Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩০৯ হাদিসসমূহ
মুজাশি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ভ্রাতুস্পুত্রকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত হলাম। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হিজরাতের উপর বায়‘আত নিন।’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হিজরত তো হিজরতকারীগণের জন্য অতীত হয়ে গেছে।’ আমি বললাম, ‘তাহলে আপনি আমাদের কিসের উপর বায়‘আত নিবেন?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘ইসলাম ও জিহাদের উপর।’ (হাদীস ২৯৬২= ৩০৭৮, ৪৩০৫, ৪৩০৭, হাদীস ২৯৬৩=৩০৭৯, ৪৩০৬, ৪৩০৮) (মুসলিম ৩৩/২০ হাঃ ১৮৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، سمع محمد بن فضيل، عن عاصم، عن ابي عثمان، عن مجاشع رضى الله عنه قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم انا واخي فقلت بايعنا على الهجرة. فقال " مضت الهجرة لاهلها ". فقلت علام تبايعنا قال " على الاسلام والجهاد
মুজাশি‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি আমার ভ্রাতুস্পুত্রকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত হলাম। অতঃপর আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে হিজরাতের উপর বায়‘আত নিন।’ তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হিজরত তো হিজরতকারীগণের জন্য অতীত হয়ে গেছে।’ আমি বললাম, ‘তাহলে আপনি আমাদের কিসের উপর বায়‘আত নিবেন?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘ইসলাম ও জিহাদের উপর।’ (হাদীস ২৯৬২= ৩০৭৮, ৪৩০৫, ৪৩০৭, হাদীস ২৯৬৩=৩০৭৯, ৪৩০৬, ৪৩০৮) (মুসলিম ৩৩/২০ হাঃ ১৮৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، سمع محمد بن فضيل، عن عاصم، عن ابي عثمان، عن مجاشع رضى الله عنه قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم انا واخي فقلت بايعنا على الهجرة. فقال " مضت الهجرة لاهلها ". فقلت علام تبايعنا قال " على الاسلام والجهاد
‘আবদুল্লাহ্ (ইবনু মাস‘ঊদ) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আজ আমার নিকট এক ব্যক্তি আগমন করে। সে আমাকে একটি বিষয়ে প্রশ্ন করে, যার উত্তর কী দিব, তা আমার বুঝে আসছিল না।’ লোকটি বললো, ‘বলুন তো, এক ব্যক্তি সশস্ত্র অবস্থায় সন্তুষ্টচিত্তে আমাদের আমীরের সঙ্গে যুদ্ধে বের হল। কিন্তু সেই আমীর এমন সব নির্দেশ দেন যা পালন করা সম্ভব নয়। আমি বললাম, ‘আল্লাহর কসম! আমি বুঝতে পারছি না যে, তোমাদের এ প্রশ্নের কী উত্তর দিব? হ্যাঁ, তবে এতটুকু বলতে পারি যে, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি সাধারণত আমাদেরকে কোন বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দিতেন না। কিন্তু একবার মাত্র এরূপ নির্দেশ দিয়েছিলেন, আর আমরা তা পালন করেছিলাম। আর তোমাদের যে কেউ ততক্ষণ ভাল থাকবে, যতক্ষণ সে আল্লাহ্ তা‘আলাকে ভয় করতে থাকবে। আর যখন সে কোন বিষয়ে সন্দিহান হয়ে পড়বে, তখন সে এমন ব্যক্তির নিকট প্রশ্ন করে নিবে, যে তাকে সন্দেহ মুক্ত করে দিবে। আর সে যুগ অতি নিকটে যে, তোমরা এমন ব্যক্তি পাবে না। শপথ সেই সত্তার যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। দুনিয়ায় যা অবশিষ্ট রয়েছে, তার উপমা এরূপ যেমন একটি পুকুরের মধ্যে পানি জমেছে। এর পরিষ্কার পানি তো পান করা হয়েছে, আর নীচের ঘোলা পানি বাকী রয়ে গেছে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، قال قال عبد الله رضى الله عنه لقد اتاني اليوم رجل فسالني عن امر ما دريت ما ارد عليه، فقال ارايت رجلا موديا نشيطا، يخرج مع امراينا في المغازي، فيعزم علينا في اشياء لا نحصيها. فقلت له والله ما ادري ما اقول لك الا انا كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم فعسى ان لا يعزم علينا في امر الا مرة حتى نفعله، وان احدكم لن يزال بخير ما اتقى الله، واذا شك في نفسه شىء سال رجلا فشفاه منه، واوشك ان لا تجدوه، والذي لا اله الا هو ما اذكر ما غبر من الدنيا الا كالثغب شرب صفوه وبقي كدره
অতঃপর তিনি তাঁর সাহাবীদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেনঃ হে লোক সকল! শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হবার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট নিরাপত্তার দু‘আ করবে। অতঃপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে। জেনে রাখবে, জান্নাত তরবারীর ছায়ার নীচে অবস্থিত। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! কুরআন নাযিলকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী, সেনাদল পরাভূতকারী, আপনি কাফির সম্প্রদায়কে পরাজিত করুন এবং আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করুন। (২৮১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا ابو اسحاق، عن موسى بن عقبة، عن سالم ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله وكان كاتبا له قال كتب اليه عبد الله بن ابي اوفى رضى الله عنهما فقراته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض ايامه التي لقي فيها انتظر حتى مالت الشمس. ثم قام في الناس قال " ايها الناس، لا تتمنوا لقاء العدو، وسلوا الله العافية، فاذا لقيتموهم فاصبروا، واعلموا ان الجنة تحت ظلال السيوف، ثم قال اللهم منزل الكتاب ومجري السحاب وهازم الاحزاب، اهزمهم وانصرنا عليهم
অতঃপর তিনি তাঁর সাহাবীদের সামনে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেনঃ হে লোক সকল! শত্রুর সঙ্গে মোকাবেলায় অবতীর্ণ হবার কামনা করবে না এবং আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট নিরাপত্তার দু‘আ করবে। অতঃপর যখন তোমরা শত্রুর সম্মুখীন হবে তখন তোমরা ধৈর্যধারণ করবে। জেনে রাখবে, জান্নাত তরবারীর ছায়ার নীচে অবস্থিত। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! কুরআন নাযিলকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী, সেনাদল পরাভূতকারী, আপনি কাফির সম্প্রদায়কে পরাজিত করুন এবং আমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করুন। (২৮১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا ابو اسحاق، عن موسى بن عقبة، عن سالم ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله وكان كاتبا له قال كتب اليه عبد الله بن ابي اوفى رضى الله عنهما فقراته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعض ايامه التي لقي فيها انتظر حتى مالت الشمس. ثم قام في الناس قال " ايها الناس، لا تتمنوا لقاء العدو، وسلوا الله العافية، فاذا لقيتموهم فاصبروا، واعلموا ان الجنة تحت ظلال السيوف، ثم قال اللهم منزل الكتاب ومجري السحاب وهازم الاحزاب، اهزمهم وانصرنا عليهم
(لِقَوْلِهِ )إِنَّمَا الْمُؤْمِنُوْنَ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهٰ وَإِذَا كَانُوْا مَعَهُ عَلٰى أَمْرٍ جَامِعٍ لَّمْ يَذْهَبُوْا حَتّٰى يَسْتَأْذِنُوْهُ إِنَّ الَّذِيْنَ يَسْتَأْذِنُوْنَكَ( إِلَى آخِرِ الآيَةِ আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ মু‘মিন তো তারাই যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান রাখে এবং যখন তারা কোন সমষ্টিগত কাজে রসুলের সাথে সমবেত হয় তখন তারা তাঁর অনুমতি ব্যতিরেকে চলে যায় না।। (নূর ৬২) ২৯৬৭. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে এক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছুক্ষণ পরে এসে আমার সঙ্গে মিলিত হন; আমি তখন আমার পানি-সেচের উটনীর উপর আরোহী ছিলাম। উটনী ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল; এটি মোটেই চলতে পারছিল না। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার উটের কী হয়েছে? আমি বললাম, ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটনীর পেছন দিক থেকে গিয়ে উটনীটিকে হাঁকালেন এবং এটির জন্য দু‘আ করলেন। অতঃপর এটি সবক’টি উটের আগে আগে চলতে থাকে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, এখন তোমার উটনীটি কেমন মনে হচ্ছে? আমি বললাম, ভালই। এটি আপনার বরকত লাভ করেছে। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি এটি আমার নিকট বিক্রয় করবে? তিনি বলেন, আমি মনে মনে লজ্জাবোধ করলাম। (কারণ) আমার নিকট এ উটটি ব্যতীত পানি বহনের অন্য কোন উটনী ছিল না। আমি বললাম, হ্যাঁ। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাহলে আমার নিকট বিক্রয় কর। অনন্তর আমি উটনীটি তাঁর নিকট এ শর্তে বিক্রয় করলাম যে, মদিনা্য় পৌঁছা পর্যন্ত এর উপর আরোহণ করব। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি সদ্য বিবাহিত একজন পুরুষ। অতঃপর আমি তাঁর নিকট অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন। আমি লোকদের আগে আগে চললাম এবং মদিনা্য় পৌঁছে গেলাম। তখন আমার মামা আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি আমাকে উটনীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। আমি তাকে সে বিষয়ে অবহিত করলাম যা আমি করেছিলাম। তিনি আমাকে তিরস্কার করলেন। তিনি (রাবী) বলেন, আর যখন আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট অনুমতি চেয়েছিলাম, তখন তিনি আমাকে প্রশ্ন করছিলেন, তুমি কি কুমারী বিবাহ করেছ, না এমন মহিলাকে বিবাহ করেছ যার পূর্বে বিবাহ হয়েছিল? আমি বললাম, এমন মহিলাকে বিবাহ করেছি যার পূর্বে বিবাহ হয়েছে। তিনি বললেন, তুমি কুমারী বিবাহ করলে না কেন? তুমি তার সঙ্গে খেলা করতে এবং সেও তোমার সঙ্গে খেলা করত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা শহীদ হয়েছেন। আমার কয়েকজন ছোট ছোট বোন রয়েছে। তাই আমি তাদের সমান বয়সের কোন মেয়ে বিবাহ করা পছন্দ করিনি; যে তাদেরকে আদব-আখলাক শিক্ষা দিতে পারবে না এবং তাদের দেখাশোনা করতে পারবে না। তাই আমি একজন পূর্ব বিবাহ হয়েছে এমন মহিলাকে বিবাহ করেছি; যাতে সে তাদের দেখাশোনা করতে পারে এবং তাদেরকে আদব-আখলাক শিক্ষা দিতে পারে। তিনি বলেন, যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্য় আসেন, পরদিন আমি তাঁর নিকট উটনীটি নিয়ে উপস্থিত হলাম। তিনি আমাকে এর মূল্য দিলেন এবং উটটিও ফেরত দিলেন। মুগীরাহ (রাঃ) বলেন, আমাদের বিবেচনায় এটি উত্তম। আমরা এতেকোন কোন দোষ মনে করি না। (৪৪৩) (মুসলিম ৬/১২ হাঃ ৭১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
بَابُ مَنْ غَزَا وَهُوَ حَدِيْثُ عَهْدٍ بِعُرْسِهِ فِيْهِ جَابِرٌ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ৫৬/১১৪. অধ্যায় : বিবাহের নতুন অবস্থায় যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা। এ প্রসঙ্গে জাবির (রাঃ) কর্তৃক আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। 56/115. بَابُ مَنْ اخْتَارَ الْغَزْوَ بَعْدَ الْبِنَاءِ فِيْهِ أَبُوْ هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ৫৬/১১৫. অধ্যায় : স্ত্রীর সঙ্গে প্রথম মিলনের পর নব বিবাহিতের যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করা। এ প্রসঙ্গে আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে ২৯৬৮. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার মদিনা্য় ভীতি ছড়িয়ে পড়ল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর ঘোড়ায় আরোহণ করেন এবং বলেন যে, আমি তো ভয়ের কিছু দেখতে পেলাম না। তবে আমি এ ঘোড়াটিকে সমুদ্রের মত গতিশীল পেয়েছি। (২৬২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني قتادة، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال كان بالمدينة فزع، فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا لابي طلحة، فقال " ما راينا من شىء، وان وجدناه لبحرا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় লোকেরা ভীত হয়ে পড়ল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর ধীরগতি সম্পন্ন একটি ঘোড়ার উপর চড়লেন এবং একাকী ঘোড়াটিকে হাঁকিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। লোকেরা তখন তাঁর পিছু পিছু ঘোড়ায় চড়ে ছুটে চলল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা ভয় করো না। এ ঘোড়াটি তো দ্রুতগামী। বর্ণনাকারী বলেন, সেদিন হতে আর কখনো সে ঘোড়াটি কারো পেছনে পড়েনি। (২৬২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الفضل بن سهل، حدثنا حسين بن محمد، حدثنا جرير بن حازم، عن محمد، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال فزع الناس فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فرسا لابي طلحة بطييا، ثم خرج يركض وحده، فركب الناس يركضون خلفه، فقال " لم تراعوا، انه لبحر ". فما سبق بعد ذلك اليوم
بَابُ الْخُرُوْجِ فِي الْفَزَعِ وَحْدَهُ ৫৬/১১৮. অধ্যায় : ভয়-ভীতিকালে একাকী নিস্ক্রান্ত হওয়া। وَقَالَ مُجَاهِدٌ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ الْغَزْوَ قَالَ إِنِّيْ أُحِبُّ أَنْ أُعِيْنَكَ بِطَائِفَةٍ مِنْ مَالِيْ قُلْتُ أَوْسَعَ اللهُ عَلَيَّ قَالَ إِنَّ غِنَاكَ لَكَ وَإِنِّيْ أُحِبُّ أَنْ يَكُوْنَ مِنْ مَالِيْ فِيْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَالَ عُمَرُ إِنَّ نَاسًا يَأْخُذُوْنَ مِنْ هَذَا الْمَالِ لِيُجَاهِدُوْا ثُمَّ لَا يُجَاهِدُوْنَ فَمَنْ فَعَلَهُ فَنَحْنُ أَحَقُّ بِمَالِهِ حَتَّى نَأْخُذَ مِنْهُ مَا أَخَذَ وَقَالَ طَاوُسٌ وَمُجَاهِدٌ إِذَا دُفِعَ إِلَيْكَ شَيْءٌ تَخْرُجُ بِهِ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ فَاصْنَعْ بِهِ مَا شِئْتَ وَضَعْهُ عِنْدَ أَهْلِكَ মুজাহিদ (রহ.) বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বললাম, আমি জিহাদে যেতে চাই। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কিছু অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে চাই। আমি বললাম, আল্লাহ্ তা‘আলা আমাকে আর্থিক স্বচ্ছলতা দান করেছেন। তিনি, [ইবনু ‘উমার (রাঃ)] বললেন, তোমার স্বচ্ছলতা তোমার জন্য। আমি চাই, আমার কিছু সম্পদ এ পথে ব্যয় হোক। ‘উমার (রাঃ) বলেন, এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা জিহাদ করার জন্য অর্থ গ্রহণ করে, পরে জিহাদ করে না। যারা এরূপ করে, আমরা তার সম্পদে অধিক হকদার এবং আমরা তা ফেরত নিয়ে নিব, যা সে গ্রহণ করেছে। তাউস ও মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, যখন আল্লাহর রাহে বের হবার জন্য তোমাকে কিছু দান করা হয়, তা দিয়ে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার আর তোমার পরিবার-পরিজনের কাছেও রেখে দিতে পার। ২৯৭০. ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাহে একটি অশ্ব আরোহণের জন্য দান করেছিলাম। অতঃপর আমি তা বিক্রয় হতে দেখতে পাই। আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, ‘আমি কি সেটা কিনে নিব?’ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘না, তুমি তা ক্রয় করো না এবং তোমার সদাকাহ ফেরত নিও না।’ (১৪৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، قال سمعت مالك بن انس، سال زيد بن اسلم، فقال زيد سمعت ابي يقول، قال عمر بن الخطاب رضى الله عنه حملت على فرس في سبيل الله، فرايته يباع، فسالت النبي صلى الله عليه وسلم اشتريه فقال " لا تشتره، ولا تعد في صدقتك
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এক অশ্বারোহীকে আল্লাহর রাহে একটি অশ্ব দান করেন। অতঃপর তিনি দেখতে পান যে, তা বিক্রয় করা হচ্ছে। তখন তিনি তা কিনে নেয়ার ইচ্ছা করলেন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি [রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, ‘তুমি ওটা কিনিও না এবং তোমার সদাকাহ ফেরত নিও না।’ (১৪৮৯) (মুসলিম ২৪/১ হাঃ ১৬২১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان عمر بن الخطاب، حمل على فرس في سبيل الله، فوجده يباع، فاراد ان يبتاعه، فسال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا تبتعه، ولا تعد في صدقتك
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি যদি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে আমি কোন সেনা অভিযান থেকে পিছিয়ে থাকতাম না। কিন্তু আমি তো (সকলের জন্য) সাওয়ারী সংগ্রহ করতে পারছি না এবং আমি এতগুলো সাওয়ারী পাচ্ছি না যার উপর আমি তাদের আরোহণ করাতে পারি। আর আমার জন্য এটা কষ্টদায়ক হবে যে, তারা আমার থেকে পেছনে পড়ে থাকবে। আমি তো এটাই কামনা করি যে, আমি আল্লাহর রাহে জিহাদ করব এবং শহীদ হয়ে যাবো, অতঃপর আমাকে আবার জীবিত করা হবে এবং আমি আবার শহীদ হবো। অতঃপর আমাকে আবার জীবিত করা হবে। (৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن يحيى بن سعيد الانصاري، قال حدثني ابو صالح، قال سمعت ابا هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لولا ان اشق على امتي ما تخلفت عن سرية، ولكن لا اجد حمولة، ولا اجد ما احملهم عليه، ويشق على ان يتخلفوا عني، ولوددت اني قاتلت في سبيل الله فقتلت، ثم احييت ثم قتلت، ثم احييت
وَقَالَ الْحَسَنُ وَابْنُ سِيْرِيْنَ يُقْسَمُ لِلأَجِيْرِ مِنْ الْمَغْنَمِ وَأَخَذَ عَطِيَّةُ بْنُ قَيْسٍ فَرَسًا عَلَى النِّصْفِ فَبَلَغَ سَهْمُ الْفَرَسِ أَرْبَعَ مِائَةِ دِيْنَارٍ فَأَخَذَ مِائَتَيْنِ وَأَعْطَى صَاحِبَهُ مِائَتَيْنِ হাসান বসরী ও ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, মজদুরকেও গনীমত লব্ধ সম্পদে অংশ দান করা হবে। আতিয়্যা ইবনু কায়েস (রাঃ) এক ব্যক্তি থেকে একটি অশ্ব এ শর্তে গ্রহণ করেন যে, গনীমত লব্ধ সম্পদে প্রাপ্ত অংশ অর্ধেক করে বণ্টিত হবে। তিনি অশ্বটির অংশে চারশ’ দ্বীনার পেয়েছিলেন। তখন তিনি দু’শ দ্বীনার গ্রহণ করেন এবং দু’শ দ্বীনার অশ্বের মালিককে দিয়ে দেন ২৯৭৩. ইয়া‘লা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তাবুক যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে জিহাদে শরীক হই। আমি একটি জওয়ান উট (জিহাদে) আরোহণের জন্য (এক ব্যক্তিকে) দেই। আমার সঙ্গে এটিই ছিল আমার অধিক নির্ভরযোগ্য কাজ। আমি এক ব্যক্তিকে মজুরীর বিনিময়ে নিয়োগ করলাম। তখন সে এক ব্যক্তির সঙ্গে ঝগড়া লেগে যায়, একজন আরেকজনের হাত কামড়ে ধরলে সে তার হাত মুখ হতে সজোরে বের করে আনে। ফলে তার সামনের দাঁত উপড়ে আসে। উক্ত ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হল। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাঁতের কোন প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। আর তিনি বললেন, সে কি তার হাতটিকে তোমার মুখে রেখে দিবে, আর তুমি তাকে উটের মত কামড়াতে থাকবে। (১৮৪৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، حدثنا ابن جريج، عن عطاء، عن صفوان بن يعلى، عن ابيه رضى الله عنه قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم غزوة تبوك، فحملت على بكر، فهو اوثق اعمالي في نفسي، فاستاجرت اجيرا، فقاتل رجلا، فعض احدهما الاخر فانتزع يده من فيه، ونزع ثنيته، فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فاهدرها فقال " ايدفع يده اليك فتقضمها كما يقضم الفحل
কায়েস ইবনু সা‘দ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। আর তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পতাকাবাহী, তিনি হজ্জের সংকল্প করেন, তখন তিনি মাথার চুল আঁচড়ে নিলেন। (মুসলিম ৪৪/৪ হাঃ ২৪০৭, আহমাদ ১৬৫৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، قال حدثني الليث، قال اخبرني عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني ثعلبة بن ابي مالك القرظي، ان قيس بن سعد الانصاري رضى الله عنه وكان صاحب لواء رسول الله صلى الله عليه وسلم اراد الحج فرجل
সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধে ‘আলী (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পেছনে থেকে যান, (কারণ) তাঁর চোখে অসুখ হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, আমি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পিছিয়ে থাকব? অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বেরিয়ে পড়লেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে এসে মিলিত হলেন। যখন সে রাত এল, যে রাত শেষে সকালে ‘আলী (রাঃ) খায়বার জয় করেছিলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আগাীমকাল আমি এমন এক ব্যক্তিকে পতাকা দিব, কিংবা (বলেন) আগামীকাল এমন এক ব্যক্তি পতাকা গ্রহণ করবে যাকে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভালবাসেন। অথবা তিনি বলেছিলেন, যে আল্লাহ্ তাআলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভালবাসে। আল্লাহ্ তা‘আলা তারই হাতে খায়বার বিজয় দান করবেন। হঠাৎ আমরা দেখতে পেলাম যে, ‘আলী (রাঃ) এসে হাজির, অথচ আমরা তাঁর আগমন আশা করিনি। তারা বললেন, এই যে ‘আলী (রাঃ) চলে এসেছেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে পতাকা প্রদান করলেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁরই হাতে বিজয় দিলেন। (৩৭০২, ৪২০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن يزيد بن ابي عبيد، عن سلمة بن الاكوع رضى الله عنه قال كان علي رضى الله عنه تخلف عن النبي صلى الله عليه وسلم في خيبر، وكان به رمد، فقال انا اتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج علي فلحق بالنبي صلى الله عليه وسلم، فلما كان مساء الليلة التي فتحها في صباحها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لاعطين الراية او قال لياخذن غدا رجل يحبه الله ورسوله او قال يحب الله ورسوله يفتح الله عليه ". فاذا نحن بعلي، وما نرجوه، فقالوا هذا علي، فاعطاه رسول الله صلى الله عليه وسلم، ففتح الله عليه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি যুবাইর (রাঃ)-কে বলেছিলেন, এখানেই কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে পতাকা গাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন? (৪২৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن نافع بن جبير، قال سمعت العباس، يقول للزبير رضى الله عنهما ها هنا امرك النبي صلى الله عليه وسلم ان تركز الراية
(وَقَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ )سَنُلْقِيْ فِيْ قُلُوْبِ الَّذِيْنَ كَفَرُوا الرُّعْبَ بِمَآ أَشْرَكُوْا بِاللهِ ( قَالَهُ جَابِرٌ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم মহান আল্লাহর তা‘আলার বাণীঃ আমি কাফিরদের অন্তরে ভীতি প্রবিষ্ট করব। যেহেতু তারা আল্লাহর শরীক করেছে। (আলে ইমরান ১৫১) (এ প্রসঙ্গে) জাবির (রাঃ) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস উদ্ধৃত করেছেন ২৯৭৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমাকে পাঠানো হয়েছে এবং শত্রুর মনে ভীতি সঞ্চারের মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি নিদ্রায় ছিলাম, তখন পৃথিবীর ধনভান্ডার সমূহের চাবি আমার হাতে দেয়া হয়েছে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো চলে গেছেন আর তোমরা ওগুলো বাহির করছ। (৬৯৯৮, ৭০১৩, ৭২৭৩) (মুসলিম ৫/৫ হাঃ ৫২৩, আহমাদ ৭৭৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بعثت بجوامع الكلم، ونصرت بالرعب، فبينا انا نايم اتيت بمفاتيح خزاين الارض، فوضعت في يدي ". قال ابو هريرة وقد ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم وانتم تنتثلونها
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁকে আবূ সুফ্ইয়ান জানিয়েছেন, হিরাক্ল আমাকে ডেকে পাঠান। তখন তিনি ইলিয়া নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন। অতঃপর সম্রাট আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্রখানি আনতে আদেশ করেন যখন পত্র পাঠ সমাপ্ত হল, তখন বেশ হৈ চৈ ও শোরগোল পড়ে গেল। অতঃপর আমাদেরকে বাইরে নিয়ে আসা হল। যখন আমাদেরকে বের করে দেয়া হচ্ছিল তখন আমি আমার সঙ্গীদের উদ্দেশ্য করে বললাম, আবূ কাবশার পুত্রের[১] ব্যাপারটার গুরুত্ব অনেক বেড়ে গেল। রোমের বাদশাহও তাঁকে ভয় করে। (৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله، ان ابن عباس رضى الله عنهما اخبره ان ابا سفيان اخبره ان هرقل ارسل اليه وهم بايلياء، ثم دعا بكتاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فلما فرغ من قراءة الكتاب كثر عنده الصخب، فارتفعت الاصوات، واخرجنا، فقلت لاصحابي حين اخرجنا لقد امر امر ابن ابي كبشة، انه يخافه ملك بني الاصفر
(وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى )وَتَزَوَّدُوْا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوٰى( আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা পাথেয় সাথে নিও। আর তাকওয়াই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ পাথেয়।’’(আল-বাকারাহ ১৯৭) ২৯৭৯. আসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ বাকর (রাঃ)-এর গৃহে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সফরের সরঞ্জাম গোছগাছ করে দিয়েছিলাম, যখন তিনি মদিনা্য় হিজরাত করার সংকল্প করেছিলেন। আসমা (রাঃ) বলেন, আমি তখন মালপত্র কিংবা পানির মশক বাঁধার জন্য কিছুই পাচ্ছিলাম না। তখন আবূ বাকর (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি আমার কোমর-বন্ধ ছাড়া বাঁধার কিছুই পাচ্ছি না। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, একে দু’ভাগ কর। এক খন্ড দ্বারা মশক এবং অপর খন্ড দ্বারা মালপত্র বেঁধে দাও। আমি তাই করলাম। এজন্যই আমাকে বলা হত দু’ কোমর বন্ধের মালিক। (৩৯০৭, ৫৩৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، قال اخبرني ابي و، حدثتني ايضا، فاطمة عن اسماء رضى الله عنها قالت صنعت سفرة رسول الله صلى الله عليه وسلم في بيت ابي بكر حين اراد ان يهاجر الى المدينة، قالت فلم نجد لسفرته ولا لسقايه ما نربطهما به، فقلت لابي بكر والله ما اجد شييا اربط به الا نطاقي. قال فشقيه باثنين، فاربطيه بواحد السقاء وبالاخر السفرة. ففعلت، فلذلك سميت ذات النطاقين
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে কুরবানীর গোশত মদিনা্ পর্যন্ত পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করতাম। (১৭১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، اخبرنا سفيان، عن عمرو، قال اخبرني عطاء، سمع جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال كنا نتزود لحوم الاضاحي على عهد النبي صلى الله عليه وسلم الى المدينة
সুয়াইদ ইবনু নু‘মান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, খায়বার যুদ্ধে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে তিনি জিহাদে অংশ গ্রহণ করেন। তাঁরা যখন খায়বারের সন্নিকটে অবস্থিত সাহবা নামক স্থানে পৌঁছলেন, তাঁরা সেখানে ‘আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবার নিয়ে আসতে বললেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যবের ছাতু ছাড়া কিছুই নেয়া হয়নি। আমরা তা পানির সঙ্গে মিশিয়ে আহার করলাম ও পান করলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠে দাঁড়ালেন এবং কুলি করলেন, আমরাও কুলি করলাম ও সালাত আদায় করলাম। (২০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى، قال اخبرني بشير بن يسار، ان سويد بن النعمان رضى الله عنه اخبره انه، خرج مع النبي صلى الله عليه وسلم عام خيبر، حتى اذا كانوا بالصهباء وهى من خيبر وهى ادنى خيبر فصلوا العصر، فدعا النبي صلى الله عليه وسلم بالاطعمة، فلم يوت النبي صلى الله عليه وسلم الا بسويق، فلكنا فاكلنا وشربنا، ثم قام النبي صلى الله عليه وسلم فمضمض ومضمضنا، وصلينا
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا جرير، عن المغيرة، عن الشعبي، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فتلاحق بي النبي صلى الله عليه وسلم وانا على ناضح لنا قد اعيا فلا يكاد يسير فقال لي " ما لبعيرك ". قال قلت عيي. قال فتخلف رسول الله صلى الله عليه وسلم فزجره ودعا له، فما زال بين يدى الابل قدامها يسير. فقال لي " كيف ترى بعيرك ". قال قلت بخير قد اصابته بركتك. قال " افتبيعنيه ". قال فاستحييت، ولم يكن لنا ناضح غيره، قال فقلت نعم. قال " فبعنيه ". فبعته اياه على ان لي فقار ظهره حتى ابلغ المدينة. قال فقلت يا رسول الله اني عروس، فاستاذنته فاذن لي، فتقدمت الناس الى المدينة حتى اتيت المدينة، فلقيني خالي فسالني عن البعير، فاخبرته بما صنعت فيه فلامني، قال وقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لي حين استاذنته " هل تزوجت بكرا ام ثيبا ". فقلت تزوجت ثيبا. فقال " هلا تزوجت بكرا تلاعبها وتلاعبك ". قلت يا رسول الله توفي والدي او استشهد ولي اخوات صغار، فكرهت ان اتزوج مثلهن، فلا تودبهن، ولا تقوم عليهن، فتزوجت ثيبا لتقوم عليهن وتودبهن. قال فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة غدوت عليه بالبعير، فاعطاني ثمنه، ورده على. قال المغيرة هذا في قضاينا حسن لا نرى به باسا