Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩০৯ হাদিসসমূহ
রুবাইয়ি‘ বিনতু মআব্বিয (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা (যুদ্ধের ময়দানে) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে থেকে লোকেদের পানি পান করাতাম, আহতদের পরিচর্যা করতাম এবং নিহতদের মদিনা্য় পাঠাতাম।’ (২৮৮৩, ৫৬৭৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا خالد بن ذكوان، عن الربيع بنت معوذ، قالت كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم نسقي، ونداوي الجرحى، ونرد القتلى الى المدينة
রুবাইয়ি‘ বিনতু মু‘আব্বিয (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে যুদ্ধে শরীক হয়ে লোকেদের পানি পান করাতাম ও তাদের পরিচর্যা করতাম এবং আহত ও নিহত লোকদের মদিনা্য় ফেরত পাঠাতাম।’ (২৮৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، عن خالد بن ذكوان، عن الربيع بنت معوذ، قالت كنا نغزو مع النبي صلى الله عليه وسلم فنسقي القوم ونخدمهم، ونرد الجرحى والقتلى الى المدينة
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (যুদ্ধে) আবূ ‘আমিরের হাঁটুতে তীর বিদ্ধ হলো, আমি তাঁর নিকট গেলাম। আবূ ‘আমির (রাঃ) বললেন, এই তীরটি বের কর। তখন আমি তীরটি টেনে বের করলাম। ফলে তাত্থেকে পানি প্রবাহিত হতে লাগল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট গেলাম এবং তাঁকে ঘটনাটি জানালাম। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘হে আল্লাহ্! আবূ ‘আমির ‘উবায়দকে ক্ষমা করুন।’ (৪৩২৩, ৬৩৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد بن عبد الله، عن ابي بردة، عن ابي موسى رضى الله عنه قال رمي ابو عامر في ركبته، فانتهيت اليه قال انزع هذا السهم. فنزعته، فنزا منه الماء، فدخلت على النبي صلى الله عليه وسلم فاخبرته، فقال " اللهم اغفر لعبيد ابي عامر
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (এক রাতে) আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জেগে কাটান। অতঃপর তিনি যখন মদিনা্য় এলেন এই আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেন যে, আমার সাহাবীদের মধ্যে কোন যোগ্য ব্যক্তি যদি রাতে আমার পাহারায় থাকত। এমন সময় আমরা অস্ত্রের শব্দ শুনতে পেলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ইনি কে? ব্যক্তিটি বলল, আমি সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, আপনার পাহারার জন্য এসেছি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুমিয়ে গেলেন। (৭২৩১) (মুসলিম ৪৪/৫ হাঃ ২৪১০, আহমাদ ২৫১৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن خليل، اخبرنا علي بن مسهر، اخبرنا يحيى بن سعيد، اخبرنا عبد الله بن عامر بن ربيعة، قال سمعت عايشة رضى الله عنها تقول كان النبي صلى الله عليه وسلم سهر فلما قدم المدينة قال " ليت رجلا من اصحابي صالحا يحرسني الليلة ". اذ سمعنا صوت سلاح فقال " من هذا ". فقال انا سعد بن ابي وقاص، جيت لاحرسك. ونام النبي صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, লাঞ্ছিত হোক দ্বীনার ও দিরহামের গোলাম এবং চাদর ও শালের গোলাম। তাকে দেয়া হলে সন্তুষ্ট হয়, না দেয়া হলে অসন্তুষ্ট হয়। এই হাদীসটির সনদ ইসরাঈল এবং মুহাম্মাদ ইবনু জুহাদা, আবূ হুসাইনের মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছাননি। (২৮৮৭, ৬৪৩৫) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৫ প্রথমাংশ)
حدثنا يحيى بن يوسف، اخبرنا ابو بكر، عن ابي حصين، عن ابي صالح، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تعس عبد الدينار والدرهم والقطيفة والخميصة، ان اعطي رضي، وان لم يعط لم يرض ". لم يرفعه اسراييل عن ابي حصين
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে আমাদের অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, লাঞ্ছিত হোক দ্বীনারের গোলাম, দিরহামের গোলাম এবং শালের গোলাম। তাকে দেয়া হলে সন্তুষ্ট হয়, না দেয়া হলে অসন্তুষ্ট হয়। এরা লাঞ্ছিত হোক, অপমানিত হোক। (তাদের পায়ে) কাঁটা বিদ্ধ হলে তা কেউ তুলে দিবে না। ঐ ব্যক্তির জন্য সুসংবাদ, যে ঘোড়ার লাগাম ধরে জিহাদের জন্য প্রস্তুত রয়েছে, যার মাথার চুল উস্ক খুস্ক এবং পা ধূলি মলিন। তাকে পাহারায় নিয়োজিত করলে পাহারায় থাকে আর (দলের) পেছনে পেছনে রাখলে পেছনেই থাকে। সে কারো সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয় না এবং কোন বিষয়ে সুপারিশ করলে তার সুপারিশ কবূল করা হয় না। وَقَالَ فَتَعْسًا كَأَنَّهُ يَقُوْلُ فَأَتْعَسَهُمْ اللهُ طُوْبَى فُعْلَى مِنْ كُلِّ شَيْءٍ طَيِّبٍ وَهِيَ يَاءٌ حُوِّلَتْ إِلَى الْوَاوِ وَهِيَ مِنْ يَطِيْبُ فَتَعْسًا বলা হয়فَأَتْعَسَهُمْ اللهُ অর্থাৎ আল্লাহ তাদের অপমানিত করুক। طُوْبَى অর্থ উত্তম। فُعْلَى... এর কাঠামোতে গঠিত। মূলত طيبى ছিল। يَاءٌ কে وَاوِ দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে। (২৮৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৬৮৫ শেষাংশ)
وزادنا عمرو قال اخبرنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن ابيه، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تعس عبد الدينار وعبد الدرهم وعبد الخميصة، ان اعطي رضي، وان لم يعط سخط، تعس وانتكس، واذا شيك فلا انتقش، طوبى لعبد اخذ بعنان فرسه في سبيل الله، اشعث راسه مغبرة قدماه، ان كان في الحراسة كان في الحراسة، وان كان في الساقة كان في الساقة، ان استاذن لم يوذن له، وان شفع لم يشفع ". قال ابو عبد الله لم يرفعه اسراييل ومحمد بن جحادة عن ابي حصين وقال تعسا. كانه يقول فاتعسهم الله. طوبى فعلى من كل شىء طيب، وهى ياء حولت الى الواو وهى من يطيب
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সফরে আমি জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি আমার খিদমাত করতেন। যদিও তিনি আনাস (রাঃ)-এর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন। জারীর (রাঃ) বলেন, আমি আন্সারদের এমন কিছু কাজ দেখেছি, যার কারণে তাদের কাউকে পেলেই সম্মান করি। (মুসলিম ৪৪/৪৫ হাঃ ২৫১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عرعرة، حدثنا شعبة، عن يونس بن عبيد، عن ثابت البناني، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال صحبت جرير بن عبد الله، فكان يخدمني. وهو اكبر من انس قال جرير اني رايت الانصار يصنعون شييا لا اجد احدا منهم الا اكرمته
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে খায়বার যুদ্ধে গিয়ে তাঁর খিদমত করছিলাম। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখান থেকে ফিরলেন এবং উহুদ পর্বত তাঁর দৃষ্টিগোচর হলো, তিনি বললেন, ‘এই পর্বত আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি।’ অতঃপর তিনি হাত দ্বারা মদিনার দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ‘হে আল্লাহ্! ইব্রাহীম (আঃ) যেমন মক্কাকে হারাম বানিয়েছিলেন, তেমনি আমিও এ দুই কংকরময় ময়দানের মধ্যবর্তী স্থান (মদিনা্)-কে হারাম বলে ঘোষণা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি আমাদের সা‘ ও মুদে বরকত দান করুন।’ (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا محمد بن جعفر، عن عمرو بن ابي عمرو، مولى المطلب بن حنطب، انه سمع انس بن مالك رضى الله عنه يقول خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الى خيبر اخدمه، فلما قدم النبي صلى الله عليه وسلم راجعا، وبدا له احد قال " هذا جبل يحبنا ونحبه ". ثم اشار بيده الى المدينة قال اللهم اني احرم ما بين لابتيها كتحريم ابراهيم مكة " اللهم بارك لنا في صاعنا ومدنا
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা এক সফরে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। আমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ছায়াই ছিল সর্বাধিক যে তার চাদর দ্বারা ছায়া গ্রহণ করছিল। তাই যারা সিয়াম পালন করছিল তারা কোন কাজই করতে পারছিল না। যারা সিয়াম রত ছিল না, তারা উটের দেখাশুনা করছিল, খিদমতের দায়িত্ব পালন করছিল এবং পরিশ্রমের কাজ করছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘যারা সওম পালন করে নি তারাই আজ সাওয়াব নিয়ে গেল।’ (মুসলিম ১৩/১৬ হাঃ ১১১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن داود ابو الربيع، عن اسماعيل بن زكرياء، حدثنا عاصم، عن مورق العجلي، عن انس رضى الله عنه قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم اكثرنا ظلا الذي يستظل بكسايه، واما الذين صاموا فلم يعملوا شييا، واما الذين افطروا فبعثوا الركاب وامتهنوا وعالجوا فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ذهب المفطرون اليوم بالاجر
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘শরীরের প্রতিটি জোড়ার উপর প্রতিদিন একটি করে সদাকাহ রয়েছে। কোন ব্যক্তিকে তার সাওয়ারীতে উঠার ক্ষেত্রে সাহায্য করা, অথবা তার মাল-সরঞ্জাম তুলে দেয়া সদাকাহ। উত্তম কথা বলা ও সালাতের উদ্দেশ্যে গমনের প্রতিটি পদক্ষেপ সদাকাহ এবং রাস্তা বাতলিয়ে দেয়া সদাকাহ।’ (২৭০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق بن نصر، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " كل سلامى عليه صدقة كل يوم، يعين الرجل في دابته يحامله عليها او يرفع عليها متاعه صدقة، والكلمة الطيبة، وكل خطوة يمشيها الى الصلاة صدقة، ودل الطريق صدقة
(وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )يٰٓأَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اصْبِرُوْا وَصَابِرًا وَّرَابِطُوْا وَاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ) মহান আল্লাহর বাণীঃ হে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা ধৈর্যধারণ কর এবং ধৈর্যধারণে প্রতিযোগিতা কর আর সদা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাক। আর আল্লাহকে ভয় কর, তবেই তোমরা সফলকাম হবে। (আলে ইমরান ২০০) ২৮৯২. সাহল ইবনু সা‘দ সায়ি‘দী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘আল্লাহর পথে একদিন সীমান্ত প্রহরা দেয়া দুনিয়া ও এর উপর যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। জান্নাতে তোমাদের কারো চাবুক পরিমান জায়গা দুনিয়া এবং ভূপৃষ্ঠের সমস্ত কিছুর চেয়ে উত্তম। আল্লাহর পথে বান্দার একটি সকাল বা বিকাল ব্যয় করা দুনিয়া এবং ভূপৃষ্ঠের সব কিছুর চেয়ে উত্তম।’ (২৭৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن منير، سمع ابا النضر، حدثنا عبد الرحمن بن عبد الله بن دينار، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد الساعدي رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " رباط يوم في سبيل الله خير من الدنيا وما عليها، وموضع سوط احدكم من الجنة خير من الدنيا وما عليها، والروحة يروحها العبد في سبيل الله او الغدوة خير من الدنيا وما عليها
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবূ ত্বলহাকে বলেন, তোমাদের ছেলেদের মধ্য থেকে একটি ছেলে খুঁজে আন, যে আমার খেদমত করতে পারে। এমনকি তাকে আমি খায়বারেও নিয়ে যেতে পারি। অতঃপর আবূ ত্বলহা (রাঃ) আমাকে তার সাওয়ারীর পেছনে বসিয়ে নিয়ে চললেন। আমি তখন প্রায় সাবালক। আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খেদমত করতে লাগলাম। তিনি যখন অবতরণ করতেন, তখন প্রায়ই তাকে এই দু‘আ পড়তে শুনতামঃ ‘হে আল্লাহ! আমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণভার ও লোকজনের প্রাধান্য থেকে আপনার নিকট পানাহ চাচ্ছি।’ পরে আমরা খায়বারে গিয়ে হাজির হলাম। অতঃপর যখন আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে দুর্গের উপর বিজয়ী করলেন, তখন তাঁর নিকট সাফিয়্যা বিনতু হুয়াই ইবনু আখতাবের সৌন্দর্যের কথা উল্লেখ করা হলো, তিনি ছিলেন সদ্য বিবাহিতা; তাঁর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছিল এবং আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে নিজের জন্য মনোনীত করলেন। অতঃপর তাঁকে নিয়ে রওয়ানা দিলেন। আমরা যখন সাদ্দুস্ সাহ্বা নামক স্থানে পৌঁছলাম তখন সফিয়্যাহ (রাঃ) হায়েয থেকে পবিত্র হন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে তাঁর সঙ্গে বাসর যাপন করেন। অতঃপর তিনি চামড়ার ছোট দস্তরখানে ‘হায়সা’ প্রস্তুত করে আমাকে আশেপাশের লোকজনকে ডাকার নির্দেশ দিলেন। এই ছিল আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে সাফিয়্যার বিয়ের ওয়ালিমা। অতঃপর আমরা মদিনার দিকে রওয়ানা দিলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি দেখতে পেলাম যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর পেছনে চাদর দিয়ে সফিয়্যাহ্কে পর্দা করছেন। উঠানামার প্রয়োজন হলে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উটের কাছে হাঁটু বাড়িয়ে বসতেন, আর সাফিয়্যা (রাঃ) তাঁর উপর পা রেখে উটে আরোহণ করতেন। এভাবে আমরা মদিনার নিকটবর্তী হলাম। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উহুদের দিকে তাকিয়ে বললেন, এটি এমন এক পর্বত যা আমাদের ভালবাসে এবং আমরাও তাকে ভালবাসি। অতঃপর মদিনার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ হে আল্লাহ, এই কঙ্করময় দু’টি ময়দানের মধ্যবর্তী স্থানকে আমি ‘হারাম’ বলে ঘোষণা করছি, যেমন ইব্রাহীম (আঃ) মক্কাকে ‘হারাম’ ঘোষণা করেছিলেন। হে আল্লাহ্! আপনি তাদের মুদ এবং সা‘তে বরকত দান করুন।’ (৩৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب، عن عمرو، عن انس بن مالك رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لابي طلحة " التمس غلاما من غلمانكم يخدمني حتى اخرج الى خيبر ". فخرج بي ابو طلحة مردفي، وانا غلام راهقت الحلم، فكنت اخدم رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا نزل، فكنت اسمعه كثيرا يقول " اللهم اني اعوذ بك من الهم والحزن والعجز والكسل والبخل والجبن وضلع الدين وغلبة الرجال ". ثم قدمنا خيبر، فلما فتح الله عليه الحصن ذكر له جمال صفية بنت حيى بن اخطب، وقد قتل زوجها وكانت عروسا، فاصطفاها رسول الله صلى الله عليه وسلم لنفسه، فخرج بها حتى بلغنا سد الصهباء حلت، فبنى بها، ثم صنع حيسا في نطع صغير، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذن من حولك ". فكانت تلك وليمة رسول الله صلى الله عليه وسلم على صفية. ثم خرجنا الى المدينة قال فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يحوي لها وراءه بعباءة، ثم يجلس عند بعيره فيضع ركبته، فتضع صفية رجلها على ركبته حتى تركب، فسرنا حتى اذا اشرفنا على المدينة نظر الى احد فقال " هذا جبل يحبنا ونحبه ". ثم نظر الى المدينة فقال " اللهم اني احرم ما بين لابتيها بمثل ما حرم ابراهيم مكة، اللهم بارك لهم في مدهم وصاعهم
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু হারাম (রাঃ) আমাকে বলেছেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে তিনি হাসতে হাসতে জেগে উঠেন। উম্মু হারাম (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে হাসাচ্ছে? তিনি বললেন, আমি আমার উম্মাতের একদলের ব্যাপারে বিস্মিত হয়েছি, তারা সিংহাসনে উপবিষ্ট রাজা-বাদশাহদের মত সমুদ্র সফর করবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন, তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে। অতঃপর তিনি আবার ঘুমালেন এবং হাসতে হাসতে জেগে উঠেন। আর তিনি দু’বার অথবা তিনবার অনুরূপ বললেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তাদের অগ্রগামীদের মধ্যে রয়েছ। পরে ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) তাঁকে বিয়ে করেন এবং তাঁকে নিয়ে জিহাদে বের হন। তাকে তাঁর আরোহণের জন্য একটি সাওয়ারীর জানোয়ারের নিকটবর্তী করা হল। কিন্তু তিনি তা থেকে পড়ে যান এবং তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে যায়। (২৭৮৮, ২৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال حدثتني ام حرام، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال يوما في بيتها، فاستيقظ وهو يضحك، قالت يا رسول الله، ما يضحكك قال " عجبت من قوم من امتي يركبون البحر، كالملوك على الاسرة ". فقلت يا رسول الله، ادع الله ان يجعلني منهم. فقال " انت معهم ". ثم نام، فاستيقظ وهو يضحك فقال مثل ذلك مرتين او ثلاثا. قلت يا رسول الله، ادع الله ان يجعلني منهم. فيقول " انت من الاولين " فتزوج بها عبادة بن الصامت، فخرج بها الى الغزو، فلما رجعت قربت دابة لتركبها، فوقعت فاندقت عنقها
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু হারাম (রাঃ) আমাকে বলেছেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে তিনি হাসতে হাসতে জেগে উঠেন। উম্মু হারাম (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে হাসাচ্ছে? তিনি বললেন, আমি আমার উম্মাতের একদলের ব্যাপারে বিস্মিত হয়েছি, তারা সিংহাসনে উপবিষ্ট রাজা-বাদশাহদের মত সমুদ্র সফর করবে। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট দু‘আ করুন, তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে। অতঃপর তিনি আবার ঘুমালেন এবং হাসতে হাসতে জেগে উঠেন। আর তিনি দু’বার অথবা তিনবার অনুরূপ বললেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি তাদের অগ্রগামীদের মধ্যে রয়েছ। পরে ‘উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) তাঁকে বিয়ে করেন এবং তাঁকে নিয়ে জিহাদে বের হন। তাকে তাঁর আরোহণের জন্য একটি সাওয়ারীর জানোয়ারের নিকটবর্তী করা হল। কিন্তু তিনি তা থেকে পড়ে যান এবং তাঁর ঘাড় ভেঙ্গে যায়। (২৭৮৮, ২৭৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال حدثتني ام حرام، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال يوما في بيتها، فاستيقظ وهو يضحك، قالت يا رسول الله، ما يضحكك قال " عجبت من قوم من امتي يركبون البحر، كالملوك على الاسرة ". فقلت يا رسول الله، ادع الله ان يجعلني منهم. فقال " انت معهم ". ثم نام، فاستيقظ وهو يضحك فقال مثل ذلك مرتين او ثلاثا. قلت يا رسول الله، ادع الله ان يجعلني منهم. فيقول " انت من الاولين " فتزوج بها عبادة بن الصامت، فخرج بها الى الغزو، فلما رجعت قربت دابة لتركبها، فوقعت فاندقت عنقها
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَخْبَرَنِيْ أَبُوْ سُفْيَانَ قَالَ لِيْ قَيْصَرُ سَأَلْتُكَ أَشْرَافُ النَّاسِ اتَّبَعُوْهُ أَمْ ضُعَفَاؤُهُمْ فَزَعَمْتَ ضُعَفَاءَهُمْ وَهُمْ أَتْبَاعُ الرُّسُلِ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন যে, আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রোম সম্রাট কায়সার আমাকে বললেন, আমি তোমাকে জিজ্ঞেস করছিলাম তাঁর অনুসরণ করছে প্রভাবশালী ব্যক্তি, না তাদের মধ্যে দুর্বলরা? তুমি বলছ যে, তাদের মধ্যকার দুর্বলরা-এরাই রাসূলদের অনুসারী হয়। ২৮৯৬. মুস‘আব ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন সা‘দ (রাঃ)-এর ধারণা ছিল অন্যদের চেয়ে তাঁর মর্যাদা অধিক। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘তোমরা দুর্বলদের (দু‘আয়) ওয়াসীলায়ই সাহায্য প্রাপ্ত ও রিয্ক প্রাপ্ত হচ্ছ।’ (৩৫৯৪, ৩৬৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا محمد بن طلحة، عن طلحة، عن مصعب بن سعد، قال راى سعد رضى الله عنه ان له فضلا على من دونه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " هل تنصرون وترزقون الا بضعفايكم
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘এমন এক সময় আসবে যখন একদল লোক আল্লাহর পথে জিহাদ করবে। তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের সঙ্গে কি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের কেউ আছেন? বলা হবে, হ্যাঁ। অতঃপর (তাঁর বরকতে) বিজয় দান করা হবে। অতঃপর এমন এক সময় আসবে, যখন জিজ্ঞেস করা হবে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের সহচরদের মধ্যে কেউ কি তোমাদের মধ্যে আছেন? বলা হবে, হ্যাঁ, অতঃপর তাদের বিজয় দান করা হবে। অতঃপর এক যুগ এমন আসবে যে, জিজ্ঞেস করা হবে, তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছেন, যিনি নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের সহচরদের সাহচর্য লাভ করেছে, (তাবি-তাবিঈন)? বলা হবে, হ্যাঁ। তখন তাদেরও বিজয় দান করা হবে।’ (৩৫৯৪, ৩৬৪৯) (মুসলিম ৪৪/৫২ হাঃ ২৫৩২, আহমাদ ১১০৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، عن ابي سعيد الخدري رضى الله عنهم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ياتي زمان يغزو فيام من الناس، فيقال فيكم من صحب النبي صلى الله عليه وسلم فيقال نعم. فيفتح عليه، ثم ياتي زمان فيقال فيكم من صحب اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيقال نعم. فيفتح، ثم ياتي زمان فيقال فيكم من صحب صاحب اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فيقال نعم. فيفتح
قَالَ أَبُوْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم اللهُ أَعْلَمُ بِمَنْ يُجَاهِدُ فِيْ سَبِيْلِهِ وَاللهُ أَعْلَمُ بِمَنْ يُكْلَمُ فِيْ سَبِيْلِهِ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহর পথে কে জিহাদ করছে, তা তিনিই ভাল জানেন এবং কে তাঁর পথে আহত হয়েছে আল্লাহ্ই অধিক অবগত আছেন। ২৮৯৮. সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একবার আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও মুশ্রিকদের মধ্যে মুকাবিলা হয় এবং উভয়পক্ষ ভীষণ যুদ্ধ লিপ্ত হয়। অতঃপর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজ সৈন্যদলের নিকট ফিরে এলেন, মুশ্রিকরাও নিজ সৈন্যদলে ফিরে গেল। সেই যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গীদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি ছিল, যে কোন মুশরিককে একাকী দেখলেই তার পশ্চাতে ছুটত এবং তাকে তলোয়ার দিয়ে আক্রমণ করত। বর্ণনাকারী (সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) বলেন, আজ আমাদের কেউ অমুকের মত যুদ্ধ করতে পারেনি। তা শুনে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সে তো জাহান্নামের অধিবাসী হবে। একজন সাহাবী বলে উঠলেন, আমি তার সঙ্গী হব। অতঃপর তিনি তার সঙ্গে বেরিয়ে পড়লেন, সে দাঁড়ালে তিনিও দাঁড়াতেন এবং সে শীঘ্র চললে তিনিও দ্রুত চলতেন। তিনি বললেন, এক সময় সে মারাত্মকভাবে আহত হলো এবং সে দ্রুত মৃত্যু কামনা করতে লাগল। এক সময় তলোয়ারের বাঁট মাটিতে রাখল এবং এর তীক্ষ্ণ দিক বুকে চেপে ধরে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করল। অনুসরণকারী ব্যক্তিটি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলেন এবং বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি আল্লাহর রাসূল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কী ব্যাপার? তিনি বললেন, যে ব্যক্তিটি সম্পর্কে আপনি কিছুক্ষণ আগেই বলেছিলেন যে, সে জাহান্নামী হবে, তা শুনে সাহাবীগণ বিষয়টিকে অস্বাভাবিক মনে করলেন। আমি তাদের বললাম যে, আমি ব্যক্তিটির সম্পর্কে খবর তোমাদের জানাব। অতঃপর আমি তার পিছু পিছু বের হলাম। এক সময় লোকটি মারাত্মকভাবে আহত হয় এবং সে শীঘ্র মৃত্যু কামনা করতে থাকে। অতঃপর তার তলোয়ারের বাট মাটিতে রেখে এর তীক্ষ্ণধার বুকে চেপে ধরল এবং তার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, ‘মানুষের বাহ্যিক বিচারে অনেক সময় কোন ব্যক্তি জান্নাতবাসীর মত ‘আমল করতে থাকে, আসলে সে জাহান্নামী হয় এবং তেমনি মানুষের বাহ্যিক বিচারে কোন ব্যক্তি জাহান্নামীর মত ‘আমল করলেও প্রকৃতপক্ষে সে জান্নাতী হয়।’ (৪২০৩, ৪২০৭, ৬৪৯৩, ৬৬০৭) (মুসলিম ১/৪৭ হাঃ ১১২, আহমাদ ২২৮৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد الساعدي رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم التقى هو والمشركون فاقتتلوا، فلما مال رسول الله صلى الله عليه وسلم الى عسكره، ومال الاخرون الى عسكرهم، وفي اصحاب رسول الله�� صلى الله عليه وسلم رجل لا يدع لهم شاذة ولا فاذة الا اتبعها يضربها بسيفه، فقال ما اجزا منا اليوم احد كما اجزا فلان. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اما انه من اهل النار ". فقال رجل من القوم انا صاحبه. قال فخرج معه كلما وقف وقف معه، واذا اسرع اسرع معه قال فجرح الرجل جرحا شديدا، فاستعجل الموت، فوضع نصل سيفه بالارض وذبابه بين ثدييه، ثم تحامل على سيفه، فقتل نفسه، فخرج الرجل الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اشهد انك رسول الله. قال " وما ذاك ". قال الرجل الذي ذكرت انفا انه من اهل النار، فاعظم الناس ذلك. فقلت انا لكم به. فخرجت في طلبه، ثم جرح جرحا شديدا، فاستعجل الموت، فوضع نصل سيفه في الارض وذبابه بين ثدييه، ثم تحامل عليه، فقتل نفسه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم عند ذلك " ان الرجل ليعمل عمل اهل الجنة فيما يبدو للناس، وهو من اهل النار، وان الرجل ليعمل عمل اهل النار فيما يبدو للناس، وهو من اهل الجنة
(وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )وَأَعِدُّوْا لَهُمْ مَا اسْتَطَعْتُمْ مِّنْ قُوَّةٍ وَّمِنْ رِّبَاطِ الْخَيْلِ تُرْهِبُوْنَ بِهِ عَدُوَّ اللهِ وَعَدُوَّكُمْ( আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা প্রস্তুত রাখবে তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যা কিছু তোমাদের মধ্যে আছে অস্ত্রাদি ও অশ্ববাহিনী থেকে, এসব দিয়ে তোমরা ভীত-সন্ত্রস্ত করবে আল্লাহর শত্রুকে এবং তোমাদের শত্রুকে।’’ (আনফাল ৬০) ২৮৯৯. সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলাম গোত্রের একদল লোকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা তীরন্দাজি চর্চা করছিল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে বানূ ইসমাঈল! তোমরা তীর নিক্ষেপ করতে থাক। কেননা তোমাদের পূর্বপুরুষ দক্ষ তীরন্দাজ ছিলেন এবং আমি অমুক গোত্রের সঙ্গে আছি। রাবী বলেন, এ কথা শুনে দু’দলের এক দল তীর নিক্ষেপ বন্ধ করে দিল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমাদের কী হলো যে, তোমরা তীর নিক্ষেপ করছ না? তারা জবাব দিল, আমরা কিভাবে তীর নিক্ষেপ করতে পারি, অথচ আপনি তাদের সঙ্গে আছেন? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমরা তীর নিক্ষেপ করতে থাক, আমি তোমাদের সকলের সঙ্গে আছি। (৩৩৭৩, ৩৫০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن يزيد بن ابي عبيد، قال سمعت سلمة بن الاكوع رضى الله عنه قال مر النبي صلى الله عليه وسلم على نفر من اسلم ينتضلون فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ارموا بني اسماعيل، فان اباكم كان راميا ارموا وانا مع بني فلان ". قال فامسك احد الفريقين بايديهم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لكم لا ترمون ". قالوا كيف نرمي وانت معهم. قال النبي صلى الله عليه وسلم " ارموا فانا معكم كلكم
আবূ উসাইদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাদারের দিন বলেছেন, আমরা যখন কুরাইশদের বিপক্ষে সারিবদ্ধ হয়েছিলাম এবং কুরাইশরা আমাদের বিপক্ষে সারিবদ্ধ হয়েছিল, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের বললেন, যখন তারা তোমাদের নিকটবর্তী হবে, তখন তোমরা তীর চালনা করবে। আবূ আব্দুল্লাহ (রহ.) বলেন, أَكْثَبُوكُمْ এর অর্থ যখন অধিক সংখ্যক সমবেত হয়। (৩৯৮৪, ৩৯৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا عبد الرحمن بن الغسيل، عن حمزة بن ابي اسيد، عن ابيه، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر حين صففنا لقريش وصفوا لنا " اذا اكثبوكم فعليكم بالنبل
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার একদল হাব্শী নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বর্শা নিয়ে খেলা করছিলেন। এমন সময় ‘উমার (রাঃ) সেখানে এলেন এবং হাতে কাঁকর তুলে নিয়ে তাদের দিকে নিক্ষেপ করলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে ‘উমার! তাদের করতে দাও। আলী......মা‘মার (রহ.) সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন, (এ ঘটনা) মসজিদে ঘটেছিল। (মুসলিম ৮/৪ হাঃ ৮৯৩, আহমাদ ৮০৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৬৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن موسى، اخبرنا هشام، عن معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال بينا الحبشة يلعبون عند النبي صلى الله عليه وسلم بحرابهم دخل عمر، فاهوى الى الحصى فحصبهم بها. فقال " دعهم يا عمر ". وزاد علي حدثنا عبد الرزاق اخبرنا معمر في المسجد