Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৬৩ হাদিসসমূহ
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, একদা একজন মহিলা তার কোলের শিশুকে স্তন্য পান করাচ্ছিল। এমন সময় একজন ঘোড়সওয়ার তাদের নিকট দিয়ে গমন করে। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহ্! আমার পুত্রকে এই ঘোড়সওয়ারের মত না বানিয়ে মৃত্যু দান করো না। তখন কোলের শিশুটি বলে উঠলো- হে আল্লাহ্! আমাকে ঐ ঘোড়সওয়ারের মত করো না, এই বলে পুনরায় সে স্তন্য পানে লেগে গেল। অতঃপর একজন মহিলাকে কতিপয় লোক অপমানজনকভাবে বিদ্রুপ করতে করতে টেনে নিয়ে চলছিল। ঐ মহিলাকে দেখে বাচ্চার মা বলে উঠল- হে আল্লাহ্! আমার পুত্রকে ঐ মহিলার মত করো না। বাচ্চাটি বলে উঠল, হে আল্লাহ্! আমাকে ঐ মহিলার মত কর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঐ ঘোড়সওয়ার কাফির ছিল। আর ঐ মহিলাকে লক্ষ্য করে লোকজন বলছিল, তুই ব্যাভিচারিণী, সে বলছিল হাস্বি আল্লাহ্- আল্লাহ্-ই আমার জন্য যথেষ্ট। তারা বলছিল তুই চোর আর সে বলছিল আল্লাহ্-ই আমার জন্য যথেষ্ট। (১২০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن عبد الرحمن، حدثه انه، سمع ابا هريرة رضى الله عنه انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " بينما امراة ترضع ابنها اذ مر بها راكب وهى ترضعه، فقالت اللهم لا تمت ابني حتى يكون مثل هذا. فقال اللهم لا تجعلني مثله. ثم رجع في الثدى، ومر بامراة تجرر ويلعب بها فقالت اللهم لا تجعل ابني مثلها. فقال اللهم اجعلني مثلها. فقال اما الراكب فانه كافر، واما المراة فانهم يقولون لها تزني. وتقول حسبي الله. ويقولون تسرق. وتقول حسبي الله
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে, একবার একটি কুকুর এক কূপের চতুর্দিকে ঘুরছিল এবং অত্যন্ত পিপাসার কারণে সে মৃত্যুর কাছে পৌঁছেছিল। তখন বনী ইসরাঈলের ব্যাভিচারিণীদের একজন কুকুরটির অবস্থা লক্ষ্য করল, এবং তার পায়ের মোজা দিয়ে পানি সংগ্রহ করে কুকুরটিকে পান করাল। এ কাজের বিনিময়ে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দিলেন (৩৩২১, মুসলিম ৩৯/৪১ হাঃ ২২৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن تليد، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني جرير بن حازم، عن ايوب، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " بينما كلب يطيف بركية كاد يقتله العطش، اذ راته بغي من بغايا بني اسراييل، فنزعت موقها فسقته، فغفر لها به
হুমায়েদ ইবনু ‘আবদুর রাহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি মু‘আবিয়া ইবনু আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, তার হাজ্জ পালনের বছর মিম্বরে নববীতে উপবিষ্ট অবস্থায় তাঁর দেহরক্ষীদের কাছ থেকে মহিলাদের একগুচ্ছ চুল নিজ হাতে নিয়ে তিনি বলেন যে, হে মীনাবাসী! কোথায় তোমাদের আলিম সমাজ? আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রকম পরচুলা ব্যবহার হতে নিষেধ করতে শুনেছি। তিনি বলেছেন, বনী ইসরাঈল তখনই ধ্বংস হয়, যখন তাদের মহিলাগণ এ ধরনের পরচুলা ব্যবহার করতে শুরু করে। (৩৪৮৮, ৫৯৩২, ৫৯৩৮, মুসলিম ৩৭/৩৩ হাঃ ২১২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، انه سمع معاوية بن ابي سفيان،، عام حج على المنبر، فتناول قصة من شعر وكانت في يدى حرسي فقال يا اهل المدينة، اين علماوكم سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذه، ويقول " انما هلكت بنو اسراييل حين اتخذها نساوهم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের পূর্বের উম্মাতগণের মধ্যে ইল্হাম প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ ছিলেন। আমার উম্মাতের মধ্যে যদি এমন কেউ থাকে, তবে সে নিশ্চয় ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হবেন। (৩৬৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انه قد كان فيما مضى قبلكم من الامم محدثون، وانه ان كان في امتي هذه منهم، فانه عمر بن الخطاب
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বনী ইসরাঈলের মাঝে এমন এক ব্যক্তি ছিল যে, নিরানব্বইটি মানুষ হত্যা করেছিল। অতঃপর বের হয়ে একজন পাদরীকে জিজ্ঞেস করল, আমার তওবা কবুল হবার আশা আছে কি? পাদরী বলল, না। তখন সে পাদরীকেও হত্যা করল। অতঃপর পুনরায় সে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগল। তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল, তুমি অমুক স্থানে চলে যাও। সে রওয়ানা হল এবং পথিমধ্যে তার মৃত্যু এসে গেল। সে তার বক্ষদেশ দ্বারা সে স্থানটির দিকে ঘুরে গেল। মৃত্যুর পর রহমত ও আযাবের ফেরেশতামন্ডলী তার রূহকে নিয়ে বাদানুবাদে লিপ্ত হলেন। আল্লাহ্ সামনের ভূমিকে আদেশ করলেন, তুমি মৃত ব্যক্তির নিকটবর্তী হয়ে যাও। এবং পশ্চাতে ফেলে আসা স্থানকে (যেখানে হত্যাকান্ড ঘটেছিল) আদেশ দিলেন, তুমি দূরে সরে যাও। অতঃপর ফেরেশতাদের উভয় দলকে নির্দেশ দিলেন— তোমরা এখান থেকে উভয় দিকের দূরত্ব পরিমাপ কর। পরিমাপ করা হল, দেখা গেল যে, মৃত লোকটি সামনের দিকে এক বিঘত বেশি এগিয়ে আছে। কাজেই তাকে ক্ষমা করা হল। (মুসলিম ৪৯/৮ হাঃ ২৭৬৬, আহমাদ ১১১৫৪ ) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن ابي عدي، عن شعبة، عن قتادة، عن ابي الصديق الناجي، عن ابي سعيد رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كان في بني اسراييل رجل قتل تسعة وتسعين انسانا ثم خرج يسال، فاتى راهبا فساله، فقال له هل من توبة قال لا. فقتله، فجعل يسال، فقال له رجل ايت قرية كذا وكذا. فادركه الموت فناء بصدره نحوها، فاختصمت فيه ملايكة الرحمة وملايكة العذاب، فاوحى الله الى هذه ان تقربي. واوحى الله الى هذه ان تباعدي. وقال قيسوا ما بينهما. فوجد الى هذه اقرب بشبر، فغفر له
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত শেষে লোকজনের দিকে ঘুরে বসলেন এবং বললেন, একদা এক লোক একটি গরু হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ সে এটির পিঠে চড়ে বসলো এবং ওকে প্রহার করতে লাগল। তখন গরুটি বলল, আমাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করা হয়নি, আমাদেরকে চাষাবাদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। এতদশ্রবণে লোকজন বলে উঠল, সুবহানাল্লাহ্! গরুও কথা বলে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এবং আবূ বাকর ও ‘উমার তা বিশ্বাস করি। অথচ তখন তাঁরা উভয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। আর এক রাখাল একদিন তার ছাগল পালের মাঝে অবস্থান করছিল, এমন সময় একটি চিতা বাঘ পালে ঢুকে একটি ছাগল নিয়ে গেল। রাখাল বাঘের পিছনে ধাওয়া করে ছাগলটি উদ্ধার করে নিল। তখন বাঘটি বলল, তুমি ছাগলটি আমার থেকে কেড়ে নিলে বটে তবে ঐদিন কে ছাগলকে রক্ষা করবে যেদিন হিংস্র জন্তু ওদের আক্রমণ করবে এবং আমি ব্যতীত তাদের অন্য কোন রাখাল থাকবে না। লোকেরা বলল, সুবহানাল্লাহ! চিতা বাঘ কথা বলে! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি এবং আবূ বাকর ও ‘উমার তা বিশ্বাস করি অথচ তাঁরা উভয়েই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।....আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (২৩২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الصبح، ثم اقبل على الناس، فقال " بينا رجل يسوق بقرة اذ ركبها فضربها فقالت انا لم نخلق لهذا، انما خلقنا للحرث ". فقال الناس سبحان الله بقرة تكلم. فقال " فاني اومن بهذا انا وابو بكر وعمر وما هما ثم وبينما رجل في غنمه اذ عدا الذيب فذهب منها بشاة، فطلب حتى كانه استنقذها منه، فقال له الذيب هذا استنقذتها مني فمن لها يوم السبع، يوم لا راعي لها غيري ". فقال الناس سبحان الله ذيب يتكلم. قال " فاني اومن بهذا انا وابو بكر وعمر ". وما هما ثم. وحدثنا علي، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن سعد بن ابراهيم، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এক লোক অপর লোক হতে একখন্ড জমি ক্রয় করেছিল। ক্রেতা খরিদকৃত জমিতে একটা স্বর্ণ ভর্তি ঘড়া পেল। ক্রেতা বিক্রেতাকে তা ফেরত নিতে অনুরোধ করে বলল, কারণ আমি জমি ক্রয় করেছি, স্বর্ণ ক্রয় করিনি। বিক্রেতা বলল, আমি জমি এবং এতে যা কিছু আছে সবই বেচে দিয়েছি। অতঃপর তারা উভয়েই অপর এক লোকের কাছে এর মীমাংসা চাইল। তিনি বললেন, তোমাদের কি ছেলে-মেয়ে আছে? একজন বলল, আমার একটি ছেলে আছে। অন্য লোকটি বলল, আমার একটি মেয়ে আছে। মীমাংসাকারী বললেন, তোমার মেয়েকে তার ছেলের সঙ্গে বিবাহ দাও আর প্রাপ্ত স্বর্ণের মধ্যে কিছু তাদের বিবাহে ব্যয় কর এবং বাকী অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও। (২৩৬৫, মুসলিম ৩০/১১ হাঃ ১৭২১, আহমাদ ৮১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن نصر، اخبرنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " اشترى رجل من رجل عقارا له، فوجد الرجل الذي اشترى العقار في عقاره جرة فيها ذهب، فقال له الذي اشترى العقار خذ ذهبك مني، انما اشتريت منك الارض، ولم ابتع منك الذهب. وقال الذي له الارض انما بعتك الارض وما فيها، فتحاكما الى رجل، فقال الذي تحاكما اليه الكما ولد قال احدهما لي غلام. وقال الاخر لي جارية. قال انكحوا الغلام الجارية، وانفقوا على انفسهما منه، وتصدقا
সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্লেগ সম্বন্ধে কী শুনেছেন? উসামাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্লেগ একটি আযাব। যা বনী ইসরাঈলের এক সম্প্রদায়ের উপর পতিত হয়েছিল অথবা তোমাদের পূর্বে যারা ছিল। তোমরা যখন কোন স্থানে প্লেগের ছড়াছড়ি শুনতে পাও, তখন তোমরা সেখানে যেয়ো না। আর যখন প্লেগ এমন জায়গায় দেখা দেয়, যেখানে তুমি অবস্থান করছো, তখন সে স্থান হতে পালানোর লক্ষ্যে বের হয়ো না। (মুসলিম ৩৯/৩২ হাঃ ২২১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩২২৪) আবূ নযর (রহ.) বলেন, পলায়নের লক্ষ্যে এলাকা ত্যাগ করো না। তবে অন্য কারণে যেতে পার, তাতে বাধা নেই।
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن محمد بن المنكدر، وعن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن ابي وقاص، عن ابيه، انه سمعه يسال، اسامة بن زيد ماذا سمعت من، رسول الله صلى الله عليه وسلم في الطاعون فقال اسامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الطاعون رجس ارسل على طايفة من بني اسراييل او على من كان قبلكم، فاذا سمعتم به بارض فلا تقدموا عليه، واذا وقع بارض وانتم بها فلا تخرجوا فرارا منه ". قال ابو النضر " لا يخرجكم الا فرارا منه
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্লেগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বললেন, তা একটি আযাব। আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা করেন তাদের উপর তা প্রেরণ করেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মুমিন বান্দাগণের উপর তা রহমত করে দিয়েছেন। কোন ব্যক্তি যখন প্লেগে আক্রান্ত জায়গায় সাওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে অবস্থান করে এবং তার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, আল্লাহ্ তাকদীরে যা লিখে রেখেছেন তাই হবে তাহলে সে একজন শহীদের সমান সওয়াব পাবে। (৫৭৩৪, ৬৬১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا داود بن ابي الفرات، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن عايشة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الطاعون، فاخبرني " انه عذاب يبعثه الله على من يشاء، وان الله جعله رحمة للمومنين، ليس من احد يقع الطاعون فيمكث في بلده صابرا محتسبا، يعلم انه لا يصيبه الا ما كتب الله له، الا كان له مثل اجر شهيد
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। মাখযূম গোত্রের এক চোর নারীর ঘটনা কুরাইশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন করে তুললো। এ অবস্থায় তারা বলাবলি করতে লাগল এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কে আলাপ করতে পারে? তারা বলল, একমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়তম উসামা বিন যায়িদ (রাঃ) এ ব্যাপারে আলোচনা করার সাহস করতে পারেন। উসামা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে কথা বললেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত সীমাঙ্ঘনকারিণীর সাজা মাওকুফের সুপারিশ করছ? অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে খুত্বায় বললেন, তোমাদের পূর্বের জাতিসমূহকে এ কাজই ধ্বংস করেছে যে, যখন তাদের মধ্যে কোন বিশিষ্ট লোক চুরি করত, তখন তারা বিনা সাজায় তাকে ছেড়ে দিত। অন্যদিকে যখন কোন অসহায় গরীব সাধারণ লোক চুরি করত, তখন তার উপর হদ্ জারি করত। আল্লাহর কসম, যদি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতিমাহ চুরি করত তাহলে আমি তার অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম। (২৬৪৮, মুসলিম ২৯/২ হাঃ ১৬৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها ان قريشا، اهمهم شان المراة المخزومية التي سرقت، فقال ومن يكلم فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ومن يجتري عليه الا اسامة بن زيد، حب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فكلمه اسامة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اتشفع في حد من حدود الله ". ثم قام فاختطب، ثم قال " انما اهلك الذين قبلكم انهم كانوا اذا سرق فيهم الشريف تركوه، واذا سرق فيهم الضعيف اقاموا عليه الحد، وايم الله، لو ان فاطمة ابنة محمد سرقت لقطعت يدها
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক লোককে কুরআনের একটি আয়াত পড়তে শুনলাম যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আমার শোনা তিলাওয়াতের বিপরীত। আমি তাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি বললাম, তখন তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টি লক্ষ্য করলাম। তিনি বললেন, তোমরা দু’জনেই ভাল ও সুন্দর পড়েছ। তবে তোমরা মতবিরোধ করো না। তোমাদের আগের লোকেরা মতবিরোধের কারণেই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। (২৪১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد الملك بن ميسرة، قال سمعت النزال بن سبرة الهلالي، عن ابن مسعود رضى الله عنه قال سمعت رجلا، قرا، وسمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرا خلافها فجيت به النبي صلى الله عليه وسلم فاخبرته فعرفت في وجهه الكراهية وقال " كلاكما محسن، ولا تختلفوا، فان من كان قبلكم اختلفوا فهلكوا
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যেন এখনো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখছি যখন তিনি একজন নবী (আঃ)-এর অবস্থা বর্ণনা করছিলেন যে, তাঁর স্বজাতিরা তাঁকে প্রহার করে রক্তারক্তি করে দিয়েছে আর তিনি তাঁর চেহারা হতে রক্ত মুছে ফেলছেন এবং বলছেন, হে আল্লাহ্! আমার জাতিকে ক্ষমা করে দাও, যেহেতু তারা জানে না। (৬৯২৯ , মুসলিম ৩২/৩৭ হাঃ ১৭৯২, আহমাদ ৩৬১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، قال حدثني شقيق، قال عبد الله كاني انظر الى النبي صلى الله عليه وسلم يحكي نبيا من الانبياء ضربه قومه فادموه، وهو يمسح الدم عن وجهه، ويقول " اللهم اغفر لقومي فانهم لا يعلمون
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তোমাদের আগের এক লোক, আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে প্রচুর ধন-সম্পদ দান করেছিলেন। যখন তার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল তখন সে তার ছেলেদেরকে জড় করে জিজ্ঞেস করল আমি তোমাদের কেমন পিতা ছিলাম? তারা বলল আপনি আমাদের উত্তম পিতা ছিলেন। সে বলল, আমি জীবনে কখনও কোন নেক আমল করতে পারিনি। আমি যখন মারা যাব তখন তোমরা আমার লাশকে জ্বালিয়ে ছাই করে দিও এবং প্রচন্ড ঝড়ের দিন ঐ ছাই বাতাসে উড়িয়ে দিও। সে মারা গেল। ছেলেরা ওসিয়াত অনুযায়ী কাজ করল। আল্লাহ্ তা‘আলা তার ছাই জড় করে জিজ্ঞেস করলেন, এমন ওসিয়াত করতে কে তোমাকে উদ্বুদ্ধ করল? সে বলল, হে আল্লাহ্! তোমার শাস্তির ভয়। ফলে আল্লাহর রহমত তাকে ঢেকে নিল। মু‘আয (রহ.).....আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। (৬৪৮১, ৭৫০৮, মুসলিম ৪৯/৪ হাঃ ২৭৫৭, আহমাদ ১১৬৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا ابو عوانة، عن قتادة، عن عقبة بن عبد الغافر، عن ابي سعيد رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم " ان رجلا كان قبلكم رغسه الله مالا فقال لبنيه لما حضر اى اب كنت لكم قالوا خير اب. قال فاني لم اعمل خيرا قط، فاذا مت فاحرقوني ثم اسحقوني ثم ذروني في يوم عاصف. ففعلوا، فجمعه الله عز وجل، فقال ما حملك قال مخافتك. فتلقاه برحمته ". وقال معاذ حدثنا شعبة، عن قتادة، سمعت عقبة بن عبد الغافر، سمعت ابا سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, এক লোকের যখন মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল এবং সে জীবন হতে নিরাশ হয়ে গেল। তখন সে তার পরিবার পরিজনকে ওসিয়াত করল, যখন আমি মরে যাব তখন তোমরা আমার জন্য অনেক লাকড়ি জমা করে আগুন জ্বালিয়ে দিও। আগুন যখন আমার গোশত জ্বালিয়ে পুড়িয়ে হাড় পর্যন্ত পৌঁছে যাবে তখন হাড়গুলি পিষে ছাই করে নিও। অতঃপর সে ছাই গরমের দিন কিংবা প্রচন্ড বাতাসের দিনে সাগরে ভাসিয়ে দিও। আল্লাহ্ তা‘আলা তার ছাই জড় করে জিজ্ঞেস করলেন, এমন কেন করলে? সে বলল, আপনার ভয়ে। আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। ‘উকবাহ্ (রহ.) বলেন, আর আমিও তাঁকে [হুযাইফাহ (রাঃ)]-কে বলতে শুনেছি। ‘আবদুল মালিক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, فِيْ يَوْمٍ رَاحٍ অর্থাৎ প্রচন্ড বাতাসের দিনে। (৩৪৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن ربعي بن حراش، قال قال عقبة لحذيفة الا تحدثنا ما سمعت من النبي صلى الله عليه وسلم. قال سمعته يقول " ان رجلا حضره الموت، لما ايس من الحياة، اوصى اهله اذا مت فاجمعوا لي حطبا كثيرا، ثم اوروا نارا حتى اذا اكلت لحمي، وخلصت الى عظمي، فخذوها فاطحنوها، فذروني في اليم في يوم حار او راح. فجمعه الله، فقال لم فعلت قال خشيتك. فغفر له ". قال عقبة وانا سمعته يقول. حدثنا موسى حدثنا ابو عوانة حدثنا عبد الملك وقال " في يوم راح
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পূর্বযুগে কোন এক লোক ছিল, যে মানুষকে ঋণ প্রদান করত। সে তার কর্মচারীকে বলে দিত, তুমি যখন কোন গরীবের নিকট টাকা আদায় করতে যাও, তখন তাকে মাফ করে দিও। হয়ত আল্লাহ্ তা‘আলা এ কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন সে আল্লাহ্ তা‘আলার সাক্ষাৎ লাভ করল, তখন আল্লাহ্ তাকে ক্ষমা করে দিলেন। (২০৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كان الرجل يداين الناس، فكان يقول لفتاه اذا اتيت معسرا فتجاوز عنه، لعل الله ان يتجاوز عنا. قال فلقي الله فتجاوز عنه
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, পূর্বযুগে এক লোক তার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছিল। যখন তার মৃত্যুকাল ঘনিয়ে এলো, সে তার পুত্রদেরকে বলল, মৃত্যুর পর আমার দেহ হাড় গোশতসহ পুড়িয়ে ছাই করে নিও এবং প্রবল বাতাসে উড়িয়ে দিও। আল্লাহর কসম! যদি আল্লাহ্ আমাকে ধরে ফেলেন, তবে তিনি আমাকে এমন কঠিনতম শাস্তি দিবেন যা অন্য কাউকেও দেননি। যখন তার মওত হল, তার সঙ্গে সে ভাবেই করা হল। অতঃপর আল্লাহ্ যমীনকে আদেশ করলেন, তোমার মাঝে ঐ ব্যক্তির যা আছে জমা করে দাও। যমীন তা করে দিল। এ ব্যক্তি তখনই দাঁড়িয়ে গেল। আল্লাহ্ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কিসে তোমাকে এ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করল? সে বলল, হে, প্রতিপালক তোমার ভয়। অতঃপর তাকে ক্ষমা করা হলো। অন্য রাবী مَخَافَتُكَ স্থলে خَشْيَتُكَ বলেছেন। (৭৫০৬, মুসলিম ৪৯/৪ হাঃ ২৭৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا هشام، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كان رجل يسرف على نفسه، فلما حضره الموت قال لبنيه اذا انا مت فاحرقوني ثم اطحنوني ثم ذروني في الريح، فوالله لين قدر على ربي ليعذبني عذابا ما عذبه احدا. فلما مات فعل به ذلك، فامر الله الارض، فقال اجمعي ما فيك منه. ففعلت فاذا هو قايم، فقال ما حملك على ما صنعت قال يا رب، خشيتك. فغفر له ". وقال غيره " مخافتك يا رب
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করাইনি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد بن اسماء، حدثنا جويرية بن اسماء، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " عذبت امراة في هرة سجنتها حتى ماتت، فدخلت فيها النار، لا هي اطعمتها ولا سقتها اذ حبستها، ولا هي تركتها تاكل من خشاش الارض
আবূ মাস‘ঊদ ‘উকবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তার মধ্যে একটি হল, ‘‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে তাহলে তুমি যা ইচ্ছে তাই কর।’’ (৩৪৮৪, ৬১২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، عن زهير، حدثنا منصور، عن ربعي بن حراش، حدثنا ابو مسعود، عقبة قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان مما ادرك الناس من كلام النبوة، اذا لم تستحي فافعل ما شيت
আবূ মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম যুগের আম্বিয়া-এ-কিরামের উক্তিসমূহ যা মানব জাতি লাভ করেছে, তন্মধ্যে একটি হল, ‘‘যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছে তাই কর।’’ (৩৪৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، عن منصور، قال سمعت ربعي بن حراش، يحدث عن ابي مسعود، قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان مما ادرك الناس من كلام النبوة اذا لم تستحي فاصنع ما شيت
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক ব্যক্তি গর্ব ও অহংকারের সাথে লুঙ্গি টাখ্নুর নীচে ঝুলিয়ে পথ চলছিল। এই অবস্থায় তাকে যমীনে ধ্বসিয়ে দেয়া হল এবং কিয়ামত পর্যন্ত সে এমনি অবস্থায় নীচের দিকেই যেতে থাকবে। ‘আবদুর রহমান ইবনু খালিদ (রহ.) ইমাম যুহরী (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় ইউনুস (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৭৫৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن محمد، اخبرنا عبيد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، اخبرني سالم، ان ابن عمر، حدثه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " بينما رجل يجر ازاره من الخيلاء خسف به، فهو يتجلجل في الارض الى يوم القيامة ". تابعه عبد الرحمن بن خالد عن الزهري