Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৬০ হাদিসসমূহ
ওয়ায়িলাহ ইবনু আসকা‘ (রাঃ) বলেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন লোকের এমন লোককে পিতা বলে দাবি করা যে তার পিতা নয় এবং প্রকৃতই যা দেখেনি তা দেখার দাবি করা এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেননি তা তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করা নিঃসন্দেহে বড় মিথ্যা। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عياش، حدثنا حريز، قال حدثني عبد الواحد بن عبد الله النصري، قال سمعت واثلة بن الاسقع، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان من اعظم الفرى ان يدعي الرجل الى غير ابيه، او يري عينه ما لم تر، او يقول على رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لم يقل
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ‘আবদুল কায়স গোত্রের এক প্রতিনিধি দল আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে হাজির হয়ে আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! এ গোত্রটি রাবী‘আহ বংশের। আমাদের এবং আপনার মধ্যে মুযার গোত্রের কাফিররা বাধা সৃষ্টি করে রেখেছে। আমরা সম্মানিত চার মাস ছাড়া অন্য সময় আপনার নিকট হাযির হতে পারি না। খুবই ভাল হতো যদি আপনি আমাদেরকে এমন কিছু আদেশ দিয়ে দিতেন যা আপনার নিকট হতে গ্রহণ করে আমাদের পিছনে অবস্থিত লোকদের পৌঁছে দিতাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি কাজের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি কাজের নিষেধাজ্ঞা প্রদান করছি। (এক) আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ নেই, (দুই) সালাত কায়িম করা, (তিন) যাকাত আদায় করা, (চার) গনীমতের যে মাল তোমরা লাভ কর তার পঞ্চমাংশ আল্লাহর জন্য বায়তুল মালে দান করা। আর আমি তোমাদেরকে দুববা (কদু পাত্র), হান্তম (সবুজ রং এর ঘড়া), নাকীর (খেজুর বৃক্ষের মূল খোদাই করে তৈরি পাত্র), মযাফ্ফাত (আলকাতরা লাগানো মাটির পাত্র, এই চারটি পাত্রের) ব্যবহার করতে নিষেধ করছি। (৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا حماد، عن ابي جمرة، قال سمعت ابن عباس رضى الله عنهما يقول قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله انا من هذا الحى من ربيعة قد حالت بيننا وبينك كفار مضر، فلسنا نخلص اليك الا في كل شهر حرام، فلو امرتنا بامر، ناخذه عنك، ونبلغه من وراءنا. قال " امركم باربع، وانهاكم عن اربع، الايمان بالله شهادة ان لا اله الا الله، واقام الصلاة وايتاء الزكاة، وان تودوا الى الله خمس ما غنمتم، وانهاكم عن الدباء، والحنتم، والنقير، والمزفت
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বরের উপর উপবিষ্ট অবস্থায় পূর্ব দিকে* ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছি, সাবধান! ফিতনা ফাসাদের উদ্ভব ঐদিক থেকেই হবে এবং ঐদিক থেকেই শয়তানের শিং উদিত হবে। (৩১০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وهو على المنبر " الا ان الفتنة ها هنا يشير الى المشرق من حيث يطلع قرن الشيطان
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কুরাইশ, আনসার, জুহায়নাহ, মুযায়নাহ, আসলাম, গিফার এবং আশজা‘ গোত্রগুলো আমার আপন জন। আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল ছাড়া অন্য কেউ তাদের আপন জন নেই। (৩৫০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن سعد، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " قريش والانصار وجهينة ومزينة واسلم وغفار واشجع موالي، ليس لهم مولى دون الله ورسوله
‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমর) (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে উপবিষ্ট অবস্থায় বলেন, গিফার গোত্র, আল্লাহ্ তাদেরকে মাফ করুন, আসলাম গোত্র, আল্লাহ্ তাদেরকে নিরাপত্তা দান করুন আর ‘উসাইয়া গোত্র, তারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করেছে। (মুসলিম ৪৪/৪৬ হাঃ ২৫১৮, আহমাদ ৪৭০২) আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ
حدثني محمد بن غرير الزهري، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، عن ابيه، عن صالح، حدثنا نافع، ان عبد الله، اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال على المنبر " غفار غفر الله لها، واسلم سالمها الله، وعصية عصت الله ورسوله
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আসলাম, গোত্র আল্লাহ্ তাদেরকে নিরাপত্তা দিন। গিফার গোত্র, আল্লাহ্ তাদেরকে মাফ করুন। (মুসলিম ৪৪/৪৬ হাঃ ২৫১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد، اخبرنا عبد الوهاب الثقفي، عن ايوب، عن محمد، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اسلم سالمها الله، وغفار غفر الله لها
আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, বলত জুহায়নাহ, মুযায়নাহ, আসলাম ও গিফার গোত্র যদি আল্লাহর নিকট বানূ তামীম, বানূ আসাদ, বানূ গাতফান ও বানূ ‘আমের হতে উত্তম বিবেচিত হয় তবে কেমন হবে? তখন এক সাহাবী বললেন, তবে তারা বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তারা বানূ তামীম, বানূ আসাদ, বানূ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু গাত্ফান এবং বানূ ‘আমের ইবনু সা‘সা‘আহ হতে উত্তম। (৩৫১৬, ৬৬৩৫, মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২২, আহমাদ ২০৫০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان،. حدثني محمد بن بشار، حدثنا ابن مهدي، عن سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه، قال النبي صلى الله عليه وسلم " ارايتم ان كان جهينة ومزينة واسلم وغفار خيرا من بني تميم وبني اسد، ومن بني عبد الله بن غطفان ومن بني عامر بن صعصعة ". فقال رجل خابوا وخسروا. فقال " هم خير من بني تميم ومن بني اسد، ومن بني عبد الله بن غطفان، ومن بني عامر بن صعصعة
আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আকরা‘ ইবনু হাবিস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ‘আরয করলেন, আসলাম গোত্রের সুররাক হাজীজ, গিফার ও মুযায়না গোত্রদ্বয় আপনার নিকট বায়‘আত করেছে এবং (রাবী বলেন) আমার ধারণা জুহায়না গোত্রও। এ ব্যাপারে ইবনু আবূ ইয়াকুব সন্দেহ পোষণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি কি জান, আসলাম, গিফার ও মুযায়নাহ গোত্রত্রয়, (রাবী বলেন) আমার মনে হয় তিনি জুহায়নাহ গোত্রের কথাও উল্লেখ করেছেন যে বনূ তামীম, বনূ ‘আমির, আসাদ এবং গাত্ফান (গোত্রগুলো) যারা ক্ষতিগ্রস্ত ও বঞ্চিত হয়েছে, তাদের তুলনায় পূর্বোক্ত গোত্রগুলো উত্তম। রাবী বলেন, হাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, পূর্বোক্তগুলো শেষোক্ত গোত্রগুলোর তুলনায় অবশ্যই অতি উত্তম। (৩৫১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৩) ৩৫১৬ মীম. আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী বলেন, আসলাম, গিফার এবং মুযাইনাহ ও জুহানাহ গোত্রের কিছু অংশ অথবা জুহানাহ্ও কিছু অংশ মুযায়নাহ্ও কিছু অংশ আল্লাহর নিকট অথবা বলেছেন কিয়ামতের দিন আসাদ, তামীম, হাওয়াযিন ও গাতাফান গোত্র অপেক্ষা উত্তম বলে বিবেচিত হবে। (আ.প্র. ৩২৫৪, ই.ফা)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن محمد بن ابي يعقوب، قال سمعت عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه، ان الاقرع بن حابس، قال للنبي صلى الله عليه وسلم انما بايعك سراق الحجيج من اسلم وغفار ومزينة واحسبه وجهينة ابن ابي يعقوب شك قال النبي صلى الله عليه وسلم " ارايت ان كان اسلم وغفار ومزينة واحسبه وجهينة خيرا من بني تميم وبني عامر واسد وغطفان، خابوا وخسروا ". قال نعم. قال " والذي نفسي بيده، انهم لخير منهم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামত সংঘটিত হবে না যে পর্যন্ত কাহ্তান গোত্র হতে এমন এক ব্যক্তির আগমন না হবে যে মানুষ জাতিকে তার লাঠির সাহায্যে পরিচালিত করবে। (৭১১৭, মুসলিম ৫২/১৮ হাঃ ২৯১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني سليمان بن بلال، عن ثور بن زيد، عن ابي الغيث، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا تقوم الساعة حتى يخرج رجل من قحطان يسوق الناس بعصاه
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিচালনায় যুদ্ধে শামিল ছিলাম। এ যুদ্ধে বহু মুহাজির সাহাবী যোগদান করেছিলেন। মুহাজিরদের মধ্যে একজন কৌতুক পুরুষ ছিলেন। তিনি কৌতুকবশতঃ একজন আনসারীকে আঘাত করলেন। তাতে আনসারী সাহাবী অত্যন্ত রাগান্বিত হলেন এবং উভয় গোত্রের সাহায্যের জন্য নিজ নিজ লোকদের আহবান জানালেন। আনসারী সাহাবী বললেন, হে আনসারীগণ! মুহাজির সাহাবী বললেন, হে মুহাজিরগণ সাহায্যে এগিয়ে আস। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতদশ্রবণে বের হয়ে আসলেন এবং বললেন, জাহেলী যুগের ডাকাডাকি কেন? অতঃপর বললেন, তাদের ব্যাপার কী? তাঁকে ঘটনা জানানো হল। মুহাজির সাহাবী আনসারী সাহাবীর কোমরে আঘাত করেছে। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ ধরনের হাঁকডাক ত্যাগ কর, এ অত্যন্ত ঘৃণিত কাজ। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালূল বলল, তারা আমাদের বিরুদ্ধে ডাক দিয়েছে? আমরা যদি মদিনা্য় নিরাপদে ফিরে যাই তবে সম্মানিত ব্যক্তিগণ অবশ্যই বাহির করে দিবে অপদস্ত ব্যক্তিদেরকে। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি এই খাবীসকে হত্যা করার অনুমতি দিবেন? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লোকজন বলাবলি করবে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে হত্যা করে থাকে। (৪৯০৫, ৪৯০৭, মুসলিম ৪৫/১৬ হাঃ ২৫৮৪, আহমাদ ১৯৩০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، اخبرنا مخلد بن يزيد، اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني عمرو بن دينار، انه سمع جابرا رضى الله عنه يقول غزونا مع النبي صلى الله عليه وسلم وقد ثاب معه ناس من المهاجرين حتى كثروا، وكان من المهاجرين رجل لعاب فكسع انصاريا، فغضب الانصاري غضبا شديدا، حتى تداعوا، وقال الانصاري يا للانصار. وقال المهاجري يا للمهاجرين. فخرج النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ما بال دعوى اهل الجاهلية ". ثم قال " ما شانهم ". فاخبر بكسعة المهاجري الانصاري قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " دعوها فانها خبيثة ". وقال عبد الله بن ابى ابن سلول اقد تداعوا علينا، لين رجعنا الى المدينة ليخرجن الاعز منها الاذل. فقال عمر الا نقتل يا رسول الله هذا الخبيث لعبد الله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يتحدث الناس انه كان يقتل اصحابه
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঐ ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয় যে গালে চপেটাঘাত করে, পরনের কাপড় ছিন্নভিন্ন করে এবং জাহিলীয়াতের যুগের মত হাঁকডাক করে। (১২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني ثابت بن محمد، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم. وعن سفيان، عن زبيد، عن ابراهيم، عن مسروق، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم " ليس منا من ضرب الخدود، وشق الجيوب، ودعا بدعوى الجاهلية
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমর ইবনু লুহাই ইবনু কাম‘আহ ইবনু খিনদাফ খুযা‘আহ গোত্রের পূর্বপুরুষ ছিল। (মুসলিম ৫১/১৩ হাঃ ২৮৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق بن ابراهيم، حدثنا يحيى بن ادم، اخبرنا اسراييل، عن ابي حصين، عن ابي صالح، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " عمرو بن لحى بن قمعة بن خندف ابو خزاعة
যুহরী (রহ.) বলেন। আমি সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.)-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, বাহীরাহ বলে দেবতার নামে উৎসর্গ করা উটনী যার দুধ আটকিয়ে রাখা হত এবং কোন লোক তার দুধ দোহন করত না। সা-য়িবাহ বলে ঐ পশুকে যাকে তারা ছেড়ে দিত দেবতার নামে। তাকে বোঝা বহন ইত্যাদি কোন কাজ কর্মে ব্যবহার করা হয় না। রাবী বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি ‘আমর ইবনু ‘আমির খুয‘আহকে তার বহির্গত নাড়ি-ভুঁড়ি নিয়ে জাহান্নামের আগুনে চলাফেলা করতে দেখেছি। সেই প্রথম ব্যক্তি যে সা-য়্যিবাহ উৎসর্গ করার প্রথা প্রচলন করে। (৪৬২৩, মুসলিম ৫১/১৩ হাঃ ২৮৫৬, আহমাদ ৭৭১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال سمعت سعيد بن المسيب، قال البحيرة التي يمنع درها للطواغيت ولا يحلبها احد من الناس، والسايبة التي كانوا يسيبونها لالهتهم فلا يحمل عليها شىء. قال وقال ابو هريرة قال النبي صلى الله عليه وسلم " رايت عمرو بن عامر بن لحى الخزاعي يجر قصبه في النار، وكان اول من سيب السوايب
باب قصة إسلام أبي ذر ৬১/১০. অধ্যায় : আবূ যর গিফারী (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা।[1] ৩৫২২. আবূ জামরাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাদেরকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে আবূ যার (রাঃ) এর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করব? আমরা বললাম হাঁ, অবশ্যই। তিনি বলেন, আবূ যার (রাঃ) বলেছেন, আমি গিফার গোত্রের একজন মানুষ। আমরা জানতে পেলাম মক্কা্য় এক ব্যক্তি আত্মপ্রকাশ করে নিজেকে নবী বলে দাবী করছেন। আমি আমার ভাইকে বললাম, তুমি মক্কা্য় গিয়ে ঐ ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ ও আলোচনা করে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নিয়ে এস। সে রওয়ানা হয়ে গেল এবং মক্কার ঐ লোকটির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলাপ-আলোচনা করে ফিরে আসলে আমি জিজ্ঞেস করলাম- কী খবর নিয়ে এলে? সে বলল, আল্লাহর কসম! আমি একজন মহান ব্যক্তিকে দেখেছি যিনি সৎকাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ হতে নিষেধ করেন। আমি বললাম, তোমার খবরে আমি সন্তুষ্ট হতে পারলাম না। অতঃপর আমি একটি ছড়ি ও এক পাত্র খাবার নিয়ে মক্কার দিকে রওয়ানা হলাম। মক্কা্য় পৌঁছে আমার অবস্থা দাঁড়াল এমন- তিনি আমার পরিচিত নন, কারো নিকট জিজ্ঞেস করাও আমি সমীচীন মনে করি না। তাই আমি যমযমের পানি পান করে মসজিদে থাকতে লাগলাম। একদিন সন্ধ্যা বেলা ‘আলী (রাঃ) আমার নিকট দিয়ে গমনকালে আমার প্রতি ইশারা করে বললেন, মনে হয় লোকটি বিদেশী। আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, আমার সঙ্গে আমার বাড়িতে চল। পথেই তিনি আমাকে কোন কিছু জিজ্ঞেস করেননি। আর আমিও ইচ্ছা করে কোন কিছু বলিনি। তাঁর বাড়িতে রাত্রি যাপন করে ভোর বেলায় আবার মসজিদে গেলাম যাতে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করব। কিন্তু ওখানে এমন কোন লোক ছিল না যে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু বলবে। ঐ দিনও ‘আলী (রাঃ) আমার নিকট দিয়ে চলার সময় বললেন, এখনো কি লোকটি তার গন্তব্যস্থল ঠিক করতে পারেনি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, আমার সঙ্গে চল। পথিমধ্যে তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন বল, তোমার বিষয় কী? কেন এ শহরে এসেছ? আমি বললাম, যদি আপনি আমার বিষয়টি গোপন রাখার আশ্বাস দেন তাহলে তা আপনাকে বলতে পারি। তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি গোপন করব। আমি বললাম, আমরা জানতে পেরেছি, এখানে এমন এক লোকের আবির্ভাব হয়েছে যিনি নিজেকে নবী বলে দাবী করেন। আমি তাঁর সঙ্গে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা করার জন্য আমার ভাইকে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সে ফেরত গিয়ে আমাকে সন্তোষজনক কোন কিছু বলতে পারেনি। তাই নিজে দেখা করার ইচ্ছা নিয়ে এখানে আগমন করেছি। ‘আলী (রাঃ) বললেন, তুমি সঠিক পথপ্রদর্শক পেয়েছ। আমি এখনই তাঁর কাছে উপস্থিত হবার জন্য রওয়ানা হয়েছি। তুমি আমাকে অনুসরণ কর এবং আমি যে গৃহে প্রবেশ করি তুমিও সে গৃহে প্রবেশ করবে। রাস্তায় যদি তোমার বিপদজনক কোন লোক দেখতে পাই তবে আমি জুতা ঠিক করার অজুহাতে দেয়ালের পার্শ্বে সরে দাঁড়াব, যেন আমি জুতা ঠিক করছি। তুমি কিন্তু চলতেই থাকবে। আলী (রাঃ) পথ চলতে শুরু করলেন। আমিও তাঁর অনুসরণ করে চলতে লাগলাম। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রবেশ করলে, আমিও তাঁর সঙ্গে ঢুকে পড়লাম। আমি বললাম, আমার নিকট ইসলাম পেশ করুন। তিনি পেশ করলেন। আর আমি মুসলিম হয়ে গেলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আবূ যার। এখনকার মত তোমার ইসলাম গ্রহণ গোপন রেখে তোমার দেশে চলে যাও। যখন আমাদের বিজয়ের খবর জানতে পাবে তখন এসো। আমি বললাম, যে আল্লাহ্ আপনাকে সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন তাঁর শপথ! আমি কাফির মুশরিকদের সামনে উচ্চস্বরে তৌহীদের বাণী ঘোষণা করব। (ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন,) এই কথা বলে তিনি মসজিদে হারামে গমন করলেন, কুরাইশের লোকজনও সেখানে হাজির ছিল। তিনি বললেন, হে কুরাইশগণ! আমি নিশ্চিতভাবে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। এতদশ্রবণে কুরাইশগণ বলে উঠল, ধর এই ধর্মত্যাগী লোকটিকে। তারা আমার দিকে এগিয়ে আসল এবং আমাকে নির্মমভাবে প্রহার করতে লাগল; যেন আমি মরে যাই। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) আমার নিকট পৌঁছে আমাকে ঘিরে রাখলেন। অতঃপর তিনি কুরাইশকে উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমাদের বিপদ অবশ্যম্ভাবী। তোমরা গিফার বংশের জনৈক ব্যক্তিকে হত্যা করতে উদ্যোগী হয়েছ অথচ তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের কাফেলাকে গিফার গোত্রের নিকট দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এ কথা শুনে তারা সরে পড়ল। পরদিন ভোরবেলা কাবাগৃহে উপস্থিত হয়ে গতদিনের মতই আমি আমার ইসলাম গ্রহণের পূর্ণ ঘোষণা দিলাম। কুরাইশগণ বলে উঠলো, ধর এই ধর্মত্যাগী লোকটিকে। গতদিনের মত আজও তারা নির্মমভাবে আমাকে মারধর করলো। এই দিনও ‘আব্বাস (রাঃ) এসে আমাকে রক্ষা করলেন এবং কুরাইশদেরকে উদ্দেশ্য করে ঐ দিনের মত বক্তব্য রাখলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটাই ছিল আবূ যার (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণের প্রথম ঘটনা। (৩৮৬১, মুসলিম ৪৪/২৮ হাঃ ২৪৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আসলাম, গিফার এবং মুযাইনাহ ও জুহানাহ গোত্রের কিছু অংশ অথবা জুহানাহর কিছু অংশ কিংবা মুযায়নাহর কিছু অংশ আল্লাহর নিকট অথবা বলেছেন কিয়ামতের দিন আসাদ, তামীম, হাওয়াযিন ও গাত্ফান গোত্র চেয়ে উত্তম বলে বিবেচিত হবে। (মুসলিম ৪৪/৪৭ হাঃ ২৫২১, আহমাদ ১০০৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن ايوب، عن محمد، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال اسلم وغفار وشىء من مزينة وجهينة او قال شىء من جهينة او مزينة خير عند الله او قال يوم القيامة من اسد وتميم وهوازن وغطفان
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তুমি যদি আরবদের অজ্ঞতা সম্বন্ধে জানতে আগ্রহী হও, তবে সূরা আন্‘আমের ১৪০ আয়াতের অংশটুকু মনোযোগের সঙ্গে পাঠ কর। ‘‘অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তারা যারা নিজ সন্তানদেরকে হত্যা করেছে বোকামির দরুন ও অজ্ঞতাবশতঃ এবং হারাম করে নিয়েছে তা যা আল্লাহ্ তাদেরকে জীবিকা হিসেবে দিয়েছিলেন, কেবল আল্লাহ্ সম্বন্ধে মিথ্যা রচনা করার উদ্দেশে। নিশ্চয় তারা বিপথগামী হয়েছে এবং তারা হিদায়াতপ্রাপ্তও ছিল না।’’ (আল-আনআম ১৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال اذا سرك ان تعلم جهل العرب فاقرا ما فوق الثلاثين وماية في سورة الانعام {قد خسر الذين قتلوا اولادهم سفها بغير علم} الى قوله {قد ضلوا وما كانوا مهتدين}
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ وَأَبُوْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ الْكَرِيْمَ ابْنَ الْكَرِيْمِ ابْنِ الْكَرِيْمِ ابْنِ الْكَرِيْمِ يُوْسُفُ بْنُ يَعْقُوْبَ بْنِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ خَلِيْلِ اللهِ وَقَالَ الْبَرَاءُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَا ابْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ ইবনু ‘উমার ও আবূ হুরাইরাহ্ বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সম্ভ্রান্ত বংশ-ধারার সন্তান হলেন ইউসুফ (আঃ) ইবনু ইয়া‘কূব (আঃ) ইবনু ইসহাক (আঃ) ইবনু ইব্রাহীম খলীলুল্লাহ্ (আঃ)। বারা‘আহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আমি ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৬৩ পরিচ্ছেদ) ৩৫২৫. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত ‘‘তোমার নিকট আত্মীয়গণকে সতর্ক কর’’ (আশ শু‘আরা ২১৪) অবতীর্ণ হল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে বানী ফিহর, হে বনী ‘আদি! বিভিন্ন কুরাইশ শাখা গোত্রগুলিকে নাম ধরে ধরে ইসলামের পথে ডাক দিতে লাগলেন। (১৩৯৪) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭২ প্রথমাংশ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، حدثنا عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال لما نزلت {وانذر عشيرتك الاقربين} جعل النبي صلى الله عليه وسلم ينادي " يا بني فهر، يا بني عدي لبطون قريش
ইবনু ‘আব্বাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত ‘‘তোমার নিকট আত্মীয়গণকে সতর্ক কর’’ (আশশু‘আরাঃ ২১৪) অবতীর্ণ হল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে গোত্র গোত্র ধরে ডাক দিতে লাগলেন। (১৩৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭২ শেষাংশ)
وقال لنا قبيصة اخبرنا سفيان، عن حبيب بن ابي ثابت، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما نزلت {وانذر عشيرتك الاقربين} جعل النبي صلى الله عليه وسلم يدعوهم قبايل قبايل
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আব্দে মানাফের বংশধরগণ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে আল্লাহর শাস্তি হতে বাঁচাও। হে ‘আবদুল মুত্তালিবের বংশধরগণ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে হিফাযত কর। হে যুবায়রের মা- আল্লাহর রাসূলের ফুফু, হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতিমাহ! তোমরা তোমাদের নিজেদেরকে রক্ষা কর। তোমাদেরকে আযাব হতে বাঁচানোর সামান্যতম ক্ষমতাও আমার নাই আর আমার ধন-সম্পদ হতে তোমরা যা ইচ্ছা তা চেয়ে নিতে পার। (২৭৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، اخبرنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يا بني عبد مناف، اشتروا انفسكم من الله، يا بني عبد المطلب اشتروا انفسكم من الله، يا ام الزبير بن العوام عمة رسول الله، يا فاطمة بنت محمد، اشتريا انفسكما من الله، لا املك لكما من الله شييا، سلاني من مالي ما شيتما
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের বললেন, তোমাদের মধ্যে অপর গোত্রের কেউ আছে কি? তারা বললেন না, অন্য কেউ নেই। তবে আমাদের এক ভাগিনা আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন কোন গোত্রের ভাগ্নে সে গোত্রেরই অন্তর্ভুক্ত। (৩১৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن انس رضى الله عنه قال دعا النبي صلى الله عليه وسلم الانصار فقال " هل فيكم احد من غيركم ". قالوا لا، الا ابن اخت لنا. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ابن اخت القوم منهم
حدثنا زيد هو ابن اخزم قال ابو قتيبة سلم بن قتيبة حدثني مثنى بن سعيد القصير، قال حدثني ابو جمرة، قال لنا ابن عباس الا اخبركم باسلام ابي ذر، قال قلنا بلى. قال قال ابو ذر كنت رجلا من غفار، فبلغنا ان رجلا قد خرج بمكة، يزعم انه نبي، فقلت لاخي انطلق الى هذا الرجل كلمه واتني بخبره. فانطلق فلقيه، ثم رجع فقلت ما عندك فقال والله لقد رايت رجلا يامر بالخير وينهى عن الشر. فقلت له لم تشفني من الخبر. فاخذت جرابا وعصا، ثم اقبلت الى مكة فجعلت لا اعرفه، واكره ان اسال عنه، واشرب من ماء زمزم واكون في المسجد. قال فمر بي علي فقال كان الرجل غريب. قال قلت نعم. قال فانطلق الى المنزل. قال فانطلقت معه لا يسالني عن شىء، ولا اخبره، فلما اصبحت غدوت الى المسجد لاسال عنه، وليس احد يخبرني عنه بشىء. قال فمر بي علي فقال اما نال للرجل يعرف منزله بعد قال قلت لا. قال انطلق معي. قال فقال ما امرك وما اقدمك هذه البلدة قال قلت له ان كتمت على اخبرتك. قال فاني افعل. قال قلت له بلغنا انه قد خرج ها هنا رجل يزعم انه نبي، فارسلت اخي ليكلمه فرجع ولم يشفني من الخبر، فاردت ان القاه. فقال له اما انك قد رشدت، هذا وجهي اليه، فاتبعني، ادخل حيث ادخل، فاني ان رايت احدا اخافه عليك، قمت الى الحايط، كاني اصلح نعلي، وامض انت، فمضى ومضيت معه، حتى دخل ودخلت معه على النبي صلى الله عليه وسلم فقلت له اعرض على الاسلام. فعرضه فاسلمت مكاني، فقال لي " يا ابا ذر اكتم هذا الامر، وارجع الى بلدك، فاذا بلغك ظهورنا فاقبل ". فقلت والذي بعثك بالحق لاصرخن بها بين اظهرهم. فجاء الى المسجد، وقريش فيه فقال يا معشر قريش، اني اشهد ان لا اله الا الله، واشهد ان محمدا عبده ورسوله. فقالوا قوموا الى هذا الصابي. فقاموا فضربت لاموت فادركني العباس، فاكب على ثم اقبل عليهم، فقال ويلكم تقتلون رجلا من غفار، ومتجركم وممركم على غفار. فاقلعوا عني، فلما ان اصبحت الغد رجعت فقلت مثل ما قلت بالامس، فقالوا قوموا الى هذا الصابي. فصنع {بي} مثل ما صنع بالامس وادركني العباس فاكب على، وقال مثل مقالته بالامس. قال فكان هذا اول اسلام ابي ذر رحمه الله