Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭৩ হাদিসসমূহ
ইবনু ‘উমর (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাবধান! যদি তোমাদের কসম করতে হয় তাহলে আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো নামে কসম কারো না। লোকজন তাদের বাপ-দাদার নামে কসম করত। তিনি বললেন, সাবধান! বাপ-দাদার নামে কসম করো না। (২৬৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الا من كان حالفا فلا يحلف الا بالله ". فكانت قريش تحلف بابايها، فقال " لا تحلفوا بابايكم
‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুর রাহমান ইবনু কাসিম (রাঃ) তার কাছে বলেছেন যে, কাসিম জানাযা বহন করার সময় আগে আগে চলতেন। জানাযা দেখলে তিনি দাঁড়াতেন না* এবং তিনি বর্ণনা করেছেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলতেন, জাহিলী যুগে মুশরিকগণ জানাযা দেখলে দাঁড়াত এবং মৃত ব্যক্তির রূহকে লক্ষ্য করে বলত, তুমি তোমার আপন জনদের সাথেই আছ যেমন তোমার জীবদ্দশায় ছিলে। এ কথাটি তারা দু’বার বলত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن سليمان، قال حدثني ابن وهب، قال اخبرني عمرو، ان عبد الرحمن بن القاسم، حدثه ان القاسم كان يمشي بين يدى الجنازة ولا يقوم لها، ويخبر عن عايشة قالت كان اهل الجاهلية يقومون لها، يقولون اذا راوها كنت في اهلك ما انت. مرتين
‘আমর ইবনু মায়মূন (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, মুশরিকগণ সাবীর পাহাড়ের উপর সূর্যের কিরণ না পড়া পর্যন্ত মুয্দালাফা হতে রওয়ানা হত না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য উঠার আগে রাওয়ানা হয়ে তাদের প্রথার খেলাফ করেন। (১৬৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، قال قال عمر رضى الله عنه ان المشركين كانوا لا يفيضون من جمع حتى تشرق الشمس على ثبير، فخالفهم النبي صلى الله عليه وسلم فافاض قبل ان تطلع الشمس
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার পিতা ‘আব্বাস (রাঃ)-কে ইসলামের পূর্ব যুগে বলতে শুনেছি, আমাদেরকে পাত্র ভর্তি শরাব একের পর এক পান করাও। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৫৯ শেষাংশ)
حدثني اسحاق بن ابراهيم، قال قلت لابي اسامة حدثكم يحيى بن المهلب، حدثنا حصين، عن عكرمة، {وكاسا دهاقا} قال ملاى متتابعة
قال وقال ابن عباس سمعت ابي يقول، في الجاهلية اسقنا كاسا دهاقا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সবচেয়ে সঠিক বাক্য যা কোন কবি বলেছেন তা হল লাবীদ এর এ পংক্তিটি- সাবধান, আল্লাহ্ ছাড়া সব জিনিসই বাতিল ও অসার। এবং কবি উমাইয়্যা ইবনু আবূ সাল্ত ইসলাম গ্রহণের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। (৬১৪৭, ৬৪৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن عبد الملك، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اصدق كلمة قالها الشاعر كلمة لبيد الا كل شىء ما خلا الله باطل وكاد امية بن ابي الصلت ان يسلم
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ)-এর একজন ক্রীতদাস ছিল। সে প্রতিদিন তার উপর ধার্য কর আদায় করত। আর আবূ বাকর (রাঃ) তার দেওয়া কর হতে আহার করতেন। একদিন সে কিছু খাবার জিনিস এনে দিল। তা হতে তিনি আহার করলেন। তারপর গোলাম বলল, আপনি জানেন কি ওটা কিভাবে উপার্জিত করা হয়েছে যা আপনি খেয়েছেন? তিনি বললেন, বলত কিভাবে? গোলাম উত্তরে বলল, আমি জাহিলী যুগে এক ব্যক্তির ভবিষ্যৎ গণনা করে দিয়েছিলাম। কিন্তু ভবিষ্যৎ গণনা করা আমার ভালভাবে জানা ছিল না। তথাপি প্রতারণা করে তা করেছিলাম। আমার সাথে তার দেখা হলে গণনার বিনিময়ে এ দব্যাদি সে আমাকে হাদীয়া দিল যা হতে আপনি আহার করলেন। আবূ বাকর (রাঃ) এটা শুনামাত্র মুখের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিলেন এবং পেটের ভিতর যা কিছু ছিল সবই বমি করে দিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، حدثني اخي، عن سليمان، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم بن محمد، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان لابي بكر غلام يخرج له الخراج، وكان ابو بكر ياكل من خراجه، فجاء يوما بشىء فاكل منه ابو بكر فقال له الغلام تدري ما هذا فقال ابو بكر وما هو قال كنت تكهنت لانسان في الجاهلية وما احسن الكهانة، الا اني خدعته، فلقيني فاعطاني بذلك، فهذا الذي اكلت منه. فادخل ابو بكر يده فقاء كل شىء في بطنه
ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসলামের পূর্ব যুগে মানুষ ‘হাবালুল হাবালা’ রূপে উটের গোশ্ত ক্রয়-বিক্রয় করত। রাবী বলেন, হাবালুল হাবালার অর্থ হল- তারা উট কেনা বেচা করত এই শর্তে যে, কোন নির্দিষ্ট গর্ভবতী উটনী বাচ্চা প্রসব করলে পর ঐ প্রসব করা বাচ্চা যখন গর্ভবতী হবে তখন উটের দাম পরিশোধ করা হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে এরূপ কেনা বেচা করতে নিষেধ করে দিলেন। (২১৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، اخبرني نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كان اهل الجاهلية يتبايعون لحوم الجزور الى حبل الحبلة، قال وحبل الحبلة ان تنتج الناقة ما في بطنها، ثم تحمل التي نتجت، فنهاهم النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك
গায়লান ইবনু জারীর (রহ.) হতে বর্ণিত, আমরা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর কাছে গেলে তিনি আমাদের কাছে আনসারদের ঘটনা বর্ণনা করতেন। রাবী বলেন, আমাকে লক্ষ্য করে তিনি বলতেন, তোমার জাতি অমুক অমুক দিন অমুক অমুক কাজ করেছে, অমুক অমুক দিন অমুক অমুক কাজ করেছে। (৩৭৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا مهدي، قال غيلان بن جرير كنا ناتي انس بن مالك فيحدثنا عن الانصار،، وكان، يقول لي فعل قومك كذا وكذا يوم كذا وكذا، وفعل قومك كذا وكذا يوم كذا وكذا
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সর্বপ্রথম কাসামাহ হত্যাকারী গোত্রের লোকের (শপথ গ্রহণ) জাহিলী যুগে অনুষ্ঠিত হয় আমাদের হাশেম গোত্রে। কুরাইশের কোন একটি শাখা গোত্রের একজন লোক বনু হাশিমের একজন মানুষকে মজুর হিসাবে নিয়োগ করল। ঐ মজুর তার সাথে উটগুলির নিকট গমন করল। ঘটনাক্রমে বনু হাশিমের অপর এক ব্যক্তি তাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। তাদের নিকটবর্তী হওয়ার পর খাদ্যপূর্ণ বস্তার বাঁধন ছিড়ে গেল। তখন সে মজুর ব্যক্তিটিকে বলল, আমাকে একটি রশি দিয়ে সাহায্য কর, যেন আমার বস্তার মুখ বাঁধতে পারি এবং উটটিও যেন পালিয়ে যেতে না পারে। মজুর তাকে একটি রশি দিল। ঐ ব্যক্তি তার বস্তার মুখ বেঁধে নিল। যখন তারা অবতরণ করল তখন একটি ছাড়া সকল উট বেঁধে রাখা হল। মজুর নিয়োগকারী মজুরকে জিজ্ঞেস করল, সকল উট বাঁধা হল কিন্তু এ উটটি বাঁধা হল না কেন? মজুর উত্তরে বলল, এ উটটি বাঁধার কোন রশি নেই। তখন সে বলল, এই উটটির রশি কোথায়? রাবী বলেন, এ কথা শুনে মালিক মজুরকে লাঠি দিয়ে এমনভাবে আঘাত করল যে শেষ পর্যন্ত এ আঘাতেই তার মৃত্যু হল। আহত মজুরটি যখন মুমূর্ষু অবস্থায় মৃত্যুর প্রহর গুণছিল, তখন ইয়ামানের একজন লোক তার নিকট দিয়ে যাচ্ছিল। আহত মজুর তাকে জিজ্ঞেস করল, আপনি কি এবার হাজ্জে যাবেন? সে বলল, না, তবে অনেকবার গিয়েছি। আহত মজুরটি বলল, আপনি কি আমার সংবাদটি আপনার জীবনে যে কোন সময় পৌঁছে দিতে পারেন? ইয়ামানী লোকটি উত্তরে বলল, হাঁ তা পারব। তারপর মজুরটি বলল, আপনি যখন হজ্জ উপলক্ষে মক্কা্য় উপস্থিত হবেন তখন হে কুরাইশের লোকজন বলে ঘোষণা দিবেন। যখন তারা আপনার ডাকে সাড়া দিবে, তখন আপনি বনু হাশিম গোত্রকে ডাক দিবেন, যদি তারা আপনার ডাকে সাড়া দেয়, তবে আপনি তাদেরকে আবূ তালিব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন এবং তাকে পেলে জানিয়ে দিবেন যে, অমুক ব্যক্তি একটি রশির কারণে আমাকে হত্যা করেছে। কিছুক্ষণ পর আহত মজুরটির মৃত্যু হল। মজুর নিয়োগকারী যখন মক্কা্য় ফিরে এল তখন আবূ তালিব তার নিকট গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন আমাদের ভাইটি কোথায়? তার কী হয়েছে? এখনও ফিরছে না কেন? সে বলল, আপনার ভাই হঠাৎ ভীষণ রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত মারা গেছে। আমি যথাসাধ্য সেবা শুশ্রূষা করেছি। মারা যাওয়ার পর আমি তাকে যথারীতি সমাহিত করেছি। আবূ তালিব বললেন, তুমি এরূপ করবে আমরা এ আশাই পোষণ করি। এভাবে কিছুদিন কেটে গেল। তারপর ঐ ইয়ামানী ব্যক্তি যাকে সংবাদ পৌঁছে দেয়ার জন্য মজুর ব্যক্তিটি অসিয়াত করেছিল, হজ্জব্রত পালনে মক্কায় উপস্থিত হল এবং ‘হে কুরাইশগণ’ বলে ডাক দিল। তখন তাকে বলা হল, এই যে, কুরাইশ। সে আবার বলল, হে বনু হাশিম, বলা হল; এই যে, বনু হাশিম। সে জিজ্ঞেস করল, আবূ তালিব কোথায়? লোকজন আবূ তালিবকে দেখিয়ে দিল। তখন ইয়ামানী লোকটি বলল, আপনাদের অমুক ব্যক্তি আপনার নিকট এ সংবাদটি পৌঁছে দেয়ার জন্য আমাকে অসিয়াত করেছিল যে অমুক ব্যক্তি মাত্র একটি রশির কারণে তাকে হত্যা করেছে। এ কথা শুনে আবূ তালিব মজুর নিয়োগকারী ব্যক্তির নিকট গমন করে বলল; (তুমি আমাদের ভাইকে হত্যা করেছ) কাজেই আমাদের তিনটি প্রস্তাবের যে কোন একটি তোমাকে মেনে নিতে হবে। তুমি হয়ত হত্যার বিনিময়ে একশ’ উট দিবে অথবা তোমার গোত্রের বিশ্বাসযোগ্য পঞ্চাশ জন লোক হলফ করে বলবে যে তুমি তাকে হত্যা করনি। যদি তুমি এও করতে অস্বীকার কর তবে আমরা তোমাকে হত্যার বিনিময়ে হত্যা করব। তখন হত্যাকারী ব্যক্তিটি নিজ গোত্রীয় লোকদের নিকট গমন করে ঘটনা বর্ণনা করল। ঘটনা শুনে তারা বলল, আমরা হলফ করে বলব। তখন বনু হাশিম গোত্রের এক মহিলা যার বিবাহ হত্যাকারীর গোত্রে হয়েছিল এবং তার একটি সন্তানও হয়েছিল, আবূ তালিবের নিকট এসে বলল, হে আবূ তালিব, আমি এ আশা নিয়ে এসেছি যে, আপনি পঞ্চাশ জন হলফকারী হতে আমার এ সন্তানটিকে রেহাই দিবেন এবং ঐ স্থানে তার হলফ নিবেন না যে স্থানে হলফ নেয়া হয়। আবূ তালিব তার আবদারটি মনজুর করলেন। তারপর হত্যাকারীর গোত্রের এক পুরুষ আবূ তালিবের নিকট এসে বলল, হে আবূ তালিব, আপনি একশ’ উটের পরিবর্তে পঞ্চাশ জনের হলফ নিতে চাচ্ছেন, এ হিসাব অনুযায়ী প্রতিটি হলফকারীর উপর দু’টি উট পড়ে। আমার দু’টি উট গ্রহণ করুন এবং যেখানে হলফ করার জন্য দাঁড় করানো হয় সেখানে দাঁড় করানো হতে আমাকে অব্যাহতি দেন। অপর আট চল্লিশজন এসে যথাস্থানে হলফ করল। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, হলফ করার পর একটি বছর অতিবাহিত হওয়ার পূর্বেই ঐ আটচল্লিশ জনের একজনও বেঁচে ছিল না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان يوم بعاث يوما قدمه الله لرسوله صلى الله عليه وسلم، فقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد افترق ملوهم، وقتلت سرواتهم وجرحوا، قدمه الله لرسوله صلى الله عليه وسلم في دخولهم في الاسلام
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বু‘আস যুদ্ধ এমন একটি যুদ্ধ ছিল যা আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুকূলে হিজরাতের পূর্বেই সংঘটিত করেছিলেন। এ যুদ্ধের কারণে তারা বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত হয়েছিল এবং এদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ এই যুদ্ধে নিহত ও আহত হয়েছিল। আল্লাহ্ তা‘আলা এ যুদ্ধ ঘটিয়ে ছিলেন এ কারণে যেন তারা ইসলাম গ্রহণ করে নেয়। (৩৭৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬০ প্রথমাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৬৫ প্রথমাংশ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, সাফা ও মারওয়ার মধ্যে অবস্থিত বাতনে ওয়াদী নামক স্থানে সাঈ (দৌড়ান) করা সুন্নাত নয়। জাহিলী যুগের লোকেরাই কেবল সেখানে সাঈ করত এবং বলত, আমরা বাতহা নামক জায়গাটি তাড়াতাড়ি দৌড়ে পার হব। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬০ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৬৫ শেষাংশ)
وقال ابن وهب اخبرنا عمرو، عن بكير بن الاشج، ان كريبا، مولى ابن عباس حدثه ان ابن عباس رضى الله عنهما قال ليس السعى ببطن الوادي بين الصفا والمروة سنة، انما كان اهل الجاهلية يسعونها ويقولون لا نجيز البطحاء الا شدا
আবুস্ সাফার (রহ.) বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে এ কথা বলতে শুনেছি, হে লোকেরা! আমি যা বলছি তা মনোযোগ দিয়ে শোন এবং তোমরা যা বলতে চাও তাও আমাকে শুনাও এবং এমন যেন না হয় যে তোমরা এখান হতে চলে গিয়ে বলবে ইবনু ‘আব্বাস এমন বলেছেন। যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহ শরীফের তাওয়াফ করতে ইচ্ছা করে সে যেন হিজর এর বাহির হতে তাওয়াফ করে এবং এ জায়গাকে হাতীম বলবে না কারণ, জাহিলী যুগে কোন লোক এ জায়গাটিতে তার চাবুক, জুতা, তীর ধনু ইত্যাদি নিক্ষেপ করে হলফ করত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد الجعفي، حدثنا سفيان، اخبرنا مطرف، سمعت ابا السفر، يقول سمعت ابن عباس رضى الله عنهما يقول يا ايها الناس، اسمعوا مني ما اقول لكم، واسمعوني ما تقولون، ولا تذهبوا فتقولوا قال ابن عباس، قال ابن عباس من طاف بالبيت فليطف من وراء الحجر، ولا تقولوا الحطيم، فان الرجل في الجاهلية كان يحلف فيلقي سوطه او نعله او قوسه
‘আমর ইবনু মাইমূন (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জাহিলীয়্যাতের যুগে দেখেছি, একটি বানরী ব্যাভিচার করার কারণে অনেকগুলো বানর একত্র হয়ে প্রস্তর নিক্ষেপে তাকে হত্যা করল। আমিও তাদের সাথে প্রস্তর নিক্ষেপ করলাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا نعيم بن حماد، حدثنا هشيم، عن حصين، عن عمرو بن ميمون، قال رايت في الجاهلية قردة اجتمع عليها قردة قد زنت، فرجموها فرجمتها معهم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, জাহিলী যুগের কাজের মধ্যে একটি হলঃ কারো বংশ-কুল নিয়ে খুঁটা দেয়া, কারো মৃত্যুতে বিলাপ করা। তৃতীয়টি (রাবী ‘উবাইদুল্লাহ) ভুলে গেছেন। তবে সুফিয়ান (রহ.) বলেন, তৃতীয় কাজটি হল, তারকার সাহায্যে বৃষ্টি চাওয়া। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن عبيد الله، سمع ابن عباس رضى الله عنهما قال خلال من خلال الجاهلية الطعن في الانساب والنياحة، ونسي الثالثة، قال سفيان ويقولون انها الاستسقاء بالانواء
مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ المُطَّلِبِ بْنِ هَاشِمِ بْنِ عَبْدِ مَنَافِ بْنِ قُصَيِّ بْنِ كِلَابِ بْنِ مُرَّةَ بْنِ كَعبِ بْنِ لؤَيِّ بْنِ غالِبِ بْنِ فِهْرِ بْنِ مَالِكِ بْنِ النَّضْرِ بْنِ كِنَانَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ مُدْرِكَةَ بْنِ إِلْيَاسَ بْنِ مُضَرَ بْنِ نِزَارِ بْنِ مَعَدِّ بْنِ عَدْنَانَ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনু ‘আবদুল্লাহ্, ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব ইবনু হাশিম ইবনু আবদ মানাফ ইবনু কুসাঈ ইবনু কিলাব ইবনু মুর্রা ইবনু কা‘ব ইবনু লুআই ইবনু গালিব ইবনু ফিহর ইবনু মালিক ইবনু নাযর ইবনু কিনানাহ ইবনু খুযাইমাহ ইবনু মুদরিকাহ ইবনু ইলিয়াস ইবনু মুযার ইবনু নাযার ইবনু মা‘দ্দ ইবনু ‘আদনান। ৩৮৫১. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর যখন (ওয়াহী) নাযিল করা হয় তখন তাঁর বয়স ছিল চল্লিশ বছর। অতঃপর তিনি মক্কা্য় তের বছর অবস্থান করেন। অতঃপর তাঁকে হিজরাত করার আদেশ দেয়া হয়। তিনি হিজরাত করে মদিনা্য় চলে গেলেন এবং সেখানে দশ বছর অবস্থান করলেন, তারপর তাঁর মৃত্যু হয় সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। (৩৯০২, ৩৯০৩, ৪৪৬৫, ৪৯৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن ابي رجاء، حدثنا النضر، عن هشام، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال انزل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو ابن اربعين، فمكث ثلاث عشرة سنة، ثم امر بالهجرة، فهاجر الى المدينة، فمكث بها عشر سنين، ثم توفي صلى الله عليه وسلم
খাব্বাব (রাঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকট হাযির হলাম। তখন তিনি তাঁর নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে কা‘বা গৃহের ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণ করছিলেন। আমরা মুশরিকদের পক্ষ হতে কঠিন নির্যাতন ভোগ করছিলাম। তাই আমি বললাম, আপনি কি আল্লাহর কাছে দু‘আ করবেন না? তখন তিনি উঠে বসলেন এবং তাঁর চেহারা লাল হয়ে গেল। তিনি বললেন, তোমাদের পূর্বের ঈমানদারদের মধ্যে কারো কারো শরীরের হাড় পর্যন্ত তামাম গোশত ও শিরা উপশিরাগুলি লোহার চিরুণী দিয়ে আঁচড়ে বের করে ফেলা হত। কিন্তু এসব নির্যাতনও তাদেরকে দ্বীন হতে বিমুখ করতে পারত না। তাঁদের মধ্যে কারো মাথার মাঝখানে করাত রেখে তাকে দ্বিখন্ডিত করে ফেলা হত। কিন্তু এ নির্যাতনও তাঁদেরকে তাঁদের দ্বীন হতে ফিরাতে পারত না। আল্লাহর কসম, আল্লাহ্ তা‘আলা অবশ্যই দ্বীনকে পরিপূর্ণ করবেন, ফলে একজন উষ্ট্রারোহী সান‘আ হতে হাযারা মাউত পর্যন্ত একাই সফর করবে। আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কাউকে সে ভয় করবে না। রাবী (রহ.) আরো বেশি বর্ণনা করেন- এবং তার মেষ পালের উপর নেকড়ে বাঘের আক্রমণ ছাড়া অন্য কোন ভয় সে করবে না। (৩৬১২)(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا بيان، واسماعيل، قالا سمعنا قيسا، يقول سمعت خبابا، يقول اتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو متوسد بردة، وهو في ظل الكعبة، وقد لقينا من المشركين شدة فقلت الا تدعو الله فقعد وهو محمر وجهه فقال " لقد كان من قبلكم ليمشط بمشاط الحديد ما دون عظامه من لحم او عصب ما يصرفه ذلك عن دينه، ويوضع المنشار على مفرق راسه، فيشق باثنين، ما يصرفه ذلك عن دينه، وليتمن الله هذا الامر حتى يسير الراكب من صنعاء الى حضرموت ما يخاف الا الله ". زاد بيان والذيب على غنمه
‘আবদুল্লাহ [ইবনু মাসউদ (রাঃ)] হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূরা আন-নাজ্ম তিলাওয়াত করে সিজদা করলেন। তখন এক ব্যক্তি ছাড়া সকলেই সাজ্দাহ করলেন। ঐ ব্যক্তিকে আমি দেখলাম, সে এক মুষ্ঠি কাঁকর তুলে নিয়ে তার উপর সাজ্দাহ করল এবং সে বলল, আমার জন্য এমন সাজ্দাহ করাই যথেষ্ট। [‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন] পরবর্তী সময়ে আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি। (১০৬৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن الاسود، عن عبد الله رضى الله عنه قال قرا النبي صلى الله عليه وسلم النجم، فسجد فما بقي احد الا سجد، الا رجل رايته اخذ كفا من حصا فرفعه فسجد عليه وقال هذا يكفيني. فلقد رايته بعد قتل كافرا بالله
আবদুল্লাহ (ইবনু মাস‘উদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিজদা করলেন। তাঁর আশেপাশে কয়েকজন কুরাইশ লোক বসেছিল। এমন সময় উক্বা ইবনু আবূ মুয়াইত উটের নাড়িভুঁড়ি নিয়ে উপস্থিত হল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিঠের উপর চাপিয়ে দিল। ফলে তিনি তাঁর মাথা উঠাতে পারলেন না। ফাতিমাহ (রাঃ) এসে তাঁর পিঠের উপর হতে তা হটিয়ে দিলেন এবং যে এ কাজটি করেছে তার জন্য বদ দু’আ করলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আল্লাহ্! পাকড়াও কর কুরাইশ নেতৃবৃন্দকে- আবূ জাহাল ইবনু হিশাম, ‘উৎবা ইবনু রাবি‘য়াহ, শায়বাহ ইবনু রাবি‘য়াহ, উমাইয়াহ ইবনু খালফ অথবা উবাই ইবনু খালাফ। উমাইয়াহ ইবনু খালফ না উবাই ইবনু খালফ এ বিষয়ে শু‘বা রাবী সন্দেহ করেন। (ইবনু মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমি এদের সবাইকে বাদ্র যুদ্ধে নিহত অবস্থায় দেখেছি। উমাইয়া অথবা উবাই ছাড়া তাদের সকলকে সে দিন একটি কূপে ফেলা হয়েছিল। তার জোড়গুলি এমনভাবে ছিন্নভিন্ন হয়েছিল যে তাকে কূপে ফেলা যায়নি। (২৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله رضى الله عنه قال بينا النبي صلى الله عليه وسلم ساجد وحوله ناس من قريش جاء عقبة بن ابي معيط بسلى جزور، فقذفه على ظهر النبي صلى الله عليه وسلم، فلم يرفع راسه فجاءت فاطمة عليها السلام فاخذته من ظهره، ودعت على من صنع فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم عليك الملا من قريش ابا جهل بن هشام، وعتبة بن ربيعة، وشيبة بن ربيعة، وامية بن خلف او ابى بن خلف ". شعبة الشاك فرايتهم قتلوا يوم بدر، فالقوا في بير غير امية او ابى تقطعت اوصاله، فلم يلق في البير
সা‘ঈদ ইবনু জুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আবদুর রাহমান ইবনু আবযা (রাঃ) একদিন আমাকে আদেশ করলেন যে, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে এ আয়াত দু’টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস কর, এর অর্থ কী? আয়াতটি হল এই ‘‘আল্লাহ্ যার হত্যা নিষিদ্ধ করেছেন, যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করবে না।’’ (আল-ফুরকানঃ ৬৮) এবং ‘‘যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু‘মিনকে হত্যা করে।’’ (আন-নিসাঃ ৯৩) আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম তখন তিনি বললেন, যখন সূরা আল-ফুরকানের আয়াতটি নাযিল করা হল তখন মক্কার মুশ্রিকরা বলল, আমরা তো মানুষকে হত্যা করেছি যা আল্লাহ্ হারাম করেছেন এবং আল্লাহর সাথে অন্যকে মা‘বুদ হিসেবে শরীক করেছি। আরো নানা রকম অশ্লীল কাজ কর্ম করেছি। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা নাযিল করলেন, ‘‘কিন্তু যারা তওবা করেছে এবং ঈমান এনেছে.....’’ (আল-ফুরকানঃ ৭০) সুতরাং এ আয়াতটি তাদের জন্য প্রযোজ্য। আর সূরা নিসার যে আয়াতটি রয়েছে তা ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ইসলাম ও তার বিধি-বিধানকে জেনে বুঝে কবূল করার পর কাউকে (ইচ্ছাকৃত) হত্যা করেছে। তখন তার শাস্তি জাহান্নাম। তারপর মুজাহিদ (রহ.) কে আমি এ বিষয় জানালাম। তিনি বললেন, তবে যদি কেউ অনুশোচনা করে....। (৪৫৯০, ৪৭৬২, ৪৭৬৩, ৪৭৬৪, ৪৭৬৫, ৪৭৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، حدثني سعيد بن جبير، او قال حدثني الحكم، عن سعيد بن جبير، قال امرني عبد الرحمن بن ابزى قال سل ابن عباس عن هاتين الايتين، ما امرهما {ولا تقتلوا النفس التي حرم الله } {ومن يقتل مومنا متعمدا} فسالت ابن عباس فقال لما انزلت التي في الفرقان قال مشركو اهل مكة فقد قتلنا النفس التي حرم الله، ودعونا مع الله الها اخر، وقد اتينا الفواحش. فانزل الله {الا من تاب وامن} الاية فهذه لاوليك واما التي في النساء الرجل اذا عرف الاسلام وشرايعه، ثم قتل فجزاوه جهنم. فذكرته لمجاهد فقال الا من ندم
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا قطن ابو الهيثم، حدثنا ابو يزيد المدني، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال ان اول قسامة كانت في الجاهلية لفينا بني هاشم، كان رجل من بني هاشم استاجره رجل من قريش من فخذ اخرى، فانطلق معه في ابله، فمر رجل به من بني هاشم قد انقطعت عروة جوالقه فقال اغثني بعقال اشد به عروة جوالقي، لا تنفر الابل. فاعطاه عقالا، فشد به عروة جوالقه، فلما نزلوا عقلت الابل الا بعيرا واحدا، فقال الذي استاجره ما شان هذا البعير لم يعقل من بين الابل قال ليس له عقال. قال فاين عقاله قال فحذفه بعصا كان فيها اجله، فمر به رجل من اهل اليمن، فقال اتشهد الموسم قال ما اشهد، وربما شهدته. قال هل انت مبلغ عني رسالة مرة من الدهر قال نعم. قال فكنت اذا انت شهدت الموسم فناد يا ال قريش. فاذا اجابوك، فناد يا ال بني هاشم. فان اجابوك فسل عن ابي طالب، فاخبره ان فلانا قتلني في عقال، ومات المستاجر، فلما قدم الذي استاجره اتاه ابو طالب فقال ما فعل صاحبنا قال مرض، فاحسنت القيام عليه، فوليت دفنه. قال قد كان اهل ذاك منك. فمكث حينا، ثم ان الرجل الذي اوصى اليه ان يبلغ عنه وافى الموسم فقال يا ال قريش. قالوا هذه قريش. قال يا ال بني هاشم. قالوا هذه بنو هاشم. قال اين ابو طالب قالوا هذا ابو طالب. قال امرني فلان ان ابلغك رسالة ان فلانا قتله في عقال. فاتاه ابو طالب فقال له اختر منا احدى ثلاث، ان شيت ان تودي ماية من الابل، فانك قتلت صاحبنا، وان شيت حلف خمسون من قومك انك لم تقتله، فان ابيت قتلناك به فاتى قومه، فقالوا نحلف. فاتته امراة من بني هاشم كانت تحت رجل منهم قد ولدت له. فقالت يا ابا طالب احب ان تجيز ابني هذا برجل من الخمسين ولا تصبر يمينه حيث تصبر الايمان. ففعل فاتاه رجل منهم فقال يا ابا طالب، اردت خمسين رجلا ان يحلفوا مكان ماية من الابل، يصيب كل رجل بعيران، هذان بعيران فاقبلهما عني ولا تصبر يميني حيث تصبر الايمان. فقبلهما، وجاء ثمانية واربعون فحلفوا. قال ابن عباس فوالذي نفسي بيده، ما حال الحول ومن الثمانية واربعين عين تطرف