Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭৩ হাদিসসমূহ
সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, বিদায় হাজ্জের বছর আমি ভয়ানক রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কাছাকাঠি হই তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার রোগ কি পর্যায় পৌছেছে তা আপনি দেখতে পাচ্ছেন। আমি একজন সম্পদশালী। আমার ওয়ারিশ হচ্ছে একটি মাত্র কন্যা। আমি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ আল্লাহর রাস্তায় সাদকা করে দিব? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে কি অর্ধেক? তিনি বললেন, হে সা‘দ, এক তৃতীয়াংশ দান কর। এবং এক তৃতীয়াংশই অনেক বেশি। তুমি তোমার ছেলে-মেয়েদেরকে সম্পদশালী রেখে যাও তা-ই উত্তম, এর চেয়ে তুমি তাদেরকে নিঃস্ব রেখে গেলে যে তারা অন্যের নিকট ভিক্ষে করে। আহমাদ ইবনু ইউসুফ (রহ.).....ইব্রাহীম (রহ.) হতে এ কথাগুলোও বর্ণনা করেছেন। তুমি তোমার ওয়ারিশদের সম্পদশালী রেখে যাবে আর তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু ব্যয় করবে, আল্লাহ্ তার প্রতিদান তোমাকে দেবেন। তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমাটি তুলে দিবে এর প্রতিদানও আল্লাহ্ তোমাকে দেবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সাথী সঙ্গীদের হতে পশ্চাতে থাকব? তিনি বললেন, তুমি কক্ষনো পিছে পড়ে থাকবে না আর এ অবস্থায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে তুমি যে কোন নেক ‘আমল করবে তাহলে তোমার সম্মান ও মর্যাদা আরো বৃদ্ধি হবে। সম্ভবতঃ তুমি বয়স বেশি পাবে এবং এর ফলে তোমার দ্বারা অনেক মানুষ উপকৃত এবং অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ্! আমার সাহাবীদের হিজরাতকে অটুট রাখুন। তাদেরকে পশ্চাৎমুখী করে ফিরিয়ে নিবেন না। কিন্তু অভাবগ্রস্ত সা‘দ ইবনু খাওলাহর মক্কা্য় মৃত্যুর কারণে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেন। আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহ.) ও মূসা (রহ.) ইব্রাহীম সূত্রে বর্ণনা করেছেন, أَنْ تَذَرَ وَرَثَتَكَ তোমার ওয়ারিশদের রেখে যাওয়া....। (৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا ابراهيم، عن الزهري، عن عامر بن سعد بن مالك، عن ابيه، قال عادني النبي صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع من مرض اشفيت منه على الموت، فقلت يا رسول الله، بلغ بي من الوجع ما ترى، وانا ذو مال ولا يرثني الا ابنة لي واحدة، افاتصدق بثلثى مالي قال " لا ". قال فاتصدق بشطره قال " الثلث يا سعد، والثلث كثير، انك ان تذر ذريتك اغنياء خير من ان تذرهم عالة يتكففون الناس ". قال احمد بن يونس عن ابراهيم " ان تذر ذريتك، ولست بنافق نفقة تبتغي بها وجه الله الا اجرك الله بها، حتى اللقمة تجعلها في في امراتك ". قلت يا رسول الله، اخلف بعد اصحابي قال " انك لن تخلف فتعمل عملا تبتغي به وجه الله الا ازددت به درجة ورفعة، ولعلك تخلف حتى ينتفع بك اقوام، ويضر بك اخرون، اللهم امض لاصحابي هجرتهم، ولا تردهم على اعقابهم، لكن البايس سعد ابن خولة يرثي له رسول الله صلى الله عليه وسلم ان توفي بمكة ". وقال احمد بن يونس وموسى عن ابراهيم " ان تذر ورثتك
وَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ آخَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنِيْ وَبَيْنَ سَعْدِ بْنِ الرَّبِيْعِ لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِيْنَةَ وَقَالَ أَبُوْ جُحَيْفَةَ آخَى النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ سَلْمَانَ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ ‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) বলেন, আমরা যখন মদিনা এলাম তখন আমার ও সা‘দ ইবনু রাবী‘র মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দেন এবং আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) বলেন, সালমান ও আবূদ্ দারদা (রাঃ)-এর মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দিয়েছিলেন। ৩৯৩৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) যখন মদিনায় আসলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ও সা‘দ ইবনু রাবী‘ আনসারী (রাঃ)-এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন জুড়ে দিলেন। সা‘দ (রাঃ) তার সম্পদ ভাগ করে অর্ধেক সম্পদ এবং দু‘জন স্ত্রীর যে কোন একজন নিয়ে যাওয়ার জন্য ‘আবদুর রহমানকে অনুরোধ করলেন। তিনি উত্তরে বললেন, আল্লাহ্ আপনার পরিবারবর্গ ও ধন-সম্পদে বরকত দান করুন। আমাকে এখানকার বাজারের রাস্তাটি দেখিয়ে দিন। তিনি মুনাফা হিসেবে কিছু ঘি ও পনির লাভ করলেন। কিছুদিন পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তার দেখা হল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন তার গায়ে ও কাপড়ে হলুদ রং-এর চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, হে আবদুর রাহমান, ব্যাপার কি! তিনি বললেন, আমি একজন আনসারী মহিলাকে বিয়ে করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তাকে কী পরিমাণ মোহর দিয়েছ? তিনি বললেন, তাকে খেজুর বিচির পরিমাণ সোনা দিয়েছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, একটি বকরি দিয়ে হলেও ওয়ালীমাহ করে নাও। (২০৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن حميد، عن انس رضى الله عنه قال قدم عبد الرحمن بن عوف، فاخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع الانصاري، فعرض عليه ان يناصفه اهله وماله، فقال عبد الرحمن بارك الله لك في اهلك ومالك، دلني على السوق. فربح شييا من اقط وسمن، فراه النبي صلى الله عليه وسلم بعد ايام وعليه وضر من صفرة، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " مهيم يا عبد الرحمن ". قال يا رسول الله، تزوجت امراة من الانصار. قال " فما سقت فيها ". فقال وزن نواة من ذهب. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اولم ولو بشاة
আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদিনায় আসার খবর পৌঁছলে তিনি এসে তাঁকে কয়েকটি প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, আমি আপনাকে তিনটি প্রশ্ন করছি। এগুলোর ঠিক উত্তর নবী ছাড়া অন্য কেউ জানে না। (১) কিয়ামতের সর্বপ্রথম ‘আলামত কী? (২) জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাদ্য কী? (৩) কী কারণে সন্তান আকৃতিতে কখনও পিতার মত কখনো বা মায়ের মত হয়? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ বিষয়গুলি সম্পর্কে এই মাত্র জিব্রাঈল (আঃ) আমাকে জানিয়ে গেলেন। আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) একথা শুনে বললেন, তিনিই ফেরেশ্তাদের মধ্যে ইয়াহূদীদের দুশমন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (১) কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার সর্বপ্রথম আলামত লেলিহান অগ্নি যা মানুষকে পূর্বদিক হতে পশ্চিম দিকে ধাবিত করে নিয়ে যাবে এবং সবাইকে একত্র করবে। (২) সর্বপ্রথম খাদ্য যা জান্নাতবাসী খাবে তা হল মাছের কলিজার বাড়তি অংশ (৩) যদি নারীর আগে পুরুষের বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান পিতার মত হয় আর যদি পুরুষের আগে নারীর বীর্যপাত ঘটে তবে সন্তান মায়ের মত হয়। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ্ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই আপনি আল্লাহর রাসূল। হে আল্লাহর রাসূল, ইয়াহূদীগণ এমন একটি জাতি যারা অন্যের কুৎসা রটনায় খুব পটু। আমার ইসলাম গ্রহণ প্রকাশ হওয়ার পূর্বে আমার অবস্থা সম্পর্কে তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডাকলেন, তারা হাযির হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মাঝে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম কেমন লোক? তারা বলল, তিনি আমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি এবং সর্বোত্তম ব্যক্তির সন্তান। তিনি আমাদের সবচেয়ে মর্যাদাবান এবং সবচেয়ে মর্যাদাবান ব্যক্তির সন্তান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা বলত, যদি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু সালাম ইসলাম কবুল করে তাহলে কেমন হবে? তোমরা তখন কি করবে? তারা বলল, আল্লাহ্ তাকে একাজ হতে রক্ষা করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার এ কথাটি বললেন, তারাও আগের মত উত্তর দিল। তখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম বেরিয়ে আসলেন, এবং বললেন, أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُوْلُ اللهِ তা শুনে ইয়াহূদীগণ বলতে লাগল, সে আমাদের মধ্যে খারাপ লোক এবং খারাপ লোকের সন্তান। অতঃপর তারা তাকে তুচ্ছ করার উদ্দেশে আরো অনেক কথাবার্তা বলল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এটাই আশংকা করেছিলাম। (৩৩২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني حامد بن عمر، عن بشر بن المفضل، حدثنا حميد، حدثنا انس، ان عبد الله بن سلام، بلغه مقدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة، فاتاه يساله عن اشياء، فقال اني سايلك عن ثلاث لا يعلمهن الا نبي ما اول اشراط الساعة وما اول طعام ياكله اهل الجنة وما بال الولد ينزع الى ابيه او الى امه قال " اخبرني به جبريل انفا ". قال ابن سلام ذاك عدو اليهود من الملايكة. قال " اما اول اشراط الساعة فنار تحشرهم من المشرق الى المغرب، واما اول طعام ياكله اهل الجنة، فزيادة كبد الحوت، واما الولد، فاذا سبق ماء الرجل ماء المراة نزع الولد، واذا سبق ماء المراة ماء الرجل نزعت الولد ". قال اشهد ان لا اله الا الله وانك رسول الله. قال يا رسول الله، ان اليهود قوم بهت، فاسالهم عني قبل ان يعلموا باسلامي، فجاءت اليهود فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اى رجل عبد الله بن سلام فيكم ". قالوا خيرنا وابن خيرنا وافضلنا وابن افضلنا. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ارايتم ان اسلم عبد الله بن سلام ". قالوا اعاذه الله من ذلك. فاعاد عليهم، فقالوا مثل ذلك، فخرج اليهم عبد الله فقال اشهد ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله. قالوا شرنا وابن شرنا. وتنقصوه. قال هذا كنت اخاف يا رسول الله
‘আবদুর রাহমান ইবনু মুত্‘ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আল্লাহর শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেন নি। এরপর আমি বারা‘ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন তখন আমরা এ রকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইবনু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহ.) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন ‘‘...’’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (২০৬০, ২০৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع ابا المنهال عبد الرحمن بن مطعم، قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيية فقلت سبحان الله ايصلح هذا فقال سبحان الله، والله لقد بعتها في السوق فما عابه احد، فسالت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع، فقال " ما كان يدا بيد فليس به باس، وما كان نسيية فلا يصلح ". والق زيد بن ارقم فاساله فانه كان اعظمنا تجارة، فسالت زيد بن ارقم فقال مثله. وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع، وقال نسيية الى الموسم او الحج
‘আবদুর রাহমান ইবনু মুত্‘ঈম (রাঃ) বলেন, আমার ব্যবসায়ের একজন অংশীদার কিছু দিরহাম বাজারে নিয়ে বাকীতে বিক্রি করে। আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! এমন কেনাবেচা কি জায়িয? তিনিও বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আল্লাহর শপথ, আমি তা খোলা বাজারে বিক্রি করেছি তাতে কেউ ত আপত্তি করেন নি। এরপর আমি বারা‘ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন তখন আমরা এ রকম বাকীতে কেনাবেচা করতাম; তখন তিনি বললেন যদি নগদ হয় তবে তাতে কোন বাধা নেই। আর যদি ধারে হয় তবে জায়িয হবে না। তুমি যায়েদ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে জিজ্ঞেস করে নাও। কেননা তিনি আমাদের মধ্যে একজন বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এরপর আমি যায়দ ইবনু আরকামকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনিও এ রকমই বললেন। রাবী সুফইয়ান (রহ.) হাদীসটি কখনও এভাবে বর্ণনা করেন ‘‘...’’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আমাদের কাছে আসেন, তখন আমরা হাজ্জের মৌসুম পর্যন্ত মিয়াদে বাকীতে কেনাবেচা করতাম। (২০৬০, ২০৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع ابا المنهال عبد الرحمن بن مطعم، قال باع شريك لي دراهم في السوق نسيية فقلت سبحان الله ايصلح هذا فقال سبحان الله، والله لقد بعتها في السوق فما عابه احد، فسالت البراء بن عازب فقال قدم النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نتبايع هذا البيع، فقال " ما كان يدا بيد فليس به باس، وما كان نسيية فلا يصلح ". والق زيد بن ارقم فاساله فانه كان اعظمنا تجارة، فسالت زيد بن ارقم فقال مثله. وقال سفيان مرة فقال قدم علينا النبي صلى الله عليه وسلم المدينة ونحن نتبايع، وقال نسيية الى الموسم او الحج
هَادُوْا صَارُوْا يَهُوْدًا وَأَمَّا قَوْلُهُ هُدْنَا تُبْنَا هَائِدٌ تَائِبٌ هَادُوْا অর্থ ইয়াহূদী হয়ে গেছে। هُدْنَا অর্থ আমরা তাওবা করেছি। هَائِدٌ অর্থ তাওবাকারী। ৩৯৪১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যদি আমার উপর দশজন ইয়াহূদী ঈমান আনত তবে গোটা ইয়াহূদী সম্প্রদায়ই ঈমান আনত।* (মুসলিম ৫০/৩, হাঃ নং ২৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا قرة، عن محمد، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لو امن بي عشرة من اليهود لامن بي اليهود
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসলেন, তখন ইয়াহূদী সম্প্রদায়ের কিছু লোক আশুরার দিনকে খুব সম্মান করত এবং সেদিন তারা সাওম পালন করত। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইয়াহূদীদের চেয়ে ঐ দিন সাওম পালন করার আমরা বেশি হকদার। তারপর তিনি সবাইকে সাওম পালন করার নির্দেশ করলেন। (২০০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني احمد او محمد بن عبيد الله الغداني حدثنا حماد بن اسامة، اخبرنا ابو عميس، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن ابي موسى رضى الله عنه قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم المدينة واذا اناس من اليهود يعظمون عاشوراء ويصومونه فقال النبي صلى الله عليه وسلم " نحن احق بصومه ". فامر بصومه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনা্য় আসেন তখন দেখতে পেলেন ইয়াহূদীরা ‘আশুরা দিবসে সাওম পালন করে। তাদেরকে সাওম পালনের কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলল, এদিনই আল্লাহ্ তা‘আলা মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ফিরাউনের উপর বিজয় দিয়েছিলেন। তাই আমরা ঐ দিনের সম্মানে সাওম পালন করি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের চেয়ে আমরা মূসা (আঃ)-এর বেশি নিকটবর্তী। এরপর তিনি সাওম পালনের নির্দেশ দিলেন। (২০০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا زياد بن ايوب، حدثنا هشيم، حدثنا ابو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة وجد اليهود يصومون عاشوراء، فسيلوا عن ذلك، فقالوا هذا اليوم الذي اظفر الله فيه موسى وبني اسراييل على فرعون، ونحن نصومه تعظيما له، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نحن اولى بموسى منكم ". ثم امر بصومه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুলে সিঁথি না কেটে সোজা পিছনে দিতেন। আর মুশরিকরা তাদের চুলে সিঁথি কাটত। আহলে কিতাব সিঁথি কাটত না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর নিকট হতে কোন নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আহলে কিতাবের অনুকরণ পছন্দ করতেন। তারপর (ওয়াহী মুতাবেক) তাঁর মাথায় সিঁথি কাটলেন। (৩৫৫৮)(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، حدثنا عبد الله، عن يونس، عن الزهري، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يسدل شعره، وكان المشركون يفرقون رءوسهم، وكان اهل الكتاب يسدلون رءوسهم، وكان النبي صلى الله عليه وسلم يحب موافقة اهل الكتاب فيما لم يومر فيه بشىء، ثم فرق النبي صلى الله عليه وسلم راسه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এরাই তো সেই আহলে কিতাব যারা ভাগাভাগি করে ফেলেছে, কোন কোন বিষয়ের উপর ঈমান এনেছে আর কোন কোন বিষয়কে অস্বীকার করেছে। রাবী আল্লাহর এ বাণী বুঝাতে চেয়েছেন-‘‘যারা কুরআনকে খন্ড খন্ড করেছে’’ (সূরাহ আল-হিজরঃ ৯১) (৪৭০৫, ৪৭০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني زياد بن ايوب، حدثنا هشيم، اخبرنا ابو بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال هم اهل الكتاب، جزءوه اجزاء، فامنوا ببعضه وكفروا ببعضه. {يعني قول الله تعالى {الذين جعلوا القران عضين}
সালমান ফারসী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি দশ জনেরও অধিক মালিকের অধীনে হাত বদল হতে থাকেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني الحسن بن عمر بن شقيق، حدثنا معتمر، قال ابي وحدثنا ابو عثمان، عن سلمان الفارسي، انه تداوله بضعة عشر من رب الى رب
আবূ ‘‘উসমান (রহ.) বলেন, আমি সালমান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি; তিনি বলেন, আমি রাম হুরমুয এর বাসিন্দা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن عوف، عن ابي عثمان، قال سمعت سلمان رضى الله عنه يقول انا من، رام هرمز
সালমান ফারসী (রাঃ) বলেন, ‘ঈসা (আ.) এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মধ্যে ছয় শত বছরের পার্থক্য ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني الحسن بن مدرك، حدثنا يحيى بن حماد، اخبرنا ابو عوانة، عن عاصم الاحول، عن ابي عثمان، عن سلمان، قال فترة بين عيسى ومحمد صلى الله عليه وسلم ستماية سنة