Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭১ হাদিসসমূহ
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘উমরাহ বৈধ। ‘আতা (রহ.) বলেন, জাবির (রাঃ) আমাকে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে একই রকম হাদীস শুনিয়েছেন। (মুসলিম ২৪/৪ হাঃ ১৬২৫, ১৬২৬, আহমাদ ৮৫৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا همام، حدثنا قتادة، قال حدثني النضر بن انس، عن بشير بن نهيك، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " العمرى جايزة ". وقال عطاء حدثني جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, মদিনা্য় একবার শত্রুর আক্রমণের ভয় ছড়িয়ে পড়ল। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর নিকট হতে একটি ঘোড়া ধার নিলেন এবং তাতে সাওয়ার হলেন। ঘোড়াটির নাম ছিল মানদূব। অতঃপর তিনি ঘোড়াটিতে টহল দিয়ে ফিরে এসে বললেন, কিছুই তো দেখতে পেলাম না, তবে এই ঘোড়াটিকে আমি সমুদ্রের তরঙ্গের মতো পেয়েছি। (২৮২০, ২৮৫৭, ২৮৬২, ২৮৬৬, ২৮৬৭, ২৯০৮, ২৯৬৮, ২৯৬৯, ৩০৪০, ৬০৩৩, ৬২১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت انسا، يقول كان فزع بالمدينة فاستعار النبي صلى الله عليه وسلم فرسا من ابي طلحة يقال له المندوب، فركب فلما رجع قال " ما راينا من شىء، وان وجدناه لبحرا
আয়মান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট আমি হাযির হলাম। তাঁর গায়ে তখন পাঁচ দিরহাম মূল্যের মোটা কাপড়ের কামিজ ছিল। তিনি আমাকে বললেন, আমার এ বাঁদীটার দিকে তাকাও, ঘরের ভিতরে এটা পরতে সে অপছন্দ করে। অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যামানায় মদিনার মেয়েদের মধ্যে আমারই শুধু একটি কামিজ ছিল। মদিনায় কোন মেয়েকে বিয়ের সাজে সাজাতে গেলেই আমার নিকট কাউকে পাঠিয়ে ঐ কামিজটি চেয়ে নিত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا عبد الواحد بن ايمن، قال حدثني ابي قال، دخلت على عايشة رضى الله عنها وعليها درع قطر ثمن خمسة دراهم، فقالت ارفع بصرك الى جاريتي، انظر اليها فانها تزهى ان تلبسه في البيت، وقد كان لي منهن درع على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فما كانت امراة تقين بالمدينة الا ارسلت الى تستعيره
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মানীহা হিসাবে অধিক দুগ্ধবতী উটনী ও অধিক দুগ্ধবতী বকরী কতই না উত্তম, যা সকাল বিকাল পাত্র ভর্তি দুধ দেয়। (৫৬০৮, মুসলিম ১২/২২ হাঃ ১০১৯, আহমাদ ১০২০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৩) (ইমাম বুখারী বলেন) ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ ও ইসমাঈল (রহ.) হাদীসটি মালিক (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন, এতে তিনি বলেন, সদাকাহ হিসাবে কতই না উত্তম (দুগ্ধবতী উটনী, যা মানীহা হিসাবে দেয়া হয়)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " نعم المنيحة اللقحة الصفي منحة، والشاة الصفي تغدو باناء وتروح باناء ". حدثنا عبد الله بن يوسف واسماعيل عن مالك قال نعم الصدقة
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা হতে মদিনা্য় হিজরাতের সময় মুহাজিরদের হাকে কোন কিছু ছিল না। অন্যদিকে আনসারগণ ছিলেন জমি ও ভূসম্পত্তির অধিকারী। তাই আনসারগণ এই শর্তে মুহাজিরদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলেন যে, প্রতি বছর তারা (আনসারগণ)-এর উৎপন্ন ফল ও ফসলের একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ তাদের (মুহাজিরগণের) দিবেন আর তারা এ কাজে শ্রম দিবে ও দায়-দায়িত্ব নিবে। আনাসের মা উম্মু সুলাইম (রাঃ) ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ ত্বলহার মা। আনাসের মা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে (ফল ভোগ করার জন্য) কয়েকটি খেজুর গাছ দিয়েছিলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেগুলো তাঁর আযাদকৃত বাঁদী ‘উসমান ইবনু যায়দের মা উম্মু আয়মানকে দান করে দিয়েছিলেন। ইবনু শিহাব (রহ.) বলেন, আনাস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খায়বারে ইয়াহূদীদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষে মদিনা্য় ফিরে এলে মুহাজিরগণ আনসারদেরকে তাদের দানের সম্পত্তি ফিরিয়ে দিলেন; যেগুলো ফল ও ফসল ভোগ করার জন্য তারা মুহাজিরদের দান করেছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও তাঁর (আনাসের) মাকে তার খেজুর গাছগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মু আয়মানকে ঐ গাছগুলোর পরিবর্তে নিজ বাগানের কিছু অংশ দান করলেন। আহমাদ ইবনু শাবীব (রহ.) বলেন, আমার পিতা আমাদেরকে ইউনুসের সূত্রে এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং حَائِطِهِ এর স্থলে خَالِصِهِ বলেছেন, যার অর্থ নিজ ভূমি থেকে। (৩১২৮, ৪০৩০, ৪১২০) (মুসলিম ৩২/২৪, হাঃ ১৭৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا ابن وهب، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال لما قدم المهاجرون المدينة من مكة وليس بايديهم يعني شييا وكانت الانصار اهل الارض والعقار، فقاسمهم الانصار على ان يعطوهم ثمار اموالهم كل عام ويكفوهم العمل والميونة، وكانت امه ام انس ام سليم كانت ام عبد الله بن ابي طلحة، فكانت اعطت ام انس رسول الله صلى الله عليه وسلم عذاقا فاعطاهن النبي صلى الله عليه وسلم ام ايمن مولاته ام اسامة بن زيد. قال ابن شهاب فاخبرني انس بن مالك ان النبي صلى الله عليه وسلم لما فرغ من قتل اهل خيبر فانصرف الى المدينة، رد المهاجرون الى الانصار منايحهم التي كانوا منحوهم من ثمارهم فرد النبي صلى الله عليه وسلم الى امه عذاقها، واعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم ام ايمن مكانهن من حايطه. وقال احمد بن شبيب اخبرنا ابي عن يونس بهذا، وقال مكانهن من خالصه
‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, চল্লিশটি স্বভাবের মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হল দুধ পান করার জন্য কাউকে বকরী দেয়া। কোন বান্দা যদি সওয়াবের আশায় এবং পুরস্কার দানের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস রেখে উক্ত চল্লিশ স্বভাবের যে কোন একটির উপরে আমল করে তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। হাস্সান (রহ.) বলেন, দুধেল বকরী মানহি দেয়া ব্যতীত আর যে কয়টি স্বভাব আমরা গণনা করলাম, সেগুলো হল সালামের উত্তর দেয়া, হাঁচি দাতার হাঁচির উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা, পথ হতে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো ইত্যাদি। কিন্তু আমরা পনেরটি স্বভাবের অধিক গণনা করতে পারলাম না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا الاوزاعي، عن حسان بن عطية، عن ابي كبشة السلولي، سمعت عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اربعون خصلة اعلاهن منيحة العنز، ما من عامل يعمل بخصلة منها رجاء ثوابها وتصديق موعودها الا ادخله الله بها الجنة ". قال حسان فعددنا ما دون منيحة العنز من رد السلام، وتشميت العاطس، واماطة الاذى عن الطريق ونحوه، فما استطعنا ان نبلغ خمس عشرة خصلة
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কিছু লোকের অতিরিক্ত ভূসম্পত্তি ছিল।। তারা পরস্পর পরামর্শ করে ঠিক করল যে, এগুলো তারা তিন ভাগের এক ভাগ, চার ভাগের এক ভাগ বা অর্ধেক হিসাবে ইজারা দিবে। এ কথা শুনে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কারো অতিরিক্ত জমি থাকলে হয় সে নিজেই চাষ করবে, কিংবা তার ভাইকে তা (চাষ করতে) দিবে। আর তা না করতে চাইলে তা নিজের কাছেই রেখে দিবে। (২৩৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، حدثنا الاوزاعي، قال حدثني عطاء، عن جابر رضى الله عنه قال كانت لرجال منا فضول ارضين فقالوا نواجرها بالثلث والربع والنصف. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " من كانت له ارض فليزرعها او ليمنحها اخاه، فان ابى فليمسك ارضه
আবূ সা‘ঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে হিজরাত সম্পর্কে জানতে চাইল। তিনি তাকে বললেন, থাম! হিজরাতের ব্যাপার বড় কঠিন। বরং তোমার কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, তুমি কি এর সদাকাহ আদায় করে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি দুধ পানের জন্য এগুলো মানীহা হিসাবে দিয়ে থাক? সে বলল, হ্যাঁ। আবার তিনি প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা! পানি পান করানোর উটগুলো দোহন কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। তখন তিনি ইরশাদ করলেন, এ যদি হয় তাহলে সাগরের ওপারে হলেও অর্থাৎ তুমি যেখানে থাক ‘আমল করতে থাক। আল্লাহ তোমার ‘আমলের প্রতিদানে কম করবেন না। (৪৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২৪৫৭ শেষাংশ)
وقال محمد بن يوسف حدثنا الاوزاعي، حدثني الزهري، حدثني عطاء بن يزيد، حدثني ابو سعيد، قال جاء اعرابي الى النبي صلى الله عليه وسلم فساله عن الهجرة، فقال " ويحك ان الهجرة شانها شديد فهل لك من ابل " قال نعم. قال " فتعطي صدقتها ". قال نعم. قال " فهل تمنح منها شييا ". قال نعم. قال " فتحلبها يوم وردها ". قال نعم. قال " فاعمل من وراء البحار، فان الله لن يترك من عملك شييا
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার এক জমিতে গেলেন, যার ফসলগুলো আন্দোলিত হচ্ছিল। তিনি জানতে চাইলেন, কার জমি? লোকেরা বলল, অমুক ব্যক্তি এটি ইজারা নিয়েছে। তিনি বললেন, জমিটার নির্দিষ্ট ভাড়া গ্রহণ না করে সে যদি তাকে সাময়িকভাবে তা দিয়ে দিত তবে সেটাই হত তার জন্য উত্তম। (২৩৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا ايوب، عن عمرو، عن طاوس، قال حدثني اعلمهم، بذاك يعني ابن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج الى ارض تهتز زرعا فقال " لمن هذه ". فقالوا اكتراها فلان. فقال " اما انه لو منحها اياه كان خيرا له من ان ياخذ عليها اجرا معلوما
وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ هَذِهِ عَارِيَّةٌ وَإِنْ قَالَ كَسَوْتُكَ هَذَا الثَّوْبَ فَهُوَ هِبَةٌ কোন কোন ফিকাহ্ বিশারদ বলেন, এটা আরিয়ত হবে। তবে কেউ যদি বলে, এ কাপড়টি তোমাকে পরিধান করতে দিলাম, তবে তা হিবা হবে। ২৬৩৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বর্ণিত গ্রন্থ হতে বলেছেন, ইবরাহীম (আঃ) সারাকে সঙ্গে নিয়ে হিজরাত করলেন। লোকেরা সারার উদ্দেশে হাজিরাকে হাদিয়া দিলেন। তিনি ফিরে এসে (ইবরাহীমকে) বললেন, আপনি কি জেনেছেন, কাফিরকে আল্লাহ পরাস্ত করেছেন এবং সেবার জন্য একটি বালিকা দান করেছেন। ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, অতঃপর (সেই কাফির) সারার উদ্দেশে হাজিরাকে দান করল। (২২১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " هاجر ابراهيم بسارة، فاعطوها اجر، فرجعت فقالت اشعرت ان الله كبت الكافر واخدم وليدة ". وقال ابن سيرين عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم " فاخدمها هاجر
وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لَهُ أَنْ يَرْجِعَ فِيْهَا আর কোন কোন ফিকাহ্ বিশারদ বলেন, দাতা তা ফিরিয়ে নিতে পারে। ২৬৩৬. ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি জনৈক ব্যক্তিকে আল্লাহর পথে বাহন হিসাবে একটি ঘোড়া দিলাম। পরে তা বিক্রি হতে দেখে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, এটা ক্রয় করো না এবং সদাকাহ করা মাল ফিরিয়ে নিও না। (১৪৯০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৪৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، اخبرنا سفيان، قال سمعت مالكا، يسال زيد بن اسلم قال سمعت ابي يقول، قال عمر رضى الله عنه حملت على فرس في سبيل الله، فرايته يباع، فسالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا تشتر، ولا تعد في صدقتك