Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮৮ হাদিসসমূহ
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে আপন ক্রীতদাসীকে শিক্ষা দেয় এবং উত্তম শিক্ষা দান করে এবং শিষ্টাচার শিক্ষা দেয় এবং উত্তমভাবে শিষ্টাচার শিক্ষা দেয় এরপর তাকে মুক্ত করে বিয়ে করে তার জন্য দ্বিগুণ সওয়াব। [1] ঐ আহলে কিতাব, যে তার নবীর ওপর ঈমান আনে এবং আমার ওপরে ঈমান এনেছে, তার জন্য দ্বিগুণ সওয়াব রয়েছে। আর ঐ গোলাম, যে তার প্রভুর হক আদায় করে এবং আল্লাহরও হাক্ব আদায় করে তার জন্যে দ্বিগুণ সাওয়াব। হাদীসটি বর্ণনা করার সময় এর অন্যতম বর্ণনাকারী ইমাম শা‘বী (রহ.) (স্বীয় ছাত্র সালিহ বিন সালিহ হামদানীর লক্ষ্য করে) বলেন, হাদীসটি গ্রহণ কর বিনা পরিশ্রমে অথচ এমন এক সময় ছিল যখন এর চেয়ে ছোট হাদীস সংগ্রহ করার জন্যে কোন লোক মদিনা পর্যন্ত সফর করতো। .... অন্য বর্ণনায় আছে, ‘‘মুক্ত করে মাহর নির্ধারণ করে বিয়ে করে’’। [৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا صالح بن صالح الهمداني، حدثنا الشعبي، قال حدثني ابو بردة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ايما رجل كانت عنده وليدة فعلمها فاحسن تعليمها، وادبها فاحسن تاديبها، ثم اعتقها وتزوجها فله اجران، وايما رجل من اهل الكتاب امن بنبيه وامن بي فله اجران، وايما مملوك ادى حق مواليه وحق ربه فله اجران ". قال الشعبي خذها بغير شىء قد كان الرجل يرحل فيما دونه الى المدينة. وقال ابو بكر عن ابي حصين عن ابي بردة عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم " اعتقها ثم اصدقها
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইব্রাহীম (আঃ) তিনবার ব্যতীত কোন মিথ্যা কথা বলেননি। অত্যাচারী বাদশাহর দেশে তাকে যেতে হয়েছিল এবং তারসঙ্গে ‘সারা’ (রাঃ) ছিলেন। এরপর রাবী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। (সেই বাদশাহ) হাজেরাকে তাঁর সেবার জন্য তাঁকে দান করেন। তিনি ফিরে এসে বললেন, আল্লাহ্ কাফির থেকে আমাকে নিরাপত্তা দান করেছেন এবং আমার খিদমাতের জন্য আজারা (হাজেরা)-কে দিয়েছেন। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ‘‘হে আকাশের পানির সন্তানগণ (কুরাইশ)! এ আজারাই তোমাদের মা।’’ [২২১৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن تليد، قال اخبرني ابن وهب، قال اخبرني جرير بن حازم، عن ايوب، عن محمد، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم. حدثنا سليمان عن حماد بن زيد عن ايوب عن محمد عن ابي هريرة {قال قال النبي صلى الله عليه وسلم} " لم يكذب ابراهيم الا ثلاث كذبات بينما ابراهيم مر بجبار ومعه سارة فذكر الحديث فاعطاها هاجر قالت كف الله يد الكافر واخدمني اجر ". قال ابو هريرة فتلك امكم يا بني ماء السماء
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার এবং মদিনা্র মাঝে তিন দিন অবস্থান করলেন এবং হুয়ায়্যার কন্যা সাফীয়ার সঙ্গে রাতে বাসর যাপনের ব্যবস্থা করলেন। আমি মুসলিমদেরকে তাঁর ওয়ালীমার দাওয়াত দিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামদস্তরখানা বিছানোর নির্দেশ দিলেন এবং সেখানে গোশত ও রুটি ছিল না। খেজুর, পনির, মাখন ও ঘি রাখা হল। এটাই ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওয়ালীমা। উপস্থিত মুসলিমরা পরস্পর বলাবলি করতে লাগল- তিনি (সফীয়্যাহ) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণীদের মধ্যে গণ্য হবেন, ক্রীতদাসীদের মধ্যে গণ্য হবেন। তাঁরা বলাবলি করলেন যে, যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফীয়ার জন্য পর্দার ব্যবস্থা করেন, তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী হিসাবে গণ্য করা হবে। আর যদি পর্দা না করা হয়, তাহলে তাঁকে ক্রীতদাসী হিসেবে মনে করা হবে। যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখান থেকে অন্যত্র যাবার ব্যবস্থা করলেন, তখন সাফীয়ার জন্য উটের পিছনে জায়গা করলেন এবং তাঁর ও লোকদের মাঝে পর্দার ব্যবস্থা করলেন। [1][৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن انس رضى الله عنه قال اقام النبي صلى الله عليه وسلم بين خيبر والمدينة ثلاثا يبنى عليه بصفية بنت حيى فدعوت المسلمين الى وليمته فما كان فيها من خبز ولا لحم، امر بالانطاع فالقى فيها من التمر والاقط والسمن فكانت وليمته، فقال المسلمون احدى امهات المومنين او مما ملكت يمينه، فقالوا ان حجبها فهى من امهات المومنين، وان لم يحجبها فهى مما ملكت يمينه، فلما ارتحل وطى لها خلفه ومد الحجاب بينها وبين الناس
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফীয়াকে আযাদ করলেন এবং এই আযাদীকে তার বিয়ের মাহর ধার্য করলেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حماد، عن ثابت، وشعيب بن الحبحاب، عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتق صفية، وجعل عتقها صداقها
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার জীবনকে আপনার হাতে সমর্পণ করতে এসেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকালেন এবং সতর্ক দৃষ্টিতে তার আপাদমস্তক লক্ষ্য করলেন। তারপর তিনি মাথা নিচু করলেন। যখন মহিলাটি দেখল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে কোন ফয়সালা দিচ্ছেন না, তখন সে বসে পড়ল। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে একজন দাঁড়ালেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আপনার বিয়ের প্রয়োজন না থাকে, তবে আমার সঙ্গে এর বিয়ে দিয়ে দিন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কাছে কিছু আছে কি? সে উত্তর করলো- না, আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে কিছুই নেই। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তোমার পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে গিয়ে দেখ, কিছু পাও কিনা। এরপর লোকটি চলে গেল। ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম! আমি কিছুই পাইনি। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবার দেখ, লোহার একটি আংটিও যদি পাও। তারপর লোকটি আবার ফিরে গেল। এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তাও পেলাম না, কিন্তু এই আমার লুঙ্গি (শুধু এটাই আছে)। (রাবী) সাহল (রাঃ) বলেন, তার কাছে কোন চাদর ছিল না। লোকটি এর অর্ধেক তাকে দিতে চাইল। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে তোমার লুঙ্গি দিয়ে কী করবে? তুমি যদি পরিধান কর, তাহলে তার কোন কাজে আসবে না, আর সে যদি পরিধান করে, তবে তোমার কোন কাজে আসবে না। তারপর বেশ কিছুক্ষণ লোকটি নীরবে বসে থাকল। তারপর উঠে দাঁড়াল। সে যেতে উদ্যত হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে আনলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কী পরিমাণ কুরআন মাজীদ মুখস্থ আছে? সে বলল, আমার অমুক অমুক সূরা মুখস্থ আছে এবং সে গণনা করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, এগুলো কি তোমার মুখস্থ আছে। সে বলল, হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে পরিমাণ কুরআন তোমার মুখস্থ আছে তার বিনিময়ে তোমার কাছে এ মহিলাটিকে তোমার অধীনস্থ করে (বিয়ে) দিলাম।[1][২৩১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن ابي حازم، عن ابيه، عن سهل بن سعد الساعدي، قال جاءت امراة الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله جيت اهب لك نفسي قال فنظر اليها رسول الله صلى الله عليه وسلم فصعد النظر فيها وصوبه ثم طاطا رسول الله صلى الله عليه وسلم راسه فلما رات المراة انه لم يقض فيها شييا جلست فقام رجل من اصحابه فقال يا رسول الله ان لم يكن لك بها حاجة فزوجنيها. فقال " وهل عندك من شىء ". قال لا والله يا رسول الله. فقال " اذهب الى اهلك فانظر هل تجد شييا ". فذهب ثم رجع فقال لا والله ما وجدت شييا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انظر ولو خاتما من حديد ". فذهب ثم رجع فقال لا والله يا رسول الله ولا خاتما من حديد ولكن هذا ازاري قال سهل ما له رداء فلها نصفه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما تصنع بازارك ان لبسته لم يكن عليها منه شىء وان لبسته لم يكن عليك شىء ". فجلس الرجل حتى اذا طال مجلسه قام فراه رسول الله صلى الله عليه وسلم موليا فامر به فدعي فلما جاء قال " ماذا معك من القران ". قال معي سورة كذا وسورة كذا عددها. فقال " تقروهن عن ظهر قلبك ". قال نعم. قال " اذهب فقد ملكتكها بما معك من القران
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুযাইফাহ (রাঃ) ইবনু উতবাহ ইবনু রাবিয়া ইবনু আবদে শাম্স, যিনি বদরের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, তিনি সালিমকে পালক পুত্র হিসাবে গ্রহণ করেন এবং তার সঙ্গে তিনি তাঁর ভাতিজী ওয়ালীদ ইব্নু উত্বাহ ইব্নু রাবিয়ার কন্যা হিন্দাকে বিয়ে দেন। সে ছিল এক আনসারী মহিলার আযাদকৃত দাস যেমন যায়দকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পালক-পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। জাহিলী যুগের রীতি ছিল যে, কেউ যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে পালক-পুত্র হিসেবে গ্রহণ করত, তবে লোকেরা তাকে ঐ ব্যক্তির পুত্র হিসেবে ডাকত এবং মুত্যুর পর ঐ ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হত। যতক্ষণ পর্যন্ত না আল্লাহ্ তা‘আলা এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ অর্থাৎ, ‘‘তাদেরকে (পালক পুত্রদেরকে) তাদের জন্মদাতা পিতার নামে ডাক.....তারা তোমাদের মুক্ত করা গোলাম।’’ (সূরা আহযাবঃ ৫) এরপর থেকে তাদেরকে পিতার নামেই শুধু ডাকা হত। যদি তাদের পিতা সম্পর্কে জানা না যেত, তাহলে তাকে মাওলা বা দ্বীনী ভাই হিসেবে ডাকা হত। তারপর [আবূ হুযাইফাহ ইবনু ‘উতবাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী] সাহলাবিনতে সুহায়ল ইবনু ‘আমর আল কুরাইশী আল আমিরী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা সালিমকে আমাদের পুত্র হিসেবে মনে করতাম; অথচ এখন আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন তা তো আপনিই ভাল জানেন। এরপর তিনি পুরো হাদীস বর্ণনা করলেন। [৪০০০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها ان ابا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس،، وكان، ممن شهد بدرا مع النبي صلى الله عليه وسلم تبنى سالما، وانكحه بنت اخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهو مولى لامراة من الانصار، كما تبنى النبي صلى الله عليه وسلم زيدا، وكان من تبنى رجلا في الجاهلية دعاه الناس اليه وورث من ميراثه حتى انزل الله {ادعوهم لابايهم} الى قوله {ومواليكم} فردوا الى ابايهم، فمن لم يعلم له اب كان مولى واخا في الدين، فجاءت سهلة بنت سهيل بن عمرو القرشي ثم العامري وهى امراة ابي حذيفة النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله انا كنا نرى سالما ولدا وقد انزل الله فيه ما قد علمت فذكر الحديث
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবা‘আ বিনতে যুবায়র-এর নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন তোমার হাজ্জে যাবার ইচ্ছে আছে কি? সে উত্তর দিল, আল্লাহর কসম! আমি খুবই অসুস্থবোধ করছি (তবে হাজ্জে যাবার ইচ্ছে আছে)। তার উত্তরে বললেন, তুমি হাজ্জের নিয়্যতে বেরিয়ে যাও এবং আল্লাহর কাছে এই শর্তারোপ করে বল, হে আল্লাহ্! যেখানেই আমি বাধাগ্রস্ত হব, সেখানেই আমি আমার ইহরাম শেষ করে হালাল হয়ে যাব। সে ছিল মিকদাদ ইবনু আসওয়াদের সহধর্মিণী। [মুসলিম ১৫/১৫, হাঃ ১২০৭, আহমাদ ২৫৩৬৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، قالت دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على ضباعة بنت الزبير فقال لها " لعلك اردت الحج ". قالت والله لا اجدني الا وجعة. فقال لها " حجي واشترطي، قولي اللهم محلي حيث حبستني ". وكانت تحت المقداد بن الاسود
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে মেয়েদেরকে বিয়ে করা হয়ঃ তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। সুতরাং তুমি দ্বীনদারীকেই প্রাধান্য দেবে নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। [1] [মুসলিম ১৭/১৫, হাঃ ১৪৬৬, আহমাদ ৯৫২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال حدثني سعيد بن ابي سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تنكح المراة لاربع لمالها ولحسبها وجمالها ولدينها، فاظفر بذات الدين تربت يداك
সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করছিল। তখন তিনি (সাহাবীবর্গকে) বললেন, তোমাদের এর সম্পর্কে কী ধারণা? তারা উত্তর দিলেন, ‘‘যদি কোথাও কোন মহিলার প্রতি এ লোকটি বিয়ের প্রস্তাব দেয়, তার সঙ্গে বিয়ে দেয়া যায়। যদি সে সুপারিশ করে, তাহলে সুপারিশ গ্রহণ করা হয়, যদি কথা বলে, তবে তা শোনা হয়। রাবী বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে থাকলেন। এরপর সেখান দিয়ে একজন গরীব মুসলিম অতিক্রম করতেই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, এ ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদের কী ধারণা? তারা জবাব দিলেন, যদি এ ব্যক্তি কোথাও বিয়ের প্রস্তাব করে, তার সাথে বিয়ে দেয়া হয় না। যদি কারও জন্য সুপারিশ করে, তবে তা গ্রহণ করা হয় না। যদি কোন কথা বলে, তবে তা শোনা হয় না। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দুনিয়া ভর্তি ঐ ধনীদের চেয়ে এ দরিদ্র লোকটি উত্তম। [৬৪৪৭](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابراهيم بن حمزة، حدثنا ابن ابي حازم، عن ابيه، عن سهل، قال مر رجل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما تقولون في هذا ". قالوا حري ان خطب ان ينكح، وان شفع ان يشفع، وان قال ان يستمع. قال ثم سكت فمر رجل من فقراء المسلمين فقال " ما تقولون في هذا ". قالوا حري ان خطب ان لا ينكح وان شفع ان لا يشفع، وان قال ان لا يستمع. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا خير من ملء الارض مثل هذا
ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছে ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেছেন যে, তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে ‘‘যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, ইয়াতীমদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না’’ (সূরা আন-নিসাঃ ৩) এ আয়াতের মর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হে ভাগ্নে! এ আয়াত ঐসব ইয়াতীম বালিকাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যারা কোন অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে আছে। আর অভিভাবক তার ধন-সম্পদ ও সৌন্দর্যের প্রতি আসক্ত; কিন্তু বিয়ের পর মাহর দিতে অনিচ্ছুক। এ রকম অভিভাবককে ঐ ইয়াতীম বালিকাদের বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করতে নিষেধ করা হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা ইনসাফের সঙ্গে পূর্ণ মাহর তাদেরকে দিয়ে দেয় এবং এদেরকে ছাড়া অন্যদের বিয়ে করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, পরবর্তীকালে লোকেরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ্ তা‘আলা এই আয়াত অবতীর্ণ করেন ‘‘আর লোকে তোমার নিকট নারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানতে চায়, বল, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের সম্বন্ধে ব্যবস্থা জানাচ্ছেন এবং ইয়াতীম নারী সম্পর্কে যাদের তোমরা (মাহর) প্রদানকর না, অথচ তোমরা তাদেরকে বিয়ে করতে চাও এবং অসহায় শিশুদের সম্বন্ধে ও ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায় বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শোনানো হয়, তাও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন। সেই হুকুমগুলো যা এ ইয়াতীম মেয়েদের সম্পর্কে যাদের হক তোমরা সঠিক মত আদায় কর না। যাদেরকে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করার কোন আগ্রহ তোমাদের নেই।’’ (সূরা আন-নিসা ১২৭) ইয়াতীম বালিকারা যখন সুন্দরী এবং ধনবতী হয়, তখন অভিভাবকগণ তার বংশমর্যাদা রক্ষা এবং বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করতঃ তারা এদের পূর্ণ মাহর আদায় না করা পর্যন্ত বিয়ে করতে পারে না। আর তারা যদি এদের ধন-সম্পদ এবং সৌন্দর্যের অভাবের কারণে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হতে আগ্রহী না হত, তাহলে তারা এদের ব্যতীত অন্য মহিলাদের বিয়ে করত। সুতরাং যখন তারা এদের মধ্যে স্বার্থ পেতো না তখন তাদের বাদ দিত। এ কারণে তাদেরকে স্বার্থের বেলায় পূর্ণ মাহর আদায় করা ব্যতীত বিয়ে করতে নিষেধ করা হয়। [২৪৯৪](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة، انه سال عايشة رضى الله عنها {وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى} قالت يا ابن اختي هذه اليتيمة تكون في حجر وليها فيرغب في جمالها ومالها، ويريد ان ينتقص صداقها، فنهوا عن نكاحهن الا ان يقسطوا في اكمال الصداق، وامروا بنكاح من سواهن، قالت واستفتى الناس رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك، فانزل الله {ويستفتونك في النساء} الى {وترغبون ان تنكحوهن} فانزل الله لهم ان اليتيمة اذا كانت ذات جمال ومال رغبوا في نكاحها ونسبها في اكمال الصداق، واذا كانت مرغوبة عنها في قلة المال والجمال تركوها واخذوا غيرها من النساء، قالت فكما يتركونها حين يرغبون عنها فليس لهم ان ينكحوها اذا رغبوا فيها الا ان يقسطوا لها ويعطوها حقها الاوفى في الصداق
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্ত্রী, বাড়িঘর এবং ঘোড়ায় অশুভ আছে। [২০৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابن شهاب، عن حمزة، وسالم، ابنى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الشوم في المراة والدار والفرس
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট লোকেরা অশুভ সম্পর্কে আলোচনা করলে তিনি বলেন, কোন কিছুর মধ্যে যদি অশুভ থাকে, তা হলোঃ বাড়ি-ঘর, স্ত্রীলোক এবং ঘোড়া। [২০৯৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن منهال، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا عمر بن محمد العسقلاني، عن ابيه، عن ابن عمر، قال ذكروا الشوم عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان كان الشوم في شىء ففي الدار والمراة والفرس
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি কোন কিছুর মধ্যে অশুভ থাকে, তা হচ্ছে, ঘোড়া, স্ত্রীলোক এবং বাসগৃহ। [২৮৫৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان كان في شىء ففي الفرس والمراة والمسكن
উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পুরুষের জন্য স্ত্রীজাতি অপেক্ষা অধিক ক্ষতিকর কোন ফিতনা আমি রেখে গেলাম না। [মুসলিম ২৬/হাঃ ২৭৪০, আহমাদ ২১৮০৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، عن سليمان التيمي، قال سمعت ابا عثمان النهدي، عن اسامة بن زيد رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما تركت بعدي فتنة اضر على الرجال من النساء
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘বারীরা’ থেকে তিনটি বিষয় জানা গেছে যে, যখন তাকে মুক্ত করা হয় তখন তাকে দু’টির একটি বেছে নেয়ার অধিকার (Option) দেয়া হয় (সে ক্রীতদাস স্বামীর সঙ্গে থাকবে কি থাকবেনা? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্রীতদাসের ওয়ালার[1] অধিকার মুক্তকারীর। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশ করে চুলার ওপরে ডেকচি দেখতে পেলেন। কিন্তু তাকে রুটি এবং বাড়ির তরকারী থেকে তরকারী দেয়া হল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, চুলার ওপরের ডেকচির তরকারী দেখতে পাচ্ছি না যে? উত্তর দেয়া হল, ডেকচিতে বারীরার জন্য দেয়া সদাকাহর গোশ্ত রয়েছে। আর আপনি তো সদাকাহর গোশ্ত খান না। তখন তিনি বললেন, এটা তার জন্য সদাকাহ আর আমাদের জন্য হাদিয়া। [৪৫৬; মুসলিম ২০/২, হাঃ ১৫০৪, আহমাদ ২৫৫০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن القاسم بن محمد، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان في بريرة ثلاث سنن عتقت فخيرت، وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الولاء لمن اعتق ". ودخل رسول الله صلى الله عليه وسلم وبرمة على النار، فقرب اليه خبز وادم من ادم البيت فقال " لم ار البرمة ". فقيل لحم تصدق على بريرة، وانت لا تاكل الصدقة قال " هو عليها صدقة، ولنا هدية
لِقَوْلِهِ تَعَالَى: (مَثْنَى وَثُلاَثَ وَرُبَاعَ). وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِ عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ يَعْنِي مَثْنَى أَوْ ثُلاَثَ أَوْ رُبَاعَ. وَقَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ: (أُولِي أَجْنِحَةٍ مَثْنَى وَثُلاَثَ وَرُبَاعَ) يَعْنِي مَثْنَى أَوْ ثُلاَثَ أَوْ رُبَاعَ. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা বিয়ে কর দু’জন, তিনজন অথবা চারজন।’’ (সূরাহ আন্-নিসা ৪/২) ‘আলী ইবনু হুসায়ন (রহ.) বলেনঃ এর অর্থ হচ্ছে দু’জন অথবা তিনজন অথবা চারজন। আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘(ফেরেশতাদের) দু’ অথবা তিন অথবা চারখানা পাখা আছে’’- (সূরাহ ফাতির ৩৫/১)- এর অর্থ দু’ দু’খানা, তিন তিনখানা এবং চার চারখানা। ৫০৯৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‘যদি তোমরা ভয় কর ইয়াতীমদের মধ্যে পূর্ণ ইনসাফ কায়িম করতে পারবে না’- (সূরাহ আন্-নিসা ৪/৩)- এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ আয়াত ঐ সমস্ত ইয়াতীম বালিকাদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যাদের অভিভাবক তাদের সম্পদের লোভে বিয়ে করে। কিন্তু তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এবং তাদের সম্পত্তিকে ইনসাফের সঙ্গে রক্ষণাবেক্ষণ করে না। তার জন্য সঠিক পন্থা এই যে, ঐ বালিকাদের ছাড়া মহিলাদের মধ্য থেকে তার ইচ্ছে অনুযায়ী দু’জন অথবা তিনজন অথবা চারজনকে বিয়ে করতে পারবে। [২৪৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد، اخبرنا عبدة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، {وان خفتم ان لا، تقسطوا في اليتامى}. قالت اليتيمة تكون عند الرجل وهو وليها، فيتزوجها على مالها، ويسيء صحبتها، ولا يعدل في مالها، فليتزوج ما طاب له من النساء سواها مثنى وثلاث ورباع
وَيَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعَةِ مَا يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ. রক্তের সম্পর্কের কারণে যাদের সঙ্গে বিয়ে হারাম, দুধের সম্পর্কের কারণেও তাদের সঙ্গে বিয়ে হারাম। ৫০৯৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে ছিলেন। এমন সময় শুনলেন এক ব্যক্তি হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি চাচ্ছেন। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! লোকটি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাচ্ছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বলেন, আমি জানি, সে ব্যক্তি হাফসার দুধের সম্পর্কে চাচা। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, যদি অমুক ব্যক্তি বেঁচে থাকত সে দুধ সম্পর্কে আমার চাচা হত (তাহলে কি আমি তার সঙ্গে দেখা করতে পারতাম)? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, হাঁ, রক্ত সম্পর্কের কারণে যাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ, দুধ সম্পর্কের কারণেও তাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ। [২৬৪৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، عن عمرة بنت عبد الرحمن، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرتها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عندها، وانها سمعت صوت رجل يستاذن في بيت حفصة، قالت فقلت يا رسول الله هذا رجل يستاذن في بيتك. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اراه فلانا ". لعم حفصة من الرضاعة. قالت عايشة لو كان فلان حيا، لعمها من الرضاعة دخل على فقال " نعم الرضاعة تحرم ما تحرم الولادة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল, আপনি কেন হামযাহ (রাঃ)-এর মেয়েকে বিয়ে করছেন না? তিনি বললেন, সে আমার দুধ সম্পর্কের ভাইয়ের মেয়ে। বিশর ..... জাবির বিন যায়দ থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। [২৬৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، عن قتادة، عن جابر بن زيد، عن ابن عباس، قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم الا تزوج ابنة حمزة قال " انها ابنة اخي من الرضاعة ". وقال بشر بن عمر حدثنا شعبة سمعت قتادة سمعت جابر بن زيد مثله
উম্মু হাবীবাহ বিনতে আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার বোন আবূ সুফিয়ানের কন্যাকে বিয়ে করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবললেন, তুমি কি এটা পছন্দ কর? তিনি উত্তর করলেন, হাঁ। এখন তো আমি আপনার একক স্ত্রী নই এবং আমি চাই যে, আমার বোনও আমার সঙ্গে উত্তম কাজে অংশীদার হোক। তখন নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামউত্তর দিলেন, এটা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমরা শুনতে পেলাম, আপনি নাকি আবূ সালামাহর মেয়েকে বিয়ে করতে চান। তিনি বললেন, তুমি বলতে চাচ্ছ যে, আমি উম্মু সালামাহর মেয়েকে বিয়ে করতে চাই। আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, যদি সে আমার প্রতিপালিতা কন্যা না হত, তাহলেও তাকে বিয়ে করা হালাল হত না। কেননা, সে দুধ সম্পর্কের দিক দিয়ে আমার ভাতিজী। কেননা, আমাকে এবং আবূ সালামাহ্কে সুওয়াইবা দুধ পান করিয়েছে। সুতরাং, তোমরা তোমাদের কন্যা ও বোনদেরকে বিয়ের জন্য পেশ করো না। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বর্ণনা করেন, সুওয়াইবা ছিল আবূ লাহাবের দাসী এবং সে তাকে আযাদ করে দিয়েছিল। এরপর রাসূলুল্লাহ্সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দুধ পান করায়। আবূ লাহাব যখন মারা গেল, তার একজন আত্মীয় তাকে স্বপ্নে দেখল যে, সে ভীষণ কষ্টের মধ্যে নিপতিত আছে। তাকে জিজ্ঞেস করল, তোমার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হয়েছে। আবূ লাহাব বলল, যখন থেকে তোমাদের হতে দূরে আছি, তখন থেকেই ভীষণ কষ্টে আছি। কিন্তু সুওয়াইবাকে আযাদ করার কারণে কিছু পানি পান করতে পারছি। [৫১০৬, ৫১০৭, ৫১২৩, ৫৩৭২; মুসলিম ১৭/৪, হাঃ ১৪৪৯, আহমাদ ২৭৪৮২](আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا الحكم بن نافع، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان زينب ابنة ابي سلمة، اخبرته ان ام حبيبة بنت ابي سفيان اخبرتها انها، قالت يا رسول الله انكح اختي بنت ابي سفيان فقال " اوتحبين ذلك ". فقلت نعم، لست لك بمخلية، واحب من شاركني في خير اختي. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان ذلك لا يحل لي ". قلت فانا نحدث انك تريد ان تنكح بنت ابي سلمة. قال " بنت ام سلمة ". قلت نعم. فقال " لو انها لم تكن ربيبتي في حجري ما حلت لي انها لابنة اخي من الرضاعة، ارضعتني وابا سلمة ثويبة فلا تعرضن على بناتكن ولا اخواتكن ". قال عروة وثويبة مولاة لابي لهب كان ابو لهب اعتقها فارضعت النبي صلى الله عليه وسلم فلما مات ابو لهب اريه بعض اهله بشر حيبة قال له ماذا لقيت قال ابو لهب لم الق بعدكم غير اني سقيت في هذه بعتاقتي ثويبة
لِقَوْلِهِ تَعَالَى: (حَوْلَيْنِ كَامِلَيْنِ لِمَنْ أَرَادَ أَنْ يُتِمَّ الرَّضَاعَةَ) এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,‘‘যে ব্যক্তি দুধপান কাল পূর্ণ করাতে ইচ্ছুক তার জন্য মায়েরা নিজেদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’ বৎসরকাল স্তন্য দান করবে।’’-(সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/২৩৩) وَمَا يُحَرِّمُ مِنْ قَلِيلِ الرَّضَاعِ وَكَثِيرِهِ কম-অধিক যে পরিমাণ দুধ পান করলে বৈবাহিক সম্পর্ক হারাম হয়। ৫১০২. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে এলেন। সে সময় এক লোক তার কাছে বসা ছিল। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারায় ক্রোধের ভাব প্রকাশ পেল, যেন তিনি এ ব্যাপারে অসন্তুষ্ট হয়েছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, এ আমার ভাই। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যাচাই করে দেখ, তোমাদের ভাই কারা? কেননা দুধের সম্পর্ক কেবল তখনই কার্যকরী হবে যখন দুধই হল শিশুর প্রধান খাদ্য।[1][২৬৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن الاشعث، عن ابيه، عن مسروق، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل، فكانه تغير وجهه، كانه كره ذلك فقالت انه اخي. فقال " انظرن ما اخوانكن، فانما الرضاعة من المجاعة