Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৩ হাদিসসমূহ
وَقَالَ أَنَسٌ قَالَ الْعَبَّاسُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَادَيْتُ نَفْسِي وَفَادَيْتُ عَقِيلاً وَكَانَ عَلِيٌّ لَهُ نَصِيبٌ فِي تِلْكَ الْغَنِيمَةِ الَّتِي أَصَابَ مِنْ أَخِيهِ عَقِيلٍ وَعَمِّهِ عَبَّاسٍ আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলেছিলেন, আমি নিজের ও আকীলের মুক্তিপণ আদায় করছি। এদিকে আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ) তার ভাই আকীল ও চাচা আব্বাসের মুক্তিপণ বাবত প্রাপ্ত গনীমাতের অংশ পেয়েছিলেন। ২৫৩৭. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদ্বীনার কিছু লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে বলল, আপনি অনুমতি দিলে আমরা আমাদের বোনের ছেলে ‘আব্বাসের মুক্তিপণ ছেড়ে দিব। কিন্তু তিনি বললেন, তোমরা তার (মুক্তিপণের) একটি দিরহামও ছাড়তে পার না। (৩০৪৮, ৪০১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم بن عقبة، عن موسى، عن ابن شهاب، قال حدثني انس رضى الله عنه ان رجالا، من الانصار استاذنوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ايذن فلنترك لابن اختنا عباس فداءه، فقال " لا تدعون منه درهما
হিশাম (রহ.) হতে বর্ণিত। আমার পিতা আমাকে অবগত করলেন যে, হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) জাহিলী যুগে একশ’ ক্রীতদাস মুক্ত করেছিলেন এবং আরোহণের জন্য একশ’ উট দিয়েছিলেন। যখন তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন, তখনও একশ’ উট বাহন হিসাবে দান করেন এবং একশ’ ক্রীতদাস মুক্ত করলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! জাহেলী যুগে কল্যাণের উদ্দেশে যে কাজগুলো আমি করতাম, সেগুলো সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন। তিনি বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার পিছনের ‘আমলগুলোর কল্যাণেই তো তুমি ইসলাম কবূল করেছ। (১৪৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، اخبرني ابي ان حكيم بن حزام رضى الله عنه اعتق في الجاهلية ماية رقبة، وحمل على ماية بعير، فلما اسلم حمل على ماية بعير واعتق ماية رقبة، قال فسالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله، ارايت اشياء كنت اصنعها في الجاهلية، كنت اتحنث بها، يعني اتبرر بها، قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسلمت على ما سلف لك من خير
মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে হাযির হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন (অভ্যর্থনার জন্য) এরপর তারা অর্থ-সম্পদ ও বন্দীদের ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন জানাল। তখন তিনি বললেন, তোমরা দেখেছ, আমার সাথে আরো ‘সাহাবী আছেন। আর সত্য ভাষণই আমার নিকট প্রিয়। কাজেই, অর্থ-সম্পদ ও বন্দী এ দু’টির যে কোন একটি তোমরা বেছে নাও। বন্দীদের বণ্টনের ব্যাপারে আমি বিলম্বও করেছিলাম। (রাবী বলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফ হতে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদেরকে সুযোগ দিয়েছিলেন। যখন প্রতিনিধি দলের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দু’টির যে কোন একটি ফেরত দিবেন, তখন তারা বলল, তবে আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করার পর বললেন, তোমাদের ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের কাছে এসেছে। এমতাবস্থায় আমি তাদেরকে তাদের বন্দীদের ফেরত দিতে মনস্থ করেছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে তা পছন্দ করে, তারা যেন তাই করে। আর যারা তাদের নিজেদের হিস্সা পেতে পছন্দ করে তা এভাবে যে, প্রথম দফায় আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দান করবেন, সেখান হতে আমি তাদের সে হিস্সা আদায় করে দিব। সে যেন তা করে। তখন সবাই বলল, আমরা আপনার জন্য সন্তুষ্টচিত্তে তা করতে রাজী আছি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পারছি না, তোমাদের মধ্যে কারা সম্মত আর কারা সম্মত নও। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। আর তোমাদের মুখপাত্ররা তোমাদের মতামত আমার কাছে উত্থাপন করুক। তারপর সবাই ফিরে গেল আর তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সাথে আলোচনা সেরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ফিরে এসে জানালেন যে, তারা সকলেই সন্তুষ্টচিত্তে সম্মতি প্রকাশ করেছে। [ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) বলেন] হওয়াযিন গোত্রের যুদ্ধ বন্দী সম্পর্কে এতটুকুই আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেন, (বদর যুদ্ধে) আমি (একাই) নিজের ও আকীলের মুক্তিপণ আদায় করেছি। (২৩০৭, ২৩০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابن ابي مريم، قال اخبرني الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، ذكر عروة ان مروان، والمسور بن مخرمة، اخبراه ان النبي صلى الله عليه وسلم قام حين جاءه وفد هوازن، فسالوه ان يرد اليهم اموالهم وسبيهم فقال " ان معي من ترون، واحب الحديث الى اصدقه، فاختاروا احدى الطايفتين اما المال، واما السبى، وقد كنت استانيت بهم ". وكان النبي صلى الله عليه وسلم انتظرهم بضع عشرة ليلة حين قفل من الطايف، فلما تبين لهم ان النبي صلى الله عليه وسلم غير راد اليهم الا احدى الطايفتين قالوا فانا نختار سبينا. فقام النبي صلى الله عليه وسلم في الناس، فاثنى على الله بما هو اهله، ثم قال " اما بعد فان اخوانكم جاءونا تايبين، واني رايت ان ارد اليهم سبيهم، فمن احب منكم ان يطيب ذلك فليفعل، ومن احب ان يكون على حظه حتى نعطيه اياه من اول ما يفيء الله علينا فليفعل ". فقال الناس طيبنا ذلك. قال " انا لا ندري من اذن منكم ممن لم ياذن فارجعوا حتى يرفع الينا عرفاوكم امركم ". فرجع الناس، فكلمهم عرفاوهم، ثم رجعوا الى النبي صلى الله عليه وسلم فاخبروه انهم طيبوا واذنوا، فهذا الذي بلغنا عن سبى هوازن. وقال انس قال عباس للنبي صلى الله عليه وسلم فاديت نفسي، وفاديت عقيلا
মারওয়ান ও মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, হাওয়াযিন গোত্রের প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর খিদমতে হাযির হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন (অভ্যর্থনার জন্য) এরপর তারা অর্থ-সম্পদ ও বন্দীদের ফিরিয়ে দেয়ার আবেদন জানাল। তখন তিনি বললেন, তোমরা দেখেছ, আমার সাথে আরো ‘সাহাবী আছেন। আর সত্য ভাষণই আমার নিকট প্রিয়। কাজেই, অর্থ-সম্পদ ও বন্দী এ দু’টির যে কোন একটি তোমরা বেছে নাও। বন্দীদের বণ্টনের ব্যাপারে আমি বিলম্বও করেছিলাম। (রাবী বলেন) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফ হতে ফিরে প্রায় দশ রাত তাদেরকে সুযোগ দিয়েছিলেন। যখন প্রতিনিধি দলের কাছে সুস্পষ্ট হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দু’টির যে কোন একটি ফেরত দিবেন, তখন তারা বলল, তবে আমরা আমাদের বন্দীদেরই পছন্দ করছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সবার সামনে দাঁড়িয়ে আল্লাহ তা‘আলার যথাযোগ্য প্রশংসা করার পর বললেন, তোমাদের ভাইয়েরা তাওবা করে আমাদের কাছে এসেছে। এমতাবস্থায় আমি তাদেরকে তাদের বন্দীদের ফেরত দিতে মনস্থ করেছি। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা সন্তুষ্টচিত্তে তা পছন্দ করে, তারা যেন তাই করে। আর যারা তাদের নিজেদের হিস্সা পেতে পছন্দ করে তা এভাবে যে, প্রথম দফায় আল্লাহ তা‘আলা আমাকে দান করবেন, সেখান হতে আমি তাদের সে হিস্সা আদায় করে দিব। সে যেন তা করে। তখন সবাই বলল, আমরা আপনার জন্য সন্তুষ্টচিত্তে তা করতে রাজী আছি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পারছি না, তোমাদের মধ্যে কারা সম্মত আর কারা সম্মত নও। কাজেই তোমরা ফিরে যাও। আর তোমাদের মুখপাত্ররা তোমাদের মতামত আমার কাছে উত্থাপন করুক। তারপর সবাই ফিরে গেল আর তাদের প্রতিনিধিরা তাদের সাথে আলোচনা সেরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে ফিরে এসে জানালেন যে, তারা সকলেই সন্তুষ্টচিত্তে সম্মতি প্রকাশ করেছে। [ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) বলেন] হওয়াযিন গোত্রের যুদ্ধ বন্দী সম্পর্কে এতটুকুই আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেন, (বদর যুদ্ধে) আমি (একাই) নিজের ও আকীলের মুক্তিপণ আদায় করেছি। (২৩০৭, ২৩০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابن ابي مريم، قال اخبرني الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، ذكر عروة ان مروان، والمسور بن مخرمة، اخبراه ان النبي صلى الله عليه وسلم قام حين جاءه وفد هوازن، فسالوه ان يرد اليهم اموالهم وسبيهم فقال " ان معي من ترون، واحب الحديث الى اصدقه، فاختاروا احدى الطايفتين اما المال، واما السبى، وقد كنت استانيت بهم ". وكان النبي صلى الله عليه وسلم انتظرهم بضع عشرة ليلة حين قفل من الطايف، فلما تبين لهم ان النبي صلى الله عليه وسلم غير راد اليهم الا احدى الطايفتين قالوا فانا نختار سبينا. فقام النبي صلى الله عليه وسلم في الناس، فاثنى على الله بما هو اهله، ثم قال " اما بعد فان اخوانكم جاءونا تايبين، واني رايت ان ارد اليهم سبيهم، فمن احب منكم ان يطيب ذلك فليفعل، ومن احب ان يكون على حظه حتى نعطيه اياه من اول ما يفيء الله علينا فليفعل ". فقال الناس طيبنا ذلك. قال " انا لا ندري من اذن منكم ممن لم ياذن فارجعوا حتى يرفع الينا عرفاوكم امركم ". فرجع الناس، فكلمهم عرفاوهم، ثم رجعوا الى النبي صلى الله عليه وسلم فاخبروه انهم طيبوا واذنوا، فهذا الذي بلغنا عن سبى هوازن. وقال انس قال عباس للنبي صلى الله عليه وسلم فاديت نفسي، وفاديت عقيلا
ইবনু ‘আউন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাফি‘ (রহ.)-কে পত্র লিখলাম, তিনি জওয়াবে আমাকে লিখেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানী মুস্তালিক গোত্রের উপর অতর্কিতভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। তাদের গবাদি পশুকে তখন পানি পান করানো হচ্ছিল। তিনি তাদের যুদ্ধক্ষমদের হত্যা এবং নাবালকদের বন্দী করেন এবং সেদিনই তিনি জুওয়ায়রিয়া (উম্মুল মু’মিনীন)-কে লাভ করেন। [নাফি‘ (রহ.) বলেন] ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) আমাকে এ সম্পর্কিত হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি নিজেও সে সেনাদলে ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن الحسن، اخبرنا عبد الله، اخبرنا ابن عون، قال كتبت الى نافع فكتب الى ان النبي صلى الله عليه وسلم اغار على بني المصطلق وهم غارون وانعامهم تسقى على الماء، فقتل مقاتلتهم، وسبى ذراريهم، واصاب يوميذ جويرية. حدثني به عبد الله بن عمر، وكان في ذلك الجيش
ইবনু মুহায়রিয (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ সাঈদ (রাঃ)-কে দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে আমরা বনী মুস্তালিক যুদ্ধে কিছু আরব যুদ্ধ বন্দী আমাদের হস্তগত হল। তখন আমাদের স্ত্রীদের কথা মনে পড়ে (কেননা) দূর-নিঃসঙ্গ জীবন আমাদের জন্য পীড়াদায়ক হয়ে পড়েছিল। (সে সময়) আমরা আযল করতে চাইলাম (বাঁদী ব্যবহার করে)। এ সম্পর্কে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এরূপ না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি হবে না। কেননা, ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) পর্যন্ত যাদের জন্ম নির্ধারিত রয়েছে, তাদের আগমন ঘটবেই। (২২২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، قال رايت ابا سعيد رضى الله عنه فسالته فقال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فاصبنا سبيا من سبى العرب، فاشتهينا النساء فاشتدت علينا العزبة واحببنا العزل، فسالنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما عليكم ان لا تفعلوا، ما من نسمة كاينة الى يوم القيامة الا وهى كاينة
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে তিনটি কথা শোনার পর হতে বনী তামীম গোত্রকে আমি ভালবেসে আসছি। আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, দাজ্জালের মুকাবিলায় আমার উম্মতের মধ্যে এরাই হবে অধিকতর কঠোর। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, একবার তাদের পক্ষ হতে সদকার মাল আসল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ যে আমার কাওমের সাদাকা। ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর হাতে তাদের এক বন্দিনী ছিল। তা দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, একে মুক্ত করে দাও। কেননা, সে ইসমাঈলের বংশধর। (৪৩৬৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن عمارة بن القعقاع، عن ابي زرعة، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال لا ازال احب بني تميم. وحدثني ابن سلام اخبرنا جرير بن عبد الحميد عن المغيرة عن الحارث عن ابي زرعة عن ابي هريرة. وعن عمارة عن ابي زرعة عن ابي هريرة قال ما زلت احب بني تميم منذ ثلاث سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول فيهم، سمعته يقول " هم اشد امتي على الدجال ". قال وجاءت صدقاتهم، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذه صدقات قومنا ". وكانت سبية منهم عند عايشة. فقال " اعتقيها فانها من ولد اسماعيل
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কারো যদি একটি বাঁদী থাকে আর সে তাকে প্রতিপালন করে, তার সাথে ভাল আচরণ করে এবং তাকে মুক্তি দিয়ে বিয়ে করে, তাহলে সে দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। (৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، سمع محمد بن فضيل، عن مطرف، عن الشعبي، عن ابي بردة، عن ابي موسى رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من كانت له جارية فعالها، فاحسن اليها ثم اعتقها وتزوجها، كان له اجران
وَقَوْلِهِ تَعَالَى ( وَاعْبُدُوا اللهَ وَلاَ تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا وَبِذِي الْقُرْبَى وَالْيَتَامَى وَالْمَسَاكِينِ وَالْجَارِ ذِي الْقُرْبَى وَالْجَارِ الْجُنُبِ وَالصَّاحِبِ بِالْجَنْبِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ إِنَّ اللهَ لاَ يُحِبُّ مَنْ كَانَ مُخْتَالاً فَخُورًا ) قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ ( ذِي الْقُرْبَى ) الْقَرِيبُ وَالْجُنُبُ الْغَرِيبُ الْجَارُ الْجُنُبُ يَعْنِي الصَّاحِبَ فِي السَّفَرِ (এ সম্পর্কে) আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘আর তোমরা আল্লাহর ইবাদাত করবে ও কোন কিছুকে তাঁর শরীক করবে না এবং পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতীম, অভাবগ্রস্ত, নিকট প্রতিবেশী, দূর প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, পথচারী এবং তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবে। দাম্ভিক আত্মগর্বীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না।’’ (আন-নিসা (৪) : ৩৬) ২৫৪৫. মারূর ইবনু সুওয়াইদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি আবূ যার গিফারী (রাঃ)-এর দেখা পেলাম। তার গায়ে তখন এক জোড়া কাপড় আর তার ক্রীতদাসের গায়েও (অনুরূপ) এক জোড়া কাপড় ছিল। তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, একবার এক ব্যক্তিকে আমি গালি দিয়েছিলাম। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, তুমি তার মার প্রতি কটাক্ষ করে তাকে লজ্জা দিলে? তারপর তিনি বললেন, তোমাদের গোলামেরা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনস্থ করেছেন, কাজেই কারো ভাই যদি তার অধীনে থাকে তবে সে যা খায়, তা হতে যেন তাকে খেতে দেয় এবং সে যা পরিধান করে, তা হতে যেন পরিধান করায় এবং তাদের সাধ্যাতীত কোন কাজে বাধ্য না করে। তোমরা যদি তাদের শক্তির ঊর্ধ্বে কোন কাজ তাদের দাও তবে তাদের সহযোগিতা কর। (৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا شعبة، حدثنا واصل الاحدب، قال سمعت المعرور بن سويد، قال رايت ابا ذر الغفاري رضى الله عنه وعليه حلة وعلى غلامه حلة فسالناه عن ذلك فقال اني ساببت رجلا فشكاني الى النبي صلى الله عليه وسلم، فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " اعيرته بامه ". ثم قال " ان اخوانكم خولكم جعلهم الله تحت ايديكم، فمن كان اخوه تحت يده فليطعمه مما ياكل، وليلبسه مما يلبس، ولا تكلفوهم ما يغلبهم، فان كلفتموهم ما يغلبهم فاعينوهم
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্রীতদাস যদি তার মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয় এবং তার প্রতিপালকের উত্তমরূপে ইবাদত করে, তাহলে তার সাওয়াব হবে দ্বিগুণ। (২৫৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " العبد اذا نصح سيده واحسن عبادة ربه كان له اجره مرتين
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লোক তার বাঁদীকে উত্তমরূপে জ্ঞান ও আদব শিক্ষা দেয় এবং তাকে মুক্ত করে ও বিয়ে করে, সে দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। আর যে ক্রীতদাস আল্লাহর হক আদায় করে এবং মনিবের হকও আদায় করে, সেও দ্বিগুণ সাওয়াব লাভ করবে। (৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن صالح، عن الشعبي، عن ابي بردة، عن ابي موسى الاشعري رضى الله عنه قال النبي صلى الله عليه وسلم " ايما رجل كانت له جارية فادبها فاحسن تاديبها، واعتقها وتزوجها، فله اجران، وايما عبد ادى حق الله وحق مواليه، فله اجران
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সৎ ক্রীতদাসের সাওয়াব হবে দ্বিগুণ। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ করে বলছি, আল্লাহর পথে জিহাদ, হাজ্জ এবং আমার মায়ের সেবার মতো উত্তম কাজ যদি না থাকত, তাহলে ক্রীতদাসরূপে মৃত্যুবরণ করাই আমি পছন্দ করতাম। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، سمعت سعيد بن المسيب، يقول قال ابو هريرة رضى الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " للعبد المملوك الصالح اجران، والذي نفسي بيده لولا الجهاد في سبيل الله والحج وبر امي، لاحببت ان اموت وانا مملوك
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কত ভাগ্যবান সে যে উত্তমরূপে আপন প্রতিপালকের ইবাদত করে এবং নিজ মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن نصر، حدثنا ابو اسامة، عن الاعمش، حدثنا ابو صالح، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " نعم ما لاحدهم يحسن عبادة ربه وينصح لسيده
وَقَالَ اللهُ تَعَالَى ( وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ ) وَقَالَ ( عَبْدًا مَمْلُوكًا ) ( وَأَلْفَيَا سَيِّدَهَا لَدَى الْبَابِ ) وَقَالَ ( مِنْ فَتَيَاتِكُمْ الْمُؤْمِنَاتِ ) وَقَالَ النَّبِيُّ قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ وَ ( اذْكُرْنِي عِنْدَ رَبِّكَ ) عِنْدَ سَيِّدِكَ وَمَنْ سَيِّدُكُمْ আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘এবং তোমাদের ক্রীতদাস বাঁদীদের মধ্যে যারা সৎ .....’’ (আন-নূর ৩২)। তিনি আরো বলেনঃ ‘‘অপরের অধিকারভুক্ত এক ক্রীতদাসের .....’’ (নাহল (১৬) : ৭৫)। ‘‘তারা স্ত্রী লোকটির স্বামীকে দরজার কাছে পেল’’- (ইউসুফ (১২) : ২৫)। আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন, ‘‘তোমাদের ঈমানদার বাঁদীদের ......’’ (আন-নিসা (৪) : ২৫)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তোমাদের নেতার জন্য দাঁড়িয়ে যাও। ‘‘এবং তোমার প্রভুর নিকট আমার কথা বলবে’’- (ইউসুফ (১২) : ৪২)। অর্থাৎ, তোমার মনিবের নিকট। ২৫৫০. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্রীতদাস যদি স্বীয় মনিবের হিতাকাঙ্ক্ষী হয় এবং আপন প্রতিপালকের উত্তম ‘ইবাদত করে, তাহলে তার পুণ্য হবে দ্বিগুণ। (২৫৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، حدثني نافع، عن عبد الله رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا نصح العبد سيده، واحسن عبادة ربه، كان له اجره مرتين
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ক্রীতদাস আপন প্রতিপালকের উত্তমরূপে ইবাদত করে এবং আপন মনিবের যে হক আছে তা আদায় করে, তার কল্যাণ কামনা করে আর তার আনুগত্য করে, সে দ্বিগুণ পুণ্য অর্জন করবে। (৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المملوك الذي يحسن عبادة ربه، ويودي الى سيده الذي له عليه من الحق والنصيحة والطاعة، له اجران
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন এমন কথা না বলে ‘‘তোমার প্রভুকে আহার করাও’’ ‘‘তোমার প্রভুকে অযু করাও’’ ‘‘তোমার প্রভুকে পান করাও’’ আর যেন (দাস ও বাঁদীরা) এরূপ বলে, ‘‘আমার মনিব’’ ‘আমার অভিভাবক’, তোমাদের কেউ যেন এরূপ না বলে ‘‘আমার দাস, আমার দাসী’’। বরং বলবে- ‘আমার বালক’ ‘আমার বালিকা’ ‘আমার খাদিম’। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن همام بن منبه، انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " لا يقل احدكم اطعم ربك، وضي ربك، اسق ربك. وليقل سيدي مولاى. ولا يقل احدكم عبدي امتي. وليقل فتاى وفتاتي وغلامي
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ কোন (শরীকী) ক্রীতদাস হতে নিজের অংশ মুক্ত করে দিলে এবং তার কাছে সেই ক্রীতদাসের মূল্য পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং তার সম্পদ থেকেই সেই ক্রীতদাস সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে যাবে, অন্যথায় সে যতটুকু মুক্ত করেছে ততটুকুই মুক্ত হবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا جرير بن حازم، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من اعتق نصيبا له من العبد، فكان له من المال ما يبلغ قيمته، يقوم عليه قيمة عدل، واعتق من ماله، والا فقد عتق منه
‘আবদুল্লাহ [ইবনু ‘উমার (রাঃ)] হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই নিজ অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হবে। যেমন- জনগণের শাসক তাদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। একজন পুরুষ তার পরিবার পরিজনদের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী স্বামীর ঘরের এবং তার সন্তানের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তাদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। আর ক্রীতদাস আপন মনিবের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণকারী। কাজেই সে বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। শোন! তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। কাজেই প্রত্যেকেই আপন অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। (৮৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال حدثني نافع، عن عبد الله رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كلكم راع فمسيول عن رعيته، فالامير الذي على الناس راع وهو مسيول عنهم، والرجل راع على اهل بيته وهو مسيول عنهم، والمراة راعية على بيت بعلها وولده وهى مسيولة عنهم، والعبد راع على مال سيده وهو مسيول عنه، الا فكلكم راع وكلكم مسيول عن رعيته
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত।, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বাঁদী যিনায় লিপ্ত হলে তাকে চাবুক লাগাবে। আবার যিনা করলে আবারও চাবুক লাগাবে। তৃতীয়বার বা চতুর্থবার বলেছেন, একগাছি রশির বিনিময়ে হলেও তাকে বিক্রি করে ফেলবে। (২১৫২, ২১৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مالك بن اسماعيل، حدثنا سفيان، عن الزهري، حدثني عبيد الله، سمعت ابا هريرة، وزيد بن خالد، رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا زنت الامة فاجلدوها، ثم اذا زنت فاجلدوها، ثم اذا زنت فاجلدوها، في الثالثة او الرابعة بيعوها ولو بضفير
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত।, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বাঁদী যিনায় লিপ্ত হলে তাকে চাবুক লাগাবে। আবার যিনা করলে আবারও চাবুক লাগাবে। তৃতীয়বার বা চতুর্থবার বলেছেন, একগাছি রশির বিনিময়ে হলেও তাকে বিক্রি করে ফেলবে। (২১৫২, ২১৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৩৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مالك بن اسماعيل، حدثنا سفيان، عن الزهري، حدثني عبيد الله، سمعت ابا هريرة، وزيد بن خالد، رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا زنت الامة فاجلدوها، ثم اذا زنت فاجلدوها، ثم اذا زنت فاجلدوها، في الثالثة او الرابعة بيعوها ولو بضفير