Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৬০ হাদিসসমূহ
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) হারামের নিকটবর্তী স্থানে পৌছলে তালবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিতেন। অতঃপর যী-তুয়া নামক স্থানে রাত যাপন করতেন। এরপর সেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন ও গোসল করতেন। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতেন। (১৫৫৩, মুসলিম ১৫/৩৮, হাঃ ১২৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابن علية، اخبرنا ايوب، عن نافع، قال كان ابن عمر رضى الله عنهما اذا دخل ادنى الحرم امسك عن التلبية، ثم يبيت بذي طوى، ثم يصلي به الصبح ويغتسل، ويحدث ان نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يفعل ذلك
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভোর পর্যন্ত যী-তুয়ায় রাত যাপন করেন, অতঃপর মক্কায় প্রবেশ করেন। (রাবী নাফি‘ বলেন) ইবনু ‘উমার (রাঃ)-ও এরূপ করতেন। (১৫৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال حدثني نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال بات النبي صلى الله عليه وسلم بذي طوى حتى اصبح ثم دخل مكة. وكان ابن عمر رضى الله عنهما يفعله
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সানিয়্যাতুল ‘উলয়া (হারামের উত্তর-পূর্বদিকে কাদা নামক স্থান দিয়ে) মক্কা্য় প্রবেশ করতেন এবং সানিয়্যা সুফলা (হারামের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে কুদা নামক স্থান) দিয়ে বের হতেন। (১৫৭৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن المنذر، قال حدثني معن، قال حدثني مالك، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدخل من الثنية العليا، ويخرج من الثنية السفلى
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাত্হায় অবস্থিত সানিয়্যা ‘উলয়ার কাদা নামক স্থান দিয়ে মক্কা্য় প্রবেশ করেন এবং সানিয়্যা সুফ্লার দিক দিয়ে বের হন। (১৫৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد بن مسرهد البصري، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة من كداء من الثنية العليا التي بالبطحاء، ويخرج من الثنية السفلى. قال ابو عبد الله كان يقال هو مسدد كاسمه. قال ابو عبد الله سمعت يحيى بن معين يقول سمعت يحيى بن سعيد يقول لو ان مسددا اتيته في بيته فحدثته لاستحق ذلك، وما ابالي كتبي كانت عندي او عند مسدد
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা্য় আসেন তখন এর উচ্চ স্থান দিয়ে প্রবেশ করেন এবং নীচু স্থান দিয়ে ফিরার পথে বের হন। (১৫৭৮, ১৫৭৯, ১৫৮০, ১৫৮১, ৪২৯০, ৪২৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم لما جاء الى مكة دخل من اعلاها وخرج من اسفلها
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ বিজয়ের বছর কাদা-র পথে (মক্কা্য়) প্রবেশ করেন এবং বের হন কুদা-র পথে যা মক্কার উঁচু স্থানে অবস্থিত। (১৫৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمود بن غيلان المروزي، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح من كداء، وخرج من كدا من اعلى مكة
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ বিজয়ের বছর কাদা নামক স্থান দিয়ে মক্কার উঁচু ভূমির দিক হতে মক্কা্য় প্রবেশ করেন। রাবী হিশাম (রহ.) বলেন, (আমার পিতা) ‘উরওয়া (রহ.) কাদা ও কুদা উভয় স্থান দিয়ে (মক্কা্য়) প্রবেশ করতেন। তবে অধিকাংশ সময় কুদা দিয়ে প্রবেশ করতেন, কেননা তাঁর বাড়ি এ পথে অধিক নিকটবর্তী ছিল। (১৫৭৭, মুসলিম ১৫/৩৭, হাঃ ১২৫৭, আহমাদ ৪৮৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৫ সম্পূর্ণ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد، حدثنا ابن وهب، اخبرنا عمرو، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عام الفتح من كداء اعلى مكة. قال هشام وكان عروة يدخل على كلتيهما من كداء وكدا، واكثر ما يدخل من كداء، وكانت اقربهما الى منزله
‘উরওয়া (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ বিজয়ের বছর মক্কার উঁচু ভূমি কাদা দিয়ে (মক্কা্য়) প্রবেশ করেন। [রাবী হিশাম (রহ.) বলেন] ‘উরওয়া (রহ.) অধিকাংশ সময় কুদা’র পথে প্রবেশ করতেন, কেননা তাঁর বাড়ি এ পথের অধিক নিকটবর্তী ছিল। (১৫৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا حاتم، عن هشام، عن عروة، دخل النبي صلى الله عليه وسلم عام الفتح من كداء من اعلى مكة. وكان عروة اكثر ما يدخل من كداء وكان اقربهما الى منزله
‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা্ বিজয়ের বছর কাদা-র পথে মক্কা্য় প্রবেশ করেন। [রাবী হিশাম (রহ.) বলেন] ‘উরওয়াহ উভয় পথেই প্রবেশ করতেন, তবে কুদা-র পথে তাঁর বাড়ি নিকটবর্তী হওয়ার কারণে সে পথেই অধিকাংশ সময় প্রবেশ করতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, ‘কাদা’ ও ‘কুদা’ দু’টি স্থানের নাম। (১৫৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى، حدثنا وهيب، حدثنا هشام، عن ابيه، دخل النبي صلى الله عليه وسلم عام الفتح من كداء. وكان عروة يدخل منهما كليهما واكثر ما يدخل من كداء اقربهما الى منزله. قال ابو عبد الله كداء وكدا موضعان
وَقَوْلِهِ تَعَالَى : (وَإِذْ جَعَلْنَا الْبَيْتَ مَثَابَةً لِلنَّاسِ وَأَمْنًا وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى وَعَهِدْنَا إِلَى إِبْرَاهِيمَ وَإِسْمَاعِيلَ أَنْ طَهِّرَا بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَذَا بَلَدًا آمِنًا وَارْزُقْ أَهْلَهُ مِنْ الثَّمَرَاتِ مَنْ آمَنَ مِنْهُمْ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ قَالَ وَمَنْ كَفَرَ فَأُمَتِّعُهُ قَلِيلاً ثُمَّ أَضْطَرُّهُ إِلَى عَذَابِ النَّارِ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنْ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ رَبَّنَا وَاجْعَلْنَا مُسْلِمَيْنِ لَكَ وَمِنْ ذُرِّيَّتِنَا أُمَّةً مُسْلِمَةً لَكَ وَأَرِنَا مَنَاسِكَنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ) এবং মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘এবং সেই সময়কে স্মরণ করুন যখন কা‘বাঘরকে মানব জাতির মিলন কেন্দ্র ও নিরাপত্তা স্থল করেছিলাম এবং বলেছিলাম, তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়াবার স্থানকেই সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর এবং ইব্রাহীম ও ইসমা‘ঈলকে তাওয়াফকারী, ই‘তিকাফকারী, রুকূ ও সিজদাকারীদের জন্য আমার ঘরকে পবিত্র রাখতে আদেশ দিয়েছিলাম। স্মরণ করুন, যখন ইব্রাহীম বলেছিলেন, হে আমার প্রতিপালক! একে নিরাপদ শহর করুন আর এ অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী তাদেরকে ফলমূল হতে জীবিকা প্রদান করুন। তিনি বললেন, যে কেউ কুফরী করবে তাকেও কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করতে দিব। অতঃপর তাকে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে বাধ্য করব এবং তা কত নিকৃষ্ট পরিণাম! স্মরণ করুন, যখন ইবরাহীম ও ইসমা‘ঈল কা’বা ঘরের প্রাচীর তুলছিলেন তখন তারা বলেছিলেন, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ কাজ গ্রহণ করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উভয়কে আপনার একান্ত অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধর হতে আপনার এক অনুগত উম্মাত করুন। আমাদেরকে ‘ইবাদাতের নিয়ম-পদ্ধতি দেখিয়ে দিন এবং আমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হন, আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’’ (আল-বাকারাঃ ১২৫-১২৮) ১৫৮২. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কা‘বা ঘর পুনর্নির্মাণের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ‘আব্বাস (রাঃ) পাথর বহন করছিলেন। ‘আব্বাস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেন, তোমার লুঙ্গিটি কাঁধের ওপর দিয়ে নাও। তিনি তা করলে মাটিতে পড়ে গেলেন এবং তাঁর উভয় চোখ আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকল। তখন তিনি বললেনঃ আমার লুঙ্গি দাও এবং তা বেঁধে নিলেন। (৩৬৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عاصم، قال اخبرني ابن جريج، قال اخبرني عمرو بن دينار، قال سمعت جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال لما بنيت الكعبة ذهب النبي صلى الله عليه وسلم وعباس ينقلان الحجارة فقال العباس للنبي صلى الله عليه وسلم اجعل ازارك على رقبتك. فخر الى الارض، وطمحت عيناه الى السماء فقال " ارني ازاري ". فشده عليه
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ তুমি কি জান না! তোমার কওম যখন কা‘বা ঘরের পুনর্নির্মাণ করেছিল তখন ইব্রাহীম (‘আ.) কর্তৃক কা‘বা ঘরের মূল ভিত্তি হতে তা সঙ্কুচিত করেছিল। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি একে ইবরাহীমী ভিত্তির উপর পুনঃস্থাপন করবেন না? তিনি বললেনঃ যদি তোমার সম্প্রদায়ের যুগ কুফরীর নিকটবর্তী না হত তা হলে অবশ্য আমি তা করতাম। ‘আবদুল্লাহ (ইবনু ‘উমর) (রাঃ) বলেন, যদি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) নিশ্চিতরূপে তা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনে থাকেন, তাহলে আমার মনে হয় যে, বায়তুল্লাহ হাতীমের দিক দিয়ে সম্পূর্ণ ইবরাহিমী ভিত্তির উপর নির্মিত না হবার কারণেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তওয়াফের সময়) হাতীম সংলগ্ন দু’টি কোণ স্পর্শ করতেন না। (১২৬, মুসলিম ১৫/৬৯, হাঃ ১৩৩৩, আহমাদ ২৫৪৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن محمد بن ابي بكر، اخبر عبد الله بن عمر، عن عايشة رضى الله عنهم زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لها " الم ترى ان قومك لما بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد ابراهيم ". فقلت يا رسول الله الا تردها على قواعد ابراهيم. قال " لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت ". فقال عبد الله رضى الله عنه لين كانت عايشة رضى الله عنها سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما ارى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر، الا ان البيت لم يتمم على قواعد ابراهيم
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলাম, (হাতীমের) দেয়াল কি বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত, তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, তাহলে তারা বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করল না কেন? তিনি বললেনঃ তোমার গোত্রের (অর্থাৎ কুরাইশের কা‘বা নির্মাণের) সময় অর্থ নিঃশেষ হয়ে যায়। আমি বললাম, কা‘বার দরজা এত উঁচু হওয়ার কারণ কী? তিনি বললেনঃ তোমার কওমতো এ জন্য করেছে যে, তারা যাকে ইচ্ছা তাকে ঢুকতে দিবে এবং যাকে ইচ্ছা নিষেধ করবে। যদি তোমার কওমের যুগ জাহিলিয়াতের নিকটবর্তী না হত এবং আশঙ্কা না হত যে, তারা একে ভাল মনে করবে না, তাহলে আমি দেয়ালকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং তার দরজা ভূমি বরাবর করে দিতাম। (১২৬, মুসলিম ১৫/৭০, হাঃ ১৩৩৩, আহমাদ ২৪৭৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا ابو الاحوص، حدثنا اشعث، عن الاسود بن يزيد، عن عايشة رضى الله عنها قالت سالت النبي صلى الله عليه وسلم عن الجدر امن البيت هو قال " نعم ". قلت فما لهم لم يدخلوه في البيت قال " ان قومك قصرت بهم النفقة ". قلت فما شان بابه مرتفعا قال " فعل ذلك قومك ليدخلوا من شاءوا ويمنعوا من شاءوا، ولولا ان قومك حديث عهدهم بالجاهلية فاخاف ان تنكر قلوبهم ان ادخل الجدر في البيت وان الصق بابه بالارض
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ যদি তোমার গোত্রের যুগ কুফরীর নিকটবর্তী না হত তা হলে অবশ্যই কা‘বা ঘর ভেঙ্গে ইব্রাহীম (আঃ)-এর ভিত্তির উপর তা পুনর্নির্মাণ করতাম। কেননা কুরায়শগণ এর ভিত্তি সঙ্কুচিত করে দিয়েছে। আর আমি আরো একটি দরজা করে দিতাম। আবূ মু‘আবিয়াহ (রহ.) বলেন, হিশাম (রহ.) বলেছেন : خَلْفًا অর্থ দরজা। (১২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " لولا حداثة قومك بالكفر لنقضت البيت ثم لبنيته على اساس ابراهيم عليه السلام فان قريشا استقصرت بناءه وجعلت له خلفا ". قال ابو معاوية حدثنا هشام خلفا يعني بابا
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বলেনঃ হে ‘আয়িশাহ! যদি তোমার কওমের যুগ জাহিলিয়াতের নিকটবর্তী না হত তাহলে আমি কা‘বা ঘর সম্পর্কে নির্দেশ দিতাম এবং তা ভেঙ্গে ফেলা হত। অতঃপর বাদ দেয়া অংশটুকু আমি ঘরের অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং তা ভূমি বরাবর করে দিতাম ও পূর্ব-পশ্চিমে এর দু’টি দরজা করে দিতাম। এভাবে কা‘বাকে ইব্রাহীম (‘আ.) নির্মিত ভিত্তিতে সম্পন্ন করতাম। (বর্ণনাকারী বলেন), আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এ উক্তি কা‘বা ঘর ভাঙ্গতে (‘আবদুল্লাহ) ইবনু যুবাইর (রহ.)-কে অনুপ্রাণিত করেছে। (রাবী) ইয়াযীদ বলেন, আমি ইবনু যুবাইর (রাঃ)-কে দেখেছি তিনি যখন কা‘বা ঘর ভেঙ্গে তা পুনর্নির্মাণ করেন এবং বাদ দেয়া অংশটুকু (হাতীম) তার সাথে সংযোজিত করেন এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর নির্মিত ভিত্তির পাথরগুলো উটের কুঁজোর ন্যায় আমি দেখতে পেয়েছি। (রাবী) জারীর (রহ.) বলেন, আমি তাকে (ইয়াযীদকে) বললাম, কোথায় সেই ভিত্তি মূলের স্থান? তিনি বললেন, এখনই আমি তোমাকে দেখিয়ে দিব। আমি তাঁর সাথে বাদ দেয়া দেয়াল বেষ্টনীতে (হাতীমে) প্রবেশ করলাম। তখন তিনি একটি স্থানের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, এখানে। জরীর (রহ.) বলেন, দেয়াল বেষ্টিত স্থানটুকু পরিমাপ করে দেখলাম ছয় হাত বা তার কাছাকাছি। (১২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بيان بن عمرو، حدثنا يزيد، حدثنا جرير بن حازم، حدثنا يزيد بن رومان، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لها " يا عايشة لولا ان قومك حديث عهد بجاهلية لامرت بالبيت فهدم، فادخلت فيه ما اخرج منه والزقته بالارض، وجعلت له بابين بابا شرقيا وبابا غربيا، فبلغت به اساس ابراهيم ". فذلك الذي حمل ابن الزبير رضى الله عنهما على هدمه. قال يزيد وشهدت ابن الزبير حين هدمه وبناه وادخل فيه من الحجر، وقد رايت اساس ابراهيم حجارة كاسنمة الابل. قال جرير فقلت له اين موضعه قال اريكه الان. فدخلت معه الحجر فاشار الى مكان فقال ها هنا. قال جرير فحزرت من الحجر ستة اذرع او نحوها
وَقَوْلِهِ تَعَالَى : (إِنَّمَا أُمِرْتُ أَنْ أَعْبُدَ رَبَّ هَذِهِ الْبَلْدَةِ الَّذِي حَرَّمَهَا وَلَهُ كُلُّ شَيْءٍ وَأُمِرْتُ أَنْ أَكُونَ مِنْ الْمُسْلِمِينَ) وَقَوْلِهِ جَلَّ ذِكْرُهُ (أَوَلَمْ نُمَكِّنْ لَهُمْ حَرَمًا آمِنًا يُجْبَى إِلَيْهِ ثَمَرَاتُ كُلِّ شَيْءٍ رِزْقًا مِنْ لَدُنَّا وَلَكِنَّ أَكْثَرَهُمْ لاَ يَعْلَمُونَ) ও মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আমি তো আদিষ্ট হয়েছি এ নগরীর প্রতিপালকের ‘ইবাদাত করতে। যিনি একে করেছেন সম্মানিত, সব কিছু তাঁরই। আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি, যেন আমি আত্মসমর্পণকারীদের অন্তর্ভুক্ত হই- (আন-নামালঃ ৯১)। এবং তাঁর বাণীঃ আমি কি তাদের এক নিরাপদ হারামে প্রতিষ্ঠিত করিনি, যেখানে সব রকম ফলমূল আমদানি হয় আমার দেয়া রিয্ক স্বরূপ? কিন্তু তাদের অধিকাংশই তা জানে না।’’ (আল-কাসাসঃ ৫৭) ১৫৮৭. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ (মক্কা) শহরকে আল্লাহ সম্মানিত করেছেন, এর একটি কাঁটাও কর্তন করা যাবে না, এতে বিচরণকারী শিকারকে তাড়া করা যাবে না, এখানে প্রচারের উদ্দেশ্য ব্যতীত পড়ে থাকা কোন বস্তু কেউ তুলে নিবে না। (১৩৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة " ان هذا البلد حرمه الله، لا يعضد شوكه، ولا ينفر صيده، ولا يلتقط لقطته الا من عرفها
لِقَوْلِهِ تَعَالَى : (إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَيَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِ اللهِ وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ الَّذِي جَعَلْنَاهُ لِلنَّاسِ سَوَاءً الْعَاكِفُ فِيهِ وَالْبَادِ وَمَنْ يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍ بِظُلْمٍ نُذِقْهُ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ) الْبَادِي الطَّارِي (مَعْكُوفًا) مَحْبُوسًا তার কেনা-বেচা এবং বিশেষভাবে মাসজিদুল হারামে সকল মানুষের সমান অধিকার। এ পর্যায়ে আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে ও মাসজিদুল হারাম থেকে মানুষকে নিবৃত্ত করে, যে মাসজিদুল হারামকে স্থানীয় ও বহিরাগত সব মানুষের জন্য সমান করেছি, আর যে ব্যক্তি তথায় ইচ্ছাপূর্বক অন্যায়ভাবে কোন পাপ কাজ করবে, আমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব।’’ (আল-হাজ্জঃ ২৫) الْبَادِي অর্থ হলো الطَّارِي (আগন্তুক) ও مَعْكُوفًا অর্থ হলো مَحْبُوسًا (আবদ্ধ) ১৫৮৮. উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি মক্কা্য় অবস্থিত আপনার বাড়ির কোন্ স্থানে অবস্থান করবেন? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘আকীল কি কোন সম্পত্তি বা ঘর-বাড়ি অবশিষ্ট রেখে গেছে? ‘আকীল এবং তালিব আবূ তালিবের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়েছিলেন, জা‘ফর ও ‘আলী (রাঃ) হননি। কেননা তাঁরা দু’জন ছিলেন মুসলিম। ‘আকীল ও তালিব ছিল কাফির। এজন্যই ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) বলতেন, মু’মিন কাফির-এর সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় না। ইবনু শিহাব (যুহরী) (রহ.) বলেন, (পূর্ববর্তীগণ নিম্ন উদ্ধৃত আয়াতে উক্ত বিলায়াতকে উত্তরাধিকার বলে) এই তাফসীর করতেন। আল্লাহ বলেনঃ ‘‘নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে, নিজেদের ধন ও প্রাণ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দান করেছে ও সাহায্য করেছে তারা একে অপরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি তাদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব তোমাদের নেই যে পর্যন্ত না তারা হিজরাত করে। আর যদি তারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাহায্য চায় তবে তাদের সাহায্য করা তোমাদের অবশ্য কর্তব্য, কিন্তু তোমাদের সাথে যে ক্বাওমের চুক্তি রয়েছে তাদের মুকাবিলায় নয়। তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ তা সবই দেখেন।’’ (আল-আনফালঃ ৭২)। (৩০৫৮, ৪২৮২, ৬৭৬৪, মুসলিম ১৫/৮০, হাঃ ১৩৫১, আহমাদ ২১৮২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اصبغ، قال اخبرني ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن اسامة بن زيد رضى الله عنهما انه قال يا رسول الله، اين تنزل في دارك بمكة. فقال " وهل ترك عقيل من رباع او دور ". وكان عقيل ورث ابا طالب هو وطالب ولم يرثه جعفر ولا علي رضى الله عنهما شييا لانهما كانا مسلمين، وكان عقيل وطالب كافرين، فكان عمر بن الخطاب رضى الله عنه يقول لا يرث المومن الكافر. قال ابن شهاب وكانوا يتاولون قول الله تعالى {ان الذين امنوا وهاجروا وجاهدوا باموالهم وانفسهم في سبيل الله والذين اووا ونصروا اوليك بعضهم اولياء بعض} الاية
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মিনা হতে ফিরে) যখন মক্কা্ প্রবেশের ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ আগামীকাল খায়ফ বনী কেনানায় (মুহাসসাবে) ইনশাআল্লাহ আমাদের অবস্থানস্থল হবে যেখানে তারা (বনূ খায়ফ ও কুরাইশরা) কুফরীর উপর শপথ করেছিল। (১৫৯০, ৩৮৮২, ৪২৮৩, ৪২৮৫, ৭৪৭৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ৭২৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني ابو سلمة، ان ابا هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين اراد قدوم مكة " منزلنا غدا ان شاء الله بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরবানীর দিনে মিনায় অবস্থানকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমরা আগামীকাল (ইনশাআল্লাহ) খায়ফ বনী কিনানায় অবতরণ করব, যেখানে তারা কুফরীর উপরে শপথ নিয়েছিল। (রাবী বলেন) খায়ফ বনী কিনানাই হলো মুহাসসাব। কুরায়শ ও কিনানা গোত্র বনূ হাশিম ও বনূ আবদুল মুত্তালিব-এর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল, যে পর্যন্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তাদের হাতে সমর্পণ করবে না সে পর্যন্ত তাদের সাথে বিয়ে-শাদী ও বেচা-কেনা বন্ধ থাকবে। সালামাহ (রহ.) ‘উকাইল (রহ.) সূত্রে এবং ইয়াহ্ইয়া ইবনু যাহ্হাক (রহ.) আওযায়ী (রহ.) সূত্রে ইবনু শিহাব যুহরী (রহ.) হতে বর্ণিত এবং তাঁরা উভয়ে [সালামাহ ও ইয়াহইয়া (রহ.)] বনূ হাশিম ও ইবনুল মুত্তালিব বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (বুখারী) (রহ.) বলেন, বনী মুত্তালিব হওয়াই অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। (১৫৮৯, মুসলিম ১৫/৫৯, হাঃ ১৩১৪, আহমাদ ১০৯৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا الوليد، حدثنا الاوزاعي، قال حدثني الزهري، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم من الغد يوم النحر وهو بمنى " نحن نازلون غدا بخيف بني كنانة حيث تقاسموا على الكفر ". يعني ذلك المحصب، وذلك ان قريشا وكنانة تحالفت على بني هاشم وبني عبد المطلب، او بني المطلب ان لا يناكحوهم، ولا يبايعوهم حتى يسلموا اليهم النبي صلى الله عليه وسلم. وقال سلامة عن عقيل ويحيى بن الضحاك عن الاوزاعي اخبرني ابن شهاب وقالا بني هاشم وبني المطلب. قال ابو عبد الله بني المطلب اشبه
بَابُ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى ২৫/৪৬. মহান আল্লাহ্র বাণীঃ بَابُ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ رَبِّ اجْعَلْ هَذَا الْبَلَدَ آمِنًا وَاجْنُبْنِي وَبَنِيَّ أَنْ نَعْبُدَ الأَصْنَامَ رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًا مِنَ النَّاسِ فَمَنْ تَبِعَنِي فَإِنَّهُ مِنِّي وَمَنْ عَصَانِي فَإِنَّكَ غَفُورٌ رَحِيمٌ رَبَّنَا إِنِّي أَسْكَنْتُ مِنْ ذُرِّيَّتِي بِوَادٍ غَيْرِ ذِي زَرْعٍ عِنْدَ بَيْتِكَ الْمُحَرَّمِ رَبَّنَا لِيُقِيمُوا الصَّلاَةَ فَاجْعَلْ أَفْئِدَةً مِنَ النَّاسِ تَهْوِي إِلَيْهِمْ) الآيَةَ ‘‘স্মরণ কর, ইবরাহীম বলেছিলেনঃ হে আমার প্রতিপালক! এ নগরীকে নিরাপত্তাময় করে দিন এবং আমাকে ও আমার সন্তান-সন্ততিকে মূর্তি পূজা থেকে দূরে রাখুন। হে আমার রব! এসব মূর্তি অনেক মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে; তাই যে ব্যক্তি আমার অনুসরণ করবে সে তো আমার দলভুক্ত, কিন্তু যে আমার কথা অমান্য করবে, আপনি তো পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। হে আমাদের রব! আমি আমার বংশধরদের মধ্য থেকে কতককে কৃষি অনুপযোগী অনুর্বর উপত্যকায় আপনার পবিত্র ঘরের কাছে আবাদ করেছি। হে আমাদের রব! যেন তারা সালাত কায়িম করে। সুতরাং আপনি কিছু লোকের অন্তর তাদের প্রতি আকৃষ্ট করে দিন এবং ফলাদি দিয়ে তাদের রুজীর ব্যবস্থা করুন, যাতে তারা শোকর করে।’’ (ইবরাহীমঃ ৩৫-৩৭) جَعَلَ اللَّهُ الْكَعْبَةَ الْبَيْتَ الْحَرَامَ قِيَامًا لِلنَّاسِ وَالشَّهْرَ الْحَرَامَ وَالْهَدْيَ وَالْقَلاَئِدَ ذَلِكَ لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الأَرْضِ وَأَنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ আল্লাহ মানুষের কল্যাণের জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছেন মহাসম্মানিত ঘর কা‘বাকে, সম্মানিত মাসকে, কুরবানীর জন্য কা‘বায় প্রেরিত পশুকে এবং গলায় মালা পরিহিত পশুকে। এর কারণ এই যে, তোমরা যেন জানতে পার যে, অবশ্যই আল্লাহ জানেন যা কিছু আছে আসমানে এবং যা কিছু আছে জমিনে, আর আল্লাহ তো সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ। (আল-মায়িদাহঃ ৯৭) ১৫৯১. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাবাশার অধিবাসী পায়ের সরু নলা বিশিষ্ট লোকেরা কা‘বাগৃহ ধ্বংস করবে। (১৫৯৬, মুসলিম ৫২/১৮, হাঃ ২৯০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، حدثنا زياد بن سعد، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يخرب الكعبة ذو السويقتين من الحبشة
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমাযানের সওম ফরজ হওয়ার পূর্বে মুসলিমগণ ‘আশূরার সওম পালন করতেন। সে দিনই কা‘বা ঘর (গিলাফে) আবৃত করা হতো। অতঃপর আল্লাহ যখন রমাযানের সওম ফরজ করলেন, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘আশূরার সওম যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে ছেড়ে দিবে। (১৮৯৩, ২০০১, ২০০২, ৩৮৩১, ৪৫০২, ৪৫০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৪৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها . وحدثني محمد بن مقاتل، قال اخبرني عبد الله هو ابن المبارك قال اخبرنا محمد بن ابي حفصة، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها قالت كانوا يصومون عاشوراء قبل ان يفرض رمضان، وكان يوما تستر فيه الكعبة، فلما فرض الله رمضان قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من شاء ان يصومه فليصمه، ومن شاء ان يتركه فليتركه