلها وهو صايم، وكنت اغتسل انا والنبي صلى الله عليه وسلم من اناء واحد من الجنابة
। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ এক সময় আমি ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই চাদরের নীচে শুয়েছিলাম। আমার হায়েয শুরু হলো। তখন আমি গোপনে বেরিয়ে গিয়ে হায়েযের কাপড় পরে নিলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি হায়েয আরম্ভ হয়েছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি আমাকে ডেকে নিলেন এবং আমি তার সঙ্গে একই চাদরের নীচে শুয়ে পড়লাম। (২৯৮) (আ.প্র. ৩১২, ই.ফা)
حدثنا معاذ بن فضالة، قال حدثنا هشام، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن زينب ابنة ابي سلمة، عن ام سلمة، قالت بينا انا مع النبي، صلى الله عليه وسلم مضطجعة في خميلة حضت، فانسللت فاخذت ثياب حيضتي فقال " انفست ". فقلت نعم. فدعاني فاضطجعت معه في الخميلة
। হাফসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা আমাদের যুবতীদের ঈদের সালাতে বের হতে নিষেধ করতাম। এক মহিলা বনূ কালাফের মহলে এসে পৌঁছলেন এবং তিনি তার বোন হতে বর্ণনা করলেন। তার ভগ্নীপতি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বারটি গায্ওয়াহ (বড় যুদ্ধ) –এ অংশ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি বলেনঃ আমার বোনও তার সঙ্গে ছয়টি গায্ওয়ায় শরীক ছিলেন। সেই বোন বলেনঃ আমরা আহতদের পরিচর্যা ও অসুস্থদের সেবা করতাম। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমাদের কারো ওড়না না থাকার কারণে বের না হলে কোন অসুবিধা আছে কি? আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার সাথীর ওড়না তাকে পরিয়ে দেবে, যাতে সে ভাল মজলিস ও মু’মিনদের দা’ওয়াতে শরীক হতে পারে। যখন উম্মু আতিয়্যা (রাঃ) আসলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলামঃ আপনি কি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এরূপ শুনেছেন? উত্তরে তিনি বললেনঃ আমার পিতা তাঁর জন্য কুরবান হোক। হ্যাঁ, তিনি এরূপ বলেছিলেন। নবীর কথা আলোচিত হলেই তিনি বলতেন, “আমার পিতা তার জন্য কুরবান হোক।” আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, যুবতী, পর্দানশীন ও ঋতুবতী মহিলারা বের হবে এবং ভাল স্থানে ও মু’মিনদের দা’ওয়াতে অংশ গ্রহণ করবে। অবশ্য ঋতুবতী মহিলা ঈদগাহ হতে দূরে থাকবে। হাফসা (রাঃ) বলেনঃ আমি জিজ্ঞেস করলাম ঋতুবতীও কি বেরুবে? তিনি বললেনঃ সে কি ‘আরাফাতে ও অমুক অমুক স্থানে উপস্থিত হবে না? (৯৩৫১, ৯৭১, ৯৭৪, ৯৮০, ৯৮১, ১৬৫২; মুসলিম ৮/১, হাঃ ৮৯০) (আ.প্র. ৩১৩, ই.ফা)
حدثنا محمد هو ابن سلام قال اخبرنا عبد الوهاب، عن ايوب، عن حفصة، قالت كنا نمنع عواتقنا ان يخرجن في العيدين، فقدمت امراة فنزلت قصر بني خلف، فحدثت عن اختها، وكان زوج اختها غزا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثنتى عشرة، وكانت اختي معه في ست. قالت كنا نداوي الكلمى، ونقوم على المرضى، فسالت اختي النبي صلى الله عليه وسلم اعلى احدانا باس اذا لم يكن لها جلباب ان لا تخرج قال " لتلبسها صاحبتها من جلبابها، ولتشهد الخير ودعوة المسلمين ". فلما قدمت ام عطية سالتها اسمعت النبي صلى الله عليه وسلم قالت بابي نعم وكانت لا تذكره الا قالت بابي سمعته يقول " يخرج العواتق وذوات الخدور، او العواتق ذوات الخدور والحيض، وليشهدن الخير ودعوة المومنين، ويعتزل الحيض المصلى ". قالت حفصة فقلت الحيض فقالت اليس تشهد عرفة وكذا وكذا
لِقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (وَلاَ يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ مَا خَلَقَ اللَّهُ فِي أَرْحَامِهِنَّ). . কারণ আল্লাহ্ তা’আলা ঘোষণা করেছেনঃ “তাদের পক্ষে বৈধ নয় গোপন রাখা যা আল্লাহ্ তাদের জরাযুতে সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা আল-বাক্বারা ২ : ২২৮)। وَيُذْكَرُ عَنْ عَلِيٍّ وَشُرَيْحٍ إِنِ امْرَأَةٌ جَاءَتْ بِبَيِّنَةٍ مِنْ بِطَانَةِ أَهْلِهَا مِمَّنْ يُرْضَى دِينُهُ، أَنَّهَا حَاضَتْ ثَلاَثًا فِي شَهْرٍ. صُدِّقَتْ. وَقَالَ عَطَاءٌ أَقْرَاؤُهَا مَا كَانَتْ، وَبِهِ قَالَ إِبْرَاهِيمُ. وَقَالَ عَطَاءٌ الْحَيْضُ يَوْمٌ إِلَى خَمْسَ عَشْرَةَ. وَقَالَ مُعْتَمِرٌ عَنْ أَبِيهِ سَأَلْتُ ابْنَ سِيرِينَ عَنِ الْمَرْأَةِ تَرَى الدَّمَ بَعْدَ قَرْئِهَا بِخَمْسَةِ أَيَّامٍ قَالَ النِّسَاءُ أَعْلَمُ بِذَلِكَ আলী ও শুরাযহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। যদি মহিলার নিজ পরিবারের দ্বীনদার কেউ সাক্ষ্য দেয় যে, এ মহিলা মাসে তিন বার ঋতুবতী হয়েছে, তবে তার কথা গ্রহণযোগ্য হবে। ‘আত্বা (রহঃ) বলেনঃ মহিলার হায়েযের দিন গণনা করা হবে তার পূর্ব স্বভাব অনুসারে। ইবরাহীম (রহঃ)-ও অনুরূপ বলেন। ‘আত্বা (রহঃ) আরো বলেনঃ হায়েয একদিন হতে পনের দিন পর্যন্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মু’তামির তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ আমি ইব্নু সীরীন (রহঃ)-কে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে তার পুর্ব অভ্যাস অনুযায়ী হায়েযের পাঁচ দিন পূর্ণ হওয়ার পরও রক্ত দেখে? তিনি জবাবে বললেনঃ এ ব্যাপারে মহিলারা ভাল জানে। ৩২৫। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ ফাতিমা বিনতু আবূ হুবায়শ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আমার ইস্তিহাযা হয়েছে এবং পবিত্র হচ্ছি না। আমি কি সালাত পরিত্যাগ করবো? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, এ হলো রগ থেকে বের হওয়া রক্ত। তবে এরূপ হওয়ার পূর্বে যতদিন হায়েয হতো সে কয়দিন সালাত অবশ্যই পরিত্যাগ করো। তারপর গোসল করে নিবে ও সালাত আদায় করবে। (২২৮) (আ.প্র. ৩১৪, ই.ফা)
حدثنا احمد بن ابي رجاء، قال حدثنا ابو اسامة، قال سمعت هشام بن عروة، قال اخبرني ابي، عن عايشة،. ان فاطمة بنت ابي حبيش، سالت النبي صلى الله عليه وسلم قالت اني استحاض فلا اطهر، افادع الصلاة فقال " لا، ان ذلك عرق، ولكن دعي الصلاة قدر الايام التي كنت تحيضين فيها، ثم اغتسلي وصلي
। উম্মু আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমরা মেটে ও হলুদ রং হায়েযের মধ্যে গণ্য করতাম না। (আ.প্র. ৩১৫, ই.ফা)
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا اسماعيل، عن ايوب، عن محمد، عن ام عطية، قالت كنا لا نعد الكدرة والصفرة شييا
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) সাত বছর পর্যন্ত ইস্তিহাযায় আক্রান্ত ছিলেন। তিনি এ ব্যাপারে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন। তিনি তাঁকে গোসলের নির্দেশ দিলেন এবং বললেনঃ এ রগ থেকে বের হওয়া রক্ত। অতঃপর উম্মু হাবীবা (রাঃ) প্রতি সালাতের জন্য গোসল করতেন। (মুসলিম ৩/১৪, হাঃ ৩৩৪, আহমাদ ২৭৫১৬) (আ.প্র. ৩১৬, ই.ফা)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، قال حدثنا معن، قال حدثني ابن ابي ذيب، عن ابن شهاب، عن عروة، وعن عمرة، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان ام حبيبة استحيضت سبع سنين، فسالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك، فامرها ان تغتسل فقال " هذا عرق ". فكانت تغتسل لكل صلاة
। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রাসূল! সফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইয়ের হায়েয শুরু হয়েছে। তিনি বললেনঃ সে তো আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সঙ্গে তাওয়াফে-যিয়ারত করেনি? তাঁরা জবাব দিলেন, হ্যাঁ করেছেন। তিনি বললেনঃ তা হলে বের হও। (২৯৪) (আ.প্র. ৩১৭, ই.ফা)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن ابيه، عن عمرة بنت عبد الرحمن، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله، ان صفية بنت حيى قد حاضت. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلها تحبسنا، الم تكن طافت معكن ". فقالوا بلى. قال " فاخرجي
। এর পূর্বে ইব্নু উমার (রাঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছিলেন। (১৭৬১ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩১৮ শেষাংশ, ই.ফা. ৩২৩ শেষাংশ)
حدثنا معلى بن اسد، قال حدثنا وهيب، عن عبد الله بن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، قال رخص للحايض ان تنفر، اذا حاضت. وكان ابن عمر يقول في اول امره انها لا تنفر. ثم سمعته يقول تنفر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص لهن
। এর পূর্বে ইব্নু উমার (রাঃ) বলতেনঃ সে যেতে পারবে না। তারপর তাঁকে বলতে শুনেছি যে, সে যেতে পারে। কারণ, আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য (যাওয়ার) অনুমতি দিয়েছিলেন। (১৭৬১ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩১৮ শেষাংশ, ই.ফা. ৩২৩ শেষাংশ)
حدثنا معلى بن اسد، قال حدثنا وهيب، عن عبد الله بن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، قال رخص للحايض ان تنفر، اذا حاضت. وكان ابن عمر يقول في اول امره انها لا تنفر. ثم سمعته يقول تنفر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص لهن
قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي وَلَوْ سَاعَةً، وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا إِذَا صَلَّتْ، الصَّلاَةُ أَعْظَمُ. ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ ইস্তিহাযাগ্রস্তা নারী দিনের কিছু সময়ের জন্য হলেও পবিত্রতা দেখলে গোসল করবে ও সালাত আদায় করবে। আর সালাত আদায় করার পর তার স্বামী তার সাথে মিলতে পারে। কারণ, সালাতের গুরুত্ব অত্যাধিক। ৩৩১। আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হায়েয দেখা দিলে সালাত ছেড়ে দাও আর হায়েযের সময় শেষ হয়ে গেলে রক্ত ধুয়ে নাও এবং সালাত আদায় কর। (২২৮) (আ.প্র. ৩১৯, ই.ফা)
حدثنا احمد بن يونس، عن زهير، قال حدثنا هشام، عن عروة، عن عايشة، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا اقبلت الحيضة فدعي الصلاة، واذا ادبرت فاغسلي عنك الدم وصلي
। সামুরাহ ইব্নু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ একজন প্রসূতি মহিলা মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার জানাযার সালাত আদায় করলেন। সালাতে তিনি মহিলার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন। (১৩৩১, ১৩৩২ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩২০, ই.ফা)
حدثنا احمد بن ابي سريج، قال اخبرنا شبابة، قال اخبرنا شعبة، عن حسين المعلم، عن ابن بريدة، عن سمرة بن جندب، ان امراة، ماتت في بطن، فصلى عليها النبي صلى الله عليه وسلم فقام وسطها
। আবদুল্লাহ ইব্নু শাদ্দাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ আমি আমার খালা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী মাইমূনা (রাঃ) হতে শুনেছি যে, তিনি হায়েয অবস্থায় সালাত আদায় করতেন না; তখন তিনি আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সালাতের সিজদার জায়গায় সোজাসুজি শুয়ে থাকতেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার চাটাইয়ে সালাত আদায় করতেন। সিজদা করার সময় তাঁর কাপড়ের অংশ আমার (মাইমূনাহ্র) শরীর স্পর্শ করতো। (৩৭৯, ৩৮১, ৫১৭, ৫১৮ দ্রষ্টব্য) (আ.প্র. ৩২১, ই.ফা)
حدثنا الحسن بن مدرك، قال حدثنا يحيى بن حماد، قال اخبرنا ابو عوانة اسمه الوضاح من كتابه قال اخبرنا سليمان الشيباني، عن عبد الله بن شداد، قال سمعت خالتي، ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها كانت تكون حايضا لا تصلي، وهى مفترشة بحذاء مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يصلي على خمرته، اذا سجد اصابني بعض ثوبه