Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৬৩ হাদিসসমূহ
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মাসজিদ তৈরী করা হয়েছে? তিনি বললেন, মসজিদে হারাম। আমি বললাম, অতঃপর কোনটি? তিনি বললেন, মসজিদে আকসা। আমি বললাম, উভয় মসজিদের (তৈরীর) মাঝে কত ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। অতঃপর তোমার যেখানেই সালাতের সময় হবে, সেখানেই সালাত আদায় করে নিবে। কেননা এর মধ্যে ফযীলত নিহিত রয়েছে। (৩৪২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الاعمش، حدثنا ابراهيم التيمي، عن ابيه، قال سمعت ابا ذر رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله، اى مسجد وضع في الارض اول قال " المسجد الحرام ". قال قلت ثم اى قال " المسجد الاقصى ". قلت كم كان بينهما قال " اربعون سنة، ثم اينما ادركتك الصلاة بعد فصله، فان الفضل فيه
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। ওহুদ পর্বত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি বললেন, এ পর্বত আমাদের ভালবাসে আর আমরাও তাকে ভালবাসি। হে আল্লাহ! ইবরাহীম (আঃ) মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন আর আমি হারাম ঘোষণা করছি এর দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী স্থানকে (মদিনাকে)। এ হাদীসটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عمرو بن ابي عمرو، مولى المطلب عن انس بن مالك رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له احد فقال " هذا جبل يحبنا ونحبه، اللهم ان ابراهيم حرم مكة، واني احرم ما بين لابتيها ". رواه عبد الله بن زيد عن النبي صلى الله عليه وسلم
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [আয়িশা (রাঃ)-কে বলেছেন, তুমি কি জান তোমার কাউম যখন কা’বা ঘর নির্মাণ করেছে, তখন তারা ইবরাহীম (আঃ)-এর ভিত্তি হতে তা ছোট করেছে? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি তা ইবরাহীম (আঃ)-এর ভিত্তির উপর পুনর্নির্মাণ করবেন না? তিনি বললেন, যদি তোমার কাওম কুফরী হতে অল্পকাল আগে আগত না হতো। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বললেন, যদি ‘আয়িশাহ (রাঃ) এ হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনে থাকেন, তবে আমি মনে করি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতীমে কা’বার সংলগ্ন দু’টি কোণকে চুমু দেয়া একমাত্র এ কারণে পরিহার করেছেন যে, কা’বার ঘর ইবরাহীম (আঃ)-এর ভিত্তির উপর পুরাপুরি নির্মাণ করা হয়নি। রাবী ইসমাঈল (রহ.) বলেন, ইবনু আবূ বাকর হলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর। (১২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان ابن ابي بكر، اخبر عبد الله بن عمر، عن عايشة رضى الله عنهم زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الم ترى ان قومك بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد ابراهيم ". فقلت يا رسول الله، الا تردها على قواعد ابراهيم. فقال " لولا حدثان قومك بالكفر ". فقال عبد الله بن عمر لين كانت عايشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما ارى ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر الا ان البيت لم يتمم على قواعد ابراهيم. وقال اسماعيل عبد الله بن محمد بن ابي بكر
আবূ হুমাইদ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পাঠ করব? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এভাবে পড়বে, হে আল্লাহ! (আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা সাল্লাইতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘ আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা বা-রাক্তা ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ) আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর, তাঁর স্ত্রীগণের উপর এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত নাযিল করুন, যেরূপ আপনি রহমত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (আঃ)-এর বংশধরদের উপর। আর আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর, তাঁর স্ত্রীগণের উপর এবং তাঁর বংশধরগণের উপর এমনিভাবে বরকত নাযিল করুন যেমনি আপনি বরকত নাযিল করেছেন ইবরাহীম (আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয় আপনি অতি প্রশংসিত এবং অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী। (৬৩৬০) (মুসলিম৩/১৭ , আহমাদ ২৩৬৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك بن انس، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن ابيه، عن عمرو بن سليم الزرقي، اخبرني ابو حميد الساعدي رضى الله عنه انهم قالوا يا رسول الله كيف نصلي عليك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قولوا اللهم صل على محمد وازواجه وذريته، كما صليت على ال ابراهيم، وبارك على محمد وازواجه وذريته، كما باركت على ال ابراهيم، انك حميد مجيد
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কা‘ব ইবনু উজরা (রাঃ) আমার সঙ্গে দেখা করে বললেন, আমি কি আপনাকে এমন একটি হাদিয়া দেব না যা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি? আমি বললাম, হাঁ, আপনি আমাকে সে হাদিয়া দিন। তিনি বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাদের উপর অর্থাৎ আহলে বাইতের উপর কিভাবে দরূদ পাঠ করতে হবে? কেননা, আল্লাহ তো (কেবল) আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন, আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাম করব। তিনি বললেন, তোমরা এভাবে বল, ‘‘হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেরূপ আপনি ইবরাহীম (আঃ) এবং তাঁর বংশধরদের উপর রহমত বর্ষণ করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অত্যন্ত মর্যাদার অধিকারী। হে আল্লাহ! মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বংশধরদের উপর তেমনি বরকত দান করুন যেমনি আপনি বরকত দান করেছেন ইবরাহীম (আঃ) এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর বংশধরদের উপর। নিশ্চয়ই আপনি অতি প্রশংসিত, অতি মর্যাদার অধিকারী। (৪৭৯৭, ৬৩৫৭) (মুসলিম ৩/১৭ হাঃ ৪০৬, আহমাদ ১৮১৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قيس بن حفص، وموسى بن اسماعيل، قالا حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا ابو قرة، مسلم بن سالم الهمداني قال حدثني عبد الله بن عيسى، سمع عبد الرحمن بن ابي ليلى، قال لقيني كعب بن عجرة فقال الا اهدي لك هدية سمعتها من النبي، صلى الله عليه وسلم فقلت بلى، فاهدها لي. فقال سالنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا يا رسول الله كيف الصلاة عليكم اهل البيت فان الله قد علمنا كيف نسلم. قال " قولوا اللهم صل على محمد، وعلى ال محمد، كما صليت على ابراهيم وعلى ال ابراهيم، انك حميد مجيد، اللهم بارك على محمد، وعلى ال محمد، كما باركت على ابراهيم، وعلى ال ابراهيم، انك حميد مجيد
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান এবং হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য নিম্নোক্ত দু‘আ পড়ে পানাহ চাইতেন আর বলতেন, তোমাদের পিতা ইবরাহীম (আঃ) ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ)-এর জন্য দু‘আ পড়ে পানাহ চাইতেন। আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমার দ্বারা প্রত্যেক শয়তান, বিষাক্ত প্রাণী এবং প্রত্যেক কুদৃষ্টির অনিষ্ট হতে পানাহ চাচ্ছি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن المنهال، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يعوذ الحسن والحسين ويقول " ان اباكما كان يعوذ بها اسماعيل واسحاق، اعوذ بكلمات الله التامة من كل شيطان وهامة، ومن كل عين لامة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইবরাহীম (আঃ) তাঁর অন্তরের প্রশান্তির জন্য মৃতকে কিভাবে জীবিত করা হবে, এ সম্পর্কে আল্লাহর নিকট জিজ্ঞেস করেছিলেন, (সন্দেহবশত নয়) যদি ‘‘সন্দেহ’’ বলে অভিহিত করা হয় তবে এরূপ ‘‘সন্দেহ’’ এর ব্যাপারে আমরা ইবরাহীম (আঃ)-এর চেয়ে অধিক উপযোগী। যখন ইবরাহীম (আঃ) বলেছিলেন, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে দেখিয়ে দিন, আপনি কিভাবে মৃতকে জীবিত করেন। আল্লাহ বললেন, তুমি কি বিশ্বাস কর না? তিনি বললেন, হাঁ। তা সত্ত্বেও যাতে আমার অন্তর প্রশান্তি লাভ করে- (আল-বাকারাহঃ ২৬০)। অতঃপর [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লূত (আঃ)-এর ঘটনা উল্লেখ করে বললেন।) আল্লাহ লূত (আঃ)-এর প্রতি রহম করুন। তিনি একটি সুদৃঢ় খুঁটির আশ্রয় চেয়েছিলেন আর আমি যদি কারাগারে এত দীর্ঘ সময় থাকতাম যত দীর্ঘ সময় ইউসুফ (আঃ) কারাগারে ছিলেন তবে তার (বাদশাহর) ডাকে সাড়া দিতাম।১ (৩৩৭৫, ৩৩৮৭, ৪৫৩৭, ৪৬৯৪, ৬৯৯২) (মুসলিম ১/৬৯ হাঃ ১৫১, আহমাদ ৮৩৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، وسعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " نحن احق من ابراهيم اذ قال {رب ارني كيف تحيي الموتى قال اولم تومن قال بلى ولكن ليطمين قلبي} ويرحم الله لوطا، لقد كان ياوي الى ركن شديد ولو لبثت في السجن طول ما لبث يوسف لاجبت الداعي
সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলাম গোত্রের একদল লোকের কাছ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তারা তীরন্দাজীর প্রতিযোগিতা করছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে বনী ইসমাঈল! তোমরা তীরন্দাজী করে দাও। কেননা তোমাদের পূর্বপুরুষ তীরন্দাজ ছিলেন। সুতরাং তোমরাও তীরন্দাজী করে যাও আর আমি অমুক গোত্রের লোকদের সঙ্গে আছি। রাবী বলেন, তাদের এক পক্ষ হাত চালনা হতে বিরত হয়ে গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের কী হল, তোমরা যে তীরন্দাজী করছ না? তখন তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কিভাবে তীর ছুঁড়তে পারি, অথচ আপনি তো তাদের সঙ্গে রয়েছেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা তীর ছুঁড়তে থাক, আমি তোমাদের সবার সঙ্গেই আছি। (২৮৯৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا حاتم، عن يزيد بن ابي عبيد، عن سلمة بن الاكوع رضى الله عنه قال مر النبي صلى الله عليه وسلم على نفر من اسلم ينتضلون، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ارموا بني اسماعيل، فان اباكم كان راميا، وانا مع بني فلان ". قال فامسك احد الفريقين بايديهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لكم لا ترمون ". فقالوا يا رسول الله، نرمي وانت معهم قال " ارموا وانا معكم كلكم
بَابُ قِصَّةِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيْمَ عَلَيْهِمَا السَّلَام ৬০/১৩ অধ্যায় : নবী ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (আঃ)-এর ঘটনা। فِيْهِ ابْنُ عُمَرَ وَأَبُوْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم এ সম্পর্কে ইবনু ‘উমার ও আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ৩৩৭৪. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হল যে, লোকদের মধ্যে অধিক সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, তাদের মধ্যে যে সবচেয়ে অধিক আল্লাহ ভীরু, সে সবচেয়ে অধিক সম্মানিত। সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর নবী! আমরা আপনাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তা হলে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি হলেন আল্লাহর নবী ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নবী (ইয়াকুব) ইবনু আল্লাহর নবী (ইসহাক) ইবনু আল্লাহর খালীল ইবরাহীম (আঃ)। তাঁরা বললেন, আমরা এ সম্পর্কেও জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তবে কি তোমরা আমাকে আরবদের উচ্চ বংশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছ? তারা বলল, হাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জাহিলিয়াতের যুগে তোমাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি ছিলেন ইসলাম গ্রহণের পরও তারাই সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি, যদি তাঁরা ইসলামের জ্ঞান অর্জন করে থাকেন। (৩৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، سمع المعتمر، عن عبيد الله، عن سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قيل للنبي صلى الله عليه وسلم من اكرم الناس قال " اكرمهم اتقاهم ". قالوا يا نبي الله، ليس عن هذا نسالك. قال " فاكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله ". قالوا ليس عن هذا نسالك. قال " فعن معادن العرب تسالوني ". قالوا نعم. قال " فخياركم في الجاهلية خياركم في الاسلام اذا فقهوا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ লূত (আঃ)-কে মাফ করুন। তিনি একটি মজবুত খুঁটির আশ্রয় চেয়েছিলেন। (৩৩৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال {يغفر الله للوط ان كان لياوي الى ركن شديد}
بِرُكْنِهِ بِمَنْ مَعَهُ لِأَنَّهُمْ قُوَّتُهُ تَرْكَنُوْا تَمِيْلُوْا فَأَنْكَرَهُمْ وِ نَكِرَهُمْ وَاسْتَنْكَرَهُمْ وَاحِدٌ يُهْرَعُوْنَ يُسْرِعُوْنَ دَابِرٌ آخِرٌ صَيْحَةٌ هَلَكَةٌ لِلْمُتَوَسِّمِيْنَ لِلنَّاظِرِيْنَ لَبِسَبِيْلٍ لَبِطَرِيْقٍ أَنْكَرَهُمْ - نَكِرَهُمْ - اسْتَنْكَرَهُمْ একই অর্থে ব্যবহৃত يُهْرَعُوْنَ অর্থ দ্রুত চলল دَابِرٌ অর্থ শেষ صَيْحَةٌ অর্থ ধ্বংস لِلْمُتَوَسِّمِيْنَ অর্থ প্রত্যক্ষকারীদের জন্য لَبِسَبِيْلٍ অর্থ রাস্তার। ৩৩৭৬. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম فَهَلْ مِنْ مُدَّكِرٍ পড়েছেন। (৩৩৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمود، حدثنا ابو احمد، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن الاسود، عن عبد الله رضى الله عنه قال قرا النبي صلى الله عليه وسلم {فهل من مدكر}
الْحِجْرُ مَوْضِعُ ثَمُوْدَ وَأَمَّا حَرْثٌ حِجْرٌ حَرَامٌ وَكُلُّ مَمْنُوعٍ فَهُوَ حِجْرٌ مَحْجُوْرٌ وَالْحِجْرُ كُلُّ بِنَاءٍ بَنَيْتَهُ وَمَا حَجَرْتَ عَلَيْهِ مِنْ الأَرْضِ فَهُوَ حِجْرٌ وَمِنْهُ سُمِّيَ حَطِيْمُ الْبَيْتِ حِجْرًا كَأَنَّهُ مُشْتَقٌّ مِنْ مَحْطُومٍ مِثْلُ قَتِيْلٍ مِنْ مَقْتُوْلٍ وَيُقَالُ لِلْأُنْثَى مِنْ الْخَيْلِ الْحِجْرُ وَيُقَالُ لِلْعَقْلِ حِجْرٌ وَحِجًى وَأَمَّا حَجْرُ الْيَمَامَةِ فَهُوَ مَنْزِلٌ الْحِجْرُ হিজর সামূদ সম্প্রদায়ের বসবাসের স্থান। حَرْثٌ حِجْرٌ অর্থ নিষিদ্ধ ক্ষেত। প্রত্যেক নিষিদ্ধ বস্তুকে حِجْرٌ বলা হয়। আর এ অর্থেই مَحْجُوْرٌ বলা হয়ে থাকে। الْحِجْرُ তুমি যে সব ভবন নির্মাণ কর। তুমি যমীনের যে অংশ ঘেরাও করে রাখ তাও حِجْرٌ। এ কারণেই হাতীমে কা‘বাকে حِجْرٌ নামে অভিহিত করা হয়। তা যেন حَطِيْمُ শব্দটি مَحْطُوم অর্থে ব্যবহৃত যেমন قَتِيْلٍ শব্দটি مَقْتُوْل অর্থে ব্যবহৃত। ঘোটকীকেও حِجْرٌ বলা হয়। আর বুদ্ধি-বিবেকের অর্থে حِجْرٌ وَحِجًى বলা হয়। তবে حَجْرُ الْيَمَامَةِ একটি স্থানের নাম। ৩৩৭৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি এবং তিনি যে লোক [সালিহ (আঃ)-এর] উটনী কেটেছিলেন তার উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, উটনীকে হত্যা করার জন্য এমন এক লোক (কিদার) তৈরী হয়েছিল যে তার গোত্রের ভিতর প্রভাবশালী ও শক্তিশালী ছিল, যেমন ছিল আবূ যাম‘আহ। (৪৯৪২, ৫২০৪, ৬০৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عبد الله بن زمعة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم. وذكر الذي عقر الناقة قال " انتدب لها رجل ذو عز ومنعة في قوة كابي زمعة
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাবুকের যুদ্ধের সময় যখন হিজর নামক স্থানে অবতরণ করলেন, তখন তিনি সাহাবীগণকে নির্দেশ করলেন, তাঁরা যেন এখানের কূপের পানি পান না করে এবং মশকেও পানি না ভরে। তখন সাহাবীগণ বললেন, আমরা তো এর পানি দ্বারা রুটির আটা গুলে ফেলেছি এবং পানিও ভরে রেখেছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে সেই গুলানো আটা ফেলে দেয়ার এবং পানি ঢেলে দেয়ার নির্দেশ দিলেন। সাবরা ইবনু মা‘বাদ এবং আবুশ শামূস (রহ.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্য ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আর আবূ যার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, এর পানি দ্বারা যে আটা গুলেছে (তা ফেলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন)। (৩৩৭৯) (মুসলিম ৫৩/১ হাঃ ২৯৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن مسكين ابو الحسن، حدثنا يحيى بن حسان بن حيان ابو زكرياء، حدثنا سليمان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما نزل الحجر في غزوة تبوك امرهم ان لا يشربوا من بيرها، ولا يستقوا منها فقالوا قد عجنا منها، واستقينا. فامرهم ان يطرحوا ذلك العجين ويهريقوا ذلك الماء. ويروى عن سبرة بن معبد وابي الشموس ان النبي صلى الله عليه وسلم امر بالقاء الطعام. وقال ابو ذر عن النبي صلى الله عليه وسلم " من اعتجن بمايه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সামূদ জাতির আবাসস্থল ‘হিজর’ নামক স্থানে অবতরণ করলেন আর তখন তারা এর কূপের পানি মশকে ভরে রাখলেন এবং এ পানি দ্বারা আটা গুলে নিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে হুকুম দিলেন, তারা ঐ কূপ হতে যে পানি ভরে রেখেছে, তা যেন ফেলে দেয় আর পানিতে গুলা আটা যেন উটগুলোকে খাওয়ায় আর তিনি তাদের আদেশ করলেন তারা যেন ঐ কূপ হতে মশক ভরে যেখান হতে [সালিহ (আঃ)]-এর উটনীটি পানি পান করত। উসামাহ (রহ.) নাফি (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন। (৩৩৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا انس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، ان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما اخبره ان الناس نزلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ارض ثمود الحجر، فاستقوا من بيرها، واعتجنوا به، فامرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يهريقوا ما استقوا من بيرها، وان يعلفوا الابل العجين، وامرهم ان يستقوا من البير التي كان تردها الناقة. تابعه اسامة عن نافع
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘হিজ্র’ নামক স্থান অতিক্রম করলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা এমন লোকদের আবাস স্থল প্রবেশ করো না যারা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করেছে। প্রবেশ করলে, ক্রন্দনরত অবস্থায়, যেন তাদের প্রতি যে বিপদ এসেছিল তোমাদের প্রতি সে রকম বিপদ না আসে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় নিজ চাদর দিয়ে চেহারা ঢেকে নিলেন। (৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد، اخبرنا عبد الله، عن معمر، عن الزهري، قال اخبرني سالم بن عبد الله، عن ابيه رضى الله عنهم ان النبي صلى الله عليه وسلم لما مر بالحجر قال " لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا الا ان تكونوا باكين، ان يصيبكم ما اصابهم ". ثم تقنع بردايه، وهو على الرحل
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা একমাত্র ক্রন্দনরত অবস্থায়ই এমন লোকদের আবাসস্থলে প্রবেশ করবে যারা নিজেরাই নিজেদের উপর জুলুম করেছে। তাদের উপর যে মুসিবত আপতিত হয়েছিল তোমাদের উপরও যেন সে মুসিবত না আসে। (৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله، حدثنا وهب، حدثنا ابي، سمعت يونس، عن الزهري، عن سالم، ان ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تدخلوا مساكن الذين ظلموا انفسهم الا ان تكونوا باكين، ان يصيبكم مثل ما اصابهم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সম্মানী ব্যক্তি- যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান, যিনি সম্মানী ব্যক্তির সন্তান। তিনি হলেন, ইউসুফ ইবনু ইয়া‘কূব ইবনু ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (আলাইহিমুস সালাম)। (৩৩৯০, ৪৬৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا عبد الصمد، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله، عن ابيه، عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " الكريم ابن الكريم ابن الكريم ابن الكريم يوسف ابن يعقوب بن اسحاق بن ابراهيم عليهم السلام
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মানুষের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ব্যক্তি কে? তিনি উত্তর দিলেন, তাদের মধ্যে যে আল্লাহকে সবচেয়ে অধিক ভয় করে। তারা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করিনি। তিনি বললেন, তাহলে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ব্যক্তি হলেন, আল্লাহর নবী ইউসুফ ইবনু আল্লাহর নবী ইবনু আল্লাহর নবী ইবনু আল্লাহর খালিল (আঃ)। তাঁরা বললেন, আমরা আপনাকে এ বিষয়েও জিজ্ঞেস করিনি। তখন তিনি বললেন, তাহলে তোমরা আমার নিকট আরবের খণি অর্থাৎ গোত্রগুলোর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছ? (তাহলে শুন) মানুষ খণি বিশেষ, জাহিলিয়্যাতের যুগে যারা তাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি ছিল, ইসলামেও তারা সর্বোত্তম ব্যক্তি, যদি তারা ইসলামী জ্ঞান লাভ করে। (৩৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩১৪১) আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ রকমই বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩৩ এর শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبيد بن اسماعيل، عن ابي اسامة، عن عبيد الله، قال اخبرني سعيد بن ابي سعيد، عن ابي هريرة رضى الله عنه سيل رسول الله صلى الله عليه وسلم من اكرم الناس قال " اتقاهم لله ". قالوا ليس عن هذا نسالك. قال " فاكرم الناس يوسف نبي الله ابن نبي الله ابن نبي الله ابن خليل الله ". قالوا ليس عن هذا نسالك. قال " فعن معادن العرب تسالوني، الناس معادن خيارهم في الجاهلية خيارهم في الاسلام اذا فقهوا ". حدثني محمد بن سلام اخبرنا عبدة عن عبيد الله عن سعيد عن ابي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেছেন, আবূ বাকর (রাঃ)-কে বল, তিনি যেন লোকদের সালাতে ইমামতি করেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক। যখন আপনার জায়গায় তিনি দাঁড়াবেন, তখন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিগলিত অন্তর হয়ে পড়বেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় একই কথা করলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) আবারও সেই উত্তর দিলেন, শু‘বাহ (রহ.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয় অথবা চতুর্থবার বললেন, [হে ‘আয়িশাহ]! তোমরা ইউসুফ (আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত। আবূ বাকরকে বল (তিনি যেন লোকদেও সালাতে ইমামতি করেন)। (১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بدل بن المحبر، اخبرنا شعبة، عن سعد بن ابراهيم، قال سمعت عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لها " مري ابا بكر يصلي بالناس ". قالت انه رجل اسيف، متى يقم مقامك رق. فعاد فعادت، قال شعبة فقال في الثالثة او الرابعة " انكن صواحب يوسف، مروا ابا بكر
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লেন, তখন তিনি বললেন, আবূ বাকরকে বল, তিনি যেন লোকদের সালাত আদায় করিয়ে দেন। তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, আবূ বাকর (রাঃ) তো এ রকম লোক। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুরূপ বললেন, তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) ও ঐরূপই বললেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ বাকরকে বল। হে আয়িশা! নিশ্চয় তোমরা ইউসুফ (আঃ)-এর ঘটনার নিন্দাকারী নারীদের মত হয়ে গেছ। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় ইমামত করলেন। বর্ণনাকারী হুসাইন (রহ.) যায়িদা (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন, এখানে رَجُلٌ كَذَا এর স্থলে رَجُلٌ رَقِيْقٌ আছে অর্থাৎ তিনি একজন কোমল হৃদয়ের লোক। (৬৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩১৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الربيع بن يحيى البصري، حدثنا زايدة، عن عبد الملك بن عمير، عن ابي بردة بن ابي موسى، عن ابيه، قال مرض النبي صلى الله عليه وسلم فقال " مروا ابا بكر فليصل بالناس ". فقالت ان ابا بكر رجل. فقال مثله فقالت مثله. فقال " مروه فانكن صواحب يوسف ". فام ابو بكر في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم. فقال حسين عن زايدة رجل رقيق