Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৩৬ হাদিসসমূহ
সাহল ইবনু সা‘দ আস্সা‘য়িদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জান্নাতে চাবুক পরিমাণ সামান্য জায়গাও দুনিয়া এবং এর মধ্যে যা আছে তার থেকে উত্তম।’ (২৭৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد الساعدي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " موضع سوط في الجنة خير من الدنيا وما فيها
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জান্নাতে এমন একটি গাছ আছে, যার ছায়ায় কোন আরোহী শত বছর পর্যন্ত চললেও তা অতিক্রম করতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا روح بن عبد المومن، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، حدثنا انس بن مالك رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها ماية عام لا يقطعها
আর জান্নাতে তোমাদের কারও একটি ধনুকের পরিমাণ জায়গাও ঐ জায়গা অপেক্ষা অধিক উত্তম যেখানে সূর্য উদিত হয় আর সূর্য অস্তমিত হয় (অর্থাৎ পৃথিবীর চেয়ে)। (২৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২২ শেষাংশ)
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح بن سليمان، حدثنا هلال بن علي، عن عبد الرحمن بن ابي عمرة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها ماية سنة، واقرءوا ان شيتم {وظل ممدود}" «ولقاب قوس احدكم في الجنة خير مما طلعت عليه الشمس او تغرب»
আর জান্নাতে তোমাদের কারও একটি ধনুকের পরিমাণ জায়গাও ঐ জায়গা অপেক্ষা অধিক উত্তম যেখানে সূর্য উদিত হয় আর সূর্য অস্তমিত হয় (অর্থাৎ পৃথিবীর চেয়ে)। (২৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩০২২ শেষাংশ)
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح بن سليمان، حدثنا هلال بن علي، عن عبد الرحمن بن ابي عمرة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان في الجنة لشجرة يسير الراكب في ظلها ماية سنة، واقرءوا ان شيتم {وظل ممدود}" «ولقاب قوس احدكم في الجنة خير مما طلعت عليه الشمس او تغرب»
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথম যে দল জান্নাতে প্রবেশ করবে তাদের চেহারা পূর্ণিমা রাতের চাঁদের মত উজ্জ্বল হবে আর তাদের অনুগামী দলের চেহারা আকাশের উজ্জ্বল তারকার চেয়েও অধিক সুন্দর ও উজ্জ্বল হবে। তাদের অন্তরগুলো এক ব্যক্তির অন্তরের মত হবে। তাদের মধ্যে কোন বিদ্বেষ থাকবে না, কোন হিংসা থাকবে না, তাদের প্রত্যেকের জন্য ডাগর ডাগর চোখওয়ালা দু’জন করে এমন স্ত্রী থাকবে, যাদের পদ তলের অস্থি মজ্জা ও গোশ্ত ভেদ করে দেখা যাবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا محمد بن فليح، حدثنا ابي، عن هلال، عن عبد الرحمن بن ابي عمرة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم " اول زمرة تدخل الجنة على صورة القمر ليلة البدر، والذين على اثارهم كاحسن كوكب دري في السماء اضاءة، قلوبهم على قلب رجل واحد، لا تباغض بينهم ولا تحاسد، لكل امري زوجتان من الحور العين، يرى مخ سوقهن من وراء العظم واللحم
বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এর ছেলে) ইব্রাহীম (রাঃ) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি বলেন, জান্নাতে এর এক ধাত্রী আছে। (১৩৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا شعبة، قال عدي بن ثابت اخبرني قال سمعت البراء رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لما مات ابراهيم قال " ان له مرضعا في الجنة
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অবশ্যই জান্নাতবাসীরা তাদের উপরের বালাখানার বাসিন্দাদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিকে উজ্জ্বল দীপ্তিমান নক্ষত্র দেখতে পাও। এটা হবে তাদের মধ্যে মর্যাদার পার্থক্যের কারণে। সাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এ তো নবীগণের জায়গা। তাদের ব্যতীত অন্যরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, সে সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যেসব লোক আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে এবং রাসূলগণকে সত্য বলে স্বীকার করবে। (৬৫৫৬) (মুসলিম ৫১/৩ হাঃ ২৮৩১, আহমাদ ২২৯৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني مالك بن انس، عن صفوان بن سليم، عن عطاء بن يسار، عن ابي سعيد الخدري رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان اهل الجنة يتراءيون اهل الغرف من فوقهم كما يتراءيون الكوكب الدري الغابر في الافق من المشرق او المغرب، لتفاضل ما بينهم ". قالوا يا رسول الله، تلك منازل الانبياء لا يبلغها غيرهم قال " بلى والذي نفسي بيده، رجال امنوا بالله وصدقوا المرسلين
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الْجَنَّةِ فِيْهِ عُبَادَةُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন জিনিস জোড়া জোড়া দান করবে তাকে জান্নাতের দরজা থেকে ডাকা হবে। এ কথাটি ‘উবাদাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে বর্ণনা করেছেন। ৩২৫৭. সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘জান্নাতে আটটি দরজা। তার মধ্যে একটি দরজার নাম হবে রাইয়্যান। সাওম পালনকারী ছাড়া অন্য কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না।’ (১৮৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، حدثنا محمد بن مطرف، قال حدثني ابو حازم، عن سهل بن سعد رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " في الجنة ثمانية ابواب، فيها باب يسمى الريان لا يدخله الا الصايمون
غَسّٰقًا يُقَالُ غَسَقَتْ عَيْنُهُ وَيَغْسِقُ الْجُرْحُ وَكَأَنَّ الْغَسَاقَ وَالْغَسَيْقَ وَاحِدٌ غِسْلِيْنُ كُلُّ شَيْءٍ غَسَلْتَهُ فَخَرَجَ مِنْهُ شَيْءٌ فَهُوَ غِسْلِيْنُ فِعْلِيْنُ مِنْ الْغَسْلِ مِنْ الْجُرْحِ وَالدَّبَرِ وَقَالَ عِكْرِمَةُ حَصَبُ جَهَنَّمَ حَطَبُ بِالْحَبَشِيَّةِ وَقَالَ غَيْرهُ حَاصِبًا الرِّيحُ الْعَاصِفُ وَالْحَاصِبُ مَا تَرْمِيْ بِهِ الرِّيحُ وَمِنْهُ حَصَبُ جَهَنَّمَ يُرْمَى بِهِ فِيْ جَهَنَّمَ هُمْ حَصَبُهَا وَيُقَالُ حَصَبَ فِي الأَرْضِ ذَهَبَ وَالْحَصَبُ مُشْتَقٌّ مِنْ حَصْبَاءِ الْحِجَارَةِ صَدِيْدٌ قَيْحٌ وَدَمٌ خَبَتْ طَفِئَتْ تُوْرُوْنَ تَسْتَخْرِجُوْنَ أَوْرَيْتُ أَوْقَدْتُ لِلْمُقْوِيْنَ لِلْمُسَافِرِيْنَ وَالْقِيُّ الْقَفْرُ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ صِرَاطُ الْجَحِيْمِ سَوَاءُ الْجَحِيْمِ وَوَسَطُ الْجَحِيْمِ لَشَوْبًا مِّنْ حَمِيْمٍ يُخْلَطُ طَعَامُهُمْ وَيُسَاطُ بِالْحَمِيْمِ زَفِيْرٌ وَّشَهِيْقٌ صَوْتٌ شَدِيْدٌ وَصَوْتٌ ضَعِيْفٌ وِرْدًا عِطَاشًا غَيًّا خُسْرَانًا وَقَالَ مُجَاهِدٌ يُسْجَرُوْنَ تُوقَدُ بِهِمْ النَّارُ وَنُحَاسٌ الصُّفْرُ يُصَبُّ عَلَى رُءُوسِهِمْ يُقَالُ ذُوْقُوْا بَاشِرُوْا وَجَرِّبُوْا وَلَيْسَ هَذَا مِنْ ذَوْقِ الْفَمِ مَارِجٌ خَالِصٌ مِنْ النَّارِ مَرَجَ الأَمِيْرُ رَعِيَّتَهُ إِذَا خَلَاهُمْ يَعْدُوْ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ مَرِيْجٍ مُلْتَبِسٍ مَرِجَ أَمْرُ النَّاسِ اخْتَلَطَ مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ (الرحمن : 19) مَرَجْتَ دَابَّتَكَ تَرَكْتَهَا غَسَّاقًا প্রবাহিত পূঁজ যেমন কেউ বলে, তার চোখ প্রবাহিত হয়েছে ও ঘা প্রবাহিত হচ্ছে। غَسَاقُ আর غسيق একই অর্থ। غِسْلِيْنُ যে কোন বস্তুকে ধৌত করার পর তা হতে যা কিছু বের হয়, তাকে غِسْلِيْنُ বলা হয়, এটা غَسْلِ শব্দ হতে فِعْلِيْنُ -এর ওযনে হয়ে থাকে। ‘ইকরিমাহ (রহ.) বলেছেন, حَصَبُ جَهَنَّم এর অর্থ জাহান্নামের জ্বালানী। এটা হাবশীদের ভাষা। আর অন্যরা বলেছেন, حَاصِبًا অর্থ দমকা হাওয়া। আর الْحَاصِبُ অর্থ বায়ু যা ছুঁড়ে ফেলে। এ হতে হয়েছে حَصَبُ جَهَنَّم যার অর্থ হচ্ছে যা কিছু জাহান্নামে ছুঁড়ে ফেলা হয় আর এরাই এর জ্বালানী। الْحَصَبُ শব্দটি حَصْبَاء শব্দ হতে উৎপত্তি। যার অর্থ কংকরসমূহ। صَدِيْدٌ পূঁজ ও রক্ত। خَبَتْ নিভে গেছে। تُوْرُوْنَ তোমরা আগুন বের করছ। أَوْرَيْتُ অর্থ আমি আগুন জ্বালিয়েছি। لِلْمُقْوِيْنَ মুসাফিরগণের উপকারার্থে। আর الْقِيُّ তরুলতাহীন প্রান্তর। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, صِرَاطُ الْجَحِيْمِ অর্থ জাহান্নামের দিক ও তার মধ্যস্থল। لَشَوْبًا তাদের খাদ্য অতি গরম পানির সঙ্গে মিশানো হবে। زَفِيْرٌ وَشَهِيْقٌ কঠোর চিৎকার ও আর্তনাদ। وِرْدًا পিপাসার্ত। غَيًّا ক্ষতিগ্রস্ত। মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, يُسْجَرُوْنَ তাদের দ্বারা আগুন জ্বালানো হবে। আর نُحَاسٌ অর্থ শীশা যা গলিয়ে তাদের মাথায় ঢেলে দেয়া হবে। বলা হয়েছে ذُوقُوْا এর অর্থ স্বাদ গ্রহণ কর এবং অভিজ্ঞতা হাসিল কর। এটা কিন্তু মুখের দ্বারা সাদ গ্রহণ করা নয়। مَارِجٌ নির্ভেজাল অগ্নি। مَرَجَ الأَمِيْرُ رَعِيَّتَهُ আমীর তার প্রজাকে ছেড়ে দিয়েছে, কথাটি এ সময় বলা হয় যখন সে তাদেরকে ছেড়ে দেয় আর তারা একে অন্যের প্রতি শত্রুতা করতে থাকে। مَرِيْجٍ মিশ্রিত। مَرِجَ أَمْرُ النَّاسِ যখন মানুষের কোন বিষয় তালগোল পাকিয়ে যায়। আর مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ অর্থ তিনি দু’টি নদী প্রবাহিত করেছেন। مَرَجْتَ دَابَّتَكَ এ কথাটি সে সময় বলা হয়, যখন তুমি তোমার চতুষ্পদ জন্তুকে ছেড়ে দাও। ৩২৫৮. আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এক সফরে ছিলেন, তখন তিনি বললেন, ‘ঠান্ডা হতে দাও।’ আবার বললেন, ‘টিলাগুলোর ছায়া নীচে নেমে আসা পর্যন্ত ঠান্ডা হতে দাও।’ আবার বললেন, ‘সালাত ঠান্ডা হলে পরে আদায় করবে। কেননা, গরমের তীব্রতা জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়।’ (৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, সালাত ঠান্ডা হলে, পরে আদায় করবে। কেননা গরমের ভীষণতা জাহান্নামের উত্তাপ হতে হয়।’ (৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن ذكوان، عن ابي سعيد، رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ابردوا بالصلاة فان شدة الحر من فيح جهنم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জাহান্নাম তার রবের নিকট অভিযোগ করে বলেছে, হে রব! আমার এক অংশ অপর অংশকে খেয়ে ফেলেছে। তখন তিনি তাকে দু’টি নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি প্রদান করেন। একটি নিঃশ্বাস শীতকালে আর একটি নিঃশ্বাস গ্রীষ্মকালে। কাজেই তোমরা গরমের তীব্রতা এবং শীতের তীব্রতা পেয়ে থাক।’ (৫৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني ابو سلمة بن عبد الرحمن، انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشتكت النار الى ربها، فقالت رب اكل بعضي بعضا، فاذن لها بنفسين نفس في الشتاء ونفس في الصيف، فاشد ما تجدون في الحر، واشد ما تجدون من الزمهرير
আবূ জামরাহ যুবা‘য়ী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মক্কা্য় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট বসতাম। একবার আমি জ্বরাক্রান্ত হই। তখন তিনি আমাকে বললেন, ‘তুমি তোমার গায়ের জ্বর যমযমের পানি দিয়ে ঠান্ডা কর।’ কারণ, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এটা জাহান্নামের উত্তাপ হতেই হয়ে থাকে। কাজেই তোমরা তা পানি দিয়ে ঠান্ডা কর অথবা বলেছেন, যমযমের পানি দিয়ে ঠান্ডা কর। এ বিষয়ে বর্ণনাকারী হাম্মাম সন্দেহ পোষণ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عامر، حدثنا همام، عن ابي جمرة الضبعي، قال كنت اجالس ابن عباس بمكة، فاخذتني الحمى، فقال ابردها عنك بماء زمزم، فان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء ". او قال " بماء زمزم ". شك همام
রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, ‘জ্বরের উৎপত্তি হয় জাহান্নামের ভীষণ উত্তাপ হতে। অতএব তোমাদের গায়ের সে তাপ পানি দ্বারা ঠান্ডা কর।’ (৫৭২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن ابيه، عن عباية بن رفاعة، قال اخبرني رافع بن خديج، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " الحمى من فور جهنم، فابردوها عنكم بالماء
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জ্বর হয় জাহান্নামের উত্তাপ থেকে। কাজেই তোমরা তা পানি দিয়ে ঠান্ডা কর।’ (৫৭২৫) (মুসলিম ৩৯/২৬ হাঃ ২২১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مالك بن اسماعيل، حدثنا زهير، حدثنا هشام، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الحمى من فيح جهنم، فابردوها بالماء
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘জ্বর হয় জাহান্নামের উত্তাপ থেকে, কাজেই তোমরা পানি দিয়ে তা ঠান্ডা কর।’ (৫৭২৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، عن يحيى، عن عبيد الله، قال حدثني نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الحمى من فيح جهنم فابردوها بالماء
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের আগুন জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের একভাগ মাত্র। বলা হল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! জাহান্নামীদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য দুনিয়ার আগুনই তো যথেষ্ট ছিল।’ তিনি বললেন, ‘দুনিয়ার আগুনের উপর জাহান্নামের আগুনের তাপ আরো ঊনসত্তর গুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে, প্রত্যেক অংশে তার সম পরিমাণ উত্তাপ রয়েছে।’ (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، قال حدثني مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ناركم جزء من سبعين جزءا من نار جهنم ". قيل يا رسول الله، ان كانت لكافية. قال " فضلت عليهن بتسعة وستين جزءا، كلهن مثل حرها
ইয়া‘লা (রহ.) এর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বারে তিলাওয়াত করতে শুনেছেন, ‘‘আর তারা ডাকবে, হে মালিক।’’ (যুখরুফ : ৭৭) (৩২৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع عطاء، يخبر عن صفوان بن يعلى، عن ابيه، انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقرا على المنبر {ونادوا يا مالك}
আবূ ওয়াইল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসামাহ (রাঃ)-কে বলা হল, কত ভাল হত! যদি আপনি ঐ ব্যক্তির (উসমান (রাঃ)-এর নিকট যেতেন এবং তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতেন। উত্তরে তিনি বললেন, আপনারা মনে করছেন যে আমি তাঁর সঙ্গে আপনাদেরকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলব। অথচ আমি তাঁর সঙ্গে (দাঙ্গা দমনের ব্যাপারে) গোপনে আলোচনা করছি, যেন আমি একটি দ্বার খুলে না বসি। আমি দ্বার উন্মুক্তকারীর প্রথম ব্যক্তি হতে চাই না। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হতে কিছু শুনেছি, যার পরে আমি কোন ব্যক্তিকে যিনি আমাদের আমীর নির্বাচিত হয়েছেন এ কারণে তিনি আমাদের সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি এ কথা বলতে পারি না। লোকেরা তাঁকে বলল, আপনি তাঁকে কী বলতে শুনেছেন? উসামাহ (রাঃ) বললেন, আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে আনা হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তখন আগুনে পুড়ে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে যাবে। এ সময় সে ঘুরতে থাকবে যেমন গাধা তার চাকা নিয়ে তার চারপাশে ঘুরতে থাকে। তখন জাহান্নামবাসীরা তার নিকট একত্রিত হয়ে তাকে বলবে, হে অমুক ব্যক্তি! তোমার এ অবস্থা কেন? তুমি না আমাদেরকে সৎ কাজের আদেশ করতে আর অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করতে? সে বলবে, আমি তোমাদেরকে সৎ কাজে আদেশ করতাম বটে, কিন্তু আমি তা করতাম না আর আমি তোমাদেরকে অন্যায় কাজ হতে নিষেধ করতাম, অথচ আমিই তা করতাম। এ হাদীসটি গুনদার (রহ.) শুবা (রহ.) সূত্রে আ‘মাশ (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন। (৭০৯৮) (মুসলিম ৫৩/৭ হাঃ ২৯৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن ابي وايل،، قال قيل لاسامة لو اتيت فلانا فكلمته. قال انكم لترون اني لا اكلمه الا اسمعكم، اني اكلمه في السر دون ان افتح بابا لا اكون اول من فتحه، ولا اقول لرجل ان كان على اميرا انه خير الناس بعد شىء سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم. قالوا وما سمعته يقول قال سمعته يقول " يجاء بالرجل يوم القيامة فيلقى في النار، فتندلق اقتابه في النار، فيدور كما يدور الحمار برحاه، فيجتمع اهل النار عليه، فيقولون اى فلان، ما شانك اليس كنت تامرنا بالمعروف وتنهى عن المنكر قال كنت امركم بالمعروف ولا اتيه، وانهاكم عن المنكر واتيه ". رواه غندر عن شعبة عن الاعمش
وَقَالَ مُجَاهِدٌ يُقْذَفُوْنَ يُرْمَوْنَ دُحُوْرًا مَطْرُوْدِيْنَ وَاصِبٌ دَائِمٌ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَدْحُوْرًا مَطْرُوْدًا يُقَالُ مَرِيْدًا مُتَمَرِّدًا بَتَّكَهُ قَطَّعَهُ وَاسْتَفْزِزْ اسْتَخِفَّ بِخَيْلِكَ الْفُرْسَانُ وَالرَّجْلُ الرَّجَّالَةُ وَاحِدُهَا رَاجِلٌ مِثْلُ صَاحِبٍ وَصَحْبٍ وَتَاجِرٍ وَتَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ لَاسْتَأْصِلَنَّ قَرِيْنٌ شَيْطَانٌ মুজাহিদ (রহ.) বলেন, يُقْذَفُوْنَ তাদের নিক্ষেপ করা হবে। دُحُوْرًا তাদের হাঁকিয়ে বের করে দেয়া হবে। وَاصِبٌ স্থায়ী। আর ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, مَدْحُوْرًا হাঁকিয়ে বের করা অবস্থায়। مَرِيْدًا বিদ্রোহীরূপে। بَتَّكَهُ তাকে ছিন্ন করেছে। وَاسْتَفْزِزْ তুমি ভয় দেখাও। بِخَيْلِكَ অশ্বারোহী। وَالرَّجْلُ পদাতিকগণ। এর একবচন رَاجِلٌ যেমন صَاحِب এর বহুবচন صَحْب আর تَاجِر এর বহুবচনاتَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ অবশ্যই আমি সমূলে উৎপাটন করব। قَرِيْنٌ শয়তান। ৩২৬৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যাদু করা হয়েছিল। লায়স (রহ.) বলেন, আমার নিকট হিশাম পত্র লিখেন, তাতে লেখা ছিল যে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে হাদীস শুনেছেন এবং তা ভালভাবে মুখস্থ করেছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যাদু করা হয়। এমনকি যাদুর প্রভাবে তাঁর খেয়াল হতো যে, তিনি স্ত্রীগণের বিষয়ে কোন কাজ করে ফেলেছেন অথচ তিনি তা করেননি। শেষ পর্যন্ত একদা তিনি রোগ আরোগ্যের জন্য বারবার দু‘আ করলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি জান আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমার রোগের আরোগ্য আছে? আমার নিকট দু’জন লোক আসল। তাদের একজন মাথার নিকট বসল আর অপরজন আমার পায়ের নিকট বসল। অতঃপর একজন অন্যজনকে জিজ্ঞেস করল, এ ব্যক্তির রোগটা কী? জিজ্ঞাসিত লোকটি জবাব দিল, তাকে যাদু করা হয়েছে। প্রথম লোকটি বলল, তাকে যাদু কে করল? সে বলল, লবীদ ইবনু আ‘সাম। প্রথম ব্যক্তি বলল, কিসের দ্বারা? দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, তাকে যাদু করা হয়েছে, চিরুনি, সুতার তাগা এবং খেজুরের খোসায়। প্রথম ব্যক্তি জিজ্ঞেস করল, এগুলো কোথায় আছে? দ্বিতীয় ব্যক্তি জবাব দিল, যারওয়ান কূপে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে গেলেন এবং ফিরে আসলেন, অতঃপর তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললেন, কূপের কাছের খেজুর গাছগুলো যেন এক একটা শয়তানের মাথা। তখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সেই যাদু করা জিনিসগুলো বের করতে পেরেছেন? তিনি বলেন, না। তবে আল্লাহ আমাকে আরোগ্য দিয়েছেন। আমার আশংকা হয়েছিল এসব জিনিস বের করলে মানুষের মধ্যে ফাসাদ সৃষ্টি হতে পারে। অতঃপর সেই কূপটি বন্ধ করে দেয়া হল। (৩১৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن موسى، اخبرنا عيسى، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم. وقال الليث كتب الى هشام انه سمعه ووعاه عن ابيه عن عايشة قالت سحر النبي صلى الله عليه وسلم حتى كان يخيل اليه انه يفعل الشىء وما يفعله، حتى كان ذات يوم دعا ودعا، ثم قال " اشعرت ان الله افتاني فيما فيه شفايي اتاني رجلان، فقعد احدهما عند راسي والاخر عند رجلى، فقال احدهما للاخر ما وجع الرجل قال مطبوب. قال ومن طبه قال لبيد بن الاعصم. قال في ماذا قال في مشط ومشاقة وجف طلعة ذكر. قال فاين هو قال في بير ذروان ". فخرج اليها النبي صلى الله عليه وسلم ثم رجع فقال لعايشة حين رجع " نخلها كانها رءوس الشياطين ". فقلت استخرجته فقال " لا اما انا فقد شفاني الله، وخشيت ان يثير ذلك على الناس شرا، ثم دفنت البير
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন নিদ্রা যায় তখন শয়তান তার মাথার শেষভাগে তিনটি করে গিরা দিয়ে দেয়। প্রত্যেক গিরার সময় এ কথা বলে কুমন্ত্রণা দেয় যে, এখনো রাত অনেক রয়ে গেছে, কাজেই শুয়ে থাক। অতঃপর সে লোক যদি জেগে উঠে এবং আল্লাহকে স্মরণ করে তখন একটি গিরা খুলে যায়। অতঃপর যদি সে উযূ করে, তবে দ্বিতীয় গিরাও খুলে যায়। আর যদি সে সালাত আদায় করে তবে সব কয়টি গিরাই খুলে যায়। আর খুশীর সঙ্গে পবিত্র মনে তার সকাল হয়, অন্যথায় অপবিত্র মনে আলস্যের সাথে তার সকাল হয়। (১১৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩০২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، قال حدثني اخي، عن سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يعقد الشيطان على قافية راس احدكم اذا هو نام ثلاث عقد، يضرب كل عقدة مكانها عليك ليل طويل فارقد. فان استيقظ فذكر الله انحلت عقدة، فان توضا انحلت عقدة، فان صلى انحلت عقده كلها، فاصبح نشيطا طيب النفس، والا اصبح خبيث النفس كسلان
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن مهاجر ابي الحسن، قال سمعت زيد بن وهب، يقول سمعت ابا ذر رضى الله عنه يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فقال " ابرد ". ثم قال " ابرد ". حتى فاء الفىء، يعني للتلول، ثم قال " ابردوا بالصلاة، فان شدة الحر من فيح جهنم